× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Search for oil in gas well number 10 in Sylhet
google_news print-icon

সিলেটে ১০ নম্বর গ্যাস কূপে তেলের সন্ধান

সিলেটে-১০-নম্বর-গ্যাস-কূপে-তেলের-সন্ধান
সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। ছবি: সংগৃহীত
নসরুল হামিদ বলেন, ‘যদি ২০ মিলিয়ন ঘনফুট হারে উৎপাদন করা হয় তাহলে ১৫ বছরের বেশি সময় এখান থেকে গ্যাস উত্তোলন করা যাবে। এর আগে ১৯৮৬ সালে হরিপুরে যে তেলের মজুত পাওয়া যায়, সেটা পাঁচ বছর সাস্তেইন করেছিল।’

সিলেটের ১০ নম্বর গ্যাস কূপের একটি স্তর থেকে জ্বালানি তেলের সন্ধান মিলেছে।

সচিবালয়ের নিজ দপ্তরে প্রেস ব্রিফিংয়ে রোববার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সিলেট ১০ নম্বর কূপের ওই অঞ্চলে আমরা দুই মাস আগে খনন কাজ শুরু করি। এ খনন কাজে চারটি স্তরে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায়। এর মধ্যে প্রথম স্তরে আমরা তেলের সন্ধান পেয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘রোববার এক হাজার ৩৯৭ মিটার থেকে এক হাজার ৪৪৫ মিটার গভীরতায় তেলের উপস্থিতি পাওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে ড্রিলিংয়ে সেখান থেকে ঘণ্টায় প্রায় ৩৫ ব্যারেলের মতো তেল উঠছে। কাজ শেষ হলে চার থেকে পাঁচ মাস পর তেলের মজুত জানা যাবে।’

নসরুল হামিদ বলেন, ‘দুই হাজার ৫৪০ ও দুই হাজার ৪৬০ মিটার গভীরতায় খনন সম্পন্ন হলে পুরো জায়গাটা আট থেকে ১০ বছর সাস্টেইন করবে।

‘যদি ২০ মিলিয়ন ঘনফুট হারে উৎপাদন করা হয় তাহলে ১৫ বছরের বেশি সময় সাস্টেইন করবে। এর আগে ১৯৮৬ সালে হরিপুরে যে তেলের মজুত পাওয়া যায়, সেটা ৫ বছর সাস্টেইন করেছিল।’

দুই ঘণ্টায় প্রায় ৭০ ব্যারেলের মতো তেল উঠেছে, তবে এর পর কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। এর পর সম্পূর্ণ মজুত জানা যাবে, তবে আমরা আশাবাদী মজুতটা স্থায়ী হবে।’

আরও পড়ুন:
দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে ভোলার গ্যাস ব্যবহারের দাবিতে মানববন্ধন
সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্রের মালামাল চুরির সময় আটক ছয়
ডিজেল রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা আংশিক প্রত্যাহার রাশিয়ার
লাকসামে গ্যাস সংযোগে জালিয়াতির অভিযোগ, তদন্তে কমিটি
বাঁশখালীতে নলকূপে গ্যাস, আতঙ্কে পরিবারের সদস্যরা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Govt ready to establish mass media on strong foundation State Minister for Information

গণমাধ্যমকে মজবুত ভিতের ওপর প্রতিষ্ঠা করতে সরকার প্রস্তুত: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

গণমাধ্যমকে মজবুত ভিতের ওপর প্রতিষ্ঠা করতে সরকার প্রস্তুত: তথ্য প্রতিমন্ত্রী তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত শুক্রবার চাঁদপুর প্রেসক্লাব চত্বরে প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী পরিষদের অভিষেক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। ছবি: নিউজবাংলা
মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেন, ‘গণমাধ্যম এখন শিল্প। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বিকাশ ছাড়া গণতন্ত্র পূর্ণতা পাবে না। এরকম বাস্তবতায় সরকার গণমাধ্যমকে পূর্ণাঙ্গভাবে সব সহায়তা দিতে প্রস্তুত। সে ক্ষেত্রে সরকার সাংবাদিকদের কাছ থেকে একই ধরনের সহযোগিতা চায়।’

