× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The list of JPA candidates for 300 seats may be published on Tuesday
google_news print-icon

৩০০ আসনে জাপা প্রাথীদের তালিকা প্রকাশ হতে পারে মঙ্গলবার

৩০০-আসনে-জাপা-প্রাথীদের-তালিকা-প্রকাশ-হতে-পারে-মঙ্গলবার--
জাতীয় পার্টির লোগো। ফাইল ছবি
জাপা চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারি খন্দকার দেলোয়ার জালালী নিউজবাংলাকে শুক্রবার দুপুরে বিষয়টি জানিয়েছেন।

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ৩০০ আসনে জাতীয় পার্টির (জাপা) মনোনীত প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা ২৭ নভেম্বর, মঙ্গলবার প্রকাশ করা হতে পারে।

জাপা চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারি খন্দকার দেলোয়ার জালালী শুক্রবার দুপুরে মোবাইল ফোনে নিউজবাংলাকে বিষয়টি জানিয়েছেন।

জাপা চেয়ারম্যান জিএম কাদের ও মহাসচিব ‍মুজিবুল হক চুন্নু দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না বলে সংবাদমাধ্যমে সমালোচনা করে এলেও শেষ পর্যন্ত গত বৃহস্পতিবার বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত জানায়। যদিও জাপার রওশনপন্থি অংশটি সবসময়ই আওয়ামী লীগের অধীনে নির্বাচনে যাওয়ার পক্ষে ছিল।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ২০ নভেম্বর থেকে জাতীয় পার্টি দলীয় মনোনয়নপত্র বিক্রি শুরু করে, যা চলবে ২৪ নভেম্বর, শুক্রবার পর্যন্ত।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
There are dozens of A League candidates in Chakaria in upazila elections

উপজেলা নির্বাচনে চকরিয়ায় আ.লীগের ডজনখানেক প্রার্থী

উপজেলা নির্বাচনে চকরিয়ায় আ.লীগের ডজনখানেক প্রার্থী উপজেলা চেয়ারম্যান হতে চকরিয়া স্থানীয় আওয়ামী লীগের যেসব নেতারা দৌঁড়ঝাপ শুরু করেছেন। কোলাজ: নিউজবাংলা
ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগের স্থানীয় অনেক নেতাই নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিয়েছেন। তবে বিএনপি ও জাতীয় পার্টিসহ অন্য দলগুলোর কোনো প্রার্থীর হাঁক-ডাক এখন পর্যন্ত দেখা যায়নি।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ঘনিয়ে এসেছে। এরইমধ্যে নির্বাচনে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় আওয়ামী লীগের ডজনখানেক প্রার্থীকে ভোটের মাঠ গরম করতে দেখা যাচ্ছে।

এসব নিয়ে দলটির স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মাঝে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। দলীয় প্রতীক বরাদ্দ দেয়া না হলেও নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উপজেলায় ব্যাপক কোন্দলের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১১ মে অনুষ্ঠিত হবে চকরিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগের অনেক নেতাই নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিয়েছেন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে অনেকেই আগাম শুভেচ্ছা জানাতে ব্যস্ত।

তবে বিএনপি ও জাতীয় পার্টিসহ অন্য দলগুলোর কোনো প্রার্থীর হাঁক-ডাক এখন পর্যন্ত দেখা যায়নি।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আগেই জানানো হয়েছে, এবারের উপজেলা নির্বাচনে নিজেদের ‘নৌকা’ প্রতীক দেবে না দলটি। যার কারণে দলীয় প্রতীক পাওয়ার জন্য ঢাকায় তদবির চালিয়ে সময় নষ্ট না করে মাঠপর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধিতে মনোযোগী হয়েছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। তবে এর মধ্যেও দলীয় সমর্থন আদায় করতে মরিয়া হয়ে কাজ করছেন অনেকে। দলীয় সমর্থন পেলে ভোটে জয়ের পথ অনেকটা মসৃণ হয়ে যাবে বলে কারণ হিসেবে মনে করছেন তারা।

