× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
MP Golaps cash is 12 times less than his wifes
google_news print-icon

এমপি গোলাপের নগদ অর্থ স্ত্রীর চেয়ে ১২ গুণ কম

এমপি-গোলাপের-নগদ-অর্থ-স্ত্রীর-চেয়ে-১২-গুণ-কম-
আবদুস সোবাহান মিয়া গোলাপ। ফাইল ছবি
হলফনামা মোতাবেক আবদুস সোবাহান মিয়ার এমপি হওয়ার আগে ২০১৮ সালে কোনো গাড়ি ছিল না, এমপি হয়ে কিনেছেন কোটি টাকার গাড়ি।

মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুস সোবাহান মিয়া গোলাপের নগদ অর্থ স্ত্রীর নগদ অর্থের চেয়ে ১২ গুণ কম। তবে ব্যাংকে জামানতের পরিমাণ স্ত্রীর সম্পদের চেয়ে বেশি রয়েছে। এ ছাড়া এমপি হওয়ার আগে গাড়ি না থাকলেও এমপি হয়ে কিনেছেন কোটি টাকার গাড়ি।

আবদুস সোবাহান মিয়া গোলাপ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় তার স্ত্রী ও নিজের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের বিবরণী জমা দিয়েছেন। সেখানেই মিলেছে এসব তথ্য।

মাদারীপুর সদর উপজেলার পাঁচ ইউনিয়ন, কালকিনি ও ডাসার উপজেলা নিয়ে গঠিত মাদারীপুর-৩ নির্বাচনি এলাকা। এই নির্বাচনি এলাকা থেকে ২০১৮ সালে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আবদুস সোবহান মিয়া। তিনি এলাকায় গোলাপ নামে অধিক পরিচিত।

হলফনামা মোতাবেক আবদুস সোবাহান মিয়ার এমপি হওয়ার আগে ২০১৮ সালে কোনো গাড়ি ছিল না, এমপি হয়ে কিনেছেন কোটি টাকার গাড়ি।

হলফনামা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২০১৮ সালে তার নিজের নামে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ছিল ৩৩ লাখ ৬২ হাজার ৪১৭ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ছিল ৫১ লাখ ৯ হাজার ৬৯০ টাকা। বর্তমানে তার জমা অর্থের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক কোটি ৪৫ লাখ ৩ হাজার ৯৩১ টাকা এবং তার স্ত্রীর নামে রয়েছে ২৮ লাখ ১৮ হাজার ৫৩৮ টাকা।

তার সম্পদের বিবরণী বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, আবদুস সোবাহান মিয়ার নগদ অর্থের পরিমাণ ১৫ লাখ ২৮ হাজার ৬১৪ টাকা, তার স্ত্রীর নগদ অর্থ ১ কোটি ৯৬ লাখ ৬৫ হাজার ১৩ টাকা। যা এমপির চেয়ে ১২ দশমিক ৮৬ গুণ বেশি। আর ২০১৮ সালে তার নগদ টাকা ছিল ৭৯ লাখ ৬৫ হাজার ২৬৬ টাকা এবং স্ত্রীর গুলশান আরার নামে ছিল ১ কোটি ১১ লাখ ১৪ হাজার ১৩১ টাকা।

২০১৮ সালের হলফনামা মোতাবেক তার স্ত্রীর কাছে ৯৮ হাজার ১১৮ ইউএস ডলার থাকলেও চলতি বছরে তার কাছে কোনো বৈদেশিক মুদ্রা নেই বলে জানা গেছে।

তবে আবদুস সোবহানা মিয়া গোলাপের আগের হলফনামা মোতাবেক আগে কোনো গাড়ি না থাকলেও বর্তমানে তার একটি টয়োটা হ্যারিয়ার জিপ রয়েছে। যার বাজার মুল্য উল্লেখ করা হয়েছে ৯০ লাখ ৬৪ হাজার ২৪৭ টাকা।

