× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Vocalist Dolly Sayantanis nomination submitted
google_news print-icon

ডলি সায়ন্তনীর মনোনয়নপত্র জমা

ডলি-সায়ন্তনীর-মনোনয়নপত্র-জমা-
পাবনা জেলা প্রশাসক মু. আসাদুজ্জামানের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন কণ্ঠশিল্পী ডলি সায়ন্তনী। ছবি: নিউজবাংলা
মনোনয়ন জমা দেয়া শেষে ডলি সায়ন্তনী সাংবাদিকদের বলেন, ‘বাংলার মানুষ আমাকে ভালোবেসে তারকা বানিয়েছে, তাই আশা করি পাবনা-২ আসনের মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে দেশের উন্নয়নে কাজ করার সুযোগ দেবেন এবং রাজনৈতিক তারকা বানাবেন।’

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে সংগীত জগতের তারকা কণ্ঠশিল্পী ডলি সায়ন্তনী নতুন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম) থেকে পাবনা-২ (সুজানগর উপজেলা ও বেড়া উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন) আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে পাবনা জেলা প্রশাসক মু. আসাদুজ্জামানের কাছে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেন।

মনোনয়ন জমা দেয়া শেষে ডলি সায়ন্তনী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি কখনোই কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সক্রিয় ছিলাম না। কখনোই রাজনীতি করিনি। বিএনএম আমাকে অফার করার পর আমি ভেবে দেখলাম মানুষ আমাকে ভালোবেসে তারকা বানিয়েছে। বিএনএমের হয়ে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করে জনসেবা এবং দেশের জন্য কাজ করার ক্ষেত্র পাবো।

‘বাংলার মানুষ আমাকে ভালোবেসে তারকা বানিয়েছে, তাই আশা করি পাবনা-২ আসনের মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে দেশের উন্নয়নে কাজ করার সুযোগ দেবেন এবং রাজনৈতিক তারকা বানাবেন।’

পাবনার সুজানগরে আমার দাদার বাড়ীতে আমার বংশের অনেকেই আছেন। অনেক অত্মীয়-স্বজন ও ভক্ত রয়েছেন। এ সময় বিজয়ের ক্ষেত্রে শতভাগ আশাবাদি ডলি বলেন, ‘নির্বাচনের সুন্দর পরিবেশ রয়েছে।’

উল্লেখ্য, জেলার সুজানগর উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন, ১টি পৌরসভা এবং বেড়া উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত পাবনা-২ নির্বাচনী এলাকায় বর্তমানে মোট ভোটার রয়েছে ৩ লাখ ৪৬ হাজার ৪৩৫ জন। এই আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত বর্তমান সাংসদ আহমেদ ফিরোজ কবীর ও সাবেক সাংসদ জেলা আওয়ামী লীগ নেতা আজিজুর রহমান আরজু, জাতীয় পার্টি ও জাসদ সহ বেশ কয়েকটি দলের প্রার্থী মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
রাজশাহী-১ আসন: বিএনএমের প্রার্থী ঘোষণায় জল্পনার অবসান
সুনামগঞ্জে নৌকার মনোনয়নবঞ্চিত ৩ প্রার্থী করবেন স্বতন্ত্র নির্বাচন
বরিশালে মনোনয়নবঞ্চিত পংকজ অনুসারীদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুর
মনোনয়ন পেয়েও ‘ডামি’র অস্বস্তিতে নৌকার প্রার্থীরা
চট্টগ্রামের ৫ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন ৬ আওয়ামী লীগ নেতা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Upazila Chairman candidates security is increasing 10 times

উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থীদের জামানত বাড়ছে ১০ গুণ

উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থীদের জামানত বাড়ছে ১০ গুণ ফাইল ছবি
ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম বলেন, ‘উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের আগের জামানত বাড়িয়ে এক লাখ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। সেই সঙ্গে উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।’

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের জামানত ১০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা এবং উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীদের জামানত ৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৭৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

মঙ্গলবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের ২৮তম কমিশন সভায় সংস্থাটি এ অনুমোদন দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম।

তিনি বলেন, ‘উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের আগের জামানত বাড়িয়ে এক লাখ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। সেই সঙ্গে উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।’

বর্তমান নির্বাচন বিধিমালায় চেয়ারম্যান ১০ হাজার ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের জামানত পাঁচ হাজার টাকা রয়েছে।

