× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Police killed BNP in the name of movement Hanif
google_news print-icon

আন্দোলনের নামে পুলিশ হত্যা করেছে বিএনপি: হানিফ

আন্দোলনের-নামে-পুলিশ-হত্যা-করেছে-বিএনপি-হানিফ
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। ফাইল ছবি
সুশীল সমাজের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, বিএনপি জামায়াতের এই অপকর্মের কিছু সুশীল সমাজ টেলিভিশনে বসে তাদের পক্ষে সাফাই গান। এরা কারা? এরা তথাকথিত সুশীল সমাজের নামে স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি। এই দালালদেরকে চিহ্নিত করতে হবে। এরা সুশীলের নামে বসে দেশের ও সরকারের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক কথা বলে দেশের রাজনীতিকে উত্তপ্ত করতে চায়। এদেরকেও আইনের মুখোমুখি করতে হবে।’

শনিবার রাজপথে নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের দায় বিএনপিকে নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। তিনি বলেন, ‘দলটি আন্দোলনের নামে পুলিশ হত্যা করেছে। প্রধান বিচারপতির বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে। সাংবাদিকদের আক্রমণ করেছে। এই সন্ত্রাসীদের কাউকে রেহাই দেয়া হবে না। এদেরকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।’

রোববার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

হানিফ বলেন, ‘বিএনপির সন্ত্রাসী বাহিনী পুলিশ হত্যা করে, পুলিশের ওপর আক্রমণ, প্রধান বিচারপতির বাসভবনে আক্রমণের পর যখন সমাবেশ পণ্ডু হলো তখন তারা হরতাল দিচ্ছে। নিজেরা অপকর্ম করে তার দায় অন্যের ওপর চাপানোর চেষ্টা করছে। এবার আর রক্ষা হবে না। এই অপকর্মের দায় মির্জা ফখরুল সাহেবদের বহন করতে, এদের আর ছাড় দেয়া হবে না।’

তিনি বলেন, ‘গতকালের সন্ত্রাসী কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে তাদের স্বরূপ উন্মোচিত হয়েছে।’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, এই স্বাধীন বাংলাদেশেও আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বহু আন্দোলন হয়েছে। ১৯৯০ সালে স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করা হয়েছিল, ১৯৯৬ সালে বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার চেষ্টা করেছেন আমরা আন্দোলন করে পতন ঘটিয়েছিলাম। এরপর ২০০৬ সালে আবার অসাংবিধানিক পন্থায় ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রাখার চেষ্টার বিরুদ্ধে আন্দোলন করে তাদের অগণতান্ত্রিক পথ অনুসরণ প্রতিহত করেছিলাম তখনও পুলিশের ওপর আক্রমণ করা হয়নি। বরং বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় থাকতে আমরা বারবার নির্যাতনের শিকার হয়েছি।’

সুশীল সমাজের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিএনপি জামায়াতের এই অপকর্মের কিছু সুশীল সমাজ টেলিভিশনে বসে তাদের পক্ষে সাফাই গান। এরা কারা? এরা তথাকথিত সুশীল সমাজের নামে স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি। এই দালালদেরকে চিহ্নিত করতে হবে। এরা সুশীলের নামে বসে দেশের ও সরকারের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক কথা বলে দেশের রাজনীতিকে উত্তপ্ত করতে চায়। এদেরকেও আইনের মুখোমুখি করতে হবে।’

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে শান্তি সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম। এছাড়া বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ডা. মোস্তাফ জালাল মহিউদ্দিন ও সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
শান্তি সমাবেশ চলাকালে নালিতাবাড়ীতে আওয়ামী লীগ নেতার হার্ট অ্যাটাক, মৃত্যু
আহত আনসার সদস্যের খবর নিতে ঢামেকে মহাপরিচালক
বিএনপি নেতাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, পুলিশ বলছে পালাতে গিয়ে মৃত্যু
মঙ্গলবার থেকে টানা ৩ দিন অবরোধের ডাক বিএনপির
বিএনপির সঙ্গে সংলাপের দ্বার রুদ্ধ হয়ে গেল: কাদের

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
There is someone paid by BNP at the US State Department briefing Hasan Mahmood

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ব্রিফিংয়ে ‘পেইড বাই বিএনপি’ কেউ আছে: হাছান মাহমুদ

