× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
219 people who want boat in 16 constituencies of Chittagong are ahead
google_news print-icon

চট্টগ্রামের ১৬ আসনে নৌকা চান ২১৯ জন, এগিয়ে যারা

চট্টগ্রামের-১৬-আসনে-নৌকা-চান-২১৯-জন-এগিয়ে-যারা
ফাইল ছবি
আওয়ামী লীগের একটি সূত্রের দেয়া তথ্যানুযায়ী, বৃহস্পতিবার থেকে পরবর্তী তিন দিন বসবে আওয়ামী লীগের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভা। এই তিন দিনেই সারা দেশে নিজেদের প্রার্থীর তালিকা চূড়ান্ত করবে দলটি৷ আর যাচাই-বাছাই শেষে মনোনয়ন ঘোষণা হতে পারে ২৬ বা ২৭ শে নভেম্বর।

রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার মাঝেই প্রস্তুতি চলছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের। তবে বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্তে অনেকটা নিরুত্তাপ ভোটের মাঠ। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র বিক্রি কিছুটা হলেও নির্বাচনি আবহ এনেছে।

১৯ নভেম্বর শুরু হয়ে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বিক্রি শেষ হয়েছে ২১ নভেম্বর। তিন দিনে ৩০০ সংসদীয় আসনের বিপরীতে মোট ৩ হাজার ৩৬২টি মনোনয়নপত্র বিক্রি করেছে দলটি৷ এর মধ্যে চট্টগ্রামে ১৬টি আসনের বিপরীতে ২১৯ জন ২৩২টি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন৷ এতে আসন প্রতি ফরম বিক্রি হয়েছে ১৪টির বেশি। এর মাধ্যমে দলটির আয় হয়েছে ১ কোটি ১৬ লাখ টাকা। যা মনোনয়নপত্র বিক্রি করে দলটির মোট আয়ের প্রায় ৭ শতাংশ।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চেয়ে এবার ৬৬১টি মনোনয়নপত্র কম বিক্রি হলেও চট্টগ্রামে বেড়েছে এই সংখ্যা। জেলায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামে মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়েছিল ২২৫টি। সে তুলনায় এবার চট্টগ্রামে মনোনয়নপত্র বিক্রি বেড়েছে ৭টি।

চট্টগ্রাম-৮

আওয়ামী লীগের দলীয় সূত্রে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, এবার চট্টগ্রামে সবচেয়ে বেশি ২৮টি মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়েছে চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী ও চসিকের ৩-৭নং ওয়ার্ড) আসনে। এই আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য নোমান আল মাহমুদকে মনোনয়ন দৌড়ে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন হ্যাভিওয়েট প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা আরশেদুল আলম বাচ্চু, সিডিএর সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুস সালামসহ ২৭ জন। তাদের মধ্যে সিটি করপোরেশনের একাধিক কাউন্সিলরও রয়েছেন।

এই আসনে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী অন্যরা হলেন মোহাম্মদ বেলাল হোসেন, কাউন্সিলর মোহাম্মদ মোবারক আলী, মোহাম্মদ দিদারুল আলম, কাজী শারমিন সুমি, এস এম নুরুল ইসলাম, এস এম কফিল উদ্দিন, বিজয় কুমার চৌধুরী, এটি এম আলী রিয়াজ খান, জিনাত শাহেনা চৌধুরী, মোহাম্মদ ইমরান, জাবেদুল আলম মাসুদ, মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ খুরশেদ আলম, মোহাম্মদ মনসুর আলম, মো. আব্দুল কাদের, কফিল উদ্দিন খান, শেখ আমেনা খাতুন, এম এ সুফিয়ান সিকদার, আশেক রসুল খান, মো. নুরুল আনোয়ার, মোহাম্মদ আবু তাহের, মাহমদ দিদারুল আলম, মুজিবুর রহমান, সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং সেলিনা খান।

চট্টগ্রাম-২

জেলায় সবচেয়ে কম, মাত্র ২টি মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়েছে চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে। এই আসনে মনোনয়ন দৌড়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোহাম্মদ ওসমান গনি চৌধুরী। এতে অনেকটা নির্ভার রয়েছেন বর্তমান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান।

বাকি আসনগুলোর মধ্যে ১০টির কম মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়েছে চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই), চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) এবং চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে।

চট্টগ্রাম-১

চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের আসন হিসেবে পরিচিত হলেও এবার তিনি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেননি। তবে বর্ষীয়ান এ রাজনীতিবীদের পরিবার থেকে তার ছেলে মাহবুব উর রহমান রুহেল মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।

ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ না করায় মনোনয়ন দৌড়ে মাহবুব উর রহমানকেই এগিয়ে রাখছেন সবাই।

এই আসনে মাহবুব উর রহমান ছাড়াও মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন আরও চারজন। তারা হলেন- যুবলীগ নেতা নিয়াজ মোর্শেদ এলিট, এ কে এম বেলায়েত হোসেন, মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন এবং মোহাম্মদ মোস্তফা।

চট্টগ্রাম-৬

চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে বর্তমান এমপি ফজলে করিম চৌধুরীসহ মনোনয়ন কিনেছেন ৯ জন। এই আসনে মনোনয়ন দৌড়ে ফজলে করিম চৌধুরীর ভয়ের কারণ হতে পারেন সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী কিংবা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ নেতা দেবাশীষ পালিত।

এর বাইরেও এই আসনে মনোনয়ন দৌড়ে রয়েছেন মোহাম্মদ আবুল কালাম, ইমরানুল কবীর, মোহাম্মদ মুসলিম উদ্দিন চৌধুরী, মোহাম্মদ শাহজাহান চৌধুরী, আলহাজ্ব মো. সালামত আলী এবং বকতিয়ার উদ্দিন খান।

চট্টগ্রাম-১৩

চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনেও অনেকটা নির্ভার রয়েছেন বর্তমান ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। এই আসনে মনোনয়ন দৌড়ে তার সঙ্গে লড়াই করবেন আরও দুজন। তারা হলেন শাহজাদা মহিউদ্দিন এবং সমীরন নাথ।

চট্টগ্রামের ১৬ আসনে দলীয় মনোনয়নের দৌড়ে সবচেয়ে বেশি হ্যাভিওয়েট প্রার্থী চট্টগ্রাম-৯ (বাকলিয়া-কোতোয়ালী), চট্টগ্রাম-১০ (খুলশী, পাহাড়তলী) ও চট্টগ্রাম-১১ (পতেঙ্গা-বন্দর) আসনে। এই তিন আসনের তিনটিতেই মনোনয়ন চান নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ. জ. ম. নাছির উদ্দিন।

এ ছাড়া চট্টগ্রাম-১০ ও চট্টগ্রাম-১১ আসন থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন হ্যাভিওয়েট প্রার্থী সাবেক নগর প্রশাসক ও চট্টগ্রামে ১৪ দলের সমন্বয়ক খোরশেদ আলম চৌধুরী সুজন।

চট্টগ্রাম-৯

চট্টগ্রাম-৯ আসন থেকে মনোনয়ন চান এই আসন থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষও এই আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন চান।

চট্টগ্রাম জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর ও নগর আওয়ামী লীগ নেতা শেখ ইফতেখার সাইমুনও নৌকার মাঝি হতে চান চট্টগ্রাম-৯ আসন থেকে৷

এ ছাড়া আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দৌড়ে এই আসন থেকে অন্যান্যদের মধ্যে আছেন মোহাম্মদ দিদারুল আলম, মোহাম্মদ শহীদ উল আলম, মোহাম্মদ ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী, শফিক আদনান, মোহাম্মদ সফর আলী, মোহাম্মদ রাশেদুল হাসান, আমিনুল হক, শাহজাদা মোহাম্মদ ফজল মুকিম নীল, মোহাম্মদ রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, মশিউর রহমান চৌধুরী, মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন এবং মুজিবুর রহমান।

চট্টগ্রাম-১০

চট্টগ্রাম-১০ আসনে নাছির-সুজন ছাড়াও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান ১৭ জন।

তারা হলেন- সৈয়দ মাহমুদুল হক, মোহাম্মদ ইউনুস, কেবিএম শাহজাহান, দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া, শ্রমিক নেতা মোহাম্মদ শফর আলী, মোহাম্মদ এমদাদুল ইসলাম, এরশাদুল আমিন, আবুল ফজল কবির আহমেদ, আসলাম হোসেন, সাইফুদ্দিন খালেদ, মোহাম্মদ জহির উদ্দিন বাবর, মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন, মুহাম্মদ অহিদ সিরাজ চৌধুরী, আব্দুস সবুর লিটন, আলহাজ্ব মো. সালামত আলী এবং মোহাম্মদ ফয়সাল আমিন।

