× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Govt desperate for elections with Kings party Rizvi
google_news print-icon

‘কিংস পার্টি’ দিয়ে নির্বাচন করতে মরিয়া সরকার: রিজভী

কিংস-পার্টি-দিয়ে-নির্বাচন-করতে-মরিয়া-সরকার-রিজভী
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ফাইল ছবি
বিএনপির জ্যেষ্ঠ এ নেতা বলেন, ‘শেখ হাসিনা তার এজেন্সিগুলোকে মাঠে নামিয়ে দিয়েছেন তথাকথিত কিংস পার্টি গঠনের জন্য। বিভিন্ন দল থেকে নেতাদের আনতে গরুর হাটের মতো দরদাম চলছে। আওয়ামী লীগের কিংস পার্টিতে যোগ দিতে দেশপ্রেমিক বহু নেতাকে চাপ-প্রলোভন ও ভয়-ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে। ছলে-বলে কৌশলে টোপ দিয়ে কাউকে কাউকে বাগানো হচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখন তথাকথিত কিংস পার্টি দিয়ে তামাশার নির্বাচন করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বুধবার বিকালে ভার্চুয়াল সংবাদ ব্রিফিংয়ে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব এ অভিযোগ করেন।

আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিলের প্রতিবাদে ডাকা ৪৮ ঘণ্টা অবরোধের প্রথম দিন শেষে কথা বলেন তিনি। অজ্ঞাত স্থান থেকে ভার্চুয়াল বিফ্রিং থেকে তিনি নেতা-কর্মীদের অবরোধের দ্বিতীয় দিনেও রাজপথে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান নিয়ে কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানান।

নির্বাচনে অন্য দলগুলোর অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, ‘কাজী রকিব আর নুরুল হুদার (সাবেক দুই প্রধান নির্বাচন কমিশনার) দেখানো ভাওতাবাজীর নির্বাচনের পথে হাঁটছেন কাজী হাবিবুল আউয়াল গং। দেশের জনগণ মাফিয়া চক্রের এই ভুয়া তফসিল প্রত্যাখান করায় ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা এখন মঈন উদ্দিন-ফখরুদ্দিনের মতো তথাকথিত কিংস পার্টি, ভুঁইফোঁড় পার্টি, ড্রিংকস পার্টি, ছিন্নমূল পার্টি তৈরি করে তাদেরকে দিয়েই তামাশার নির্বাচন মঞ্চস্থ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন।’

এ সময় অভিযোগ করে বিএনপির জ্যেষ্ঠ এ নেতা বলেন, ‘শেখ হাসিনা তার এজেন্সিগুলোকে মাঠে নামিয়ে দিয়েছেন তথাকথিত কিংস পার্টি গঠনের জন্য। বিভিন্ন দল থেকে নেতাদের আনতে গরুর হাটের মতো দরদাম চলছে। আওয়ামী লীগের কিংস পার্টিতে যোগ দিতে দেশপ্রেমিক বহু নেতাকে চাপ-প্রলোভন ও ভয়-ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে। ছলে-বলে কৌশলে টোপ দিয়ে কাউকে কাউকে বাগানো হচ্ছে।

‘আবার কেউ কেউ জনগণের ভোটের অধিকার আন্দোলনে না গিয়ে বিরোধী দলের লেবাসে ফ্যাসিবাদের দোসর হয়ে তথাকথিত এসব কিংস পার্টি, ভুঁইফোড়, ছিন্নমূল পার্টির হালুয়া-রুটির ভাগ প্রাপ্তির ভরসায় ফ্যাসিস্টদের বর্তমান আস্তানা বঙ্গভবন-গণভবনে ছুটাছুটি করছে।’

এসব ‘বেঈমান দলছুটরা’ ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘এই সমস্ত রঙ বদলানো পরজীবী রাজনীতিবিদরা জনগণের সংকেতবার্তা টের পাচ্ছে না। জনগণ খুব দ্রুত গতিতে ধেয়ে যাচ্ছে সিংহাসন ধুলায় লুটিয়ে দিতে, জনগণের সেই পদচিহ্ন লক্ষ্য করতে পারছে না এই নব্য রাজাকাররা।’

