× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Video of Svechasevak League leaders threat to independent candidate goes viral
google_news print-icon

স্বতন্ত্র প্রার্থীকে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার হুমকি, ভিডিও ভাইরাল

স্বতন্ত্র-প্রার্থীকে-স্বেচ্ছাসেবক-লীগ-নেতার-হুমকি-ভিডিও-ভাইরাল
কুমিল্লায় নির্বাচনি সভায় বক্তব্য দিচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা লিটন সরকার। ছবি: নিউজবাংলা
বক্তব্যে লিটন সরকার বলেন, ‘আমি আজকে বলতে চাই, তুই কত বড় সেনা (সেয়ানা) হইছত, কত বড় গুণ্ডা হইছত! তুই তো বিদ্রোহী প্রার্থী; মুর্খের মতো মূর্খ ব্যাখ্যা দিস। আমি তর বাড়িতে গিয়া তরে ধরমু।’

নির্বাচনি সভায় গিয়ে কুমিল্লায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা লিটন সরকারের বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবুল কালাম আজাদকে হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

ভিডিওতে দেখা যায় আজাদকে উদ্দেশ্যে লিটন সরকার বলেছেন, ‘বাঘের থাবা থেকে বাঁচার ক্ষমতা আছে, কিন্তু রাজী ফখরুলের থাবা থেকে বাঁচার ক্ষমতা কারও নেই। রাজী ফখরুল তো পরের কথা আগে আমাদের থাবা থেকে বাঁচ! আমি ওপেন চ্যালেঞ্জ দিলাম, আরে কম্পিটিশন তো দূরের কথা, জামানতই থাকত না। আমার আর আবু কালামের (আবুল কালাম আজাদ) এক সেন্টার (ভোটকেন্দ্র)। তোর ক্ষমতা থাকলে তোর ইউনিয়নে পারলে আমার সামনে দাঁড়া।’

গত মঙ্গলবার দেবিদ্বার উপজেলার ভানী ইউনিয়ন যুবলীগের উদ্যোগে একটি আলোচনা সভায় এ বক্তব্য দেন কুমিল্লা উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক লিটন সরকার। বক্তব্যের এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

বক্তব্যে লিটন সরকার আরও বলেন, ‘আমি আজকে বলতে চাই, তুই কত বড় সেনা (সেয়ানা) হইছত, কত বড় গুণ্ডা হইছত! এই আবুল কালাম, তুই কবে ছাত্রলীগ করছত? কবে যুবলীগ করছত? কবে আওয়ামী লীগ করছত? নৌকার বিরুদ্ধে নির্বাচন করতাছত। তুই এটা বুজছ না- কোনটা ডামি প্রার্থী, কোনটা স্বতন্ত্র প্রার্থী আর কোনটা বিদ্রোহী প্রার্থী। তুই তো বিদ্রোহী প্রার্থী; মুর্খের মতো মূর্খ ব্যাখ্যা দিস। আমি তর বাড়িতে গিয়া তরে ধরমু। মুখ খারাপ করে লাভ নাই।

‘তোর রাজী মুন্সীর আন্ডাত (অন্ডকোষে) আলগি দেয়ার ক্ষমতা আছেনি? এটা সিম্পল বিষয়। রাজী মোহাম্মদ ফখরুলের পৈত্রিক যা সম্পত্তি আছে, এটার কোনাডা কেনার মতো তোর ক্ষমতা নাই। তুই তো ছাগলের আট নম্বর বাচ্চা।’

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘তার এ বক্তব্যের পর আমার একজন মেম্বারকে বেধড়ক পিটিয়েছে লিটন সরকারের সন্ত্রাসী বাহিনী। এ ছাড়া গতকাল রাতে তার সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্য বিল্লাল ও হুমায়ুনের নেতৃত্বে রাজামেহার ইউপি চেয়ারম্যানের ছেলে সিফাতকে রাস্তায় একা পেয়ে কুপিয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নির্বাচন কমিশন একটি গ্রহণযোগ্য ও অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আমার বিশ্বাস প্রশাসন সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। এ ছাড়া জনগণ ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ পেলে আমাকে ভোট দিয়ে জয়ী করবে।’

এ বিষয়ে লিটন সরকার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি আবুল কালামের আগে দেয়া বক্তব্যের প্রতিবাদ করেছি। ভিডিওতে আমার বক্তব্য কিছুটা এডিটের পর প্রকাশ করা হয়েছে।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Book lovers collect their favorite books by looking at the catalogue

ক্যাটালগ দেখে ‘পছন্দের’ বই সংগ্রহে বইপ্রেমীরা

ক্যাটালগ দেখে ‘পছন্দের’ বই সংগ্রহে বইপ্রেমীরা ছবি: নিউজবাংলা
মেলা একদম শেষপর্যায়ে চলে আসায় এরই মধ্যে প্রায় সব নতুন বই প্রকাশিত হয়েছে। ফলে প্রকাশনীর ক্যাটালগ বা তালিকা দেখে নিজেদের পছন্দের সব পাঠকের বিভিন্ন স্টল-প্যাভিলিয়নে বই কিনতে দেখা যাচ্ছে।