গণমাধ্যমকে আরও শক্তিশালী ও মজবুত ভিতের ওপর প্রতিষ্ঠা করতে সরকার প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

শুক্রবার বিকেলে চাঁদপুর প্রেসক্লাব চত্বরে প্রেসক্লাবের ২০২৪ সালের কার্যনির্বাহী পরিষদের অভিষেক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।

চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহাদাত হোসেন শান্তর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী দীপু মনি। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ও টিভি টুডে-এর প্রধান সম্পাদক মনজুরুল আহসান বুলবুল, চাঁদপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ওচমান গণি পাটোয়ারী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বশির আহমেদ, চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদীপ্ত রায়, দৈনিক যুগান্তরের যুগ্ম সম্পাদক মহিউদ্দিন সরকার, চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র মো. জিল্লুর রহমান জুয়েল প্রমুখ।

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অণুজীব বিজ্ঞানী ড. সেঁজুতি সাহা, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. দেলোয়ার হোসেন মজুমদার এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত গীতিকার কবির বকুলকে অনুষ্ঠানে সংবর্ধনা দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী আলী আরাফাত বলেন, ‘গণমাধ্যম এখন শিল্প। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বিকাশ ছাড়া গণতন্ত্র পূর্ণতা পাবে না। এরকম বাস্তবতায় সরকার গণমাধ্যমকে পূর্ণাঙ্গভাবে সব সহায়তা দিতে প্রস্তুত। সে ক্ষেত্রে সরকার সাংবাদিকদের কাছ থেকে একই ধরনের সহযোগিতা চায়।’

তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যম ও সরকারের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে গণমাধ্যমের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা সুনিশ্চিত করা এবং গণমাধ্যম শিল্পকে আরও শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোর জন্য আমরা চেষ্টা করতে পারি। গণমাধ্যম কীভাবে সরকার বা কর্তৃপক্ষের জন্য সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে জবাবদিহি আনতে পারে, এমনকি সমালোচনা করতে পারে, সে কাজগুলোও আমরা করতে পারি।’

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘পেশাদার সাংবাদিকদের মধ্যে সাংবাদিকতায় শৃঙ্খলা আনার একটি দাবি রয়েছে। বঙ্গবন্ধু-কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার সাংবাদিকতাকে উন্মুক্ত ও অবারিত করেছেন, স্বাধীনতা দিয়েছেন। সেটা নিয়ন্ত্রণের কথা এখন সাংবাদিকরাই বলছেন।

‘সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে চায় না। তবে যে কোনো পেশায় কিছু অপেশাদার মানুষ চলে আসে। সেসব ক্ষেত্রে নিশ্চয়ই কিছু না কিছু শৃঙ্খলা আনার প্রয়োজন আছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো এই শৃঙ্খলা ও পেশাদারত্ব নিশ্চিত করে। গণমাধ্যম সেক্টরে সরকার যা কিছু করবে তা সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা ও পরামর্শের ভিত্তিতেই করবে।’

তিনি বলেন, সাংবাদিকদের সঙ্গে নিয়েই সরকার গুজব ও অপতথ্যকে মোকাবিলা করতে চায়। অপতথ্য ও গুজবের বিস্তার গণতন্ত্রকে যেমন ক্ষতিগ্রস্ত করবে, তেমনি গণমাধ্যম ও পেশাদার সাংবাদিকতাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করবে।’

আরও পড়ুন:
ফিলিস্তিন নিয়ে অপতথ্য রোধে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চান তথ্য প্রতিমন্ত্রী
ওআইসি সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্ক গেলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী
আরএসএফ প্রতিবেদনে বাস্তবতার প্রতিফলন নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
সাংবাদিকতার যোগ্যতা নির্ধারণ নিয়ে সাংবাদিকদেরই কথা বলতে হবে: আরাফাত
সোশ্যাল মিডিয়াকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে চান তথ্য প্রতিমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
New 7 state minister notification issued in the cabinet