চট্টগ্রাম-১১

চট্টগ্রাম-১১ আসনে নাছির-সুজনের পাশাপাশি মনোনয়নপত্র নিয়েছেন তিনবারের সংসদ সদস্য এম এ লতিফসহ ২৭ জন। চট্টগ্রাম-৮ আসনের পর সবচেয়ে বেশি মনোনয়ন বিক্রি হয়েছে এই আসনে।

বন্দরের কারণে বাণিজ্যিকভাবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে আরও যারা নৌকার মাঝি হতে চান তারা হলেন- দেবাশীষ পাল, নজরুল ইসলাম বাহাদুর, রেখা আলম চৌধুরী, মোহাম্মদ জাবেদ ইকবাল, সৌগাতুল আনোয়ার খান, মোহাম্মদ এনামুল হক, মোহাম্মদ আলতাফ হোসেন চৌধুরী, মোহাম্মদ সফর আলী, জিয়াউল হক সুমন, মোহাম্মদ রাশেদুল হাসান, মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, নওশেদ সরোয়ার, সালেহ আহমদ চৌধুরী, আকবর হোসেন, এম এনামুল হক চৌধুরী, মশিউর রহমান চৌধুরী, ইকবাল আলী, মোহাম্মদ আব্দুল লতিফ, ইমরান ফাহিম নূর, সায়রা বানু, হাজী জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, মোহাম্মদ ইলিয়াস, মহম্মদ আমিনুল হক এবং মুজাফফর আহম্মদ।

চট্টগ্রাম-২

এদিকে দীর্ঘদিন ধরে হাতছাড়া থাকা চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনটি ফিরে পেতে এবার মরিয়া স্থানীয় আওয়ামী লীগ। এই আসনে দলটির হ্যাভিওয়েট প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এটিএম পেয়ারুল ইসলামসহ আছেন সংরক্ষিত আসনের নারী সংসদ সদস্য খাদিজাতুল আনোয়ার সনি।

এই আসনে নৌকা পেতা চান আরও ১৯ জন। তার হলেন- মোহাম্মদ আফতাব উদ্দিন চৌধুরী, গোলাম নওশের আলী সাবরিনা চৌধুরী, মোহাম্মদ শাহজাহান, সাদাত আনোয়ার সাদী, বেলাল মোহাম্মদ নূরী, হাসিবুন সোহাদ, মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন, খোরশেদ আহমেদ জুয়েল, কাজী মোহাম্মদ তানজিবুল আলম, মো. সালামাত আল্লাহ চৌধুরী, এম আর আজিম, সরোয়ার উদ্দিন চৌধুরী, মোহাম্মদ হারুন, তৌহিদ মোহাম্মদ ফয়সাল কামাল, হোসাইন মোহাম্মদ আবু তৈয়ব, ফখরুল আনোয়ার, সৈয়দ রাজিয়া মোস্তফা এবং আনোয়ার হোসেন।

চট্টগ্রাম-৩

চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসন থেকে ১২ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও মনোনয়ন দৌড়ে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য মাহফুজুর রহমান মিতা৷

অন্যান্য যারা এই আসেন থেকে নৌকার মাঝি হতে চান তারা হলেন মহিউদ্দিন আহমেদ, এ কে এম বেলায়েত হোসেন, মানিক মিয়া তালুকদার, মোহাম্মদ জাফরুল্লাহ, মোহাম্মদ রাজিবুল আহসান, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, ইউসুফ আলী জীবন, রফিকুল ইসলাম, রুমানা নাসরিন, সরোয়ার হাসান জামিল এবং মুহাম্মদ জামাল উদ্দিন চৌধুরী।

চট্টগ্রাম-৪

চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড ও চসিকের ৯-১০ নং ওয়ার্ড) আসনে মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে আছেন বর্তমান সংসদ সদস্য মোহাম্মদ দিদারুল আলম।

তবে এই আসনে দলীয় মনোনয়ন দৌড়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপ-কমিটির সদস্য লায়ন মোহাম্মদ ইমরান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও বর্তমান উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল্লাহ আল বাকের ভূঁইয়া, চসিক কাউন্সিলর ড. নিছার উদ্দিন আহমদ মঞ্জুকেও এগিয়ে রাখছেন কেউ কেউ।

এই আসন থেকে নৈকার মাঝি হতে চাওয়া অন্যরা হলেন- এসএম আল মামুন, রত্নেন্দু ভট্টাচার্য, মোহাম্মদ ফখরুদ্দীন চৌধুরী, আব্দুল্লাহ আল বাকের ভূঁইয়া, মোহাম্মদ পারভেজ উদ্দিন, মহি উদ্দিন, আবু মনির মো. শহিদুল হক চৌধুরী এবং চৌধুরী মোহম্মদ জিন্নাত আলী।