নিয়ম অনুযায়ী আজকের দিনের পর আর মাত্র তিন দিন আছে প্রাণের মেলার সময়। তিন দিন পরই শেষ হয়ে যাবে মাসব্যাপী চলা বইয়ের এ উৎসব। তবে আগামী ১ ও ২ মার্চ শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে দুই দিন বইয়ের মেলা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন প্রকাশকরা। এ জন্য বাংলা একাডেমিকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক বিক্রেতা সমিতি। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আজ-কালের মধ্যে পাওয়া যাবে বলে জানা গেছে। তবে সেই দুই দিন সময় না বাড়ানো হলে আপাতত দৃষ্টিতে বইমেলা ২৯ ফেব্রুয়ারিই শেষ হচ্ছে।

তাই মেলা একদম শেষপর্যায়ে চলে আসায় এরই মধ্যে প্রায় সব নতুন বই প্রকাশিত হয়েছে। ফলে প্রকাশনীর ক্যাটালগ বা তালিকা দেখে নিজেদের পছন্দের সব পাঠকের বিভিন্ন স্টল-প্যাভিলিয়নে বই কিনতে দেখা যাচ্ছে।

বরাবরের মতো এবারও শেষ দিকে বেড়েছে বই বিক্রি। কারণ হিসেবে প্রকাশকরা বলছেন, সাহিত্যপ্রেমীরা মেলার শুরু থেকে বিভিন্ন প্রকাশনী থেকে তালিকা সংগ্রহ করে শেষ দিকে এসে বই কেনা শুরু করেন। এরই মধ্যে মেলা থেকে তাদের ব্যাগ ভর্তি করে বই কিনতে দেখা গেছে।

বইমেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা যায়, মেলায় এখন যারা আসছেন তাদের বেশির ভাগই বইয়ের ক্রেতা। পাঠকদের বড় একটি অংশ মেলায় বই কিনছেন নিজের পছন্দ করা বইয়ের তালিকা ধরে ধরে। মেলায় প্রকাশনী স্টলগুলোতে কিছুক্ষণ পরপরই পাঠক আসছেন। যাদের মধ্যে অনেকেই তালিকা ধরে বই কিনতে আসছেন মেলায়। এক প্রকাশনী থেকে বই সংগ্রহ শেষে ছুটছেন অন্য প্রকাশনীতে। তাদের অনেকেই পছন্দের তালিকার বই কিনতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। আবার অনেকেই দেখেশুনে বই কিনতে দেখা গেছে।

মেলায় আগত পাঠক-দর্শনার্থী জানান, বিভিন্ন প্রকাশনী ঘুরে ক্যাটালগ দেখে এতদিন নতুন বইয়ের তালিকা সংগ্রহ করেছেন তারা। মেলা শেষপর্যায়ে আসায় এরই মধ্যে প্রায় সব নতুন বই চলে এসেছে। ফলে এখন আর শুধু দেখা নয়, এবার তারা পছন্দের বইগুলো কেনা শুরু করেছেন তারা।

আগামী, অন্যপ্রকাশ, সময়, প্রথমা, পাঞ্জেরী, অন্বেষা, ইত্যাদি, বাতিঘর, অনন্যা, কাকলী, উৎস, দিব্য, বিদ্যা, পুথিনিলয়, অ্যাডর্ন, পার্ল, ইউসিবিএল, কথাপ্রকাশ, শোভাসহ আরও বেশ কয়েকটি প্রকাশনার প্যাভিলিয়ন ও স্টল ঘুরেও দেখা গেছে বইয়ের বিক্রির হিড়িক। সেখানেও দেখা গেছে তালিকা ধরে ধরে পাঠ করা বই কিনছেন।

আজ বইমেলায় ছিল ছুটির দিন। পবিত্র শবেবরাত উপলক্ষে সরকারি এ ছুটির দিনে দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত মেলায় যেন জনস্রোত তৈরি হয়েছিল। পাঠক-দর্শনার্থীর ভিড়ে বইয়ের বেচাকেনাও হয়েছে বেশ। এতে একদিকে প্রকাশকদের মুখে যেমন হাসি ফুটেছে তেমনি পাঠকদের কাছে নিজের বইটি তুলে দিতে পেরে সন্তুষ্ট লেখকরাও।

