× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Nakul Kumar Biswas is the towel candidate in Madaripur Barisal
google_news print-icon

মাদারীপুর বরিশালে গামছার প্রার্থী নকুল কুমার বিশ্বাস

মাদারীপুর-বরিশালে-গামছার-প্রার্থী-নকুল-কুমার-বিশ্বাস
সংগীতশিল্পী নকুল ‍কুমার বিশ্বাস। ছবি: সংগৃহীত
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে নকুল কুমার বিশ্বাস জানান, তার পূর্বপুরুষ হরনাথ বাইন ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলের এমপি। বরিশালের সাতলা গ্রামে সাবেক এ সংসদ সদস্যের একটি বাড়ি আছে। এ কারণে বরিশাল ও মাদারীপুর দুই জায়গা থেকেই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকবেন তিনি।

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে মাদারীপুর-৩ ও বরিশাল-২ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী নকুল কুমার বিশ্বাস।

মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন বৃহস্পতিবার দুপুরে মাদারীপুর এবং বিকেলে বরিশালে মনোনয়নপত্র জমা দেন এ শিল্পী।

রির্টানিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, মাদারীপুর-৩ আসনে প্রার্থিতার জন্য গত ২৭ নভেম্বর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন নকুল কুমার বিশ্বাস। ২৯ নভেম্বর তিনি বরিশাল-২ আসনের জন্যে মনোনয়নপত্র নেন।

নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে নকুল কুমার বিশ্বাস জানান, দলের স্থানীয় নেতাকর্মী ও ভক্ত-অনুরাগীদের অনুরোধে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তিনি নির্বাচিত হলে সুখে-দুঃখে ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে মানুষের পাশে থাকবেন। বিগত দিনেও তিনি এলাকার জন্যে নিবেদিত ছিলেন; আগামীতেও থাকবেন।

নকুল কুমার বিশ্বাস ১৯৬৫ সালে মাদারীপুর সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের পূর্ব কলাগাছিয়া গ্রামের এক সংগীত অনুরাগী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পাঁচ ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি পঞ্চম। তার বাবা নাম সুরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস এবং মা মঙ্গলী দেবী। মাত্র ৮ বছর বয়সে যাত্রার দলে শিল্পী হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে তার সংগীতের ক্যারিয়ার শুরু হয়। সেই থেকে যাত্রাসহ গ্রাম ও শহরাঞ্চলে অনেক অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করছেন তিনি।

গানের পাশাপাশি তিনি সেতার, তবলা, বাঁশি, সরোদসহ নানারকম বাদ্যযন্ত্রে পারদর্শী। হারমোনিয়াম বাজানোতে রয়েছে তার বিশেষ দক্ষতা।

বাংলাদেশ বেতারে যন্ত্র ও সংগীতশিল্পী হিসেবে চাকরি করেছেন অনেক দিন, তবে ক্যারিয়ারে তার সেরা সুযোগটি আসে ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’তে অংশগ্রহণের মাধ্যমে। ইত্যাদিতে গান পরিবেশনের সুবাদেই শ্রোতা-দর্শকদের কাছে ব্যাপক পরিচিতি পান তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে নকুল কুমার বিশ্বাস জানান, তার পূর্বপুরুষ হরনাথ বাইন ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলের এমপি। বরিশালের সাতলা গ্রামে সাবেক এ সংসদ সদস্যের একটি বাড়ি আছে। এ কারণে বরিশাল ও মাদারীপুর দুই জায়গা থেকেই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকবেন তিনি।

আরও পড়ুন:
স্মার্ট বাংলাদেশ দিবস উদযাপনে ইসির অসম্মতি
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শাহজাহান ওমর লড়বেন নৌকা নিয়ে
শেষ পর্যন্ত বিএনপির অংশগ্রহণ ছাড়াই দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন!
সিলেটে প্রচার শুরুর আগেই আচরণবিধি লঙ্ঘনের হিড়িক
নবীগঞ্জে নৌকার মনোনয়ন নিয়ে ছাত্রলীগের দুপক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Zahir Uddin Swapan got bail in all the cases

