× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Their leaders are in jail called BNP Information Minister
google_news print-icon

বিএনপি নামক কারাগারে বন্দি তাদের নেতারা: তথ্যমন্ত্রী

বিএনপি-নামক-কারাগারে-বন্দি-তাদের-নেতারা-তথ্যমন্ত্রী
তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতিবিনিময় করেন। ছবি: বাসস
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি নামক কারাগার থেকে অনেকেই বের হয়ে এসেছেন। দলটির সাবেক সংসদ সদস্য, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অনেকেই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তাদের অনেক নেতাই স্বীকার করেন যে, সাত সমুদ্র তেরো নদীর ওপার থেকে আসা সিদ্ধান্তগুলো বিএনপিকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।’

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘বিএনপির মূল নেতৃত্ব কার্যত তাদের দলের নেতাদের বিএনপি নামক কারাগারে বন্দি করে রেখেছে। সেখান থেকে বের হয়ে কেউ নির্বাচন করতে পারবে না। কারণ তাদের সিদ্ধান্ত হয় সাত সমুদ্র তেরো নদীর ওপার থেকে, যার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো সম্পর্ক নেই।’

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘তবে বিএনপি নামক এই কারাগার থেকে অনেকেই বের হয়ে এসেছেন। দলটির সাবেক সংসদ সদস্য, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অনেকেই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বিএনপির অনেক নেতাই স্বীকার করেন যে, আসলে এই সিদ্ধান্তগুলো বিএনপিকে ধীরে ধীরে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপি এখন আকাশের দিকে আর পশ্চিমের দিকে তাকিয়ে থাকে, যদি কিছু হয়! এভাবে একটি দল টিকে থাকতে পারে না। বিএনপি আজকে (বৃহস্পতিবার) আবার হরতাল ডেকেছে এবং আরো নাকি কর্মসূচি দেবে। কিন্তু এই হরতালে জনগণের কোনো সাড়া নেই। বিএনপির মূল নেতৃত্বের এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে দলটির নেতাকর্মীরা কেউ একমত নয়।

‘নির্বাচনী আমেজ ও ডামাডোলে বিএনপির সব কর্মসূচি হাওয়ায় মিলিয়ে গেছে। তারা একটি হাস্যকর দলে রূপান্তরিত হয়েছে। আমি আশা করবো বিএনপি এই অপরাজনীতির পথ থেকে বের হয়ে সুস্থ ধারার রাজনীতিতে ফিরে আসবে।’

অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না- ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) এমন বক্তব্য সম্পর্কিত প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন টিআইবি নির্বাচনের দিন দেখতে পাবে। ২৮ অক্টোবর থেকে দেশে সহিংসতা হয়েছে। প্রধান বিচারপতির বাসভবন, জাজেস কমপ্লেক্স এমনকি পুলিশ হাসপাতালে হামলা চালানো হলো; নার্সদেরকে অপদস্ত করা হলো, অ্যাম্বুলেন্সসহ ১৯টি গাড়ি জ্বালিয়ে দেয়া হলো, মানুষকে বাসের মধ্যে পুড়িয়ে হত্যা করা হলো। এ নিয়ে টিআইবি’র বক্তব্য কী?

‘কাউকে ঘুষি মারলে, ধাওয়া করলে টিআইবি বিবৃতি দেয়। আর এতো চোরাগোপ্তা হামলা, অগ্নিসন্ত্রাস, মানুষ পুড়িয়ে হত্যা নিয়ে তাদের জোরালো কোনো বক্তব্য দেখতে পাচ্ছি না। এভাবে টিআইবি আসলে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা হারিয়ে ফেলেছে। টিআইবি যদি মনে করে একটি দল অংশগ্রহণ না করলে সেটি অংশগ্রহণমূলক নয়, তাহলে সেটি টিআইবির চিন্তার বা বোঝার দৈন্য। গণতন্ত্রে দল নয়, জনগণের অংশগ্রহণ হচ্ছে মুখ্য।’

