× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Nuclear power plants are risky GM Quader
google_news print-icon

পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ: জি এম কাদের

পারমাণবিক-বিদ্যুৎকেন্দ্র-ঝুঁকিপূর্ণ-জি-এম-কাদের
নীলফামাঋতে শুক্রবার জাতীয় পার্টির সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন জি এম কাদের। ছবি: নিউজবাংলা
জি এম কাদের বলেন, ‘রাশিয়াতে যেখানে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে দূর্ঘটনা ঘটেছিল, তার আশেপাশের ৫০ মাইল পর্যন্ত কোনো বসতি করতে দেয়া হয়নি। যেখানে বড় বড় দেশ এই পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ব্যবহার থেকে দূরে সরে আসছে, সেখানে আমরা একটি বিপদ আমাদের মত জনবসতিপূর্ণ দেশে আনছি।’

পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র বিপদজনক বলে মন্তব্য করে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা জি এম কাদের বলেছেন, ‘রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ। এটা দেশের জন্য বড় বিপদজনক। এটা আপনাদের জানানো প্রয়োজন, তাই আপনাদের জানালাম।’

নীলফামারী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে অনুষ্ঠিত জেলা জাতীয় পার্টির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

জি এম কাদের বলেন, ‘রাশিয়াতে যেখানে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে দূর্ঘটনা ঘটেছিল, তার আশেপাশের ৫০ মাইল পর্যন্ত কোনো বসতি করতে দেয়া হয়নি। যেখানে বড় বড় দেশ এই পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ব্যবহার থেকে দূরে সরে আসছে, সেখানে আমরা একটি বিপদ আমাদের মত জনবসতিপূর্ণ দেশে আনছি।

‘পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রে যদি কোনো দূর্ঘটনা ঘটে তাহলে এর আশেপাশের ৫০ বর্গকিলোমিটার পর্যন্ত কোনো মানুষ পশুপাখি জীবিত বাচবে না‌। আমরা বলছি এটি দেশের আনবিক শক্তি, এটি আনবিক শক্তি নয় বরং এটি আনবিক বিপদ আমরা ঘাড়ে নিয়েছি।’

মেগা প্রকল্পের নামে সরকার মানুষকে রক্ত শুন্য করছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার যেভাবে মেগা প্রজেক্ট প্রকল্প ও দূর্নীতি করছে তাতে মনে হচ্ছে সরকার মানুষকে রক্তশুণ্য করে গায়ের উপরে সুন্দর গহনা পরিয়ে দিচ্ছেন।’

দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক এন.কে. আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব সাজ্জাদ পারভেজের সঞ্চালনায় সম্মেলনে দলের মহাসচিব মজিবুল হক চুন্নু এম.পি, কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এম.পি, যুগ্ম-মহাসচিব ইয়াসিন, নীলফামারী-৩ আসনের সংসদ সদস্য রানা মোহাম্মদ সোহেল, নীলফামারী-৩ আসনের সংসদ সদস্য আহসান আদেলুর রহমান সহ কেন্দ্রীয় ও জেলা ও উপজেলার নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Today is the first day of Agnijhra March

অগ্নিঝরা মার্চের প্রথম দিন আজ

অগ্নিঝরা মার্চের প্রথম দিন আজ
‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’- বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের এই পঙক্তি বাঙালি জাতিকে ইস্পাত কঠিন দৃঢ়তায় বলীয়ান করে তোলে। এই মার্চেই বাঙালি বিদায় জানায় পাকিস্তানকে।

অগ্নিঝরা মার্চের প্রথম দিন আজ শুক্রবার। বাঙালির জীবনে নানা কারণে মার্চ মাস অন্তর্নিহিত শক্তির উৎস। এ মাসেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’- বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টার এই পঙক্তি বাঙালি জাতিকে ইস্পাত কঠিন দৃঢ়তায় বলীয়ান করে তোলে। এই মার্চেই বাঙালি বিদায় জানায় পাকিস্তানকে।