আবদুস সোবহানা মিয়া গোলাপ ও তার স্ত্রী গুলশান আরার ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমার পরিমাণ বেড়েছে। ২০১৮ সালে তার নিজের নামে জমা ছিল ৩৩ লাখ ৬২ হাজার ৪১৭ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ছিল ৫১ লাখ ৯ হাজার ৬৯০ টাকা। বর্তমানে তার জমা অর্থের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক কোটি ৪৫ লাখ ৩ হাজার ৯৩১ টাকা এবং তার স্ত্রীর নামে রয়েছে ২৮ লাখ ১৮ হাজার ৫৩৮ টাকা।

অন্যদিকে তার নামে ২০১৮ সালে বন্ড, ঋণপত্র, স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত ও তালিকাভুক্ত নয় এমন কোম্পানির শেয়ার ছিল ২ কোটি ৬৮ লাখ ৬৯ হাজার ৩ ৭২ টাকার এবং স্ত্রীর নামে ৫ কোটি ৮৯ লাখ ৬৫ হাজার টাকার।

২০২৩ সালে বন্ড, ঋণপত্র, স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত ও তালিকাভুক্ত নয় এমন কোম্পানির শেয়ার রয়েছে এক কোটি ৫৪ লাখ ৭৫ হাজার ৬৯২ টাকার এবং স্ত্রীর নামে রয়েছে ৫ কোটি ৮৯ লাখ ৬৫ হাজার টাকার। এ ছাড়াও মিরপুর এবং উত্তরাতে তার দুটি দালান রয়েছে বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মাদারীপুর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মারুফুর রশিদ খান বলেন, ‘সব প্রার্থীই মনোনয়নপত্রের সঙ্গে হলফনামা জমা দিয়েছেন। আমরা প্রাথমিকভাবে সেগুলো যাচাই-বাছাই করেছি, তবে কারও ব্যাপারে কোনো আপত্তি আসলে, তা আবার যাচাই-বাছাই করে দেখা হবে।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The officer was attacked while trying to rescue the forest land

বনের জমি উদ্ধারে গিয়ে হামলার শিকার কর্মকর্তা

বনের জমি উদ্ধারে গিয়ে হামলার শিকার কর্মকর্তা দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ভূমিদস্যুদের হামলার শিকার বন কর্মকর্তা খাইরুল আলম। ছবি: নিউজবাংলা
আহত খাইরুল আলম বলেন, ‘বনের জমি দখলমুক্ত করতে গেলে তারা আমাদের ওপর ক্ষিপ্ত হন। এক পর্যায়ে লাঠিসোটা নিয়ে আমার উপর হামলা করেন।’

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ বনের জমিতে অবৈধ দখল উচ্ছেদ করতে গিয়ে স্থানীয়দের হামলার শিকার হয়েছেন খাইরুল আলম নামে এক বন কর্মকর্তা। বর্তমানে তিনি দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নবাবগঞ্জ উপজেলার মালিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নবাবগঞ্জ বনবিভাগে কর্মরত মোকারম হোসেন বলেন, ‘মালিপাড়া এলাকায় বাবলু নামে একজন অবৈধভাবে বনের জমি দখল করে ইটের দেয়াল করছিলেন। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেয়াল অপসারণ করে রওয়ানা দিয়েছি। হঠাৎ বাবলু তার পরিবারের সদস্যরাসহ ১০ থেকে ১৫ জন মিলে লাঠিসোটা নিয়ে আমাদের ওপর হামলা করেন।

‘এতে মাথা, হাত ও পায়ে আঘাত পান কর্মকর্তা খাইরুল আলম। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’

আহত খাইরুল আলম বলেন, ‘বনের জমি দখলমুক্ত করতে গেলে তারা আমাদের ওপর ক্ষিপ্ত হন। এক পর্যায়ে লাঠিসোটা নিয়ে আমার উপর হামলা করেন।’

দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের ইনডোর মেডিক্যাল অফিসার ডা. রবিউল ইসলাম বলেন, ‘বন কর্মকর্তা খাইরুল আলমের মাথার ডান দিকে আঘাত লেগেছে। পাশাপাশি বাম পা ও হাতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আমরা প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা দিয়েছি। কয়েকটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বিস্তারিত জানা যাবে।’

