× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
What Fakhrul said when asked about the news of the meeting with Chunnu in Singapore
google_news print-icon

সিঙ্গাপুরে চুন্নুর সঙ্গে বৈঠকের খবর প্রশ্নে যা বললেন ফখরুল

সিঙ্গাপুরে-চুন্নুর-সঙ্গে-বৈঠকের-খবর-প্রশ্নে-যা-বললেন-ফখরুল
সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা শেষে শনিবার ঢাকায় ফিরে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি মির্জা ফখরুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত
সিঙ্গাপুরে জাতীয় পার্টির মহাসচিবের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে- গণমাধ্যমের এমন খবর সম্পর্কে বিমানবন্দরে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এগুলো সম্পর্কে আমি কথা বলতে চাই না। আমার রুচির বাইরে এগুলো। সরকার এমন একটা জগৎ তৈরি করেছে যেখানে নোংরামি ছাড়া কিছু নেই।’

সিঙ্গাপুরে ৯ দিন চিকিৎসা শেষে সস্ত্রীক দেশে ফিরেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম। শনিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ ঢাকার কয়েকটি গণমাধ্যমে খবর বের হয় যে মির্জা ফখরুলের সঙ্গে সিঙ্গাপুরে জাতীয় পার্টির মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নুর সঙ্গে গোপন বৈঠক হয়েছে। বিমানবন্দরে এ বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এগুলো সম্পর্কে আমি কথা বলতে চাই না। আমার রুচির বাইরে এগুলো।’

তিনি বলেন, ‘দুঃখজনক ব্যাপার হচ্ছে, সরকার এখানে এমন সমাজ তৈরি করে ফেলেছে, এমন একটা জগৎ তৈরি করেছে, যে জগতে নোংরামি ছাড়া কিছু নেই।

‘আমাদের মতো রাজনীতিবিদ যারা মুক্তিযুদ্ধের সংগ্রামে ছিলাম, এখন গণতান্ত্রিক সংগ্রামে যুক্ত আছি, আমাদের জড়িয়েও এসব নোংরা কথাবার্তা ছড়ায়। দুর্ভাগ্যজনকভাবে গণমাধ্যমে ছড়ায়, সোশ্যাল মিডিয়াতে ছড়ায়। আমি মনে করি, এর উত্তর দেয়াটাও লজ্জাকর।’

বিএনপি মহাসচিব অভিযোগ করেন, ‘সরকারের হয়রানি করার যতরকম কৌশল আছে, বিমানবন্দরে তা ফেইস করতে হয়েছে। যারা বিরোধী দল করি সবাইকেই করতে হয়। যাওয়ার সময় ইমিগ্রেশনে হয়রানি করে। ফেরার সময় হয়রানি করে। এটা এখন আমাদের জীবনের অংশ হয়ে গেছে। আমি চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গিয়েছি। তারপরও হয়রানির শিকার হতে হয়েছে।’

গত ২৪ আগস্ট চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে যান বিএনপি মহাসচিব ও তার স্ত্রী রাহাত আরা বেগম। দুজনই নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। ফলোআপ চিকিৎসায় সিঙ্গাপুর যান তারা।

কয়েক বছর আগে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ঘাড়ে ইন্টারনাল ক্যারোটিড আর্টারিতে ব্লক ধরা পড়ে। এছাড়া তার গলার ধমনিতে রক্ত চলাচলেও জটিলতা সৃষ্টি হয়েছিল। সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে তার চিকিৎসা হয়। চিকিৎসার ফলোআপের জন্য প্রতিবছর তাকে সিঙ্গাপুরে যেতে হয়। আর তার স্ত্রীর দেহে সম্প্রতি একটি অস্ত্রোপচার হয়। তিনিও সিঙ্গাপুরের র‌্যাফেলস হসপিটালে চিকিৎসা নেন।

আরও পড়ুন:
ড. ইউনূসকে হেনস্তা করা বন্ধ করুন: ফখরুল
চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল
ধর্মপ্রাণ মানুষকে জঙ্গি বানিয়ে সরকার ফায়দা নিচ্ছে: ফখরুল
বিরোধী দল নির্মূলে রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট সন্ত্রাস চলছে: ফখরুল
খবরটি সত্যি হলে ভারত বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করছে: ফখরুল

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
2 killed in Chittagong clash with quota activists