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ব্রিফিংয়ে ‘পেইড বাই বিএনপি’ কেউ আছে: হাছান মাহমুদ পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ মঙ্গলবার সেগুনবাগিচায় ডিআরইউ কার্যালয়ে মিট দ্য রিপোর্টার্স অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। ছবি: পিআইডি
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘সেখানে কেউ একজন আছেন যিনি খালেদা জিয়ার প্রেস উইংয়ে কাজ করতেন। তাকে বিএনপি বেতন দেয়। তিনি উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রশ্ন করেন এবং বাংলাদেশ সম্পর্কে নেতিবাচক উত্তর পাওয়ার চেষ্টা করেন।’

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রশ্ন করে নেতিবাচক উত্তর পাওয়ার জন্য বিএনপি বেতন দিয়ে কাউকে নিয়োজিত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই মন্তব্য করেন তিনি। সূত্র: ইউএনবি

ড. হাছান বলেন, ‘সেখানে কেউ একজন আছেন যিনি খালেদা জিয়ার প্রেস উইংয়ে কাজ করতেন। তাকে বিএনপি বেতন দেয়। তিনি উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রশ্ন করেন এবং বাংলাদেশ সম্পর্কে নেতিবাচক উত্তর পাওয়ার চেষ্টা করেন। উনি ইচ্ছাকৃতভাবে প্রশ্ন করেন।’

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার তৎকালীন সহকারী প্রেস সচিব মুশফিকুল ফজল আনসারীর উল্লেখ করে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের সবশেষ ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ভুলভাবে উদ্ধৃত করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ব্রিফিংয়ে আনসারীর প্রশ্ন ছিল, ‘যুক্তরাষ্ট্র কি বাংলাদেশি পণ্যের জন্য জিএসপি সুবিধা পুনর্বহালের কথা বিবেচনা করছে, যেমনটা বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শনিবার বলেছেন- অ্যাসিসট্যান্ট সেক্রেটারি ডোনাল্ড লু আশ্বাস দিয়েছেন যে ওয়াশিংটন বাংলাদেশের জন্য জিএসপি সুবিধা পুনর্বহালের বিষয়টি বিবেচনা করবে?’

জিএসপি সুবিধা বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মূলত বলেছেন, এই কর্মসূচি পুনরায় চালু হলে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে এটি ফেরত পেতে সহায়তা করতে চায়।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমি তথ্য ও সত্যের ভিত্তিতে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছি। যুক্তরাষ্ট্রের ইচ্ছার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সার্বিক অবস্থার উন্নয়নে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র শ্রমক্ষেত্রে কাজ করছে এবং যুক্তরাষ্ট্র জিএসপি সুবিধা পুনরায় চালু করলে তারা এটি ফেরত দিতে চায়।’

আনসারী অন্য একটি মিডিয়া ব্রিফিংয়ে বলেছিলেন, ‘ডোনাল্ড লুর সঙ্গে বৈঠকের পর বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সাংবাদিকদের বলেন, মানবাধিকার লঙ্ঘন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের জন্য র‌্যাবের ওপর আরোপিত যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে হোয়াইট হাউস খুবই আগ্রহী। তাই তিনি বলেছেন যে স্টেট ডিপার্টমেন্ট এবং হোয়াইট হাউস নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে কাজ করছে।’

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ডিআরইউ সভাপতি সৈয়দ শুকুর আলী শুভ ও সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন।

আরও পড়ুন:
আজিজ আহমেদের নিষেধাজ্ঞা ভিসা নী‌তির অধীনে নয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মন্ত্রিসভায় এপোস্টল কনভেনশন স্বাক্ষরের অনুমোদন, বছরে সাশ্রয় হবে ৫০০ কোটি টাকা
রোহিঙ্গা সংকট আরও গভীর হতে পারে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
জিএসপি সুবিধা ফিরিয়ে দেয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন লু: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দেশকে এগিয়ে নিতে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
11 people including Jamaat leader ATM Azhar were sentenced to prison

জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারসহ ১১ জনকে কারাদণ্ড

জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারসহ ১১ জনকে কারাদণ্ড ছবি: সংগৃহীত
এ টি এম আজহারুল ইসলামের আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, দণ্ডবিধির পৃথক দুই ধারায় এ কারাদণ্ডের আদেশ দেয় আদালত। এক ধারায় দেড় বছর ও আরেক ধারায় ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে।