শপথ নিয়েছেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী

শপথ নিয়েছেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রীকে শপথবাক্য পাঠ করান। ছবি: সংগৃহীত
বর্তমান মন্ত্রিসভায় যোগ দিতে সাতজনকে শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনে আমন্ত্রণ জানানো হয়। তবে নিয়োগপ্রাপ্তদের কে কোন মন্ত্রণালয় পাচ্ছেন তা জানানো হয়নি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান মন্ত্রিসভায় আরও সাতজন নতুন সদস্য শপথ নিয়েছেন। ফলে মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৪ জন। তবে নিয়োগপ্রাপ্তদের কে কোন মন্ত্রণালয় পাচ্ছেন তা জানানো হয়নি।

শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বঙ্গভবনে নতুন প্রতিমন্ত্রীদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান শুরু হয়। তাদের শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন।

শপথ নেয়া নতুন প্রতিমন্ত্রীরা হলেন- রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আব্দুল ওয়াদুদ, নওগাঁ-২ আসনের এমপি শহীদুজ্জামান সরকার, চট্টগ্রাম-১৪ আসনের এমপি নজরুল ইসলাম চৌধুরী, সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন্নাহার চাঁপা (টাঙ্গাইল), সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা ও অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ওয়াসিকা আয়শা খান (চট্টগ্রাম), সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ও শহীদ কর্নেল নাজমুল হুদার মেয়ে নাহিদ ইজহার খান (ঢাকা), সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা (জয়পুরহাট)।

শপথ নিয়েছেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান মন্ত্রিসভায় নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ দিয়ে শুক্রবার প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। বর্তমান মন্ত্রিসভায় যোগ দিতে তাদেরকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনে আমন্ত্রণ জানানো হয়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেনের সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (২) দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি আজ শুক্রবার ৭ জনকে সরকারের প্রতিমন্ত্রী পদে নিয়োগ দিয়েছেন।’

প্রসঙ্গত, ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে বিজয়ী হয়ে টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা ৩৭। প্রধানমন্ত্রীর বাইরে পূর্ণ মন্ত্রী ২৫ জন এবং প্রতিমন্ত্রী ১১ জন। নতুন নিয়োগের মধ্য দিয়ে প্রতিমন্ত্রীর সংখ্যা দাঁড়ালো ১৮ জন।

আরও পড়ুন:
সম্প্রসারিত মন্ত্রিসভায় চট্টগ্রামের ওয়াসিকা ও নজরুল
মন্ত্রিসভা বড় হচ্ছে, শপথ শুক্রবার
সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের পর মন্ত্রিসভার আকার বাড়বে: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Building owners dont want to leave an inch of space PM

ভবন মালিকরা এক ইঞ্চি জায়গা ছাড়তে চান না: প্রধানমন্ত্রী

ভবন মালিকরা এক ইঞ্চি জায়গা ছাড়তে চান না: প্রধানমন্ত্রী জাতীয় বিমা দিবস উপলক্ষে শুক্রবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: ইয়াসিন কবির জয়/ফোকাস বাংলা
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৪৫ জন লোক মারা গেছে। এর থেকে কষ্টের আর কী হতে পারে? অথচ ফায়ার এক্সটিংগুইশার (অগ্নিনির্বাপক) লাগানো, ফায়ারের নিরাপত্তা ব্যবস্থার বারবার আমরা নির্দেশ দিচ্ছি, সেটা কিন্তু আর মানে না। আর আমি জানি, নিশ্চয়ই ইন্স্যুরেন্স কিছুই নাই। কাজেই তারা বিনিময়ে কিছু পাবেও না।’

বহুতল ভবন নির্মাণের সময় অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থায় জোর দিয়ে মালিকদের মানসিকতার সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জাতীয় বিমা দিবস উপলক্ষে শুক্রবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব্যে তিনি এ সমালোচনা করেন।

