× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
MP Farooq was called by the search committee to ask for the vote of the boat
google_news print-icon

নৌকার ভোট চেয়ে অনুসন্ধান কমিটির ডাক পেলেন এমপি ফারুক

নৌকার-ভোট-চেয়ে-অনুসন্ধান-কমিটির-ডাক-পেলেন-এমপি-ফারুক
ফাইল ছবি
শনিবার বিকেলে ওমর ফারুক চৌধুরী তানোর পৌরসভার গোকুল ও বুরুজ এলাকায় সরকারি বিভিন্ন কর্মসূচির উপকারভোগীদের নিয়ে সমাবেশ করেন। এসব সমাবেশ থেকে তিনি আসন্ন নির্বাচনে সবাইকে নৌকার পক্ষে থাকার আহ্বান জানান।

নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য ওমর ফারুক চৌধুরীকে শোকজ করা হয়েছে।

রোববার রাজশাহী-১ আসনের নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ (দ্বিতীয় আদালত) আবু সাঈদ তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন।

ওমর ফারুক চৌধুরীকে দেয়া কারণ দর্শানোর নোটিশে বলা হয়েছে, বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক ও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে অনুসন্ধান কমিটি জানতে পেরেছে, ওমর ফারুক চৌধুরী প্রতীক বরাদ্দের আগেই বিধি লঙ্ঘন করে তানোরে দুটি সভা করে নৌকায় ভোট চান। এটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০০৮ এর বিধি ৬ (ঘ) বিধি ১২ লঙ্ঘন। এটি নির্বাচন পূর্ব অনিয়ম হিসেবে গণ্য হয়েছে।

এতে বলা হয়, ওমর ফারুক চৌধুরী কেন আইন লঙ্ঘন করে এ ধরনের সভা করেছেন তা মঙ্গলবার বেলা ৩টায় স্বশীরের উপস্থিত হয়ে অথবা প্রতিনিধির মাধ্যমে রাজশাহী-১ আসনের অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান এবং যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজের (দ্বিতীয় আদালত) কার্যালয়ে লিখিত ব্যাখা প্রদানের জন্য তাকে নির্দেশ দেয়া হলো।

এর আগের দিন শনিবার বিকেলে ওমর ফারুক চৌধুরী তানোর পৌরসভার গোকুল ও বুরুজ এলাকায় সরকারি বিভিন্ন কর্মসূচির উপকারভোগীদের নিয়ে সমাবেশ করেন। এসব সমাবেশ থেকে তিনি আসন্ন নির্বাচনে সবাইকে নৌকার পক্ষে থাকার আহ্বান জানান।

তফসিল ঘোষণার পর প্রতীক বরাদ্দের আগে এ ধরনের সমাবেশ আচরণবিধির লঙ্ঘন। এর আগেও নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর আচরণবিধি ভেঙে তানোর ও গোদাগাড়ীতে উপকারভোগীদের নিয়ে বেশ কয়েকটি সভা করে নৌকায় ভোট চান তিনি।

এসব সমাবেশ দৃষ্টিতে পড়লে সংশ্লিষ্ট উপজেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তারা আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়টি উল্লেখ করে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে প্রতিবেদন দেন। এর ভিত্তিতে রিটার্নিং কর্মকর্তা নির্বাচন কমিশনে (ইসি) প্রতিবেদন দেন।

ইসি এই সংসদ সদস্যকে সতর্ক করার জন্য একটি চিঠি দিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা তাকে সতর্কও করেন। কিন্তু কয়েকদিন পার না হতেই তিনি আবার আচরণবিধি ভেঙে সভা করেন। এবার তাকে এর জবাব দিতে হচ্ছে অনুসন্ধান কমিটির কাছে।

আরও পড়ুন:
নিরপেক্ষতা অক্ষুণ্ণ রাখতে রিটার্নিং অফিসারদের নির্দেশ ইসির
মোকতাদিরের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী ওলিওর মনোনয়নপত্র বাতিল
টাঙ্গাইলে বহিষ্কৃত বিএনপি নেতাসহ ১২ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The officer was attacked while trying to rescue the forest land