রাজধানীর মতিঝিল থানার নাশকতা মামলায় জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামসহ ১১ জনকে দু’বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেককে উভয় ধারায় এক হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। মামলায় বেকসুর খালাস পেয়েছেন সাতজন।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী মঙ্গলবার এই রায় ঘোষণা করেন।

২০১০ সালের নভেম্বরে নাশকতার অভিযোগে মতিঝিল থানায় মামলাটি করা হয়।

সাজাপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন- মোবারক হোসেন, হাসান আল মামুন, আবু তাহের মেজবাহ, মো. জাহাঙ্গীর, মো. ইব্রাহিম, সাইফুল ইসলাম, মো. জরিপ, আবুল কাশেম, আশরাফুজ্জামান ও মো. রেদুয়ান।

এ টি এম আজহারুল ইসলামের আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, দণ্ডবিধির পৃথক দুই ধারায় এ কারাদণ্ডের আদেশ দেয় আদালত। এক ধারায় দেড় বছর ও আরেক ধারায় ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে।

আদালত সূত্র জানায়, রায় ঘোষণার সময় যুদ্ধাপরাধ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুলকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় শেষে তাকে সাজা পরোয়ানাসহ কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়। আর সাজাপ্রাপ্ত অন্য ১০ আসামি পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
জামায়াতের আমির ১৪ মাস পর কারামুক্ত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Prime Minister agreed to run battery operated rickshaws thinking of livelihood Nanak

জীবিকার কথা ভেবেই ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলে সম্মতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: নানক

জীবিকার কথা ভেবেই ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলে সম্মতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: নানক মঙ্গলবার রাজধানীর তালতলায় অবস্থিত লায়ন্স অগ্রগতি স্কুলে বিশেষ শিশু, বৃদ্ধ ও পক্ষাঘাতগ্রস্ত রোগীদের হুইল চেয়ারর বিতরণ অনুষ্ঠানে দেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক। ছবি: নিউজবাংলা
নানক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেমন করে গরীব-দুঃখী মানুষের জন্য কাজ করেন, আমরাও ঠিক তেমনভাবে মানুষের জন্য কাজ করতে চাই।’

মেহনতি মানুষের জীবন-জীবিকার কথা চিন্তা করেই গণমানুষের নেত্রী শেখ হাসিনা ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলের নির্দেশ দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গরিব-দুঃখী মানুষের আস্থার ঠিকানা বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার রাজধানীর তালতলায় অবস্থিত লায়ন্স অগ্রগতি স্কুলে বিশেষ শিশু, বৃদ্ধ ও পক্ষাঘাতগ্রস্ত রোগীদের হুইল চেয়ারর বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সামাজিক সংগঠন ‘সোসাইটি ফর এইড প্রোগ্রাম’ (এসএপি)।

এ সময় রোগীদের মাঝে হুইল চেয়ার ও গরিব-দুঃখীদের মাঝে রিকশা বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে নানক বলেন, ‘সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে একটি বার্তা আসে- ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধ করা হয়েছে, তাই শ্রমিকরা বিক্ষোভ শুরু করেছেন। প্রধানমন্ত্রী কথাটা শুনে অবাক হয়ে গেলেন! তিনি জানতে চান- এর কারণ কী? প্রধানমন্ত্রী তখনিই পরিষ্কার করে বললেন- ওরা যা দিয়ে উপার্জন করে জীবন-জীবিকা চালায়, সেই পথ কেন বন্ধ করা হয়েছে? সঙ্গে সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন অটোরিকশা চালু করার জন্য এবং চালু হয়ে গেল।’

ঢাকা ১৩ আসনের জনগণের উদ্দেশে স্থানীয় সংসদ সদস্য নানক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেমন করে গরীব-দুঃখী মানুষের জন্য কাজ করেন, আমরাও ঠিক তেমনভাবে মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। যেকোনো প্রয়োজন আপনারা আমাদের কাছে জানাবেন, আমরা আপনাদের পাশে থাকব, চেষ্টা করে যাব।’

