× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Cheating in Primary Recruitment Exam Detention 87 Expulsion 93
google_news print-icon

প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষায় নানা কৌশলে প্রতারণা: আটক ৮৭, বহিষ্কার ৯৩

প্রাথমিকের-নিয়োগ-পরীক্ষায়-নানা-কৌশলে-প্রতারণা-আটক-৮৭-বহিষ্কার-৯৩
ফাইল ছবি
শুক্রবার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৩-এর প্রথম পর্বের পরীক্ষায় সর্বোচ্চ ৩৭ জনকে আটক করা হয়েছে গাইবান্ধা জেলায়। এ ছাড়া দিনাজপুরে ১৮, লালমনিরহাটে ১৩, কুড়িগ্রামে ১২, ঠাকুরগাঁওয়ে ৭ ও ঝালকাঠিতে একজনকে আটক করা হয়েছে বলে খবর মিলেছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও মোবাইল ব্যবহারসহ বিভিন্ন অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে দেশের ছয় জেলার বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে মোট ৮৭ জনকে আটক করার খবর পাওয়া গেছে। ওই ৮৭ জনসহ মোট ৯৩ জনকে কেন্দ্র থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

শুক্রবার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৩-এর প্রথম পর্বের পরীক্ষায় সর্বোচ্চ ৩৭ জনকে আটক করা হয়েছে গাইবান্ধা জেলায়। এ ছাড়া দিনাজপুরে ১৮, লালমনিরহাটে ১৩, কুড়িগ্রামে ১২, ঠাকুরগাঁওয়ে ৭ ও ঝালকাঠিতে একজনকে আটক করা হয়েছে বলে খবর মিলেছে।

গাইবান্ধায় ৩৭ জনের নামে মামলা

গাইবান্ধায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও মোবাইল ব্যবহারের মাধ্যমে জালিয়াতির অভিযোগে আটক পরীক্ষার্থীসহ ৩৭ জনের নামে মামলা হয়েছে।

শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে পরীক্ষা চলাকালে জেলার বিভিন্ন কেন্দ্র ও স্থান থেকে তাদের আটক করে র‍্যাব-১৩ গাইবান্ধা ক্যাম্পের সদস্যরা।

আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ৩২ জন এই নিয়োগ পরীক্ষার পরীক্ষার্থী এবং পাঁচজন বহিরাগত বলে জানান র‍্যাব-১৩ রংপুর বিভাগের অধিনায়ক কমান্ডার আরাফাত ইসলাম।

গাইবান্ধার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) দেওয়ান মওদুদ আহমেদ মোবাইল ফোনে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘প্রথম ধাপের গাইবান্ধার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সহায়তা নেয়া হয়েছে। তারা বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে পরীক্ষায় ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও মোবাইল ব্যবহার করে অসদুপায়ে পরীক্ষা দেয়ার সময় ৩৭ জনকে আটক করে এবং কেন্দ্র থেকেই ৩৬ জনকে বহিষ্কার করা হয়।’

সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-১৩ রংপুর বিভাগের অধিনায়ক কমান্ডার আরাফাত ইসলাম জানান, অভিযান চালিয়ে গাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে থেকে ৩২ জন পরীক্ষার্থী ও এই চক্রের হোতা মারুফ, মুন্না, সোহেল, নজরুল ও সোহাগসহ মোট ৩৭ জনকে আটক করা হয়। পরে তাদের কাছ থেকে ২২টি মাস্টার কার্ড, ১৯টি ব্লুটুথ ডিভাইস, ১৬টি মোবাইল, স্ট্যাম্প ও ব্যাংক চেক উদ্ধার করা হয়।

তিনি বলেন, ‘আটককৃত পরীক্ষার্থীরা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় ইলেকট্রনিক ডিভাইস এবং মোবাইলের মাধ্যমে সুকৌশলে পরীক্ষা দিয়ে আসছিলেন। চক্রের এই পাঁচ হোতা বিভিন্ন পরীক্ষার্থীকে ১৪ থেকে ১৮ লাখ টাকায় চাকরি দেয়ার শর্তে অংশগ্রহণ করায়। এর মধ্যে এই চক্রের সোহেল নামে এক সদস্য ডিভাইস সংগ্রহ ও বিতরণ করতেন, নজরুল পরীক্ষার্থী সংগ্রহ করতেন এবং মারুফ ও মুন্না বেইরে থেকে প্রশ্নপত্র সমাধান করে পরীক্ষার্থীদের কাছে সরবরাহ করতেন।

‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা নিজেদের জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত চক্রের অন্যান্য সদস্যদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে। পাশাপাশি আটককৃতদের নামে মামলা করে গাইবান্ধা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’

উল্লেখ্য, গাইবান্ধার সাত উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে প্রায় ৭০০টি শূন্য পদের বিপরীতে চাকরিপ্রার্থী ৩০ হাজার ৮৮ জন। এর মধ্যে উপস্থিত ২২ হাজার ৮১৩ জন পরীক্ষার্থী জেলার সদর, পলাশবাড়ি ও ফুলছড়িসহ তিন উপজেলার মোট ৪৭টি কেন্দ্রে সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত এক ঘণ্টার লিখিত (বহু নির্বাচনি) প্রথম ধাপের পরীক্ষায় অংশ নেন।

