× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
It is raining and cold is slowly increasing throughout the country
google_news print-icon

বৃষ্টি হচ্ছে সারা দেশেই, ধীরে বাড়ছে ঠান্ডা

বৃষ্টি-হচ্ছে-সারা-দেশেই-ধীরে-বাড়ছে-ঠান্ডা
ফাইল ছবি
ছিটেফোঁটা বৃষ্টি হচ্ছি কদিন ধরে, এই ছিটেছোঁটা বুধবার থেক গুঁড়ি গুঁড়িতে রূপ নিয়েছে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হচ্ছে এখনও। এই বৃষ্টিতে কমছে তাপমাত্রা, বাড়ছে শীত। অবহাওয়ার এমন অবস্থা সামনে অন্তত পাঁচদিন থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শীতের মৌসুমে এসেও তেমন একটা ঠান্ডা পড়ছে না রাজধানী ঢাকায়। রাতে হালকা শীত শীত ভাব হলেও দিনের আলোয় তার অস্তিত্ব বোঝা যায় কমই। তবে ঢাকার বাইরে শীত এসে গেছে বেশ আগেই। এবার অবশ্য রাজধানীর বুকেও শীতের আভাস, এই অভাস বয়ে এনেছে আকাশ থেকে নেমে আসা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি।

ছিটেফোঁটা বৃষ্টি হচ্ছি কদিন ধরে, এই ছিটেছোঁটা বুধবার থেক গুঁড়ি গুঁড়িতে রূপ নিয়েছে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হচ্ছে এখনও। এই বৃষ্টিতে কমছে তাপমাত্রা, বাড়ছে শীত। অবহাওয়ার এমন অবস্থা সামনে অন্তত পাঁচদিন থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার পূর্বভাসে এসব তথ্য দিয়েছে। পরবর্তী পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে অধিদপ্তর বলছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ভারী বর্ষণ হতে পারে।

সারা দেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা ২ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হ্রাস পেরে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।

আবহাওয়ার সার্বিক পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, উত্তর অন্ধ্র প্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি উত্তর দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে লঘুচাপে পরিণত হয়ে বর্তমানে এটি গুরুত্বহীণ হয়ে পড়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, বুধবার সকাল ৬টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে প্রায় সারা দেশেই। এতে তাপমাত্রাও কমেছে। এই সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে যশোরে ২৬ মিলিমিটার। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল কক্সবাজারে ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল তেঁতুলিয়ায় ১৭. ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আরও পড়ুন:
সংকেতমুক্ত বন্দর, নেই ঝড়ের সম্ভাবনাও
মিগজাউমের প্রভাব বাংলাদেশে পড়বে না: দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী
ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’: ভারি বৃষ্টিতে চেন্নাইয়ে পাঁচজনের মৃত্যু

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Today is the first day of Agnijhra March

অগ্নিঝরা মার্চের প্রথম দিন আজ

অগ্নিঝরা মার্চের প্রথম দিন আজ
‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’- বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের এই পঙক্তি বাঙালি জাতিকে ইস্পাত কঠিন দৃঢ়তায় বলীয়ান করে তোলে। এই মার্চেই বাঙালি বিদায় জানায় পাকিস্তানকে।

অগ্নিঝরা মার্চের প্রথম দিন আজ শুক্রবার। বাঙালির জীবনে নানা কারণে মার্চ মাস অন্তর্নিহিত শক্তির উৎস। এ মাসেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’- বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টার এই পঙক্তি বাঙালি জাতিকে ইস্পাত কঠিন দৃঢ়তায় বলীয়ান করে তোলে। এই মার্চেই বাঙালি বিদায় জানায় পাকিস্তানকে।

১৯৭১-এর ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওর্য়াদী উদ্যান) এই ঐতিহাসিক ভাষণের সময় মুহুর্মুহু গর্জনে উত্তাল ছিল জনসমুদ্র। লাখো কণ্ঠের একই আওয়াজ উচ্চারিত হতে থাকে দেশের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে। ঢাকাসহ গোটা দেশে পত্‌ পত্‌ করে উড়তে থাকে সবুজ জমিনের ওপর লাল সূর্যের পতাকা।