১৯৭১-এর ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওর্য়াদী উদ্যান) এই ঐতিহাসিক ভাষণের সময় মুহুর্মুহু গর্জনে উত্তাল ছিল জনসমুদ্র। লাখো কণ্ঠের একই আওয়াজ উচ্চারিত হতে থাকে দেশের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে। ঢাকাসহ গোটা দেশে পত্‌ পত্‌ করে উড়তে থাকে সবুজ জমিনের ওপর লাল সূর্যের পতাকা।

১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ভাষার দাবিতে যে আগুন জ্বলে উঠেছিল সেই আগুন যেন ছড়িয়ে পড়ে বাংলার সর্বত্র। এরপর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন, ৬৬-এর ছয় দফা এবং ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের সিঁড়ি বেয়ে একাত্তরের মার্চ বাঙালির জীবনে নিয়ে আসে নতুন বারতা।

একাত্তরের ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা করেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা। এর আগে ২৫ মার্চ রাত ১টার অল্প পর বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানি সৈন্যরা গ্রেপ্তার করে তার বাড়ি থেকে।

বাঙালির কণ্ঠ চিরতরে স্তব্ধ করে দিতে ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানিরা ‘অপারশেন সার্চলাইট’ নামে শুরু করে বাঙালি নিধন। ঢাকার রাস্তায় বেরিয়ে সৈন্যরা নির্বিচারে হাজার হাজার লোককে হত্যা করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ছাত্র-শিক্ষককে হত্যা করে।

এর পরের ঘটনাপ্রবাহ প্রতিরোধের ইতিহাস। বঙ্গবন্ধুর আহবানে ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলা হয়। আবালবৃদ্ধবনিতা যোগ দেন মহান মুক্তিযুদ্ধে। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র যুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জনের মধ্যদিয়ে জাতি লাভ করে স্বাধীনতা।

এ মাসেই জাতি পালন করবে মহান স্বাধীনতার ৫৪ বছর। এ উপলক্ষে মাসের প্রথম দিন থেকেই শুরু হবে সভা-সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। নানা আয়োজনে মুখর থাকবে গোটা দেশ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The cabinet is being sworn in on Friday

মন্ত্রিসভা বড় হচ্ছে, শপথ শুক্রবার

মন্ত্রিসভা বড় হচ্ছে, শপথ শুক্রবার
বর্তমান মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রীর বাইরে পূর্ণ মন্ত্রী রয়েছেন ২৫ জন এবং প্রতিমন্ত্রী ১১ জন। ৩৭ সদস্যের এই মন্ত্রিসভায় কোনো উপমন্ত্রী নেই। এর মধ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে বর্তমানে আলাদা মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী নেই। কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী থাকলেও পূর্ণ মন্ত্রী নেই। আবার পূর্ণ মন্ত্রী থাকলেও প্রতিমন্ত্রী নেই।

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন দ্বাদশ জাতীয় সংসদের মন্ত্রিসভার আকার বাড়ছে। মন্ত্রিসভায় নতুন করে যারা যুক্ত হচ্ছেন তাদের শপথ হতে পারে শুক্রবার।

সরকার-সংশ্লিষ্ট উচ্চ পর্যায়ের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বর্তমান মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রীর বাইরে পূর্ণ মন্ত্রী রয়েছেন ২৫ জন এবং প্রতিমন্ত্রী ১১ জন। ৩৭ সদস্যের এই মন্ত্রিসভায় কোনো উপমন্ত্রী নেই। এর মধ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে বর্তমানে আলাদা মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী নেই। এগুলোর দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর হাতে রয়েছে।

কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী থাকলেও পূর্ণ মন্ত্রী নেই। আবার পূর্ণ মন্ত্রী থাকলেও প্রতিমন্ত্রী নেই। মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণে এই বিষয়গুলো বিবেচনায় আসতে পারে বলে আলোচনা আছে।

সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচনের পর মন্ত্রিসভার আকার বাড়বে- এমন একটি আলোচনা সরকার শপথ গ্রহণের পর থেকেই ছিল। এ বিষয়ে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের পর বর্তমান মন্ত্রিসভার পরিধি বাড়তে পারে বলে কিছুদিন আগে সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত সংরক্ষিত নারী আসনের ৫০ জন সংসদ সদস্যের শপথ হয়েছে বুধবার। এরপর থেকে মন্ত্রিসভার আকার বাড়ানোর বিষয়টি নেতাকর্মীদের মুখে মুখে আলোচিত হতে থাকে।