তিনি বলেন, ‘দেশের কৃষক-শ্রমিক, দিনমজুর, স্বল্প আয়ের মানুষ, শ্রমজীবী-কৃষিজীবী, পেশাজীবী, আলেম-ওলামাসহ সবাই বর্তমানে মানবিক মর্যাদা, রাজনৈতিক অধিকার, ভোট প্রয়োগের অধিকার হারিয়েছেন। গণবিচ্ছিন্ন এই সরকার সুষ্ঠু নির্বাচনের বদলে অতীতের মতন প্রহসন করে ক্ষমতায় টিকে থাকার বাসনায় জুলুম-নির্যাতন, চক্রান্ত, নাশকতা ও মিথ্যাচারের পথ বেছে নিয়েছে। পুলিশ, র‌্যাব বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের বাড়িঘরে অভিযান চালাচ্ছে। বিএনপি নেতা-কর্মীদের তুলে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে নিখোঁজ ব্যক্তিদের কারাগারে খুঁজে বেড়াচ্ছেন স্বজনেরা।’

‘দেশের প্রতিটি জনপদ-গ্রাম-গঞ্জ-শহর-বন্দরে গ্রেপ্তার আতঙ্ক বিরাজ করছে’ উল্লেখ করে রিজভী বলেন, ‘সরকারবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় নেতা-কর্মীদের বেছে বেছে তাদের বাড়িতে হেলমেট বাহিনী হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাট চালাচ্ছে। গুপ্ত হামলা, বোমা হামলা চালাচ্ছে। গণতন্ত্রপন্থীদের ধরে নির্যাতন করে পুলিশে দিচ্ছে। আবার আটক বাণিজ্য করছে।’

এ সময় রিজভী দাবি করেন, গত ২৮ অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত সারা দেশে বিএনপি এবং সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর ১৩ হাজারের বেশি নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সারা দেশে বিএনপির প্রায় ২ কোটি নেতা-কর্মী দিনের পর দিন ঘরছাড়া।

‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসন, আদালত, বিচারক সবাইকে প্রধানমন্ত্রীর তল্পিবাহকে পরিণত করা হয়েছে’ অভিযোগ করে তিনি বলেন, “র‌্যাবের মতো গোয়েন্দা পুলিশও এখন আতঙ্কে পরিণত হয়েছে। এদের নেতৃত্ব দিচ্ছে আওয়ামী লীগের দলীয় অনুগত উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা। গণভবন-বঙ্গভবনে খোলা হয়েছে কমান্ড সেন্টার।

“একতরফা নির্বাচনের জন্য অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে দেশে একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছে। ‘জয় বাংলা বলে আগে বাড়ো’ স্লোগান দিয়ে আমলা ও পুলিশের মতো দেশের বিচারকরাও অন্ধ-অবিচারে কাজ করে যাচ্ছে। সরকারের নির্দেশে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের মিথ্যা ও গায়েবি মামলায় সাজা দেয়া হচ্ছে। বিচারের নামে ক্যামেরা ট্রায়াল ও রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের আদালতে সাজানো সাক্ষীর মুখে শেখানো বুলি শিখিয়ে এবং দীর্ঘক্ষণ আটকে রেখে কনসেনট্রেশন ক্যাম্পের আদলে নির্দয় ব্যবহার করা হচ্ছে।”

রিজভীর দেয়া তথ্যানুযায়ী, গত ৪০ দিনে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় করা ২৬টি মিথ্যা মামলায় কথিত বিচার কার্যক্রমের নামে বিএনপির ৪১৫ নেতা-কর্মীকে সাজা দিয়েছে ঢাকার আদালত। বলেন, ‘এখন গায়েবি মামলার মতো গায়েবি সাজা দেয়া হচ্ছে। আগে মৃত ব্যক্তি কবর থেকে উঠে ভোট দিত। আর এখন মৃত ব্যক্তিকে সাজা দেয়া হচ্ছে। বিরোধী দল করলে মরেও শান্তি নাই।’

এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, ‘গত পরশু যেখানে মৃত ও গুম ব্যক্তিকে সাজা দিয়ে নির্বাচনে অযোগ্য করেছে আওয়ামী আদালত। প্রায় চার বছর আগে মারা যাওয়া নিউমার্কেট থানার ১৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তাহের দাইয়াকে আড়াই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ১০ বছর আগে র‌্যাবের হাতে গুম হওয়া বিএনপি নেতা সাজেদুল ইসলাম সুমন এবং ৮ বছর আগে গুম হওয়া বিএনপি নেতা আমিনুল ইসলাম জাকিরকে আড়াই বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