সব মামলায় জামিন পেলেন জহির উদ্দিন স্বপন

সব মামলায় জামিন পেলেন জহির উদ্দিন স্বপন বিএনপি নেতা জহির উদ্দিন স্বপন। ফাইল ছবি
আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার জানান, ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশ ঘিরে পৃথক সাতটি মামলায় জহির উদ্দিন স্বপনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এর আগে চারটি মামলায় তিনি জামিন পেয়েছেন। বাকি তিন মামলায় জামিন পাওয়ায় তার কারামুক্তিতে আর বাধা নেই।

বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপন সবশেষ তিন মামলায় জামিন পেয়েছেন। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত বুধবার এই আদেশ দিয়েছেন। এ নিয়ে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা, পুলিশ হত্যা ও পুলিশের পিস্তল ছিনতাইসহ সাতটি মামলায়ই জামিন পেলেন তিনি।

জহির উদ্দিন স্বপনের আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার জানান, ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশ ঘিরে পৃথক সাতটি মামলায় জহির উদ্দিন স্বপনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এর আগে চারটি মামলায় তিনি জামিন পেয়েছেন। এর মধ্যে দুটি মামলায় তিনি হাইকোর্ট ও দুটিতে সিএমএম আদালত থেকে জামিন পান তিনি। বাকি তিন মামলায় বুধবার জামিন পাওয়ায় তার কারামুক্তিতে আর কোনো বাধা নেই।

এর আগে ৩০ জানুয়ারি জহির উদ্দিন স্বপনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে জামিন আবেদন আইন অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে (সিএমএম) নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।

গত বছরের ২৮ অক্টোবর রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশ পণ্ড হওয়ার পর দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ শীর্ষ পর্যায়ের সব নেতার বিরুদ্ধে মামলা করে পুলিশ।

২ নভেম্বর জহির উদ্দিন স্বপনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা, নাশকতা ও সহিংসতার অভিযোগে দায়েরকৃত রমনা থানার মামলায় ৬ দিনের রিমান্ড শেষে ঢাকার সিএমএম তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার অভিযোগে মামলাসহ রমনা থানায় দায়েরকৃত দুটি এবং পল্টন থানায় পাঁচটি মামলা করা হয় তার বিরুদ্ধে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Awami League government was behind BDR rebellion Rizvi

বিডিআর বিদ্রোহের পেছনে আওয়ামী লীগ সরকার: রিজভী

বিডিআর বিদ্রোহের পেছনে আওয়ামী লীগ সরকার: রিজভী নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন রুহুল কবির রিজভী। ছবি: সংগৃহীত
রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘বিজিবির সাবেক মহাপরিচালক সাক্ষাৎকারে স্পষ্টভাবেই বলেছেন- একটি রাজনৈতিক দলের নেতারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত এবং তারা ঘটনার সময় বাইরে জয়বাংলা স্লোগান দেন। তাছাড়া বিদেশি উসকানির বিষয়ে তিনি যা বলেছেন, ঘটনার দিন থেকেই জনগণ তা বিশ্বাস করেছে।’

আওয়ামী লীগ সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বিডিআর বিদ্রোহের সঙ্গে বিএনপি জড়িত- পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদের এমন বক্তব্যের জবাবে মঙ্গলবার তিনি একথা বলেন। সূত্র: ইউএনবি

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, ‘পিলখানায় সেনা অভিযান না চালানো, খুনিদের আপ্যায়ন করা, সাধারণ ক্ষমার ঘোষণা এবং অনেককে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেয়ায় নানা প্রশ্ন ওঠে। সেসব প্রশ্ন তুলতে গিয়ে অনেকেই চাকরি হারিয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘২০১১ সালের ৩০ আগস্ট উইকিলিকসের ফাঁস করা গোপন তথ্য, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের সাক্ষ্য, তাদের বিচার প্রক্রিয়া, তদন্ত কমিটির আংশিক প্রতিবেদন, দেশি-বিদেশি সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের তদন্ত প্রতিবেদন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ৪৮ ঘণ্টা পর লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. মইনুল ইসলামের শেষ বক্তব্য স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে আওয়ামী লীগ সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় ৫৭ জন চৌকস সেনা কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের অনেক সদস্যকে ঠান্ডা মাথায় বিডিআর বিদ্রোহের নামে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। আর তাদের পেছনে ছিলেন এই সরকারের বিদেশি প্রভুরা।’