রাজধানীর পুরান ঢাকা থেকে বইমেলায় ঘুরতে আসা আদিবা জাহান নওমি বলেন, ‘এবারের বইমেলায় শুরুর দিকে একবার এসে ঘুরে গেছি। তখন প্রকাশনীগুলো থেকে তাদের ক্যাটালগ সংগ্রহ করেছিলাম। বাসা থেকে এবার পছন্দ করা বইগুলোর তালিকা করে নিয়ে এসেছি। এখন ক্যাটালগ থেকে তালিকা ধরে ধরে বই কিনেছি। বেশ কিছু বই কেনা বাকি রয়েছে। শেষ দিন হয়ত আবার আসা হবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সানজিদা নূর ঐশী বলেন, বইমেলা তো হলের পাশেই যখন ইচ্ছে হয় যাওয়া যায়। তবে মেলার শুরুর দিকে দুয়েকটি বই কিনছিলাম। আর এখন পছন্দের তালিকা থেকে বই কিনতে এসেছি। মেলা থেকে নিজের পছন্দের অন্তত ১০টি বই কিনবেন বলেও জানান তিনি।

বইমেলা থেকে বড় মেয়ের জন্য হুমায়ূন আহমেদের কোথাও কেউ নেই বইটি কিনেছেন ঢাকা জজ কোর্টের সাংবাদিক হীরক পাশা। তিনি জানান, নিজের পছন্দের বিষয় ইতিহাস ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণের বেশ কিছু বই কিনেছেন তিনি। স্ত্রী ফাতেমাতুজ জোহরা, ছেলে আবরার ও ছোট মেয়ে আরিফা কিনেছে যথাক্রমে ধর্মীয় বই, নাসিরুদ্দিন হোজ্জার গল্প ও ছোটদের ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস।

ঐতিহ্য প্রকাশনীর ব্যবস্থাপক আমজাদ হোসেন কাজল বলেন, মেলার শেষ দিকে প্রচুর পাঠক এখন তালিকা ধরে ধরে বই কিনছেন। এ ধরনের পাঠক-ক্রেতাই এখন বেশি। সরকারি ছুটির দিন হওয়ায় বই ক্রয়ের দিক থেকে পাঠকদের মধ্যে অভূতপূর্ব সাড়া পড়েছে।

বেচাকেনার হালচাল নিয়ে মৃদুল প্রকাশনীর প্রকাশক এম সহিদুল ইসলাম বলেন, এখন মেলার অন্তিম সময় চলছে। বলা চলে বই বিক্রির মোক্ষম সময় এখনই। আমরা পাঠকদের চাহিদা অনুযায়ী বই বিক্রি করছি। পরিবারের সবাই এমনকি বইপ্রেমীরা বুক লিস্ট ধরে ধরে এখন বই কিনছেন।

বইয়ের চাকচিক্য ও অধিক মূল্যের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কাগজের মূল্য তো অত্যধিক। তা ছাড়া কাগজের ওপর শুল্কও কমানো হচ্ছে না। বই লেখা, ছাপানো, মুদ্রণ খরচ কিন্তু কম নয়। আর চাকচিক্যের যে বিষয়টি বলছেন সেটি আসলে বই বিক্রির একটি পন্থাও বটে। কাগজ মানসম্মত না হলে অনেক পাঠক বই কিনতেও চায় না।

বইমেলার ২৬তম দিন সোমবার মেলা শুরু হয় দুপুর ১২টায় এবং চলে রাত ৯টা পর্যন্ত। এই দিনে নতুন বই এসেছে ২৪৬টি। দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত মেলায় এদিন মানুষের ঢল নামে। এদিন বিকেল ৪টায় বইমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় স্মরণ: আবুবকর সিদ্দিক এবং স্মরণ: আজিজুর রহমান আজিজ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যথাক্রমে ফরিদ আহমদ দুলাল ও কামরুল ইসলাম। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন মামুন মুস্তাফা, তৌহিদুল ইসলাম, মো. মনজুরুর রহমান ও আনিস মুহাম্মদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কবি আসাদ মান্নান।

‘লেখক বলছি’ অনুষ্ঠানে নিজেদের নতুন বই নিয়ে আলোচনা করেন প্রাবন্ধিক সরকার আবদুল মান্নান, কবি ইউসুফ রেজা, কথাসাহিত্যিক ও অনুবাদক দিলওয়ার হাসান এবং কথাসাহিত্যিক মোস্তফা তারিকুল আহসান।

বই-সংলাপ ও রিকশাচিত্র প্রদর্শন মঞ্চে বিকেল ৫টায় সাম্প্রতিক বাংলা কবিতা বিষয়ে বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন সঞ্জীব পুরোহিত, তারেক রেজা, জাহিদ সোহাগ, আফরোজা সোমা, আহমেদ শিপলু, রাদ আহমদ এবং সৈয়দ জাহিদ হাসান। সঞ্চালনা করেন ফারহান ইশরাক ও খালিদ মারুফ।