অনুষ্ঠানে স্থানীয় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ দলের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
ঢাকা শহরে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলার অনুমতি প্রধানমন্ত্রীর: কাদের
কালশীতে পুলিশ বক্সে অটোরিকশা চালকদের আগুন
মিরপুরে ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকদের সড়ক অবরোধ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sanctions against Aziz in US Appreciation Act Qader

যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপ্রিসিয়েশন অ্যাক্টে আজিজের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা: কাদের

যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপ্রিসিয়েশন অ্যাক্টে আজিজের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা: কাদের আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির কার্যালয়ে মঙ্গলবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন ওবায়দুল কাদের। ছবি: নিউজবাংলা
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘মানুষের আগ্রহ নষ্ট করতেই নির্বাচন নিয়ে বিএনপি, টিআইবিসহ কিছু দেশবিরোধী বুদ্ধিজীবী অপপ্রচার আর মিথ্যাচার করছেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি সন্তোষজনক। সংঘাতবিহীন সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে।’

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতির কারণে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়নি বলে দাবি করেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপ্রিসিয়েশন অ্যাক্টের আওতায় এই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

দ্বিতীয় দফা উপজেলা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে মঙ্গলবার বিকেলে ধানমণ্ডিতে দলীয় সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যেটা বলেছে, বাংলাদেশের মিশনকে জেনারেল আজিজের বিষয়ে আগেই অবহিত করা হয়েছে। জেনারেল আজিজের বিষয়ে যে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে সেটা ভিসা নীতির প্রয়োগ নয়, যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপ্রিসিয়েশন অ্যাক্টের প্রয়োগ। এটা নিয়ে আমি আর কিছু বলব না। আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও কথা বলেছেন। আমরা এতটুকুই জানি, এটুকুই বললাম।’

মানুষের আগ্রহ নষ্ট করতেই নির্বাচন নিয়ে বিএনপি, টিআইবিসহ কিছু দেশবিরোধী বুদ্ধিজীবী অপপ্রচার আর মিথ্যাচার করছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। তিনি দাবি করেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি সন্তোষজনক। সংঘাতবিহীন সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে।

শাসক দলের দ্বিতীয় শীর্ষ এই নেতা বলেন, ‘ভোটাররা কেন আসেনি একথা যারা বলে তাদেরকে বলব- এটা স্থানীয় সরকার নির্বাচন। স্থানীয় সরকার নির্বাচন ভারতের পশ্চিমবঙ্গ এবং আমাদের বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ হয় এটা বলা যাবে না। এখানে কিছু সংঘাত, প্রাণহানি ঘটে।

‘বিএনপি নেতাদের বলব- আপনাদের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি নিয়ে বিবিসি মন্তব্য করেছিল ৫ শতাংশ। আর তখন সরকারিভাবে নির্বাচন কমিশন বলেছিল ২১ শতাংশ। তাহলে আপনাদের জাতীয় নির্বাচনে উপস্থিতি ২১-এর তুলনায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ৩০+ কম কিসে?’

রক্তপাত ছাড়া বিএনপি আমলে কোনো স্থানীয় সরকার নির্বাচন হয়নি বলে এ সময় মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘৭ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ৪২ শতাংশের কিছু বেশি ছিলো। সে নির্বাচনও শান্তিপূর্ণভাবেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল।’

জিয়াউর রহমান আবেদন করেই বাকশালের সদস্য হয়েছিলেন এবং এর তথ্য-প্রমাণ আছে দাবি করে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘বাকশাল একক কর্তৃত্ববাদী কোনো দল নয়। এটা জাতির প্রয়োজনে তখনকার বাস্তব অবস্থায় একটি জাতীয় দল। এটা একদলীয় কোনো শাসন নয়। জাতীয় এই দলে নির্বাচনের ব্যবস্থা ছিল।

