× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
151 nomination papers were filed in 16 constituencies of Chittagong
google_news print-icon

চট্টগ্রামের ১৬ আসনে ১৫১ জনের মনোনয়নপত্র দাখিল

চট্টগ্রামের-১৬-আসনে-১৫১-জনের-মনোনয়নপত্র-দাখিল
গ্রাফিক্স নিউজবাংলা
মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষদিন বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগসহ ২২টি রাজনৈতিক দল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা এসব মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬ আসনে ১৫১জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষদিন বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগসহ ২২টি রাজনৈতিক দল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা এসব মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এ সময় অনেক প্রার্থীকে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে শোডাউন দিতে দেখা যায়।

চট্টগ্রাম রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে ৮ জন, চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে ১৪ জন, চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে ১০ জন, চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে ৯ জন, চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনে ১০ জন, চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে ৫ জন, চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে ৭ জন, চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালি-চান্দগাঁও) আসনে ১৩ জন, চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি-বাকলিয়া) আসনে ৭ জন, চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-হালিশহর) আসনে ১২ জন, চট্টগ্রাম-১১ (পতেঙ্গা-বন্দর) আসনে ৯ জন, চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে ১০ জন, চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে ৭ জন, চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ) আসনে ৮ জন, চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে ৯ জন ও চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে ১৩ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে চট্টগ্রামের সবগুলো আসনে প্রার্থী রয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের। এ ছাড়া জাতীয় পার্টি ও ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ ১৫টি আসনে; বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ১১টি আসনে; তৃণমূল বিএনপি ১০টি আসনে; বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) ৯টি আসনে; বিএনএফ ৬টি আসনে; ন্যাশনাল পিপলস পার্টি ৫টি আসনে; বাংলাদেশ কংগ্রেস, জাসদ ও কল্যাণ পার্টি ৪টি আসনে; ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি ও বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট ২টি আসনে এবং বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, বাংলাদেশ সাম্যবাদী দল, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, জাকের পার্টি, গণফোরাম, বিএনএম, ও খেলাফত আন্দোলন ১টি করে আসনে প্রার্থী দিয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন আসনে বেশ কিছু স্বতন্ত্র প্রার্থীও রয়েছেন।

নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা তোফায়েল ইসলাম ও আবুল বাশার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান জানান, প্রার্থীরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। সকলকে নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে চলতে অনুরোধ করা হয়েছে।

যারা মনোনয়নপত্র জমা দিলেন

চট্টগ্রাম–১: মাহবুব-উর রহমান (আওয়ামী লীগ), মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দীন (স্বতন্ত্র), দিলীপ বড়ুয়া (বাংলাদেশ সাম্যবাদী দল), মো. আবদুল মন্নান (ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশ), মো. নুরুল করিম আফছার (বিএসপি), শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী (বাংলাদেশ মুসলিম লীগ), মো. ইউসুফ (বিএনএফ) ও মো. এমদাদ হোসেন চৌধুরী (জাতীয় পার্টি)।

চট্টগ্রাম–২: খাদিজাতুল আনোয়ার সনি (আওয়ামী লীগ), ত্বরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী (বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন), মোহাম্মদ গোলাম নওশের আলী (স্বতন্ত্র), মোহাম্মদ শাহজাহান (স্বতন্ত্র), রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী (স্বতন্ত্র), মীর মোহাম্মদ ফেরদৌস আলম (ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ), বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ (বিএসপি), হোসাইন মো. আবু তৈয়ব (স্বতন্ত্র), মাজাহারুল হক শাহ চৌধুরী (বিকল্পধারা বাংলাদেশ), মো. শফিউল আজম চৌধুরী (জাতীয় পার্টি), মুহাম্মদ হামিদ উল্লাহ (ইসলামিক ফ্রন্ট) ও এম এ মতিন (ইসলামী ফ্রন্ট)।

চট্টগ্রাম–৩: মাহফুজুর রহমান মিতা (আওয়ামী লীগ), নুরুল আক্তার (জাসদ), মুহাম্মদ নুরুল আনোয়ার (বিএসপি), এম এ ছালাম (জাতীয় পার্টি), মুহাম্মদ উল্লাহ খান (বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট), মো. জামাল উদ্দিন চৌধুরী (স্বতন্ত্র), মো. মোকতাদের আজাদ খান (ন্যাশনাল পিপলস পার্টি), মো. আবদুর রহীম (ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ), মো. নিজাম উদ্দিন নাছির (জাকের পার্টি) ও আমিন রসুল (বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট)।