‘পোশাক শ্রমিক নেতা কল্পনা আক্তার কার এজেন্ট’- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি কার এজেন্ট আমি জানি না। আপনারা খুঁজে বের করুন। তবে এক বছরে যতবার তিনি বিদেশে গেছেন এবং একেকবার বিদেশ যাত্রায় ১৪-১৫ লাখ টাকা খরচ হয়েছে, তা থেকে প্রশ্ন আসে- একজন শ্রমিক নেতার এতো টাকা কোথা থেকে আসে, এতোবার বিদেশ যাত্রার প্রয়োজনই বা কেন।’

আরও পড়ুন:
বিএনপি ইঁদুরের গর্তে ঢুকে গেছে: তথ্যমন্ত্রী
অফিস খোলার মানুষ পায় না, তারা কী আন্দোলন করবে: তথ্যমন্ত্রী
বিএনপির জোটসঙ্গীরা পালিয়ে যাচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী
বাসে আগুন দিলে ১০ হাজার টাকা দেয় বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী
বিদেশে গুজব রটনাকারীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট দেশে মামলা হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The mayor of Patuakhali does not obey the code of conduct
পৌরসভা নির্বাচন

আচরণবিধি মানছেন না পটুয়াখালীর মেয়র

আচরণবিধি মানছেন না পটুয়াখালীর মেয়র মেয়র প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদের ভোটের প্রচারে দেদারসে পলিথিনে মোড়ানো পোস্টার ব্যবহার করা হচ্ছে। ছবি: নিউজবাংলা
পটুয়াখালী পৌরসভা নির্বাচনের প্রচারে সব প্রার্থী পলিথিনবিহীন পোস্টার ব্যবহার করলেও আচরণবিধি মানছেন না মেয়র প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ। তিনি দেদারসে পলিথিনে মোড়ানো পোস্টারে প্রচার চালাচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে অন্য প্রার্থীরা ক্ষুব্ধ।

পটুয়াখালী পৌরসভা নির্বাচনে আচরণবিধি মানছেন না মেয়র প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ। প্রতীকসহ পোস্টার টানানোর ক্ষেত্রে অন্য প্রার্থীরা পলিথিন ব্যবহার না করার নিষেধাজ্ঞা মেনে চললেও মেয়র মহিউদ্দিন দেদারসে তা করে যাচ্ছেন।

নির্বাচন কমিশন ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পরপরই প্রায় সব প্রার্থী নিয়ম অনুযায়ী পোস্টার ব্যবহার করছেন। কিন্তু গত রাত থেকে মেয়র প্রার্থী মহিউদ্দিন আহমেদ নির্বাচন অফিসের নির্দেশনা অমান্য করছেন। এ নিয়ে অন্য প্রার্থীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশনের পরিপত্র ২-এর ২১ নং ক্রমিকে স্পষ্টভাবে বলা আছে, ‘স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ পূর্বক প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা এবং নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারে প্লাস্টিকে মোড়ানো বা পোস্টার প্লাস্টিক পলিথিন লেমিনেটিং করে ব্যবহার না করাসহ ইতিপূর্বে নির্দেশনা প্রদান করতে হবে।’

আচরণবিধি মানছেন না পটুয়াখালীর মেয়র

এই ধারার উল্লেখ করে প্রতীক বরাদ্দের দিন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা স্পষ্টভাবেই জানিয়ে দিয়েছেন যে, পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করা যাবে না।

অথচ মেয়র প্রার্থী মহিউদ্দিন আহমেদ পলিথিন মোড়ানো পোস্টার টানিয়েছেন গোটা শহরে। এ নিয় অন্য প্রার্থীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। কারণ ২৩ তারিখ থেকে রোববার রাত পর্যন্ত তাদের টানানো পলিথিনবিহীন পোস্টার গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি আর কুয়াশায় নষ্ট হয়েছে কয়েকবার।

অথচ শহরের পৌরসভা মোড়, সিঙ্গারা পয়েন্ট, কলেজ রোড, জুবিলী স্কুল সড়কসহ বেশকিছু সড়কে জগ প্রতীকের মেয়র প্রার্থী মহিউদ্দিনের টানানো পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করতে দেখা গেছে।

মেয়র প্রার্থী ডা. মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সকালে পোস্টার টানানোর পর বিকেলে হাল্কা বৃষ্টি হওয়ায় সেসব পোস্টার নষ্ট হয়ে যায়। তাই পরদিন সকালে আবার পোস্টার লাগাই। তবু পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করিনি।

