× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
NATIONAL ELECTIONS SCHEDULE VOTING IN NOVEMBER First week of January EC Anishur
google_news print-icon
গাজীপুরে ইসি আনিছুর

নভেম্বরে তফসিল, ভোট জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে

নভেম্বরে-তফসিল-ভোট-জানুয়ারির-প্রথম-সপ্তাহে
নির্বাচন কমিশনার মো. আনিছুর রহমান। ফাইল ছবি
ইসি আনিছুর বলেন, কেন্দ্রগুলোতে ভোট হবে ব্যালট পেপারে। এবার নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচনের দিন সব কেন্দ্রে ব্যালট পেপার পাঠানো হবে।

আগামী নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে এবং ২০২৪ সালের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে হবে ভোট।

মঙ্গলবার দুপুরে গাজীপুরের শ্রীপুরে স্মার্ট কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আনিছুর রহমান। খবর ইউএনবির

তিনি বলেন, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে এবং ২০২৪ সালের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে।

ইসি আনিছুর বলেন, কেন্দ্রগুলোতে ভোট হবে ব্যালট পেপারে। এবার নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচনের দিন সব কেন্দ্রে ব্যালট পেপার পাঠানো হবে।

উদ্বোধনের প্রথম দিনে ৩০জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে স্মার্টকার্ড দেয়া হয়। এই উপজেলার একটি পৌরসভা ও আটটি ইউনিয়নের বাসিন্দাদের মধ্যে স্মার্ট কার্ড বিতরণ করা হবে।

ইসি আনিছুর বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নির্বাচান কমিশন সব ক্ষমতা প্রয়োগ করবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা চাই সব দলের অংশগ্রহণে একটি সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। এ জন্য সব দলের সঙ্গে সংলাপের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ইতোমধ্যে অনেকের সঙ্গে সংলাপ হয়েছে। আমাদের সঙ্গে সংলাপের পর নির্বাচন কমিশনের ওপর সবার আস্থা আরও দৃঢ় হবে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
What Shakib Al Hasan mentioned in the affidavit

হলফনামায় যা উল্লেখ করেছেন সাকিব আল হাসান

হলফনামায় যা উল্লেখ করেছেন সাকিব আল হাসান মাগুরা-১ আসন থেকে নৌকার মনোনয়ন পাওয়া ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। ফাইল ছবি
হলফনামায় দেখা গেছে, সাকিব আল হাসানের কোনো স্থাবর সম্পদ নেই। অস্থাবর সম্পদ হিসেবে ব্যাংক ঋণ দেখিয়েছেন ১১ কোটি ৫৬ লাখ ৯১ হাজার ৮৭৬ টাকা।

মাগুরা-১ আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন দেশের জাতীয় ক্রিকেট দলের ক্যাপ্টেন সাকিব আল হাসান। নির্বাচনী হলফনামায় পেশা ক্রিকেটার উল্লেখ করে তিনি বার্ষিক গড় আয় দেখিয়েছেন ৫ কোটি ৫৫ লাখ ৭১ হাজার ২৬২ টাকা। জামানতের বিপরীতে সাকিব ব্যাংক ঋণ দেখিয়েছেন ৩১ কোটি ৯৮ লাখ ৬১ হাজার ৩৮২ টাকা।

সোমবার সাকিবের নির্বাচনী এলাকা মাগুরার জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে হলফনামায় বার্ষিক আয়, অস্থাবর সম্পত্তি, ঋণ, শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশাসহ বিভিন্ন তথ্য উল্লেখ করেছেন।

হলফনামায় দেখা গেছে, সাকিব আল হাসানের কোনো স্থাবর সম্পদ নেই। অস্থাবর সম্পদ হিসেবে ব্যাংক ঋণ দেখিয়েছেন ১১ কোটি ৫৬ লাখ ৯১ হাজার ৮৭৬ টাকা। শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ দেখিয়েছেন ৪৩ কোটি ৬৩ লাখ ৯৬ হাজার ৮৭৪ টাকা। আয় থেকে ব্যাংক আমানত দেখিয়েছেন ২২ লাখ ৯৬ হাজার ৪৯৩ টাকা। হলফনামায় সাকিব আল হাসান স্বর্ণ দেখিয়েছেন ২৫ ভরি, আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিকস সামগ্রী দেখিয়েছেন ১৩ লাখ টাকা।