এ ছাড়া সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কবিতা পাঠ করেন কবি মুহাম্মদ সামাদ, শামীম রেজা, রহিম শাহ, নভেরা হোসেন এবং ইমরান পরশ। আবৃত্তি পরিবেশন করেন আবৃত্তিশিল্পী ম ম জুয়েল, আরিফ হাসান, আলম আরা জুঁই, খোদেজা বেগম। এ ছাড়া ছিল জয়দুল হোসেনের পরিচালনায় সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘সাহিত্য একাডেমি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া’, মুশতাক আহমেদ লিটনের পরিচালনায় সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘আমরা কুঁড়ি’ এবং শাহিনুর আল-আমীনের পরিচালনায় সংগঠন ‘সম্প্রীতি সংস্কৃতি বন্ধন’-এর পরিবেশনা।

গুণীজন স্মৃতি পুরস্কার-২০২৪

২০২৩ সালে প্রকাশিত বিষয় ও গুণমানসম্মত সর্বাধিক সংখ্যক বই প্রকাশের জন্য কথা প্রকাশকে চিত্তরঞ্জন সাহা স্মৃতি পুরস্কার-২০২৪ প্রদান করা হয়েছে। ২০২৩ সালে প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে শৈল্পিক ও গুণমান বিচারে সেরা বই বিভাগে মনজুর আহমদ রচিত একুশ শতকে বাংলাদেশ: শিক্ষার রূপান্তর গ্রন্থের জন্য প্রথমা প্রকাশন, মঈন আহমেদ রচিত যাত্রাতিহাস: বাংলার যাত্রাশিল্পের আদিঅন্ত গ্রন্থের জন্য ঐতিহ্য এবং আলমগীর সাত্তার রচিত কিলো ফ্লাইট প্রকাশের জন্য জার্নিম্যান বুকসকে মুনীর চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার-২০২৪ প্রদান করা হয়েছে। ২০২৩ সালে প্রকাশিত শিশুতোষ বইয়ের মধ্য থেকে গুণমান বিচারে সর্বাধিক গ্রন্থ প্রকাশের জন্য ময়ূরপঙ্খিকে রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই স্মৃতি পুরস্কার-২০২৪ প্রদান করা হয়েছে। ২০২৪ সালের অমর একুশে বইমেলায় অংশগ্রহণকারী প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্য থেকে নান্দনিক অঙ্গসজ্জায় সেরা প্রতিষ্ঠান হিসেবে অন্যপ্রকাশ (প্যাভিলিয়ন), নিমফিয়া পাবলিকেশন (২-৪ ইউনিট), বেঙ্গল বুকস (১ ইউনিট)-কে শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার-২০২৪ প্রদান করা হয়েছে। ২৯ ফেব্রুয়ারি অমর একুশে বইমেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কারগুলো হস্তান্তর করা হবে।

আগামীকালকের বইমেলা

বইমেলার ২৭তম দিন মঙ্গলবার মেলা শুরু হবে বিকেল ৩টায় এবং চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত। বিকেল ৪টায় বইমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে স্মরণ: সেলিম আল দীন শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন লুৎফর রহমান। আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন রশীদ হারুন ও জাহিদ রিপন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন নাট্যজন নাসিরউদ্দিন ইউসুফ।

আরও পড়ুন:
প্রাণের বইমেলায় বিদায়ের সুর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Four children died in hospital due to food poisoning in Sirajganj

সিরাজগঞ্জে খাদ্যে বিষক্রিয়ায় শিশুর মৃত্যু, চারজন হাসপাতালে

সিরাজগঞ্জে খাদ্যে বিষক্রিয়ায় শিশুর মৃত্যু, চারজন হাসপাতালে
চিকিৎসক জানান, খাদ্যে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত পাঁচজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে এক শিশু হাসপাতালে আনার আগেই মারা যায়। বাকি চারজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে মা পারভিন ও মেয়ে রিয়ার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে খাদ্যে বিষক্রিয়ায় এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের আরও চারজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

মারা যাওয়া শিশুটির নাম জিমহা। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশুটির মা পারভিন, শিশু কন্যা রিয়া, নূরী ও ভাগ্নি মিথিলা। তাদের বাড়ি বেলকুচি উপজেলার বৈলগাছি গ্রামে।

স্বজনরা জানান, সোমবার সন্ধ্যায় ইফতার করার সময় মহল্লার দোকান থেকে স্যালাইন কিনে সরবত তৈরি করের পারভিন। ইফতারের সময় সবাই মিলে তা পান করে সবাই অসুস্থ হয়ে পড়েন।

ক্রমেই অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের সবাইকে সিরাজগঞ্জ বঙ্গমাতা শেখ বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানে চিকিৎসক শিশু জিমহাকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকিদের তাৎক্ষণিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, সন্ধ্যার পর খাদ্যে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত পাঁচজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী খাবার স্যালাইন খেয়েই তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের মধ্যে এক শিশু হাসপাতালে আনার আগেই মারা যায়। বাকি চারজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে মা পারভিন ও মেয়ে রিয়ার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