বনের জমি উদ্ধারে গিয়ে হামলায় কর্মকর্তা হাসপাতালে

বনের জমি উদ্ধারে গিয়ে হামলায় কর্মকর্তা হাসপাতালে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ভূমিদস্যুদের হামলার শিকার বন কর্মকর্তা খাইরুল আলম। ছবি: নিউজবাংলা
আহত খাইরুল আলম বলেন, ‘বনের জমি দখলমুক্ত করতে গেলে তারা আমাদের ওপর ক্ষিপ্ত হন। এক পর্যায়ে লাঠিসোটা নিয়ে আমার উপর হামলা করেন।’

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ বনের জমিতে অবৈধ দখল উচ্ছেদ করতে গিয়ে স্থানীয়দের হামলার শিকার হয়েছেন খাইরুল আলম নামে এক বন কর্মকর্তা। বর্তমানে তিনি দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নবাবগঞ্জ উপজেলার মালিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নবাবগঞ্জ বনবিভাগে কর্মরত মোকারম হোসেন বলেন, ‘মালিপাড়া এলাকায় বাবলু নামে একজন অবৈধভাবে বনের জমি দখল করে ইটের দেয়াল করছিলেন। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেয়াল অপসারণ করে রওয়ানা দিয়েছি। হঠাৎ বাবলু তার পরিবারের সদস্যরাসহ ১০ থেকে ১৫ জন মিলে লাঠিসোটা নিয়ে আমাদের ওপর হামলা করেন।

‘এতে মাথা, হাত ও পায়ে আঘাত পান কর্মকর্তা খাইরুল আলম। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’

আহত খাইরুল আলম বলেন, ‘বনের জমি দখলমুক্ত করতে গেলে তারা আমাদের ওপর ক্ষিপ্ত হন। এক পর্যায়ে লাঠিসোটা নিয়ে আমার উপর হামলা করেন।’

দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের ইনডোর মেডিক্যাল অফিসার ডা. রবিউল ইসলাম বলেন, ‘বন কর্মকর্তা খাইরুল আলমের মাথার ডান দিকে আঘাত লেগেছে। পাশাপাশি বাম পা ও হাতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আমরা প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা দিয়েছি। কয়েকটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বিস্তারিত জানা যাবে।’

চোরকাই রেঞ্জের বন কর্মকর্তা নিশিকান্ত মালাকার বলেন, ‘একদল ভূমিদস্যু বিভিন্ন উপায়ে বনের জায়গা দখল করে ঘরবাড়িসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করে থাকে। সেগুলো দখলমুক্ত করতে গিয়ে বারবার হামলার শিকার হচ্ছি আমরা। আজকে খাইরুল আলমের সঙ্গেও এমনটা হয়েছে।

‘আমরা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ওসির সঙ্গে কথা বলেছি। এ ঘটনায় আমরা মামলা করব।’

আরও পড়ুন:
শাসন করায় ছাত্র-অভিভাবকদের হামলা, প্রধান শিক্ষকসহ আহত ৫
অফিস সহকারীকে কক্ষ পরিদর্শনে রেখে বনভোজনে শিক্ষক, খাতা উধাও
পুলিশের ওপর মৌলভীবাজার যুবলীগ ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Over 100 injured in Brahmanbaria group clash 33 detained

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গোষ্ঠীগত সংঘর্ষে আহত শতাধিক, আটক ৩৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গোষ্ঠীগত সংঘর্ষে আহত শতাধিক, আটক ৩৩ বিজয়নগরে বুধবারের সংঘর্ষে আহত অনেককে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিল্লাল হোসেন জানান, সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে ৬ রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করা হয়েছে। কয়েকজন পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ৩৩ জনকে আটক করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছে। বুধবার সকালে উপজেলার হরষপুর ইউনিয়নের বুল্লা গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ৩৩জনকে আটক করেছে পুলিশ।

