× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Terrible Russell Viper caught in China Duari net in Pabna
google_news print-icon

নিষিদ্ধ জালে আটকা বিলুপ্তপ্রায় রাসেল ভাইপার

নিষিদ্ধ-জালে-আটকা-বিলুপ্তপ্রায়-রাসেল-ভাইপার
উদ্ধারকৃত ভয়ঙ্কর বিষধর সাপ রাসেল ভাইপার। ছবি: নিউজবাংলা
রাসেল ভাইপার বা চন্দ্রবোড়া হচ্ছে একটি মারাত্মক বিষধর সাপ। যে চারটি সাপের কামড়ে ভারতীয় উপমহাদেশের মানুষেরা বেশি আক্রান্ত হন, সেগুলোর মধ্যে রাসেল ভাইপার অন্যতম। এদের বিষ মূলত হেমোটক্সিক।

পাবনা সদর উপজেলার চরাঞ্চলে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জালে ধরা পড়েছে দেশের বিলুপ্তপ্রায় সবচেয়ে বিষধর সাপ রাসেল ভাইপার। খবর পেয়ে স্নেক রেসকিউ টিম বাংলাদেশের সদস্যরা সাপটিকে উদ্ধার করে।

শনিবার দুপুরে উপজেলার হেমায়েতপুরের চর ভবানীপুর গ্রামের এক জেলের চায়না দুয়ারী জালে আটকা পড়ে এটি। সাপটিকে উদ্ধার করে বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগে হস্তান্তর করা হয়।

টিমের জ্যেষ্ঠ রেস্কিউয়ার এবং সভাপতি রাজু আহমেদ বলেন, ‘আজ সকালে আমাদের হটলাইনে ফোন আসে। ফোন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে টিমের সাধারণ সম্পাদক প্রীতম সুর রায়কে সঙ্গে নিয়ে আমরা ঘটনাস্থল যাই এবং সাপটিকে উদ্ধার করি।

‘উদ্ধারের পর সাধারণ জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরি এবং সাপে কামড়ালে করণীয় সম্পর্কে সকলকে দিকনির্দেশনা দিই।’

প্রীতম সুর রায় জানান, রাসেল ভাইপার বা চন্দ্রবোড়া হচ্ছে একটি মারাত্মক বিষধর সাপ। যে চারটি সাপের কামড়ে ভারতীয় উপমহাদেশের মানুষেরা বেশি আক্রান্ত হন, সেগুলোর মধ্যে রাসেল ভাইপার অন্যতম। এদের বিষ মূলত হেমোটক্সিক। তবে এলাকাভেদে এদের বিষের মাত্রা এবং বিষের উপাদানের পরিমাণে কম-বেশি পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়।

নিষিদ্ধ জালে আটকা বিলুপ্তপ্রায় রাসেল ভাইপার
রাসেল ভাইপার আমাদের দেশি সাপ নয়। নদীপথে ভারত থেকে এগুলো আমাদের দেশে আসে। ছবি: নিউজবাংলা

স্নেক রেসকিউ টিমের সদস্যরা বলেন, ‘মানুষ এবং বন্যপ্রাণীর মধ্যে একটি সহাবস্থান তৈরি এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে মূলত সাপ নিয়ে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। ২০২০ সালে সিদ্দিকুর রহমান রাব্বি টিমটি প্রতিষ্ঠা করেন এবং অনেক কম সময়ের মধ্যে সদস্যদের প্রশিক্ষণ প্রদান ও উদ্ধার কাজ শুরু করেন তিনি।’

বর্তমানে টিমটিতে ২৫ জন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত রেস্কিউয়ার আছেন বলে জানান তারা।

যারা বিপদগ্রস্ত অথবা মানুষের বাসস্থানে ঢুকে পড়া কোন সাপ এবং অন্য বন্যপ্রাণীদের উদ্ধার করে আবার সেগুলোকে প্রকৃতিতে তাদের অবস্থানে ফিরিয়ে দেয় রেসকিউয়ার টিম। এছাড়া অসুস্থ সাপ এবং অন্যান্য বণ্যপ্রাণীর চিকিৎসার মাধ্যম্যে সেগুলো সুস্থ করে বনে অবমুক্ত করা হয়। এখন পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার সাপ উদ্ধার করেছে স্নেক রেস্কিউ টিম বাংলাদেশ।