পিলখানা হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিজিবির সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. মইনুল ইসলামের সাক্ষাৎকারের উল্লেখ করে রিজভী বলেন, ‘হাছান মাহমুদ হয়তো স্বীকার করবেন না, কিন্তু সেদিন পিলখানায় যা ঘটেছিল, কারা করেছিল, কেন ঘটল, ঘটনার পেছনে কারা ছিল, কে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেছিল- এসব সত্য গতকালও (রোববার) গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে।

‘সোমবার গণমাধ্যমে বিজিবির সাবেক এই মহাপরিচালকের সাক্ষাৎকার দেখে কি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মাথা খারাপ হয়ে গেছে? সেদিন জনগণ যা দেখেছে এবং বিশ্বাস করেছে তারই প্রতিফলন ঘটেছে সাবেক ডিজির বক্তব্যে।’

বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, ‘গতকাল সাবেক মহাপরিচালকের সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ হলে দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। তিনি স্পষ্টভাবেই বলেছেন- একটি রাজনৈতিক দলের নেতারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত এবং তারা ঘটনার সময় বাইরে জয়বাংলা স্লোগান দেন। তাছাড়া বিদেশি উসকানির বিষয়ে তিনি যা বলেছেন, ঘটনার দিন থেকেই জনগণ তা বিশ্বাস করেছে।’

রিজভী বলেন, ‘সাবেক এই মহাপরিচালক সাক্ষাৎকারে বলেন, বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটিকে আওয়ামী লীগ সরকার স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেয়নি। আমরা বলতে চাই, পিলখানা ট্র্যাজেডির রহস্য লুকিয়ে রাখা যাবে না। একদিন এর আসল রহস্য উন্মোচিত হবে এবং প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনা হবে।’

আরও পড়ুন:
জনগণের ওপর প্রতিশোধ নিতে বিদ্যুৎ জ্বালানির দাম বাড়াচ্ছে সরকার: রিজভী
ক্ষমতা দখল করে জনগণকে ঔদ্ধত্য দেখাচ্ছে আ. লীগ সরকার: রিজভী
কারা হেফাজতে বিএনপি নেতাদের মৃত্যু পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড: রিজভী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The mayor of Patuakhali does not obey the code of conduct
পৌরসভা নির্বাচন

আচরণবিধি মানছেন না পটুয়াখালীর মেয়র

আচরণবিধি মানছেন না পটুয়াখালীর মেয়র মেয়র প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদের ভোটের প্রচারে দেদারসে পলিথিনে মোড়ানো পোস্টার ব্যবহার করা হচ্ছে। ছবি: নিউজবাংলা
পটুয়াখালী পৌরসভা নির্বাচনের প্রচারে সব প্রার্থী পলিথিনবিহীন পোস্টার ব্যবহার করলেও আচরণবিধি মানছেন না মেয়র প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ। তিনি দেদারসে পলিথিনে মোড়ানো পোস্টারে প্রচার চালাচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে অন্য প্রার্থীরা ক্ষুব্ধ।

পটুয়াখালী পৌরসভা নির্বাচনে আচরণবিধি মানছেন না মেয়র প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ। প্রতীকসহ পোস্টার টানানোর ক্ষেত্রে অন্য প্রার্থীরা পলিথিন ব্যবহার না করার নিষেধাজ্ঞা মেনে চললেও মেয়র মহিউদ্দিন দেদারসে তা করে যাচ্ছেন।

নির্বাচন কমিশন ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পরপরই প্রায় সব প্রার্থী নিয়ম অনুযায়ী পোস্টার ব্যবহার করছেন। কিন্তু গত রাত থেকে মেয়র প্রার্থী মহিউদ্দিন আহমেদ নির্বাচন অফিসের নির্দেশনা অমান্য করছেন। এ নিয়ে অন্য প্রার্থীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশনের পরিপত্র ২-এর ২১ নং ক্রমিকে স্পষ্টভাবে বলা আছে, ‘স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ পূর্বক প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা এবং নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে প্লাস্টিকে মোড়ানো বা পোস্টার প্লাস্টিক পলিথিন লেমিনেটিং করে ব্যবহার না করাসহ ইতিপূর্বে নির্দেশনা প্রদান করতে হবে।’

আচরণবিধি মানছেন না পটুয়াখালীর মেয়র

এই ধারার উল্লেখ করে প্রতীক বরাদ্দের দিন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা স্পষ্টভাবেই জানিয়ে দিয়েছেন যে, পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করা যাবে না।