অথচ আচরণবিধির তোয়াক্কা না করে একজন প্রার্থী তার নির্বাচনি প্রচারের পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করছেন। এগুলো কি নির্বাচন কর্মকর্তা দেখেন না? এমনিতেই জেলা নির্বাচনের কার্যক্রম নিয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন মিডিয়ায় আর্থিক অনিয়ম নিয়ে মেয়র মহিউদ্দিনের পক্ষাবলম্বনের রিপোর্ট আসছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের উচিত বিষয়টি দেখার।’

পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর মো. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘প্রতীক বরাদ্দের দিন জেলা নির্বাচন অফিস থেকে আমাদেরকে বলা হয়েছে যে পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করা যাবে না। এটা দণ্ডনীয় অপরাধ। সে কারণে আমরা পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করিনি।’

৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মো. খলিলুর রহমান জানান, নির্বাচন অফিসের নিষেধাজ্ঞা থাকায় পোস্টারে পলিথিন লাগাইনি।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মেয়র প্রার্থী মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ওগুলো ভুলে লাগানো হয়েছে। যারা লাগিয়েছে তারা ভুল করেছে। আমি তাদেরকে সরিয়ে ফেলতে বলেছি।’

পটুয়াখালী জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলার জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কর্মকর্তা খান আবি শাহানুর খান জানান, নির্বাইন আচরণবিধিতে বলা হয়েছে যে কোনো প্রার্থী তাদের পোস্টারে পলিথিন ব্যবহার করতে পারবেন না। কেউ পলিথিন ব্যবহার করে থাকলে আমাদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।’

জগ প্রতীকের মেয়র প্রার্থী পলিথিনে মোড়ানো পোস্টার টানিয়েছেন- এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এমন একটা অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি দেখছি।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sheikh Hasina sent a reply to Bidens letter

বাইডেনের চিঠির জবাব পাঠালেন শেখ হাসিনা

বাইডেনের চিঠির জবাব পাঠালেন শেখ হাসিনা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক লক্ষ্য অর্জনে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি দেন। তিনি একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদার হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে চিঠি লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ প্রেসিডেন্টের বিশেষ সহকারী ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের (এনএসসি) দক্ষিণ এশিয়ার জেষ্ঠ পরিচালক পরিচালক আইলিন লাউবাচার কাছে চিঠির একটি অনুলিপি হস্তান্তর করেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের চিঠির জবাব এটি।

যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান চিঠির মূল কপি হোয়াইট হাউসের কাছে হস্তান্তর করবেন। খবর ইউএনবির

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, তারা (যুক্তরাষ্ট্র) বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চান। তিনি বলেন, আমরা তাদের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে চাই। সম্পর্ক জোরদারের মাধ্যমে দেশগুলো উপকৃত হবে।

রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সঙ্গে বৈঠকে আন্তঃসংস্থা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন পরিচালক আইলিন লাউবাচার।

ইউএসএআইডির এশিয়া বিষয়ক সহকারী প্রশাসক মাইকেল শিফার, পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ডেপুটি অ্যাসিসট্যান্ট সেক্রেটারি আফরিন আখতার এবং ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের সিডিএ হেলেন লাফাভে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ ইমরান এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উত্তর আমেরিকা অঞ্চলের মহাপরিচালক খন্দকার মাসুদুল আলমসহ মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও গভীর করার জন্য নতুন পথ অন্বেষণকে কেন্দ্র করে আলোচনা হয়। বৈঠকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, রোহিঙ্গা মানবিক সহায়তা, জলবায়ু পরিবর্তন ও জ্বালানি খাতের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী শান্তির পক্ষে এবং যে কোনো ধরনের যুদ্ধের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি অর্জনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে তার সুবিধা ব্যবহার করার আহ্বান জানান।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন ড. হাছান। বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি রাশেদ চৌধুরীকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রত্যর্পণের বিষয়েও আলোচনা হয়। একই সঙ্গে র‌্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান জানান মন্ত্রী।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক লক্ষ্য অর্জনে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি দেন। তিনি একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদার হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ অংশীদারিত্বের পরবর্তী অধ্যায়ে প্রবেশ করতে যাওয়া বিষয়ে চিঠিতে বাইডেন বলেছেন, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন ও জ্বালানি, বৈশ্বিক স্বাস্থ্য, মানবিক সহায়তা বিশেষ করে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য একসঙ্গে কাজ অব্যাহত রাখতে তার প্রশাসনের আন্তরিক আকাঙ্ক্ষার কথা তিনি জানাতে চান।