এছাড়া রঙিন পোস্টার ব্যবহার, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ২৫০ ভোটারের সমর্থনসূচক স্বাক্ষর তুলে দেয়ার প্রস্তাবসহ একগুচ্ছ সংশোধনে অনুমোদন দিয়েছে সংস্থাটি।

ইসি সচিব বলেন, ‘কমিশন সভায় অনুমোদিত প্রস্তাবগুলো আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। সেগুলো যাচাই-বাছাই শেষে বিধিমালা সংশোধন হবে।’

নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানার নেতৃত্বে গঠিত আইন সংশোধন কমিটি প্রস্তাবগুলো আনে।

আরও পড়ুন:
সংসদ নির্বাচনের চেয়ে উপজেলা নির্বাচন ভালো হবে: ইসি আলমগীর
চার ধাপে উপজেলা নির্বাচন, প্রথম ধাপের ভোট ৪ মে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Allotment of symbols to candidates on February 23 in Kusik elections

কুসিক নির্বাচনে যেসব প্রতীক পছন্দ করছেন প্রার্থীরা

কুসিক নির্বাচনে যেসব প্রতীক পছন্দ করছেন প্রার্থীরা (বামে ওপর থেকে) কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে উপনির্বাচনের প্রার্থী তাহসিন বাহার সূচনা,নিজাম উদ্দীন কায়সার, নূর উর রহমান মাহমুদ তানিম ও মনিরুল হক সাক্কু। ছবি: নিউজবাংলা
কুসিক উপনির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার মো. ফরহাদ হোসেন বলেন, আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের উপনির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। যেহেতু দলীয় প্রতীক নেই, তাই প্রার্থীরা তাদের পছন্দের প্রতীক বরাদ্দ চেয়েছেন।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের (কুসিক) মেয়র পদে উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী চার প্রার্থী তাদের প্রতীক পছন্দ করেছেন।

জাতীয় নির্বাচনের পর মার্চের শুরুতে এক সপ্তাহের পর সিটি করপোরেশন মেয়র পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

আগামী ৯ মার্চ সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট গ্রহণ করা হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনের প্রচারে সক্রিয় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা। নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. তাহসিন বাহার সূচনার পছন্দ বাস, সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কুর টেবিল ঘড়ি ও নিজাম উদ্দীন কায়সার ঘোড়া প্রতীকেই ভরসা রাখছেন। গত নির্বাচনে এ প্রতীকে দুজন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

আরেক প্রার্থী মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা নূর উর রহমান মাহমুদ তানিমের পছন্দ হাতি।

এদিকে প্রতীক পাওয়ার আগেই চার মেয়র প্রার্থী সামাজিক অনুষ্ঠানগুলোতে অংশ নিয়ে নিজেদের প্রার্থিতার জানান দিচ্ছেন। এ ছাড়াও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মেয়র প্রার্থীদের কর্মী-সমর্থকরা ছবি ও প্রতীক পোস্ট করে শুভেচ্ছা জানিয়ে ভোটারদের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছেন।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. তাহসিন বাহার সূচনা বলেন, ‘আমি রাজনৈতিক পরিবারের মেয়ে। এবার আমাকে মহানগর আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা সমর্থন দিয়েছে।

‘আমার সাথে আমার বাবা ছাড়াও এই নগরীর আমার চাচা-চাচি, ভাই-বোন সবাই আমাকে যথেষ্ট সাহস ও সমর্থন দিচ্ছে। নির্বাচনে আমাদের নিরঙ্কুশ বিজয় হবে ইনশাল্লাহ।’

সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু বলেন, ‘আমি এই নগরীর জন্য অনেক কিছু করেছি। নগরীর প্রতিটি অলিগলি চেনাজানা। নগরবাসী আমাকে অবশ্যই মূল্যায়ন করবে।’

নিজাম উদ্দীন কায়সার বলেন, ‘পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে আমি মেয়র পদে নির্বাচন করছি। আমি বিশ্বাস করি লুটপাটের এই নগরীকে বাঁচাতে নগরবাসী এবার ঘোড়া প্রতীককেই বেছে নেবে।’

মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা নূর উর রহমান মাহমুদ তানিম বলেন, ‘মানুষ পরিবর্তন চায়। তারা পারিবারিক রাজনীতির বলয় ভেঙে কল্যাণকর রাজনীতি চায়। তাই আমি সেই পরিবর্তনের ইতিহাস রচনা করতেই প্রার্থী হয়েছি।’