অথচ মেয়র প্রার্থী মহিউদ্দিন আহমেদ পলিথিন মোড়ানো পোস্টার টানিয়েছেন গোটা শহরে। এ নিয় অন্য প্রার্থীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। কারণ ২৩ তারিখ থেকে রোববার রাত পর্যন্ত তাদের টানানো পলিথিনবিহীন পোস্টার গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি আর কুয়াশায় নষ্ট হয়েছে কয়েকবার।

অথচ শহরের পৌরসভা মোড়, সিঙ্গারা পয়েন্ট, কলেজ রোড, জুবিলী স্কুল সড়কসহ বেশকিছু সড়কে জগ প্রতীকের মেয়র প্রার্থী মহিউদ্দিনের টানানো পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করতে দেখা গেছে।

মেয়র প্রার্থী ডা. মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সকালে পোস্টার টানানোর পর বিকেলে হাল্কা বৃষ্টি হওয়ায় সেসব পোস্টার নষ্ট হয়ে যায়। তাই পরদিন সকালে আবার পোস্টার লাগাই। তবু পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করিনি।

অথচ আচরণবিধির তোয়াক্কা না করে একজন প্রার্থী তার নির্বাচনি প্রচারের পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করছেন। এগুলো কি নির্বাচন কর্মকর্তা দেখেন না? এমনিতেই জেলা নির্বাচনের কার্যক্রম নিয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন মিডিয়ায় আর্থিক অনিয়ম নিয়ে মেয়র মহিউদ্দিনের পক্ষাবলম্বনের রিপোর্ট আসছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের উচিত বিষয়টি দেখার।’

পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর মো. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘প্রতীক বরাদ্দের দিন জেলা নির্বাচন অফিস থেকে আমাদেরকে বলা হয়েছে যে পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করা যাবে না। এটা দণ্ডনীয় অপরাধ। সে কারণে আমরা পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করিনি।’

৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মো. খলিলুর রহমান জানান, নির্বাচন অফিসের নিষেধাজ্ঞা থাকায় পোস্টারে পলিথিন লাগাইনি।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মেয়র প্রার্থী মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ওগুলো ভুলে লাগানো হয়েছে। যারা লাগিয়েছে তারা ভুল করেছে। আমি তাদেরকে সরিয়ে ফেলতে বলেছি।’

পটুয়াখালী জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলার জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কর্মকর্তা খান আবি শাহানুর খান জানান, নির্বাইন আচরণবিধিতে বলা হয়েছে যে কোনো প্রার্থী তাদের পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করতে পারবেন না। কেউ পলিথিন ব্যবহার করে থাকলে আমাদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।’

জগ প্রতীকের মেয়র প্রার্থী পলিথিনে মোড়ানো পোস্টার টানিয়েছেন- এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এমন একটা অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি দেখছি।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sheikh Hasina sent a reply to Bidens letter

বাইডেনের চিঠির জবাব পাঠালেন শেখ হাসিনা

বাইডেনের চিঠির জবাব পাঠালেন শেখ হাসিনা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক লক্ষ্য অর্জনে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি দেন। তিনি একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদার হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে চিঠি লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ প্রেসিডেন্টের বিশেষ সহকারী ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের (এনএসসি) দক্ষিণ এশিয়ার জেষ্ঠ পরিচালক পরিচালক আইলিন লাউবাচার কাছে চিঠির একটি অনুলিপি হস্তান্তর করেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের চিঠির জবাব এটি।

যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান চিঠির মূল কপি হোয়াইট হাউসের কাছে হস্তান্তর করবেন। খবর ইউএনবির

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, তারা (যুক্তরাষ্ট্র) বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চান। তিনি বলেন, আমরা তাদের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে চাই। সম্পর্ক জোরদারের মাধ্যমে দেশগুলো উপকৃত হবে।

রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সঙ্গে বৈঠকে আন্তঃসংস্থা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন পরিচালক আইলিন লাউবাচার।