গণসংযোগসহ বিভিন্ন সামাজিক কাজকর্মে অংশ নিচ্ছেন উপজেলা চেয়ারম্যান পদের আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীরা। যোগাযোগ বৃদ্ধি করছেন তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে। মাঠের রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সরব তারা।

১৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত চকরিয়া উপজেলার সবশেষ ২০১৯ সালের নির্বাচনে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি আলহাজ্ব ফজলুল করিম সাঈদী। এবারও তিনি প্রার্থী হতে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি জনগণের ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। জনগণ আমাকে চায়। দলীয় প্রতীক যেহেতু এবার নেই, তাই কে প্রার্থী হবে- সেটা আমার দেখার বিষয় নয়। আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জনগণ আবারও প্রমাণ করবে, আমার বিগত দিনের সফলতা কী ছিল।’

চকরিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার ব্যাপারে যাদের নামে গুঞ্জন রয়েছে, তারা হলেন- বর্তমান চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, চকরিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রেজাউল করিম, জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য এটিএম জিয়া উদ্দিন চৌধুরী, পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাবেক আহ্বায়ক একেএম গিয়াস উদ্দিন, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সরওয়ার আলম, মাতামুহুরী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বাবলা, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন জয়নাল, সুরাজপুর-মানিকপুর ইউপি চেয়ারম্যান আজিমুল হক আজিম, মাতামুহুরী থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নুরে হাবিব তছলিম, চকরিয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শহীদুল ইসলাম শহীদ ও চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহেদুল ইসলাম লিটু।

উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে, তারা হলেন- বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান মকছুদুল হক ছুট্টো, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও পূজা কমিটির সভাপতি তপন কান্তি দাশ, সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি হায়দার আলী ও বেলাল উদ্দিন শান্ত।

এদিকে, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্বাচনে না যাওয়ার কারণে নির্বাচনি কার্যক্রমে এখন পর্যন্ত বিএনপির কোনো সম্ভাব্য প্রার্থী বা নেতা-কর্মীর তৎপরতা দেখা যায়নি। জাতীয় পার্টির প্রার্থীদেরও দেখা মিলছেনা আপাতত। তবে দলীয় সিদ্ধান্ত পেলে অনেকে প্রার্থী হতে পারেন বলে ধারণা স্থানীদের।

আরও পড়ুন:
উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থীদের জামানত বাড়ছে ১০ গুণ
সংসদ নির্বাচনের চেয়ে উপজেলা নির্বাচন ভালো হবে: ইসি আলমগীর
চার ধাপে উপজেলা নির্বাচন, প্রথম ধাপের ভোট ৪ মে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Candidates allotted symbols in Kusik by election

কুমিল্লায় মেয়র প্রার্থীদের কে কোন প্রতীক পেলেন

কুমিল্লায় মেয়র প্রার্থীদের কে কোন প্রতীক পেলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের উপনির্বাচনে শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে মেয়র পদের প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা
নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘প্রতীক বরাদ্দের পর প্রার্থীরা তাদের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা চালাতে পারবেন। আজ থেকেই প্রার্থীদের আচরণবিধি পর্যবেক্ষণে প্রতি তিন ওয়ার্ডে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করবেন এবং মাঠ পর্যায়ে কাজ করবেন নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তা।’

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের (কুসিক) উপনির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

রিটার্নিং অফিসার মো. ফরহাদ হোসেন প্রার্থীদের মধ্যে শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে প্রতীক বরাদ্দ দেন।

কুসিক উপনির্বাচনে মেয়র পদে চারজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন, যাদের মনোনয়ন বৈধতা পায়।

কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. তাহসিন বাহার সূচনাকে বাস প্রতীক দেয়া হয়। মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা সদস্য নূর উর রহমান মাহমুদ তামিমকে হাতী প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়।

দুইবারের বহিষ্কৃত সাবেক মেয়র বিএনপি নেতা মনিরুল হক সাক্কু টেবিল ঘড়ি এবং বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা নিজাম উদ্দিন কায়সারকে ঘোড়া প্রতীক দেয়া হয়েছে। বিএনপির এ দুই নেতা গত বছর একই প্রতীকে নির্বাচন করেছেন।