প্রসঙ্গত, ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর ১১ জানুয়ারি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। ওইদিন প্রধানমন্ত্রীসহ ৩৭ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন।

আরও পড়ুন:
সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের পর মন্ত্রিসভার আকার বাড়বে: কাদের
জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা মন্ত্রিসভার সদস্যদের
ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিসভার সদস্যদের
বাজিমাত করলেন আরাফাত
পররাষ্ট্রের গুরুদায়িত্বে হাছান মাহমুদ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Power price hiked for Awami Syndicates profit Rizvi

আওয়ামী সিন্ডিকেটের মুনাফার জন্য বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে: রিজভী

আওয়ামী সিন্ডিকেটের মুনাফার জন্য বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে: রিজভী বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ফাইল ছবি
বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘যখনই সরকারের টাকায় টান পড়ছে তখনই গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির দাম বাড়িয়ে জনগণের পকেট কাটছে। লুটেরা ডামি সরকার আর্থিকভাবে দেউলিয়া হয়ে সাধারণ মানুষের পকেট শূন্য করার নীতি গ্রহণ করেছে।’

আওয়ামী সিন্ডিকেটের মুনাফার জন্য সরকার বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, ‘সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস অবস্থার কথা বিবেচনা না করে আওয়ামী ডামি সরকার আবার‌ও বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করেছে।’

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের ক্ষমতা খর্ব করে যখন ইচ্ছা বিদ্যুতের দাম বাড়াতে পারবে সরকার- এই স্বেচ্ছাচারী আইন অনুমোদন করিয়ে জনগণকে নিপীড়ন ও ফতুর করার নীতি নিয়েছে সিন্ডিকেট সরকার।

‘গণমানুষ, ভোক্তা অধিকার কিংবা ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর যুক্তি ও অনুরোধের তোয়াক্কা না করে যখনই লুটেরা সরকারের টাকায় টান পড়ছে তখনই গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির দাম বাড়িয়ে জনগণের পকেট কাটছে। লুটেরা ডামি সরকার আর্থিকভাবে দেউলিয়া হয়ে সাধারণ মানুষের পকেট শূন্য করার নীতি গ্রহণ করেছে।’

তিনি বলেন, ‘কানাডা, অস্ট্রেলিয়ার বেগমপাড়ায় দামি বাড়ি-গাড়ির জন্য টাকা দরকার। এজন্যই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি। বেগমপাড়া হয়ে উঠেছে আওয়ামী ধনাঢ্য ব্যক্তিদের অবৈধ স্বর্গ বানানোর প্রতীক।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আওয়ামী আগ্রাসী সিন্ডিকেটের মুনাফার জন্য সরকার বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করেছে। গ্যাস সংকট জিইয়ে রেখে এলএনজি ব্যবসার দুয়ার খোলা হয়েছে। সরকার-ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীরা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ব্যবসার মাধ্যমে নিজেদের পকেট ভরছেন। এটা স্পষ্ট যে, বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতের লোকসান আসলে সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠান ও দায়িত্বশীলদের অব্যবস্থাপনা, অবহেলা আর দুর্নীতির ফল। আর এর দায় মেটাতে হচ্ছে জনগণকে।’

রুহুল কবির রিজভী বলেন, সংসদে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন যে মিথ্যা তথ্য ও মিথ্যা খবর দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি বন্ধে সংসদে আইন আনা হবে। তিনি আরও বলেছেন, অলরেডি একটি আইন আছে যেটা হচ্ছে সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট। আরও কিছু আইন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এই সংসদে আসবে।

‘অর্থাৎ নাগরিকদের ওপর নজরদারি আরও তীব্র হবে। এটি পুরো জাতিকে পর্যবেক্ষণে রাখার এক নতুন কালো আইন প্রণয়নের আলামত। মূলত সরকারের দুঃশাসন, লুটপাট ও বাজার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কেউ যাতে কোনো কথা বলতে না পারে সেজন্যই একের পর এক ড্রাকোনিয়ান আইন তৈরি করছে সরকার।’