চট্টগ্রাম–৪: এস এম আল মামুন (আওয়ামী লীগ), দিদারুল আলম (স্বতন্ত্র), মোহাম্মদ ইমরান (স্বতন্ত্র), মো. দিদারুল কবির (জাতীয় পার্টি), মো. আকতার হোসেন (বিএনএফ), খোকন চৌধুরী (তৃণমূল বিএনপি), মো. শহীদল ইসলাম চৌধুরী (বাংলাদেশ কংগ্রেস) ও মো. সালাউদ্দিন (স্বতন্ত্র)।

চট্টগ্রাম–৫: উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আবদুস সালাম (আওয়ামী লীগ), ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ (জাতীয় পার্টি), মুহাম্মদ শাহজাহান চৌধুরী (স্বতন্ত্র), কাজী মহসীন চৌধুরী (বিএসপি), মোহাম্মদ নাছির হায়দার করিম (স্বতন্ত্র), সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম (কল্যাণ পার্টি), মো. নাজিম উদ্দিন (প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক ফোরাম) ও আবু মোহাম্মদ শামশুদ্দদীন (বিএনএফ)।

চট্টগ্রাম–৬: এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী (আওয়ামী লীগ), স.ম. জাফর উল্লাহ (ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ), শফিউল আজম (স্বতন্ত্র), মো. ইয়াহিয়া জিয়া চৌধুরী (তৃণমূল বিএনপি) ও মো. সফিক-উল আলম চৌধুরী (জাতীয় পার্টি)।

চট্টগ্রাম–৭: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ (আওয়ামী লীগ), মো. মোরশেদ আলম (বিএসপি), আহমেদ রেজা (ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ), খোরশেদ আলম (তৃণমূল বিএনপি), মুছা আহমেদ রানা (জাতীয় পার্টি) ও মুহাম্মদ ইকবাল হাছান (বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট)।

চট্টগ্রাম–৮: নোমান আল মাহমুদ (আওয়ামী লীগ), আবদুস ছালাম (স্বতন্ত্র), সোলায়মান আলম শেঠ (জাতীয় পার্টি), মো. আরশেদুল আলম বাচ্চু (এনপিপি), বিজয় কুমার চৌধুরী (স্বতন্ত্র), এসএম আবুল কালাম আজাদ (বিএনএফ), সন্তোষ শর্মা (তৃণমূল বিএনপি), মোহাম্মদ ইলিয়াছ (বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি), সৈয়দ মো. ফরিদ উদ্দিন (ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশ), মো. কামাল পাশা (এপিপি), আবদুল নবী (বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট), মহিবুল রহমান বুলবুল (স্বতন্ত্র) ও মনজুর হোসেন বাদল (বাংলাদেশ কংগ্রেস)।

চট্টগ্রাম–৯: বর্তমান শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যরিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল (আওয়ামী লীগ), মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ (ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ), মিটুল দাশগুপ্ত (ন্যাপ), সৈয়দ আবু আজম (ইসলামী ফ্রন্ট), মুহাম্মদ নুরুল হুসাইন (বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি), সুজিত সরকার (তৃণমূল বিএনপি) ও সানজীদ রশীদ চৌধুরী (জাতীয় পার্টি)।

চট্টগ্রাম–১০: মহিউদ্দিন বাচ্চু (আওয়ামী লীগ), সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম (স্বতন্ত্র), ফরিদ মাহমুদ (স্বতন্ত্র), মো. ফেরদৌস রশিদ (তৃণমূল বিএনপি), মো. ওসমান গনি (স্বতন্ত্র), মুহাম্মদ আলমগীর ইসলাম বঈদী (বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট), আবুল বাশার মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন (ইসলামি ফ্রন্ট বাংলাদেশ), মিজানুর রহমান (বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট), জহুরুল ইসলাম (জাতীয় পার্টি), মো. আনিসুর রহমান (জাসদ), মঞ্জুরুল ইসলাম (বিএনএফ) এবং মো. ফয়সাল আমিন (স্বতন্ত্র)।

চট্টগ্রাম–১১: এম আবদুল লতিফ (আওয়ামী লীগ), মো. জসিম উদ্দিন (জাসদ), আবুল বসার মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন (বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট), মো. মহি উদ্দিন (বিএসপি), জিয়াউল হক সুমন (স্বতন্ত্র), দীপক কুমার পালিত (তৃণমূল বিএনপি), রেখা আলম চৌধুরী (স্বতন্ত্র), নারায়ণ রক্ষিত (এনপিপি) ও উজ্জ্বল ভৌমিক (গণফোরাম)।

চট্টগ্রাম–১২: দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী (আওয়ামী লীগ), সামশুল হক চৌধুরী (স্বতন্ত্র), মো. গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী (স্বতন্ত্র), এম এয়াকুব আলী (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন–বিএসএম), মো. নুরুচ্ছফা সরকার (জাতীয় পার্টি), মো. ইলিয়াছ মিয়া (স্বতন্ত্র), এম এ মতিন (বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট), কাজি মুহাম্মদ জসীম উদ্দিন (ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ), রাজীব চৌধুরী (তৃণমূল বিএনপি) ও সৈয়দ মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন (বাংলাদেশ কংগ্রেস)।