রিটার্নিং অফিসার ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘প্রতীক বরাদ্দের পর প্রার্থীরা তাদের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা চালাতে পারবেন। আজ থেকেই প্রার্থীদের আচরণবিধি পর্যবেক্ষণে প্রতি তিন ওয়ার্ডে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করবেন এবং মাঠ পর্যায়ে কাজ করবেন নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তা।

‘এ ছাড়া সভা, উঠান বৈঠক করতে অবশ্যই পুলিশকে জানাতে হবে। মাইক ব্যবহারে অনুমতি নিতে হবে। কোনোভাবেই এসএসসি পরীক্ষা ব্যাহত হয়, এমন কোনো প্রচারণা করা যাবে না।’

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের দুই লাখ ৪২ হাজার ৬৯৮ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। ১০৫টি কেন্দ্রে আগামী ৯ মার্চ ভোটগ্রহণ হবে।

রিটার্নিং অফিসার আরও বলেন, ‘দুপুর দুইটা থেকে প্রতি ওয়ার্ডে একটি মাইক ব্যবহার করা যাবে। কোথাও কোনো খাবার ও পানীয় বিতরণের সুযোগ নেই।

‘উঠান বৈঠক, পথসভা অবশ্যই পুলিশকে জানাতে হবে। সরকারি প্রতিষ্ঠান ও কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রচারণায় ব্যবহার করা যাবে না এবং মনিটরিং কমিটিতে প্রার্থীদের প্রতিনিধি থাকবে।’

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের তৃতীয় নির্বাচনে ২০২২ সালে তৎকালীন মেয়র বিএনপি নেতা মনিরুল হক সাক্কুকে পরাজিত করে নির্বাচিত হন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরফানুল হক রিফাত। মেয়র রিফাতের মৃত্যুতে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে পদটি শূন্য হয়। এ পদে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Upazila Chairman candidates security is increasing 10 times

উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থীদের জামানত বাড়ছে ১০ গুণ

উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থীদের জামানত বাড়ছে ১০ গুণ ফাইল ছবি
ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম বলেন, ‘উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের আগের জামানত বাড়িয়ে এক লাখ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। সেই সঙ্গে উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।’

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের জামানত ১০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা এবং উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীদের জামানত ৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৭৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

মঙ্গলবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের ২৮তম কমিশন সভায় সংস্থাটি এ অনুমোদন দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম।

তিনি বলেন, ‘উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের আগের জামানত বাড়িয়ে এক লাখ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। সেই সঙ্গে উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।’

বর্তমান নির্বাচন বিধিমালায় চেয়ারম্যান ১০ হাজার ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের জামানত পাঁচ হাজার টাকা রয়েছে।

এছাড়া রঙিন পোস্টার ব্যবহার, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ২৫০ ভোটারের সমর্থনসূচক স্বাক্ষর তুলে দেয়ার প্রস্তাবসহ একগুচ্ছ সংশোধনে অনুমোদন দিয়েছে সংস্থাটি।

ইসি সচিব বলেন, ‘কমিশন সভায় অনুমোদিত প্রস্তাবগুলো আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। সেগুলো যাচাই-বাছাই শেষে বিধিমালা সংশোধন হবে।’

নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানার নেতৃত্বে গঠিত আইন সংশোধন কমিটি প্রস্তাবগুলো আনে।

আরও পড়ুন:
সংসদ নির্বাচনের চেয়ে উপজেলা নির্বাচন ভালো হবে: ইসি আলমগীর
চার ধাপে উপজেলা নির্বাচন, প্রথম ধাপের ভোট ৪ মে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Allotment of symbols to candidates on February 23 in Kusik elections