১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ভাষার দাবিতে যে আগুন জ্বলে উঠেছিল সেই আগুন যেন ছড়িয়ে পড়ে বাংলার সর্বত্র। এরপর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন, ৬৬-এর ছয় দফা এবং ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের সিঁড়ি বেয়ে একাত্তরের মার্চ বাঙালির জীবনে নিয়ে আসে নতুন বারতা।

একাত্তরের ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা করেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা। এর আগে ২৫ মার্চ রাত ১টার অল্প পর বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানি সৈন্যরা গ্রেপ্তার করে তার বাড়ি থেকে।

বাঙালির কণ্ঠ চিরতরে স্তব্ধ করে দিতে ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানিরা ‘অপারশেন সার্চলাইট’ নামে শুরু করে বাঙালি নিধন। ঢাকার রাস্তায় বেরিয়ে সৈন্যরা নির্বিচারে হাজার হাজার লোককে হত্যা করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ছাত্র-শিক্ষককে হত্যা করে।

এর পরের ঘটনাপ্রবাহ প্রতিরোধের ইতিহাস। বঙ্গবন্ধুর আহবানে ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলা হয়। আবালবৃদ্ধবনিতা যোগ দেন মহান মুক্তিযুদ্ধে। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র যুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জনের মধ্যদিয়ে জাতি লাভ করে স্বাধীনতা।

এ মাসেই জাতি পালন করবে মহান স্বাধীনতার ৫৪ বছর। এ উপলক্ষে মাসের প্রথম দিন থেকেই শুরু হবে সভা-সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। নানা আয়োজনে মুখর থাকবে গোটা দেশ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The cabinet is being sworn in on Friday

মন্ত্রিসভা বড় হচ্ছে, শপথ শুক্রবার

মন্ত্রিসভা বড় হচ্ছে, শপথ শুক্রবার
বর্তমান মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রীর বাইরে পূর্ণ মন্ত্রী রয়েছেন ২৫ জন এবং প্রতিমন্ত্রী ১১ জন। ৩৭ সদস্যের এই মন্ত্রিসভায় কোনো উপমন্ত্রী নেই। এর মধ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে বর্তমানে আলাদা মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী নেই। কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী থাকলেও পূর্ণ মন্ত্রী নেই। আবার পূর্ণ মন্ত্রী থাকলেও প্রতিমন্ত্রী নেই।

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন দ্বাদশ জাতীয় সংসদের মন্ত্রিসভার আকার বাড়ছে। মন্ত্রিসভায় নতুন করে যারা যুক্ত হচ্ছেন তাদের শপথ হতে পারে শুক্রবার।

সরকার-সংশ্লিষ্ট উচ্চ পর্যায়ের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বর্তমান মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রীর বাইরে পূর্ণ মন্ত্রী রয়েছেন ২৫ জন এবং প্রতিমন্ত্রী ১১ জন। ৩৭ সদস্যের এই মন্ত্রিসভায় কোনো উপমন্ত্রী নেই। এর মধ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে বর্তমানে আলাদা মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী নেই। এগুলোর দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর হাতে রয়েছে।

কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী থাকলেও পূর্ণ মন্ত্রী নেই। আবার পূর্ণ মন্ত্রী থাকলেও প্রতিমন্ত্রী নেই। মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণে এই বিষয়গুলো বিবেচনায় আসতে পারে বলে আলোচনা আছে।

সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচনের পর মন্ত্রিসভার আকার বাড়বে- এমন একটি আলোচনা সরকার শপথ গ্রহণের পর থেকেই ছিল। এ বিষয়ে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের পর বর্তমান মন্ত্রিসভার পরিধি বাড়তে পারে বলে কিছুদিন আগে সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত সংরক্ষিত নারী আসনের ৫০ জন সংসদ সদস্যের শপথ হয়েছে বুধবার। এরপর থেকে মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানোর বিষয়টি নেতাকর্মীদের মুখে মুখে আলোচিত হতে থাকে।