‘যারা বিচারকের আসনকে মজলুমদের জুলুমের মঞ্চ বানিয়েছেন এবং সেখানে বসে এই ধরনের তামাশা করছেন তাদের বিচার জনগণ একদিন করবে। ইতিহাসের পাতা থেকে এগুলো মুছে ফেলা যাবে না।’

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রিজভী বলেন, ‘সরকারের পদত্যাগসহ নির্বাচনকালীন নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের একদফা দাবিতে জনগণের আন্দোলন সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে এখন। ফ্যাসিবাদী সরকার এই শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে বানচাল করতে নিজেরা আগুন সন্ত্রাস, জ্বালাও পোড়াওয়ের তাণ্ডব চালাচ্ছে। আর বিএনপির ওপর দায় চাপিয়ে অপবাদ দিয়ে যাচ্ছে। অথচ আপনারা দেখেছেন যারা ধরা পড়ছে তারা ক্ষমতাসীনদের লোক।’

তিনি উল্লেখ করেন, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের মোট ৫১৫ জনের বেশি নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ২১টি মামলা হয়েছে এবং এসব মামলায় ২ হাজার ৩১৫ জনের বেশি নেতা-কর্মীকে আসামি করা হয়েছে।

এছাড়া, ২৮ অক্টোবর বিএনপির সমাবেশের কয়েকদিন আগে থেকে এ পর্যন্ত মোট ১৫ হাজার ১৯০ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার, তাদের বিরুদ্ধে ৩৬৭টির বেশি মামলা হয়েছে। এ সময় পুলিশ ও আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংঘর্ষে বিএনপির মোট ৪ হাজার ৪৬৮ জনের বেশি নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন এবং অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Distribution of offices of new 7 state ministers

নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন

নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন উপরে বাম থেকে- আব্দুল ওয়াদুদ, শহীদুজ্জামান সরকার ও নজরুল ইসলাম চৌধুরী; নিচে বাঁ থেকে- শামসুন নাহার, ওয়াসিকা আয়শা খান, নাহিদ ইজহার খান ও রোকেয়া সুলতানা। ছবি: সংগৃহীত
শহীদুজ্জামান সরকার পরিকল্পনা, আব্দুল ওয়াদুদ পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়, নজরুল ইসলাম চৌধুরী শ্রম ও কর্মসংস্থান, শামসুন নাহার শিক্ষা, ওয়াসিকা আয়শা খান অর্থ, নাহিদ ইজহার খান সংস্কৃতি এবং রোকেয়া সুলতানা স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন।

শপথ নেয়া নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন করা হয়েছে। শুক্রবার বঙ্গভবনে শপথ পাঠ পর্ব শেষে নতুন প্রতিমন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন নতুন ৭ জন।

নবনিযুক্তদের মধ্যে নওগাঁ-২ আসনের সংসদ সদস্য শহীদুজ্জামান সরকারকে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী, রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদকে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী, চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম চৌধুরীকে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য শামসুন নাহারকে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী, ওয়াসিকা আয়শা খানকে অর্থ প্রতিমন্ত্রী, নাহিদ ইজহার খানকে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী ও রোকেয়া সুলতানাকে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দায়িত্ব পুনর্বণ্টন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

এর আগে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর কাছেই ছিল।

প্রসঙ্গত, ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে বিজয়ী হয়ে টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা ৩৭। প্রধানমন্ত্রীর বাইরে পূর্ণ মন্ত্রী ২৫ জন এবং প্রতিমন্ত্রী ১১ জন। নতুন নিয়োগের মধ্য দিয়ে প্রতিমন্ত্রীর সংখ্যা দাঁড়ালো ১৮ জন।

আরও পড়ুন:
শপথ নিয়েছেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী
সম্প্রসারিত মন্ত্রিসভায় চট্টগ্রামের ওয়াসিকা ও নজরুল
মন্ত্রিসভা বড় হচ্ছে, শপথ শুক্রবার
সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের পর মন্ত্রিসভার আকার বাড়বে: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
New 7 state minister notification issued in the cabinet