কুসিক নির্বাচনে যেসব প্রতীক পছন্দ করছেন প্রার্থীরা

কুসিক নির্বাচনে যেসব প্রতীক পছন্দ করছেন প্রার্থীরা (বামে ওপর থেকে) কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে উপনির্বাচনের প্রার্থী তাহসিন বাহার সূচনা,নিজাম উদ্দীন কায়সার, নূর উর রহমান মাহমুদ তানিম ও মনিরুল হক সাক্কু। ছবি: নিউজবাংলা
কুসিক উপনির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার মো. ফরহাদ হোসেন বলেন, আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের উপনির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। যেহেতু দলীয় প্রতীক নেই, তাই প্রার্থীরা তাদের পছন্দের প্রতীক বরাদ্দ চেয়েছেন।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের (কুসিক) মেয়র পদে উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী চার প্রার্থী তাদের প্রতীক পছন্দ করেছেন।

জাতীয় নির্বাচনের পর মার্চের শুরুতে এক সপ্তাহের পর সিটি করপোরেশন মেয়র পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

আগামী ৯ মার্চ সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট গ্রহণ করা হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনের প্রচারে সক্রিয় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা। নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. তাহসিন বাহার সূচনার পছন্দ বাস, সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কুর টেবিল ঘড়ি ও নিজাম উদ্দীন কায়সার ঘোড়া প্রতীকেই ভরসা রাখছেন। গত নির্বাচনে এ প্রতীকে দুজন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

আরেক প্রার্থী মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা নূর উর রহমান মাহমুদ তানিমের পছন্দ হাতি।

এদিকে প্রতীক পাওয়ার আগেই চার মেয়র প্রার্থী সামাজিক অনুষ্ঠানগুলোতে অংশ নিয়ে নিজেদের প্রার্থিতার জানান দিচ্ছেন। এ ছাড়াও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মেয়র প্রার্থীদের কর্মী-সমর্থকরা ছবি ও প্রতীক পোস্ট করে শুভেচ্ছা জানিয়ে ভোটারদের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছেন।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. তাহসিন বাহার সূচনা বলেন, ‘আমি রাজনৈতিক পরিবারের মেয়ে। এবার আমাকে মহানগর আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা সমর্থন দিয়েছে।

‘আমার সাথে আমার বাবা ছাড়াও এই নগরীর আমার চাচা-চাচি, ভাই-বোন সবাই আমাকে যথেষ্ট সাহস ও সমর্থন দিচ্ছে। নির্বাচনে আমাদের নিরঙ্কুশ বিজয় হবে ইনশাল্লাহ।’

সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু বলেন, ‘আমি এই নগরীর জন্য অনেক কিছু করেছি। নগরীর প্রতিটি অলিগলি চেনাজানা। নগরবাসী আমাকে অবশ্যই মূল্যায়ন করবে।’

নিজাম উদ্দীন কায়সার বলেন, ‘পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে আমি মেয়র পদে নির্বাচন করছি। আমি বিশ্বাস করি লুটপাটের এই নগরীকে বাঁচাতে নগরবাসী এবার ঘোড়া প্রতীককেই বেছে নেবে।’

মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা নূর উর রহমান মাহমুদ তানিম বলেন, ‘মানুষ পরিবর্তন চায়। তারা পারিবারিক রাজনীতির বলয় ভেঙে কল্যাণকর রাজনীতি চায়। তাই আমি সেই পরিবর্তনের ইতিহাস রচনা করতেই প্রার্থী হয়েছি।’

কুসিক উপনির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার মো. ফরহাদ হোসেন বলেন, আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে উপনির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। যেহেতু দলীয় প্রতীক নেই, তাই প্রার্থীরা তাদের পছন্দের প্রতীক বরাদ্দ চেয়েছেন।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরফানুল হক রিফাতের মৃত্যু হয় গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর। তার মৃত্যুতে শূন্য হওয়া মেয়র পদে উপনির্বাচন হচ্ছে মার্চে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chittagong MP Mohiuddin Bachchu bail