প্রসঙ্গত, ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর ১১ জানুয়ারি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। ওইদিন প্রধানমন্ত্রীসহ ৩৭ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন।

আরও পড়ুন:
সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের পর মন্ত্রিসভার আকার বাড়বে: কাদের
জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা মন্ত্রিসভার সদস্যদের
ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিসভার সদস্যদের
বাজিমাত করলেন আরাফাত
পররাষ্ট্রের গুরুদায়িত্বে হাছান মাহমুদ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
How much is the price of electricity increasing in which sector?

কোন খাতে কত বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

কোন খাতে কত বাড়ছে বিদ্যুতের দাম
দাম বাড়ালেও সমন্বয়টা বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের ওপর দিয়ে বেশি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

এক বছরের মাথায় গ্রাহক পর্যায়ে ফের বাড়ছে বিদ্যুতের দাম। সরকারের নির্বাহী আদেশে গ্রাহক পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম খুচরা পর্যায়ে সাড়ে আট শতাংশ ও পাইকারি পর্যায়ে ৫ দশমিক শূন্য ৭৪ শতাংশ বাড়ানো হচ্ছে। নতুন দর অনুসারে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতে গ্রাহককে অতিরিক্ত গুনতে হবে ৭০ পয়সা। চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের বিল থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর করা হবে।

নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের নতুন দাম নির্ধারণ করে বৃহস্পতিবার প্রজ্ঞাপন জারি করছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যুতে ভর্তুকিতে ডলারের তারতম্যটাই মূল বিষয়। গ্যাসের দামও ঊর্ধ্বমুখী। ফলে এবার বিদ্যুতের ভর্তুকি গিয়ে দাঁড়াবে ৪৩ হাজার কোটি টাকায়। সে কারণে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দাম সমন্বয়ে যেতে হবে। আমরা ধীরে ধীরে কয়েক বছর ধরে মূল্য সমন্বয়ে যাব।’

নিচের দিকে ইউনিট প্রতি বিদ্যুতের দাম ৩৪ পয়সা বাড়ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ওপরের দিকে ৭০ পয়সা বাড়বে। অর্থাৎ নিচের দিকে ৫ শতাংশ ও ওপরের দিকে দাম বাড়বে সাড়ে ৮ শতাংশের মতো। ফলে মাসশেষে হয়ত ১০০ টাকায় ৫ থেকে ৮ টাকা বাড়তি দিতে হতে পারে।’

প্রতিমন্ত্রী জানান, ডলারের দামের তারতম্যের কারণে বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ প্রায় ১২ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে, যা আগে ৭ থেকে ৮ টাকা ছিল। বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ৭ টাকায় বিক্রি করছে সরকার।

তবে দাম বাড়ালেও সমন্বয়টা বেশি ব্যবহারকারীদের ওপর দিয়ে বেশি করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

বিদ্যুতের দাম সমন্বয়ের কারণে জনজীবনে এর প্রভাব কেমন পড়বে- এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিশেষজ্ঞদের কথায় মনে হচ্ছে, অত বেশি পরিবর্তন ঘটবে না। খুব বেশি প্রভাব পড়বে না।’

নতুন মূল্য কার্যকরের সময় জানাতে তিনি বলেন, ‘ডায়নামিক প্রাইসে (পরিবর্তিত মূল্যে) তেলের দাম নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। ১ মার্চ থেকে সেটি কার্যকর করা শুরু হবে। আর বিদ্যুতের দাম যেটা বেড়েছে, সেটা ১ ফেব্রুয়ারি থেকেই কার্যকর হবে।’

নসরুল হামিদ বলেন, ‘আমরা জ্বালানির দাম সমন্বয় করেছি বিদ্যুতে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো যে দামে গ্যাস নিত, সেখানে আমরা ৭০ পয়সার মতো সমন্বয় করেছি। আর তেলের দামও ডায়নামিক প্রাইসে নির্ধারণ করা হয়েছে।