কুসিক উপনির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার মো. ফরহাদ হোসেন বলেন, আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে উপনির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। যেহেতু দলীয় প্রতীক নেই, তাই প্রার্থীরা তাদের পছন্দের প্রতীক বরাদ্দ চেয়েছেন।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরফানুল হক রিফাতের মৃত্যু হয় গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর। তার মৃত্যুতে শূন্য হওয়া মেয়র পদে উপনির্বাচন হচ্ছে মার্চে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chittagong MP Mohiuddin Bachchu bail

চট্টগ্রামের এমপি মহিউদ্দিন বাচ্চুর জামিন

চট্টগ্রামের এমপি মহিউদ্দিন বাচ্চুর জামিন মহিউদ্দিন বাচ্চু। ফাইল ছবি
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৩ সালের ২২ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম-১০ আসনের আওতাধীন মসজিদগুলোর ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের এক হাজার টাকা করে এবং মাদানী মসজিদে এক লাখ টাকা অনুদানের চেক বিতরণ করেন মহিউদ্দিন বাচ্চু।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের মামলায় আদালতে হাজির হয়ে জামিন পেলেন চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য মহিউদ্দিন বাচ্চু।

আত্মসমর্পণ পূর্বক জামিনের আবেদন করলে রোববার শুনানি শেষে জামিন আবেদন মঞ্জুর করে তাকে জামিন দেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট চতুর্থ আদালতের বিচারক মো. সালাউদ্দিন।

এর আগে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল আদালত।

মহিউদ্দিন বাচ্চুর আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. ইব্রাহীম হোসেন চৌধুরী বাবুল বলেন, ‘এমপি মহিউদ্দিন গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নিয়েছেন। এ ধারা জামিনযোগ্য। আদালত শুনানি শেষে জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।’

জেলা আইনজীবী ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী জানান, নির্বাচনি আচারণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে নির্বাচন কমিশন মামলাটি দায়ের করেছিল।

ডবলমুরিং থানা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের আদালতে এ মামলা করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৩ সালের ২২ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম-১০ আসনের আওতাধীন মসজিদগুলোর ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের এক হাজার টাকা করে এবং মাদানী মসজিদে এক লাখ টাকা অনুদানের চেক বিতরণ করেন মহিউদ্দিন বাচ্চু।

এরপর ২৪ ডিসেম্বর লালখান বাজারে তার প্রধান নির্বাচনি কার্যালয় থেকে মসজিদগুলোর ইমাম, মুয়াজ্জিনদের ৬০ হাজার টাকা করে অনুদানের চেক বিতরণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটি ২১টি মসজিদ, মন্দির ও প্যাগোডায় অনুদানের চেক বিতরণ সত্যতা পায়।

এ নিয়ে ৪ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন মামলা করার নির্দেশ দেয়।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১০ আসনে মহিউদ্দিন বাচ্চু ৫৯ হাজার ২৪ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফুলকপি প্রতীকের প্রার্থী মনজুর আলম পেয়েছিলেন ৩৯ হাজার ৫৩৫ ভোট।

আরও পড়ুন:
জামিন পাননি মির্জা ফখরুল
প্রবাসীদের উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার ফেনীর তিন এমপির
কারাবন্দি মির্জা ফখরুলকে ডিএমপির অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ
বিএনপির জি কে গউছ কারামুক্ত
সন্ধ্যায় স্বতন্ত্র এমপিদের নিয়ে বসছেন প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Announcement of election date of 39 upazilas of Sylhet division

সিলেট বিভাগের ৩৯ উপজেলার নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা

সিলেট বিভাগের ৩৯ উপজেলার নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা
৬ষ্ঠ ধাপের নির্বাচনে ৪ বারে অনুষ্ঠিত হবে সিলেট বিভাগের ৩৯ উপজেলায় ভোটগ্রহণ।

সিলেট বিভাগের ৩৯ উপজেলার নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছ।

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ৬ষ্ঠ ধাপের নির্বাচনে ৪ বারে অনুষ্ঠিত হবে সিলেট বিভাগের ৩৯ উপজেলায় ভোটগ্রহণ। আগামী ৪ মে থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে ২৫ মে চতুর্থবারের ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে শেষ হবে উপজেলা নির্বাচন।