চট্টগ্রামে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষে নিহত ২

চট্টগ্রামে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষে নিহত ২ কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ-যুবলীগ দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে নেমেছে চট্টগ্রাম নগরীর সড়কে। ছবি: নিউজবাংলা
দুজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন বলেন, ‘দুজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত আরও নয়জনকে এখানে নিয়ে আসা হয়েছে।’

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলনে চট্টগ্রামে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। দুজনের মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে একজন চট্টগ্রাম কলেজের শিক্ষার্থী এবং অপরজন পথচারী বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন দুজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘দুজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত আরও নয়জনকে এখানে নিয়ে আসা হয়েছে।’

জানা গেছে, বিকেল ৩টা থেকে বন্দর নগরের মুরাদপুর, ২ নম্বর গেট ও ষোলশহরসহ আশপাশের এলাকায় কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সংঘর্ষ শুরু হয়। এর আগে দুপুর থেকে বিভিন্ন মোড়ে অবস্থা নেন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা।

সবশেষ পাওয়া তথ্যমতে, ষোলশহর শিক্ষা বোর্ড এলাকায় কোটা আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া চলছে। মুরাদপুর অংশে অবস্থান নিয়েছেন কোটা আন্দোলনকারীরা। আর দুই নম্বর ও ষোলশহর এলাকায় অবস্থান নিয়েছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এতে সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের হাতে দেশীয় অস্ত্র দেখা গেছে। কোটা আন্দোলনকারীরাও লাঠিসোটা নিয়ে অবস্থান নিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
খুলনা-যশোর মহাসড়ক অবরোধ কোটা আন্দোলনকারীদের
রাতভর যা ঘটল জাবিতে
সারা দেশে মঙ্গলবার বিক্ষোভ কোটা আন্দোলনকারীদের
ঢাবি প্রভোস্ট কমিটির জরুরি সভা, পাঁচ সিদ্ধান্ত
ঢাবির শহীদুল্লাহ হল এলাকায় ফের ছাত্রলীগ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Behind the quota movement is the Matlabi faction who

কোটা আন্দোলনের পেছনে মতলবি মহল আছে, সময়মতো ব্যবস্থা: কাদের

কোটা আন্দোলনের পেছনে মতলবি মহল আছে, সময়মতো ব্যবস্থা: কাদের ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন ওবায়দুল কাদের। ছবি: সংগৃহীত
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধকে টার্গেট করে যে আন্দোলন তা প্রতিহত করা হবে। ধৈর্য্য ধারণ করা মানে নীরবতা নয়, সময়মতো ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

কোটা আন্দোলনের পেছনে একটি মতলবি মহল আছে বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, আন্দোলনকারীদের একটা অংশ রাজাকারের পক্ষে কথা বলছে। এটা স্পষ্ট যে এর পেছনে রয়েছে বিএনপি-জামায়াত।

রাজধানীর ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন ওবায়দুল কাদের।

কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে বিনা উস্কানিতে সাধারণ শিক্ষার্থীসহ ছাত্রলীগের ওপর নির্বিচার হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, ‘দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধকে টার্গেট করে যে আন্দোলন তা প্রতিহত করা হবে। ধৈর্য্য ধারণ করা মানে নীরবতা নয়, সময়মতো ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘অতীতেও সড়ক আন্দোলন, কোটা আন্দোলনের ওপর ভর করে আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলতে চেয়েছিল বিএনপি। তারা অগ্নি-সন্ত্রাস করেছে। কিন্তু সে আন্দোলনে তারা সাড়া পায়নি। জনগণের শক্ত অবস্থানের কাছে তারা পরাস্ত হয়।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আজকে যে কোটা সংস্কার আন্দোলন চলছে, এ আন্দোলনেরও নেতৃত্ব নিয়েছে তারেক রহমান। তার দল বিএনপি প্রকাশ্যে সমর্থন দিয়েছে। একটা অরাজনৈতিক ইস্যুকে রাজনৈতিক আন্দোলনে পরিণত করতে চক্রান্ত করছে। একটা অপশক্তিকে এর পেছনে লেলিয়ে দিয়েছে।

‘প্রধানমন্ত্রী কোটা নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে যে বক্তব্য দিয়েছেন সেটাকে বিকৃত করে উপস্থাপন করে জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপপ্রয়াস চালাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী কোটা আন্দোলনের কাউকে উদ্দেশ করে রাজাকার শব্দ ব্যবহার করেননি।’