‘কয়লা, তেল ও গ্যাসসহ জ্বালানি আমরা যে দামে কিনতাম, সেখানে একটা ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। গত বছরে মারাত্মকভাবে এ পরিবর্তন এসেছে, যে কারণে ডলারের সঙ্গে জ্বালানির দাম সমন্বয় করার চিন্তাভাবনা করছিলাম। জ্বালানির ব্যাপারেও একটা ডায়নামিক প্রাইসের দিকে যাচ্ছি, যেটা পয়লা মার্চ থেকে শুরু হবে। কাল-পরশুর মধ্যেই এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।’

ডায়নামিক প্রাইসের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিশ্বে যদি জ্বালানির দাম বাড়ে, তাহলে আমাদের দেশেও সেটার সঙ্গে সমন্বয় করে বাড়বে। আবার বিশ্বে যদি কমে, আমাদের দেশেও কমবে।

‘এটা প্রতি মাসের প্রথম সপ্তাহে করা হবে। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ প্রতিদিন এটা করে। যেমন কলকাতার কথা যদি বলি, সেখানে এক লিটার ডিজেলের দাম ১৩৩ টাকা। আমাদের দেশে ডিজেলের দাম ১০৯ টাকা।’

এভাবে গ্যাসের দামও সরকারকে ডলারের সঙ্গে সমন্বয় করতে হচ্ছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘গ্যাস আমদানি সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। আমরা যদি তা সারের সঙ্গে যদি মিক্স করি, তাহলে ২৪ টাকার ওপরে পড়ে যায়। সারকে এ গ্যাস দিচ্ছি ১৬ টাকা রেটে, বিদ্যুতকে দিচ্ছি ১৪ টাকা রেটে। যে কারণে গ্যাসের দাম ১৪ টাকা ৭০ পয়সা করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
মার্চ নয়, বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য ফেব্রুয়ারি থেকেই কার্যকর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Police must prepare to deal with new forms of crime PM

অপরাধের নতুন ধরন মোকাবিলায় পুলিশকে প্রস্তুতি নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

অপরাধের নতুন ধরন মোকাবিলায় পুলিশকে প্রস্তুতি নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার নিজ কার্যালয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন। ছবি: পিআইডি
শেখ হাসিনা বলেন, ‘প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে নানাভাবে অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। অপরাধের নতুন ধরন মোকাবিলার ওপর সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে। অপরাধ মোকাবিলায় সিস্টেম আপগ্রেড করা না গেলে এগুলো নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না।’

প্রযুক্তির উন্নয়নের যুগে অপরাধের নতুন নতুন ধরন মোকাবিলা করতে পুলিশ সদস্যদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পুলিশ সপ্তাহ-২০২৪ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকালে নিজ কার্যালয়ে বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দেয়া বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।

‘স্মার্ট পুলিশ স্মার্ট দেশ, শান্তি ও প্রগতির বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ মার্চ পর্যন্ত ছয় দিনব্যাপী পুলিশ সপ্তাহ পালিত হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে নানাভাবে অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। অপরাধের নতুন নতুন ধরন তৈরি হচ্ছে। আমাদের পুলিশ বাহিনীকে সম্ভাব্য সব উপায়ে এগুলো মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘অপরাধের নতুন ধরন মোকাবিলার ওপর সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে। অপরাধের ধরন পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে অপরাধ মোকাবিলায় সিস্টেম আপগ্রেড করা না গেলে এগুলো নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না।’

অপরাধের নতুন ধরন মোকাবিলায় পুলিশকে প্রস্তুতি নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৃহস্পতিবার তার কার্যালয়ে পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ফটোসেশনে অংশ নেন। ছবি: পিআইডি

পুরুষ, নারী ও শিশু নির্বিশেষে জনগণকে কর্মক্ষেত্রে আপনজন বিবেচনা করে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে সেবা দেয়ার জন্য পুলিশ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান সরকার প্রধান।