চট্টগ্রাম-৫

চট্টগ্রাম-২ আসনের মত দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনটি মহাজোটের শরীক দলের দখলে। এই আসন থেকে এবার নৌকার প্রার্থী হতে চান ১৩ জন।

এই আসনে মনোনয়ন দৌড়ে উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ সালাম ও নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুলকে নৌকার অন্যতম দাবিদার হিসেবে বিবেচনা করা হলেও আসনটি এবার মহাজোটের শরীক দলের হাতে যাবে বলে ধারণা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

এই আসনে অন্য যারা নৌকার প্রার্থী হতে চান তারা হলেন- মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন, মোহাম্মদ ইউনুস, মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম, মোহাম্মদ শামীম, ইউনুস গনি চৌধুরী, মোহাম্মদ শাহজাহান চৌধুরী, মনজুর আলম চৌধুরী, মাসুদুল আলম, নাসির হায়দার করিম, মোহাম্মদ সালাউদ্দিন চৌধুরী, ডাক্তার নুর উদ্দিন জাহেদ এবং বাসন্তী প্রভা পালিত।

চট্টগ্রাম-১২

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনটি হুইফ শামসুল হক চৌধুরীর আসন হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। তবে এবার শামসুল হক চৌধুরীর সামনে বাধা হিসেবে কাজ করতে পারে দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী। যুবলীগ নেতা মুহাম্মদ বদিউল আলমও এগিয়ে আছেন মনোনয়ন দৌড়ে।

এই আসনে নৌকার হাল ধরতে চান আরও ১৪ জন। তারা হলেন- সাবেক সংসদ সদস্য চেমন আরা বেগম, সত্যজিৎ দাস রুপু, মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ, জুলকারনাইন চৌধুরী, আব্দুর রশিদ, আলাউদ্দিন মো. আব্দুল ওয়াদুদ, তসলিম উদ্দিন, শেখ মোহাম্মদ ইসহাক, আবুল কালাম আজাদ চৌধুরী, প্রদীপ কুমার দাস, মোহাম্মদ হাবিবুল হক চৌধুরী, রাশেদ মনোয়ার, মুহাম্মদ ফারুক এবং মোহাম্মদ মহিউদ্দিন।

চট্টগ্রাম-১৪

চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া) আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম চৌধুরীর পাশাপাশি নৌকার মনোনয়নপত্র নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমানসহ ১৭ জন। তবে এই আসনে অন্যান্য মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তুলনায় হ্যাভিওয়েট হওয়ায় অনেকটসই এগিয়ে মফিজুর রহমান।

আসনটিতে দলীয় মনোনয়ন দৌড়ে অন্যান্যদের মধ্যে রয়েছেন মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার চৌধুরী, মোহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, মোহাম্মদ কায়কোবাদ ওসমানী, আফতাব মাহমুদ, মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম চৌধুরী, ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমদ আসিফ, মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, এম মাসুদ আলম চৌধুরী, সাহিদা আক্তার জাহান, আবু আহমেদ চৌধুরী, আবুল বশর ভূঁইয়া, মামুনুল হক চৌধুরী, মাহবুবু রহমান এবং মীর মোহাম্মদ মহিউদ্দিন।

চট্টগ্রাম-১৫

চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসন থেকে ফের মনোনয়ন চান দুই বারের সংসদ সদস্য আবু রেজা মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন। তবে তার সাম্প্রতিক নানা কর্মকাণ্ডে দলীয় হাইকমান্ড কিছুটা অসন্তোষ হওয়ায় মনোনয়ন দৌড়ে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলামকেই এগিয়ে রাখছেন অনেকেই।

এই আসনে নৌকড় হাল ধরতে চান আরও অন্তত ১৩ জন। তারা হলেন- সাজেদা সুরাত, মোহাম্মদ মইনুল ইসলাম মামুন, আব্দুল মোতালেব, মোহাম্মদ আমানুল্লাহ জাহাঙ্গীর, মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন হাসান চৌধুরী, আ স ম মিনহাজুর রহমান, মহম্মদ এরশাদুল হক, সৈয়দ মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ অহিদ সিরাজ চৌধুরী, মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, কামরুন নাহার এবং মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন চৌধুরী।