দিনাজপুরে আটক ১৮ পরীক্ষার্থী

দিনাজপুরের ৮টি পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ ১৮ জন পরীক্ষার্থীকে আটক করেছে পুলিশ। আটকের পর তাদের বহিষ্কার করে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এ নিয়োগ পরীক্ষার ৮টি কেন্দ্র থেকে তাদের আটক করা হয় বলে জানান দিনাজপুর কোতয়ালী থানার ওসি ফরিদ হোসেন।

আটককৃতরা হলেন- বিরল উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের মো. আজহারুল ইসলামের ছেলে ৩২ বছর বয়সী মো. কামরুজ্জামান, একই উপজেলার রানীপুর গ্রামের আবুল কাদেরের স্ত্রী ২৬ বছর বয়সী রাহেনা খাতুন; বীরগঞ্জ উপজেলার এলেঙ্গা গ্রামের প্রদীপ রায়ের স্ত্রী ৩৩ বছর বয়সী শেফালী রায়, একই উপজেলার পশ্চিম কালাপুকুর গ্রামের তাশদিকুল আলমের ছেলে ৩০ বছর বয়সী মো. মনিরুজ্জামান, কগিরপাড়ার সিরাজুল ইসলামের ছেলে ৩১ বছর বয়সী জামিল বাদশা ও বনগাঁও গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে ২৮ বছর বয়সী মো. রাকিব; দিনাজপুর সদর উপজেলার মুরাদপর গ্রামের বেলাল হোসেনের স্ত্রী ২৮ বছর বয়সী মুসলিমা খাতুন, একই উপজেলার দাইনুর গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে ২৮ বছর বয়সী শরিফুল আলম, ঘুঘুডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল সালামের মেয়ে ২৮ বছর বয়সী উম্মে সালমা ও খানপুর গ্রামের সুলতান মাহমুদের মেয়ে ২৯ বছর বয়সী নাসরিন জাহান; চিরিরবন্দর উপজেলার দক্ষিণ আলোকদিঘী গ্রামের ২৭ বছর বয়সী কবিতা রানী রায়, একই উপজেলার দক্ষিণ আলোকদিঘী গ্রামের যতিশ চন্দ্র রায়ের ছেলে ৩৪ বছর বয়সী সবজ চন্দ্র রায়; হাকিমপুর উপজেলার মাধবপাড়ার গোলাম বিকরিয়ার স্ত্রী ২৬ বছর বয়সী জাকিয়া ফেরদৌস; বিরামপুর উপজেলার দক্ষিণ দায়োরপুর গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে ৩২ বছর বয়সী মহিদুল ইসলাম; নবাবগঞ্জ উপজেলার মতিহারা গ্রামের আবু তালেব সরকারের মেয়ে ৩১ বছর বয়সী তানিয়া মোশতাবী; বোচাগঞ্জ উপজেলার শহিদপাড়ার আব্দুল গফুর মোল্যার ছেলে ২৯ বছর বয়সী সায়েম মোল্যা তন্ময়; ফরিদপুর জেলার নগরবান্দা থানার দফা গ্রামের ফারুক মাতব্বরের মেয়ে ২০ বছর বয়সী উর্মিলা আক্তার এবং ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার বকুয়া গ্রামের আশরাফুল ইসলামের ছেলে ২৭ বছর বয়সী সুজন আলী।

ওসি ফরিদ হোসেন বলেন, ‘সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত শহরের ৮টি পরীক্ষা কেন্দ্রে কর্মকর্তারা ১৮ জনকে ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষা দেয়ার অভিযোগে আটক করেন। পরে তাদেরকে পুলিশে কাছে সোপর্দ করেন তারা।

‘আটককৃত ১৮ জনের মধ্যে ৯ জন নারী ও ৯ জন পুরুষ রয়েছেন। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’

লালমনিরহাটে বহিষ্কার ১৬, ১৩ জনের নামে মামলা

লালমনিরহাটের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় একই অভিযোগে ১৬ পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়। এদের মধ্যে অপরাধ বিবেচনা করে ১৩ জনকে পুলিশে সোপর্দ করা হয় যাদের নামে পরে মামলা হয়েছে। এ ছাড়া বাকি তিনজনকে কেন্দ্র থেকে সরাসরি বহিষ্কার করা হয়।

লালমনিরহাট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার স্বপন কুমার চৌধুরী বলেন, ‘জেলায় মোট ১৬ হাজার ৩২৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১২ হাজার ৪২৭ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে পরীক্ষা চলাকালে ইলেকট্রনিক ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে জালিয়াতি করার কারণে ১৬ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে অপরাধ বিবেচনায় ১৩ জনকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।

ওই ১৩ জন পরীক্ষার্থীকে আসামি করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস মামলা করেছে বলে জানান তিনি।

লালমনিরহাট সদর থানার ওসি মো. ওমর ফারুক বলেন, ‘আটককৃতদের মধ্যে ১০ জন নারী ও তিনজন পুরুষ রয়েছে। পরীক্ষা কেন্দ্রের হল সুপার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটরা তাদের আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। পরীক্ষা আয়োজক কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আটক আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।’

