× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
How is mothers son Tarek Prime Ministers question
google_news print-icon

মায়ের কেমন ছেলে তারেক: প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন

মায়ের-কেমন-ছেলে-তারেক-প্রধানমন্ত্রীর-প্রশ্ন
রাজধানীর কাওলায় শনিবার মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি
শেখ হাসিনা বলেন, ‘তার (তারেক জিয়া) মা এতো অসুস্থ, তিনি নাকি যখন তখন মরে যাবেন! তারপরও ছেলে কেন মাকে দেখতে আসে না? এটা কেমন ছেলে? মা এখন ঘরে পড়ে মরে, বয়স হয়েছে, আবার অসুস্থ।’

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মাতৃভক্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘তার (তারেক জিয়া) মা এতো অসুস্থ, তিনি নাকি যখন তখন মরে যাবেন! তারপরও ছেলে কেন মাকে দেখতে আসে না? এটা কেমন ছেলে? মা এখন ঘরে পড়ে মরে, বয়স হয়েছে, আবার অসুস্থ।’

শনিবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন উপলক্ষে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর কাওলায় শনিবার এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, এখন দেখছি, বিএনপি নেতারা অনশন করে খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠাতে চান। নেবেটা কে? যে ছেলে মাকে দেখতে আসে না, সে নেবে? এমন আশা করাও দুরাশা।

‘আমি তো বলব, তারেক মাকে দেখতে আসুক। খালেদা জিয়ার আরেক ছেলে কোকো মারা গেল। তার বিরুদ্ধেও মানি লন্ডারিং দুর্নীতির মামলা ছিল। কিন্তু সে মালয়েশিয়াতে মারা যায়। তার লাশ আসে। আমি একজন মা। আমারও সন্তান আছে। আমি খালেদা জিয়াকে সহানুভূতি দেখাতে গিয়েছিলাম। আমার তরফ থেকে আমার মিলিটারি সেক্রোটারি তাদের বাসায় যোগাযোগ করে সময় ঠিক করে। কিন্তু আমি যখন সেই বাসার সামনে যাই, বাসার গেট তালা দিয়ে বন্ধ করে দেয়।’

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘এখন দেখি বিএনপির নেতারা খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার দাবি নিয়ে অনশন করে। আমি জিজ্ঞাসা করি, তারা কয়টা থেকে অনশন শুরু করেছে, আর বাসায় কী দিয়ে নাস্তা করে এসেছে? বাড়ি গিয়ে কী দিয়ে ভাত খাবে? কয় ঘণ্টার অনশন? নাটক করারও একটা সীমা থাকে। এই নাটকই করে যাচ্ছে তারা।’

আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুতে খালেদা জিয়াকে সান্ত্বনা দিতে গিয়ে বাসায় ঢুকতে না পারার বিষয়ে আক্ষেপ তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আমি যখন সেই বাসার সামনে যাই, বাসার গেট তালা দিয়ে বন্ধ করে দেয়। ভেতরে বিএনপি নেতারা ঘুরে বেড়াচ্ছেন। গেটে তালা দিয়ে আমাকে ঢুকতে দেবে না।

‘কত বড় অপমান! আপনারা একবার চিন্তা করে দেখেন। আমি গেছি সহানুভূতি দেখাতে, আমাকে ঢুকতে দেয় না। খালেদা জিয়া ভুলে গেছেন, সেই একাত্তরের পর কতবার তিনি ৩২ নম্বরে গেছেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব না থাকলে, আমার মা সহযোগিতা না করলে বেগম জিয়া হিসেবে নিজের নাম-পরিচয় দিতে পারতেন না তিনি।’

খালেদা জিয়ার ভাই-বোনের অনুরোধে তার সাজা স্থগিত রেখে বাড়িতে রাখার সুযোগ করে দেয়ার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘তার বড় বোন ও ভাই, বোনের জামাই আমার সাথে এবং রেহানার সাথে দেখা করে। গণভবনে এসে কান্নাকাটি করে।