চট্টগ্রাম-১৬

চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসন নিয়ে নানা জল্পনা কল্পনা চলছে এবার। নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে এবার আসনটিতে নৌকা হারাতে পারেন বর্তমান সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী। এই আসনে মনোনয়ন দৌড়ে তুলনামূলক এগিয়ে আছেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মুজিবুর রহমান।

এ দুজন ছাড়াও আরও অন্তত ১৩ জন নৌকার হাল ধরতে চান এই আসনে। তারা হলেন- মোহাম্মদ জমির উদ্দিন শিকদার, আব্দুল্লাহ কবীর, চৌধুরী মোহাম্মদ গালিব সাদী, আরেফ উল হক, মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান চৌধুরী, মোসলেহ উদ্দিন মনসুর, মো. সাইদুল মোস্তফা চৌধুরী রাজু, নাজমা আক্তার, শামসুদ্দিন আহমদ চৌধুরী শামস, শেখর দত্ত, সাইফুদ্দিন আহমেদ ববি, আবুল হোসেন মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং আবু নছর মোহাম্মদ সরওয়ার আলম।

এদিকে নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী ৩০ নভেম্বরের মধ্যেই মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে নির্বাচন কমিশনে। তাই এর আগেই চূড়ান্ত করতে হবে দলীয় মনোনয়ন।

তবে আওয়ামী লীগের একটি সূত্রের দেয়া তথ্যানুযায়ী, বৃহস্পতিবার থেকে পরবর্তী তিন দিন বসবে আওয়ামী লীগের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভা। এই তিন দিনেই সারা দেশে নিজেদের প্রার্থীর তালিকা চূড়ান্ত করবে দলটি৷ আর যাচাই-বাছাই শেষে মনোনয়ন ঘোষণা হতে পারে ২৬ বা ২৭ শে নভেম্বর।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
BNP condemns MP Bachchu for breach of discipline

শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সংসদ সদস্য বাচ্চুকে বিএনপির শোকজ

শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সংসদ সদস্য বাচ্চুকে বিএনপির শোকজ ছবি: সংগৃহীত

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনের সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে বিএনপি। শনিবার (১৮ জুলাই) দলটির কেন্দ্রীয় দপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

দলীয় সূত্র জানায়, স্থানীয় পাট (জুট) ব্যবসা নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে সম্প্রতি ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুকে নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এসব অভিযোগকে কেন্দ্র করে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের বিষয়টি আমলে নিয়ে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা হিসেবে শোকজ নোটিশ জারি করেছে বিএনপি।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
We want to amend the constitution we did not talk about reforms Mirza Fakhrul

আমরা সংবিধান সংশোধন চাই, সংস্কারের কথা বলিনি: মির্জা ফখরুল

আমরা সংবিধান সংশোধন চাই, সংস্কারের কথা বলিনি: মির্জা ফখরুল ছবি: সংগৃহীত

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আমরা বরাবরই বলে এসেছি যে, আমরা সংবিধান সংশোধন করতে চাই। আমরা সংবিধান সংস্কারের কথা কখনোই বলিনি।’

জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধীদল জনগণকে বিভ্রান্ত করছে বলেও এ সময় অভিযোগ তোলেন তিনি।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত স্মরণ সভায় তিনি এ কথা বলেন।

অধ্যাপক এমাজ উদ্দিন আহমেদের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রফেসর এমাজ উদ্দিন আহমেদ রিসার্চ সেন্টার ও জাতীয় সাংবাদিক সমিতি যৌথভাবে এই স্মরণ সভার আয়োজন করে।

ফখরুল বলেন, ‘জনগণ আমাদেরকে ভোট দিয়েছে। ম্যানিফেস্টোর মধ্যে যেটা ছিল, সেই ম্যানিফেস্টোতে টু-থার্ড মেজরিটি নিয়ে বিএনপি আজকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে। সুতরাং ওই জায়গায় কোনো রকমের কোনো বিভ্রান্তি অবকাশ আছে বলে আমি মনে করি না।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা আজকে অনেকগুলো প্রশ্নের সম্মুখীন হচ্ছি। বিরোধীদল থেকে বলা হচ্ছে, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি সংসদে আদায় না হলে রাজপথের ফায়সালা হবে। আমার কাছে মনে হয়, জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য এই প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। জুলাই সনদ আমরা স্বাক্ষর করেছি একসঙ্গে। যে সকল দল আমরা আন্দোলন করেছি একসঙ্গে, তারা সবাই স্বাক্ষর করেছি। আমরা বারবার করে বলছি, জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর আমরাই বাস্তবায়িত করব…এটাতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।’