এ বিষয়ে পাবনা অঞ্চলের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাশ্যপী বিকাশ চন্দ্র বলেন, ‘এ ব্যাপারে এখনও কোনো তথ্য আমাদের কাছে আসেনি। রাসেল ভাইপার আমাদের দেশীয় সাপ নয়। এগুলো ভারত থেকে আসে। ভারত থেকে পদ্মা নদী দিয়ে রাজশাহী, কুষ্টিয়া ও পাবনার কিছু অঞ্চলে এগুলো পাওয়া যায়।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Government has adopted action plan to monitor project implementation Jonaid Saki

প্রকল্প বাস্তবায়নে তদারকি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার: জোনায়েদ সাকি

প্রকল্প বাস্তবায়নে তদারকি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার: জোনায়েদ সাকি ছবি: সংগৃহীত

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেছেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব কমানো, জবাবদিহিতা জোরদার করা, প্রকল্প পরিচালক (পিডি) নিয়োগে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন, নির্মাণ খরচের রেট শিডিউল সংশোধন এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তদারকি বাড়াতে একটি পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার।

বুধবার (২২ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে একনেক চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠক শেষে তথ্য অধিদপ্তরে (পিআইডি) সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারকে অগ্রাধিকার দিয়ে সরকার উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন, অপ্রয়োজনীয় ব্যয় রোধ এবং সরকারি বিনিয়োগকে আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে এসব উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার এমন একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন ব্যবস্থা উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে, যেখানে দীর্ঘসূত্রতা, দুর্বল সমন্বয়, দায়িত্বের ওভারল্যাপ এবং জবাবদিহির অভাবের কারণে প্রকল্পের ব্যয় বেড়েছে এবং বাস্তবায়ন বিলম্বিত হয়েছে।’

তিনি জানান, আজকের একনেক সভায় মোট ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকা ব্যয়ে ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ভোলা সদর ও দৌলতখান উপজেলার শিবপুর, ধনিয়া ও মেদুয়া এলাকা মেঘনা নদীর ভাঙন থেকে রক্ষার একটি প্রকল্প পর্যবেক্ষণসহ ফেরত দেওয়া হয়েছে। একনেকের সুপারিশ অনুযায়ী সংশোধন করে প্রকল্পটি পরবর্তী সভায় উপস্থাপন করা হবে।

সাকি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি প্রকল্প বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করেছেন এবং অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানো, আর্থিক শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা এবং জনগণের করের অর্থের সর্বোচ্চ সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রকল্পভিত্তিক দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।’ তিনি বলেন, ‘এখন থেকে অনুমোদিত প্রতিটি প্রকল্প এই নির্দেশনা অনুসারেই বাস্তবায়ন করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের শীর্ষ নীতিনির্ধারকরা প্রকল্প প্রস্তুতি, অর্থায়ন ও বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপ পর্যালোচনা করছেন। কোথায় অপ্রয়োজনীয় ব্যয় হচ্ছে তা চিহ্নিত করা হচ্ছে এবং জনগণের প্রতিটি টাকা যেন আরও দক্ষতার সঙ্গে ব্যয় হয়, তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।’

প্রতিমন্ত্রী জানান, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অস্বাভাবিক দীর্ঘ সময় লাগা সরকারের অন্যতম প্রধান উদ্বেগের বিষয়। তিনি উল্লেখ করেন, প্রচলিত নিয়মে একনেকের অনুমোদনের পরও কেবল আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে কার্যাদেশ (ওয়ার্ক অর্ডার) পেতেই দেড় থেকে দুই বছর সময় লেগে যায়। অনেক ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ের কাজ দেরিতে শুরু হওয়ায় উন্নয়ন কাজের গতি কমে যায় এবং প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে যায়।