আরও পড়ুন:
বিডিআর বিদ্রোহের পেছনে আওয়ামী লীগ সরকার: রিজভী
জনগণের ওপর প্রতিশোধ নিতে বিদ্যুৎ জ্বালানির দাম বাড়াচ্ছে সরকার: রিজভী
ক্ষমতা দখল করে জনগণকে ঔদ্ধত্য দেখাচ্ছে আ. লীগ সরকার: রিজভী
কারা হেফাজতে বিএনপি নেতাদের মৃত্যু পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড: রিজভী
বিএনপি ও আওয়ামী লীগের পার্থক্য কোথায়, জানালেন রিজভী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP favors genocide in Gaza Foreign Minister

গাজায় গণহত্যার পক্ষ নিয়েছে বিএনপি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

গাজায় গণহত্যার পক্ষ নিয়েছে বিএনপি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছবি: নিউজবাংলা
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত ইসরায়েলি হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে তো কিছু বলেইনি, বরং ইসরায়েলি বাহিনীর অনুকরণে তারা দেশে সহিংসতা ঘটিয়েছে; পুলিশের ওপর, হাসপাতালের ওপর হামলা করেছে। তারা ইসরায়েলের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে, ইসরায়েলের দোসরে পরিণত হয়েছে।’

ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে বিএনপি-জামায়াত আজ পর্যন্ত একটি শব্দও উচ্চারণ করেনি মন্তব্য করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘চুপ থেকে তারা এই গণহত্যার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।’

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে ফিলিস্তিনে নারী ও শিশুহত্যা বন্ধের দাবিতে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সমাবেশ ও মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘গাজায় প্রায় ত্রিশ হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, এর বেশিরভাগ নারী ও শিশু। সেখানে হাসপাতালে হামলা করা হচ্ছে, অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে, হাসপাতালের বিদ্যুৎ লাইন ধ্বংস করা হয়েছে, যেসব কারণে অনেক মানুষ নিহত হয়েছে। ত্রাণের অপেক্ষায় থাকা মানুষের ওপর হামলা করা হয়েছে।

‘একবিংশ শতাব্দীতে এটি ভাবা যায় না। তবুও বিশ্ব মোড়লরা নির্বাক এবং আরব বিশ্বের যে ভূমিকা রাখার দরকার ছিল, তারা সেখানে সে ভূমিকা রাখেনি।’

দেশে রাজনীতির প্রসঙ্গ টেনে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত ইসরায়েলি হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে তো কিছু বলেইনি, বরং ইসরায়েলি বাহিনীর অনুকরণে তারা দেশে সহিংসতা ঘটিয়েছে; পুলিশের ওপর, হাসপাতালের ওপর হামলা করেছে। তারা ইসরায়েলের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে, ইসরায়েলের দোসরে পরিণত হয়েছে।

‘জামায়াত নাকি ইসলাম কায়েম করতে চায়। অথচ তারা ফিলিস্তিনে গণহত্যার বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত একটা শব্দ বলল না কেন? তারা চেহারা দেখায় কী করে? এরা একটা শব্দ না বলে ইসরায়েলের পক্ষে হাত বাড়িয়েছে।’

গাজায় গণহত্যার পক্ষ নিয়েছে বিএনপি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

তিনি বলেন, ‘তারা ভেবেছিল, নির্বাচনের পরে বিশ্ব শেখ হাসিনার সরকারকে স্বীকৃতি দেয় কি না! প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ৭৮টি দেশ ও জাতিসংঘসহ ৩২টি সংস্থা অভিনন্দন জানানোর পর এখন তাদের আর কোনো কথা নাই। এখন নিজেরা নিজেদের প্রশ্ন করে- ভাই কী হলো?