কাদের বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াতের ক্যাডাররা ছাত্রদের আন্দোলনে নামতে চাপ দিচ্ছে। বিনা উস্কানিতে ছাত্রলীগসহ সাধারণ ছাত্রদের ওপর গতকাল (সোমবার) তারা হামলা চালিয়েছে। ছাত্রলীগের অন্তত ৫শ’ নেতাকর্মী আহত ও দুজন নেতা গুলিবিদ্ধ। ছাত্রলীগের বিভিন্ন নেতার ভুয়া ছবি ব্যবহার করে বিভিন্ন পেজে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘কোটা সংস্কারের বিষয়টি সর্বোচ্চ আদালতের বিষয়। আদালত ছাড়া আর কোনো উপায় বা বল প্রয়োগ করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার কোনো সুযোগ নেই।’

চলমান কোটা আন্দোলনে দুজন নিহত হয়েছে বলে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার যে বক্তব্য দিয়েছেন তার নিন্দা জানান আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, অন্য দেশের গণতন্ত্র নিয়ে কথা বলার আগে নিজেদের চেহারা আয়নায় দেখা উচিত।

‘যে আন্দোলন স্বাধীনতাকে টার্গেট করে সে আন্দোলন মোকাবেলা করবে আওয়ামী লীগ। আন্দোলনের নামে কোনো প্রকার জনদুর্ভোগ সরকার মেনে নেবে না। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কোনোপ্রকার অবমাননা সহ্য করা হবে না। প্রশাসনের ধৈর্য্য ধরা মানে দুর্বলতা নয়। সময়মতো যথাযথ অ্যাকশন নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
আন্দোলনরত শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক কাদেরের
কোটা আন্দোলনে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি ভর করেছে: কাদের
কোটার আন্দোলনকে সরকারবিরোধী রূপ দেয়ার চেষ্টা করছে বিএনপি: কাদের
শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান কাদেরের
দুই আন্দোলন নিয়ে সরকার সতর্ক: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Newsbangla Jabi Correspondent Sergil injured in police firing

পুলিশের গুলিতে আহত নিউজবাংলার জাবি প্রতিনিধি সার্জিল

পুলিশের গুলিতে আহত নিউজবাংলার জাবি প্রতিনিধি সার্জিল জাবিতে সোমবার গভীর রাতে পুলিশের গুলিতে আহত হন নিউজবাংলার প্রতিনিধি আব্দুর রহমান সার্জিল। কোলাজ: নিউজবাংলা
নিউজবাংলার জাবি প্রতিনিধি সার্জিল বলেন, ‘ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা ভিসির বাসভবনে ঢুকে আন্দোলনকারীদের মারধর করার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষার্থীরা হল থেকে বেরিয়ে এসে ছাত্রলীগকে ধাওয়া দিয়ে সরিয়ে দেয়। সে সময় শিক্ষার্থীরা পুলিশের ওপর চড়াও হয়। পুলিশ শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে ছড়রা গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এতে অনেকেই আহত হয়। আমরা চার গণমাধ্যমকর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছি।’

কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের মুখোমুখি অবস্থানের মধ্যে সোমবার গভীর রাতে পুলিশের গুলিতে আহত হয়েছেন নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) প্রতিনিধি আব্দুর রহমান সার্জিল।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও গুলিবিদ্ধ সার্জিল জানান, রাতে ‍পুলিশের ছোড়া রাবার বুলেটে বিদ্ধ হন সাংবাদিক ও শিক্ষকসহ চারজন। তাদের সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

জাবি ক্যাম্পাসে সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার ভোররাত পর্যন্ত উত্তেজনা চলে।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যার পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা এলাকায় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। পরে রাত সাড়ে আটটার দিকে এ ঘটনার বিচার চেয়ে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

তারা আরও জানান, মধ্যরাতে হঠাৎ জাবি শাখা ছাত্রলীগ ও বহিরাগতরা সশস্ত্র অবস্থায় হেলমেট পড়ে ভিসি ভবনের সামনেই সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করেন। তখন আন্দোলনকারীরা উপাচার্যের বাসভবনের ভেতরে আশ্রয় নিলে সেখানে ঢুকেও শিক্ষার্থীদের মারধর করে আহত করেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। একপর্যায়ে বিভিন্ন হল থেকে সহস্রাধিক শিক্ষার্থী বেরিয়ে আসলে পুলিশ-ছাত্রলীগ ও তাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। তখন পুলিশ শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে টিয়ারশেল ও ছড়রা গুলি ছোড়ে। এতে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন।