তিনি বলেন, ‘এই দীর্ঘসূত্রতা বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং সরকারি বিনিয়োগের প্রত্যাশিত অর্থনৈতিক সুফল পেতে বিলম্ব ঘটায়। উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিত করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

সাকি জানান, সরকার তাই প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করতে, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমাতে এবং দ্রুত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত বাস্তবায়ন কাঠামো তৈরি করছে। তিনি জানান, চলমান প্রকল্প এবং এডিপির ‘গ্রিন পেজ’-এ অন্তর্ভুক্ত প্রকল্পগুলো ‘রি-স্কোপিং’ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। প্রয়োজন ও অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে প্রকল্পের বিভিন্ন উপাদান সংযোজন, বিয়োজন, সম্প্রসারণ বা সংকোচন করা হবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
China has always stood by Bangladesh during its crisis Chinese ambassador

বাংলাদেশের সংকটকালে চীন বরাবরই পাশে রয়েছে: চীনের রাষ্ট্রদূত

বাংলাদেশের সংকটকালে চীন বরাবরই পাশে রয়েছে: চীনের রাষ্ট্রদূত ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বুধবার (২২ জুলাই) বলেছেন, বাংলাদেশ যখনই কোনো দুর্যোগ বা মানবিক সংকটের সম্মুখীন হয়েছে, চীন বরাবরই তার পাশে দাঁড়িয়েছে। তিনি প্রয়োজনের সময়ে ঢাকার প্রতি বেইজিংয়ের অব্যাহত সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

এখানে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির জাতীয় সদর দপ্তরে সংস্থাটিকে (বিডিআরসিএস) জরুরি সহায়তা হিসেবে ১ লাখ মার্কিন ডলার হস্তান্তরকালে তিনি বলেন, ‘এই কঠিন সময়ে চীনের জনগণ বাংলাদেশের জনগণের প্রতি গভীর সহানুভূতি প্রকাশ করছে।’

রাষ্ট্রদূত চীনের রেড ক্রস সোসাইটির পক্ষ থেকে দেশজুড়ে সাম্প্রতিক বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর জন্য বিডিআরসিএস-এর চলমান জরুরি কার্যক্রমে সহায়তার জন্য এই অর্থ দান করেন।

বিডিআরসিএস-এর চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মো. আবদুস সালাম সংস্থার পক্ষ থেকে এই সহায়তা গ্রহণ করেন।

সাম্প্রতিক ভারী বর্ষণে সৃষ্ট ধ্বংসযজ্ঞের কথা উল্লেখ করে ইয়াও বলেন, ‘ভয়াবহ বন্যায় বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে, লাখ লাখ মানুষ আটকা পড়েছেন এবং কৃষিজমি ও অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এই অনুদান বাংলাদেশের জনগণের প্রতি চীন সরকার ও জনগণের আন্তরিক উদ্বেগ এবং সংহতির প্রতিফলন।’ ইয়াও বলেন, ‘বাংলাদেশ যখনই কোনো দুর্যোগ বা মানবিক সংকটের সম্মুখীন হয়েছে, চীন বরাবরই সহায়তা প্রদান করেছে।’

তিনি বলেন, ‘জরুরি সহায়তার বাইরেও চীন বার্ষিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং বন্যা মোকাবিলার সরঞ্জাম সরবরাহের মাধ্যমে বাংলাদেশের দুর্যোগ প্রস্তুতি সক্ষমতা শক্তিশালী করতে সহায়তা করে আসছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘গত বছর চীন বিডিআরসিএস-কে জরুরি সরঞ্জাম দান করেছিল, যা এখন চলমান বন্যা মোকাবিলায় কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

রাষ্ট্রদূত মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখা এবং প্রয়োজনে বিডিআরসিএস স্বেচ্ছাসেবকদের প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যাপারে চীনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।’