চট্টগ্রাম–১৩: ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ (আওয়ামী লীগ), সৈয়দ মুহাম্মদ হামেদ হোসাইন (ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ), মোহাম্মদ আরিফ মঈনু উদ্দীন (বিএসপি), আবদুর রব চৌধুরী (জাতীয় পার্টি), মৌলভী রশিদুল হক (বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন), মো. আবুল হোসাইন (বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট) ও মকবুল আহম্মদ চৌধুরী (তৃণমূল বিএনপি)।

চট্টগ্রাম–১৪: মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী (আওয়ামী লীগ), মো. আবদুল জব্বার চৌধুরী (স্বতন্ত্র), মোহাম্মদ আবুল হোছাইন (ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ), সেহাব উদ্দিন মুহাম্মদ আবদুস সামাদ (বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট), মো. গোলাম ইসহাক খান (বিএনএফ), মোহাম্মদ আয়ুব (বিএসপি), আবু জাফর মোহাম্মদ ওয়ালী উল্লাহ (জাতীয় পার্টি) এবং মোহাম্মদ আলী ফারুকী (বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন)।

চট্টগ্রাম–১৫: আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী (আওয়ামী লীগ), আবদুল মোতালেব (স্বতন্ত্র), আ ম ম মিনহাজুর রহমান (স্বতন্ত্র), মোহাম্মদ ছালেম (জাতীয় পার্টি), ফজলুল হক (এনপিপি), মো. সোলাইমান কাশেমী (বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি), মোহাম্মদ হারুণ (ইসলামিক ঐক্যজোট), মো. জসীম উদ্দিন (মুক্তিজোট) ও মুহাম্মদ আলী হোসাইন (বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট)।

চট্টগ্রাম–১৬: মোস্তাফিজুর রহমান (আওয়ামী লীগ), মুজিবুর রহমান সিআইপি (স্বতন্ত্র), মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী (জাতীয় পার্টি), মো. খালেকুজ্জামান (স্বতন্ত্র), আব্দুল্লাহ কবির (স্বতন্ত্র), মোহাম্মদ এমরানুল হক (স্বতন্ত্র), মুহাম্মদ মামুন আবছার (এনপিপি), আবদুল মালেক (ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ), মো. মহিউল আলম চৌধুরী (বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট), কামাল মোস্তফা চৌধুরী (জাসদ), আশীষ কুমার শীল (ন্যাপ), এম জিল্লুর করিম শরীফি (বাংলাদেশ কংগ্রেস) এবং মো. শফকত হোসাইন চাটগামী (ইসলামী ঐক্য জোট)।

আরও পড়ুন:
আব্দুস সোবাহান গোলাপের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ
নৌকার প্রার্থীর বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব থাকার অভিযোগ
প্রশ্ন করায় সাংবাদিকদের ওপর চড়াও এমপি মোস্তাফিজ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The mayor of Patuakhali does not obey the code of conduct
পৌরসভা নির্বাচন

আচরণবিধি মানছেন না পটুয়াখালীর মেয়র

আচরণবিধি মানছেন না পটুয়াখালীর মেয়র মেয়র প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদের ভোটের প্রচারে দেদারসে পলিথিনে মোড়ানো পোস্টার ব্যবহার করা হচ্ছে। ছবি: নিউজবাংলা
পটুয়াখালী পৌরসভা নির্বাচনের প্রচারে সব প্রার্থী পলিথিনবিহীন পোস্টার ব্যবহার করলেও আচরণবিধি মানছেন না মেয়র প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ। তিনি দেদারসে পলিথিনে মোড়ানো পোস্টারে প্রচার চালাচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে অন্য প্রার্থীরা ক্ষুব্ধ।

পটুয়াখালী পৌরসভা নির্বাচনে আচরণবিধি মানছেন না মেয়র প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ। প্রতীকসহ পোস্টার টানানোর ক্ষেত্রে অন্য প্রার্থীরা পলিথিন ব্যবহার না করার নিষেধাজ্ঞা মেনে চললেও মেয়র মহিউদ্দিন দেদারসে তা করে যাচ্ছেন।

নির্বাচন কমিশন ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পরপরই প্রায় সব প্রার্থী নিয়ম অনুযায়ী পোস্টার ব্যবহার করছেন। কিন্তু গত রাত থেকে মেয়র প্রার্থী মহিউদ্দিন আহমেদ নির্বাচন অফিসের নির্দেশনা অমান্য করছেন। এ নিয়ে অন্য প্রার্থীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশনের পরিপত্র ২-এর ২১ নং ক্রমিকে স্পষ্টভাবে বলা আছে, ‘স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ পূর্বক প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা এবং নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে প্লাস্টিকে মোড়ানো বা পোস্টার প্লাস্টিক পলিথিন লেমিনেটিং করে ব্যবহার না করাসহ ইতিপূর্বে নির্দেশনা প্রদান করতে হবে।’