শুধু ইস্টার্ন ব্যাংকেই তার ১ কোটি ৫০ লাখ ২০ হাজার ৩৬৩ টাকা ঋণ রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন হলফনামায়।

শিক্ষাগত যোগ্যতায় সাবিক জানিয়েছেন তিনি বিবিএ পাস করেছেন। আর পেশা হিসেবে উল্লেখ করেছেন ক্রিকেটার।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Allegations of violation of the code of conduct against public representatives

জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে ‘ভুঁড়িভোজ’, আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ

জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে ‘ভুঁড়িভোজ’, আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ জামালপুর-৫ (সদর) আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ। ছবি: সংগৃহীত
নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘নির্বাচন আচরণবিধির বিষয়ে নেতা-কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে, এখানে আচরণবিধি ভঙ্গের কোনো কিছু হয়নি।’

জামালপুর-৫ (সদর) আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম।

জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শফিউর রহমান বরাবর সোমবার বিকেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিমের পক্ষে সমন্বয়কারী ইকরামুল হক নবীন স্বাক্ষরীত লিখিত অভিযোগপত্র দিয়েছেন।

লিখিত অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, সদর আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ সোমবার জনপ্রতিনিধিদেরকে নিয়ে সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে, শরীফপুর ইউনিয়নের শরীফপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে, লক্ষীরচর ইউনিয়নের বারুয়ামারী স্কুল মাঠে বিশাল গাড়িবহর এবং গরু জবাই করে ভুঁড়িভোজের ব্যবস্থা করে আচরনবিধি লঙ্ঘন করেছেন।

এ বিষয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিমের নির্বাচন সমন্বয়কারী ইকরামুল হক নবীন বলেন, ‘আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী দলীয় সভার নামে নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গ করে যাচ্ছেন, আমরা এর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছি।’

নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আবুল কালাম আজাদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘নির্বাচন আচরণবিধির বিষয়ে নেতা-কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে, এখানে আচরণবিধি ভঙ্গের কোনো কিছু হয়নি।’

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শফিউর রহমান বলেন, ‘আমি অভিযোগের বিষয় জেনেছি, তদন্ত করে পদক্ষেপ নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে শোকজ
আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ: নোয়াখালী -১ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে শোকজ
নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনে নৌকার প্রার্থীকে শোকজ
আচরণবিধি ভেঙে ভোটকেন্দ্রে এমপি শিমুল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Allegation of violation of the code of conduct is a shock to the Awami League candidate

আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে শোকজ

আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে শোকজ আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনীত প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক। ছবি: সংগৃহীত
শিবলী সাদিক বলেন, ‘আমি নোটিশ পেয়েছি। ওইদিন দুই স্থানে নাশকতাবিরোধী সভা ও সমাবেশ ডাকা হয়েছিল। সেখানকার লোকজন আমাকে রিসিভ করে নিয়ে যায়। আমার নামীয় একটি ফেসবুকে আমার সমর্থকরা সেই ভিডিও আপলোড করে; আমি ওই ফেসবুক চালাই না।’

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনাজপুর-৬ (বিরামপুর-ঘোড়াঘাট-নবাবগঞ্জ-হাকিমপুর) আসনের আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনীত প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য শিবলী সাদিককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে।

আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে মঙ্গলবার বিকেল ৪টার মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের নির্বাচনি এলাকা-১১, দিনাজপুর-৬-এর নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান ও সহকারী জজ হাসিবুজ্জামান স্বাক্ষরিত এই চিঠি সোমবার শিবলী সাদিককে পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ আছে, আপনি আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদে নির্বাচনি এলাকা-১১, দিনাজপুর-৬ (নবাবগঞ্জ, বিরামপুর, হাকিমপুর, ঘোড়াঘাট উপজেলা) সংসদীয় আসনে একজন পদপ্রার্থী হওয়া সত্ত্বেও অতি সম্প্রতি আপনার নির্বাচনি এলাকায় নেতা-কর্মীসহ মোটরসাইকেল এবং গাড়িবহর নিয়ে শোডাউন করাসহ প্রচারণায় ও সংবর্ধনায় অংশগ্রহণ করেছেন এবং জনগণের চলাচলের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছেন।