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিডিআরসিএস চেয়ারম্যান আবদুস সালাম চীন সরকার ও জনগণ এবং রেড ক্রস সোসাইটি অফ চায়নার অব্যাহত মানবিক সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, ‘এই কঠিন সময়ে বাংলাদেশের জনগণের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমরা চীন সরকার ও জনগণকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই। আমাদের নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবকরা ইতোমধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এবং দুর্গম কিছু এলাকায় কাজ করছেন।’

সালাম বলেন, ‘চীনের এই সহায়তা বিডিআরসিএস-কে তার জরুরি কার্যক্রম আরও প্রসারিত করতে সক্ষম করবে, যার মধ্যে রয়েছে খাদ্য সহায়তা, নিরাপদ পানীয় জল, অস্থায়ী আশ্রয় ও স্বাস্থ্যবিধি কিট বিতরণ এবং চিকিৎসা সেবা প্রদান।’

বাংলাদেশ-চীনের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বের কথা তুলে ধরে সালাম দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্থাপনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক চীন সফরের পর মানবিক, অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও গভীর হবে। অনুষ্ঠানে বিডিআরসিএস গত মঙ্গলবার পর্যন্ত পরিচালিত তাদের জরুরি কার্যক্রমের একটি সার্বিক চিত্র তুলে ধরে জানায়, জরুরি কার্যক্রমের জন্য এ পর্যন্ত ৩.৩৯ মিলিয়ন টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

বিডিআরসিএস ২,৫০০-এর বেশি খাদ্য প্যাকেজ বিতরণ করেছে, ২২ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে, ২ হাজারের বেশি মানুষকে চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করেছে এবং ৩৭ হাজার লিটারের বেশি নিরাপদ পানি বিতরণ করেছে।

এ ছাড়াও, জরুরি কার্যক্রমের জন্য সংস্থাটি ১২টি রেড ক্রিসেন্ট ইউনিট সক্রিয় করেছে এবং ৩,৫০০-এর বেশি স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন করেছে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বিডিআরসিএস-এর ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল কবির, কোষাধ্যক্ষ ড. আবু মো. মোফাখখারুল ইসলাম রানা এবং মহাসচিব ড. কবির মো. আশরাফ আলম (এনডিসি) উপস্থিত ছিলেন। আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ফেডারেশন (আইএফআরসি), চীনা দূতাবাস এবং রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট আন্দোলনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
If Ziaur Rahman was not born Bangladesh would not have been born Jobi VC

জিয়াউর রহমানের জন্ম না হলে বাংলাদেশের জন্ম হতো না: জবি ভিসি

জিয়াউর রহমানের জন্ম না হলে বাংলাদেশের জন্ম হতো না: জবি ভিসি ছবি: সংগৃহীত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেছেন, জিয়াউর রহমানের জন্ম না হলে এই বাংলাদেশের জন্ম হতো না। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন বলেই আমরা একটি দেশ, একটি মানচিত্র, স্বাধীনতা ও ভূখণ্ড পেয়েছি। দেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার রক্ষায় বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দর্শন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বুধবার (২২ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সেমিনারটির আয়োজন করে ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)-এর জবি শাখা।

জবি উপাচার্য বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বর নির্যাতনে যখন জাতি দিশেহারা, তখন তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে জাতিকে পথ দেখিয়েছিলেন। শুধু ঘোষণা দিয়েই তিনি থেমে থাকেননি, জেড ফোর্স গঠন করে মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি নেতৃত্ব দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, জাতি যখনই ক্রান্তিলগ্নে উপনীত হয়েছে, তখনই পথপ্রদর্শকের ভূমিকা পালন করেছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তিনি আজ সশরীরে না থাকলেও জাতিকে সংকট থেকে উত্তরণের জন্য যে দর্শন দিয়ে গেছেন, তার নাম বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ।

বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদকে রাষ্ট্রীয় অস্তিত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার দর্শন উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, এই দেশকে যদি ফ্যাসিবাদমুক্ত রাখতে হয়, তবে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী দর্শনকে আত্মস্থ করতেই হবে। আমরা এ দর্শন প্রতিষ্ঠা ও মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে কাজ করে যাব। তবে আমার আদর্শের কোনো শিক্ষক, কর্মকর্তা বা শিক্ষার্থী যাতে কারও ওপর কোনো ধরনের চাপ প্রয়োগ না করেন—সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। এ ধরনের কোনো অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