‘সরকারপ্রধান হিসেবে আমার যেটুকু ক্ষমতা তার সবটুকু করেছি। যদিও তিনি আমাকে হত্যার জন্য গ্রেনেড হামলা, কোটালীপাড়ায় বোমা পুঁতে রাখা ও বার বার হামলা করেছেন। তিনি এক একটা বক্তৃতা দিয়েছেন, তারপর আমার ওপর হামলা হয়েছে। আল্লাহ আমাকে রক্ষা করেছেন। আমার নেতাকর্মীরা জীবন দিয়ে রক্ষা করেছেন।’

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের দুর্নীতি, জঙ্গিবাদ সৃষ্টি, লুটপাট, মানি লন্ডারিং ও হত্যার কারণে ২০০৭ সালে এদেশে জরুরি অবস্থা জারি হয় বলে দাবি করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘সেই জরুরি অবস্থার সময় খালেদা জিয়ার ছেলে মুচলেকা দিয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়। জীবনে আর নাকি রাজনীতি করবে না।

‘যে টাকা সে মানি লন্ডারিং করেছিল, সেটা ধরা পড়ে। তার দুর্নীতির সাক্ষ্য কিন্তু এফবিআই বাংলাদেশে এসেই দিয়ে যায়। সেই মামলায় তারেক সাজাপ্রাপ্ত। এফবিআই’র সাক্ষ্যেই সাজাপ্রাপ্ত। তাদের ব্যবসা ছিল অস্ত্র চোরাকারবার ও মানি লন্ডারিং। এছাড়া ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে হত্যা মামলারও আসামি সে।’

আরও পড়ুন:
খালেদা জিয়া পাকিস্তানের ধারাবাহিকতায় চলতে চেয়েছিলেন: প্রধানমন্ত্রী
ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি নিপীড়ন বন্ধের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
জাতীয়-আন্তর্জাতিক চক্রান্ত সবসময় থাকে, ওসবে ভয় করি না: প্রধানমন্ত্রী
দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যেতে চাই: প্রধানমন্ত্রী
দেশবাসীর ভাগ্য নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
34 Diplomats at Rangkut Buddhist Monastery

রাংকুট বৌদ্ধ বিহারে ৩৪ কূটনীতিক

রাংকুট বৌদ্ধ বিহারে ৩৪ কূটনীতিক বুধবার রামুর ঐতিহাসিক রাংকুট বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শনে ৩৪ কূটনীতিক। ছবি: নিউজবাংলা
বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শনকালে কক্সবাজার অঞ্চলের বৌদ্ধ ইতিহাস, স্থাপনা এবং সমুদ্র সৈকত- সব মিলিয়ে অপার পর্যটন সম্ভাবনাকে তোলে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার আশ্বাস দেন কূটনীতিকরা।

কক্সবাজারের রামুর ঐতিহাসিক রাংকুট বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শন করেছেন কক্সবাজার সফরে আসা ৩৪ কূটনীতিক।

বুধবার সকালে রাংকুট বৌদ্ধ বিহারে এসে পৌঁছালে কূটনীতিকদের স্বাগত জানান বিহারাধক্ষ্য জ্যোতিসেন মহাথেরো।

তিনি জানান, এ সময় দুই হাজার ৩০০ বছরের পুরোনো মহামতি বুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত এই স্থান দেখে মুগ্ধ হন অতিথিরা। সেইসঙ্গে সম্রাট অশোক, চীনা পর্যটক হিউয়েন সাংয়ের আবক্ষ মূর্তিসহ বৌদ্ধ পুরাকীর্তি দেখে অভিভূত হন। অতিথিরা বিহারের বিভিন্ন দিক ঘুরে দেখেন।

পরিদর্শনকালে কক্সবাজার অঞ্চলের বৌদ্ধ ইতিহাস, স্থাপনা এবং সমুদ্র সৈকত- সব মিলিয়ে অপার পর্যটন সম্ভাবনাকে তোলে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার আশ্বাস দেন কূটনীতিকরা।

কূটনীতিকদের আগমনে বিহারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় এবং ঐতিহ্যবাহী পিঠাপুলি দিয়ে তাদের আপ্যায়ন করা হয়।

রাংকুট বৌদ্ধ বিহারে ৩৪ কূটনীতিক

পরে তারা সমুদ্র সৈকতের লাবনীর ট্যুরিস্ট মার্কেটে যান। সেখানে ঝিনুকের দোকানসহ অন্যান্য হস্তশিল্প পণ্যের দোকান পরিদর্শন করেন।