‘বিএনপি নেতারা এখন চ্যালেঞ্জের মুখে; তাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান চ্যালেঞ্জের মুখে। তাদের নেতাদের কর্মীরা জিজ্ঞেস করে বলে- আপনারা নেতৃত্ব দেয়ার অযোগ্য নেতা।’

বর্তমান শেখ হাসিনা সরকার বিগত যেকোনো সরকারের চেয়ে বেশি শক্তিশালী জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু দেশের উন্নয়নেই নয়, বঙ্গবন্ধুকন্যা বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা পালন করছেন। ৪ ও ৫ মার্চ আমি ওআইসির সম্মেলনে যোগ দেব। প্রধানমন্ত্রী আমাকে ওআইসির সম্মেলনে গিয়ে ফিলিস্তিনের পক্ষে বক্তব্য তুলে ধরতে বলেছেন।

‘ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি নিজে যেচে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। তাকেও প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধ বন্ধ করতে বলেছেন। গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হত্যাকাণ্ড বন্ধের কথা বলেছেন।’

বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সহ-সভাপতি ডা. অরূপ রতন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানার উপস্থাপনায় আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য বলরাম পোদ্দার, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম মুরাদ, স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রের একুশে পদকপ্রাপ্ত শিল্পী মনোরঞ্জন ঘোষাল, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের অপর সহ-সভাপতি রেদওয়ান খন্দকার, সাংগঠনিক সম্পাদক সুজন হালদার, প্রচার সম্পাদক মিজানুর রহমান, ডিইউজের সহ-সভাপতি মানিক লাল ঘোষ সমাবেশ ও মানববন্ধনে বক্তৃতা দেন।

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীর পূর্বপুরুষ এ দেশে ইসলাম প্রচারে এসেছিলেন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বিশৃঙ্খলা করতে ‘গণতন্ত্র মঞ্চ’ পুলিশের ওপর চড়াও হয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Prime Ministers ancestor came to this country to spread Islam Foreign Minister

প্রধানমন্ত্রীর পূর্বপুরুষ এ দেশে ইসলাম প্রচারে এসেছিলেন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর পূর্বপুরুষ এ দেশে ইসলাম প্রচারে এসেছিলেন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী মানববন্ধনে কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ছবি: নিউজবাংলা
মন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পূর্বপুরুষ এখানে ইসলাম প্রচারের জন্য এসেছিলেন। তিনি ফিলিস্তিনের ওপর দমনপীড়নের বিরুদ্ধে সবসময় সোচ্চার থেকেছেন। জাতিসংঘে গিয়ে ফিলিস্তিনের পক্ষে কথা বলেছেন।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পূর্বপুরুষ এ দেশে ইসলাম ধর্ম প্রচারের জন্য এসেছিলেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফিলিস্তিনে নারী ও শিশু হত্যা বন্ধের দাবিতে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজনে এক সমাবেশ ও মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পূর্বপুরুষ এখানে ইসলাম প্রচারের জন্য এসেছিলেন। তিনি ফিলিস্তিনের ওপর দমনপীড়নের বিরুদ্ধে সবসময় সোচ্চার থেকেছেন। জাতিসংঘে গিয়ে ফিলিস্তিনের পক্ষে কথা বলেছেন।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী গত অক্টোবরে ব্রাসেলসে গিয়ে গাজায় যুদ্ধ বন্ধ করার যে বক্তব্য দিয়েছিলেন, পুরো হল দাঁড়িয়ে করতালিতে মুখরিত করেছে। মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সে তিনি বিশ্বনেতাদের সঙ্গে বৈঠকে গাজার সহিংসতার বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। জেলেনস্কির সাথে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যুদ্ধ কারো মঙ্গল বয়ে আনছে না। তিনি যুদ্ধ বন্ধের উপায় খুঁজতে বলেছেন।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘ফিলিস্তিনে এতদিন ধরে নির্মম গণহত্যা চলছে। আজ পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত ফিলিস্তিনে গণহত্যার বিরুদ্ধে একটি শব্দও উচ্চারণ করেনি। বরং ইসরায়েল বাহিনীর অনুকরণে তারা পুলিশ হাসপাতালে হামলা চালিয়েছে। চুপ থেকে তারা ইজরায়েলের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত ভেবেছিল নির্বাচনের পরে পৃথিবী শেখ হাসিনাকে স্বীকৃতি দেয় কি না। এ পর্যন্ত ৭৮ দেশ শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে কাজ করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, ইউরোপীয় কমিশন, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, আইএমএফসহ ৩২ সংস্থা অভিনন্দন জানিয়ে কাজ করার অভিপ্রায় জানিয়েছে। এরপর আর কোনেো কথা নাই। এখন তারা নিজেরা নিজেদের প্রশ্ন করে ‘ভাই কী হইল!’