নির্বাচন কমিশন এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানায়, ভোটগ্রহণ হবে সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ জেলায় ১১, সিলেটের ১৩, মৌলভীবাজারের সাত ও হবিগঞ্জের আটটি উপজেলায়। খবর বাসসের

৬ষ্ঠ ধাপে ৪ বারে হবে বিভাগের ৩৯ উপজেলায় ভোটগ্রহণ,তবে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর ও সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় পরবর্তীতে নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছে ইসি। এই দুই উপজেলায় কোনও তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।

ইসির দেওয়া তালিকা অনুযায়ী- ষষ্ঠ ধাপে প্রথমবার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৪ মে। এদিন সিলেট সদর, বিশ্বনাথ, দক্ষিণ সুরমা ও গোলাপগঞ্জ উপজেলায় ভোট হবে। একই তারিখে ভোট হবে সুনামগঞ্জের দিরাই ও শাল্লায়। এছাড়া মৌলভীবাজারের জুড়ি, কুলাউড়া, বড়লেখায় এবং হবিগঞ্জের বানিয়াচং ও আজমেরিগঞ্জ উপজেলায় একইদিনে ভোটগ্রহণ হবে।

দ্বিতীয়বার ভোটগ্রহণ হবে ১১ মে। এদিন কোম্পানীগঞ্জ, জৈন্তাপুর ও গোয়াইনঘাটে নির্বাচন হবে। একই তারিখে ভোট হবে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা, তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর ও জামালগঞ্জে। এছাড়া মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগর, হবিগঞ্জের বাহুবল, চুনারুঘাট ও নবীগঞ্জ উপজেলায় একই দিনে ভোট হবে।

তৃতীয়বার ভোট হবে ১৮ মে। এদিন বালাগঞ্জ, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বিয়ানীবাজারে নির্বাচন হবে। একই তারিখে ভোটগ্রহণ হবে সুনামগঞ্জের ছাতক ও দোয়ারাবাজারে। এছাড়া মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, হবিগঞ্জ সদর, লাখাই, মাধবপুর ও শায়েস্তাগঞ্জে একই দিনে ভোটগ্রহণ হবে।

চতুর্থবার অর্থাৎ শেষবার ভোটগ্রহণ হবে ২৫ মে। ওই দিন সিলেটের জকিগঞ্জ ও কানাইঘাটে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। একই তারিখে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে সুনামগঞ্জ সদর, শান্তিগঞ্জ ও মধ্যনগর উপজেলায়।

আরও পড়ুন:
জামানত হারানো প্রার্থীকে সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন জাপার
চট্টগ্রামে এমপি বাচ্চুর বিরুদ্ধে পরোয়ানা
কুমিল্লা সিটির উপনির্বাচনে ৪ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
344 upazila polling date EC announced

৩৪৪ উপজেলার ভোটগ্রহণ কবে, জানাল ইসি

৩৪৪ উপজেলার ভোটগ্রহণ কবে, জানাল ইসি ফাইল ছবি
ইসি ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, বরিশাল, ঢাকা ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে প্রথম ধাপে ১০৮টি, দ্বিতীয় ধাপে ১২১টি, তৃতীয় ধাপে ৭৭টি ও চতুর্থ ধাপে ৩৮টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

দেশের ছয়টি নির্বাচনি অঞ্চলের ৩৪৪টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ কখন হবে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। চারটি ধাপে কোন উপজেলায় ভোট কবে হবে তালিকা প্রকাশ করেছে সাংবিধানিক এই সংস্থাটি।

বুধবার নির্বাচন কমিশনের নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার কর্মকর্তারা এই তথ্য জানিয়েছেন।

সম্প্রতি ইসি সচিব জাহাংগীর আলম এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ হবে ৪ মে, দ্বিতীয় ধাপে ১১ মে, তৃতীয় ধাপে ১৮ মে এবং চতুর্থ ধাপের ভোট হবে ২৫ মে।

ইসি ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, বরিশাল, ঢাকা ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে প্রথম ধাপে ১০৮টি, দ্বিতীয় ধাপে ১২১টি, তৃতীয় ধাপে ৭৭টি ও চতুর্থ ধাপে ৩৮টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপজেলাগুলোর তালিকা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে। দেশে ৪৯৫টি উপজেলার মধ্য নির্বাচন উপযোগী উপজেলা রয়েছে ৪৫২টি।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Polling is going on in the postponed Naogaon 2 constituency