বিজয়নগর থানার ওসি আসাদুল ইসলাম জানান, বেশ কিছুদিন আগে স্থানীয় ইউপি মেম্বার কাউসার মিয়ার মেয়ে জয়নাল মেম্বারের গোষ্ঠীর এক তরুণের সঙ্গে পালিয়ে বিয়ে করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধসহ নির্বাচন, রাজনৈতিক মতবিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বুধবার সকালে দুই গোষ্ঠীর লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় বেশকিছু বাড়িঘর ভাংচুর করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গোষ্ঠীগত সংঘর্ষে আহত শতাধিক, আটক ৩৩

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে রাবার বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের এ ঘটনায় দু’পক্ষের শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। আহতদের জেলা সদর হাসপাতাল ও মাধবপুর হাসপাতাল এবং স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়া আহতরা হলেন- কাউসার, মুখলেস, মোহন, জহুরুল হক, আব্দুল্লাহ, ছোট্ট মিয়া, মিলন, রিপন, জাকির, আব্বাস আলি, তানভীর, আশু, শফিকুল, রফিক, জসিম, রিপন, আবু লাল, কাউসার, আবন মিয়া, জয়নাল, লুৎফুর, সাদেকুল, নাজমুল, ওহিদ, তারেক, রামিত, জসিম, সিরাজ, কুশনাহার, রাসেল, নাসির মিয়া, ফায়েজ মিয়া, বিল্লাল, আব্দুল্লাহ, আবু তাহের, মোশাররফ, সাকিব, মিলন, মনা, নাঈম, হাকিম, শামীম, আবুল হোসেন, মোজাম্মেল, মামুন ও আজগর।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিল্লাল হোসেন জানান, সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে ৬ রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করা হয়েছে। এ ঘটনায় কয়েকজন পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন।

সংঘর্ষে জড়িত থাকায় বিভিন্ন স্থান থেকে ৩৩ জনকে আটক করা হয়েছে। থানায় পুলিশ এসল্ট মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। পরবর্তী সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
মুন্সিগঞ্জে আ.লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধসহ আহত ৭
দুই বংশের বিরোধে সংঘর্ষ, একজন নিহত
চবিতে দফায় দফায় সংঘর্ষ: কঠোর ব্যবস্থা নিতে বললেন শিক্ষামন্ত্রী
চবিতে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ থামছেই না, এবার পুলিশসহ আহত ১৩
নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগ-যুবলীগ সংঘর্ষে যুবক নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rape of pregnant woman by holding husband hostage No arrest in 5 days

স্বামীকে জিম্মি করে অন্তঃসত্ত্বাকে ‘ধর্ষণ’: ৫ দিনেও গ্রেপ্তার নেই

স্বামীকে জিম্মি করে অন্তঃসত্ত্বাকে ‘ধর্ষণ’: ৫ দিনেও গ্রেপ্তার নেই পাবনায় এক অন্তঃসত্ত্বাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ছবি: নিউজবাংলা
অভিযোগকারী নারী বলেন, ‘আমরা আমাদের আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়া পথে তারা মাঠের মধ্যে পথ আটকায়। একপর্যায়ে আমার স্বামীকে ব্যাপক মারধর করে এবং অস্ত্র আর ব্লেডের মুখে আমার স্বামীকে জিম্মি করে আর আমাকে মাঠের মধ্যে ভুট্টা ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ শুরু করে।’

পাবনার আমিনপুরে স্বামীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গর্ভের সন্তানটি মারা গেছে বলে জানান ওই নারী।

এরপর পাঁচ দিন অতিবাহিত হলেও এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। অভিযোগকারীরা জানান, ঘটনার পর থেকেই নানা চাপে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তারা।

এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতে পাবনার আমিনপুরের সাগরকান্দি ইউনিয়নের চর কেষ্টপুরে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এরপরই ছয়জনের নাম উল্লেখসহ থানায় মামলা করেন ওই নারীর স্বামী।

ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্তরা হলেন চর কেষ্টপুরের সেলিম প্রামাণিক, একই এলাকার মো. শরীফ, রাজীব সরদার, রুহুল মন্ডল, লালন সরদার ও সিরাজুল।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতে চর কেষ্টপুরের একটি ওয়াজ মাহফিল আয়োজন করা হয়। মাহফিলের ডেকোরেশনের কাজ করছিলেন ওই নারীর স্বামী। টাকার প্রয়োজনে সেদিন রাতে তার স্বামীর কাছে যান তিনি। রাত ১২টার দিকে পাশে এক আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার পথে গতিরোধ করেন অভিযুক্ত ছয় যুবক। ওই নারী ও তার স্বামীকে নানা প্রশ্ন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একপর্যায়ে স্বামীকে অস্ত্র ও ব্লেডের মাধ্যমে জিম্মি করে নারীকে পাশের একটি ক্ষেতে নিয়ে অভিযুক্তদের মধ্যে দুইজন তাকে ধর্ষণ করেন।

ঘটনার পর স্থানীয়রা একজনকে আটক করে সংঘবদ্ধ পিটুনি দেন, তবে বাকিরা পালিয়ে যান।

এ বিষয়ে কথা হয় স্থানীয় লিটন মন্ডল, রাজ্জাক মন্ডল, নিফাস মন্ডল ও শহিদ মণ্ডলের সঙ্গে।

তারা বলেন, ওয়াজ মাহফিল চলা অবস্থায় রাত ১টার দিকে এক যুবক তাদের কাছে ছুটে গিয়ে জানান, কিছু ছেলে তাকে মারধর করে তার স্ত্রীকে ধরে নিয়ে গেছে। এ কথা শোনার সঙ্গে সঙ্গেই স্থানীয়রা গিয়ে একজনকে হাতেনাতে ধরে পেটায়। আর মেয়েটিকে স্থানীয় পল্লি চিকিৎসক তোফাজ্জল হোসেন কাদেরীর কাছে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

অভিযোগকারী নারী বলেন, ‘আমরা আমাদের আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়া পথে তারা মাঠের মধ্যে পথ আটকায়। আমাদের বলে তোরা স্বামী-স্ত্রী কিনা। আমরা নিজেদের স্বামী-স্ত্রী দাবি করলেও তারা শুনে না। একপর্যায়ে আমার স্বামীকে ব্যাপক মারধর করে এবং অস্ত্র আর ব্লেডের মুখে আমার স্বামীকে জিম্মি করে আমাকে মাঠের মধ্যে ভুট্টা ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ শুরু করে।’

মামলার বাদী ওই নারীর স্বামী বলেন, ‘আমার স্ত্রী তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল। গর্ভের সন্তান মারা গেছে। মামলা হলেও আমাদের এখনও কোনো কাগজপত্র দেয়া হয়নি। থানায় গেলে কিছু পুলিশ সদস্য নানান কথা বলেন। আর যারা ধর্ষণ করেছে তাদের পক্ষ থেকেও নানা হুমকি ও চাপ আসছে।’

ধর্ষণ এবং সন্তান হত্যার বিচার দাবি করেন তিনি।

স্থানীয় পল্লি চিকিৎসক তোফাজ্জল হোসেন কাদেরী বলেন, ‘স্থানীয়রা ওই নারীকে উদ্ধার করে আমার কাছে নিয়ে আসলে আমি প্রাথমিক চিকিৎসা দেই। পরে তাদেরকে বলি মেয়েটাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতাল বা রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে।’

অভিযুক্তরা এখনও গ্রেপ্তার না হওয়ার বিষয়ে সাগরকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহীন চৌধুরী বলেন, ‘অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে দিবালোকে ঘুরছেন, কিন্তু তাদের গ্রেপ্তার করা যাচ্ছে না। আমরা এ রকম ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে কঠোর শাস্তির আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানাই।’

তবে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত আছে বলে জানান আমিনপুর থানার ওসি হারুনুর রশিদ।

তিনি বলেন, ‘অভিযুক্তরা সবাই পলাতক আছেন। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে। আমরা চেষ্টা করছি। ধর্ষণের ঘটনা মীমাংসা হয় না, বাদীকে হুমকি-ধামকির বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হবে।’