বক্তব্যে বিমার প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিভিন্ন ধরনের বিমা এখন যে চালু করা হয়েছে, এটা আমি মনে করি, মানুষকে আরও নিরাপত্তা দেবে, তবে এখানে একটা কথা না বলে আর পারছি না। কারণ এখানে আমি নিজে প্রত্যক্ষদর্শী এবং আমি নিজেই সেটা দেখেছি। অনেক সময় বিমা নিয়ে অনেকেই আবার নানা ধরনের ব্যবসাও করে। হয়তো কোথাও একটু দেখাল আগুন লেগেছে। ক্ষতির পরিমাণ যতটুকু না, তার থেকে খুব বেশি দাবি করে বসে।

‘এই দাবি শুধু করে না, যারা যায় পরীক্ষা করতে, তাদেরও ম্যানেজ করে ফেলে। ফলে বিরাট অঙ্কের টাকা বেরিয়ে যায়। এ রকম দুই-একটা কেস আমি নিজে ধরেছি।’

রাজধানীর বেইলি রোডে ‘কাচ্চি ভাই’ নামের রেস্তোরাঁর ভবনে বৃহস্পতিবার রাতে ধরা আগুনে ৪৬ জনের প্রাণহানির বিষয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‘এই যে আজকেই আপনারা দেখেন, বেইলি রোডে যে আগুনটা লাগল, সেখানে একটা মাল্টি-স্টোরিড বিল্ডিং (বহুতল ভবন)। সেখানে কোনো ফায়ার এক্সিট (অগ্নিকাণ্ডে জরুরি বহির্গমন পথ) নেই এবং সাধারণত আমি সবসময় আমাদের যারা আর্কিটেক্ট (স্থপতি), তাদের রিকোয়েস্ট করি যে, আপনারা অন্ততপক্ষে যখন ঘরবাড়ি তৈরি করেন, একটু খোলা বারান্দা, ফায়ার এক্সিট বা ভেন্টিলেশনের (বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা) ব্যবস্থা করবেন, কিন্তু যারা তৈরি করতে চায়, আর্কিটেক্টরা ওই রকম ডিজাইন ঠিকমতো করবে না। আবার মালিকরাও এক ইঞ্চি জায়গা ছাড়তে চায় না।’

আগুনে এত মানুষের প্রাণহানি নিয়ে তিনি বলেন, ‘৪৫ জন লোক মারা গেছে। এর থেকে কষ্টের আর কী হতে পারে? অথচ ফায়ার এক্সটিংগুইশার (অগ্নিনির্বাপক) লাগানো, ফায়ারের নিরাপত্তা ব্যবস্থার বারবার আমরা নির্দেশ দিচ্ছি, সেটা কিন্তু আর মানে না। আর আমি জানি, নিশ্চয়ই ইন্স্যুরেন্স কিছুই নাই। কাজেই তারা বিনিময়ে কিছু পাবেও না।’

আরও পড়ুন:
অপরাধের নতুন ধরন মোকাবিলায় পুলিশকে প্রস্তুতি নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে থাকবে
নিজের লেখা দুটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী
সরকারিভাবে বড় ইফতার পার্টি না করার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর
সরকার অফশোর গ্যাস উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bailey Road fire President and Prime Minister mourn

বেইলি রোডে আগুন: রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক

বেইলি রোডে আগুন: রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক বেইলি রোডে আগুনের ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। কোলাজ: নিউজবাংলা
প্রধানমন্ত্রী এ সময় আগুনে পুড়ে প্রাণ হারানোদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।

রাজধানীর বেইলি রোডে আগুনের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপ্রধান শুক্রবার এক শোকবার্তায় আগুনে প্রাণ হারানোদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। খবর বাসসের

সেই সঙ্গে তিনি গতকালের এ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় আগুনে পুড়ে প্রাণ হারানোদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।

তিনি আহতদের দ্রুত চিকিৎসা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাৎক্ষণিক নির্দেশনা দিয়েছেন এবং আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে নিয়োজিত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