‘মির্জা ফখরুল সাহেবরা যতই মিথ্যাচার করুন তথ্য-প্রমান আছে। জিয়াউর রহমান বিশেষভাবে বঙ্গবন্ধুর কাছে আবেদন করে বাকশালের সদস্য পদ লাভ করেছিলেন। বাকশালের কমিটিতে ৭১ নম্বরে তার নাম ছিল। মিথ্যাচার করে লাভ নেই।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, এস এম কামাল হোসেন, মির্জা আজম, সুজিত রায় নন্দীসহ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্র আগের অবস্থানে আছে, ফখরুল কী করে জানলেন: কাদের
নো হেলমেট, নো ফুয়েল: কাদের
যুক্তরাষ্ট্রের স্যাংশন-ভিসানীতি সরকার কেয়ার করে না: কাদের
আইন-বহির্ভূত কর্মকাণ্ড করলে ফের পালাতে হবে বিএনপিকে: কাদের
ডোনাল্ড লুর বাংলাদেশ সফর, যা বললেন ওবায়দুল কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
1 killed in upazila election clash in Coxs Bazar

কক্সবাজারে উপজেলা নির্বাচনে সংঘাত, ছুরিকাঘাতে নিহত ১

কক্সবাজারে উপজেলা নির্বাচনে সংঘাত, ছুরিকাঘাতে নিহত ১
দেলোয়ার নামে টেলিফোন প্রতীকের সমর্থককে আটক করে রাখে মোটরসাইকেল প্রতীকের সমর্থকরা। এ খবরে তাকে বাঁচাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতের শিকার হন সফুর আলম নামের ওই যুবক। তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

কক্সবাজারের নবগঠিত ঈদগাঁও উপজেলা নির্বাচনে হামলা, অবরোধ এবং প্রাণহানির মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে ভোটগ্রহণ। মঙ্গলবার সকাল থেকে ছোট ছোট বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলেও ভোটগ্রহণ শেষ হতেই খবর আসে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে টেলিফোন প্রতীকের এক কর্মী-সমর্থক নিহত হয়েছেন।

দেলোয়ার নামে টেলিফোন প্রতীকের সমর্থককে আটক করে রাখে মোটরসাইকেল প্রতীকের সমর্থকরা। এ খবরে তাকে বাঁচাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতের শিকার হন সফুর আলম নামের ওই যুবক।

ভোটগ্রহণ শেষে ঈদগাঁও উপজেলার পশ্চিম পোকখালী ৪ নম্বর ওয়ার্ডে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তি পশ্চিম পোকখালী ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মামমোরা পাড়ার নুর উদ্দিনের ছেলে।

দেলোয়ার জানান, তিনি একটি বাড়িতে খাবার খেতে গেলে সেখানে তাকে মোটরসাইকেল প্রতীকের কর্মী-সমর্থকরা আটকে রাখে। খবর পেয়ে তাকে উদ্ধারে ছুটে গেলে সেখানে সফুর আলমকে ছুরিকাঘাত করা হয়। তাকে উদ্ধার করে ৪টা ২০ মিনিটের দিকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঈদগাঁও থানার ওসি শুভ রঞ্জন চাকমা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’

উপজেলা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় কক্সবাজারের চকরিয়া, পেকুয়া ও ঈদগাঁও উপজেলার ভোট ইভিএম পদ্ধতিতে নেয়া হয়েছে। চকরিয়া ও পেকুয়ার সার্বিক পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ হলেও ঈদগাঁওতে দিনব্যাপী বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে দুপুরে একটি কেন্দ্রে প্রবেশের চেষ্টাকালে মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী সামশুল আলমকে মারধর করা হয়।

তার প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট মৌলভী ইয়াছিন হাবিব জানান, মোটরসাইকেল প্রতীকের সমর্থকরা এই মারধরের ঘটনা ঘটায়।

একই সময় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী আবু তালেবকে মারধর করেন বলে অভিযোগ প্রার্থীর।

বেলা আড়াইটার দিকে আনারস প্রতীকের প্রার্থী সেলিম আকবার কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ এনে কর্মী-সমর্থকেদের নিয়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার হাইওয়ে সড়কে অবরোধ করেন। এসময় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী লাঠিচার্জ করে তাকে সরিয়ে দেয়।

আরও পড়ুন:
দ্বিতীয় ধাপে ভোট পড়েছে ৩০ শতাংশের বেশি: সিইসি
১৫৬ উপজেলা নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ, গণনা চলছে
কুড়িগ্রামে জাল ভোট দিতে গিয়ে রিকশাচালক আটক
প্রতিপক্ষের এজেন্টকে মারধর, আ.লীগ নেতার কারাদণ্ড
চার ঘণ্টায় ভোট পড়েছে ১৭ শতাংশ: ইসি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Nothing to be happy about ban on Gen Aziz Fakhrul