চিঠিতে বলা হয়েছে, উল্লিখিত ঘটনাগুলো আপনার নিজ নামীয় ফেসবুক আইডিতে আপলোড করা তিনটি লাইভ ভিডিওর মাধ্যমে অত্র নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির নিকট গোচরীভূত হয়েছে। আপনার উক্ত কর্মকাণ্ড সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০০৮-এর বিধি ৮(ক), বিধি ১০(ক) এবং বিধি ১২-এর বিধান লঙ্ঘন করেছে।

কারণ দর্শানো নোটিশের কপি জারি করে এর প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে পাঠানোর জন্য নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ নভেম্বর নির্বাচনি এলাকা ঘোড়াঘাট উপজেলার মাজারপাড়া এলাকায় দলীয় নেতারা শিবলী সাদিককে সংবর্ধনা জানান। পরে সেখান থেকে তিনি ঘোড়াঘাট, বিরামপুর ও নবাবগঞ্জ উপজেলায় যান।

এ বিষয়ে কথা হলে শিবলী সাদিক বলেন, ‘আমি নোটিশ পেয়েছি। ওইদিন দুই স্থানে নাশকতাবিরোধী সভা ও সমাবেশ ডাকা হয়েছিল। সেখানকার লোকজন আমাকে রিসিভ করে নিয়ে যায়। আমার নামীয় একটি ফেসবুকে আমার সমর্থকরা সেই ভিডিও আপলোড করে; আমি ওই ফেসবুক চালাই না।

‘যেহেতু অনেকগুলো মোটরসাইকেল আর লোকজন এসেছে তাই নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি ধরেছে যে আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এটার ওপর আমরা একটি জবাব তৈরি করেছি, সেটি দাখিল করব। এটি নির্বাচনি প্রচারণা ছিল না, হঠাৎ করেই হয়েছে। নির্বাচনি প্রচারণা থাকলে যে পরিমাণে মানুষ ছিল, তার দশগুণ মানুষ হতো।’

আরও পড়ুন:
মনোনয়ন বাতিল কৌতুক অভিনেতা চিকন আলীর
দ্বৈত নাগরিকত্ব: আওয়ামী লীগের শাম্মীর মনোনয়নপত্র বাতিল
ঢাকার দুটি আসনে মনোনয়ন বৈধ জিএম কাদের শেরীফা দম্পতির
মনোনয়নপত্রে মৃত ব্যক্তির স্বাক্ষর, আটকে গেল ভোটে যাওয়ার পথ
আ.লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ১৭ ডিসেম্বরের পর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Hasanat Zahid Sadiq built a mountain of wealth in five years

পাঁচ বছরে হাসানাত-জাহিদ-সাদিকের সম্পদ বেড়েছে কয়েক গুণ

পাঁচ বছরে হাসানাত-জাহিদ-সাদিকের সম্পদ বেড়েছে কয়েক গুণ (বাঁ থেকে) সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুখ এবং পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক মন্ত্রী আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ। ছবি: নিউজবাংলা
২০১৮ সালে বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) নির্বাচনে সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ হলফনামায় নিজেকে লাখপতি হিসেবে উল্লেখ করলেও ৫ বছর পর তার সম্পদের হিসাবে এসেছে বড় ধরনের পরিবর্তন। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৫ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া সাবেক এ সিটি মেয়র হলফনামায় তার সম্পদ বিবরণীতে দেখিয়েছেন কোটি কোটি টাকার নগদ অর্থ। অন্য দুইজনেরও অবস্থাও অনেকটা একইরকম।

২০১৮ সালে বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) নির্বাচনে সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ হলফনামায় নিজেকে লাখপতি হিসেবে উল্লেখ করলেও ৫ বছর পর তার সম্পদের হিসাবে এসেছে বড় ধরনের পরিবর্তন। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৫ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া সাবেক এ সিটি মেয়র হলফনামায় তার সম্পদ বিবরণীতে দেখিয়েছেন কোটি কোটি টাকার নগদ অর্থ।