কুড়িগ্রামে বহিষ্কার ১৫, পুলিশে দেয়া হয়েছে ১২ জনকে

কুড়িগ্রামে নিয়োগ পরীক্ষা চলাকালে ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ ধরা পড়ে মোট ১৫ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার হয়েছেন। এদের মধ্যে ১২ জনকে আটক করে পুলিশে দেয়া হয়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. নবেজ উদ্দিন সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার এ কুড়িগ্রামের ৪৫টি কেন্দ্রে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় মোট ২৬ হাজার ৮০৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়ার কথা থাকলেও পরীক্ষায় অংশ নেন ২০ হাজার ৭১ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৬ হাজার ৭৩৪ জন।

ঠাকুরগাঁওয়ে আটক ৭ পরীক্ষার্থী

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় কেন্দ্রে ডিজিটাল ডিভাইস ব্যাবহার ও অবৈধভাবে ওএমআর শিট নিয়ে প্রবেশের অভিযোগে মোট সাত পরীক্ষার্থী আটক হয়েছেন। এদের মধ্যে চার যুবক ডিভাইস ব্যবহার করার অভিযোগে এবং তিন নারী পরীক্ষার্থী ওএমআর শিট নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের অভিযোগে আটক হন। ধরা পড়ার পর ওই সাতজনকে তাৎক্ষণিক বহিষ্কার করে পুলিশে দেয়া হয়।

আটককৃত চার যুবক হলেন- রাণীশংকৈল উপজেলার বাজে বকশা গ্রামের পঞ্চানন চন্দ্রের ছেলে টংকনাথ বর্মণ; তিনি পুলিশ লাইন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে আটক হন। একই উপজেলার আলশিয়া গ্রামের মো. হুমায়ুনের ছেলে সোহানুর রহমান; তিনি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে আটক হন। বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার আলোকসিপি গ্রামের হাসান আলীর ছেলে আনোয়ার খালিদ সরকারি কলেজ কেন্দ্র থেকে আটক হন। পীরগঞ্জ উপজেলার পাটুয়া পাড়া গ্রামের আজিম উদ্দীনের ছেলে ওমর ফারুক। তিনি কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে আটক হন।

তিন নারী পরীক্ষার্থী হলেন- পীরগঞ্জ উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামের সামিরুল ইসলামের স্ত্রী মোছা. আর্জিনা; তিনি আর কে স্টেট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে আটক হন। এ ছাড়া বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার হরিণমারি গ্রামের আনিসুর রহমানের স্ত্রী হাসনা হেনা এবং সদর উপজেলার রুহিয়া মধুপুর গ্রামের আজহারুলের স্ত্রী রোড ডিগ্রি কলেজ থেকে আটক হন।

এসব তথ্য নিশ্চিৎ করে ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি ফিরোজ কবির জানান, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় চারজন ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার ও অবৈধভাবে ওএমআর শিট নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ ও ব্যবহার করার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ আটককৃতদের পুলিশে সোপর্দ করে। এ বিষয়ে আইনগত পক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ঝালকাঠিতে প্রক্সি দিতে এসে ধরা যুবক

অন্যের হয়ে সরকারি চাকরির পরীক্ষা দিতে এসে ঝালকাঠিতে আটক হয়েছেন এক পরীক্ষার্থী। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৩-এর প্রথম পর্বের জেলা পর্যায়ের লিখিত পরীক্ষা চলাকালে অবৈধ ইলেকট্রনিক ডিভাইসহ তাকে আটক করা হয়।

আটককৃত ওই যুবকের নাম অভি চন্দ্র দাস। ২২ বছর বয়সী অভির বাড়ি ঝালকাঠি সদর উপজেলার কীর্তিপাশা ইউনিয়নে। সেখানকার গোবিন্দ ধবল গ্রামের অরুণ চন্দ্র দাসের ছেলে তিনি।

রাজাপুর উপজেলায় গালুয়া ইউনিয়নের কানুদাসকাঠি গ্রামের গণি হাওলাদারের ছেলে ইব্রাহীম নামের মুল পরীক্ষার্থীর পক্ষে প্রক্সি দিতে আসেন তিনি। শুক্রবার ঝালকাঠি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ডিভাইসে যান্ত্রিক ত্রুটি কল্যাণে তিনি ধরা পড়েন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ দিন সকাল ১০টায় শুরু হওয়া এক ঘণ্টার পরীক্ষার ৩০ মিনিট অতিবাহিত হওয়ার পর অভির কানে বসানো ইলেট্রনিক ডিভাইসটিতে টিট টিট আওয়াজ দিতে থাকে। বিষয়টি হল পরিদর্শকের নজরে এলে তিনি অভিকে আসন থেকে উঠিয়ে কেন্দ্র পরিদর্শক মো. আব্দুল করিমের কাছে নিয়ে যান। সেখানে থাকা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট হাসান মোহাম্মদ সোয়াইব এবং কেন্দ্রের সুপারইন্টেনডেন্ট অধ্যক্ষ জিন্নাত রেহানা ফেসদৌসী ওই পরীক্ষার্থীর কাগজপত্র যাচাই করে তার প্রক্সির বিষয়টি নিশ্চিত হন।

এ ঘটনায় প্রকৃত পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার এবং দুপরে অভিকে সদর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

সদর থানার ওসি নাসির উদ্দিন সরকার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রীয়া চলছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জড়িতদের তথ্য বের করা হবে।’