চোরকাই রেঞ্জের বন কর্মকর্তা নিশিকান্ত মালাকার বলেন, ‘একদল ভূমিদস্যু বিভিন্ন উপায়ে বনের জায়গা দখল করে ঘরবাড়িসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করে থাকে। সেগুলো দখলমুক্ত করতে গিয়ে বারবার হামলার শিকার হচ্ছি আমরা। আজকে খাইরুল আলমের সঙ্গেও এমনটা হয়েছে।

‘আমরা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ওসির সঙ্গে কথা বলেছি। এ ঘটনায় আমরা মামলা করব।’

আরও পড়ুন:
শাসন করায় ছাত্র-অভিভাবকদের হামলা, প্রধান শিক্ষকসহ আহত ৫
অফিস সহকারীকে কক্ষ পরিদর্শনে রেখে বনভোজনে শিক্ষক, খাতা উধাও
পুলিশের ওপর মৌলভীবাজার যুবলীগ ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Over 100 injured in Brahmanbaria group clash 33 detained

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গোষ্ঠীগত সংঘর্ষে আহত শতাধিক, আটক ৩৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গোষ্ঠীগত সংঘর্ষে আহত শতাধিক, আটক ৩৩ বিজয়নগরে বুধবারের সংঘর্ষে আহত অনেককে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিল্লাল হোসেন জানান, সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে ৬ রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করা হয়েছে। কয়েকজন পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ৩৩ জনকে আটক করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছে। বুধবার সকালে উপজেলার হরষপুর ইউনিয়নের বুল্লা গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ৩৩জনকে আটক করেছে পুলিশ।

বিজয়নগর থানার ওসি আসাদুল ইসলাম জানান, বেশ কিছুদিন আগে স্থানীয় ইউপি মেম্বার কাউসার মিয়ার মেয়ে জয়নাল মেম্বারের গোষ্ঠীর এক তরুণের সঙ্গে পালিয়ে বিয়ে করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধসহ নির্বাচন, রাজনৈতিক মতবিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বুধবার সকালে দুই গোষ্ঠীর লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় বেশকিছু বাড়িঘর ভাংচুর করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গোষ্ঠীগত সংঘর্ষে আহত শতাধিক, আটক ৩৩

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে রাবার বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের এ ঘটনায় দু’পক্ষের শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। আহতদের জেলা সদর হাসপাতাল ও মাধবপুর হাসপাতাল এবং স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়া আহতরা হলেন- কাউসার, মুখলেস, মোহন, জহুরুল হক, আব্দুল্লাহ, ছোট্ট মিয়া, মিলন, রিপন, জাকির, আব্বাস আলি, তানভীর, আশু, শফিকুল, রফিক, জসিম, রিপন, আবু লাল, কাউসার, আবন মিয়া, জয়নাল, লুৎফুর, সাদেকুল, নাজমুল, ওহিদ, তারেক, রামিত, জসিম, সিরাজ, কুশনাহার, রাসেল, নাসির মিয়া, ফায়েজ মিয়া, বিল্লাল, আব্দুল্লাহ, আবু তাহের, মোশাররফ, সাকিব, মিলন, মনা, নাঈম, হাকিম, শামীম, আবুল হোসেন, মোজাম্মেল, মামুন ও আজগর।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিল্লাল হোসেন জানান, সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে ৬ রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করা হয়েছে। এ ঘটনায় কয়েকজন পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন।

সংঘর্ষে জড়িত থাকায় বিভিন্ন স্থান থেকে ৩৩ জনকে আটক করা হয়েছে। থানায় পুলিশ এসল্ট মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। পরবর্তী সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
মুন্সিগঞ্জে আ.লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধসহ আহত ৭
দুই বংশের বিরোধে সংঘর্ষ, একজন নিহত
চবিতে দফায় দফায় সংঘর্ষ: কঠোর ব্যবস্থা নিতে বললেন শিক্ষামন্ত্রী
চবিতে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ থামছেই না, এবার পুলিশসহ আহত ১৩
নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগ-যুবলীগ সংঘর্ষে যুবক নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Transport strike in Sylhet called off