জেনারেল আজিজের ওপর নিষেধাজ্ঞায় খুশি হওয়ার কিছু নেই: ফখরুল

জেনারেল আজিজের ওপর নিষেধাজ্ঞায় খুশি হওয়ার কিছু নেই: ফখরুল মঙ্গলবার ডিআরইউতে এক আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত
ফখরুল বলেন, ‘আমি যদি নিজের ঘর নিজে সামলাতে না পারি, তবে অন্য কেউ আমার জন্য এটা করে দেবে না। আজিজের ওপর নিষেধাজ্ঞায় অনেকেই খুশি হতে পারেন। আমি মনে করি, এটি বিভ্রান্তিকর এবং আমরা সবসময় বিভ্রান্ত হচ্ছি।’

সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার খবরে খুশি না হতে দলের সহকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) এক আলোচনা সভায় এ আহ্বান জানান তিনি। খবর ইউএনবি

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) প্রতিষ্ঠাতা শফিউল আলম প্রধানের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এই আলোচনা সভার আয়োজন করে জাগপার একাংশ।

ফখরুল বলেন, ‘অন্যের ওপর নির্ভর না করে নিজের শক্তি দিয়েই বর্তমান সরকারকে পরাজিত করতে হবে।

‘আমি যদি নিজের ঘর নিজে সামলাতে না পারি, তবে অন্য কেউ আমার জন্য এটা করে দেবে না। আজিজের ওপর নিষেধাজ্ঞায় অনেকেই খুশি হতে পারেন। আমি মনে করি, এটি বিভ্রান্তিকর এবং আমরা সবসময় বিভ্রান্ত হচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘আমেরিকা এর আগেও র‌্যাব, এলিট ফোর্স ও পুলিশ কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল, কিন্তু বর্তমান সরকারের ভয়াবহ যাত্রা থামাতে পারেনি।’

দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ফখরুল বলেন, ‘আমাদের নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে, নিজের শক্তি দিয়ে দাঁড়াতে হবে এবং নিজেদের শক্তি দিয়ে তাদের পরাজিত করতে হবে।’

উল্লেখ্য, ‘উল্লেখযোগ্য দুর্নীতিতে' জড়িত থাকার অভিযোগে সোমবার সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর।

আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে জেনারেল আজিজ যা বললেন
সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ ও তার পরিবারের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
30 percent voting in the second phase of upazila elections CEC
উপজেলা নির্বাচন

দ্বিতীয় ধাপে ভোট পড়েছে ৩০ শতাংশের বেশি: সিইসি

দ্বিতীয় ধাপে ভোট পড়েছে ৩০ শতাংশের বেশি: সিইসি সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল মঙ্গলবার বিকেলে নির্বাচন ভবনে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন। ছবি: নিউজবাংলা
কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে ৩০ শতাংশ ভোটকে কখনোই উৎসাহব্যঞ্জক মনে করি না৷ এর প্রধানতম কারণ হতে পারে যে দেশের একটি বড় রাজনৈতিক দল (বিএনপি) ঘোষণা দিয়ে ভোট বর্জন করেছে। তারা জনগণকে ভোট প্রদানেও নিরুৎসাহিত করেছে। ভোট নিয়ে কোনো সংকট নেই। সংকটটি হচ্ছে রাজনীতিতে।’

উপজেলা নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ৩০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

মঙ্গলবার বিকেলে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

সিইসি বলেন, নির্বাচনে উপস্থিতির যে হার এটি থার্টি প্লাস হতে পারে। তবে একেবারে নির্ভুল তথ্য বুধবার পাওয়া যাবে।

কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘আজ (মঙ্গলবার) দ্বিতীয় ধাপে ১৫৬টি উপজেলা পরিষদে ভোটগ্রহণ হয়েছে। তার মধ্যে ব্যালট পেপারে ১৩২টি আর ইভিএমের মাধ্যমে ২৪টিতে ভোট হয়েছে। যথারীতি বিকেল ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে।

‘নির্বাচনে সহিংসতা ঘটেনি। হাতাহাতির মতো দু-একটা ঘটনা ঘটেছে। তাতে একজন কি দুজন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। কিন্তু উল্লেখযোগ্য সহিংসতা হযনি। নির্বাচন মোটামুটি ভালোই শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে৷’