এ সময় জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে মঙ্গলবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের নেতৃত্বে ২৪ দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার মিশন প্রধানসহ ৩৪ জন কূটনীতিক রেলে চড়ে কক্সবাজার যান।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘অ্যাম্বাসেডরস আউট রিচ’ প্রোগ্রামের আওতায় যেখানে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, রাশিয়া, চীন, কোরিয়া, ইতালি, ডেনমার্ক, কসোভো, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, নেপাল, শ্রীলংকা, ভিয়েতনাম, ভ্যাটিকান, ভুটান, স্পেন, আর্জেন্টিনা, লিবিয়া, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া, মিশর, ফ্রান্সের মিশন প্রধানসহ এফএও, আইইউটি ও একেডিএন-এর মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার কূটনীতিকরা দুদিনের সফরে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার যান।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Prime Ministers instructions not to hold official big Iftar parties

সরকারিভাবে বড় ইফতার পার্টি না করার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

সরকারিভাবে বড় ইফতার পার্টি না করার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: ফোকাস বাংলা
মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর তরফ থেকে বেসরকারিভাবে ইফতার পার্টি আয়োজনকেও নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, কারও যদি এ ধরনের অনুষ্ঠান করার ইচ্ছা থাকে তাহলে যেন সেই অর্থে খাদ্য কিনে গরিব মানুষদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।’

আসন্ন পবিত্র রমজানে সরকারিভাবে বড় ধরনের কোনো ইফতার পার্টি উদযাপন না করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনির্ধারিত আলোচনায় তিনি এই নির্দেশনা দেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় এই বৈঠকে একইসঙ্গে বেসরকারিভাবেও এ ধরনের ইফতার পার্টি আয়োজনকে নিরুৎসাহিত করার কথা বলেছেন সরকার প্রধান।

বিকেলে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বৈঠকের সিদ্ধান্ত ও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর তরফ থেকে একটা নির্দেশনা আছে, সেটা হলো রমজান মাসে সরকারিভাবে বড় করে কোনো ইফতার পার্টি আয়োজন করা যাবে না।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রীর তরফ থেকে নির্দেশনা আছে, রমজান মাসে সরকারিভাবে বড় ধরনের ইফতার পার্টি নামক কোনো বিষয় উদযাপন করা যাবে না। তিনি এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক করেছেন।

তিনি বলেন, বেসরকারিভাবে ইফতার পার্টি আয়োজনকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, কারও যদি এ ধরনের অনুষ্ঠান করার ইচ্ছা থাকে তাহলে যেন সেই অর্থে খাদ্য কিনে গরিব মানুষদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।

মাহবুব হোসেন আরও বলেন, ‘আপনাদের বুঝতে হবে আমরা যেন অপচয় না করি। আমরা যেন লোক দেখানো কার্যক্রমে নিজেদের নিয়োজিত না করি। তার বদলে ওই টাকাটা যদি আপনি কারও কল্যাণে ব্যবহার করতে চান, গরিব মানুষ যাদের টার্গেট করলেন তাদের আপনি বিলিয়ে দিতে পারেন। আমি-আপনি বসে খেলাম, ওখানে অনেক খাদ্যের অপচয় হলো, অর্থের অপচয় হলো। এটার তো ধর্মীয় দিক থেকেও যুক্তি থাকতে পারে না।

প্রসঙ্গত, রমজান মাসের চাঁদ দেখা সাপেক্ষে এ বছর রোজা শুরু হতে পারে ১২ বা ১৩ মার্চ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Make PSC a Center of Excellence President

পিএসসিকে সেন্টার অফ এক্সিলেন্সে পরিণত করুন: রাষ্ট্রপতি

পিএসসিকে সেন্টার অফ এক্সিলেন্সে পরিণত করুন: রাষ্ট্রপতি পিএসসি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বুধবার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ করে। ছবি: পিআইডি
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘দেশের মেধাবী তরুণরা যাতে তাদের মেধা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে জনগণের সেবার মনোভাব নিয়ে সরকারি চাকরিতে প্রবেশ করতে পারে সে লক্ষ্যে কর্মকমিশনের সব কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।’