আরও পড়ুন:
বিস্ফোরণ নয়, সিলিন্ডারের ছেড়ে দেয়া গ্যাসে ভাসানচরে অগ্নিকাণ্ড
শাহজাহানপুরে গ্যাস লিকেজ থেকে আগুনে দগ্ধ ৭
শেরপুরে আগুনে পুড়ে দাদি-নাতির মৃত্যু
ভাসানচরে আগুন: দগ্ধ আরও এক রোহিঙ্গা শিশুর মৃত্যু
আগুন নিঃস্ব করল নিঃসঙ্গ বৃদ্ধ চা শ্রমিককে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Today is the first day of Agnijhra March

অগ্নিঝরা মার্চের প্রথম দিন আজ

অগ্নিঝরা মার্চের প্রথম দিন আজ
‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’- বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের এই পঙক্তি বাঙালি জাতিকে ইস্পাত কঠিন দৃঢ়তায় বলীয়ান করে তোলে। এই মার্চেই বাঙালি বিদায় জানায় পাকিস্তানকে।

অগ্নিঝরা মার্চের প্রথম দিন আজ শুক্রবার। বাঙালির জীবনে নানা কারণে মার্চ মাস অন্তর্নিহিত শক্তির উৎস। এ মাসেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’- বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টার এই পঙক্তি বাঙালি জাতিকে ইস্পাত কঠিন দৃঢ়তায় বলীয়ান করে তোলে। এই মার্চেই বাঙালি বিদায় জানায় পাকিস্তানকে।

১৯৭১-এর ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওর্য়াদী উদ্যান) এই ঐতিহাসিক ভাষণের সময় মুহুর্মুহু গর্জনে উত্তাল ছিল জনসমুদ্র। লাখো কণ্ঠের একই আওয়াজ উচ্চারিত হতে থাকে দেশের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে। ঢাকাসহ গোটা দেশে পত্‌ পত্‌ করে উড়তে থাকে সবুজ জমিনের ওপর লাল সূর্যের পতাকা।

১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ভাষার দাবিতে যে আগুন জ্বলে উঠেছিল সেই আগুন যেন ছড়িয়ে পড়ে বাংলার সর্বত্র। এরপর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন, ৬৬-এর ছয় দফা এবং ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের সিঁড়ি বেয়ে একাত্তরের মার্চ বাঙালির জীবনে নিয়ে আসে নতুন বারতা।

একাত্তরের ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা করেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা। এর আগে ২৫ মার্চ রাত ১টার অল্প পর বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানি সৈন্যরা গ্রেপ্তার করে তার বাড়ি থেকে।

বাঙালির কণ্ঠ চিরতরে স্তব্ধ করে দিতে ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানিরা ‘অপারশেন সার্চলাইট’ নামে শুরু করে বাঙালি নিধন। ঢাকার রাস্তায় বেরিয়ে সৈন্যরা নির্বিচারে হাজার হাজার লোককে হত্যা করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ছাত্র-শিক্ষককে হত্যা করে।

এর পরের ঘটনাপ্রবাহ প্রতিরোধের ইতিহাস। বঙ্গবন্ধুর আহবানে ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলা হয়। আবালবৃদ্ধবনিতা যোগ দেন মহান মুক্তিযুদ্ধে। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র যুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জনের মধ্যদিয়ে জাতি লাভ করে স্বাধীনতা।

এ মাসেই জাতি পালন করবে মহান স্বাধীনতার ৫৪ বছর। এ উপলক্ষে মাসের প্রথম দিন থেকেই শুরু হবে সভা-সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। নানা আয়োজনে মুখর থাকবে গোটা দেশ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The cabinet is being sworn in on Friday