আচরণবিধি মানছেন না পটুয়াখালীর মেয়র

এই ধারার উল্লেখ করে প্রতীক বরাদ্দের দিন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা স্পষ্টভাবেই জানিয়ে দিয়েছেন যে, পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করা যাবে না।

অথচ মেয়র প্রার্থী মহিউদ্দিন আহমেদ পলিথিন মোড়ানো পোস্টার টানিয়েছেন গোটা শহরে। এ নিয় অন্য প্রার্থীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। কারণ ২৩ তারিখ থেকে রোববার রাত পর্যন্ত তাদের টানানো পলিথিনবিহীন পোস্টার গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি আর কুয়াশায় নষ্ট হয়েছে কয়েকবার।

অথচ শহরের পৌরসভা মোড়, সিঙ্গারা পয়েন্ট, কলেজ রোড, জুবিলী স্কুল সড়কসহ বেশকিছু সড়কে জগ প্রতীকের মেয়র প্রার্থী মহিউদ্দিনের টানানো পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করতে দেখা গেছে।

মেয়র প্রার্থী ডা. মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সকালে পোস্টার টানানোর পর বিকেলে হাল্কা বৃষ্টি হওয়ায় সেসব পোস্টার নষ্ট হয়ে যায়। তাই পরদিন সকালে আবার পোস্টার লাগাই। তবু পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করিনি।

অথচ আচরণবিধির তোয়াক্কা না করে একজন প্রার্থী তার নির্বাচনি প্রচারের পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করছেন। এগুলো কি নির্বাচন কর্মকর্তা দেখেন না? এমনিতেই জেলা নির্বাচনের কার্যক্রম নিয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন মিডিয়ায় আর্থিক অনিয়ম নিয়ে মেয়র মহিউদ্দিনের পক্ষাবলম্বনের রিপোর্ট আসছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের উচিত বিষয়টি দেখার।’

পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর মো. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘প্রতীক বরাদ্দের দিন জেলা নির্বাচন অফিস থেকে আমাদেরকে বলা হয়েছে যে পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করা যাবে না। এটা দণ্ডনীয় অপরাধ। সে কারণে আমরা পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করিনি।’

৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মো. খলিলুর রহমান জানান, নির্বাচন অফিসের নিষেধাজ্ঞা থাকায় পোস্টারে পলিথিন লাগাইনি।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মেয়র প্রার্থী মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ওগুলো ভুলে লাগানো হয়েছে। যারা লাগিয়েছে তারা ভুল করেছে। আমি তাদেরকে সরিয়ে ফেলতে বলেছি।’

পটুয়াখালী জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলার জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কর্মকর্তা খান আবি শাহানুর খান জানান, নির্বাইন আচরণবিধিতে বলা হয়েছে যে কোনো প্রার্থী তাদের পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করতে পারবেন না। কেউ পলিথিন ব্যবহার করে থাকলে আমাদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।’

জগ প্রতীকের মেয়র প্রার্থী পলিথিনে মোড়ানো পোস্টার টানিয়েছেন- এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এমন একটা অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি দেখছি।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rajshahi Editors Forum President Liaquat Editor Apu

রাজশাহী এডিটরস ফোরামের সভাপতি লিয়াকত সম্পাদক অপু

রাজশাহী এডিটরস ফোরামের সভাপতি লিয়াকত সম্পাদক অপু সভাপতি লিয়াকত আলী ও সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব অপু।
রাজশাহী এডিটরস ফোরামের অস্থায়ী কার্যালয়ে সোমবার বিকেলে অনুষ্ঠিত সম্পাদকদের সভায় সদস্যদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে তিন বছর মেয়াদি নতুন কমিটি গঠন হয়। সভায় রাজশাহীর স্থানীয় সংবাদপত্রের মানোন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়।

রাজশাহী থেকে প্রকাশিত দৈনিক সংবাদপত্রগুলোর সম্পাদকদের নিয়ে গঠিত ‘রাজশাহী এডিটরস ফোরাম’-এর কমিটি গঠন করা হয়েছে। সোমবার বিকেলে সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে এই কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটির সদস্যদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সোনালী সংবাদ সম্পাদক লিয়াকত আলী ও সহ-সভাপতি দৈনিক আমাদের রাজশাহী সম্পাদক আফজাল হোসেন। আর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক রাজশাহী সংবাদ সম্পাদক আহসান হাবীব অপু।

এছাড়া কোষাধ্যক্ষ দৈনিক সানশাইনের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ইউনুস আলী ও দফতর সম্পাদক দৈনিক গণধ্বনি প্রতিদিন সম্পাদক ইয়াকুব শিকদার।