সিলেটে পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার

সিলেটে পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার ছবি: নিউজবাংলা
বুধবার ভোর ছয়টা থেকে পুরো জেলায় শুরু হয় এ ধর্মঘট। এতে ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ মানুষ।

সিলেটে ৫ দফা দাবিতে পরিবহন শ্রমিকদের ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী ও জেলা প্রশাসক শেখ মো. রাসেল হাসানের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

বুধবার পৌনে চারটার দিকে সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বৈঠক শেষে ধর্মঘট প্রত্যাহারের এ ঘোষণা দেন পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের নেতারা।

কর্মবিরতি প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ম সম্পাদক আলী আকবর রাজন।

বুধবার ভোর ছয়টা থেকে পুরো জেলায় শুরু হয় এ ধর্মঘট। এতে ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ মানুষ।

শ্রমিকরা জানান, সিএনজি স্টেশনগুলোতে গ্যাসের সংকট দূর করা, রাজনৈতিক বিভিন্ন মামলায় শ্রমিকদের মুক্তি ও ২০২১ সালে নগরীর চৌহাট্টায় শ্রমিকদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে ধর্মঘটের ডাক দেন তারা। আজকেই মধ্যে এ দাবি মেনে না নিলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে পুরো বিভাগজুড়ে ধর্মঘট করার হুঁশিয়ারি দেন তারা।

এর আগে মঙ্গলবার সিলেট জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সভাপতি ময়নুল ইসলাম জানান, সিলেটের সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশনগুলোতে প্রতি মাসের ২০ থেকে ২২ তারিখ আসার পর গ্যাসের লিমিট শেষ হওয়ার কথা বলে বন্ধ রাখা হয়। এতে পরিবহনশ্রমিকেরা বিপাকে পড়েন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা পরিবহনশ্রমিকদের যানবাহন নিয়ে রাস্তা দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। এর ফলে পরদিন কাজে যোগ দিতে পারছেন না। এ সমস্যা সমাধানের জন্য একাধিকবার জালালাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষ এবং প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে। এরপরও এর কোনো সুরাহা হয়নি।

তিনি আরও জানান, ২০২১ সালে সিলেট নগরের চৌহাট্টা স্ট্যান্ড নিয়ে শ্রমিকদের সঙ্গে সিটি করপোরেশনের কর্মীদের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে। ওই ঘটনা আপস-মীমাংসার পরও মামলা চলমান। সেই মামলার সমাধান চান তারা। অন্য দাবির মধ্যে পরিবহনশ্রমিকদের রাজনৈতিক মামলায় বিভিন্ন সময় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দেখা গেছে, যে শ্রমিক ঘটনাস্থলে ছিলেন না, তাকেও মামলার আসামি করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরপর ওই শ্রমিককে জামিন দেয়া হচ্ছে না। এসব মামলায় গ্রেপ্তার শ্রমিকদের জামিন চাচ্ছেন তারা।

দীর্ঘদিন ধরে সিলেটে প্রতি মাসের ১৮-২০ দিন পর থেকেই ‘লিমিট’ শেষ হয়ে যায় সিলেটের সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোর। ফরে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সিএনজিচালিত গাড়িগুলোর চালক। শুধু তাই নয়, সড়কের যানবাহন কম চলাচল করায় ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীসাধারণরাও।

আরও পড়ুন:
সিলেটে অনির্দিষ্টকাল পরিবহন ধর্মঘটের ডাক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
1 killed 6 injured in factory explosion in Gazipur

গাজীপুরে কারখানায় বিস্ফোরণে নিহত ১, আহত ৬

গাজীপুরে কারখানায় বিস্ফোরণে নিহত ১, আহত ৬ গাজীপুরের বাবারুল সুখীনগর ধীরাশ্রম এলাকায় ইন্টেলিজেন্ট কার্ড লিমিটেড নামের কারখানায় বুধবার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ছবি: নিউজবাংলা
গাজীপুর মহানগরীর বাবারুল সুখীনগর ধীরাশ্রম এলাকায় ইন্টেলিজেন্ট কার্ড লিমিটেড নামের একটি কারখানায় বুধবার দুপুরে লেনিনেশন মেশিন বিস্ফোরিত হয়। এতে কারখানায় আগুন ধরে যায়। এ সময় হতাহতের ঘটনা ঘটে।