নিউজবাংলার গাইবান্ধা, দিনাজপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, ঠাকুরগাঁও ও ঝালকাঠি প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য নিয়ে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার: দিনাজপুরে ১৮ পরীক্ষার্থী আটক
প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ: প্রথম গ্রুপের পরীক্ষা সম্পন্ন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
In three months 143 Rohingyas were arrested with fake passports and 23 Ansars

তিন মাসে ১৪৩ রোহিঙ্গার ভুয়া পাসপোর্ট, আনসারসহ গ্রেপ্তার ২৩

তিন মাসে ১৪৩ রোহিঙ্গার ভুয়া পাসপোর্ট, আনসারসহ গ্রেপ্তার ২৩ ডিবির পৃথক অভিযানে জব্দ করা ভুয়া পাসপোর্ট, এনআইডি ও অন্যান্য সরঞ্জাম। ছবি: সংগৃহীত
রোহিঙ্গা ও অপরাধীদের জন্য ভুয়া জন্মসনদ, এনআইডি ও পাসপোর্ট তৈরির অভিযোগে প্রতারক চক্রের ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ এবং দালাল ছাড়াও দুজন আনসার সদস্য রয়েছেন।

রোহিঙ্গা ও অপরাধীদের জন্য ভুয়া জন্মসনদ, এনআইডি ও পাসপোর্ট তৈরির অভিযোগে প্রতারক চক্রের ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ এবং দালাল ছাড়াও দুজন আনসার সদস্য রয়েছেন। এই প্রতারক চক্র গত তিন মাসেই রোহিঙ্গাদের জন্য ১৪৩টি পাসপোর্ট তৈরি করে দিয়েছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে ডিবি প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ এ তথ্য জানান।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়- রাজধানীর আগারগাঁও, মোহাম্মদপুর, যাত্রাবাড়ী ও বাড্ডা এলাকায় শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) অভিযান চালিয়ে তিন রোহিঙ্গা নারী-পুরুষসহ ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) লালবাগ বিভাগ। এ সময় তাদের কাছ থেকে পাসপোর্ট সংক্রান্ত কাগজপত্র, পাসপোর্ট ও কম্পিউটার জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা, টাঙ্গাইল ও কক্সবাজারে অভিযান চালানো হয়। এসব অভিযানে দুই আনসার সদস্য ছাড়াও রোহিঙ্গা ও বাঙালি মিলিয়ে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তাদের কাছ থেকে জব্দ করা হয় ১৭টি পাসপোর্ট, ১৩টি এনআইডি, ৫টি কম্পিউটার, ৩টি প্রিন্টার, ২৪টি মোবাইল ফোন সেট ও পাসপোর্ট তৈরির কাগজপত্র।

গ্রেপ্তারকৃত রোহিঙ্গারা হলেন-উম্মে ছলিমা ওরফে ছমিরা, মরিজান, রশিদুল, আইয়ুব আলী ও মোস্তাকিম।

এছাড়া আনসার সদস্য জামসেদুল ইসলাম ও রায়হানসহ চক্রের অন্য সদস্যদের ৫ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে।

পুলিশ জানায়, চক্রটি রোহিঙ্গা শিশু, নারী ও পুরুষদের লাখ টাকার বিনিময়ে ভুয়া জন্মসনদ, এনআইডি ও পাসপোর্ট বানিয়ে দিত।

প্রতারক চক্র এই অপকর্ম চালাতে সংশ্লিষ্ট রোহিঙ্গাদের প্রথমে কক্সবাজার, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি থেকে ঢাকায় আনতো। একটি দল তাদের জন্মসনদ ও এনআইডি বানিয়ে দিত। আরেকটি দল ঢাকাসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে আনসার সদস্যদের মাধ্যমে পাসপোর্টের ব্যবস্থা করে দিত।

ডিবি পুলিশ জানায়, চক্রটি ৬ ঘণ্টার মধ্যে জন্ম সনদের জন্য ৫ থেকে ১২ হাজার টাকা, তিনদিনের মধ্যে এনআইডি করার জন্য ২৫ হাজার টাকা এবং পাসপোর্ট তৈরির জন্য ১ লাখ ২০ হাজার টাকা নিতো বলে প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে।

২০১৯ সাল থেকে চক্রটি রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি অপরাধীদের ভিন্ন নাম ও ঠিকানায় পাসপোর্ট করে দিয়ে আসছিল। এভাবে তারা গত তিন মাসেই রোহিঙ্গাদের জন্য ১৪৩টি পাসপোর্ট তৈরি করে দিয়েছে বলে স্বীকার করেছে।

আরও পড়ুন:
ভাসানচরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন, ছয় শিশুসহ দগ্ধ ৯
অস্ত্রসহ আটক ২২ রোহিঙ্গার ১১জন রিমান্ড শেষে কারাগারে
গুলিবিদ্ধ নারীসহ ৫ রোহিঙ্গার অনুপ্রবেশ
মিয়ানমারের পাঁচ গ্রাম থেকে অনুপ্রবেশের চেষ্টা রোহিঙ্গাদের
রোহিঙ্গা নিয়ে ভাসানচরে পৌঁছেছে নৌবাহিনীর ৫ জাহাজ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Video of school teacher students drinking on educational trip goes viral

শিক্ষাসফরে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মদ্যপান, ভিডিও ভাইরাল

শিক্ষাসফরে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মদ্যপান, ভিডিও ভাইরাল শনিবার শিক্ষাসফর থেকে ফেরার পরপরই মদ্যপানের ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়। কোলাজ: নিউজবাংলা
বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর মা বলেন, ‘শিক্ষকরা কোনো শিক্ষার্থীর অভিভাবককে সঙ্গে যেতে দেয়নাই। শিক্ষকদের সামনেই যদি এমন কর্মকাণ্ড হয়, তবে আর কিছুই বলার থাকে না।’

মাদারীপুরের শিবচরের একটি স্কুল থেকে শিক্ষাসফরে গিয়ে অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে শিক্ষকদের মদ্যপানের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতোমধ্যে ভাইরাল।

ভাইরাল ওই ভিডিওতে দেখা গেছে, বিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক মো. ওয়ালিদ মদের বোতল হাতে নিয়ে মদ ঢালছেন, শিক্ষার্থীদের হাতে বোতল দিচ্ছেন। আবার বিদেশি মদের বোতল থেকে শিক্ষককে মদ ঢেলে দিচ্ছে এক শিক্ষার্থী, আবার শিক্ষকের সামনেই শিক্ষার্থীরা আনন্দ উল্লাস করে মদ্যপান করছে।

শনিবার শিবচর উপজেলার বন্দরখোলা ইউনিয়নের শিকদার হাট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে শিক্ষাসফর শেষে ফেরার পথে ওই ভিডিওটি করা হয় বলে খোঁজ জানা গেছে।

জানা যায়, শনিবার ভোরে বিদ্যালয়ের ১৬ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা ৪১ শিক্ষার্থীকে নিয়ে শিক্ষাসফরের উদ্দেশ্যে নারায়নগঞ্জের সোনারগাঁও যান। সফরে শিক্ষার্থীদের কোনো অভিভাবককে সঙ্গে নেয়া হয়নি।

স্থানীয় সুত্র জানায়, শিক্ষাসফর শেষে শিক্ষার্থীরা এলাকায় ফেরার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও টিকটকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মদ্যপানের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। এমন ভিডিও দেখে অভিভাবকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর মা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার মেয়েও শিক্ষাসফরে গিয়েছিল। শিক্ষকরা কোনো শিক্ষার্থীর অভিভাবককে সঙ্গে যেতে দেয়নাই।’

ভিডিওটির ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘শিক্ষকদের সামনেই যদি এমন কর্মকাণ্ড হয়, তবে আর কিছুই বলার থাকে না।’

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলাউদ্দিন বলেন, ‘শিক্ষাসফরের আগের দিন আমি ঢাকায় ছিলাম। সেখান থেকে সরাসরি শিক্ষা সফরের স্পটে যোগ দিয়েছি। এর আগে বাসের মধ্যে কী হয়েছে, আমি জানি না।’

তিনি বলেন, ‘সফরকালে বাসের দায়িত্বে ছিলেন শিউলি ম্যাডাম। আমি বাসে ওঠার পর এমন কোনো ঘটনা ঘটেনাই।’

এ ব্যাপারে বন্দরখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান বলেন, ‘শিক্ষাসফরের ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না। শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা মদ খেয়ে নেচেছে বলে শুনেছি ও ভিডিও দেখেছি।’

মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার খন্দকার মাকসুদুর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এই ব্যাপারে শিবচর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি করা হবে। শিক্ষকরা যদি এর সঙ্গে জড়িত থাকে, তবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The body of another drug dealer in the house of a drug dealer

মাদক কারবারির বাড়িতে আরেক কারবারির মরদেহ

মাদক কারবারির বাড়িতে আরেক কারবারির মরদেহ
পুলিশ জানায়, মোরসালিন ও আব্দুল্লাহ দুজনই চিহ্নিত মাদক কারবারি। আব্দুল্লাহর কাছে মোরসালিন ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা পেত। শনিবার রাতে বড় ভাই আব্দুল হাকিমের দোকানের সামনে থেকে শিবনগর গ্রামের সোহেল মোরসালিনকে ডেকে নিয়ে যায়। রোববার আব্দুল্লাহর বাড়িতে তার বস্তাবন্দি মরদেহ পাওয়া যায়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় মাদক কারবারির বাড়ি থেকে মোরসালিন নামে আরেক মাদক কারবারির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই মাদক কারবারি মো. আব্দুল্লাহ পরিবারের লোকজনসহ বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেছে।

এ ঘটনায় সোমবার নিহতের ভাই আব্দুল হাকিম ভূইয়া থানায় হত্যা মামলা করেছেন।

পরিবার অভিযোগ ও স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, মোরসালিন ও আব্দুল্লাহ দুজনই এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি। আব্দুল্লাহর কাছে মোরসালিন ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা পেত। শনিবার রাতে বড় ভাই আব্দুল হাকিমের দোকানের সামনে থেকে শিবনগর গ্রামের তালু মিয়ার ছেলে সোহেল মোরসালিনকে ডেকে নিয়ে যায়। পরদিন রোববার আব্দুল্লাহর বাড়িতে তার মরদেহ পাওয়া যায়।

বড় ভাই আব্দুল হাকিম বলেন, ‘জানতে পারি যে শিবনগর গ্রামের আব্দুল্লাহ ও হৃদয়ের কাছে আমার ভাই দুই লাখ ৪০ হাজার টাকা পাওনা ছিল। শনিবার দুপুরে নাকি আরেক ভাই রায়হানকে একটি কাগজে হিসাব লিখে দিতে বলে মোরসালিন। পরদিন সোহেল আমার দোকানের সামনে থেকে ভাইকে ডেকে নিয়ে যায়। সেই রাতে রায়হান বাড়ি ফেরেনি। পরের দিন রোববার বিকেলে শিবনগরে আব্দুল্লাহর ঘরে আমার ভাইয়ের লাশ পাওয়া গেছে। আমার ভাই পোল্ট্রি মুরগির ব্যবসা করতো। আব্দুল্লাহ আমার ভাইকে ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে।’

আখাউড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শফিকুল ইসলাম জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে শিবনগর গ্রামে আব্দুল্লাহর ঘরের তালা ভেঙে বস্তাবন্দি অবস্থায় মোরসালিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মরদেহে গলায় কালো দাগ রয়েছে। তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় সোমবার নিহতের বড় ভাই আব্দুল হাকিম ভূইয়া আব্দুল্লাহকে প্রধান আসামি করে একটি মামলা করেন। পলাতক আব্দুল্লাহকে খুঁজছে পুলিশ।

আরও পড়ুন:
ভুট্টাখেতের আড়ালে চলছিল আফিম চাষ
মেহেরপুরে মাদক মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার 
মাদক কারবারি ধরতে গিয়ে অবরুদ্ধ ডিবি, উদ্ধার থানা পুলিশের
২ কেজি হেরোইনসহ রাজশাহীতে যুবক আটক
পার্সেল ডেলিভারি সার্ভিসের অফিস থেকে অবৈধ পণ্য জব্দ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Lover arrested for kissing bride at Gaye Hulud event

গায়ে-হলুদের অনুষ্ঠানে কনেকে চুমু, ‘প্রেমিক’ গ্রেপ্তার

গায়ে-হলুদের অনুষ্ঠানে কনেকে চুমু, ‘প্রেমিক’ গ্রেপ্তার প্রতীকী ছবি।
কনে মায়ের দায়ের করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। আর বর পক্ষের সঙ্গে কথা বলে ভেঙে যাওয়া বিয়ে পুনরায় আয়োজনের চেষ্টা করছি।’

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় গায়ে-হলুদের অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথির সামনে কনেকে চুমু দেয়ায় ‘প্রেমিক’কে গণধোলাই শেষে পুলিশে দিয়ে‌ছে স্থানীয়রা। আর এ ঘটনায় দরিদ্র পরিবারের বাবাহারা মেয়েটির বিয়ে ভেঙে গেছে।

এ ঘটনায় কনের মা বাদী হয়ে আগৈলঝাড়া থানায় মামলা করলে পুলিশ এই ‘প্রেমিক’কে গ্রেপ্তার করে বরিশাল আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে।

মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাগধা ইউনিয়নের বাসিন্দা ওই কিশোরী স্কুলে পড়ার সময় পাশের উজিরপুর উপজেলার ছত্তার হাওলাদারের ছেলে জিহাদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্কের পর জিহাদ হাওলাদার অন্যত্র বিয়ে করেন।

এদিকে স্থানীয় এক যুবকের সঙ্গে ওই কিশোরীর বিয়ে ঠিক হয়। সে অনুয়ারী ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে কনের বাড়িতে গায়ে-হলুদ দিতে আসে বর পক্ষের লোকজন। এই গায়ে-হলুদ অনুষ্ঠান চলাকালে জিহাদ হাওলাদার ওই বাড়িতে এসে উপস্থিত লোকজনের সামনে ওই কিশোরীকে চুমু দেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে স্থানীয়রা ‘প্রেমিক’ জিহাদকে ধরে মারধর করে ওই রাতেই আগৈলঝাড়া থানা পুলিশে সোপর্দ করে।

এ ঘটনার পর বরপক্ষ বেঁকে বসে। তারা এই বিয়েতে রাজি নয় বলে মেয়ের পরিবারকে জানিয়ে দেয়।

এ ব্যাপারে ওই কিশোরীর মা বলেন, ‘আমাদের জায়গা-জমি নেই। আমার স্বামী একজন দরিদ্র কৃষক ছিলেন। স্বামীর মৃত্যুর পর ৯ বছর ধরে অন্যের সাহায্যে এক ছেলে ও দুই মেয়েকে নিয়ে চারজনের সংসার কষ্টের মধ্যে চালিয়ে আসছি। এখন মেয়ের বিয়ে ভেঙে যাওয়ায় মহাবিপদে পড়েছি।’

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘অভিযুক্ত যুবক জিহাদকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানোর পর তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। আর বরপক্ষের সঙ্গে কথা বলে ভেঙে যাওয়া বিয়ে পুনরায় আয়োজনের চেষ্টা করছি।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
SSC exam candidate killed four arrested in Sherpur gang attack

শেরপুরে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় এসএসসি পরীক্ষার্থী খুন

শেরপুরে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায়  এসএসসি পরীক্ষার্থী খুন শেরপুরের শ্রীবরদীতে কিশোর গ্যাং এর হামলায় প্রাণ হারানো শিক্ষার্থী বিপ্লব। ছবি: নিউজবাংলা
শ্রীবরদী থানার ওসি কাইয়ুম খান সিদ্দিকী জানান, এ ঘটনায় দোষীদের গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে। রাতেই চারজনকে আটক করা হয়। তবে এ ঘটনায় এখনও কোনো মামলা করেনি নিহতের পরিবার।