শপথ নিয়েছেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী

শপথ নিয়েছেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রীকে শপথবাক্য পাঠ করান। ছবি: সংগৃহীত
বর্তমান মন্ত্রিসভায় যোগ দিতে সাতজনকে শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনে আমন্ত্রণ জানানো হয়। তবে নিয়োগপ্রাপ্তদের কে কোন মন্ত্রণালয় পাচ্ছেন তা জানানো হয়নি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান মন্ত্রিসভায় আরও সাতজন নতুন সদস্য শপথ নিয়েছেন। ফলে মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৪ জন। তবে নিয়োগপ্রাপ্তদের কে কোন মন্ত্রণালয় পাচ্ছেন তা জানানো হয়নি।

শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বঙ্গভবনে নতুন প্রতিমন্ত্রীদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান শুরু হয়। তাদের শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন।

শপথ নেয়া নতুন প্রতিমন্ত্রীরা হলেন- রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আব্দুল ওয়াদুদ, নওগাঁ-২ আসনের এমপি শহীদুজ্জামান সরকার, চট্টগ্রাম-১৪ আসনের এমপি নজরুল ইসলাম চৌধুরী, সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন্নাহার চাঁপা (টাঙ্গাইল), সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা ও অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ওয়াসিকা আয়শা খান (চট্টগ্রাম), সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ও শহীদ কর্নেল নাজমুল হুদার মেয়ে নাহিদ ইজহার খান (ঢাকা), সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা (জয়পুরহাট)।

শপথ নিয়েছেন নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান মন্ত্রিসভায় নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ দিয়ে শুক্রবার প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। বর্তমান মন্ত্রিসভায় যোগ দিতে তাদেরকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনে আমন্ত্রণ জানানো হয়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেনের সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (২) দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি আজ শুক্রবার ৭ জনকে সরকারের প্রতিমন্ত্রী পদে নিয়োগ দিয়েছেন।’

প্রসঙ্গত, ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে বিজয়ী হয়ে টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা ৩৭। প্রধানমন্ত্রীর বাইরে পূর্ণ মন্ত্রী ২৫ জন এবং প্রতিমন্ত্রী ১১ জন। নতুন নিয়োগের মধ্য দিয়ে প্রতিমন্ত্রীর সংখ্যা দাঁড়ালো ১৮ জন।

আরও পড়ুন:
সম্প্রসারিত মন্ত্রিসভায় চট্টগ্রামের ওয়াসিকা ও নজরুল
মন্ত্রিসভা বড় হচ্ছে, শপথ শুক্রবার
সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের পর মন্ত্রিসভার আকার বাড়বে: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mayoral candidate Sakkurs courtyard meeting vandalized in Comilla

কুমিল্লায় মেয়র প্রার্থী সাক্কুর উঠান বৈঠকে হামলা, ভাংচুর

কুমিল্লায় মেয়র প্রার্থী সাক্কুর উঠান বৈঠকে হামলা, ভাংচুর শুক্রবার কুমিল্লা নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে গদার মার কলোনিতে সাক্কুর উঠান বৈঠকে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। ছবি: নিউজবাংলা
কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি ফিরোজ হোসেন বলেন, ‘মেয়র প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কুর উঠান বৈঠকে বাস প্রতীকের কর্মী-সমর্থকরা হামলা চালায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের উপনির্বাচনে মেয়র প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কুর উঠান বৈঠকে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় চেয়ার-টেবিল ভাংচুর করা হয়।

শুক্রবার বিকেল ৫টায় নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে গদার মার কলোনিতে এই ঘটনা ঘটে।

টেবিল ঘড়ি প্রতীকের মেয়র প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কুর ব্যক্তিগত সহকারী কবির মজুমদার বলেন, ‘পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী গদার মার কলোনিতে আমাদের উঠান বৈঠকের প্রস্তুতি চলছিলো। বৈঠকের আগে সংশ্লিষ্ট কর্মীরা চেয়ার-টেবিল সাজানোর কাজ করছিল।

‘হঠাৎ করে ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইফুল বিন জলিল ও যুবলীগ নেতা রোকন উদ্দীনের নেতৃত্বে ২০/২৫ জনের একটি দল এসে চেয়ার-টেবিল ভাংচুর শুরু করে। এই হামলা-ভাংচুর চলাকালে স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।’

কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি ফিরোজ হোসেন বলেন, ‘মেয়র প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কুর উঠান বৈঠকে বাস প্রতীকের কর্মী-সমর্থকরা হামলা চালায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
কুসিক উপনির্বাচনে অনিয়মের সুযোগ নেই: ইসি আনিছুর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rakib Nasir led the Chhatra Dal

ছাত্রদলের নেতৃত্বে রাকিব-নাসির

ছাত্রদলের নেতৃত্বে রাকিব-নাসির
ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাশেদ ইকবাল খান এবং সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েলের নেতৃত্বাধীন বিদ্যমান কমিটি বিলুপ্ত করে শুক্রবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের ৭ সদস্য বিশিষ্ট নতুন আংশিক কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে। পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলেরও নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

নবগঠিত কেন্দ্রীয় আংশিক কমিটিতে রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে সভাপতি এবং নাসির উদ্দীন নাসিরকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাশেদ ইকবাল খান এবং সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েলের নেতৃত্বাধীন বিদ্যমান কমিটি বিলুপ্ত করে শুক্রবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

কমিটিতে অন্যান্যরা হলেন সিনিয়র সহসভাপতি আবু আফসান মোহাম্মদ ইয়াহিয়া, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল মালুম, সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ আমান, দপ্তর সম্পাদক (সহসভাপতি পদমর্যাদা) মোহা. জাহাঙ্গীর আলম এবং প্রচার সম্পাদক (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) শরিফ প্রধান শুভ।

ঢাবি ছাত্রদলের কমিটি

ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এ বি এম ইজাজুল কবির রুয়েল এবং সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন বিদ্যমান কমিটি বিলুপ্ত করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট নতুন আংশিক কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে।

নবগঠিত এই আংশিক কমিটিতে গণেশ চন্দ্র রায় সাহসকে সভাপতি এবং নাহিদুজ্জামান শিপনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

কমিটির অন্যরা হলেন সিনিয়র সহসভাপতি মাসুম বিল্লাহ, সহসভাপতি আনিসুর রহমান খন্দকার অনিক, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন শাওন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম আক্তার শুভ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক নূর আলম ভুইয়া ইমন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The authorities must be responsible for the Bailey Road fire
ঘটনাস্থলে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন চেয়ারম্যান

বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ডে কর্তৃপক্ষের অবশ্যই দায় আছে

বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ডে কর্তৃপক্ষের অবশ্যই দায় আছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ শুক্রবার বিকেলে বেইলি রোডে আগুনের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ছবি: নিউজবাংলা
মানবাধিকার কমিশন চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এখানে অবশ্যই অসচেতনতা ছিল, অবহেলা ছিল। এত বড় একটি বাণিজ্যিক ভবনে ফায়ার এক্সিট থাকবে না? আর এটা না থাকার কারণে মানুষ পাগলের মতো ছুটাছুটি করেও বের হতে পারেনি।’

‘সাততলা ভবনের একটি মাত্র সিঁড়ি, কোনো ফায়ার এক্সিটও নেই। একমাত্র সিঁড়িটিও আবার গ্যাস সিলিন্ডারে পরিপূর্ণ ছিল। ভয়ঙ্কর ব্যাপার! এরকম একটা অবস্থায় আপনি কিভাবে অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা করবেন। এসব ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের অবশ্যই দায় আছে। বিশেষ করে সেখানে ফাস্ট সেফটি নিশ্চিত করা তাদের দায়িত্ব ছিল।’

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে এসব কথা বলেন।

কামাল উদ্দিন বলেন, ‘এতগুলো মানুষ এখানে মারা গেছে। এর চেয়ে দুর্ভাগ্য আর কিছুই হতে পারে না। আমরা বার বার একই ঘটনা দেখতে পাচ্ছি। ঘটনা ঘটার পর পরিস্থিতি কিছুদিন উত্তপ্ত থাকে, তারপর আবার আগের মতোই হয়ে যায়।’