আরও পড়ুন:
ছাড়পোকার ওষুধের বিষক্রিয়ায় ২ বোনের মৃত্যুর অভিযোগ
নাশতা খেয়ে হাসপাতালে বিচারক দম্পতি, ভাতিজি ‘পলাতক’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Withdrawal of the decision to name Sugandha Beach as Bangabandhu Beach

সুগন্ধা বিচকে ‘বঙ্গবন্ধু বিচ’ নামকরণের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার

সুগন্ধা বিচকে ‘বঙ্গবন্ধু বিচ’ নামকরণের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার কক্সবাজারের সুগন্ধা পয়েন্ট। ছবি: ফেসবুক থেকে সংগৃহীত
আগের প্রজ্ঞাপন বাতিল করে রোববার প্রকাশিত নতুন বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘পূর্বে পাঠানো নির্দেশনার ওপর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করার জন্য নির্দেশনাক্রমে অনুরোধ করা হলো। একইসঙ্গে পূর্বে পাঠানো পত্রটিও বাতিল বলে গণ্য করা হলো।’

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা বিচকে ‘বঙ্গবন্ধু বিচ’ ও কলাতলী ও সুগন্ধা বিচের মাঝখানের এলাকাকে ‘মুক্তিযোদ্ধা বিচ’ নামকরণের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। সুগন্ধা বিচকে ‘বঙ্গবন্ধু বিচ’ নামকরণের সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা সমালোচনার এক সপ্তাহ পর আগের সিদ্ধান্ত বাতিল করা হলো।

রোববার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহকারি সচিব মো. সাহেব উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সুগন্ধা পয়েন্টের নাম পরিবর্তন করে ‘বঙ্গবন্ধু বিচ’ ও কলাতলী ও সুগন্ধা বিচের মাঝখানের এলাকাকে ‘মুক্তিযোদ্ধা বিচ’ নামকরণ করে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

তবে সেই প্রজ্ঞাপন বাতিল করে রোববার প্রকাশিত নতুন বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘পূর্বে পাঠানো নির্দেশনার ওপর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করার জন্য নির্দেশনাক্রমে অনুরোধ করা হলো। একইসঙ্গে পূর্বে পাঠানো পত্রটিও বাতিল বলে গণ্য করা হলো।’

উল্লেখ্য, সুগন্ধা বিচকে ‘বঙ্গবন্ধু বিচ’-এ নামকরণের জন্য মুক্তিযুদ্ধা সংসদ কমান্ডের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান মো. সোলায়মান মিয়া আবেদন করেছিলেন। পরে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির ১৩তম সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এছাড়া সুপারিশ করা হলে সেটি বাস্তবায়নের বিষয়ে নির্দেশনা দেয় মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন:
বদলে যাচ্ছে কক্সবাজার সৈকতের দুই পয়েন্টের নাম

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The mayor of Patuakhali does not obey the code of conduct
পৌরসভা নির্বাচন

আচরণবিধি মানছেন না পটুয়াখালীর মেয়র

আচরণবিধি মানছেন না পটুয়াখালীর মেয়র মেয়র প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদের ভোটের প্রচারে দেদারসে পলিথিনে মোড়ানো পোস্টার ব্যবহার করা হচ্ছে। ছবি: নিউজবাংলা
পটুয়াখালী পৌরসভা নির্বাচনের প্রচারে সব প্রার্থী পলিথিনবিহীন পোস্টার ব্যবহার করলেও আচরণবিধি মানছেন না মেয়র প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ। তিনি দেদারসে পলিথিনে মোড়ানো পোস্টারে প্রচার চালাচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে অন্য প্রার্থীরা ক্ষুব্ধ।

পটুয়াখালী পৌরসভা নির্বাচনে আচরণবিধি মানছেন না মেয়র প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ। প্রতীকসহ পোস্টার টানানোর ক্ষেত্রে অন্য প্রার্থীরা পলিথিন ব্যবহার না করার নিষেধাজ্ঞা মেনে চললেও মেয়র মহিউদ্দিন দেদারসে তা করে যাচ্ছেন।

নির্বাচন কমিশন ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পরপরই প্রায় সব প্রার্থী নিয়ম অনুযায়ী পোস্টার ব্যবহার করছেন। কিন্তু গত রাত থেকে মেয়র প্রার্থী মহিউদ্দিন আহমেদ নির্বাচন অফিসের নির্দেশনা অমান্য করছেন। এ নিয়ে অন্য প্রার্থীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশনের পরিপত্র ২-এর ২১ নং ক্রমিকে স্পষ্টভাবে বলা আছে, ‘স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ পূর্বক প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা এবং নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে প্লাস্টিকে মোড়ানো বা পোস্টার প্লাস্টিক পলিথিন লেমিনেটিং করে ব্যবহার না করাসহ ইতিপূর্বে নির্দেশনা প্রদান করতে হবে।’