তিনি বলেন, ‘পুলিশ এখন জনগণের বন্ধুতে পরিণত হয়েছে। এখন মানুষ অতীতের মতো পুলিশকে ভয় পায় না। এখন তারা (জনগণ) তাদের আস্থা ফিরে পেয়েছে এবং সাধারণ মানুষ পুলিশকে তাদের বন্ধু ও আস্থাভাজন মনে করে।’

আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মানুষ হত্যা, পুলিশকে মারা, পুলিশ হত্যাসহ সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের যে মামলাগুলো রয়েছে এর দীর্ঘসূত্রতা থাকার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এই মামলাগুলো কিন্তু যথাযথভাবে চলে না। আমি মনে করি যারা এ ধরনের অপরাধ করে তাদের মামলাগুলো যথাযথভাবে চললে এবং দ্রুত সাজা হয়ে গেলে আর অপরাধ করার সাহস পাবে না।’

আগামীতে যেন আর কেউ পুলিশের ওপর আক্রমণ করতে না পারে সেভাবে পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের প্রস্তুত থাকতে বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘রাজনীতির নামে হোক আর সন্ত্রাসের নামে হোক আইনকে যাতে নিজের হাতে তুলে নিতে না পারে এবং আইন-শৃঙ্খলা ও মানুষের জানমাল এবং জাতীয় সম্পদের ক্ষতি করতে না পারে এ ব্যাপারে পুলিশকে অবিচল থাকতে হবে। যখনই যেটা দরকার যথাযথ ভূমিকা পালন করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘কেউ যেন আইনকে নিজের হাতে তুলে নিতে এবং আইনশৃংখলার অবনতি ঘটাতে না পারে।’

আরও পড়ুন:
রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে থাকবে
নিজের লেখা দুটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী
সরকারিভাবে বড় ইফতার পার্টি না করার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর
সরকার অফশোর গ্যাস উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
দেশের মানুষের সেবা করুন: পুলিশকে প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Day temperature may increase slightly

সামান্য বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা

সামান্য বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা রৌদ্রোজ্জ্বল দিনে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে খেলছে শিশু-কিশোররা। ফাইল ছবি/পিয়াস বিশ্বাস
পূর্বাভাসে সিনপটিক অবস্থা নিয়ে বলা হয়, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে জানিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, সামান্য বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা।

রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এমন বার্তা দিয়েছে।

পূর্বাভাসে সিনপটিক অবস্থা নিয়ে বলা হয়, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

বৃষ্টিপাতের বিষয়ে বলা হয়, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।

তাপমাত্রার বিষয়ে পূর্বাভাসে জানানো হয়, সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

ঢাকায় বাতাসের গতি ও দিক নিয়ে বলা হয়, পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ ছয় থেকে ১২ কিলোমিটার।

আরও পড়ুন:
ঢাকায় বৃষ্টি হতে পারে
ফের ১০ ডিগ্রির ঘরে পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা 
সামান্য বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা
দেশজুড়ে কমতে পারে রাতের তাপমাত্রা
দেশজুড়ে কমতে পারে রাতের তাপমাত্রা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Prices of daily necessities will be affordable during Ramadan
সংসদে প্রধানমন্ত্রী

রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে থাকবে

রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে থাকবে বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: ফোকাস বাংলা
জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকার প্রধান বলেন, ‘আশা করি পবিত্র রমজান মাসে মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে থাকবে এবং বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দামের লাগাম টেনে ধরা সম্ভব হবে।’

পবিত্র রমজান মাসে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘আশা করি পবিত্র রমজান মাসে মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে থাকবে এবং বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দামের লাগাম টেনে ধরা সম্ভব হবে।’

বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে ভোলা-২ থেকে নির্বাচিত ক্ষমতাসীন দলের সদস্য আলী আজমের লিখিত প্রশ্নের জবাবে সংসদ নেতা শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার জনগণের সরকার। তাই জনগণের দুর্ভোগ কমাতে সরকার সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে। সরকারের পদক্ষেপের ফলে দরিদ্র মানুষ, বিশেষ করে দরিদ্র পরিবার, বয়স্ক ব্যক্তি, বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা ও নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনে স্বস্তি আসবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘সরকার নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের স্বাভাবিক মূল্য বজায় রাখতে সব ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা ইতোমধ্যে ভোক্তা মূল্যের অস্বাভাবিক বৃদ্ধিকে অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্ববাজারে কিছু পণ্য- যেমন জ্বালানি তেল, ভোজ্যতেল, গম, সার, বিভিন্ন খাদ্যপণ্য, ভোগ্যপণ্য ও শিল্পের কাঁচামালের দাম বেড়েছে। এ কারণে দেশে আমদানি পণ্যে মূল্যস্ফীতির চাপ অনুভূত হচ্ছে। মূল্যস্ফীতি কমাতে বিভিন্ন শুল্ক ছাড় দেয়া হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
নিজের লেখা দুটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী
সরকারিভাবে বড় ইফতার পার্টি না করার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর
সরকার অফশোর গ্যাস উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
দেশের মানুষের সেবা করুন: পুলিশকে প্রধানমন্ত্রী
বাইডেনের চিঠির জবাব পাঠালেন শেখ হাসিনা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Prime Ministers instructions not to hold official big Iftar parties

সরকারিভাবে বড় ইফতার পার্টি না করার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

সরকারিভাবে বড় ইফতার পার্টি না করার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: ফোকাস বাংলা
মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর তরফ থেকে বেসরকারিভাবে ইফতার পার্টি আয়োজনকেও নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, কারও যদি এ ধরনের অনুষ্ঠান করার ইচ্ছা থাকে তাহলে যেন সেই অর্থে খাদ্য কিনে গরিব মানুষদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।’

আসন্ন পবিত্র রমজানে সরকারিভাবে বড় ধরনের কোনো ইফতার পার্টি উদযাপন না করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনির্ধারিত আলোচনায় তিনি এই নির্দেশনা দেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় এই বৈঠকে একইসঙ্গে বেসরকারিভাবেও এ ধরনের ইফতার পার্টি আয়োজনকে নিরুৎসাহিত করার কথা বলেছেন সরকার প্রধান।

বিকেলে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বৈঠকের সিদ্ধান্ত ও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর তরফ থেকে একটা নির্দেশনা আছে, সেটা হলো রমজান মাসে সরকারিভাবে বড় করে কোনো ইফতার পার্টি আয়োজন করা যাবে না।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রীর তরফ থেকে নির্দেশনা আছে, রমজান মাসে সরকারিভাবে বড় ধরনের ইফতার পার্টি নামক কোনো বিষয় উদযাপন করা যাবে না। তিনি এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক করেছেন।

তিনি বলেন, বেসরকারিভাবে ইফতার পার্টি আয়োজনকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, কারও যদি এ ধরনের অনুষ্ঠান করার ইচ্ছা থাকে তাহলে যেন সেই অর্থে খাদ্য কিনে গরিব মানুষদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।

মাহবুব হোসেন আরও বলেন, ‘আপনাদের বুঝতে হবে আমরা যেন অপচয় না করি। আমরা যেন লোক দেখানো কার্যক্রমে নিজেদের নিয়োজিত না করি। তার বদলে ওই টাকাটা যদি আপনি কারও কল্যাণে ব্যবহার করতে চান, গরিব মানুষ যাদের টার্গেট করলেন তাদের আপনি বিলিয়ে দিতে পারেন। আমি-আপনি বসে খেলাম, ওখানে অনেক খাদ্যের অপচয় হলো, অর্থের অপচয় হলো। এটার তো ধর্মীয় দিক থেকেও যুক্তি থাকতে পারে না।

প্রসঙ্গত, রমজান মাসের চাঁদ দেখা সাপেক্ষে এ বছর রোজা শুরু হতে পারে ১২ বা ১৩ মার্চ।

মন্তব্য

p
উপরে