গণভোটের একটি অংশ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি উল্লেখ করে ফখরুল বলেন, ‘উচ্চকক্ষে আনুপাতিক হারে ভোটে প্রতিনিধিত্বের বিষয়ে আমরা কখনোই একমত হইনি। সে সময় আমি নিজে স্টেটমেন্ট দিয়েছিলাম, জাতির সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। সংস্কার কমিশন আমাদের কনসেন্ট ছাড়াই কথাগুলো সেদিন নিয়ে এসেছে। জুলাই সনদের বইটা যদি আপনারা পড়েন...সেখানে প্রতিটি জায়গায় বলা আছে, যে দল নির্বাচিত হবে তারা তাদের ম্যানিফেস্টো অনুযায়ী সেটাকে বাস্তবায়িত করবে। আমরা বারবারই এই কথা বলে এসেছি এবং আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা ৩১ দফাতে যেমন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, ঠিক তেমনভাবে আমরা জুলাই সনদ বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কিন্তু সেটা আমরা যেভাবে চেয়েছি, সেভাবে আমরা বলছি।’ এখানে বিরোধীদল সম্পূর্ণভাবে ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছে যে, আমরা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে চাই না,’ যোগ করেন তিনি।

‘সংস্কার বিএনপিই এনেছে’: ফখরুল বলেন, ‘সংস্কার এদেশে কারা এনেছে? বিএনপি এনেছে। একদলের শাসনব্যবস্থা থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্র বিএনপি নিয়ে এসেছে।’

বিরোধীদলের অনেকে মুখরোচক কথা বলে জনগণকে উত্তেজিত করার চেষ্টা করছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘জনগণের চেয়ে ভালো তো আর কেউ বোঝে না। আমরা যতই মনে করি...জনগণ কিন্তু সবচেয়ে ভালো বোঝে। তারাই সিদ্ধান্ত নেবে আমরা সংবিধান সংশোধনের ব্যাপারে কী বলেছি?’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমি মনে করি, বিরোধীদল শুধুমাত্র ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য এই জুলাইকে (জুলাই সনদ) ব্যবহার করতে চায়। আমরা কিন্তু চাই না জুলাই ক্ষমতার যাওয়ার আরেকটি হাতিয়ারে পরিণত হোক।’

জুলাই আন্দোলনের বিএনপি ত্যাগ সবচেয়ে বেশি মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘বিএনপি সম্পর্কে অনেকে অনেক কথা বলেন। বিএনপির ৬০ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হয়েছে, বিএনপির প্রায় এক হাজার ৭০০ নেতাকর্মী গুম হয়ে গেছে। বিএনপি কয়েক হাজার মানুষ হত্যার শিকার হয়েছে এই ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে। এই কথাগুলো বারবার করে আমাদেরকে বলতে হয় এ জন্য যে, অনেকে এটাকে নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে চাচ্ছেন।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
People will not accept if Jamaat talks in A League tone Ruhul Kabir Rizvi

‘আ.লীগের টোনে’ জামায়াত কথা বললে জনগণ মেনে নেবে না: রুহুল কবির রিজভী

‘আ.লীগের টোনে’ জামায়াত কথা বললে জনগণ মেনে নেবে না: রুহুল কবির রিজভী ছবি: সংগৃহীত

জামায়াতকে উদ্দেশ্য করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, তারা সব সময় ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে গিয়ে নিজেই পানিতে পড়ে যায়। সীমান্ত হত্যা, পুশইন নানা ঘটনার পরেও ৫ আগস্টের পর ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার কথা বলেছে জামায়াত। আওয়ামী লীগ, শেখ হাসিনার টোনে জামায়াত কথা বললে, জনগণ তা মেনে নেবে না। শুক্রবার (১৭ জুলাই) যাত্রাবাড়ী প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘ইতিহাসের যে উল্লেখযোগ্য প্রতিরোধ আছে, যাত্রাবাড়ী ও রায়েরবাগের প্রতিরোধ চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। পৃথিবীর ইতিহাসে এটি একটি গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হয়ে থাকবে। শ্রাবণের বৃষ্টির মতো যাত্রাবাড়ীতে যখন গোলাগুলি করা হচ্ছিল সেদিন বিএনপি-ছাত্রদল, জামায়াত-শিবির, মাদ্রাসার ছাত্ররাসহ অন্যান্য সংগঠনগুলোও বুক চিতিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল।’

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘হাসিনা এদেশের মানুষের রক্ত ঝরিয়েছে। তার বাবাও একই কাজ করেছে। শেখ হাসিনা যদি ফিরে এসে রাজনীতি করতে চান, তাহলে ইয়াহিয়া ও টিক্কা খান কোন দোষ করেছে? শেখ হাসিনা তাদের চেয়ে কম কী করেছে?’