প্রধানমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, সমস্যা সমাধানে আমাদের একসঙ্গে কাজ করার দীর্ঘ ও সফল ইতিহাস রয়েছে এবং আমাদের শক্তিশালী মানুষে-মানুষে বন্ধনই এই সম্পর্কের ভিত্তি।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Fakhrul went to complain to the representative of the United States Kader

ফখরুল যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধির কাছে নালিশ করতে গেছেন: কাদের

ফখরুল যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধির কাছে নালিশ করতে গেছেন: কাদের
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছবি: নিউজবাংলা
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘অবাক লাগে মির্জা ফখরুল জেল থেকে বের হয়ে জনগণের কাছে অসুস্থতার অজুহাতে যাননি। অথচ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি আসলে তিনি নালিশ করতে চলে গেছেন। নালিশ করা তাদের পুরনো অভ্যাস।’

কারাগার থেকে বের হয়েই বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জনগণের কাছে না গেলেও ‍যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধির কাছে নালিশ করতে চলে গেছেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ফেনীর দাগনভূঞাঁয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘অবাক লাগে মির্জা ফখরুল জেল থেকে বের হয়ে জনগণের কাছে অসুস্থতার অজুহাতে যাননি। অথচ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি আসলে তিনি নালিশ করতে চলে গেছেন। নালিশ করা তাদের পুরনো অভ্যাস।’

তিনি বলেন, ‘‍যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের কাছে বিএনপির অভিযোগে জবাব সরকার দিয়েছে। তারা নালিশ করবে। আমরা চুপচাপ থাকব, এমনতো হতে পারে না।

‘বিএনিপির ৫০ হাজার নেতা-কর্মী জেলে আছে, এমন উদ্ভট দাবিও করেছিল তারা। এখন আবার দাবি করছে, তাদের ৪ হাজার নেতা-কর্মী জেলে। তাহলে জেলে থাকা চোর-ডাকাতরাও বিএনপির নেতা-কর্মী?’

সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে আসেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের (এনএসসি) দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক জ্যেষ্ঠ পরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল এইলিন লুবাখার, যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী আফরিন আক্তার ও যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (ইউএসএআইডি) সহকারী প্রশাসক মাইকেল শিফা। মির্জা ফখরুলসহ বিএনপি নেতারা তাদের সঙ্গে বেঠক করেছেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘সমালোচনা যারা করবে তারা করবেই। দেশেও করবে বিদেশেও করবে। যারা ক্ষমতা পায়নি, নির্বাচনে আসেনি তারা টের পাবে তারা নিজেদের রাজনীতিতে কতটা সংকুচিত করেছে। এ জন্য বিএনপিকে খেসারত দিতে হবে।’

উপজেলা নির্বাচন প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘উপজেলা নির্বাচনে আমরা কাউকে নৌকা দিচ্ছি না। অতএব বুঝেশুনে নির্বাচন করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী এ অভিজ্ঞতাও নিতে চান। জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি না আসলেও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছিলেন।’

মন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকা-চট্রগ্রাম ছয় লেন হবে আপাতত। ভবিষ্যৎ আরো বর্ধিত করার বিষয়ে ভাবতে হতে পারে।’

দাগনভূঞাঁ উপজেলা চেয়ারম্যান দিদারুল কবির রতনের সঞ্চালনায় এ সময় অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন ফেনী ২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী, ফেনী জেলা প্রশাসক মুছাম্মৎ শাহীনা আক্তার, ফেনী পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজী, সোনাগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটন প্রমুখ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
2 leaders of BNP including former MP are in jail in sabotage case

নাশকতা মামলায় বিএনপির সাবেক এমপিসহ ২ নেতা কারাগারে

নাশকতা মামলায় বিএনপির সাবেক এমপিসহ ২ নেতা কারাগারে দণ্ডাদেশ পাওয়া সাবেক এমপি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আখতারুজ্জামান। ছবি: সংগৃহীত
২০২৩ সালের ৩০ অক্টোবর চিরিরবন্দর উপজেলায় রাস্তায় গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় নাশকতা মামলার আসামি তারা।

দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলায় একটি নাশকতা মামলায় সাবেক এমপিসহ ২ বিএনপি নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

রোববার দুপুরে দিনাজপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুজ্জামান সরকারের আদালতে আত্মসমর্পন করে তারা জামিনের আবেদন করেন। পরে বিচারক শুনানি করে সাবেক এমপি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আখতারুজ্জামান ও দিনাজপুর জেলা পরিষদের সদস্য নুরে আলম সিদ্দিকী নয়নকে জেল হাজতে প্রেরণের আদেশ দেন।

২০২৩ সালের ৩০ অক্টোবর চিরিরবন্দর উপজেলায় রাস্তায় গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় নাশকতা মামলার আসামি তারা।

দিনাজপুর কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক শামসুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, দুপুরেই তাদের কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Want justice for every accused in BDR mutiny case Moin

বিডিআর বিদ্রোহ মামলার প্রত্যেক আসামির সুবিচার চাই: মঈন

বিডিআর বিদ্রোহ মামলার প্রত্যেক আসামির সুবিচার চাই: মঈন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বক্তব্য দিচ্ছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান। ফাইল ছবি
আবদুল মঈন খান বলেন, “অপরাধী শাস্তি পাবে, সে সম্বন্ধে আমাদের কিছু বলার নেই, কিন্তু আমরা যে আইনের ব্যবস্থায় বিশ্বাস করি, যার ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের জুরিসপ্রুডেন্স (আইনের দর্শন) এবং জাস্টিস সিস্টেম (বিচার ব্যবস্থা) দাঁড়িয়েছে, সেখানে একটি কথা বলা আছে। সে কথাটি হচ্ছে এই যে, ‘কোনো দোষী ব্যক্তি যদি আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে বের হয়ে যায়, সেটা হতে পারে। একজন নিদোর্ষ ব্যক্তিও যেন কখনও শাস্তি না পায়।’ আমরা সেই নীতিতে বিশ্বাস করি এবং সেই নীতিতে বিশ্বাস করে আমরা আজকে প্রতিটি বিডিআরের এই দুঃখজনক ট্র্যাজেডির প্রতিটি মানুষ, যারা এই সংক্রান্ত মামলায় যারা অভিযুক্ত রয়েছে, তাদের সুবিচার আজকে আমরা কামনা করি।”

রাজধানীর পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় হওয়া দুই মামলার প্রতিটি আসামির সুবিচার দাবি করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান।

পিলখানায় নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ১৫তম বার্ষিকীতে রাজধানীর বনানীতে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন দাবি করেন।

পিলখানায় ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিডিআর বিদ্রোহ চলাকালে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।

২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর এ হত্যা মামলার রায় হয়। তাতে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন ও ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়।

মামলায় ২৭৮ জনকে খালাস দেয়া হয়। এ বিষয়ে আপিল সর্বোচ্চ আদালতে শুনানির অপেক্ষায়।

আদালত সংশ্লিষ্টরা জানান, বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় হওয়া দুটি মামলার মধ্যে হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড এবং যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে ১৮৪ জনের আপিল এখন দেশের সর্বোচ্চ আদালতে শুনানির অপেক্ষায়। আর বিস্ফোরকদ্রব্য আইনের মামলায় চলছে সাক্ষ্যগ্রহণ।

বিডিআর বিদ্রোহের বিষয়ে জানতে চাইলে আবদুল মঈন খান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের সেই কথাটি পুনরায় বলতে হয় যে, এই ঘটনা কীভাবে ঘটেছে, এই ঘটনার যবনিকার পেছনে কী ছিল, আজকে বাংলাদেশের মানুষ সেই সত্যি জানতে চায়। এটা তো গেল একটি দিক। অন্য দিকটি, যে মানবিক দিক, সেই দিকে আমি আপনাদের দৃষ্টি নিবদ্ধ করতে চাই।