সরকারি কর্ম কমিশনকে (পিএসসি) সব কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতের মাধ্যমে সেন্টার অফ এক্সিলেন্সে পরিণত করার নির্দেশ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

পিএসসি চেয়ারম্যান মো. সোহরাব হোসাইনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বুধবার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন-২০২৩ পেশকালে তিনি এই নির্দেশ দেন।

সাক্ষাৎকালে পিএসসি চেয়ারম্যান প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক এবং কমিশনের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘দেশের মেধাবী তরুণরা যাতে তাদের মেধা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে জনগণের সেবার মনোভাব নিয়ে সরকারি চাকরিতে প্রবেশ করতে পারে সে লক্ষ্যে কর্ম কমিশনের সব কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

‘বাছাই প্রক্রিয়ায় চাকরিপ্রার্থীদের দেশপ্রেম, সততা ও নিষ্ঠা এবং স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সম্পর্কিত বিষয়াদির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।’

নিয়োগ প্রক্রিয়ার জটিলতা ও সময়সীমা কমিয়ে আনতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোসহ কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার ওপর জোর দেন রাষ্ট্রপতি।

পিএসসির কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে পিএসসি আরও গতিশীল হবে এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে আনতে সক্ষম হবে।

আরও পড়ুন:
প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
বিরোধীদের সহিংসতা-নৈরাজ্য পরিহারে রাষ্ট্রপতির আহ্বান
দ্বাদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন বসছে বিকেলে
দ্বাদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন বসছে মঙ্গলবার
পাবনায় নির্মাণ হবে শেখ কামাল হাইটেক পার্ক: রাষ্ট্রপতি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
MP of reserved 50 women constituencies took oath

শপথ নিলেন সংরক্ষিত ৫০ নারী আসনের এমপি

শপথ নিলেন সংরক্ষিত ৫০ নারী আসনের এমপি
টেলিভিশন থেকে নেয়া
সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে প্রথমে আওয়ামী লীগের ৪৮ জন এবং পরের ধাপে জাতীয় পার্টির দুজন এমপিকে শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার।

শপথ নিয়েছেন জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা।

বুধবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান।

সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে প্রথমে আওয়ামী লীগের ৪৮ জন এবং পরের ধাপে জাতীয় পার্টির দুজন এমপিকে শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার।

সংরক্ষিত নারী আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা (যুগ্ম সচিব) মুনিরুজ্জামান তালুকদার গত ২৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনি আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৫০ জন প্রার্থীকে নির্বাচিত ঘোষণা করেন।

নির্বাচনের বিধি অনুযায়ী, সরাসরি ভোটে জয়ী দলগুলোর আসন সংখ্যার অনুপাতে নারী আসন বণ্টন করা হয়।

এবার জোট শরিক ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সমর্থনে ৪৮টি সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী মনোনয়ন দেয় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। বিরোধী দল জাতীয় পার্টি মনোনয়ন দিয়েছিল ২টি আসনে। কোন প্রতিদ্বন্দ্বিতা না থাকায় তাদেরকে সরাসরি নির্বাচিত ঘোষণা করা হয।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Roja office 9 am to 330 pm

রোজায় অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা

রোজায় অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা ফাইল ছবি
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১২ বা ১৩ মার্চ থেকে রমজান মাস শুরু হতে পারে। রোজা শুরুর দিন থেকে নতুন সূ‌চিতে অফিস চলবে।

আসন্ন রমজান মাসে সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত অফিস চলবে।

বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়।

বৈঠক শেষে বিকেলে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিয়ষটি নিশ্চিত করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

তিনি জানান, সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং আধাস্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের জন্য রমজান মাসের অফিসের এ সময়সূচি।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১২ বা ১৩ মার্চ থেকে রমজান মাস শুরু হতে পারে। রোজা শুরুর দিন থেকে নতুন সূ‌চিতে অফিস চলবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Govt decides on offshore gas extraction PM