চট্টগ্রামের এমপি মহিউদ্দিন বাচ্চুর জামিন

চট্টগ্রামের এমপি মহিউদ্দিন বাচ্চুর জামিন মহিউদ্দিন বাচ্চু। ফাইল ছবি
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৩ সালের ২২ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম-১০ আসনের আওতাধীন মসজিদগুলোর ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের এক হাজার টাকা করে এবং মাদানী মসজিদে এক লাখ টাকা অনুদানের চেক বিতরণ করেন মহিউদ্দিন বাচ্চু।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের মামলায় আদালতে হাজির হয়ে জামিন পেলেন চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য মহিউদ্দিন বাচ্চু।

আত্মসমর্পণ পূর্বক জামিনের আবেদন করলে রোববার শুনানি শেষে জামিন আবেদন মঞ্জুর করে তাকে জামিন দেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট চতুর্থ আদালতের বিচারক মো. সালাউদ্দিন।

এর আগে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল আদালত।

মহিউদ্দিন বাচ্চুর আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. ইব্রাহীম হোসেন চৌধুরী বাবুল বলেন, ‘এমপি মহিউদ্দিন গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নিয়েছেন। এ ধারা জামিনযোগ্য। আদালত শুনানি শেষে জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।’

জেলা আইনজীবী ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী জানান, নির্বাচনি আচারণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে নির্বাচন কমিশন মামলাটি দায়ের করেছিল।

ডবলমুরিং থানা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের আদালতে এ মামলা করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৩ সালের ২২ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম-১০ আসনের আওতাধীন মসজিদগুলোর ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের এক হাজার টাকা করে এবং মাদানী মসজিদে এক লাখ টাকা অনুদানের চেক বিতরণ করেন মহিউদ্দিন বাচ্চু।

এরপর ২৪ ডিসেম্বর লালখান বাজারে তার প্রধান নির্বাচনি কার্যালয় থেকে মসজিদগুলোর ইমাম, মুয়াজ্জিনদের ৬০ হাজার টাকা করে অনুদানের চেক বিতরণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটি ২১টি মসজিদ, মন্দির ও প্যাগোডায় অনুদানের চেক বিতরণ সত্যতা পায়।

এ নিয়ে ৪ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন মামলা করার নির্দেশ দেয়।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১০ আসনে মহিউদ্দিন বাচ্চু ৫৯ হাজার ২৪ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফুলকপি প্রতীকের প্রার্থী মনজুর আলম পেয়েছিলেন ৩৯ হাজার ৫৩৫ ভোট।

আরও পড়ুন:
জামিন পাননি মির্জা ফখরুল
প্রবাসীদের উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার ফেনীর তিন এমপির
কারাবন্দি মির্জা ফখরুলকে ডিএমপির অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ
বিএনপির জি কে গউছ কারামুক্ত
সন্ধ্যায় স্বতন্ত্র এমপিদের নিয়ে বসছেন প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Announcement of election date of 39 upazilas of Sylhet division

সিলেট বিভাগের ৩৯ উপজেলার নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা

সিলেট বিভাগের ৩৯ উপজেলার নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা
৬ষ্ঠ ধাপের নির্বাচনে ৪ বারে অনুষ্ঠিত হবে সিলেট বিভাগের ৩৯ উপজেলায় ভোটগ্রহণ।

সিলেট বিভাগের ৩৯ উপজেলার নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছ।

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ৬ষ্ঠ ধাপের নির্বাচনে ৪ বারে অনুষ্ঠিত হবে সিলেট বিভাগের ৩৯ উপজেলায় ভোটগ্রহণ। আগামী ৪ মে থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে ২৫ মে চতুর্থবারের ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে শেষ হবে উপজেলা নির্বাচন।

নির্বাচন কমিশন এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানায়, ভোটগ্রহণ হবে সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ জেলায় ১১, সিলেটের ১৩, মৌলভীবাজারের সাত ও হবিগঞ্জের আটটি উপজেলায়। খবর বাসসের

৬ষ্ঠ ধাপে ৪ বারে হবে বিভাগের ৩৯ উপজেলায় ভোটগ্রহণ,তবে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর ও সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় পরবর্তীতে নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছে ইসি। এই দুই উপজেলায় কোনও তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।