২০১৮ সালের সিটি নির্বাচনের হলফনামায় সাদিক আব্দুল্লাহ তার কাছে থাকা নগদ টাকা দেখিয়েছিলেন ৬ লাখ ৮১ হাজার টাকা। এ ছাড়া সে সময় বাড়িভাড়া থেকে তার বাৎসরিক আয় ছিল ২ লাখ ১৬ হাজার টাকা, ব্যবসা থেকে ৪ লাখ ৯৫ হাজার ৪ শ’ টাকা, চাকরি থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ও সঞ্চয়পত্র ২ লাখ টাকা। সে সময় বস্তুগত সম্পত্তি হিসেবে তিনি দেখিয়েছিলেন একটি রিকন্ডিশন মাইক্রোবাস, খাট, আলমারি, সোফা ও ডাইনিং টেবিল, পূর্বাচলে রাজউকের আবাসিক প্লট এবং গুলশানের নিকেতনে একটি আবাসিক ফ্ল্যাট। তবে বরিশাল সিটি মেয়র থাকাকালে মাত্র পাঁচ বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ বেড়েছে বহুগুণ।

সংসদ নির্বাচনের হলফনামা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, গত সিটি নির্বাচনে তার পেশা ছিল কান্তা করপোরেশন প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক। তবে এবারে তিনি তার পেশা হিসেবে উল্লেখ করেছেন মৎস্য চাষ ও রাখি মালের ব্যবসা। তার কাছে নগদ টাকা রয়েছে ২ কোটি ২২ লাখ ৩৭ হাজার ২৯৫ টাকা। বাড়ি ভাড়া থেকে আয় ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা, নিজ পেশা থেকে আয় ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা, মেয়র পদে দায়িত্বকালে সম্মানী ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা, শেয়ার ডিবেঞ্জার ২ লাখ টাকা, ৮৫ লাখ ৪৪ হাজার টাকার অকৃষি জমি ও গুলশানের নিকেতনে একটি আবাসিক ফ্ল্যাট যার মূল্য ১০ লাখ ৮৮ হাজার টাকা।

এদিকে ২০১৮ সালের সিটি নির্বাচনে সাদিকের স্ত্রীর নামে কোনো সম্পদ না থাকলেও ৫ বছরের ব্যবধানে স্ত্রীর নামে সম্পদ হয়েছে ১০ ভরি স্বর্ণ এবং ২০ লাখ টাকা মূল্যের ৬৫ শতাংশ অকৃষি জমি।

তবে গত সিটি নির্বাচনে তার হলফনামায় কোনো মামলার কথা উল্লেখ না থাকলেও এবারের সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় দুইটি ফৌজদারি মামলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অবশ্য দুই মামলাতেই বেকসুর খালাস পেয়েছেন তিনি।

জাহিদ ফারুখ

অন্যদিকে বরিশাল-৫ আসন থেকে পুনরায় নৌকার টিকিট পাওয়া পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুখেরও সম্পদ বেড়েছে কয়েকগুণ। ২০১৮ সালের নির্বাচনে হলফনামায় পেশা ব্যবসা উল্লেখ করা জাহিদ ফারুখের বাড়িভাড়া থেকে বাৎসরিক আয় ছিল ৪ লাখ ৫১ হাজার ৮০২ টাকা। এ ছাড়া তার নগদ ১০ লাখ ৯৪ হাজার ৯২৫ টাকা, গাড়ির মূল্য ২৬ লাখ ৮৯ হাজার ৪৫০ টাকা, স্বর্ণ ২০ ভরি, ইলেক্ট্রনিক ও আসবাবপত্র ৪ লাখ টাকা, অকৃষি জমি ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ছিল। স্ত্রীর নামে ছিল আরও ৩০ ভরি স্বর্ণ। এ ছাড়া ওই সময় তার গাড়ি ক্রয় বাবদ প্রায় ৭ লাখ টাকার ঋণও ছিল।