ওই সময় গুলিবিদ্ধ হন জাবির ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক খন্দকার লুৎফুল এলাহী, নিউজবাংলার জাবি প্রতিনিধি আব্দুর রহমান সার্জিল ও বণিক বার্তার মেহেদী মামুনসহ চারজন।

নিউজবাংলার জাবি প্রতিনিধি সার্জিল বলেন, ‘ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা ভিসির বাসভবনে ঢুকে আন্দোলনকারীদের মারধর করার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষার্থীরা হল থেকে বেরিয়ে এসে ছাত্রলীগকে ধাওয়া দিয়ে সরিয়ে দেয়। সে সময় শিক্ষার্থীরা পুলিশের ওপর চড়াও হয়।

‘পুলিশ শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে ছড়রা গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এতে অনেকেই আহত হয়। আমরা চার গণমাধ্যমকর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছি।’

এনাম মেডিক্যালের ইমার্জেন্সি মেডিক্যাল অফিসার আলী বিন সোলাইমান বলেন, ‘(সোমবার) রাতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্তত ৬০ জন আহত রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের অনেকেই গুলিবিদ্ধ ছিলেন।’

ঘটনার বিষয়ে ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহেল কাফি বলেন, ‘ছাত্রলীগ ও আন্দোলনকারীরা যখন ভিসির বাসভবনের সামনে মুখোমুখি হয়, অপর দিক থেকে বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীরা ভিসির বাসভবনের সামনে উপস্থিত হয়ে পুলিশের ওপর হামলা করেন। সে সময় আমাদের টিয়ারশেল ও ফাঁকা গুলি নিক্ষেপ করতে হয়েছে।

‘শিক্ষার্থীদের হামলায় আমিসহ অন্তত ১০ থেকে ১৫ জন পুলিশ আহত হয়েছে, তবে সকাল থেকে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। যেকোনো বিশৃঙ্খলা এড়াতে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
জাবির বাজেটে উপেক্ষিত স্বাস্থ্যখাত
জাবি শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে দুই বহিরাগত গ্রেপ্তার
সর্বজনীন পেনশন স্কিম বাতিলের দাবিতে জাবি শিক্ষকদের কর্মবিরতি
অবশেষে ঈদের নাটকে মেহজাবীন
জাবি ক্যাম্পাসে ছিনতাইকালে আটক ৩

মন্তব্য

বাংলাদেশ
What happened overnight

রাতভর যা ঘটল জাবিতে

রাতভর যা ঘটল জাবিতে ছাত্রলীগ ও পুলিশের সঙ্গে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের মুখোমুখি অবস্থানে রাতভর উত্তেজনা চলে জাবিতে। ছবি: সংগৃহীত
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, হামলাকারীদের অধিকাংশের মাথায় হেলমেট ও হাতে ধারালো অস্ত্র ছিল। সে সময় দুটি পেট্রলবোমা ছুড়তে দেখা যায় তাদের। হামলা থেকে বাঁচতে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের বাসভবনের ভেতরে আশ্রয় নেন। ওই সময় তাদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। রাত সোয়া ১২টার দিকে ঘটনাস্থলে পুলিশ এলে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা উপাচার্যের বাসভবনের ফটক ছেড়ে রাস্তায় চলে যান।

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগ ও পুলিশের মুখোমুখি অবস্থানে সোমবার রাতে কুরুক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি)।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও গুলিবিদ্ধ এক সাংবাদিক জানান, রাতে ‍পুলিশের ছোড়া রাবার বুলেটে বিদ্ধ হয়েছেন সাংবাদিক ও শিক্ষকসহ চারজন। তাদের সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তারা আরও জানান, এ ঘটনায় অর্ধশতাধিক আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী আহত হন।

অন্যদিকে পুলিশ জানায়, বাহিনীর অন্তত ১৫ জন সদস্য আহত হয়েছেন।

জাবি ক্যাম্পাসে সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার ভোররাত পর্যন্ত উত্তেজনা চলে।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যার পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা এলাকায় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। পরে রাত সাড়ে আটটার দিকে এ ