× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
State Minister Farhads wealth has increased several times
google_news print-icon

প্রতিমন্ত্রী ফরহাদের সম্পদ বেড়েছে কয়েক গুণ

প্রতিমন্ত্রী-ফরহাদের-সম্পদ-বেড়েছে-কয়েক-গুণ
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন দোদুল। ফাইল ছবি
হলফনামার তথ্য বলছে, বাৎসরিক কৃষি থেকে তার আয় হয় ২৫ লাখ ১৮ হাজার টাকা। ব্যবসা থেকে ১৭ লাখ ৭৯ হাজার ৩৪৭ টাকা, শেয়ার বাজার ও ব্যাংক আমানত থেকে ৪ লাখ ২৮ হাজার ২০১ টাকা। এ ছাড়া পারিশ্রমিক, ভাতা, সম্মানী হিসেবে ২৯ লাখ ৭৬ হাজার ২৭৫ টাকা আয় করেন। নগদ রয়েছে ১ কোটি ৩৬ লাখ ৬০ হাজার ৬৯৬ টাকা।

একাদশ সংসদ নির্বাচনের সময় মেহেরপুর-১ (সদর ও মুজিবনগর) আসনের সংসদ সদস্য ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন দোদুলের ছিল নগদ ৬ লাখ টাকা। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে তার কাছে আছে নগদ ১ কোটি ৩৬ লাখ ৬০ হাজার ৬৯৬ টাকা।

আসন্ন সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশনকে দেয়া হলফনামায় এই তথ্য দিয়েছেন এবারও আসনটি থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়া এ প্রার্থী। পাঁচ বছরে তার সম্পদের পরিমাণ বেড়েছে কয়েক গুণ। বেড়েছে স্ত্রীর সম্পদের পরিমাণও।

মনোনয়নপত্রের সঙ্গে রিটানিং কর্মকর্তার কাছে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ যে তথ্য জমা দিয়েছেন, এতে তিনি জানিয়েছেন, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হওয়ার আগে তিনি ঢাকার একটি প্রাইভেট কলেজে শিক্ষকতা করতেন। পরপর দুই বার জাতীয় নির্বাচনে জিতে সর্বশেষ সংসদে তিনি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান।

গত ৫ বছরে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের সম্পদ বেড়েছে কয়েক গুণ। হলফনামার তথ্য বলছে, বাৎসরিক কৃষি থেকে তার আয় হয় ২৫ লাখ ১৮ হাজার টাকা। ব্যবসা থেকে ১৭ লাখ ৭৯ হাজার ৩৪৭ টাকা, শেয়ার বাজার ও ব্যাংক আমানত থেকে ৪ লাখ ২৮ হাজার ২০১ টাকা। এ ছাড়া পারিশ্রমিক, ভাতা, সম্মানী হিসেবে ২৯ লাখ ৭৬ হাজার ২৭৫ টাকা আয় করেন। নগদ রয়েছে ১ কোটি ৩৬ লাখ ৬০ হাজার ৬৯৬ টাকা।

পাঁচ বছর আগে একাদশ সংসদ নির্বাচনের সময় তার ছিল নগদ ৬ লাখ টাকা। কৃষি খাত থেকে আয় ছিল ৪ লাখ টাকা। শেয়ার/সঙ্কয়পত্র ছিল ১৫ হাজার ৩৫৩ টাকার। জমির পরিমাণ ছিল ৫১ শতক।

বর্তমানে প্রতিমন্ত্রীর ব্যাংকে আছে ২৯ লাখ ১ হাজার ৯১৫ টাকা এবং পোস্টাল সেভিংস রয়েছে ৪০ লাখ টাকার, যার অর্ধেক তার স্ত্রীর নামে। তিনি যে গাড়িটি ব্যবহার করছেন তার দাম ৭৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। তার স্ত্রীর নামে একটি মাইক্রোবাস রয়েছে, যার দাম ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

প্রতিমন্ত্রীর স্ত্রী মোনালিসার নগদ টাকা রয়েছে ৪৭ লাখ, ব্যাংকে জমা আছে দেড় লাখ, সয়ঞ্চয়পত্র কেনা আছে ২০ লাখ টাকার, ব্যবসায় বিনিয়োগ রয়েছে ৪০ লাখ টাকা। ফরহাদ হোসেনের নিজের ২৫ ভরি ও স্ত্রীর ১৩০ ভরি স্বর্ণ রয়েছে। যার প্রতিভরি স্বর্ণের মূল্য দেখানো হয়েছে ১২ হাজার ৮০০ টাকা।

প্রতিমন্ত্রীর কৃষিজমি রয়েছে ২৭৪ শতক। রাজধানীর উত্তরায় ১ হাজার ৬০০ স্কয়ার ফুটের একটি ফ্ল্যাট তার নামে রয়েছে, তবে তা বুঝে পাননি। এ ছাড়া একটি দোতলা পাকা বাড়ি রয়েছে তার।

এদিকে মেহেরপুর-২গাংনী আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সাহিদুজ্জামান খোকন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন না পেলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দেয়া হলফনামা অনুযায়ী, তার অস্থাবর সম্পদের মূল্য ৫১ লাখ ৬৪ হাজার টাকা, ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় দেয়া হলফনামায় যা ছিল প্রায় তিনগুণ কম। একই সঙ্গ তার বার্ষিক আয় বেড়েছে চারগুণ।

২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে তার বার্ষিক আয় ছিল ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকাতে।

বতর্মানে মোহাম্মদ সাহিদুজ্জামানের বার্ষিক আয় ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এর মধ্যে কৃষি জমি থেকে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা, ব্যবসা থেকে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং মৎস্য খাত থেকে ৫ লাখ টাকা।

২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে তার বার্ষিক আয় ছিল ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা। আয়ের খাত ছিল কৃষি জমি থেকে ৭০ হাজার টাকা এবং ব্যবসা থেকে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

মোহাম্মদ সাহিদুজ্জামানের বর্তমান অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৫২ লাখ টাকার এবং ২৫ ভরি স্বর্ণ। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নগদ টাকা ২ লাখ, ব্যাংকে জমা ৪২ লাখ, একটি গাড়ি যার মূল্য ৫ লাখ টাকা, গৃহস্থলির ইলেকট্রনিক্স ও আসবাবপত্র ২ লাখ টাকার।

২০১৮ সালের নির্বাচনিহলফনামায় অস্থাবর সম্পদ ১৭ লাখ ৭০ হাজার টাকার মধ্যে নগদ ছিল ২ লাখ, ব্যাংকে জমা ১৪ লাখ, গৃহস্থলির ইলেকট্রনিক্স ও আসবাবপত্র ১ লাখ ২০ হাজর টাকার এবং ১৫ ভরি স্বর্ণ ৫০ হাজার টাকার।

সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সাহিদুজ্জামানের স্থায়ী সম্পদের মধ্যে কৃষি জমির পরিমাণ শতাংশ না একর, কোন পরিমাপের প্রকাশ করা হয়েছে সেটা স্পষ্ট করা হয়নি।

২০১৮ সালের নির্বাচনের হলফনামায় উল্লেখ ছিল তার কৃষি জমি ১০ বিঘা এবং অকৃষি জমি ৫ বিঘা ৫ কাঠা। তবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনার স্থাবর সম্পদের ছককৃত ঘরে লেখা আছে ৯.৩৩। তবে স্পষ্ট করা হয়নি। যদি এটা একরে হয়ে থাকলে তাহলে জমির পরিমাণও বাড়বে কয়েকগুণ।

আবার সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সাহিদুজ্জামানের স্ত্রীর সম্পদও বেড়েছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেতাঁর স্ত্রীর অস্থাবর সম্পদের মূল্য ৩৭ লাখ টাকা এবং স্বর্ণ ২৫ ভরি উল্লেখ করা হয়েছে, তবে ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে তার অস্থাবর সম্পদ ছিল ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকার। সে হিসেবে এমপি পত্নীর সম্পদ বেড়েছে প্রায় চার গুণ।

তার স্ত্রীর নামে জমির পরিমাণও বেড়েছে। ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে জমির পরিমাণ ছিল ৭ কাঠা। এখন তার পরিমাণ কৃষি জমি ২.২৯। তবে এক্ষেত্রে জমির পরিমাণ শতাংশ না একরে তা হিসাব উল্লেখ করা হয়নি।

স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া

একজন আওয়ামী লীগ সমর্থক সৌরপ হোসেন বলেন, আমাদের জেলার এমপি মন্ত্রীদের সম্পদ বেড়েই চলেছে। দের করোনা বলেন আর প্রাকৃতিক দুর্যোগ কোনকিছুতেই এদের সম্পদ কমে না।

স্কুল শিক্ষক রোকনুজ্জামান বলেন, একজন প্রার্থী নির্বাচন কমিশনে যে হলফনামা দেন তার সব তথ্য ও স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তির সত্য দেয়া ঠিক।

তৃণমূলে রাজনীতি করা সম্রাট আলী বলেন, হলফনামায় দেখছি একজন এমপি প্রতিভরি স্বর্ণের দাম ধরেছেন ১২ হাজার ৮০০ টাকা। অথচ বতর্মান বাজারে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৯ হাজার টাকা করে।

মেহেরপুর সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল আমিন হোসেন বলেন, এমপিরা সম্মানীয় ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি। তাদের সম্পদের বিবরণী সঠিকভাবে হলফনামায় উপস্থাপন করা উচিত।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Government will do everything to keep commodity prices bearable during Ramadan Who

রমজানে দ্রব্যমূল্য সহনীয় রাখতে সরকার সব করবে: কাদের

রমজানে দ্রব্যমূল্য সহনীয় রাখতে সরকার সব করবে: কাদের ফাইল ছবি
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ইতোমধ্যে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে টাস্কফোর্সের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং বিদেশ থেকে বিভিন্ন ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির সুযোগ সম্প্রসারিত করা হয়েছে। আমরা জনগণকে আশ্বস্ত করতে চাই, পবিত্র রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সরকার সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।’

পবিত্র রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সরকার সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে টাস্কফোর্সের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং বিদেশ থেকে বিভিন্ন ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির সুযোগ সম্প্রসারিত করা হয়েছে। আমরা জনগণকে আশ্বস্ত করতে চাই, পবিত্র রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সরকার সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।’

ওবায়দুল কাদের বৃহতিবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন। বিএনপি নেতাদের মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাতেই এই বিবৃতি। খবর বাসসের

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘দেশের মানুষের আয় বাড়েনি বলে বিএনপির এক নেতা নিলর্জ্জ মিথ্যাচার করছে। অথচ ২০০৬ সালে বিনএপি-জামাত শাসনামলে মাথাপিছু আয় ছিল ৫৪৩ ডলার, বর্তমানে মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৭৬৫ ডলার। এই সময়ের ব্যবধানে দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়েছে ৫ গুণের বেশি।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপির আমলে মঙ্গা-খরা ও দুর্যোগে না খেতে পেয়ে মানুষকে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে হতো, অর্ধাহারে-অনাহারে দিনাতিপাত করতে হতো। আর সেখানে বাংলাদেশ আজ সামগ্রিক খাদ্য উৎপাদন কয়েক গুণ বৃদ্ধি করতে এবং খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে কেউ না খেয়ে মারা যায় না; বরং গৃহহীন মানুষেরও গৃহ ও খাদ্যের সংস্থান করা হয়েছে। এসব তথ্য-উপাত্ত বিএনপি নেতৃবৃন্দ দেখতে পায় না। তারা তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে কথা বলে না; গায়ের জোরে মিথ্যাচার করে, অপপ্রচার চালিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। একইভাবে তারা দ্রব্যমূল্য নিয়েও মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। অথচ বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল বীরত্বপূর্ণ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতি ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করেছে। ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতির মানসপটে যে জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটেছিল, বিএনপি ধারাবাহিকভাবে সেই আদর্শ ও চেতনা বিরোধী রাজনীতি করে আসছে। যে কারণে তারা সর্বদাই মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শভিত্তিক গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার অপতৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, তারই ধারাবাহিকতায় বিএনপি নেতারা আজ সরকার বিরোধী সমালোচনার নামে মিথ্যা তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করে জাতিকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ ধরনের বাক্যালাপে জাতিকে বিভ্রান্ত করার অপপ্রয়াস নিঃসন্দেহে নিন্দনীয়।

তিনি বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যাপক অংশগ্রহণের মাধ্যমে জনগণ বিএনপিকে লাল কার্ড দেখিয়েছে। জনগণ দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পরও বিএনপি তাদের অপতৎপরতা ও ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকা- থেকে সরে আসেনি। সরকার নয়, বরং বিএনপিই একটি রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে গণতন্ত্র ও জনগণের ওপর জগদ্দল পাথরের ন্যায় চেপে বসেছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
One class wanted to erase Bangabandhus contribution to the language movement the Prime Minister

একটা শ্রেণি ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর অবদান মুছতে চেয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী

একটা শ্রেণি ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর অবদান মুছতে চেয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: ফোকাস বাংলা
বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, ইতিহাস বিকৃত করা ও বাংলাদেশের মানুষকে হেয় করা এক শ্রেণির মানুষের মজ্জাগত। তাদের কিছুই ভালো লাগে না, রোগ। এক সময় আমি বঙ্গবন্ধুর ভাষা আন্দোলন নিয়ে বক্তব্য দেয়ার ফলে একজন লিখলেন, আমি এগুলো মিথ্যা বলেছি। পরে এম আর আক্তার মুকুল সাহেবকে দিয়ে জবাবটা লেখালাম।

একটা শ্রেণি ভাষা আন্দোলনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানকে মুছে ফেলতে চেষ্টা করেছিল বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ইতিহাস বিকৃত করা ও বাংলাদেশের মানুষকে হেয় করা এই শ্রেণির মানুষের মজ্জাগত, তারা কিছুই ভালো লাগে না রোগে আক্রান্ত।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, ‘ইতিহাস বিকৃত করা ও বাংলাদেশের মানুষকে হেয় করা এক শ্রেণির মানুষের মজ্জাগত। তাদের কিছুই ভালো লাগে না, রোগ। এক সময় আমি বঙ্গবন্ধুর ভাষা আন্দোলন নিয়ে বক্তব্য দেয়ার ফলে একজন লিখলেন, আমি এগুলো মিথ্যা বলেছি। পরে এম আর আক্তার মুকুল সাহেবকে দিয়ে জবাবটা লেখালাম। সে সময়ে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গোয়েন্দা রিপোর্ট, বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী তখন তাকে দিলাম। বললাম, আপনিই লেখেন। আমরা তো চুনোপুঁটি। আমরা লিখলে হবে না। তো উনি লেখার পর সমালোচনাকারী, মিথ্যা দাবিকারীদের মুখ বন্ধ হয়ে গেল।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশের কিছু আঁতেল এক সময় বলেছে, শেখ মুজিব ভালো প্রশাসক ছিলেন না। অথচ, যে সেক্টরে হাত দিয়েছি, দেখেছি মূল কাজটা বঙ্গবন্ধু করে দিয়ে গেছেন। মাত্র সাড়ে তিন বছরে একটা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ে তোলার কাজ করেছেন। স্বল্পোন্নত দেশ করে দিয়ে গেছেন। তার দেখানো পথেই আমরা এগিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বঙ্গবন্ধু তার সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। ভাষা আন্দোলন থেকে যে চেতনা, তার থেকেই আমাদের স্বাধীকার ও স্বাধীনতা আসে। জাতির পিতা এটি তার আত্মজীবনীতেও লিখেছেন, ৫২ থেকে শুরু হওয়া আন্দোলন একাত্তরের স্বাধীনতার মধ্য দিয়ে শেষ হয়।’

শেখ হাসিনা উল্লেখ করেন, ‘আওয়ামী লীগ ১৯৪৯ সালে ও ছাত্রলীগ ১৯৪৮ সালে গঠিত। এই দেশের যতটুকু অর্জন, তা আওয়ামী লীগের হাত ধরেই হয়েছে। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে সব আন্দোলনে আওয়ামী লীগ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে।’

এ সময় বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘তাদের কাছ থেকে গণতন্ত্রের সবক শুনতে হয়। অথচ তারা নানান উপায়ে বঙ্গবন্ধুকে মানুষের মন থেকে মুছে ফেলতে চেয়েছে। বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর স্বাধীনতাবিরোধীদের হাতে চলে যায় আমাদের পতাকা। ইনডেমনিটি দিয়ে বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচারের পথ রুদ্ধ করেছে। খুনিদের পুনর্বাসন করে নানান জায়গায় পদায়ন করেছে। স্বাধীনতাবিরোধীদের হাতে তুলে দিয়েছে আমাদের দেশের পতাকা।’

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন- আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, ড. আব্দুর রাজ্জাক, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আতাউর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান প্রমুখ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP does not mean Ramadan Eid Foreign Minister

বিএনপি রোজা রমজান ঈদ কোনোটাই মানে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বিএনপি রোজা রমজান ঈদ কোনোটাই মানে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৃহস্পতিবার দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ছবি: নিউজবাংলা
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচন বর্জন করে বিএনপি যে ভুল করেছে, সেজন্য তাদের দলটা ধপাস করে পড়ে গেছে। এখন তারা কোমর সোজা করে দাঁড়াতে পারবে কি না, সেটিই দেখার বিষয়। এই ভুলের জন্য কর্মীদের তোপের মুখে পড়েছে তাদের নেতারা। রমজানে কর্মসূচি দিলে তারা জনগণের তোপের মুখে পড়বে।’

বিএনপি রোজা, রমজান, ঈদ- কোনোটাই মানে না উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘তারা এখন রমজানের মধ্যে কর্মসূচি দেয়ার কথা ভাবছে। ঈদের দিনও কর্মসূচি দেয় কি না, সেটিই দেখার বিষয়।’

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ‘বিএনপি রমজানে কর্মসূচি দেয়ার কথা ভাবছে’- প্রসঙ্গে তিনি এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচন বর্জন করে বিএনপি যে ভুল করেছে, সেজন্য তাদের দলটা ধপাস করে পড়ে গেছে। এখন তারা কোমর সোজা করে দাঁড়াতে পারবে কি না, সেটিই দেখার বিষয়। এই ভুলের জন্য কর্মীদের তোপের মুখে পড়েছে তাদের নেতারা। রমজানে কর্মসূচি দিলে তারা জনগণের তোপের মুখে পড়বে।’

এ সময় জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপিত গাজায় যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে যুক্তরাষ্ট্রের ভেটো দেয়ায় প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘গাজায় নারী-শিশুদের নির্বিচারে হত্যাই শুধু নয়, সেখানে পানি-বিদ্যুৎসহ সকল বেসিক সাপ্লাই লাইন পরিকল্পিতভাবে ব্যাহত করা হচ্ছে; হাসপাতালে অভিযান, হামলা চালানো হচ্ছে; চরমভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। এটি আন্তর্জাতিক আইন-কানুনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

‘কেউ কেউ ইসরায়েলিদের নিরাপত্তার কথা বলে, তাহলে এই ফিলিস্তিনি নারী-শিশুদের নিরাপত্তা, অধিকার কোথায় গেল? যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের অত্যন্ত বন্ধুপ্রতিম সম্পর্ক, কিন্তু এই ভেটো প্রদান গভীর হতাশাব্যঞ্জক। আমরা কোথাও যুদ্ধ চাই না, যুদ্ধ বন্ধ হোক।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের চিঠি ও তাদের পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া ব্যুরোর ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি আফরিন আখতারের আসন্ন সফরের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করলে ড. হাছান বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের চিঠি অত্যন্ত গুরুত্ববহ এবং তাদের কর্মকর্তাদের সফর আমাদের সম্পর্ককে আরও গভীর ও বিস্তৃত করবে।’

সৌদি, মিশরের রাষ্ট্রদূত ও অস্ট্রেলিয়ার ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারের সাক্ষাত

এর আগে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ঈসা বিন ইওসেফ আল দুহাইলান, মিশরের রাষ্ট্রদূত ওমর মহি এলদিন ফাহমী এবং অস্ট্রেলিয়ার ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার নার্দিয়া সিম্পসন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন।

সৌদি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এক সময় সৌদি আরবের সঙ্গে শুধুমাত্র জনশক্তি রপ্তানি আর হজের সম্পর্ক ছিল। এখন এই সম্পর্ককে আমরা বিনিয়োগের সম্পর্কে রূপ দিতে চাই। সৌদি সরকারও এ বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে।’

তিনি বলেন, “বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য ইকোনমিক জোনে সৌদি আরবকে ৩০০ একর জমির প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল, আরও ৩০০ একর জমি তারা চেয়েছে। বৈঠকে তাদের মধ্যপ্রাচ্যব্যাপী পরিবেশ পরিকল্পনা ‘সৌদি গ্রিন ইনিশিয়েটিভ’-এ বাংলাদেশি কৃষিবিদসহ অন্যদের ভূমিকা রাখার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।”

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান আল সৌদ বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এই বছরের দ্বিতীয়ার্ধে বিষয়টি চূড়ান্ত হতে পারে।’

চলতি বছর মিশরের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি হচ্ছে। শিগগিরই এটি উদযাপিত হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘মিশর তাদের দেশে পাট চাষ করতে চায়। এ বিষয়ে তারা বাংলাদেশের সহায়তা চেয়েছে। আমরা বলেছি, এ বিষয়ে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।’

অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে মন্ত্রী জানান, আইসিটি, চামড়া খাতে বিনিয়োগের বিষয়ে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে আলাপ হয়েছে। তারা এ বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের বড় উন্নয়ন অংশীদার অস্ট্রেলিয়াকে ইকোনমিক জোনগুলোতে বিনিয়োগের জন্য আহ্বান জানিয়েছি। পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির বিষয়েও আলাপ হয়েছে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Efforts to repatriate Rohingyas continue Foreign Minister

রোহিঙ্গাদের ফেরানোর চেষ্টা অব্যাহত আছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রোহিঙ্গাদের ফেরানোর চেষ্টা অব্যাহত আছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফাইল ছবি
মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা অনেক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়েছি, তাদেরকেও আমরা বলছি এবং মিয়ানমার সরকারকেও বলছি, বিশ্বের সমস্ত দেশকেও আমরা বলছি, যত দ্রুত এদেরকে আমাদের দেশ থেকে তাদের দেশে ফেরত দেয়ার ব্যবস্থা জোরদার করার জন্য। আমরা সবাইকে অনুরোধ করছি। আমরা মনে করি আমাদের সেই প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।’

রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরাতে প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে এ কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। খবর ইউএনবির

তিনি বলেন, ‘৩৩০ জন বর্ডার গার্ড পুলিশ, সামরিক বাহিনী এবং সরকারি কর্মকর্তারা যারা আমাদের দেশের সীমান্তের কাছাকাছি ছিল (১০ থেকে ১৫ মাইল), তারা পালিয়ে আমাদের দেশে প্রবেশ করেছিল। আমাদের দেশ তাদেরকে এক জায়গায় রেখে মিয়ানমারকে জানায়। সেই দেশ থেকে ব্যবস্থা নিয়ে আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তাদেরকে দেশে ফেরত পাঠিয়েছি। খুব সুন্দর ব্যবস্থার মাধ্যমে তাদেরকে ফেরত পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা অনেক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়েছি, তাদেরকেও আমরা বলছি এবং মিয়ানমার সরকারকেও বলছি, বিশ্বের সমস্ত দেশকেও আমরা বলছি, যত দ্রুত এদেরকে আমাদের দেশ থেকে তাদের দেশে ফেরত দেয়ার ব্যবস্থা জোরদার করার জন্য। আমরা সবাইকে অনুরোধ করছি। আমরা মনে করি আমাদের সেই প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।’

নির্বাচন ও বিএনপিকে নিয়ে সাংবাদিকদের করা এক প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, এইবার তো তারা (বিএনপি) নির্বাচনই করেননি। কাজেই তারা তো এখন বিরোধী দল বলে দাবি করতে পারেন না। ছোট ছোট যে রাজনৈতিক দল আছে, বিএনপির অবস্থানও আজ তেমন।

বিএনপি নেতাদের জামিন প্রসঙ্গে আসাদুজ্জামান খান বলেন, বিচারক মনে করেছেন তাদের জামিন দিতে হবে, তাদের জামিন দিয়েছেন, এখানে আমাদের কিছু করার নেই, বলারও নেই।

আরও পড়ুন:
গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেয়ার মিশরকে ধন্যবাদ জানাল বাংলাদেশ
বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা করাই আমাদের স্বপ্ন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
২৬ দেশের কারাগারে আটক রয়েছেন ৯৩৭০ বাংলাদেশি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The government is increasing the price of electricity to take revenge on the people Rizvi

জনগণের ওপর প্রতিশোধ নিতে বিদ্যুৎ জ্বালানির দাম বাড়াচ্ছে সরকার: রিজভী

জনগণের ওপর প্রতিশোধ নিতে বিদ্যুৎ জ্বালানির দাম বাড়াচ্ছে সরকার: রিজভী বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন করেন রুহুল কবির রিজভী। ছবি: সংগৃহীত
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধির উদ্যোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’

জনগণের ওপর প্রতিশোধ নিতে সরকার বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, ‘আগামী মার্চে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম আবারও বৃদ্ধি করবে সরকার। গণবিরোধী সরকার জবাবদিহিতার ধার-ধারে না। গত ৭ জানুয়ারি ডামি নির্বাচন জনগণকর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হওয়ায় জনগণের ওপর প্রতিশোধ নিতেই বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়ানো হচ্ছে।’

নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন রিজভী।

তিনি বলেন, ‘জনজীবনকে দুর্বিষহ করে তুলতেই বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধি করছে সরকার। এ সিদ্ধান্ত হবে অতীব নিষ্ঠুর। বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধি হলে এর চেইন রিএকশনে জনসাধারণের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে। কৃষি শিল্প, কলকারখানা গভীর সংকটে পড়বে।

‘এমনিতেই বাজারে দ্রব্যমূল্যের দাম হু-হু করে বাড়ছে। মানুষ তার প্রয়োজনীয় খাবার কিনতে হিমশিম খাচ্ছে। এর ওপরে এই দাম বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের ওপর চরম আঘাত আনবে।’

মধ্যম ও নিম্ন আয়ের মানুষরা কঠিন কষ্টের মধ্যে দিনযাপন করছে উল্লেখ করে রিজভী বলেন, ‘দেশে ৮০ শতাংশ মানুষের আয় বাড়েনি। অনাহারে-অর্ধাহারে কোনোরকম জীবন কাটাচ্ছে। তার ওপর সরকার বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি জনগণকে বিপদের মুখে ঠেলে দেয়া হবে।’

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘দেশ-বিদেশ থেকে ব্যাপকহারে ঋণ নিয়ে জনগণের ওপর বিপুল পরিমাণে বাড়ানো হয়েছে ঋণের বোঝা। এখন ডলার সঙ্কটের কারণে কয়লা উৎপাদনের খরচ বাড়ার কথা বলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধি সরকারের একটি অমানবিক খেলা।’

তিনি বলেন, ‘আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধির উদ্যোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’

এর আগে মঙ্গলবার বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানান, মার্চ মাস থেকে বিদ্যুতের দাম বাড়ার বিষয়ে আগামী সপ্তাহে প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।

নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিনি।

তিনি ওই সময় বলেন, পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করা হবে। এর সঙ্গে ভোক্তা পর্যায়েও কিছুটা সমন্বয় হবে, তবে ভোক্তাদের ওপর খুব বেশি প্রভাব যাতে না পড়ে, সেভাবেই বাড়ানো হবে। যারা বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন, তাদেরটা বেশি বাড়বে।

আরও পড়ুন:
ফখরুল-খসরু জামিনে মুক্তি পেতে পারেন বিকেলে
ক্ষমতা দখল করে জনগণকে ঔদ্ধত্য দেখাচ্ছে আ. লীগ সরকার: রিজভী
জামিন আবেদন নাকচ, চাঁদের ঠিকানা শেরপুর কারাগার
বিএনপির ৬ দিনের আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা
আওয়ামী লীগকে খেসারত দিতে হবে: ফারুক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Moulvibazar Jubo League Chhatra Leagues attack on the police

পুলিশের ওপর মৌলভীবাজার যুবলীগ ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ

পুলিশের ওপর মৌলভীবাজার যুবলীগ ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ শহীদ মিনারে ফুল দেয়া নিয়ে পুলিশের সঙ্গে শুরুতে বাগবিতণ্ডায় জড়ান জেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। ছবি: নিউজবাংলা
শহীদ মিনারে ফুল দিতে গিয়ে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগোনোর চেষ্টা করেন মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক এমপি নেছার আহমদ। পুলিশ সদস্যরা সেসময় তাকে আটকানোর চেষ্টা করলে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীরা পুলিশের ওপর হামলা চালায়।

শহীদ দিবসে মৌলভীবাজার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দেয়াকে কেন্দ্র করে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ হামলায় মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযুক্ত করেছে পুলিশ।

একুশের প্রথম প্রহরে মৌলভীবাজার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিতে গেলে এ ঘটনা ঘটে।

জেলা পুলিশ জানায়, রাত ১২টা ১মিনিটে প্রটোকল অনুযায়ী প্রথমে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার ফুলের তোড়া নিয়ে শহীদ মিনারে যান। তখন মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক এমপি নেছার আহমদ ব্যারিকেড নিয়ে পুলিশকে সরে যেতে বলেন, কিন্তু তা না মানায় তিনি একপর্যায়ে ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগোনোর চেষ্টা করেন। পুলিশ সদস্যরা সেসময় তাকে আটকানোর চেষ্টা করলে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীরা পুলিশের ওপর হামলা চালায়।

পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, জেলা যুবলীগের সহ-সম্পাদক শিমুল আহমেদ চৌধুরী, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাইফুর রহমান রনি, বর্তমান সভাপতি আমিনুল ইসলাম চৌধুরী আমিন, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম, সহ-সভাপতি আব্দুস সামাদ, কিবরিয়া, সিভাজেড শামীম, লিপ্পন, সৌমিক, সাঈদ রাজা, সায়েক, রুপসান, মনুয়ার, তানভির আহমদ চৌধুরী ও আবির শেখ হেলাল পুলিশের ওপর হামলা চালায়। পরে পুলিশ সদস্যরা সেখান থেকে সরে যান।

এ বিষয়ে মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মো. মনজুর রহমান বলেন, ‘আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি। খতিয়ে দেখা হবে কে বা কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Khandaker Musharraf returned home after treatment

চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন খন্দকার মোশাররফ

চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন খন্দকার মোশাররফ বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। ফাইল ছবি
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, ‘সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ব্রেইনে অপারেশন হয়েছে। সেখানকার চিকিৎসক তাকে আগামী ছয় মাস কোনো ধরনের জনসমাগম ও কারও সঙ্গে সাক্ষাৎ থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন।’

সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। মঙ্গলবার রাত ১টায় ঢাকায় পৌঁছান তিনি।

সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালের চিকিৎসকদের পরামর্শক্রমে গুলশানের বাসায় ৬ মাস বিশ্রামে থাকবেন তিনি।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, ‘সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে মোশাররফ স্যারের ব্রেইনে অপারেশন হয়েছে। সেখানকার চিকিৎসক তাকে আগামী ছয় মাস কোনো ধরনের জনসমাগম ও কারও সঙ্গে সাক্ষাৎ থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন।’

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ১৬ জুন দলীয় পদযাত্রা কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন ড. মোশাররফ। প্রথমে তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। এরপর ২৭ জুন সিঙ্গাপুরে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হসপিটালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন তিনি।

দু’মাসের বেশি সময় সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা শেষে ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকায় ফিরে আসেন খন্দকার মোশাররফ। এরপর আবার অসুস্থ হলে বিএনপির জ্যেষ্ঠ এই নেতাকে গত বছরের ৫ ডিসেম্বর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি তাকে আবারও সিঙ্গাপুরে নেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
বিএনপি নেতা খন্দকার মোশাররফ আইসিইউতে
সরকারের বিদায় সময়ের ব্যাপার মাত্র: মোশাররফ
দেশ সংকটকাল অতিক্রম করছে: মোশাররফ
সরকারের পতন ঘটানো হবে: মোশাররফ
কর্মসূচি পেছানো নমনীয়তা নয়, গণতান্ত্রিক চরিত্র: বিএনপি

মন্তব্য

p
উপরে