তবে মাত্র ৫ বছরের ব্যবধানে তার সম্পদ বেড়েছে বহুগুণ।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনে দেয়া হলফনামা সূত্রে জানা গেছে, অবসরপ্রাপ্ত সরকারী চাকরিজীবী জাহিদ ফারুখের পেনশন ও সংসদ সদস্য হিসেবে পাওয়া ভাতা থেকে বাৎসরিক আয় ৫৩ লাখ ৩০ হাজার ৭৫৬ টাকা। ব্যাংক মুনাফা ও ফ্ল্যাট বিক্রি করে আয় ১ কোটি ১৪ লাখ ২৯ হাজার ৯০২ টাকা, নগদ রয়েছে ৫৮ লাখ ১১ হাজার ৬০৩ টাকা, ব্যাংকে জমাকৃত অর্থের পরিমাণ ১ কোটি ৯ লাখ টাকা, শেয়ার বাজারে বিনিয়োগকৃত ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা, ২৩ লাখ ৮৯ হাজার ৪৫০ টাকা মূল্যের একটি প্রাইভেট কার, স্বর্ণ ২০ তোলা, ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও আসবাবপত্র ৭০ হাজার টাকার, বরিশালের আলেকান্দায় দুইটি বাড়ি ও কক্সবাজার ও ঢাকার বারিধারায় দুইটি দালান রয়েছে যার মূল্য ১ কোটি ১ লাখ ১৯ হাজার ২৫০ টাকা। জাহিদ ফারুখের স্ত্রীর নামে নগদ অর্থ রয়েছে ৯২ লাখ ১৯ হাজার ৯৯৫ টাকা, ব্যাংকে জমাকৃত অর্থ ৫৬ লাখ টাকা, সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ ৭০ লাখ টাকা, ১০ তোলা স্বর্ণ এবং একটি পিস্তল রয়েছে যার মূল্য ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ

বরিশাল-১ আসনে পুনরায় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়া পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক মন্ত্রী আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহরও সম্পদ বেড়েছে ব্যাপক। যেখানে ২০১৮ সালের নির্বাচনে তার কাছে নগদ টাকার পরিমাণ ছিল ১৩ লাখ ৭১ হাজার ৭৪ টাকা, সেখানে এবারের সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় তার নগদ অর্থের পরিমাণই ১ কোটি ৪৭ লাখ ১৯ হাজার ৫০৯ টাকা।

২০১৮ সালের নির্বাচনে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর হলফনামায় দেখা যায়, কৃষিখাত থেকে তার বাৎসরিক আয় ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা, বাড়িভাড়া বাবদ আয় ৭ লাখ ৬৩ হাজার ১৯৬ টাকা, ব্যবসা থেকে বাৎসরিক আয় ২ কোটি ২৯ লাখ ৮০ হাজার ৮৫ টাকা, নগদ অর্থ ১৩ লাখ ৭১ হাজার ৭৪ টাকা, ব্যাংকে জমা ২ কোটি ৭৯ লাখ ২২ হাজার ৫৮৯ টাকা, শেয়ার বাজারে বিনিয়োগকৃত অর্থের পরিমাণ ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা, একটি প্রাইভেট কার ও একটি জিপ ৭৯ লাখ ২৭ হাজার ৫৫৯ টাকা, ১০০ ভরি স্বর্ণ, ইলেক্ট্রনিক ও আসবাবপত্র ২ লাখ টাকা, কৃষি জমি ২০ একর, অকৃষি জমি ৪০ একর এবং ১ কোটি ৮১ লাখ ৪৫ হাজার ২৮৫ টাকা মূল্যের একটি দালান রয়েছে নিজ নামে।

এ ছাড়া স্ত্রীর নামে নগদ অর্থ রয়েছে ১ কোটি ৯৯ লাখ ৮৬ হাজার ৫৮৪ টাকা, ব্যাংকে জমা ১ কোটি ২ লাখ টাকা, শেয়ার ৮ লাখ টাকা, ১৮ লাখ টাকার একটি কার, স্বর্ণ ৬০ তোলা, ১ লাখ টাকার আসবাবপত্র ও অকৃষি জমি ৫২ ডেসি মাইল।