মন্ত্রিসভা বড় হচ্ছে, শপথ শুক্রবার

মন্ত্রিসভা বড় হচ্ছে, শপথ শুক্রবার
বর্তমান মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রীর বাইরে পূর্ণ মন্ত্রী রয়েছেন ২৫ জন এবং প্রতিমন্ত্রী ১১ জন। ৩৭ সদস্যের এই মন্ত্রিসভায় কোনো উপমন্ত্রী নেই। এর মধ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে বর্তমানে আলাদা মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী নেই। কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী থাকলেও পূর্ণ মন্ত্রী নেই। আবার পূর্ণ মন্ত্রী থাকলেও প্রতিমন্ত্রী নেই।

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন দ্বাদশ জাতীয় সংসদের মন্ত্রিসভার আকার বাড়ছে। মন্ত্রিসভায় নতুন করে যারা যুক্ত হচ্ছেন তাদের শপথ হতে পারে শুক্রবার।

সরকার-সংশ্লিষ্ট উচ্চ পর্যায়ের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বর্তমান মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রীর বাইরে পূর্ণ মন্ত্রী রয়েছেন ২৫ জন এবং প্রতিমন্ত্রী ১১ জন। ৩৭ সদস্যের এই মন্ত্রিসভায় কোনো উপমন্ত্রী নেই। এর মধ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে বর্তমানে আলাদা মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী নেই। এগুলোর দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর হাতে রয়েছে।

কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী থাকলেও পূর্ণ মন্ত্রী নেই। আবার পূর্ণ মন্ত্রী থাকলেও প্রতিমন্ত্রী নেই। মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণে এই বিষয়গুলো বিবেচনায় আসতে পারে বলে আলোচনা আছে।

সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচনের পর মন্ত্রিসভার আকার বাড়বে- এমন একটি আলোচনা সরকার শপথ গ্রহণের পর থেকেই ছিল। এ বিষয়ে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের পর বর্তমান মন্ত্রিসভার পরিধি বাড়তে পারে বলে কিছুদিন আগে সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত সংরক্ষিত নারী আসনের ৫০ জন সংসদ সদস্যের শপথ হয়েছে বুধবার। এরপর থেকে মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানোর বিষয়টি নেতাকর্মীদের মুখে মুখে আলোচিত হতে থাকে।

প্রসঙ্গত, ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর ১১ জানুয়ারি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। ওইদিন প্রধানমন্ত্রীসহ ৩৭ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন।

আরও পড়ুন:
সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের পর মন্ত্রিসভার আকার বাড়বে: কাদের
জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা মন্ত্রিসভার সদস্যদের
ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিসভার সদস্যদের
বাজিমাত করলেন আরাফাত
পররাষ্ট্রের গুরুদায়িত্বে হাছান মাহমুদ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
How much is the price of electricity increasing in which sector?

কোন খাতে কত বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

কোন খাতে কত বাড়ছে বিদ্যুতের দাম
দাম বাড়ালেও সমন্বয়টা বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের ওপর দিয়ে বেশি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

এক বছরের মাথায় গ্রাহক পর্যায়ে ফের বাড়ছে বিদ্যুতের দাম। সরকারের নির্বাহী আদেশে গ্রাহক পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম খুচরা পর্যায়ে সাড়ে আট শতাংশ ও পাইকারি পর্যায়ে ৫ দশমিক শূন্য ৭৪ শতাংশ বাড়ানো হচ্ছে। নতুন দর অনুসারে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতে গ্রাহককে অতিরিক্ত গুনতে হবে ৭০ পয়সা। চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের বিল থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর করা হবে।

নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের নতুন দাম নির্ধারণ করে বৃহস্পতিবার প্রজ্ঞাপন জারি করছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যুতে ভর্তুকিতে ডলারের তারতম্যটাই মূল বিষয়। গ্যাসের দামও ঊর্ধ্বমুখী। ফলে এবার বিদ্যুতের ভর্তুকি গিয়ে দাঁড়াবে ৪৩ হাজার কোটি টাকায়। সে কারণে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দাম সমন্বয়ে যেতে হবে। আমরা ধীরে ধীরে কয়েক বছর ধরে মূল্য সমন্বয়ে যাব।’