তাদের নিরাপত্তার জন্য সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বলেও জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
শেরপুরে হাতুড়ির আঘাতে বৃদ্ধকে হত্যার অভিযোগ, ছেলে আটক
হাতের সঙ্গে উঠে যাচ্ছে পিচ
কুড়িগ্রামে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় তিনজন গ্রেপ্তার  
মানিকগঞ্জে দুই শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় যুবক গ্রেপ্তার
জাবিতে ধর্ষণের শাস্তিসহ ৫ দাবিতে ফের প্রশাসনিক ভবন অবরোধ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Hospital closed due to wrong treatment reopened in Rafah

ভুল চিকিৎসার অভিযোগে বন্ধ হাসপাতাল খুলল রফায়

ভুল চিকিৎসার অভিযোগে বন্ধ হাসপাতাল খুলল রফায় ভুল চিকিৎসার অভিযোগ বন্ধ হাসপাতালটি ফের খুলে দেয়া হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
অভিযোগ উঠেছে, কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার আগেই রোগীর স্বজন ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে হাসপাতালটি চালু করে দেয়া হয়েছে। তবে রফাদফার বিষয়টি রোগীর স্বজনরা স্বীকার করলেও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা অস্বীকার করেছেন।

পাবনার ঈশ্বরদীতে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ ওঠার পর বন্ধ করে দেয়া আলো জেনারেল হাসপাতাল আবারও খুলে দেয়া হয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার আগেই রোগীর স্বজন ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে হাসপাতালটি চালু করে দেয়া হয়েছে। তবে রফাদফার বিষয়টি রোগীর স্বজনরা স্বীকার করলেও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা অস্বীকার করেছেন।

চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি ঈশ্বরদী পৌর এলাকার ফজলে রাব্বির অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী অন্তরা খাতুনকে আলো জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই দিনই সন্ধ্যায় হাসপাতালের স্বত্বাধিকারী ডা. মাসুমা আঞ্জুমা ডানা এবং তার স্বামী ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা ডা. শফিকুল ইসলাম শামীমের তত্ত্বাবধানে সিজার অপারেশন করা হয়। এ সময় রোগীর অবস্থা আশঙ্কজনক হলে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসকদের ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু হয়েছে। বিচার চেয়ে গত ১০ জানুয়ারি বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেন তারা। হাসপাতালের সামনে ওই মানববন্ধনে আব্দুল্লাহ আল মামুন নামে এক কর্মচারীর নেতৃত্বে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের লোকজন তাদের ওপর হামলা করেন এবং মারধর করেন।

পরে ঈশ্বরদী থানা ও ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেন তারা। ওই দিনই বিষয়টি নজরে এলে হাসপাতালটি বন্ধ ঘোষণা করেন পাবনা সিভিল সার্জন ডা. শহীদুল্লাহ দেওয়ান। সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে গঠন হওয়া পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি ওই ঘটনায় কর্তৃপক্ষের গাফিলতির প্রমাণ পায়। তদন্ত প্রতিবেদন ইতোমধ্যেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

এরই মধ্যে বন্ধ ঘোষণার মাত্র দেড় মাসের মাথায় এক সপ্তাহ আগে হাসপাতালটি আবার খুলে দেয়া হয়। অপারেশন ছাড়া সব কার্যক্রমই চলছে সেখানে। আদালতে মামলা দায়েরের মাত্র এক মাস পরেই আবার মামলা তুলে নেওয়া এবং কোনো প্রকার শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার আগেই হাসপাতালটি খুলে দেয়ায় নানা প্রশ্ন উঠেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি বলেন, মাঝেমধ্যেই এই হাসপাতালের বিরুদ্ধে রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ ওঠে। এবার হাসপাতালটি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। আশপাশের লোকজন স্বস্তি পেয়েছিল। কিন্তু মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই আবার চালু হয়ে গেছে। হাসপাতালের লোকজন বলছে, অনেক টাকা-পয়সা খরচ করে হাসপাতালটি চালু করা হয়েছে। টাকা-পয়সা নেওয়ার কথা প্রকাশ্যে স্বীকারও করছেন রোগীর স্বজনরা।

বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধনের মাধ্যমে মামলা দায়েরের পর কেন মামলা তুলে নিলেন এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেননি মামলার বাদী মৃত রোগীর শাশুড়ি জান্নাতুল ফেরদৌস রুনু। তবে রফাদফার বিষয়টি স্বীকার করেন মৃত রোগীর স্বামী ফজলে রাব্বি।

তিনি বলেন, ‘স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ নানান ব্যক্তিরা চাপ দিচ্ছিল। নানান কারণে নানা ঝামেলা মনে করে মীমাংসা করেছি। আমার শাশুড়িকে ৫ লাখ টাকা দিয়েছে আর হাসপাতালের ৪০% আমার মেয়ের নামে লিখে দেবে।’

এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে হাসপাতালটিতে গেলেও কোনো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে পাওয়া যায়নি। পরে অভিযুক্ত ডা. শফিকুল ইসলাম শামীমের কার্যালয়ে গেলে সাংবাদিকদের ধাক্কা দিয়ে তিনি দ্রুত সেখান থেকে সটকে পড়েন। মুঠোফোনে যোগাযোগ করেও স্থানীয় সংসদ সদস্য গালিবুর রহমান শরীফের মন্তব্য নেয়াও সম্ভব হয়নি।

এদিকে টাকা লেনদেনের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন পাবনা সিভিল সার্জন ডা. শহীদুল্লাহ দেওয়ান। তিনি বলেন, ‘ঘটনা তদন্ত করে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন স্বাস্থ্য বিভাগের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখায় জমা দেওয়া হয়েছে। আর হাসপাতালটি সাময়িকভাবে যে বন্ধ রেখেছিল সেটা খোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ওই ডাক্তারদের অপারেশন কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে। আর বলে দেওয়া হয়েছে, তারা কোন কোন কাজ করতে পারবে আর পারবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘কিছু সমস্যা তো আছেই, তা না হলে তো আর অপারেশন কার্যক্রম বন্ধ রাখা হতো না, ওদের গাফিলতি ছিল। প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া তো আর আমার হাতে থাকে না। ওগুলো স্বাস্থ্য বিভাগ দেখবে। লেনদেনের বিষয়টা মিথ্যা আর অভিযোগকারী নারীর মামলা তুলে নেয়ার স্ট্যাম্প আমাদের কাছে আছে। মামলা কেন তুলে নিলেন এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেননি বাদী।’

আরও পড়ুন:
নবজাতকের মৃত্যুতে হাসপাতালে হট্টগোল, ভিডিও করায় সাংবাদিককে মারধর
বাড্ডার ইউনাইটেড হাসপাতাল বন্ধের নির্দেশ
বেসরকারি ক্লিনিক হাসপাতালকে ‘জরুরি পরিস্থিতির’ জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Young mans life for rape of Khubis student in temptation of marriage

খুবির ছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন 

খুবির ছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন  ধর্ষণের মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত রাফি ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা
সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশের এসআই সোহেল রানা আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। এ মামলায় সাতজনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক আব্দুস সালাম খান বুধবার দুপুরে এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ৩০ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির নাম রাফি ইসলাম। কারাদণ্ডের সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে এক বছরের কারাদণ্ড দেয় আদালত।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ফরিদ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে মামলার আসামি রাফি ইসলাম বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে সোনাডাঙ্গার একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার ছেলের পরিবারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করলেও সমাধান হয়নি। আসামি একাধিকবার ভুক্তভোগীকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায়।

পরে ওই ছাত্রী ২০২৩ সালের ৮ জানুয়ারি আদালতে মামলা করেন। আদালতের নির্দেশনায় একই বছরের ১১ জানুয়ারি সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশ মামলাটি নথিভুক্ত করে।

২০২৩ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশের এসআই সোহেল রানা আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। এ মামলায় সাতজনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A fine of Tk 2 lakh was imposed on the brickyard for cutting and using the soil of the agricultural land