তবে ২০২৩ সালের হলফনামায় হাসানাত উল্লেখ করেছেন, কৃষিখাত থেকে তার বাৎসরিক আয় ৩ লাখ ৩৪ হাজার টাকা, ব্যবসা থেকে ৩ কোটি ৩৬ লাখ ৫৩ হাজার ৭৫৩ টাকা, শেয়ার, সঞ্চয় পত্র ও ব্যাংক আমানত ৬৫ লাখ ৩ হাজার ৮৯৮ টাকা, চাকরি থেকে আয় ১২ লাখ ৬০ হাজার টাকা, নগদ অর্থ রয়েছে ১ কোটি ৪৭ লাখ ১৯ হাজার ৫০৯ টাকা, ব্যাংকে জমাকৃত অর্থের পরিমাণ ২৫ কোটি ৯৪ লাখ ৯৬ হাজার ৮৯ টাকা, শেয়ার রয়েছে ৫১ লাখ ৮০ হাজার টাকা, সঞ্চয়পত্র ৩ কোটি ৮১ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ১ কোটি ৭৪ লাখ ৩৫ হাজার টাকার দুইটি জিপ, ৫০ ভরি স্বর্ণ, আসবাবপত্র ২ লাখ টাকা, কৃষি জমি ১৭ একর, অকৃষি জমি ৪১ একর, ঢাকার কলাবাগানে একটি দালান যার মূল্য ৮৯ লাখ ১১ হাজার ৫৭৫ টাকা। তার জামানতবিহীন ঋণ রয়েছে ৫ কোটি ৬০ লাখ ৯০ হাজার টাকা।

আরও পড়ুন:
নির্বাচন নিয়ে বিদেশিদের চাপ নেই: ইসি আলমগীর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Nomination papers of 17 people were canceled in three constituencies of Feni

ফেনীর তিন আসনে ১৭ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল

ফেনীর তিন আসনে ১৭ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল গ্রাফিক্স: নিউজবাংলা
এ জেলার তিনটি আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন মোট ৩৮ জন প্রার্থী। এর মধ্যে ১৭ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে, বাকি ২১ প্রার্থী সরাসরি নির্বাচনে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

ফেনীর ৩টি আসনে ৩৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৭ জনের মনোনয়নপত্রই বাতিল ঘোষণা করেছেন রিটানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মুছাম্মৎ শাহীনা আক্তার। ফলে বৈধ প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার সুযোগ পাচ্ছেন ২১ প্রার্থী।

সোমবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেয়া হয়।

ফেনী-১ (পরশুরাম ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া) আসনে ১৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে ৬ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ এবং ৮ জনের বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।

ফেনী-২ (সদর) আসনে মোট ১০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র পত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে ৮ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ও ২ জনের বাতিল বলে ঘোষিত হয়।

ফেনী-৩ (দাগনভূঞা ও সোনাগাজী) আসনে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন মোট ১৪ জন প্রার্থী। এদের মধ্যে ৭ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

ফেনী জেলা প্রশাসক মুছাম্মৎ শাহীনা আক্তার বলেন, ‘আগামী ৫ থেকে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীদের নির্বাচন কমিশনে আপিল করার সুযোগ রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে রিটের আদেশ ১০ ডিসেম্বর
মনোনয়ন বাতিল কৌতুক অভিনেতা চিকন আলীর
দ্বৈত নাগরিকত্ব: আওয়ামী লীগের শাম্মীর মনোনয়নপত্র বাতিল
সিরাজগঞ্জ-৫ আসনে শ্বশুরের মনোনয়ন বৈধ, বাতিল জামাতারটা
ঢাকার দুটি আসনে মনোনয়ন বৈধ জিএম কাদের শেরীফা দম্পতির

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dual citizenship Shammis nomination paper of Awami League is cancelled
বরিশাল-৪

দ্বৈত নাগরিকত্ব: আওয়ামী লীগের শাম্মীর মনোনয়নপত্র বাতিল

দ্বৈত নাগরিকত্ব: আওয়ামী লীগের শাম্মীর মনোনয়নপত্র বাতিল আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত
বরিশালে মোট ৫৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। এর মধ্যে ১০ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। আর বৈধতা পেয়েছেন ৪৫ প্রার্থী।

দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকায় বরিশাল-৪ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন।

বরিশালের রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক শহীদুল ইসলাম জেলা প্রশাসনের সভাকক্ষে সোমবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে দ্বিতীয় দিনের শুনানি শেষে এ ঘোষণা দেন।

তিনি জানান, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ অনুসারে প্রার্থী হতে হলে দ্বৈত নাগরিকত্ব অগ্রহণযোগ্য। আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ড. শাম্মী আহমেদের দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তিনি ছাড়া আরও ১০ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। আর বৈধতা পেয়েছেন ৪৫ প্রার্থী।

রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, বরিশালে ৫৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন বরিশাল-৪ আসনে বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের প্রার্থী আসাদুজ্জামান। দল থেকে বাতিল করায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। বরিশাল-১ আসনে জাকের পার্টির প্রার্থী মো. রিয়াজ মোর্শেদ জামান খান হলফনামা জমা দেননি এবং তারও দলীয় মনোনয়নপত্র নেই।

বরিশাল-২ আসনে জাতীয় পার্টি তথা জেপি-মঞ্জু মনোনীত ব্যারিস্টার আলবার্ট বাড়ৈ হলফনামার ৩০০ টাকার কোর্ট ফি সংযুক্ত করেননি এবং দলীয় মনোনয়নপত্র ঠিকভাবে পূরণ করেননি। একই আসনে বাংলাদেশ কংগ্রেস মনোনীত প্রার্থী মিরাজ ঋণখেলাপি থাকায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

বরিশাল-৬ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ শামসুল আলম ঋণখেলাপি, জাকির হোসেন খানের ঋণখেলাপি হওয়া ও ১ শতাংশ ভোটার সমর্থন সঠিক না পাওয়া, শাহরিয়া মিঞার ১ শতাংশ ভোটার সমর্থন না পাওয়া, নূরে আলম সিকদারের ১ শতাংশ ভোটার সমর্থন না পাওয়া এবং হুমায়ূন কবিরকে তার দল বাংলাদেশ কংগ্রেস মনোনয়নপত্র বাতিল করায় নির্বাচন কমিশন তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে।

আরও পড়ুন:
ময়মনসিংহে ১০৬ প্রার্থীর মধ্যে মনোনয়ন বাতিল ২৪ জনের
নৌকার ভোট চেয়ে অনুসন্ধান কমিটির ডাক পেলেন এমপি ফারুক
নিরপেক্ষতা অক্ষুণ্ণ রাখতে রিটার্নিং অফিসারদের নির্দেশ ইসির
আওয়ামী লীগের ধাওয়ায় সড়কে মশাল রেখে পালাল বিএনপি
শেখ হাসিনার সঙ্গে ১৪ দল নেতাদের বৈঠক সোমবার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Nomination papers of 4 candidates of Dinajpur are cancelled

দিনাজপুরের ৪ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল

দিনাজপুরের ৪ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল জেলা রিটার্নিং অফিসে রোববার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত দিনাজপুরের ৩৪জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার শাকিল আহমেদ বলেন, ‘দিনাজপুরের ৬টি সংসদীয় আসনের মোট ৩৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। এ সময় ৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এ ছাড়া ৩০ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীদের আপিলের সুযোগ রয়েছে।’

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের তৃতীয় দিনে দিনাজপুরের ৬টি আসনের ৩৪ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাছাই করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে বিভিন্ন ত্রুটির কারণে ৪ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

জেলা রিটার্নিং অফিসার রোববার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত জেলার ৬টি সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এ তথ্য জানান।

এ সময় দিনাজপুর-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আবু হোসাইন বিপুর মনোনয়নপত্রে সমর্থকের তালিকায় ত্রুটি পাওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। একই অভিযোগে দিনাজপুর-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা যুবলীগের সভাপতি রাশেদ পারভেজ, দিনাজপুর-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা তোজাম্মেল হক ও দিনাজপুর-৬ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহনেওয়াজ ফিরোজ শাহের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার শাকিল আহমেদ বলেন, ‘দিনাজপুরের ৬টি সংসদীয় আসনের মোট ৩৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। এ সময় ৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এ ছাড়া ৩০ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীদের আপিলের সুযোগ রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ময়মনসিংহে ১০৬ প্রার্থীর মধ্যে মনোনয়ন বাতিল ২৪ জনের
মোকতাদিরের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী ওলিওর মনোনয়নপত্র বাতিল
টাঙ্গাইলে বহিষ্কৃত বিএনপি নেতাসহ ১২ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল
সিরাজগঞ্জের তিন আসনে সব স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল
অবৈধ অস্ত্র নিয়ে কুমিল্লায় নৌকা-স্বতন্ত্র প্রার্থীর পাল্টাপাল্টি দোষারোপ

মন্তব্য

p
উপরে