‘যারা প্রাণ দিয়েছিলেন, সেই ৫৭ জন ছাড়াও আরও সর্বমোট প্রায় ৭৪ জন যারা প্রাণ দিয়েছিলেন, তাদের পরিবারবর্গ যারা রয়েছেন, আপনারা তাদের কথাটি, তাদের যে বেদনা, সেই বেদনার কথা একবার চিন্তা করে দেখুন এবং সর্বশেষ তৃতীয় যে দিকটি রয়েছে, যে বিচারের কথা আমরা শুনেছি, সে বিচার হয়েছে, সে বিচার কি হয়নি, সে বিচারে কি আপিল হয়েছে, সে আপিলের শুনানি কি আজকে ১৫ বছর পার হয়েছে, তার পরবর্তীতে ২০১১ সালে কি আরেকটি বিস্ফোরক মামলা দেয়া হয়েছে, সেই মামলার বিচারকার্য আজকে প র্যন্ত কেন বিলম্বিত হচ্ছে?’

বিডিআর বিদ্রোহ মামলার বিচার নিয়ে বিএনপির বর্ষীয়ান এ রাজনীতিক বলেন, “একটি কথা আছে আমাদের বাংলা ভাষায়: বিচারের বাণী নিভৃতে কাঁদে। ইংরেজি ভাষায় একটি কথা আছে, ‘যদি বিচার বিলম্ব হয়, তাহলে সেই বিচারের কোনো মূল্য থাকে না।’ কাজেই আজকে আমরা শুনেছি যে, সেই বিচার প্রক্রিয়া এখনও ঝুলে আছে।

“কেন ঝুলে আছে, কেন সেই অভিযোগে, যাদেরকে কারাবন্দি করে রাখা হয়েছে, তারা আজকে পর্যন্ত বিনা বিচারে কেন তারা কারাবাস করছেন?”

তিনি বলেন, “অপরাধী শাস্তি পাবে, সে সম্বন্ধে আমাদের কিছু বলার নেই, কিন্তু আমরা যে আইনের ব্যবস্থায় বিশ্বাস করি, যার ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের জুরিসপ্রুডেন্স (আইনের দর্শন) এবং জাস্টিস সিস্টেম (বিচার ব্যবস্থা) দাঁড়িয়েছে, সেখানে একটি কথা বলা আছে।

“সে কথাটি হচ্ছে এই যে, ‘কোনো দোষী ব্যক্তি যদি আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে বের হয়ে যায়, সেটা হতে পারে। একজন নিদোর্ষ ব্যক্তিও যেন কখনও শাস্তি না পায়।’ আমরা সেই নীতিতে বিশ্বাস করি এবং সেই নীতিতে বিশ্বাস করে আমরা আজকে প্রতিটি বিডিআরের এই দুঃখজনক ট্র্যাজেডির প্রতিটি মানুষ, যারা এই সংক্রান্ত মামলায় যারা অভিযুক্ত রয়েছে, তাদের সুবিচার আজকে আমরা কামনা করি।”

আরও পড়ুন:
পিলখানা ট্র্যাজেডি: বিচার দ্রুত শেষ হবে, আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে ফখরুল, উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক
সুসময় এলে সব হত্যা-গুমের বিচার করবে বিএনপি: মিনু
সরকার পরিবর্তন অবশ্যই হবে: নজরুল
বিএনপি রোজা রমজান ঈদ কোনোটাই মানে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
1400 candidates for two posts of Chittagong Chhatra League

চট্টগ্রাম ছাত্রলীগের শীর্ষ দুই পদের জন্য প্রার্থী ১৪০০

চট্টগ্রাম ছাত্রলীগের শীর্ষ দুই পদের জন্য প্রার্থী ১৪০০ ফাইল ছবি
এবার ১৪ শ’ জীবনবৃত্তান্ত জমা পড়লেও আলোচনায় আছেন মাত্র ১৫ থেকে ২০ জন। এদের মধ্যে থেকেই শীর্ষ পদে আসতে পারেন। তাদের বেশিরভাগই নগরের এমইএস, সিটি ও ইসলামিয়া কলেজকেন্দ্রিক ছাত্রলীগ নেতা।

চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের নতুন কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটি। ইতোমধ্যে কমিটির গঠন প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। এতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে আসতে আগ্রহীদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান করা হয়েছে। মিলেছে অভাবনীয় সাড়া।