আচরণবিধি মানছেন না পটুয়াখালীর মেয়র

এই ধারার উল্লেখ করে প্রতীক বরাদ্দের দিন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা স্পষ্টভাবেই জানিয়ে দিয়েছেন যে, পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করা যাবে না।

অথচ মেয়র প্রার্থী মহিউদ্দিন আহমেদ পলিথিন মোড়ানো পোস্টার টানিয়েছেন গোটা শহরে। এ নিয় অন্য প্রার্থীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। কারণ ২৩ তারিখ থেকে রোববার রাত পর্যন্ত তাদের টানানো পলিথিনবিহীন পোস্টার গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি আর কুয়াশায় নষ্ট হয়েছে কয়েকবার।

অথচ শহরের পৌরসভা মোড়, সিঙ্গারা পয়েন্ট, কলেজ রোড, জুবিলী স্কুল সড়কসহ বেশকিছু সড়কে জগ প্রতীকের মেয়র প্রার্থী মহিউদ্দিনের টানানো পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করতে দেখা গেছে।

মেয়র প্রার্থী ডা. মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সকালে পোস্টার টানানোর পর বিকেলে হাল্কা বৃষ্টি হওয়ায় সেসব পোস্টার নষ্ট হয়ে যায়। তাই পরদিন সকালে আবার পোস্টার লাগাই। তবু পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করিনি।

অথচ আচরণবিধির তোয়াক্কা না করে একজন প্রার্থী তার নির্বাচনি প্রচারের পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করছেন। এগুলো কি নির্বাচন কর্মকর্তা দেখেন না? এমনিতেই জেলা নির্বাচনের কার্যক্রম নিয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন মিডিয়ায় আর্থিক অনিয়ম নিয়ে মেয়র মহিউদ্দিনের পক্ষাবলম্বনের রিপোর্ট আসছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের উচিত বিষয়টি দেখার।’

পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর মো. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘প্রতীক বরাদ্দের দিন জেলা নির্বাচন অফিস থেকে আমাদেরকে বলা হয়েছে যে পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করা যাবে না। এটা দণ্ডনীয় অপরাধ। সে কারণে আমরা পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করিনি।’

৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মো. খলিলুর রহমান জানান, নির্বাচন অফিসের নিষেধাজ্ঞা থাকায় পোস্টারে পলিথিন লাগাইনি।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মেয়র প্রার্থী মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ওগুলো ভুলে লাগানো হয়েছে। যারা লাগিয়েছে তারা ভুল করেছে। আমি তাদেরকে সরিয়ে ফেলতে বলেছি।’

পটুয়াখালী জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলার জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কর্মকর্তা খান আবি শাহানুর খান জানান, নির্বাইন আচরণবিধিতে বলা হয়েছে যে কোনো প্রার্থী তাদের পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করতে পারবেন না। কেউ পলিথিন ব্যবহার করে থাকলে আমাদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।’

জগ প্রতীকের মেয়র প্রার্থী পলিথিনে মোড়ানো পোস্টার টানিয়েছেন- এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এমন একটা অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি দেখছি।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
In three months 143 Rohingyas were arrested with fake passports and 23 Ansars

তিন মাসে ১৪৩ রোহিঙ্গার ভুয়া পাসপোর্ট, আনসারসহ গ্রেপ্তার ২৩

তিন মাসে ১৪৩ রোহিঙ্গার ভুয়া পাসপোর্ট, আনসারসহ গ্রেপ্তার ২৩ ডিবির পৃথক অভিযানে জব্দ করা ভুয়া পাসপোর্ট, এনআইডি ও অন্যান্য সরঞ্জাম। ছবি: সংগৃহীত
রোহিঙ্গা ও অপরাধীদের জন্য ভুয়া জন্মসনদ, এনআইডি ও পাসপোর্ট তৈরির অভিযোগে প্রতারক চক্রের ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ এবং দালাল ছাড়াও দুজন আনসার সদস্য রয়েছেন।