নওগাঁ-২: স্থগিত হওয়া নির্বাচনে চলছে ভোটগ্রহণ

নওগাঁ-২: স্থগিত হওয়া নির্বাচনে চলছে ভোটগ্রহণ  নওগাঁ-২ আসনের ভোটগ্রহণ চলছে। ছবি: নিউজবাংলা
জেলা নির্বাচন অফিসার তারিফুজ্জামান বলেন, ‘এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি, শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চলছে। সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন ও নিরাপত্তার দায়িত্বে বিপুল সংখ্যক এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়াও পুলিশ, আনসার, পুলিশের মোবাইল টিম, স্ট্রাইকিং টিম কাজ করছে। আশা করছি শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হবে।’

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্থগিত হওয়া নওগাঁ-২ (ধামইরহাট ও পত্নীতলা) আসনের ভোটগ্রহণ চলছে। সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

এ আসনটিতে মোট ৩ লাখ ৫৬ হাজার ১৩২ জন ভোটার ব্যালট পেপারের মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ধামইরহাট উপজেলায় আটটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় মোট ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৫ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৭৮ হাজার ৩০১ জন, নারী ৭৮ হাজার ৭১৩ ও তৃতীয় লিঙ্গের ১ জন।

অপরদিকে, পত্নীতলা উপজেলায় ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় মোট ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৯৯ হাজার ১১৭ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার সংখ্যা ৯৯ হাজার ২৭১ এবং নারী ভোটার সংখ্যা ৯৯ হাজার ৮৪৬ জন।

আসনটিতে ১২৪ টি ভোটকেন্দ্রে স্থায়ী ভোট কক্ষের সংখ্যা ৬৯৩ এবং অস্থায়ী ৪১টি কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

২১ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের পাশাপাশি নির্বাচনে ১২৪ জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, ৭০৬ জন সহকারী-প্রিসাইডিং কর্মকর্তাসহ ১৪১২ জন পোলিং কর্মকর্তা তাদের দায়িত্ব পালন করছেন।

জেলা নির্বাচন অফিসার তারিফুজ্জামান বলেন, ‘এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি, শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চলছে। সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন ও নিরাপত্তার দায়িত্বে বিপুল সংখ্যক এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়াও পুলিশ, আনসার, পুলিশের মোবাইল টিম, স্ট্রাইকিং টিম কাজ করছে। আশা করছি শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হবে।’

এ আসনে নির্বাচনি মাঠে লড়ছেন ৪ জন প্রার্থী। আওয়ামী লীগ সমর্থিত (নৌকার প্রতীক নিয়ে) শহীদুজ্জামান সরকার, স্বতন্ত্র (ট্রাক প্রতীক) প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আখতারুল আলম, জাতীয় পার্টির মনোনীত (লাঙ্গল প্রতীক) প্রার্থী অ্যাডভোকেট তোফাজ্জল হোসেন এবং ঈগল প্রতীক নিয়ে লড়ছেন মেহেদী মাহমুদ রেজা।

৭ জানুয়ারি সারা দেশে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, কিন্তু নওগাঁ-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আমিনুল হকের মৃত্যুর কারণে এ আসনটিতে ভোটগ্রহণ স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

আরও পড়ুন:
নওগাঁ ২: নৌকার সঙ্গে তিন প্রার্থীর লড়াই
সরকার গঠন নিয়ে কারও সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি: বিলাওয়াল
সাক্কু, কায়সার ও সূচনাকে নিয়ে নানা সমীকরণ
১৭০ আসনে জয়ের দাবি পিটিআইয়ের
সংরক্ষিত আসনে আ.লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার ১৪ ফেব্রুয়ারি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Naogaon 2 Three candidates fight with boats

নওগাঁ ২: নৌকার সঙ্গে তিন প্রার্থীর লড়াই

নওগাঁ ২: নৌকার সঙ্গে তিন প্রার্থীর লড়াই শহীদুজ্জামান, এইচ এম আখতারুল আলম, তোফাজ্জল হোসেন ও মেহেদী মাহমুদ রেজা । কোলাজ: নিউজবাংলা
ভোটারদের মতে, আওয়ামী লীগ সমর্থিত (নৌকার প্রতীক নিয়ে) শহীদুজ্জামান সরকার, স্বতন্ত্র (ট্রাক প্রতীক) প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আখতারুল আলমের মধ্যে ভোটের মাঠে ও ময়দানে ব্যাপক প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এ দৌড়ে খুব একটা পিছিয়ে নেই জাতীয় পার্টির মনোনীত (লাঙ্গল প্রতীক) প্রার্থী অ্যাডভোকেট তোফাজ্জল হোসেন।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্থগিত হওয়া নওগাঁ-২ (ধামইরহাট ও পত্নীতলা) আসনের ভোটগ্রহণ হবে সোমবার।

৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, কিন্তু স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আমিনুল হকের মৃত্যুর কারণে নওগাঁ-২ আসনের ভোটগ্রহণ স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী ৪৭ (নওগাঁ-২) আসনের সাবেক এমপি শহীদুজ্জামান সরকার বাবলুর সঙ্গে ভোটের মাঠে লড়াই হবে স্বতন্ত্র প্রার্থী আখতারুল আলমের।

আওয়ামী লীগ সমর্থিত স্বতন্ত্র এ প্রার্থী ট্রাক প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেয়ায় পাল্টে যাচ্ছে ভোটের হিসাবনিকাশ।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কে জয়ী হবেন তা নিয়ে সকাল-সন্ধ্যা পাড়া-মহল্লায় এবং চায়ের টেবিলে প্রার্থীদের পক্ষে ও বিপক্ষে চলছে নানান আলোচনা ও সমালোচনা। শেষ মুহূর্তে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ভোট প্রার্থনা করছেন প্রার্থীরা।

এ আসনের নির্বাচনি প্রচারণা শেষ হয়েছে শনিবার সকাল ৮টার থেকে।

অন্যদিকে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী মাহমুদ রেজা ৩০ জানুয়ারি দুপুরে উচ্চ আদালতের রায়ের মাধ্যমে প্রার্থীতা ফিরে পেয়েছেন। ৩১ জানুয়ারি দুপুরে ঈগল প্রতীক পেয়েছেন।

তিনিসহ এ আসনে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, তবে বিজয়ের হাসি কে হাসবেন সেটিই এখন দেখার বিষয়।

স্থানীয় ও একাধিক সূত্রে জানা যায়, শহীদুজ্জামান সরকার ১৯৯১ সালে বিএনপির প্রার্থী আব্দুল মান্নানকে হারিয়ে প্রথম সংসদ সদস্য নিদর্বাচিত হন। এরপর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে শামসুজ্জোহা খান জোহা ১৯৯৬-২০০১ সালে নির্বাচিত হন।

ভোটের মাঠে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে জানা যায়, আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে (ধামইরহাট ও পত্নীতলা) আসনের উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সাবেক ও বর্তমান পদ বঞ্চিত নেতা-কর্মী এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা স্থানীয় সংসদ সদস্য শহীদুজ্জামান সরকারের বিরুদ্ধে একতাবদ্ধ হয়ে ইঞ্জিনিয়ার আখতারুলের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আইয়ুব হোসেন নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহার ঘোষণা করে ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আখতারুলের পক্ষ নিয়েছেন।

সুষ্ঠু নির্বাচন ও ভোটের মাঠে সাধারণ ভোটারদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা গেলে, এ আসনে নতুন মুখ আসার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যায় না এমনটাই দাবি করেন আওয়ামী লীগের একাধিক বঞ্চিত সাবেক ও বর্তমান নেতা-কর্মী, ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সাধারণ ভোটাররা।

ভোটারদের মতে, আওয়ামী লীগ সমর্থিত (নৌকার প্রতীক নিয়ে) শহীদুজ্জামান সরকার, স্বতন্ত্র (ট্রাক প্রতীক) প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আখতারুল আলমের মধ্যে ভোটের মাঠে ও ময়দানে ব্যাপক প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এ দৌড়ে খুব একটা পিছিয়ে নেই জাতীয় পার্টির মনোনীত (লাঙ্গল প্রতীক) প্রার্থী অ্যাডভোকেট তোফাজ্জল হোসেন।

উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি আব্দুল হাই দুলাল বলেন, ‘এর আগে উপজেলায় চার খলিফা ছিল। এখন তা বেড়ে হয়েছে অর্ধ শতাধিক। ক্ষমতার অপব্যবহার করে বালু মহল থেকে শুরু করে সব জায়গায় টেন্ডারবাজিসহ নিজেদের ইচ্ছেমতো অপকর্ম করে যাচ্ছেন। এদের পরিবর্তন না হলে আওয়ামী লীগসহ এর অঙ্গ সংগঠনের অস্তিত্ব সংকট দেখা দেবে।’