রিজভী বলেন, ‘টকশোতে অনেকে ইনিয়ে-বিনিয়ে শেখ হাসিনার সাফাই গাওয়ার চেষ্টা করছেন। শেখ হাসিনা এত বাহাদুর হলে পালালেন কেন? খালেদা জিয়া তো পালাননি। হাসিনা যে কী নিষ্ঠুর হতে পারে, তা কারাগারে নেতাদের ওপর হাত তোলা না দেখলে বোঝা যাবে না। ফ্যাসিস্ট দলকে ফিরিয়ে আনা যায় না। হিটলারের দল ফিরে আসতে পারেনি।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP always stands by the Hindu community MP Roni

সবসময় হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে থাকে বিএনপি: এমপি রনি

সবসময় হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে থাকে বিএনপি: এমপি রনি ছবি: সংগৃহীত

গাজীপুরে ভাওয়াল রাজাদের শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী শ্রী শ্রী মানিক্য মাধবের রথযাত্রা ও রথমেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) শহরের রথখোলায় গাজীপুর প্রেসক্লাবের বটমঞ্চে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এম.মঞ্জুরুল করিম রনি বলেন, বিএনপি সবসময় হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে আছে এবং থাকবে।

গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ও রথমেলা উদযাপন কমিটির সভাপতি মো. নূরুল করিম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার ইসরাইল হাওলাদার, বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট শহীদউজ্জামান, আহম্মদ আলী রুশদী, হাসান আজমল ভূঁইয়া, গাজীপুর মেট্রো সদর থানা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান এলিস, গাজীপুর মহানগর কৃষক দলের সদস্য সচিব খান জাহিদুল ইসলাম নিপু, গাজীপুর সদর মেট্রো থানা যুবদলের আহ্বায়ক নাজমুল খন্দকার সুমন, গাজীপুর মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারহাজ বিন ফয়েজ প্রবাল, গাজীপুর মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি রোহানুজ্জামান শুক্কুর প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার তাহেরুল হক চৌহান, এডিসি জেনারেল শাহরিয়ার নজির, গাজীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজ্জাত হোসেন প্রমূখ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Awami League governments unplanned development is the current flood situation Rizvi

আওয়ামী লীগ সরকারের অপরিকল্পিত উন্নয়নেই বর্তমান বন্যা পরিস্থিতি: রিজভী

আওয়ামী লীগ সরকারের অপরিকল্পিত উন্নয়নেই বর্তমান বন্যা পরিস্থিতি: রিজভী ছবি: সংগৃহীত

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের অপরিকল্পিত উন্নয়নের কারণে বর্তমান বন্যা পরিস্থিতি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, অপরিকল্পিত উন্নয়নের ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে।

বর্তমান সরকার পরিবেশবান্ধব ও প্রকৃতিবান্ধব উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাজ করছে। চলমান বন্যা পরিস্থিতিতে সরকার ও বিএনপি নিজ নিজ উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার তৈলারদ্বীপ এলাকায় বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বাড়িতে যাতায়াতের সুবিধার্থে হাওরের ওপর সড়ক নির্মাণের কারণে প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বিলুপ্তির মুখে পড়েছে।

পাশাপাশি উন্নয়নের নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় খাল দখল, অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ এবং ব্যক্তিস্বার্থে কালভার্ট নির্মাণ জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ। তিনি জানান, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় খাল দখলমুক্ত করতে অভিযান চলছে।

তিনি আরো বলেন, দখলদার যেই হোক, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে।

পাশাপাশি সারাদেশে ২৬ হাজার কিলোমিটার খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। খাল খননের পাশাপাশি খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করার উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম, আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মহিন উদ্দিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) দীপক ত্রিপুরা, আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জুনায়েত চৌধুরী, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সরওয়ার হোসেন মাসুদ, জাগির হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক গাজী ফোরকান, দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইসমাইল বিন মনিরসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A protest rally of BNP was held in Pabna against the speech of NCP leaders 