গাজীপুরে একটি কারখানায় লেনিনেশন মেশিন বিস্ফোরণ ও আগুনের ঘটনায় এক যুবক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ছয়জন। তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের নাম-পরিচয় জানাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস।

এলাকাবাসী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, গাজীপুর মহানগরীর বাবারুল সুখীনগর ধীরাশ্রম এলাকায় ইন্টেলিজেন্ট কার্ড লিমিটেড নামের একটি কারখানায় বুধবার দুপুর পৌনে ১টার সময় লেনিনেশন মেশিন বিস্ফোরিত হয়। এতে কারখানার ভেতরে আগুন ধরে যায়।

আগুন ও বিস্ফোরণে লিখন মিয়া নামে একজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ছয়জন। লিখন মিয়ার বাড়ি গাইবান্ধা জেলায় বলে জানা গেছে।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠান। আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ওই হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল আরেফিন জানান, তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। বিস্ফোরণের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তসাপেক্ষে বলা যাবে।

আরও পড়ুন:
ঠাকুরগাঁওয়ে বয়লার বিস্ফোরণে নারী দুই শিশুর মৃত্যু
ভারতে গ্লাভস কারখানায় আগুনে ৬ মৃত্যু
ফেনীতে ফ্রিজের কম্প্রেসর বিস্ফোরণে বাবা-মা-ছেলে দগ্ধ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rape of pregnant woman by holding husband hostage No arrest in 5 days

স্বামীকে জিম্মি করে অন্তঃসত্ত্বাকে ‘ধর্ষণ’: ৫ দিনেও গ্রেপ্তার নেই

স্বামীকে জিম্মি করে অন্তঃসত্ত্বাকে ‘ধর্ষণ’: ৫ দিনেও গ্রেপ্তার নেই পাবনায় এক অন্তঃসত্ত্বাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ছবি: নিউজবাংলা
অভিযোগকারী নারী বলেন, ‘আমরা আমাদের আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়া পথে তারা মাঠের মধ্যে পথ আটকায়। একপর্যায়ে আমার স্বামীকে ব্যাপক মারধর করে এবং অস্ত্র আর ব্লেডের মুখে আমার স্বামীকে জিম্মি করে আর আমাকে মাঠের মধ্যে ভুট্টা ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ শুরু করে।’

পাবনার আমিনপুরে স্বামীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গর্ভের সন্তানটি মারা গেছে বলে জানান ওই নারী।

এরপর পাঁচ দিন অতিবাহিত হলেও এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। অভিযোগকারীরা জানান, ঘটনার পর থেকেই নানা চাপে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তারা।

এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতে পাবনার আমিনপুরের সাগরকান্দি ইউনিয়নের চর কেষ্টপুরে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এরপরই ছয়জনের নাম উল্লেখসহ থানায় মামলা করেন ওই নারীর স্বামী।

ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্তরা হলেন চর কেষ্টপুরের সেলিম প্রামাণিক, একই এলাকার মো. শরীফ, রাজীব সরদার, রুহুল মন্ডল, লালন সরদার ও সিরাজুল।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতে চর কেষ্টপুরের একটি ওয়াজ মাহফিল আয়োজন করা হয়। মাহফিলের ডেকোরেশনের কাজ করছিলেন ওই নারীর স্বামী। টাকার প্রয়োজনে সেদিন রাতে তার স্বামীর কাছে যান তিনি। রাত ১২টার দিকে পাশে এক আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার পথে গতিরোধ করেন অভিযুক্ত ছয় যুবক। ওই নারী ও তার স্বামীকে নানা প্রশ্ন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একপর্যায়ে স্বামীকে অস্ত্র ও ব্লেডের মাধ্যমে জিম্মি করে নারীকে পাশের একটি ক্ষেতে নিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে দুইজন তাকে ধর্ষণ করেন।