‘এখন তাদের কর্মীরা নেতাদের বলে, আপনারা নেতৃত্ব দেয়ার অযোগ্য। আপনাদের কথায় আন্দোলন করব না। তারা এখন চ্যালেঞ্জের মুখে, তাদের নেতৃত্ব চ্যালেঞ্জের মুখে।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ফিলিস্তিনে একটি হাসপাতালে হামলা করে পাঁচ শ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। হাসপাতাল ধ্বংস করা হচ্ছে। একবিংশ শতাব্দীতে এমন বর্বরতা অকল্পনীয়। বিশ্বমোড়লরা চুপ হয়ে বসে আছে। যুদ্ধ বিরতির কথা বললে কেউ কেউ ভেটো দেয়। ফিলিস্তিনিদের অধিকার নিয়ে কথা বলছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।’

আরও পড়ুন:
বিশৃঙ্খলা করতে ‘গণতন্ত্র মঞ্চ’ পুলিশের ওপর চড়াও হয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দেশের উন্নয়ন আরও কাছ থেকে দেখবেন বিদেশি কূটনীতিকরা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের নতুন অধ্যায় সৃষ্টি করতে চায়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
People fear when gangs of killers talk about public safety who

খুনিদের দল জননিরাপত্তা নিয়ে কথা বললে জনগণ ভীত হয়: কাদের

খুনিদের দল জননিরাপত্তা নিয়ে কথা বললে জনগণ ভীত হয়: কাদের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
ওবায়দুল কাদের বলেন, সূচনালগ্ন থেকেই বিএনপি অত্যাচার-নির্যাতনের স্টিম রোলার চালিয়ে দেশের জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারের পথ রুদ্ধ করে রাজনীতি করে আসছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে গণতন্ত্র ও সুশাঃসনের কথা বেমানান।

বিএনপিকে ইঙ্গিত করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, খুনিদের দল জননিরাপত্তা নিয়ে কথা বললে জনগণ আরও ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়ার স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, একুশে আগস্টের ভয়াবহ গ্রেনেড হামলায় নির্বিচারে বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের যারা হত্যা করেছিল; যাদের পৃষ্ঠপোষকতায় জঙ্গিগোষ্ঠী ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট সারাদেশে সিরিজ বোমা হামলা চালিয়েছিল, যারা দশ ট্রাক অস্ত্র আমদানি করেছিল, যারা অগ্নিসন্ত্রাস সৃষ্টি করে শত শত নিরীহ মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে, সেই খুনিদের দল যখন জননিরাপত্তা নিয়ে কথা বলে তখন জনগণ আরো ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে।

তিনি বলেন, দেশ ধ্বংসের মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নে তৎপর বিএনপি। দেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচনের প্রতি তাদের কোনো আস্থা নেই। সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান অসাংবিধানিক ও অবৈধভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে সেনা ছাউনিতে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিল।

মন্ত্রী বলেন, সূচনালগ্ন থেকেই বিএনপি অত্যাচার-নির্যাতনের স্টিম রোলার চালিয়ে দেশের জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারের পথ রুদ্ধ করে রাজনীতি করে আসছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে গণতন্ত্র ও সুশাঃসনের কথা বেমানান।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক নির্বিচারে কাউকে গ্রেপ্তার করে হয়রানির অভিযোগ ভিত্তিহীন। বিএনপির যে সব সন্ত্রাসী ও ক্যাডাররা অগ্নিসন্ত্রাস এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও জনগণের উপর হামলার সঙ্গে জড়িত তাদের গ্রেপ্তার করাটা কোনোভাবেই হয়রানিমূলক হতে পারে না। সন্ত্রাসীদের আইন ও বিচারের মুখোমুখি করা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব ও কর্তব্য।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
50 injured including Jonaid Saki who was baton charged by the police in the democracy stage procession

গণতন্ত্র মঞ্চের মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ, জোনায়েদ সাকিসহ আহত ৫০