পাবনায় এনসিপি নেতাদের বক্তব্যের প্রতিবাদে বিএনপির প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত 

পাবনায় এনসিপি নেতাদের বক্তব্যের প্রতিবাদে বিএনপির প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত  ছবি: সংগৃহীত

পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসকে নিয়ে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের দেওয়া বক্তব্যের প্রতিবাদে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) পাবনা জেলা শাখা। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে পাবনা শহরের লাহিড়ীপাড়া বিএনপি কার্যালয়ে এ প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সামাদ খান মন্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাকসুদুর রহমান মাসুদ খন্দকার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আনিসুল হক বাবু, আবু ওবায়দা শেখ তুহিন ও নূর মোহাম্মদ মাসুম বগা, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মাহামুদ মান্নান মাস্টার, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ তৌফিক হাবিব, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি কে এম মুসা, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য জহুরুল ইসলাম বাবু, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি সাবির হাসান বাচ্চু, সদর পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম বাদশা, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রেহানুল ইসলাম বুলাল এবং সদর পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম লালু। সমাবেশটি সঞ্চালনা করেন মুসাব্বির হোসেন সঞ্জু।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক মেহেরুন্নেছা শাজাহান, সহ-সভানেত্রী লুৎফুন্নাহার হাজারী, ফারহানা পারভীন, মোহছিনা খান সেতু, জিনিয়া আফরোজ রিমা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ইয়ামিন খান এবং ছাত্রদলের নেতা সম্রাটসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

বক্তারা তাদের বক্তব্যে পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসকে নিয়ে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের দেওয়া বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের মন্তব্য থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The overall situation in the country is very dire at present GM Quader

দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বর্তমানে অত্যন্ত ভয়াবহ: জি এম কাদের

দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বর্তমানে অত্যন্ত ভয়াবহ: জি এম কাদের ছবি: সংগৃহীত

সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী পালনকালে দলের বর্তমান চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জি এম) কাদের দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন। মঙ্গলবার দুপুরে রংপুরের পল্লী নিবাসে আয়োজিত এক শোক সভায় তিনি মন্তব্য করেন যে, চব্বিশের জুলাই আন্দোলনকে এখনো পূর্ণাঙ্গ গণঅভ্যুত্থান বলা যায় না। তাঁর মতে, দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বর্তমানে অত্যন্ত ভয়াবহ এবং বিদ্যমান চিত্র দেখে মনে হচ্ছে দেশ এখনো বৈষম্যমুক্ত হতে পারেনি।

জি এম কাদের তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, সাধারণ মানুষের জুলাই আন্দোলনের আকাঙ্ক্ষা এখনো বাস্তবে রূপ লাভ করেনি। এই প্রেক্ষাপটে তিনি বলেন, ‘জুলাই গণ-আন্দোলন এখনো অসমাপ্ত রয়েছে।’ ভবিষ্যতে দেশে ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন একটি গণ-আন্দোলন গড়ে ওঠার স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে জনগণ আবারও রাস্তায় নামতে পারে। বর্তমান সরকারের কঠোর সমালোচনা করে জাপা চেয়ারম্যান অভিযোগ করেন যে, ‘অন্তর্বর্তী সরকার জামায়াত-বিএনপির সঙ্গে মিলেমিশে একাকার হয়ে একতরফা নির্বাচন উপহার দিয়েছে।’ তিনি আরও দাবি করেন, এই নির্বাচন কোনোভাবেই অবাধ বা নিরপেক্ষ হয়নি এবং এখনো ‘মব’ বা গণপিটুনির সংস্কৃতির মাধ্যমে বিরোধী মতের মানুষের ওপর অত্যাচার চালানো হচ্ছে।

জাতীয় পার্টিকে রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা করার জন্য বহুমুখী ষড়যন্ত্র চলছে বলে দাবি করেন জি এম কাদের। তিনি সকল প্রতিকূলতা ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে সারা দেশে দলকে সুসংগঠিত করার জন্য নেতা-কর্মীদের প্রতি কঠোর নির্দেশ প্রদান করেন। তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন যে, ভবিষ্যতে জাতীয় পার্টির মাধ্যমেই উত্তরবঙ্গের মানুষের কাঙ্ক্ষিত এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে। শোক সভায় এরশাদের স্মৃতিচারণ করে আরও বক্তব্য রাখেন দলের মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এবং কো-চেয়ারম্যান মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফাসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

মন্তব্য

p
উপরে