কৃষি জমির মাটি ইটভাটায়, জরিমানা

কৃষি জমির মাটি ইটভাটায়, জরিমানা মাদারীপুরের কালকিনিতে মেসার্স আড়িয়াল খাঁ ব্রিকস ইটভাটায় মঙ্গলবার দুপু‌রে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী  কমিশনার (ভূমি) মো. কায়েসুর রহমান এ অভিযান পরিচালনা করেন। ছবি: নিউজবাংলা
কায়েসুর রহমান বলেন, জনস্বার্থ ও জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় নিয়ে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন আইন, ২০১৩ অনুযায়ী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মাদারীপুরের কালকিনিতে কৃষি জমির মাটি কেটে ইটভাটায় ব্যবহার করার অপরাধে ইটভাটা কর্তৃপক্ষকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

কালকিনিতে মেসার্স আড়িয়াল খাঁ ব্রিকস ইটভাটায় মঙ্গলবার দুপু‌রে এ অভিযান চালানো হয়। উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. কায়েসুর রহমান এতে নেতৃত্ব দেন।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, কৃষি জমির মাটি কেটে ইটভাটায় ব্যবহার করার অপরাধে মেসার্স আড়িয়াল খাঁ ব্রিকসের ম্যানেজার মো. নুরুল ইসলাম ও পিং হাচেন সরদারকে ইট প্রস্তুত ও ভাটা (স্থাপন) নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৩ এর ১৫(১) (ক) ধারায় দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান ও আদায় করা হয়।

তিনি আরও বলেন, কৃষি জমির মাটি কেটে ইটভাটায় ব্যবহার করার কারণে কৃষি জমির ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া ইট পোড়ানোর কাজে নিম্নমানের কয়লা ব্যবহার করার কারণে পরিবেশে ব্যাপক ক্ষতিকর গ্যাসের নির্গমন হচ্ছে।

কায়েসুর রহমান বলেন, জনস্বার্থ ও জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় নিয়ে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন আইন, ২০১৩ অনুযায়ী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bhasanchar fire One more child dies death toll rises to 4

ভাসানচরে আগুন: আরও এক রোহিঙ্গা শিশুর মৃত্যু

ভাসানচরে আগুন: আরও এক রোহিঙ্গা শিশুর মৃত্যু নোয়াখালীর ভাসানচরের রোহিঙ্গা ক্যাম্প। ফাইল ছবি
নোয়াখালী জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, ‘মারা যাওয়া রোহিঙ্গা শিশু সোহেলের শ্বাসনালি ও শরীরের ৫২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।’

নোয়াখালীর ভাসানচর রোহিঙ্গা আশ্রয়ণ কেন্দ্রে আগুনের ঘটনায় আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে আগুনের ঘটনায় চার রোহিঙ্গা শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে বুধবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।

প্রাণ হারানো পাঁচ বছর বয়সী রোহিঙ্গা শিশুর নাম সোহেল। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অন্যরা হলেন ২২ বছর বয়সী জোবায়দা , পাঁচ বছর বয়সী রশমিদা, ২৪ বছর বয়সী আমেনা খাতুন।

নোয়াখালী জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘মারা যাওয়া রোহিঙ্গা শিশু সোহেলের শ্বাসনালি ও শরীরের ৫২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।’

এর আগে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি সকালে ভাসানচরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৮১ নম্বর ক্লাস্টারে রান্নাঘরের গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের ঘটনা ঘটে। এতে পাঁচ শিশুসহ নয়জন রোহিঙ্গা দগ্ধ হয়।

ঘটনার পর নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পথে রাসেল নামে আড়াই বছর বয়সী এক রোহিঙ্গা শিশুর মৃত্যু হয়। এরপর ২৬ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চার বছর বয়সী মোবাশ্বেরা ও পাঁচ বছর বয়সী রবি আলম নামে দুই শিশুর মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন:
‘মা-বাবার’ ফেলে যাওয়া শিশুর অপারেশন সম্পন্ন
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কারারক্ষীর মৃত্যু
খাদ্যে ‘বিষক্রিয়া’: শিশু মৃত্যুর ঘটনায় চারজন আটক
ভাসানচরে আগুন: দগ্ধ আরও এক রোহিঙ্গা শিশুর মৃত্যু
হাজারীবাগে প্রেমিকের বন্ধুর বাসায় তরুণীর মৃত্যু

মন্তব্য

p
উপরে