রোহিঙ্গা ও অপরাধীদের জন্য ভুয়া জন্মসনদ, এনআইডি ও পাসপোর্ট তৈরির অভিযোগে প্রতারক চক্রের ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ এবং দালাল ছাড়াও দুজন আনসার সদস্য রয়েছেন। এই প্রতারক চক্র গত তিন মাসেই রোহিঙ্গাদের জন্য ১৪৩টি পাসপোর্ট তৈরি করে দিয়েছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে ডিবি প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ এ তথ্য জানান।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়- রাজধানীর আগারগাঁও, মোহাম্মদপুর, যাত্রাবাড়ী ও বাড্ডা এলাকায় শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) অভিযান চালিয়ে তিন রোহিঙ্গা নারী-পুরুষসহ ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) লালবাগ বিভাগ। এ সময় তাদের কাছ থেকে পাসপোর্ট সংক্রান্ত কাগজপত্র, পাসপোর্ট ও কম্পিউটার জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা, টাঙ্গাইল ও কক্সবাজারে অভিযান চালানো হয়। এসব অভিযানে দুই আনসার সদস্য ছাড়াও রোহিঙ্গা ও বাঙালি মিলিয়ে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তাদের কাছ থেকে জব্দ করা হয় ১৭টি পাসপোর্ট, ১৩টি এনআইডি, ৫টি কম্পিউটার, ৩টি প্রিন্টার, ২৪টি মোবাইল ফোন সেট ও পাসপোর্ট তৈরির কাগজপত্র।

গ্রেপ্তারকৃত রোহিঙ্গারা হলেন-উম্মে ছলিমা ওরফে ছমিরা, মরিজান, রশিদুল, আইয়ুব আলী ও মোস্তাকিম।

এছাড়া আনসার সদস্য জামসেদুল ইসলাম ও রায়হানসহ চক্রের অন্য সদস্যদের ৫ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে।

পুলিশ জানায়, চক্রটি রোহিঙ্গা শিশু, নারী ও পুরুষদের লাখ টাকার বিনিময়ে ভুয়া জন্মসনদ, এনআইডি ও পাসপোর্ট বানিয়ে দিত।

প্রতারক চক্র এই অপকর্ম চালাতে সংশ্লিষ্ট রোহিঙ্গাদের প্রথমে কক্সবাজার, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি থেকে ঢাকায় আনতো। একটি দল তাদের জন্মসনদ ও এনআইডি বানিয়ে দিত। আরেকটি দল ঢাকাসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে আনসার সদস্যদের মাধ্যমে পাসপোর্টের ব্যবস্থা করে দিত।

ডিবি পুলিশ জানায়, চক্রটি ৬ ঘণ্টার মধ্যে জন্ম সনদের জন্য ৫ থেকে ১২ হাজার টাকা, তিনদিনের মধ্যে এনআইডি করার জন্য ২৫ হাজার টাকা এবং পাসপোর্ট তৈরির জন্য ১ লাখ ২০ হাজার টাকা নিতো বলে প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে।

২০১৯ সাল থেকে চক্রটি রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি অপরাধীদের ভিন্ন নাম ও ঠিকানায় পাসপোর্ট করে দিয়ে আসছিল। এভাবে তারা গত তিন মাসেই রোহিঙ্গাদের জন্য ১৪৩টি পাসপোর্ট তৈরি করে দিয়েছে বলে স্বীকার করেছে।

আরও পড়ুন:
ভাসানচরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন, ছয় শিশুসহ দগ্ধ ৯
অস্ত্রসহ আটক ২২ রোহিঙ্গার ১১জন রিমান্ড শেষে কারাগারে
গুলিবিদ্ধ নারীসহ ৫ রোহিঙ্গার অনুপ্রবেশ
মিয়ানমারের পাঁচ গ্রাম থেকে অনুপ্রবেশের চেষ্টা রোহিঙ্গাদের
রোহিঙ্গা নিয়ে ভাসানচরে পৌঁছেছে নৌবাহিনীর ৫ জাহাজ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
31 tourists lost their way in the Sundarbans and call 999 to rescue them

সুন্দরবনে পথ হারিয়ে ৯৯৯-এ ফোন, ৩১ পর্যটক উদ্ধার

সুন্দরবনে পথ হারিয়ে ৯৯৯-এ ফোন, ৩১ পর্যটক উদ্ধার শিক্ষার্থীসহ ৩১ পর্যটককে সোমবার সুন্দরবনের গহীন থেকে উদ্ধার করে মোংলা থানা পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
মোংলা থানার ওসি কে এম আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘বাগেরহাটের চিতলমারি থেকে শিক্ষার্থীসহ ৩১ জনের একটি দল সোমবার সকালে করমজল এলাকায় ভ্রমণে যায়। কিছুক্ষণ পর তারা পথ হারিয়ে ফেলেন। এ সময় এক শিক্ষার্থী ৯৯৯ নম্বরে কল দিলে গহীন বন থেকে তাদেরকে উদ্ধার করা হয়।

সুন্দরবনে ঘুরতে গিয়ে গভীর বনে ঢুকে পড়ে ৩১ জন পর্যটকের একটি দল। গহীন অরণ্যে এক পর্যায়ে পথ হারিয়ে ফেলেন পর্যটকরা। এভাবেই কেটে যায় কয়েক ঘণ্টা। বন থেকে বেরিয়ে আসার পথ না পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন তারা। অবশেষে ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে তাদেরকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মোংলা থানার ওসি কে এম আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘বাগেরহাটের চিতলমারি থেকে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ ৩১ জনের একটি দল সোমবার সকালে সুন্দরবনের করমজল এলাকায় ভ্রমণে যায়। বনে প্রবেশের কিছুক্ষণ পরই তারা পথ হারিয়ে ফেলেন।