শীর্ষ এ দুটি পদে জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন অন্তত এক হাজার ৪০০ জন। তারা নানাভাবে চেষ্টা-তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন।

গত ১ ফেব্রুয়ারি নগর ছাত্রলীগের নতুন কমিটি গঠনের লক্ষ্যে পদপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে জীবনবৃত্তান্ত গ্রহণ করা শুরু করে তারা। ১৬ ফেব্রুয়ারি জীবনবৃত্তান্ত জমা দেয়ার শেষ দিন থাকলেও পরে সময় বাড়িয়ে ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করা হয়।

জানা গেছে, প্রায় দুই দশক ধরে মহানগর ছাত্রলীগ কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ এমইএস এবং সিটি কলেজ-কেন্দ্রিক হয়ে পড়ে। এবারও নগর ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে এ দুই কলেজের শিক্ষার্থীদের আধিক্যই লক্ষণীয়। তবে নতুন কমিটির শীর্ষ দুটি পদের অন্তত একটি এবার এই দুই কলেজের বাইরে যেতে পারে বলে বলছেন অনেকে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এবার ১৪০০ জীবনবৃত্তান্ত জমা পড়লেও আলোচনায় আছেন মাত্র ১৫ থেকে ২০ জন। এদের মধ্যে থেকেই শীর্ষ পদে আসতে পারেন। তাদের বেশিরভাগই নগরের এমইএস, সিটি ও ইসলামিয়া কলেজ-কেন্দ্রিক ছাত্রলীগ নেতা।

তবে এবার তিন কলেজকে ডিঙিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছে চট্টগ্রাম কলেজ ও সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ। ১৯৮২ সাল থেকে সাড়ে তিন দশক ধরে ছাত্রশিবিরের দখলে ছিল চট্টগ্রাম কলেজ ও মহসিন কলেজ। ২০১৫ সালের ডিসেম্বর কলেজের রাজনীতি শিবিরের দখলমুক্ত করে নগর ছাত্রলীগ। এরপর থেকে ছাত্রলীগের কার্যক্রম শক্তভাবে চলে আসছে। এ কারণে এ দুই কলেজকে প্রাধান্য দেয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, নগর ছাত্রলীগের কমিটির জন্য পদপ্রত্যাশী নেতা-কর্মীরা মূলত দুটি বলয়ে বিভক্ত। তাদের একটি পক্ষ হচ্ছে প্রয়াত সিটি মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারী। এই পক্ষ বর্তমানে মহিউদ্দিনপুত্র শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর অনুসারী বলে নিজেদের পরিচয় দেন। অপর পক্ষটি হলো নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলয়ের।

ছাত্রলীগের নতুন কমিটির পদ ভাগিয়ে নিতে নওফেল ও নাছির অনুসারীদের মধ্যে স্নায়ু লড়াই চলছে। নগর যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটির শীর্ষ পদ ভাগিয়ে নিয়েছেন নওফেল অনুসারীরা। ছাত্রলীগের কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদেও কি নওফেল অনুসারীরা প্রাধান্য পাবে- তা নিয়ে চলছে জোর আলোচনা।

চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি এবং নগর কমিটির সভাপতি পদপ্রত্যাশী মাহমুদুল করিম বলেন, ‘আমি সিভি জমা দিয়েছি। চট্টগ্রাম কলেজ ও মহসিন কলেজ শিবিরমুক্ত করতে আমরা কী করেছি, সেটা সবাই জানেন। আমার প্রত্যাশা, ত্যাগী ও কর্মঠ কর্মীদের মূল্যায়ন করা হবে।’

নগর ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান আহমেদ ইমু বলেন, ‘নতুন কমিটি গঠনের বিষয়ে কেন্দ্রীয় কমিটির নেতাদের জানিয়েছি। সবকিছু যাচাইবাছাই করেই দ্রুত কমিটি ঘোষণা করবেন বলে আশা করি।’