সরকার অফশোর গ্যাস উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

সরকার অফশোর গ্যাস উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে আইটিএফসির সিইও ইঞ্জিনিয়ার হানি সালেম সাক্ষাৎ করেন। ছবি: পিআইডি
ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ট্রেড ফাইন্যান্স করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইঞ্জিনিয়ার হানি সালেমের সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘দেশের জ্বালানি ঘাটতি প্রশমিত করতে অফশোর গ্যাস উত্তোলনের এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আমাদের বিনিয়োগ প্রয়োজন।’

দেশের জ্বালানি ঘাটতি প্রশমিত করতে সরকার অফশোর গ্যাস উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘অফশোর গ্যাস উত্তোলনের এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আমাদের বিনিয়োগ প্রয়োজন।’

ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ট্রেড ফাইন্যান্স করপোরেশনের (আইটিএফসি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইঞ্জিনিয়ার হানি সালেম মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর সংসদ ভবন কার্যালয়ে সাক্ষাৎকালে সরকার প্রধান একথা বলেন। সূত্র: বাসস

প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘সরকার দেশের সব এলাকায় বিদ্যুৎ দিয়েছে।;

তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৯৬ সালে সরকারে তার প্রথম মেয়াদে তিনি বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎকে উন্মুক্ত করেছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকারের পদক্ষেপের ফলে দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ বিরাজ করছে।’

সরকার প্রধান কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এর জন্য দেশে বিনিয়োগ প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিশেষ করে আমরা গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নতি এবং খাদ্য উৎপাদনকে অগ্রাধিকার দিয়েছি।

‘সরকার বর্তমান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে এবং জনগণের ভোগান্তি কমানোর ওপর জোর দিয়েছে। এ লক্ষ্যে আমরা সব ধরনের উৎপাদন বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছি।’

আইটিএফসির প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী হানি সালেম বলেন, ‘অবকাঠামো, আইসিটি, ঋণ ব্যবস্থাপনা, জ্বালানি এবং জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়নে আমরা সর্বাত্মক সহায়তা দেব।’

প্রকৌশলী হানি সালেম বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আর্থিক ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের একটি চমৎকার ট্র্যাক রেকর্ড রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
দেশের মানুষের সেবা করুন: পুলিশকে প্রধানমন্ত্রী
বাইডেনের চিঠির জবাব পাঠালেন শেখ হাসিনা
নারী উদ্যোক্তাদের উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের বিশেষ তহবিল চান প্রধানমন্ত্রী
সরকার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেছে: প্রধানমন্ত্রী
রমজানে কোনো কিছুর অভাব হবে না: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
13 lakh 5453 workers went abroad last year

গত বছর বিদেশ গেছেন ১৩ লাখ ৫৪৫৩ কর্মী

গত বছর বিদেশ গেছেন ১৩ লাখ ৫৪৫৩ কর্মী ফাইল ছবি
সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের ফলে বিদেশে কর্মী পাঠানো উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০২২ সালে ১১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৭৩ জন কর্মী বৈদেশিক কর্মসংস্থানের জন্য গিয়েছেন। ২০২৩ সালে এ সংখ্যা ১৩ লাখ ৫ হাজার ৪৫৩ জনে উন্নীত হয়েছে।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী পাঁচ বছরে ৬০ লাখ কর্মী বিদেশে পাঠানোর কর্মপরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি মঙ্গলবার সংসদে সরকারি দলের সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরীর তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান। খবর বাসসের

তিনি জানান, সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের ফলে বিদেশে কর্মী পাঠানো উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০২২ সালে ১১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৭৩ জন কর্মী বৈদেশিক কর্মসংস্থানের জন্য গিয়েছেন। ২০২৩ সালে এ সংখ্যা ১৩ লাখ ৫ হাজার ৪৫৩ জনে উন্নীত হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদেশে কর্মী পাঠানো একটি চলমান প্রক্রিয়া। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দূরদৃষ্টি এবং সঠিক ও সময়োপযোগী কূটনৈতিক তৎপরতায় স্বাধীনতার পরপরই বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য অভিবাসন এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল। তার ধারাবাহিকতায় ৬ হাজার ৮৭ জন কর্মী পাঠানোর মধ্যে দিয়ে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের যাত্রা শুরু হয়।

মন্তব্য

p
উপরে