ঘটনার পর স্থানীয়রা একজনকে আটক করে সংঘবদ্ধ পিটুনি দেন, তবে বাকিরা পালিয়ে যান।

এ বিষয়ে কথা হয় স্থানীয় লিটন মন্ডল, রাজ্জাক মন্ডল, নিফাস মন্ডল ও শহিদ মণ্ডলের সঙ্গে।

তারা বলেন, ওয়াজ মাহফিল চলা অবস্থায় রাত ১টার দিকে এক যুবক তাদের কাছে ছুটে গিয়ে জানান, কিছু ছেলে তাকে মারধর করে তার স্ত্রীকে ধরে নিয়ে গেছে। এ কথা শোনার সঙ্গে সঙ্গেই স্থানীয়রা গিয়ে একজনকে হাতেনাতে ধরে পেটায়। আর মেয়েটিকে স্থানীয় পল্লি চিকিৎসক তোফাজ্জল হোসেন কাদেরীর কাছে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

অভিযোগকারী নারী বলেন, ‘আমরা আমাদের আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়া পথে তারা মাঠের মধ্যে পথ আটকায়। আমাদের বলে তোরা স্বামী-স্ত্রী কিনা। আমরা নিজেদের স্বামী-স্ত্রী দাবি করলেও তারা শুনে না। একপর্যায়ে আমার স্বামীকে ব্যাপক মারধর করে এবং অস্ত্র আর ব্লেডের মুখে আমার স্বামীকে জিম্মি করে আমাকে মাঠের মধ্যে ভুট্টা ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ শুরু করে।’

মামলার বাদী ওই নারীর স্বামী বলেন, ‘আমার স্ত্রী তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল। গর্ভের সন্তান মারা গেছে। মামলা হলেও আমাদের এখনও কোনো কাগজপত্র দেয়া হয়নি। থানায় গেলে কিছু পুলিশ সদস্য নানান কথা বলেন। আর যারা ধর্ষণ করেছে তাদের পক্ষ থেকেও নানা হুমকি ও চাপ আসছে।’

ধর্ষণ এবং সন্তান হত্যার বিচার দাবি করেন তিনি।

স্থানীয় পল্লি চিকিৎসক তোফাজ্জল হোসেন কাদেরী বলেন, ‘স্থানীয়রা ওই নারীকে উদ্ধার করে আমার কাছে নিয়ে আসলে আমি প্রাথমিক চিকিৎসা দেই। পরে তাদেরকে বলি মেয়েটাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতাল বা রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে।’

অভিযুক্তরা এখনও গ্রেপ্তার না হওয়ার বিষয়ে সাগরকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহীন চৌধুরী বলেন, ‘অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে দিবালোকে ঘুরছেন, কিন্তু তাদের গ্রেপ্তার করা যাচ্ছে না। আমরা এ রকম ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে কঠোর শাস্তির আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানাই।’

তবে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত আছে বলে জানান আমিনপুর থানার ওসি হারুনুর রশিদ।

তিনি বলেন, ‘অভিযুক্তরা সবাই পলাতক আছেন। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে। আমরা চেষ্টা করছি। ধর্ষণের ঘটনা মীমাংসা হয় না, বাদীকে হুমকি-ধামকির বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হবে।’

তাদের নিরাপত্তার জন্য সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বলেও জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
শেরপুরে হাতুড়ির আঘাতে বৃদ্ধকে হত্যার অভিযোগ, ছেলে আটক
হাতের সঙ্গে উঠে যাচ্ছে পিচ
কুড়িগ্রামে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় তিনজন গ্রেপ্তার  
মানিকগঞ্জে দুই শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় যুবক গ্রেপ্তার
জাবিতে ধর্ষণের শাস্তিসহ ৫ দাবিতে ফের প্রশাসনিক ভবন অবরোধ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Young mans life for rape of Khubis student in temptation of marriage