‘এসব কিশোর পর্যটকের মধ্যে ফেরদৌস নামে একজন বুদ্ধি খাটিয়ে তার মোবাইল ফোন থেকে ৯৯৯ নম্বরে কল দেয়। এ সময় কল সেন্টার থেকে তাদেরকে সরাসরি মোংলা থানায় কথা বলিয়ে দেয়া হয়।

‘ফেরদৌস জানায় যে তার ফোনে চার্জ নেই। এ অবস্থায় আমি ওই দলের সদস্যদের আরও দুটি মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করি। এরপর মোবাইলে যোগাযোগের মাধ্যমে বিকেলে তাদের সন্ধান মিলে। তারা ঘুরতে ঘুরতে গভীর বনে ডুকে পড়ছিল।’

তিনি জানান, অবশেষে প্রায় ৩ ঘণ্টা পর সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র সংলগ্ন গহীন বন থেকে পথ হারিয়ে ফেলা ওই ৩১ পর্যটককে উদ্ধার করে মোংলা থানা-পুলিশ।

কিশোর ফেরদৌস জানায়, তার মোবাইলে ব্যালেন্স ছিল না। কিন্তু সে জানত যে ব্যালেন্স না থাকলেও ৯৯৯ নম্বরে ফোন করা যায়। তাই সে বুদ্ধি খাটিয়ে ৯৯৯-এ ফোন করে বন থেকে উদ্ধারে সহযোগিতা চায়।

আরও পড়ুন:
উপকূলের ‘সুন্দরবন দিবস’ আজ
সুন্দরবনে বেড়েছে ‘বাঘের খাদ্য’ হরিণসহ ৫ প্রাণী
মৌসুমে সাত হাজার টন গোলপাতা আহরণের লক্ষ্য
পর্যটকদের ব্ল্যাকমেইল করে লুট করতেন তারা
ট্যুরিস্ট পুলিশ কার্যালয়ের পাশেই ছিনতাইকারীর কবলে ৫ পর্যটক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rajshahi Editors Forum President Liaquat Editor Apu

রাজশাহী এডিটরস ফোরামের সভাপতি লিয়াকত সম্পাদক অপু

রাজশাহী এডিটরস ফোরামের সভাপতি লিয়াকত সম্পাদক অপু সভাপতি লিয়াকত আলী ও সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব অপু।
রাজশাহী এডিটরস ফোরামের অস্থায়ী কার্যালয়ে সোমবার বিকেলে অনুষ্ঠিত সম্পাদকদের সভায় সদস্যদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে তিন বছর মেয়াদি নতুন কমিটি গঠন হয়। সভায় রাজশাহীর স্থানীয় সংবাদপত্রের মানোন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়।

রাজশাহী থেকে প্রকাশিত দৈনিক সংবাদপত্রগুলোর সম্পাদকদের নিয়ে গঠিত ‘রাজশাহী এডিটরস ফোরাম’-এর কমিটি গঠন করা হয়েছে। সোমবার বিকেলে সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে এই কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটির সদস্যদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সোনালী সংবাদ সম্পাদক লিয়াকত আলী ও সহ-সভাপতি দৈনিক আমাদের রাজশাহী সম্পাদক আফজাল হোসেন। আর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক রাজশাহী সংবাদ সম্পাদক আহসান হাবীব অপু।

এছাড়া কোষাধ্যক্ষ দৈনিক সানশাইনের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ইউনুস আলী ও দফতর সম্পাদক দৈনিক গণধ্বনি প্রতিদিন সম্পাদক ইয়াকুব শিকদার।

নতুন কমিটির নির্বাচিত সদস্যরা হলেন- দৈনিক বার্তা সম্পাদক এসএম কাদের, দৈনিক সোনার দেশ সম্পাদক আকবারুল হাসান মিল্লাত, দৈনিক রাজশাহীর আলো সম্পাদক আজিবার রহমান, দৈনিক নতুন প্রভাতের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সোহেল মাহবুব, দৈনিক রাজবার্তা সম্পাদক মজিবুল হক বকু, দৈনিক উপচার সম্পাদক ড. মোহাম্মাদ আবু ইউসুফ সেলিম ও উত্তরা প্রতিদিন সম্পাদক সাইফুল ইসলাম।

সোমবার বিকেলে রাজশাহী এডিটরস ফোরামের অস্থায়ী কার্যালয়ে সম্পাদকদের সভায় সদস্যদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে তিন বছর মেয়াদি নতুন কমিটি গঠন হয়। সভায় রাজশাহীর স্থানীয় সংবাদপত্রের মানোন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়।

মন্তব্য

p
উপরে