নতুন কমিটির নির্বাচিত সদস্যরা হলেন- দৈনিক বার্তা সম্পাদক এসএম কাদের, দৈনিক সোনার দেশ সম্পাদক আকবারুল হাসান মিল্লাত, দৈনিক রাজশাহীর আলো সম্পাদক আজিবার রহমান, দৈনিক নতুন প্রভাতের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সোহেল মাহবুব, দৈনিক রাজবার্তা সম্পাদক মজিবুল হক বকু, দৈনিক উপচার সম্পাদক ড. মোহাম্মাদ আবু ইউসুফ সেলিম ও উত্তরা প্রতিদিন সম্পাদক সাইফুল ইসলাম।

সোমবার বিকেলে রাজশাহী এডিটরস ফোরামের অস্থায়ী কার্যালয়ে সম্পাদকদের সভায় সদস্যদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে তিন বছর মেয়াদি নতুন কমিটি গঠন হয়। সভায় রাজশাহীর স্থানীয় সংবাদপত্রের মানোন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The candidate for the reserved 50 womens seat won unopposed the Gazette said on Tuesday

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী সংরক্ষিত ৫০ নারী আসনের প্রার্থী, গেজেট মঙ্গলবার

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী সংরক্ষিত ৫০ নারী আসনের প্রার্থী, গেজেট মঙ্গলবার ফাইল ছবি
রোববার বিকেল চারটা পর্যন্ত কেনো প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। ফলে ৫০ জন নারী প্রার্থীকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করেছে ইসি।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে ৫০ জন প্রার্থীর কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় বেসরকারিভাবে তাদের বিজয়ী ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

রোববার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা (যুগ্ম সচিব) মুনিরুজ্জামান তালুকদার এ তথ্য জানান।

এই রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনে জমা পড়া মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সব মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। রোববার বিকেল চারটা পর্যন্ত কেনো প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। ফলে ৫০ জন নারী প্রার্থীকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করেছে ইসি। এসব প্রার্থীদের বিজয়ী ঘোষণা করে ২৭ ফেব্রয়ারি গেজেট প্রকাশ করা হবে।

মুনিরুজ্জামান তালুকদার বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনে ৫০ প্রার্থীর সবার মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়। ২৫ ফেব্রুয়ারি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষদিন রাখা হয়েছিল। বিকেল চারটা নাগাদ কোনো প্রার্থী তাদের প্রার্থীতা ঘোষণা না করায় সবাইকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৪৮ জন আওয়ামলীগের প্রার্থী ও দুই জন জাতীয় পার্টির। এসব প্রার্থীদের নামে সোমবার সরকারি ছুটির দিন থাকায় মঙ্গলবার গেজেট ঘোষণা হবে।

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রাপ্তরা হলেন- রেজিয়া ইসলাম (পঞ্চগড়), দ্রোপদী দেবি আগরওয়াল (ঠাকুরগাঁও), আশিকা সুলতানা (নীলফামারী), আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য সম্পাদক রোকেয়া সুলতানা (জয়পুরহাট), কোহেলী কুদ্দুস মুক্তি (নাটোর), জারা জেবিন মাহবুব (চাপাইনবাবগঞ্জ), রুনু রেজা (খুলনা), ফরিদা আক্তার বানু (বাগেরহাট), ফরজানা সুমি (বরগুনা), খালেদা বাহার বিউটি (ভোলা), নাজনীন নাহার রশীদ (পটুয়াখালী) ফরিদা ইয়াসমিন (নরসিংদী), উম্মি ফারজানা ছাত্তার (ময়মনসিংহ), নাদিয়া বিনতে আমিন (নেত্রকোনা), মাহফুজা সুলতানা মলি (জয়পুরহাট), আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য পারভীন জামান কল্পনা (ঝিনাইদহ), আরমা দত্ত (কুমিল্লা), লায়লা পারভীন (সাতক্ষীরা), সদ্য সাবেক শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুন্নুজান সুফিয়ান (খুলনা), বেদৌড়া আহমেদ সালাম (গোপালগঞ্জ), শবনম জাহান (ঢাকা), পারুল আক্তার (ঢাকা), সাবেরা বেগম (ঢাকা), আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ (বরিশাল), নাহিদ ইজাহার খান (ঢাকা), ঝর্ণা হাসান (ফরিদপুর), সদ্য সাবেক মহিলা ও শিশু প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেছা (মুন্সীগঞ্জ), শাহেদা তারেখ দীপ্তি (ঢাকা), অনিমা মুক্তি গোমেজ (ঢাকা), শেখ আনার কলি পুতুল (ঢাকা), মাসুদা সিদ্দিক রোজি (নরসিংদী), আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য তারানা হালিম (টাঙ্গাইল), আওয়ামী লীগের শিক্ষা সম্পাদক শামসুন নাহার (টাঙ্গাইল), মেহের আফরোজ চুমকি (গাজীপুর), অপরাজিতা হক (টাঙ্গাইল), হাছিনা বারী চৌধুরী (ঢাকা), নাজমা আক্তার (গোপালগঞ্জ), রুমা চক্রবর্তী (সিলেট), আওয়ামী লীগের কৃষি সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী (লক্ষ্মীপুর), আশ্রাফুননেছা (লক্ষ্মীপুর), কানন আরা বেগম (নোয়াখালী), শামীমা হারুন লুবনা (চট্টগ্রাম), ফরিদা খানম (নোয়াখালী), দিলোয়ারা ইউসুফ (চট্টগ্রাম), আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক ওয়াসিকা আয়শা খান (চট্টগ্রাম), ডরথি তঞ্চঙ্গা (রাঙামাটি), আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য সানজিদা খানম (ঢাকা), নাছিমা জামান ববি (রংপুর)।