খুবির ছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন 

খুবির ছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন  ধর্ষণের মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত রাফি ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা
সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশের এসআই সোহেল রানা আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। এ মামলায় সাতজনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক আব্দুস সালাম খান বুধবার দুপুরে এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ৩০ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির নাম রাফি ইসলাম। কারাদণ্ডের সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে এক বছরের কারাদণ্ড দেয় আদালত।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ফরিদ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে মামলার আসামি রাফি ইসলাম বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে সোনাডাঙ্গার একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার ছেলের পরিবারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করলেও সমাধান হয়নি। আসামি একাধিকবার ভুক্তভোগীকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায়।

পরে ওই ছাত্রী ২০২৩ সালের ৮ জানুয়ারি আদালতে মামলা করেন। আদালতের নির্দেশনায় একই বছরের ১১ জানুয়ারি সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশ মামলাটি নথিভুক্ত করে।

২০২৩ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশের এসআই সোহেল রানা আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। এ মামলায় সাতজনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
After 23 days five schools in Ghumdhum border opened

২৩ দিন পর খুলল ঘুমধুম সীমান্তের পাঁচ স্কুল

২৩ দিন পর খুলল ঘুমধুম সীমান্তের পাঁচ স্কুল ঘুমধুম সীমান্তে পাঁচটি স্কুল খুলে দেয়া হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
চলতি মাসের ৫ তারিখ জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় জেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিস ঘুমধুম ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী পাঁচটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি মাদ্রাসা ও একটি উচ্চ বিদ্যালয় সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করেছিল।

মিয়ানমারে সামরিক জান্তা সরকারের বাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর চলমান সংঘর্ষের জেরে দীর্ঘ ২৩ দিন বন্ধ ছিল সীমান্তবর্তী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

সীমান্তে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় বুধবার থেকে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার পাঁচটি প্রাথমিক স্কুল খুলে দেয়া হয়েছে। সকাল থেকে যথারীতি চলছে শিক্ষা কার্যক্রম।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তবর্তী এলাকায় ভাজাবনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তুমব্রু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তুমব্রু পশ্চিমকুল পাহাড় পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাইশফাঁড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দক্ষিণ ঘুমধুম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খুলে দেয়া হয়েছে।

সীমান্তের কাছাকাছি ভাজাবনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহেদ হোসাইন বলেন, ‘মিয়ানমার অভ্যন্তরে জান্তা বাহিনী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সংঘাতের কারণে সীমান্ত লাগোয়া পাঁচটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করেছিল কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় অন্য বিদ্যালয়ের মতো আমরাও আমাদের ভাজাবনিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করে যথারীতি খুলেছি।’

তুমব্রু পশ্চিমকুল পাহাড় পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হেলাল উদ্দিন বলেন, শিশু শিক্ষার্থী আবারও প্রাণের পরিবেশে ফিরে এসে উৎফুল্ল বেশ। আর যেন সংঘাত না হয়, এটাই সবার কামনা।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ত্রিরতন চাকমা বলেন, সীমান্ত পরিস্থিতি ভালো। সব ঠিকঠাক আছে, তাই বিদ্যালয়গুলো জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় খুলে দেয়া হয়েছে।

বান্দরবান জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিন জানান, সীমান্তের মানুষ অন্যত্র সরে গেলেও তারা এখন বাড়ি-ঘরে ফিরছে, কাজের লোক কাজে যোগদান করছে।

চলতি মাসের ৫ তারিখ জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় জেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিস ঘুমধুম ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী পাঁচটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি মাদ্রাসা ও একটি উচ্চ বিদ্যালয় সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করেছিল।

আরও পড়ুন:
টেকনাফ সীমান্ত শান্ত, মিয়ানমারে গুলির শব্দও কম
গুলির শব্দ কমেছে সীমান্তে, শাহপরীর দ্বীপ রক্ষার দেয়াল নাফ
মিয়ানমারে গোলাগুলির শব্দে ঘুম ভাঙছে টেকনাফবাসীর
‘ভুলে ভারত সীমান্তে’, বিএসএফের গুলিতে আহত বাংলাদেশি যুবক
মিয়ানমারের পাঁচ গ্রাম থেকে অনুপ্রবেশের চেষ্টা রোহিঙ্গাদের

মন্তব্য

p
উপরে