শেরপুরের শ্রীবরদীতে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় এক এসএসসি পরীক্ষার্থী খুন হয়েছে।

উপজেলার দহেরপাড় এলাকায় রোববার রাতে ওয়াজ শুনে বাড়িতে যাওয়ার পথে এই হামলার শিকার হয় সে। এ ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে।

প্রাণ হারানো ১৬ বছরের মো. বিপ্লবের বাবার নাম মিয়া কাবিল। তার গ্রামের বাড়ি জামালপুরের বকশিগঞ্জ উপজেলার দড়িপাড়ায়।

বিপ্লব শ্রীবরদীর দহেরপাড়ে তার নানার বাড়িতে থেকে মোহাম্মদ আলী মেমোরিয়াল বিদ্যানিকেতনে লেখাপড়া করতো। এ বছর সে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছিল। তার নানার নাম হাজি আবদুল মজিদ।

পুলিশ জানায়, শ্রীবরদী উপজেলার মামদামারি কান্দাপাড়ায় ২৫ ফেব্রুয়ারি রাত ১টার দিকে এবতেদায়ী মাদ্রাসায় ওয়াজ শুনতে এসেছিল বিপ্লব। ওয়াজ শোনার সময় পাশের চরশিমুলচুরা এলাকার স্থানীয় কিশোর গ্যাং নেতা আরিফ হোসেনদের সঙ্গে স্কুল শিক্ষার্থী বিপ্লবের তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়।

পুলিশ আরও জানায়, পরে ওয়াজ শুনে নানার বাড়ি ফেরার পথে আরিফ ও তার সহযোগীরা বিপ্লবের ওপর হামলা চালায় ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। এতে গুরুতর আহত অবস্থায় বিপ্লবকে প্রথমে শ্রীবরদী উপজেলা হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে সেখান থেকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সোমবার সকালে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক বিপ্লবকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনার পর পুলিশ অভিযুক্ত আরিফ, মোখলেস, মনির ও ডিপটিকে আটক করেছে।

শ্রীবরদী থানার ওসি কাইয়ুম খান সিদ্দিকী জানান, এ ঘটনায় দোষীদের গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে। রাতেই চারজনকে আটক করা হয়। তবে এ ঘটনায় এখনও কোনো মামলা করেনি নিহতের পরিবার।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sometimes jail superintendent sometimes police officer then arrest

কখনও জেল সুপার, কখনও পুলিশ কর্মকর্তা, অতঃপর গ্রেপ্তার

কখনও জেল সুপার, কখনও পুলিশ কর্মকর্তা, অতঃপর গ্রেপ্তার ছবি: নিউজবাংলা
র‌্যাব কর্মকর্তা এহতেশামুল হক খান জানান, পাবনা জেলায় দীর্ঘদিন ধরে সক্রীয় এ চক্রটি। তাদের প্রতারণার স্বীকার হয়ে এক ব্যক্তি র‌্যাবের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্তে মাঠে নামে র‌্যাব। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি পরিচালিত অভিযানে চক্রের হোতা মো. মামুন ও তার সহযোগী ইমরান হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কখনও জেল সুপার, কখনও পুলিশ কর্মকর্তা, আবার কখনও পরিচয় দিতেন আইনজীবী হিসেবে। নিজেকে এমন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত দিয়ে ফোন করতেন কারাবন্দি আসামিদের স্বজনদের। বিভিন্ন উপায়ে বন্দিকে মুক্ত করার কথা বলে স্বজনদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিতেন লাখ লাখ টাকা। এমন চক্রের হোতাকে সহযোগীসহ গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) পাবনা ক্যাম্পে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‌্যাব-১২ সিপিসি-২-এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মো. এহতেশামুল হক খান।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- পাবনার চাটমোহর উপজেলার বিলচলন ইউনিয়নের বোঁথড়ের আহাদ মোড় এলাকার ৩০ বছর বয়সী মো. মামুন হোসেন এবং একই এলাকার ২৮ বছর বয়সী মো. ইমরান হোসেন।

এহতেশামুল হক খান জানান, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন এলাকার আদালত প্রাঙ্গণে উৎকণ্ঠা নিয়ে অপেক্ষা করেন আসামিদের আত্মীয়-স্বজনরা। কেউ জামিনের জন্য, আবার কেউ অপেক্ষা করেন কারাগার থেকে হাজিরা দিতে আসা স্বজনদের এক নজর দেখার জন্য। এ ধরনের ব্যক্তিদের টার্গেট করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছিল একটি প্রতারক চক্র।

তিনি জানান, এরা কখনও জেল সুপার, কখনও জেলা পুলিশ, কখনওবা উকিল পরিচয়ে আসামির আত্মীয়-স্বজনকে ফোন করে সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং জামিন ও মামলার নিষ্পত্তির কথা বলে অর্থ আত্মসাত করেন।

র‌্যাবের এ কর্মকর্তা জানান, পাবনা জেলায় দীর্ঘদিন ধরে সক্রীয় এ চক্রটি। তাদের প্রতারণার স্বীকার হয়ে এক ব্যক্তি র‌্যাবের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্তে মাঠে নামে র‌্যাব। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি পরিচালিত অভিযানে চক্রের হোতা মো. মামুন ও তার সহযোগী ইমরান হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
সরাইলে বিদ্যুৎ ট্রান্সফরমার চোর চক্রের চারজন গ্রেপ্তার
এক কেজি আটার প্রলোভন দিয়ে এনআইডির তথ্য চুরি করতেন তারা
গ্রাহকের ২০ কোটি টাকা নিয়ে বিদেশে পালাতে গিয়ে এনজিও মালিক ধরা
পুলিশে চাকরি দেয়ার কথা বলে টাকা নেয়া দুজন গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Who removed the red marks given by Sauz in the building under construction?

নির্মাণাধীন ভবনে সওজের দেয়া ‘লাল দাগ’ মুছল কে

নির্মাণাধীন ভবনে সওজের দেয়া ‘লাল দাগ’ মুছল কে ঠাকুরগাঁও পৌর শহরে সওজের জমিতে নির্মাণাধীন চার তলা একটি ভবনে সওজ লাল দাগ দেয়। ছবি: নিউজবাংলা
ভবনের মালিক মুনসেফ আলী বলেন, ‘এ লাল দাগও ভুয়া।’ তার দাবি, তাকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এমন কাজ করা হচ্ছে।

ঠাকুরগাঁও পৌর শহরে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের জমিতে নির্মাণাধীন চার তলা একটি ভবনের কিছু অংশকে অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করে ‘লাল দাগ দেয়’ সংস্থাটি।

ওই ভবনে সওজের দেয়া সেই ‘লাল দাগ’ মুছে ফেলা হয়েছে, তবে কে বা কারা এ কাজটি করেছে তা জানা যায়নি।

স্থানীয়দের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি বাসস্ট্যান্ড এলাকার শহিদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়াম সংলগ্ন ঠাকুরগাঁও-দিনাজপুর মহাসড়কের পাশে নির্মাণাধীন ওই ভবন পরিদর্শন করে সওজ কর্তৃপক্ষ। এ সময় মাপজোক করে ভবনের সামনের কিছু অংশ সওজের জমিতে পড়ায় লাল দাগ দেয়া হয়। ভবনের মালিককে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতেও বলা হয়।

এ ঘটনায় নিউজবাংলা ও দৈনিক বাংলাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়।

স্থানীয়দের ভাষ্য, সেদিনের পর থেকে এক সপ্তাহ ভবন নির্মাণ কাজ বন্ধ ছিল। হঠাৎ তারা দেখেন ভবনের দেয়ালে সওজের দেয়া লাল দাগ কেউ একজন মুছে দিয়েছেন এবং ভবন নির্মাণশ্রমিকরা ভেতরে কাজ করছে। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সওজ কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানায় ও খতিয়ে দেখার অনুরোধ করেছে।

নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শনে গিয়ে জানা যায়, সওজের দেয়া লাল দাগটি সূক্ষ্মভাবে মুছে ফেলা হয়েছে। নতুন করে দেখে বোঝার উপায় নেই এখানে কোনো লাল দাগ ছিল। সেই লাল দাগ মিশিয়ে কালো কালি দিয়ে একটি দিক চিহ্ন দেয়া হয়েছে।

কে লাল দাগ মুছে ফেলেছে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানাতে পারেননি ভবনের মালিক ও সওজ কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী রাফিউল ইসলামের কাছে লাল দাগের বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি ভবনের মালিককে জিজ্ঞাসা করতে বলেন।

লাল দাগ কেন মেশানো হলো, এ বিষয়ে কোনো লিখিত কাগজ ভবনের মালিককে দেয়া হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কাগজ দেয়া হয়নি। কেউ যদি জোর করে কাজ করে তাহলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

তিনি আরও জানান, আগামী মঙ্গলবার ওই স্থানে তিনি আবারও মাপজোক করবেন। এ সময় তিনি ভবনের মালিক ও তার পক্ষের লোকজনকে থাকতে বলেন।

মুঠোফোনে জানতে চাইলে ভবনের মালিক মুনসেফ আলী বলেন, ‘এ লাল দাগ ও ভুয়া।’

তার দাবি, তাকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এমন কাজ করা হচ্ছে এবং তিনি মাপজোক করেই ভবন নির্মাণ করছেন। সড়ক ও জনপথের কাছ থেকে কোনো লিখিত কাগজও পাননি। এ নিয়ে তিনি প্রয়োজনে আদালতে যাবেন।

এদিকে সওজের দেয়া লাল দাগ দেয়ার পর তা মুছে ফেলায় স্থানীয়দের মাঝে নানা প্রশ্ন ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে।

স্থানীয় এমদাদ উল্লাহ্ বলেন, ‘একটি ভবন পরিকল্পিতভাবে ও যথাযথ আইন মেনে সরকারি সম্পত্তি রক্ষা করে নির্মাণ হবে, এটি আমাদের সকলের চাওয়া। সওজ কর্তৃপক্ষ একটি লাল দাগ দিয়েছে। সে দাগ যখন তখন মুছে ফেলা যায় কি না, এ নিয়ে আমার অনেক প্রশ্ন রয়েছে।

‘সওজ কর্তৃপক্ষের দেয়া একটি দাগ উধাও হয়ে যাবে, কেউ জানবে না, এমন ঘটনা সত্যি ভাবনার বিষয়। আমার ভেতরে অনেক নেতিবাচক ধারণাও তৈরি হচ্ছে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘খোঁজ নেয়া হবে।’

মন্তব্য

p
উপরে