জাতীয় পার্টির মনোনয়ন প্রাপ্তরা হলেন- দলটির কো-চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম ও ভাইস চেয়ারম্যান নূরুন নাহার বেগম।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
If there is no drama about the result I will win Sakku
কুসিক উপনির্বাচন

ফল নিয়ে নাটক না হলে আমিই জয়ী হব: সাক্কু







ফল নিয়ে নাটক না হলে আমিই জয়ী হব: সাক্কু প্রচারের তৃতীয় দিন রোববার গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করেন টেবিল ঘড়ি প্রতীক নিয়ে মেয়র পদে লড়া মনিরুল হক সাক্কু। ছবি: নিউজবাংলা
নির্বাচনের ফল নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে সাবেক মেয়র বলেন, ‘গেল নির্বাচনে ভোটের ফলাফল কেমন হয়েছে, তা নগরবাসী দেখেছে৷ গতবারের মতো শেষ মুহূর্তে ফলাফল নিয়ে নাটক না হলে আমিই বিজয়ী হব।’ 

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে (কুসিক) মেয়র পদে উপনির্বাচনের ফল নিয়ে নাটক না হলে জয়ী হবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন দুবারের সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু।

কুমিল্লা হাই স্কুল সংলগ্ন এলাকায় রোববার গণসংযোগের সময় দেয়া বক্তব্যে তিনি এ আশার কথা জানান।

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) আগামী ৯ মার্চ কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে উপনির্বাচন হবে।

এ নগরে দুই লাখ ৪২ হাজার ৬৯৮ জন ভোটার ১০৫টি কেন্দ্রের ৬৮৫টি কক্ষে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।

নির্বাচনের দুই সপ্তাহেরও কম সময় আগে জমে উঠেছে প্রচার। সকাল থেকে রাত অবধি প্রার্থীরা যাচ্ছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে।

নির্বাচনি প্রচারের তৃতীয় দিন সকাল থেকেই প্রার্থীদের গণসংযোগ করতে দেখা যায়।

কুমিল্লা হাই স্কুল সংলগ্ন এলাকা থেকে সকাল ৯টার দিকে গণসংযোগ শুরু করেন বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা সাক্কু।

তিনি ভোটারদের হাতে লিফলেট বিতরণ করে টেবিল ঘড়িতে ভোট দেয়ার আহ্বান জানান।

মেয়র পদপ্রার্থী সাক্কু বলেন, ‘নগরবাসী আমাকে পছন্দ করে। আমিও নগরবাসীর চাহিদামতো নগরের কাজ করেছি। আরও কিছু কাজ বাকি আছে। এবার বিজয়ী হয়ে অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করব।’

নির্বাচনের ফল নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে সাবেক মেয়র বলেন, ‘গেল নির্বাচনে ভোটের ফলাফল কেমন হয়েছে, তা নগরবাসী দেখেছে৷ গতবারের মতো শেষ মুহূর্তে ফলাফল নিয়ে নাটক না হলে আমিই বিজয়ী হব।’

আরও পড়ুন:
পাকিস্তানে সরকার গঠনে ঐকমত্য, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ-প্রেসিডেন্ট জারদারি
কুমিল্লায় ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ত্রিপুরা শিক্ষার্থীদের 
উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থীদের জামানত বাড়ছে ১০ গুণ
কুমিল্লায় ৫৪ কেজি গাঁজাসহ একজন আটক
সংরক্ষিত নারী আসনে সব প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Candidates allotted symbols in Kusik by election

কুমিল্লায় মেয়র প্রার্থীদের কে কোন প্রতীক পেলেন

কুমিল্লায় মেয়র প্রার্থীদের কে কোন প্রতীক পেলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের উপনির্বাচনে শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে মেয়র পদের প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা
নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘প্রতীক বরাদ্দের পর প্রার্থীরা তাদের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা চালাতে পারবেন। আজ থেকেই প্রার্থীদের আচরণবিধি পর্যবেক্ষণে প্রতি তিন ওয়ার্ডে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করবেন এবং মাঠ পর্যায়ে কাজ করবেন নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তা।’