একই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে খাটো করার উদ্দেশ্যে কোনো ধরনের অপপ্রচার বা বট আইডির মাধ্যমে প্রোপাগান্ডা এই ক্যাম্পাসে চলতে দেওয়া হবে না।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, এমপি বলেন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের মূল কথা হলো—এই ভূখণ্ডে বসবাসকারী প্রত্যেক নাগরিকের অভিন্ন পরিচয় বাংলাদেশি। ধর্ম, ভাষা, বর্ণ ও জাতিগত পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে এই দর্শন জাতীয় ঐক্যের ভিত্তি গড়ে তোলে।

ইউট্যাব জবি শাখার সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. নাছির আহমাদ। স্বাগত বক্তব্য দেন শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন এবং শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মঞ্জুর মুর্শেদ ভূঁইয়া। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dhakas 61 Union Parishad initiative of DC Farida Khan

ঢাকার ৬১ ইউনিয়ন পরিষদে স্বচ্ছ বদলির উদ্যোগ ডিসি ফরিদা খানমের

ঢাকার ৬১ ইউনিয়ন পরিষদে স্বচ্ছ বদলির উদ্যোগ ডিসি ফরিদা খানমের ছবি: সংগৃহীত

ইউনিয়ন পরিষদ সচিবদের বদলি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে লটারির মাধ্যমে পদায়নের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমের উদ্যোগে বুধবার (২২ জুলাই) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ লটারির আয়োজন করা হয়।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা জেলার ৫টি উপজেলার ৬১টি ইউনিয়ন পরিষদে মোট ৬২টি সচিবের পদ রয়েছে। বর্তমানে ৫৭ জন কর্মরত থাকলেও ৫টি পদ শূন্য রয়েছে।

কর্মরতদের মধ্যে ৫২ জন বদলি কার্যক্রমে অংশ নেন।

এর মধ্যে ৪৫ জন নিজ নিজ উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদে পদায়নের জন্য লটারিতে অংশগ্রহণ করেন।

অন্যদিকে আবেদন ও যৌক্তিক কারণ বিবেচনায় ৭ জনকে অন্য উপজেলায় পদায়নের সুযোগ দেওয়া হয় এবং তারাও লটারিতে অংশ নেন।

প্রশাসন সূত্রে আরো জানা যায়, কর্মরত বাকি ৫ জনের মধ্যে ৪ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ থাকায় তাদের বদলি কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। একজনকে প্রশাসনিক কারণে এ প্রক্রিয়ার বাইরে রাখা হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বদলি কার্যক্রমে কোনো ধরনের পক্ষপাত বা প্রভাবের সুযোগ বন্ধ করতে নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করে সম্পূর্ণ স্বচ্ছভাবে লটারির আয়োজন করা হয়। বদলিকৃত কর্মকর্তাদের আগামী ২৩ জুলাইয়ের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, সরকারি সেবায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সুশাসন নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতিটি কার্যক্রম নিয়ম ও নীতিমালার ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।

ইউনিয়ন পরিষদ সচিবদের বদলি কার্যক্রমেও কোনো ধরনের ব্যক্তিগত প্রভাব বা সুপারিশের সুযোগ রাখা হয়নি। লটারির মাধ্যমে পদায়নের ফলে সবাই সমান সুযোগ পাচ্ছেন এবং জনগণের আস্থা আরো বাড়বে।

তিনি আরো বলেন, জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে দক্ষ, জবাবদিহিমূলক ও দায়িত্বশীল প্রশাসন গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। স্বচ্ছতা ও ন্যায়সংগত প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Govt committed to raise quality of citizen services DSCC admin

নাগরিক সেবার মান বাড়াতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: ডিএসসিসি প্রশাসক

নাগরিক সেবার মান বাড়াতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: ডিএসসিসি প্রশাসক ছবি: সংগৃহীত

রাজস্ব আদায় কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, ট্রেড লাইসেন্স ফি জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং নাগরিকদের দোরগোড়ায় ব্যাংকিং সুবিধা নিশ্চিত করতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) অঞ্চল–২ (খিলগাঁও) কার্যালয়ে ঢাকা ব্যাংকের একটি নতুন কালেকশন বুথ উদ্বোধন করা হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) রাজধানীর খিলগাঁওয়ে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে বুথটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

​উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবদুস সালাম বলেন, ‘প্রতিযোগিতামূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে সেবার মান বাড়াতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ঢাকা ব্যাংকের এই নতুন কালেকশন বুথ চালুর ফলে এ অঞ্চলের অধিবাসীরা অত্যন্ত সহজে সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন ফি ও সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।’

​সাবেক সরকারের সমালোচনা ও বর্তমান নীতি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আগের সরকার একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে সুবিধা দিতে কালেকশন কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের হাতে কুক্ষিগত করে রেখেছিল। তবে বর্তমান সরকার উন্মুক্ত প্রতিযোগিতায় বিশ্বাস করে। যারা ভালো ও দ্রুত সেবা দেবে, তারাই এগিয়ে যাবে। সেই বিবেচনাতেই ঢাকা ব্যাংককে এই সুযোগ দেওয়া হয়েছে। আশা করি, তারা প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণ করবে এবং জনগণের দোরগোড়ায় মানসম্মত সেবা পৌঁছে দেবে।’

​নাগরিক সেবা সহজীকরণে সরকারের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘বর্তমান সরকার জনগণের প্রত্যক্ষ কল্যাণে বিশ্বাস করে। সিটি করপোরেশন জনগণের করের অর্থে পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান, তাই একে আরও গতিশীল ও জবাবদিহিমূলক করতে কাজ চলছে। প্রক্রিয়াগত জটিলতার কারণে নাগরিকরা এখনও কিছু ক্ষেত্রে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন—যা সত্যি। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দ্রুত সেবা নিশ্চিত করতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের শিথিলতা সহ্য করা হবে না।’

​আঞ্চলিক কার্যালয়গুলোর দায়িত্ব স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি জানান, এখন থেকে আঞ্চলিক কার্যালয়গুলোকে জন্ম নিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্স, সড়কবাতি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও মশক নিয়ন্ত্রণের মতো জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মুখ্য সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করতে হবে।

​তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই রাজধানী ঢাকাতে নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে সর্বোচ্চ সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছেন। এখনও সব লক্ষ্য অর্জিত না হলেও সরকার ধারাবাহিকভাবে তা বাস্তবায়নে কাজ করছে।’

​বর্ষাকালে ড্রেনেজ ব্যবস্থার সুরক্ষায় নাগরিক সচেতনতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আবদুস সালাম বলেন, ‘জলাবদ্ধতা নিরসনে পলিথিনের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার কমাতে হবে এবং ব্যবহৃত পলিথিন ড্রেনে ফেলা বন্ধ করতে হবে। নাগরিকরা সচেতন হলে শহরের সেবার মান দ্রুত উন্নত করা সম্ভব।’

পরিশেষে, তিনি স্থানীয় এলাকাবাসী ও রাজনৈতিক কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা ও সেবা কার্যক্রমের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে সবাইকে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে সেবামূলক কাজে এগিয়ে আসতে হবে।’

​অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ঢাকা ব্যাংকের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
200 inmates in Nilphamari jail got free eye treatment

নীলফামারী কারাগারে ২০০ কারাবন্দি পেল বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা

নীলফামারী কারাগারে ২০০ কারাবন্দি পেল বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ছবি: সংগৃহীত

নীলফামারী জেলা কারাগারের কারাবন্দীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ এবং চক্ষুস্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মরিয়ম চক্ষু হাসপাতাল, সৈয়দপুর-এর উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও ছানি অপারেশন ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত ২০ জুলাই নীলফামারী জেলা কারাগার চত্বরে আয়োজিত এ ক্যাম্পে সভাপতিত্ব করেন জেলা কারাগারের জেল সুপার জাবেদ মেহেদী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান চৌধুরী শামীম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুর রাজ্জাক, জেলা কারাগারের কর্মকর্তা-কর্মচারী, কারারক্ষীবৃন্দ এবং কারাবন্দীরা।

সভাপতির বক্তব্যে জেল সুপার জাবেদ মেহেদী বলেন, ‘কারাবন্দিদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। সুস্থ শরীর তাদের মানসিক উন্নয়ন ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার পথকে সহজ করে। এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখতে আমরা কাজ করে যাব।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, ‘সরকার কারাবন্দিদের মানবিক অধিকার ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। চিকিৎসাসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার। জেলা কারাগারে এমন বিশেষায়িত চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প আয়োজন নিঃসন্দেহে একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। প্রশাসন এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে সবসময় সহযোগিতা করবে।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান চৌধুরী শামীম বলেন, ‘মানবসেবার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হলো স্বাস্থ্যসেবা। কারাবন্দিদের জন্য বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসার ব্যবস্থা একটি মহৎ উদ্যোগ। সমাজের প্রতিটি মানুষ যেন প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা পায়, সে লক্ষ্যে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।’

দিনব্যাপী এ ক্যাম্পে প্রায় ২০০ জন কারাবন্দীর চক্ষু পরীক্ষা করা হয়। তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী বিনামূল্যে চশমা ও ওষুধ প্রদান করা হয়। এছাড়া যেসব কারাবন্দির ছানি অপারেশনের প্রয়োজন রয়েছে, তাদের বিনামূল্যে অপারেশনের জন্য নির্বাচন করা হয়।

আয়োজকরা জানান, এ ধরনের স্বাস্থ্যসেবামূলক কার্যক্রম কারাবন্দীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের মানবিক কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Manikganj 3 private hospitals and diagnostics closed

মানিকগঞ্জ ৩ বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক বন্ধ

মানিকগঞ্জ ৩ বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক বন্ধ ছবি: সংগৃহীত

মানিকগঞ্জে বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে মানহীন চিকিৎসা সেবাসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় তিনটি প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসাসেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে মানিকগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. আইভী ফেরদৌস মানিকগঞ্জ শহরের বাসস্ট্যান্ড ও জয়রা এলাকায় অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে তিনটি বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চিকিৎসাসেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেন।

প্রতিষ্ঠাগুলো হলো, শহরের জয়রা এলাকার আল-রাফী জেনারেল হাসপাতাল এবং বাসস্ট্যান্ড এলাকার যমুনা জেনারেল হাসপাতাল ও মর্ডান ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এছাড়া বেসরকারি মানিকগঞ্জ শিশু ও জেনারেল হাসপাতালকে মুচলেকার মাধ্যমে সর্তক করা হয়েছে।

সিভিল সার্জন অফিস জানান, মানহীন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চিকিৎসা সেবাসহ অনিয়মের অভিযোগে বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় বেসরকারি হাসপাতাল আল-রাফী, যমুনা জেনারেল হাসপাতালের নবায়নকৃত লাইসেন্স না পাওয়ায় এবং মর্ডার ডায়াগনস্টিকের প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও লেবার রুম না পাওয়া সাময়িকভাবে তাদের কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। এছাড়া মানিকগঞ্জ শিশু ও জেনারেল হাসপাতালকে মুচলেকা নিয়ে সতর্ক করা হয়েছে।

সিভিল সার্জন ডা. আইভী ফেরদৌস জানান, মানসম্মত স্বাস্থ্য নিশ্চিতের ক্রাইটেরিয়াগুলো পূরণ করতে পারলে, তাদের হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিকের কার্যক্রম চালাতে পারবে। ক্রাইটেরিয়া পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কেউ কোনো ধরনের স্বাস্থ্যসেবা দিতে পারবে না। রোগীদের শতভাগ মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে কোনো অনিয়ম ছাড় দেওয়া হবে না। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য

p
উপরে