মানবাধিকার কমিশন চেয়ারম্যান বলেন, ‘গত বছরের ৪ জুন আমরা একটি জাতীয় সেমিনার করি জাতীয় মানবাধিকার কমিশন থেকে। সেখানে আমরা নিমতলীর ঘটনা, চুরিহাট্টার ঘটনা, বঙ্গবাজারের ঘটনা, নিউমার্কেটের ঘটনাসহ সব বড় বড় অগ্নিকাণ্ড নিয়ে পর্যালোচনা করি। সেখানে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুপারিশ করি। কিন্তু সেসব সুপারিশের আলোকে আজ পর্যন্ত কোনো কাজ হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি এখানে রেস্টুরেন্টে পার্টি হচ্ছিল। কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্টে ২০ পার্সেন্ট ডিসকাউন্ট দেয়া হয়েছিল। সে কারণে মানুষের সংখ্যাও ছিল অনেক বেশি। কিন্তু তারা আর জীবন নিয়ে ফিরতে পারলেন না।

‘জাতীয়ভাবেই আমাদের দুর্ভাগ্য, আমরা কেউ এ ধরনের অগ্নিকাণ্ড নিয়ে সচেতন হচ্ছি না। কর্তৃপক্ষকে এখন বাধ্য করতে হবে ফায়ার সেফটি নিশ্চিত করতে।’

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মানবাধিকার কমিশন চেয়ারম্যান বলেন, ‘এখানে অবশ্যই অসচেতনতা ছিল, অবহেলা ছিল। এত বড় একটি বাণিজ্যিক ভবনে ফায়ার এক্সিট থাকবে না? আর এটা না থাকার কারণে মানুষ পাগলের মতো ছুটাছুটি করেও বের হতে পারেনি।’

কর্তৃপক্ষের অবহেলা সম্পর্কে বলতে গিয়ে কামাল উদ্দিন বলেন, ‘দেখুন, এখনও পুরান ঢাকা থেকে কেমিক্যালের গোডাউন সরেনি। কাদের দায়িত্ব এটা সরানোর? ফায়ার সার্ভিস সরানোর জন্য একের পর এক নোটিশ করবে আর এগুলো সরবে না- এটা তো হতে পারে না।’

এই মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড বলবেন কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এতকিছুর পরও যদি কর্তৃপক্ষের টনক না নড়ে তাহলে তো আর কিছু বলার নেই।’

উল্টো প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘আসলে কি টনক নড়েছে? নিমতলীতে ১২৪ জন মরার পর কী হয়েছে? কিছুই হয়নি। নিমতলীর পর চুরিহাট্টার ঘটনা ঘটেছে। আবার বনানীতে আগুনের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে ৪৮ জন মারা গেছে। এভাবে একের পর এক ঘটনা ঘটেই চলেছে। গতকাল (বৃহস্পতিবার) এখানে ৪৬ জন মারা গেছে। এই অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আমি শুনেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এরকম ঘটনা ঘটতে থাকা মানে হলো আমরা অন্ধকারাচ্ছন্ন যুগে বসবাস করছি। এই অগ্নিকাণ্ড থেকে শিক্ষা নিয়ে আমাদের আলোর দিকে এগিয়ে যেতে হবে।’

আরও পড়ুন:
বেইলি রোডে আগুন: রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক
আইনের শাসন না থাকলে বিপর্যয় ঘটতেই থাকে: ফখরুল
বেইলি রোডের আগুনে মৃত্যু বেড়ে ৪৫, শনাক্ত ৪০
এখনও নেভেনি বেইলি রোডের আগুন
বেইলি রোডে আগুনে ৪৩ মৃত্যু, গুরুতর দগ্ধ ২২

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Today two MPs of Chittagong took oath in the cabinet of the State Minister

সম্প্রসারিত মন্ত্রিসভায় চট্টগ্রামের ওয়াসিকা ও নজরুল

সম্প্রসারিত মন্ত্রিসভায় চট্টগ্রামের ওয়াসিকা ও নজরুল চট্টগ্রামের দুই এমপি ওয়াসিকা আয়শা খান ও নজরুল ইসলাম চৌধুরী। কোলাজ: নিউজবাংলা
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক সম্পাদক ওয়াসিকা আয়শা খান অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এবং নজরুল ইসলাম চৌধুরী শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ হচ্ছে। এতে চট্টগ্রামের দুজন এমপি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পাচ্ছেন, যারা শপথ নেবেন শুক্রবার সন্ধ্যায়।