ইউএসএআইডির এশিয়া বিষয়ক সহকারী প্রশাসক মাইকেল শিফার, পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ডেপুটি অ্যাসিসট্যান্ট সেক্রেটারি আফরিন আখতার এবং ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের সিডিএ হেলেন লাফাভে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ ইমরান এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উত্তর আমেরিকা অঞ্চলের মহাপরিচালক খন্দকার মাসুদুল আলমসহ মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও গভীর করার জন্য নতুন পথ অন্বেষণকে কেন্দ্র করে আলোচনা হয়। বৈঠকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, রোহিঙ্গা মানবিক সহায়তা, জলবায়ু পরিবর্তন ও জ্বালানি খাতের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী শান্তির পক্ষে এবং যে কোনো ধরনের যুদ্ধের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি অর্জনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে তার সুবিধা ব্যবহার করার আহ্বান জানান।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন ড. হাছান। বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি রাশেদ চৌধুরীকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রত্যর্পণের বিষয়েও আলোচনা হয়। একই সঙ্গে র‌্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান জানান মন্ত্রী।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক লক্ষ্য অর্জনে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি দেন। তিনি একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদার হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ অংশীদারিত্বের পরবর্তী অধ্যায়ে প্রবেশ করতে যাওয়া বিষয়ে চিঠিতে বাইডেন বলেছেন, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন ও জ্বালানি, বৈশ্বিক স্বাস্থ্য, মানবিক সহায়তা বিশেষ করে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য একসঙ্গে কাজ অব্যাহত রাখতে তার প্রশাসনের আন্তরিক আকাঙ্ক্ষার কথা তিনি জানাতে চান।

প্রধানমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, সমস্যা সমাধানে আমাদের একসঙ্গে কাজ করার দীর্ঘ ও সফল ইতিহাস রয়েছে এবং আমাদের শক্তিশালী মানুষে-মানুষে বন্ধনই এই সম্পর্কের ভিত্তি।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Fakhrul went to complain to the representative of the United States Kader

ফখরুল যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধির কাছে নালিশ করতে গেছেন: কাদের

ফখরুল যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধির কাছে নালিশ করতে গেছেন: কাদের
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছবি: নিউজবাংলা
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘অবাক লাগে মির্জা ফখরুল জেল থেকে বের হয়ে জনগণের কাছে অসুস্থতার অজুহাতে যাননি। অথচ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি আসলে তিনি নালিশ করতে চলে গেছেন। নালিশ করা তাদের পুরনো অভ্যাস।’

কারাগার থেকে বের হয়েই বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জনগণের কাছে না গেলেও ‍যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধির কাছে নালিশ করতে চলে গেছেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ফেনীর দাগনভূঞাঁয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘অবাক লাগে মির্জা ফখরুল জেল থেকে বের হয়ে জনগণের কাছে অসুস্থতার অজুহাতে যাননি। অথচ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি আসলে তিনি নালিশ করতে চলে গেছেন। নালিশ করা তাদের পুরনো অভ্যাস।’

তিনি বলেন, ‘‍যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের কাছে বিএনপির অভিযোগে জবাব সরকার দিয়েছে। তারা নালিশ করবে। আমরা চুপচাপ থাকব, এমনতো হতে পারে না।

‘বিএনিপির ৫০ হাজার নেতা-কর্মী জেলে আছে, এমন উদ্ভট দাবিও করেছিল তারা। এখন আবার দাবি করছে, তাদের ৪ হাজার নেতা-কর্মী জেলে। তাহলে জেলে থাকা চোর-ডাকাতরাও বিএনপির নেতা-কর্মী?’

সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে আসেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের (এনএসসি) দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক জ্যেষ্ঠ পরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল এইলিন লুবাখার, যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী আফরিন আক্তার ও যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (ইউএসএআইডি) সহকারী প্রশাসক মাইকেল শিফা। মির্জা ফখরুলসহ বিএনপি নেতারা তাদের সঙ্গে বেঠক করেছেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘সমালোচনা যারা করবে তারা করবেই। দেশেও করবে বিদেশেও করবে। যারা ক্ষমতা পায়নি, নির্বাচনে আসেনি তারা টের পাবে তারা নিজেদের রাজনীতিতে কতটা সংকুচিত করেছে। এ জন্য বিএনপিকে খেসারত দিতে হবে।’