তিনি বলেন, ‘কোথাও কোথাও মিডিয়ার কিছু কর্মীও আহত হয়েছেন। সাহস করে যারা ছবি তুলতে গেছেন তারা হয়তো হেনেস্তার শিকার হয়েছেন। আমরা সঠিক তথ্য এখনও পাইনি। হাতাহাতিতে ৩০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন বা দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন। গতকাল (সোমবার) রাতে একজনের হাত কেটে গেছে।’

সিইসি বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসন তৎপর ছিল। এবার প্রতিটি কেন্দ্রে বিভিন্ন বাহিনীর অধিকসংখ্যক সদস্য মোতায়েন ছিল।

‘যেখানেই অন্যায়-অনাচার হযেছে, ভোট কারচুপির চেষ্টা হয়েছে সেখানেই আইন শৃঙ্খলা বাহিনী হস্তক্ষেপ করেছে। মোট ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিছু কারচুপির জন্য ১০ জনকে তাৎক্ষণিক কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। দুজন মারা যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে তা ভোটকে কেন্দ্র করে নয়। গরম বা অন্য কোনো কারণে। আমরা তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।’

প্রথম ধাপে বলেছিলেন যে ধান কাটার মৌসুম ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে ৩৬ শতাংশ ভোট পড়েছে। এই ধাপে আরও কম ভোট পড়ার কারণ কি?

সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে ৩০ শতাংশ ভোটকে কখনোই উৎসাহব্যঞ্জক মনে করি না৷ এর প্রধানতম কারণ হতে পারে যে দেশের একটি বড় রাজনৈতিক দল (বিএনপি) প্রকাশ্যে এবং ঘোষণা দিয়ে ভোট বর্জন করেছে। তারা জনগণকে ভোট প্রদানেও নিরুৎসাহিত করেছে। যে কোনো গণতান্ত্রিক দেশে এ ধরনের চেষ্টা হতে পারে৷ পক্ষ-বিপক্ষ থাকতে পারে৷

‘ভোট নিয়ে কোনো সংকট নেই। সংকটটি হচ্ছে রাজনীতিতে। আমি মনে করি রাজনীতি যদি আরও সুস্থ ধারায় প্রবাহিত হয় তাহলে আগামীতে ভোটের স্বল্পতার সমস্যাটুকু হয়তো কাটিয়ে ওঠা যাবে।’

তিনি বলেন, ‘যে কোনো গণতান্ত্রিক দেশে ভোটারদের স্বশাসনটা বুঝতে হবে। স্বশাসনটা হচ্ছে নিজেই নিজেকে শাসন করবে তাদের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে। এটা হচ্ছে সচেতনতা, এটাই হচ্ছে গণতন্ত্রের একটা গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। সেদিক থেকে আমরা আশা করি, রাজনীতিতে যে সংকটটা রয়েছে সেটা কাটিয়ে উঠবে এবং সুস্থ ধারায় রাজনীতি প্রবাহিত হবে। ভোটাররা উৎসাহী হবে। উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে আসবে।’

সাংবাদিকদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দেয়া প্রসঙ্গে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘এই তথ্য আমাদের কাছে নেই। বাংলাদেশ বিস্তৃত জমিন। কোথাও কোথাও এ ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে৷ আমরা স্বচ্ছতা ও দৃশ্যমানতায় বিশ্বাস করি।

‘তথ্য জনগণের কাছে উপস্থাপনের মতো যেকোনো তথ্য আপনারা সংগ্রহ করবেন৷ আমাদের সাপোর্ট থাকবে। তথ্যগুলো যেন সঠিক হয় সেটি আমরা দেখব। বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটতে পারে। এজন্য আমরা দুঃখিত। মিডিয়া যেন স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে, এজন্য আমরা আইনও করেছি।’

আরও পড়ুন:
লাঠিতে ভর করে সকাল সকাল ভোটকেন্দ্রে শতবর্ষী সোলেমান
ভোট চলছে ১৫৬ উপজেলায়
সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ শিক্ষিকার
‘ভোটের টাকা’ বিলি করতে গিয়ে পিটুনি খেলেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান
আ.লীগ নেতার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল; শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

মন্তব্য

p
উপরে