সম্প্রসারিত মন্ত্রিসভায় চট্টগ্রাম থেকে যে দুজন স্থান পাচ্ছেন, তাদের বৃহস্পতিবার রাতে কল করে আমন্ত্রণ জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন।

ডাক পাওয়া দুই এমপি হলেন ওয়াসিকা আয়শা খান ও নজরুল ইসলাম চৌধুরী। তাদের মধ্যে ওয়াসিকা আয়শা খান সংরক্ষিত নারী আসন-৩১-এর তিনবারের এমপি। তিনি আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রয়াত আতাউর রহমান খান কায়সারের মেয়ে।

আরেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম চৌধুরী চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ) আসন থেকে তিনবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক সম্পাদক ওয়াসিকা আয়শা খান অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এবং নজরুল ইসলাম চৌধুরী শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এমপি নজরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে মন্ত্রিপরিষদ থেকে শপথ নেয়ার জন্য কল করা হয়েছে। আমাকে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
If there is no rule of law disasters will happen Fakhrul

আইনের শাসন না থাকলে বিপর্যয় ঘটতেই থাকে: ফখরুল

আইনের শাসন না থাকলে বিপর্যয় ঘটতেই থাকে: ফখরুল রাজধানীর বেইলি রোডে বৃহস্পতিবার রাতের আগুনে পুড়ে যাওয়া ভবনের সামনে শুক্রবার উৎসুক লোকজনের ভিড়। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা
শোকবার্তায় বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘দেশে আইনের শাসন না থাকলে দুর্ঘটনা ও বিপর্যয় ঘটতেই থাকে। কারণ সরকারকে জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হয় না। ফলে জনসমাজে নৈরাজ্য বিরাজ করে বলেই নানা দুর্ঘটনা ঘটে ও মানুষের প্রাণ ঝরে যায়।’

রাজধানীর বেইলি রোডে বৃহস্পতিবার রাতে আগুনে ৪৫ জনের প্রাণহানির ঘটনায় শুক্রবার শোক প্রকাশ করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশে আইনের শাসন না থাকলে দুর্ঘটনা ও বিপর্যয় ঘটতেই থাকে।

বেইলি রোডের ‘কাচ্চি ভাই’ নামের রেস্তোরাঁর ভবনে বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ৫০ মিনিটে আগুনের খবর পেয়ে ৯টা ৫৬ মিনিটে ঘটনাস্থলে যায় ফায়ার সার্ভিসের প্রথম ইউনিট। বাহিনীর ১৩টি ইউনিট রাত ১১টা ৫০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সম্পূর্ণ নেভেনি ভবনটির আগুন।

শোকবার্তায় বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাত পৌনে ১০টায় রাজধানীর বেইলি রোডস্থ একটি বহুতল ভবনে লাগা ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এ পর্যন্ত ৪৫ জনের নির্মম মৃত্যু এবং এখনও হাসপাতালের বিছানায় আগুনে দগ্ধ মানুষের আহাজারি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ও মর্মস্পর্শী। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকগণ জানিয়েছেন।

‘দেশে আইনের শাসন না থাকলে দুর্ঘটনা ও বিপর্যয় ঘটতেই থাকে। কারণ সরকারকে জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হয় না। ফলে জনসমাজে নৈরাজ্য বিরাজ করে বলেই নানা দুর্ঘটনা ঘটে ও মানুষের প্রাণ ঝরে যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘গত রাতে বেইলি রোডে বহুতল ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ও আহতদের স্বজনদের মতো আমিও গভীরভাবে ব্যথিত ও শোকাভিভূত। আমি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের নিকট দোয়া করি, শোকার্ত পরিবারগুলো যেন তাদের স্বজন হারানোর বেদনা কাটিয়ে উঠতে ধৈর্য ধারণ করতে পারেন।’

আরও পড়ুন:
গাজায় গণহত্যার পক্ষ নিয়েছে বিএনপি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
শাহজাহানপুরে গ্যাস লিকেজ থেকে আগুনে দগ্ধ ৭
শেরপুরে আগুনে পুড়ে দাদি-নাতির মৃত্যু
ভাসানচরে আগুন: দগ্ধ আরও এক রোহিঙ্গা শিশুর মৃত্যু
আগুন নিঃস্ব করল নিঃসঙ্গ বৃদ্ধ চা শ্রমিককে

মন্তব্য

p
উপরে