ইসির দেওয়া তালিকা অনুযায়ী- ষষ্ঠ ধাপে প্রথমবার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৪ মে। এদিন সিলেট সদর, বিশ্বনাথ, দক্ষিণ সুরমা ও গোলাপগঞ্জ উপজেলায় ভোট হবে। একই তারিখে ভোট হবে সুনামগঞ্জের দিরাই ও শাল্লায়। এছাড়া মৌলভীবাজারের জুড়ি, কুলাউড়া, বড়লেখায় এবং হবিগঞ্জের বানিয়াচং ও আজমেরিগঞ্জ উপজেলায় একইদিনে ভোটগ্রহণ হবে।

দ্বিতীয়বার ভোটগ্রহণ হবে ১১ মে। এদিন কোম্পানীগঞ্জ, জৈন্তাপুর ও গোয়াইনঘাটে নির্বাচন হবে। একই তারিখে ভোট হবে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা, তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর ও জামালগঞ্জে। এছাড়া মৌলভীবাজার সদর ও রাজনগর, হবিগঞ্জের বাহুবল, চুনারুঘাট ও নবীগঞ্জ উপজেলায় একই দিনে ভোট হবে।

তৃতীয়বার ভোট হবে ১৮ মে। এদিন বালাগঞ্জ, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বিয়ানীবাজারে নির্বাচন হবে। একই তারিখে ভোটগ্রহণ হবে সুনামগঞ্জের ছাতক ও দোয়ারাবাজারে। এছাড়া মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, হবিগঞ্জ সদর, লাখাই, মাধবপুর ও শায়েস্তাগঞ্জে একই দিনে ভোটগ্রহণ হবে।

চতুর্থবার অর্থাৎ শেষবার ভোটগ্রহণ হবে ২৫ মে। ওই দিন সিলেটের জকিগঞ্জ ও কানাইঘাটে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। একই তারিখে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে সুনামগঞ্জ সদর, শান্তিগঞ্জ ও মধ্যনগর উপজেলায়।

আরও পড়ুন:
জামানত হারানো প্রার্থীকে সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন জাপার
চট্টগ্রামে এমপি বাচ্চুর বিরুদ্ধে পরোয়ানা
কুমিল্লা সিটির উপনির্বাচনে ৪ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
344 upazila polling date EC announced

৩৪৪ উপজেলার ভোটগ্রহণ কবে, জানাল ইসি

৩৪৪ উপজেলার ভোটগ্রহণ কবে, জানাল ইসি ফাইল ছবি
ইসি ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, বরিশাল, ঢাকা ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে প্রথম ধাপে ১০৮টি, দ্বিতীয় ধাপে ১২১টি, তৃতীয় ধাপে ৭৭টি ও চতুর্থ ধাপে ৩৮টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

দেশের ছয়টি নির্বাচনি অঞ্চলের ৩৪৪টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ কখন হবে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। চারটি ধাপে কোন উপজেলায় ভোট কবে হবে তালিকা প্রকাশ করেছে সাংবিধানিক এই সংস্থাটি।

বুধবার নির্বাচন কমিশনের নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার কর্মকর্তারা এই তথ্য জানিয়েছেন।

সম্প্রতি ইসি সচিব জাহাংগীর আলম এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ হবে ৪ মে, দ্বিতীয় ধাপে ১১ মে, তৃতীয় ধাপে ১৮ মে এবং চতুর্থ ধাপের ভোট হবে ২৫ মে।

ইসি ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, বরিশাল, ঢাকা ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে প্রথম ধাপে ১০৮টি, দ্বিতীয় ধাপে ১২১টি, তৃতীয় ধাপে ৭৭টি ও চতুর্থ ধাপে ৩৮টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপজেলাগুলোর তালিকা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে। দেশে ৪৯৫টি উপজেলার মধ্য নির্বাচন উপযোগী উপজেলা রয়েছে ৪৫২টি।

মন্তব্য

p
উপরে