নগর ছাত্রলীগের শীর্ষ পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- চান্দগাঁও থানা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. নূরুন নবী সাহেদ, ডবলমুরিং থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাকিব হায়দার, কোতোয়ালি থানা ছাত্রলীগের সভাপতি অনিন্দ্য দেব, চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদুল করিম, মহসিন কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক আনোয়ার পলাশ, মহসিন কলেজের মায়মুন উদ্দীন, ওমরগণি এমইএস কলেজ ছাত্রলীগের জাহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ হানিফ, সরকারি সিটি কলেজ ছাত্রলীগের আশীষ সরকার, মুহাম্মদ তাসিন, ইসলামিয়া কলেজ ছাত্রলীগের মীর মুহাম্মদ ইমতিয়াজ, শাহাদাত হোসেন হীরা, ইমন হোসেন, আজিজুর রহমান, মিজানুর রহমান, নগর ছাত্রলীগের উপ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রাশেদ চৌধুরী, উপ-ছাত্রবৃত্তিবিষয়ক সম্পাদক এস এম হুমায়ন কবির আজাদ, নগর ছাত্রলীগ নেতা ফাহাদ আনিস ও খালেকুজ্জামান, কলেজ ছাত্রলীগ নেতা বোরহান উদ্দিন প্রমুখ।

এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি এম এ আহাদ চৌধুরী রায়হান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘চট্টগ্রাম নগর ছাত্রলীগের শীর্ষ পদে স্থান পেতে এক হাজার চারশ’র মতো বায়োডাটা জমা পড়েছে। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতারা যাচাইবাছাই করে করে এ বিষয়ে যথাসময়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।’

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানান তিনি।

২০১৩ সালের ৩০ অক্টোবর ইমরান আহমেদ ইমুকে সভাপতি ও নুরুল আজিম রনিকে সাধারণ সম্পাদক করে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়। ২০১৮ সালের ১৯ এপ্রিল সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে পদত্যাগ করেন নুরুল আজিম রনি। সেসময় সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেয়া হয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া দস্তগীরকে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rice market stable Food Minister

চালের বাজার স্থিতিশীল: খাদ্যমন্ত্রী

চালের বাজার স্থিতিশীল: খাদ্যমন্ত্রী উপকারভোগীদের মাঝে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। ছবি: নিউজবাংলা
মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের পরেই চালের দাম বাড়িয়ে একটি চক্র খেলতে চেয়েছিল। তাদের সে খেলা আমরা শক্তভাবে দমন করতে সক্ষম হয়েছি। প্রশাসনিকভাবে আমরা তাদের চক্রান্ত প্রতিহত করেছি। চালের বাজার এখন একটা স্থিতিশীল অবস্থায় এসেছে।

একটি চক্রকে শক্তহাতে দমন করায় চালের বাজার এখন স্থিতিশীল অবস্থায় আছে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

শনিবার বিকেলে নওগাঁর পোরশা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে প্রাপ্ত চেক উপকারভোগীদের মাঝে বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের পরেই চালের দাম বাড়িয়ে একটি চক্র খেলতে চেয়েছিল। তাদের সে খেলা আমরা শক্তভাবে দমন করতে সক্ষম হয়েছি। প্রশাসনিকভাবে আমরা তাদের চক্রান্ত প্রতিহত করেছি। চালের বাজার এখন একটা স্থিতিশীল অবস্থায় এসেছে।

আসন্ন রমজানে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজিরোধে স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি ভোক্তাদেরও সতর্ক থাকার জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের চেক অনেকেই পেয়েছেন। দলমত নির্বিশেষে দেশের মানুষ প্রধানমন্ত্রীর দেয়া সাহায্য পায়।

এ সময় উপজেলার ৩৭জন উপকারভোগী প্রতিজনের হাতে একটি করে ৫০ হাজার টাকার চেক বিতরণ করেন খাদ্যমন্ত্রী।

উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ইউএনও আরিফ আদনানের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে এ সময় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ শাহ্ মঞ্জুর মোরশেদ চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান কাজীবুল ইসলাম ও মমতাজ বেগম, কৃষি কর্মকর্তা মেহেদী হাসান, আবাসিক মেডিকেল অফিসার তারিকুল ইসলাম, অফিসার ইনচার্জ আতিয়ার রহমান সহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
খাদ্যের অবৈধ মজুতকারীরা দেশের শত্রু: খাদ্যমন্ত্রী
খাদ্যমন্ত্রীর সংবাদ বয়কট দিনাজপুরের সাংবাদিকদের

মন্তব্য

p
উপরে