উপজেলা নির্বাচন প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘উপজেলা নির্বাচনে আমরা কাউকে নৌকা দিচ্ছি না। অতএব বুঝেশুনে নির্বাচন করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী এ অভিজ্ঞতাও নিতে চান। জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি না আসলেও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছিলেন।’

মন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকা-চট্রগ্রাম ছয় লেন হবে আপাতত। ভবিষ্যৎ আরো বর্ধিত করার বিষয়ে ভাবতে হতে পারে।’

দাগনভূঞাঁ উপজেলা চেয়ারম্যান দিদারুল কবির রতনের সঞ্চালনায় এ সময় অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন ফেনী ২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী, ফেনী জেলা প্রশাসক মুছাম্মৎ শাহীনা আক্তার, ফেনী পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজী, সোনাগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটন প্রমুখ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
2 leaders of BNP including former MP are in jail in sabotage case

নাশকতা মামলায় বিএনপির সাবেক এমপিসহ ২ নেতা কারাগারে

নাশকতা মামলায় বিএনপির সাবেক এমপিসহ ২ নেতা কারাগারে দণ্ডাদেশ পাওয়া সাবেক এমপি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আখতারুজ্জামান। ছবি: সংগৃহীত
২০২৩ সালের ৩০ অক্টোবর চিরিরবন্দর উপজেলায় রাস্তায় গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় নাশকতা মামলার আসামি তারা।

দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলায় একটি নাশকতা মামলায় সাবেক এমপিসহ ২ বিএনপি নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

রোববার দুপুরে দিনাজপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুজ্জামান সরকারের আদালতে আত্মসমর্পন করে তারা জামিনের আবেদন করেন। পরে বিচারক শুনানি করে সাবেক এমপি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আখতারুজ্জামান ও দিনাজপুর জেলা পরিষদের সদস্য নুরে আলম সিদ্দিকী নয়নকে জেল হাজতে প্রেরণের আদেশ দেন।

২০২৩ সালের ৩০ অক্টোবর চিরিরবন্দর উপজেলায় রাস্তায় গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় নাশকতা মামলার আসামি তারা।

দিনাজপুর কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক শামসুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, দুপুরেই তাদের কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Want justice for every accused in BDR mutiny case Moin

বিডিআর বিদ্রোহ মামলার প্রত্যেক আসামির সুবিচার চাই: মঈন

বিডিআর বিদ্রোহ মামলার প্রত্যেক আসামির সুবিচার চাই: মঈন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বক্তব্য দিচ্ছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান। ফাইল ছবি
আবদুল মঈন খান বলেন, “অপরাধী শাস্তি পাবে, সে সম্বন্ধে আমাদের কিছু বলার নেই, কিন্তু আমরা যে আইনের ব্যবস্থায় বিশ্বাস করি, যার ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের জুরিসপ্রুডেন্স (আইনের দর্শন) এবং জাস্টিস সিস্টেম (বিচার ব্যবস্থা) দাঁড়িয়েছে, সেখানে একটি কথা বলা আছে। সে কথাটি হচ্ছে এই যে, ‘কোনো দোষী ব্যক্তি যদি আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে বের হয়ে যায়, সেটা হতে পারে। একজন নিদোর্ষ ব্যক্তিও যেন কখনও শাস্তি না পায়।’ আমরা সেই নীতিতে বিশ্বাস করি এবং সেই নীতিতে বিশ্বাস করে আমরা আজকে প্রতিটি বিডিআরের এই দুঃখজনক ট্র্যাজেডির প্রতিটি মানুষ, যারা এই সংক্রান্ত মামলায় যারা অভিযুক্ত রয়েছে, তাদের সুবিচার আজকে আমরা কামনা করি।”

রাজধানীর পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় হওয়া দুই মামলার প্রতিটি আসামির সুবিচার দাবি করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান।

পিলখানায় নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ১৫তম বার্ষিকীতে রাজধানীর বনানীতে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন দাবি করেন।

পিলখানায় ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিডিআর বিদ্রোহ চলাকালে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।

২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর এ হত্যা মামলার রায় হয়। তাতে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন ও ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়।

মামলায় ২৭৮ জনকে খালাস দেয়া হয়। এ বিষয়ে আপিল সর্বোচ্চ আদালতে শুনানির অপেক্ষায়।