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের (কুসিক) উপনির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

রিটার্নিং অফিসার মো. ফরহাদ হোসেন প্রার্থীদের মধ্যে শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে প্রতীক বরাদ্দ দেন।

কুসিক উপনির্বাচনে মেয়র পদে চারজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন, যাদের মনোনয়ন বৈধতা পায়।

কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. তাহসিন বাহার সূচনাকে বাস প্রতীক দেয়া হয়। মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা সদস্য নূর উর রহমান মাহমুদ তামিমকে হাতী প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়।

দুইবারের বহিষ্কৃত সাবেক মেয়র বিএনপি নেতা মনিরুল হক সাক্কু টেবিল ঘড়ি এবং বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা নিজাম উদ্দিন কায়সারকে ঘোড়া প্রতীক দেয়া হয়েছে। বিএনপির এ দুই নেতা গত বছর একই প্রতীকে নির্বাচন করেছেন।

রিটার্নিং অফিসার ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘প্রতীক বরাদ্দের পর প্রার্থীরা তাদের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা চালাতে পারবেন। আজ থেকেই প্রার্থীদের আচরণবিধি পর্যবেক্ষণে প্রতি তিন ওয়ার্ডে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করবেন এবং মাঠ পর্যায়ে কাজ করবেন নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তা।

‘এ ছাড়া সভা, উঠান বৈঠক করতে অবশ্যই পুলিশকে জানাতে হবে। মাইক ব্যবহারে অনুমতি নিতে হবে। কোনোভাবেই এসএসসি পরীক্ষা ব্যাহত হয়, এমন কোনো প্রচারণা করা যাবে না।’

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের দুই লাখ ৪২ হাজার ৬৯৮ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। ১০৫টি কেন্দ্রে আগামী ৯ মার্চ ভোটগ্রহণ হবে।

রিটার্নিং অফিসার আরও বলেন, ‘দুপুর দুইটা থেকে প্রতি ওয়ার্ডে একটি মাইক ব্যবহার করা যাবে। কোথাও কোনো খাবার ও পানীয় বিতরণের সুযোগ নেই।

‘উঠান বৈঠক, পথসভা অবশ্যই পুলিশকে জানাতে হবে। সরকারি প্রতিষ্ঠান ও কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রচারণায় ব্যবহার করা যাবে না এবং মনিটরিং কমিটিতে প্রার্থীদের প্রতিনিধি থাকবে।’

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের তৃতীয় নির্বাচনে ২০২২ সালে তৎকালীন মেয়র বিএনপি নেতা মনিরুল হক সাক্কুকে পরাজিত করে নির্বাচিত হন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরফানুল হক রিফাত। মেয়র রিফাতের মৃত্যুতে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে পদটি শূন্য হয়। এ পদে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
There are dozens of A League candidates in Chakaria in upazila elections

উপজেলা নির্বাচনে চকরিয়ায় আ.লীগের ডজনখানেক প্রার্থী

উপজেলা নির্বাচনে চকরিয়ায় আ.লীগের ডজনখানেক প্রার্থী উপজেলা চেয়ারম্যান হতে চকরিয়া স্থানীয় আওয়ামী লীগের যেসব নেতারা দৌঁড়ঝাপ শুরু করেছেন। কোলাজ: নিউজবাংলা
ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগের স্থানীয় অনেক নেতাই নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিয়েছেন। তবে বিএনপি ও জাতীয় পার্টিসহ অন্য দলগুলোর কোনো প্রার্থীর হাঁক-ডাক এখন পর্যন্ত দেখা যায়নি।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ঘনিয়ে এসেছে। এরইমধ্যে নির্বাচনে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় আওয়ামী লীগের ডজনখানেক প্রার্থীকে ভোটের মাঠ গরম করতে দেখা যাচ্ছে।

এসব নিয়ে দলটির স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মাঝে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। দলীয় প্রতীক বরাদ্দ দেয়া না হলেও নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উপজেলায় ব্যাপক কোন্দলের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১১ মে অনুষ্ঠিত হবে চকরিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগের অনেক নেতাই নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিয়েছেন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে অনেকেই আগাম শুভেচ্ছা জানাতে ব্যস্ত।

তবে বিএনপি ও জাতীয় পার্টিসহ অন্য দলগুলোর কোনো প্রার্থীর হাঁক-ডাক এখন পর্যন্ত দেখা যায়নি।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আগেই জানানো হয়েছে, এবারের উপজেলা নির্বাচনে নিজেদের ‘নৌকা’ প্রতীক দেবে না দলটি। যার কারণে দলীয় প্রতীক পাওয়ার জন্য ঢাকায় তদবির চালিয়ে সময় নষ্ট না করে মাঠপর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধিতে মনোযোগী হয়েছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। তবে এর মধ্যেও দলীয় সমর্থন আদায় করতে মরিয়া হয়ে কাজ করছেন অনেকে। দলীয় সমর্থন পেলে ভোটে জয়ের পথ অনেকটা মসৃণ হয়ে যাবে বলে কারণ হিসেবে মনে করছেন তারা।