পত্নীতলা উপজেলার পাটিচোড়া ইউনিয়ন ৮ নম্বর ওয়ার্ডের জেলা মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার ছাদেক উদ্দীন আহম্মেদ বলেন, ‘বর্তমান সংসদ সদস্য দুই উপজেলায় তার পছন্দের খলিফারদের নিয়ে একটি সিন্ডিকেট তৈরি করেছেন। তা ছাড়া যে নেতার কাছে সাধারণ মানুষ ও ত্যাগী নেতা-কর্মীরা যেতে পারেন না তাদের পরিবর্তন দরকার। এ কারণেই একজন মুক্তিযোদ্ধা হয়ে তিনি আওয়ামী লীগ সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী আখতারুলের পক্ষ নিয়েছেন।’

লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘নওগাঁর অবহেলিত জনপদের (ধামইরহাট ও পত্নীতলা) সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন ও উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যেতে তিনি জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। যোগ্য প্রার্থী হিসেবে এ এলাকার সাধারণ ভোটাররা তাকেই ভোট দিয়ে এমপি নির্বাচিত করবেন।’

স্বতন্ত্র প্রার্থী আখতারুল আলম বলেন, ‘অবহেলিত এ জনপদের মানুষ টেন্ডারবাজি ও সিন্ডিকেট থেকে মুক্তি চায়। কর্মীবান্ধব নেতৃত্ব তৈরির পাশাপাশি দুই উপজেলার শিক্ষিত ও বেকার তরুণ দের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ ও কৃষকদের সঙ্গে নিয়ে কৃষি বান্ধব শিল্প ও সমৃদ্ধ উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে সাধারণ ভোটাররা তাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করবেন বলে জানান।’

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দেলদার হোসেন বলেন, ‘খলিফা বলে এখানে কেউ নেই। আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনে গণতান্ত্রিক পন্থায় বিভিন্ন সেক্টরে কমিটি হয়েছে। কমিটিতে অনেক নতুন মুখ এসেছে আবার পুরাতন অনেকেই বাদ পড়েছেন। এতে করে অনেকের মনে কষ্ট থাকতে পারে কিন্তু ত্যাগী নেতা-কর্মীরা দলছুট হয়েছে বা অন্য পক্ষ নিয়েছে এ বিষয়ে জানা নেই।

‘দীর্ঘ ১৫ বছর দল ক্ষমতায়। এমপিও ক্ষমতায়। এতে করে এলাকায় যে উন্নয়ন হয়েছে তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সাধারণ মানুষ আবারও আওয়ামী লীগকেই ভোট দেবেন।’

উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ধামইরহাট উপজেলায় আট ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় মোট ভোটার সংখ্যা এক লাখ ৫৭ হাজার ১৫ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৭৮ হাজার ৩০১ জন, মহিলা ৭৮ হাজার ৭১৩ ও হিজরা একজন। নির্বাচনে ৫৩ জন প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও ৩০৪ জন সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তাসহ পোলিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ৬০৮ জন। এবং ৫৩টি ভোট কেন্দ্রে স্থায়ী ভোট কক্ষের সংখ্যা ২৯১ এবং অস্থায়ী ১৩ টি।

এবারই প্রথমবারের মতো ভোটের দিন সকালে কেন্দ্রে ব্যালট পেপার পাঠানো হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা আসমা খাতুন বলেন, ‘দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শতভাগ উৎসবমুখর ও নিরপেক্ষতার মধ্য দিয়ে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন ও নিরাপত্তার দায়িত্বে উপজেলায় ৯ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে চারজন ও সাধারণ কেন্দ্রে তিনজন পুলিশসহ আনসার ৬৩৬ জন, পুলিশের মোবাইল টিম ১৩টি, স্ট্রাইকিং টিম তিনটি ও ছয়টি চেকপোস্ট নিয়মিত কাজ করছে।’

আরও পড়ুন:
৯৪ আসনে জয়ী ইমরানপন্থিরা, ৬৩টিতে জয় নওয়াজের পিএমএল-এনের
জোট সরকার গঠনের দিকে এগোচ্ছে পাকিস্তান
নিজ আসনেই ইমরান সমর্থিত প্রার্থীর কাছে ধরাশায়ী নওয়াজ
পাকিস্তানে ১৭১ আসনের ৭৪টিতে জয়ী ইমরান সমর্থিতরা
পাকিস্তানের নির্বাচন: এগিয়ে ইমরান সমর্থিত প্রার্থীরা

মন্তব্য

p
উপরে