আদালত সংশ্লিষ্টরা জানান, বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় হওয়া দুটি মামলার মধ্যে হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড এবং যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে ১৮৪ জনের আপিল এখন দেশের সর্বোচ্চ আদালতে শুনানির অপেক্ষায়। আর বিস্ফোরকদ্রব্য আইনের মামলায় চলছে সাক্ষ্যগ্রহণ।

বিডিআর বিদ্রোহের বিষয়ে জানতে চাইলে আবদুল মঈন খান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের সেই কথাটি পুনরায় বলতে হয় যে, এই ঘটনা কীভাবে ঘটেছে, এই ঘটনার যবনিকার পেছনে কী ছিল, আজকে বাংলাদেশের মানুষ সেই সত্যি জানতে চায়। এটা তো গেল একটি দিক। অন্য দিকটি, যে মানবিক দিক, সেই দিকে আমি আপনাদের দৃষ্টি নিবদ্ধ করতে চাই।

‘যারা প্রাণ দিয়েছিলেন, সেই ৫৭ জন ছাড়াও আরও সর্বমোট প্রায় ৭৪ জন যারা প্রাণ দিয়েছিলেন, তাদের পরিবারবর্গ যারা রয়েছেন, আপনারা তাদের কথাটি, তাদের যে বেদনা, সেই বেদনার কথা একবার চিন্তা করে দেখুন এবং সর্বশেষ তৃতীয় যে দিকটি রয়েছে, যে বিচারের কথা আমরা শুনেছি, সে বিচার হয়েছে, সে বিচার কি হয়নি, সে বিচারে কি আপিল হয়েছে, সে আপিলের শুনানি কি আজকে ১৫ বছর পার হয়েছে, তার পরবর্তীতে ২০১১ সালে কি আরেকটি বিস্ফোরক মামলা দেয়া হয়েছে, সেই মামলার বিচারকার্য আজকে প র্যন্ত কেন বিলম্বিত হচ্ছে?’

বিডিআর বিদ্রোহ মামলার বিচার নিয়ে বিএনপির বর্ষীয়ান এ রাজনীতিক বলেন, “একটি কথা আছে আমাদের বাংলা ভাষায়: বিচারের বাণী নিভৃতে কাঁদে। ইংরেজি ভাষায় একটি কথা আছে, ‘যদি বিচার বিলম্ব হয়, তাহলে সেই বিচারের কোনো মূল্য থাকে না।’ কাজেই আজকে আমরা শুনেছি যে, সেই বিচার প্রক্রিয়া এখনও ঝুলে আছে।

“কেন ঝুলে আছে, কেন সেই অভিযোগে, যাদেরকে কারাবন্দি করে রাখা হয়েছে, তারা আজকে পর্যন্ত বিনা বিচারে কেন তারা কারাবাস করছেন?”

তিনি বলেন, “অপরাধী শাস্তি পাবে, সে সম্বন্ধে আমাদের কিছু বলার নেই, কিন্তু আমরা যে আইনের ব্যবস্থায় বিশ্বাস করি, যার ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের জুরিসপ্রুডেন্স (আইনের দর্শন) এবং জাস্টিস সিস্টেম (বিচার ব্যবস্থা) দাঁড়িয়েছে, সেখানে একটি কথা বলা আছে।

“সে কথাটি হচ্ছে এই যে, ‘কোনো দোষী ব্যক্তি যদি আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে বের হয়ে যায়, সেটা হতে পারে। একজন নিদোর্ষ ব্যক্তিও যেন কখনও শাস্তি না পায়।’ আমরা সেই নীতিতে বিশ্বাস করি এবং সেই নীতিতে বিশ্বাস করে আমরা আজকে প্রতিটি বিডিআরের এই দুঃখজনক ট্র্যাজেডির প্রতিটি মানুষ, যারা এই সংক্রান্ত মামলায় যারা অভিযুক্ত রয়েছে, তাদের সুবিচার আজকে আমরা কামনা করি।”

আরও পড়ুন:
পিলখানা ট্র্যাজেডি: বিচার দ্রুত শেষ হবে, আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে ফখরুল, উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক
সুসময় এলে সব হত্যা-গুমের বিচার করবে বিএনপি: মিনু
সরকার পরিবর্তন অবশ্যই হবে: নজরুল
বিএনপি রোজা রমজান ঈদ কোনোটাই মানে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

p
উপরে