গণতন্ত্র মঞ্চের মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ, জোনায়েদ সাকিসহ আহত ৫০ বুধবার গুলিস্তানে জিরো পয়েন্টের কাছে গণতন্ত্র মঞ্চের মিছিলে বাধা দেয় পুলিশ। এ সময় জোনায়েদ সাকি মারধরের শিকার হন। ছবি: সংগৃহীত
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচিতে পুলিশ বাধা দিয়েছে। আমাদের অন্তত ৫০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। তাদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকিকে অনেক মেরেছে পুলিশ।’

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের অর্থ লোপাট ও অর্থপাচারের প্রতিবাদে সচিবালয় অভিমুখে গণতন্ত্র মঞ্চের বিক্ষোভ মিছিলে দু’দফা লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ। এ সময় গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা জোনায়েদ সাকিসহ বেশকিছু নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ করে গণতন্ত্র মঞ্চ। সমাবেশ শেষে সচিবালয় অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি গুলিস্তানের জিরো পয়েন্টে পৌঁছলে পুলিশের ব্যারিকেডের মুখে পড়ে। মঞ্চের নেতাকর্মীরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়।

এ সময় দু’পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি এবং একপর্যায়ে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। মঞ্চের নেতা–কর্মীদের দাবি, পুলিশের লাঠিচার্জে সংগঠনের অন্তত ৫০ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।

পুলিশের বাধা ও লাঠিচার্জের প্রতিবাদ জানিয়ে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করছিলাম। কিন্তু পুলিশ আমাদের বাধা দিয়েছে। আমাদের অন্তত ৫০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। তাদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকিকে অনেক মেরেছে পুলিশ।’

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা জোনের এডিসি শাহ্ আলম মোহাম্মদ আক্তারুল ইসলাম বলেন, ‘ওনারা অনুমতি ছাড়াই এখানে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে এসেছেন। আমরা তাদের বার বার বলেছি যে তাদের এখানে অনুমতি নেই। কিন্তু তারা আমাদের কথা শোনেননি।

‘ওনারা আমাদের কথা দিয়েছিলেন যে সচিবালয়ের সামনে এসে শান্তিপূর্ণ মিছিল করে চলে যাবেন। কিন্তু আমাদের দেয়া ব্যারিকেড অতিক্রম করে সচিবালয়ে ঢোকার চেষ্টা করেছেন তারা। আমরা বার বার বোঝানোর চেষ্টা করলেও ওনারা ব্যারিকেড ভেঙে ভেতরে ঢুকতে চেয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘পুলিশ অতর্কিত হামলা করেনি। উল্টো তারাই (গণতন্ত্র মঞ্চ) পুলিশের ওপর হামলা করেছে। পুলিশ বাঁশি দিয়ে তাদের সরিয়ে দিয়েছে।’

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘ব্যারিকেডে যারা ধাক্কাধাক্কি করছিল তাদের দেখেই মনে হচ্ছিল এরা ব্যারিকেড ভাঙার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত লোক। আমাদের মনে হয়েছে এদের ভাড়া করে নিয়ে আসা হয়েছে।’

কতজনকে আটক করা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যারা লাঠি হাতে নিয়ে পুলিশের ওপর আক্রমণ করার চেষ্টা করেছে আমরা তাদের মধ্য থেকে দু-একজনকে আটক করেছি। তবে কতজন এখন পর্যন্ত আটক হয়েছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।’

মিছিলের আগে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত সমাবেশে জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘একটি মহল এই সরকারকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে মরিয়া হয়ে আছে। সরকার মেগা প্রকল্প করে মেগা লুটপাটের জন্য। এই লুটের টাকা সবাই ভাগবাটোয়ারা করে নিচ্ছে।

‘মাঠে না নামলে এই সরকারকে হটানো যাবে না। বিদেশিদের ওপর ভরসা করবেন না। তারা শুধু সুবিধা নেয়। জনগণের আন্দোলনের মধ্য দিয়েই এই সরকারকে বিদায় করে আমাদের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে হবে।’

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘সরকার যতই হাবভাব দেখাক না কেন রোজায় পণ্যের দাম কমাতে পারবে না। বাংলাদেশ এখন যেভাবে চলছে এর থেকে খারাপভাবে একটা দেশ চলতে পারে না।’

মন্তব্য

p
উপরে