নিচের দিকে ইউনিট প্রতি বিদ্যুতের দাম ৩৪ পয়সা বাড়ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ওপরের দিকে ৭০ পয়সা বাড়বে। অর্থাৎ নিচের দিকে ৫ শতাংশ ও ওপরের দিকে দাম বাড়বে সাড়ে ৮ শতাংশের মতো। ফলে মাসশেষে হয়ত ১০০ টাকায় ৫ থেকে ৮ টাকা বাড়তি দিতে হতে পারে।’

প্রতিমন্ত্রী জানান, ডলারের দামের তারতম্যের কারণে বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ প্রায় ১২ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে, যা আগে ৭ থেকে ৮ টাকা ছিল। বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ৭ টাকায় বিক্রি করছে সরকার।

তবে দাম বাড়ালেও সমন্বয়টা বেশি ব্যবহারকারীদের ওপর দিয়ে বেশি করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

বিদ্যুতের দাম সমন্বয়ের কারণে জনজীবনে এর প্রভাব কেমন পড়বে- এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিশেষজ্ঞদের কথায় মনে হচ্ছে, অত বেশি পরিবর্তন ঘটবে না। খুব বেশি প্রভাব পড়বে না।’

নতুন মূল্য কার্যকরের সময় জানাতে তিনি বলেন, ‘ডায়নামিক প্রাইসে (পরিবর্তিত মূল্যে) তেলের দাম নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। ১ মার্চ থেকে সেটি কার্যকর করা শুরু হবে। আর বিদ্যুতের দাম যেটা বেড়েছে, সেটা ১ ফেব্রুয়ারি থেকেই কার্যকর হবে।’

নসরুল হামিদ বলেন, ‘আমরা জ্বালানির দাম সমন্বয় করেছি বিদ্যুতে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো যে দামে গ্যাস নিত, সেখানে আমরা ৭০ পয়সার মতো সমন্বয় করেছি। আর তেলের দামও ডায়নামিক প্রাইসে নির্ধারণ করা হয়েছে।

‘কয়লা, তেল ও গ্যাসসহ জ্বালানি আমরা যে দামে কিনতাম, সেখানে একটা ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। গত বছরে মারাত্মকভাবে এ পরিবর্তন এসেছে, যে কারণে ডলারের সঙ্গে জ্বালানির দাম সমন্বয় করার চিন্তাভাবনা করছিলাম। জ্বালানির ব্যাপারেও একটা ডায়নামিক প্রাইসের দিকে যাচ্ছি, যেটা পয়লা মার্চ থেকে শুরু হবে। কাল-পরশুর মধ্যেই এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।’

ডায়নামিক প্রাইসের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিশ্বে যদি জ্বালানির দাম বাড়ে, তাহলে আমাদের দেশেও সেটার সঙ্গে সমন্বয় করে বাড়বে। আবার বিশ্বে যদি কমে, আমাদের দেশেও কমবে।

‘এটা প্রতি মাসের প্রথম সপ্তাহে করা হবে। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ প্রতিদিন এটা করে। যেমন কলকাতার কথা যদি বলি, সেখানে এক লিটার ডিজেলের দাম ১৩৩ টাকা। আমাদের দেশে ডিজেলের দাম ১০৯ টাকা।’

এভাবে গ্যাসের দামও সরকারকে ডলারের সঙ্গে সমন্বয় করতে হচ্ছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘গ্যাস আমদানি সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। আমরা যদি তা সারের সঙ্গে যদি মিক্স করি, তাহলে ২৪ টাকার ওপরে পড়ে যায়। সারকে এ গ্যাস দিচ্ছি ১৬ টাকা রেটে, বিদ্যুতকে দিচ্ছি ১৪ টাকা রেটে। যে কারণে গ্যাসের দাম ১৪ টাকা ৭০ পয়সা করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
মার্চ নয়, বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য ফেব্রুয়ারি থেকেই কার্যকর

মন্তব্য

p
উপরে