গণসংযোগসহ বিভিন্ন সামাজিক কাজকর্মে অংশ নিচ্ছেন উপজেলা চেয়ারম্যান পদের আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীরা। যোগাযোগ বৃদ্ধি করছেন তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে। মাঠের রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সরব তারা।

১৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত চকরিয়া উপজেলার সবশেষ ২০১৯ সালের নির্বাচনে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি আলহাজ্ব ফজলুল করিম সাঈদী। এবারও তিনি প্রার্থী হতে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি জনগণের ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। জনগণ আমাকে চায়। দলীয় প্রতীক যেহেতু এবার নেই, তাই কে প্রার্থী হবে- সেটা আমার দেখার বিষয় নয়। আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জনগণ আবারও প্রমাণ করবে, আমার বিগত দিনের সফলতা কী ছিল।’

চকরিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার ব্যাপারে যাদের নামে গুঞ্জন রয়েছে, তারা হলেন- বর্তমান চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, চকরিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রেজাউল করিম, জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য এটিএম জিয়া উদ্দিন চৌধুরী, পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাবেক আহ্বায়ক একেএম গিয়াস উদ্দিন, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সরওয়ার আলম, মাতামুহুরী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বাবলা, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন জয়নাল, সুরাজপুর-মানিকপুর ইউপি চেয়ারম্যান আজিমুল হক আজিম, মাতামুহুরী থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নুরে হাবিব তছলিম, চকরিয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শহীদুল ইসলাম শহীদ ও চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহেদুল ইসলাম লিটু।

উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে, তারা হলেন- বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান মকছুদুল হক ছুট্টো, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও পূজা কমিটির সভাপতি তপন কান্তি দাশ, সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি হায়দার আলী ও বেলাল উদ্দিন শান্ত।

এদিকে, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্বাচনে না যাওয়ার কারণে নির্বাচনি কার্যক্রমে এখন পর্যন্ত বিএনপির কোনো সম্ভাব্য প্রার্থী বা নেতা-কর্মীর তৎপরতা দেখা যায়নি। জাতীয় পার্টির প্রার্থীদেরও দেখা মিলছেনা আপাতত। তবে দলীয় সিদ্ধান্ত পেলে অনেকে প্রার্থী হতে পারেন বলে ধারণা স্থানীদের।

আরও পড়ুন:
উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থীদের জামানত বাড়ছে ১০ গুণ
সংসদ নির্বাচনের চেয়ে উপজেলা নির্বাচন ভালো হবে: ইসি আলমগীর
চার ধাপে উপজেলা নির্বাচন, প্রথম ধাপের ভোট ৪ মে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Upazila Chairman candidates security is increasing 10 times

উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থীদের জামানত বাড়ছে ১০ গুণ

উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থীদের জামানত বাড়ছে ১০ গুণ ফাইল ছবি
ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম বলেন, ‘উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের আগের জামানত বাড়িয়ে এক লাখ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। সেই সঙ্গে উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।’

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের জামানত ১০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা এবং উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীদের জামানত ৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৭৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

মঙ্গলবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের ২৮তম কমিশন সভায় সংস্থাটি এ অনুমোদন দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম।

তিনি বলেন, ‘উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের আগের জামানত বাড়িয়ে এক লাখ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। সেই সঙ্গে উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।’

বর্তমান নির্বাচন বিধিমালায় চেয়ারম্যান ১০ হাজার ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের জামানত পাঁচ হাজার টাকা রয়েছে।

এছাড়া রঙিন পোস্টার ব্যবহার, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ২৫০ ভোটারের সমর্থনসূচক স্বাক্ষর তুলে দেয়ার প্রস্তাবসহ একগুচ্ছ সংশোধনে অনুমোদন দিয়েছে সংস্থাটি।

ইসি সচিব বলেন, ‘কমিশন সভায় অনুমোদিত প্রস্তাবগুলো আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। সেগুলো যাচাই-বাছাই শেষে বিধিমালা সংশোধন হবে।’

নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানার নেতৃত্বে গঠিত আইন সংশোধন কমিটি প্রস্তাবগুলো আনে।

আরও পড়ুন:
সংসদ নির্বাচনের চেয়ে উপজেলা নির্বাচন ভালো হবে: ইসি আলমগীর
চার ধাপে উপজেলা নির্বাচন, প্রথম ধাপের ভোট ৪ মে

মন্তব্য

p
উপরে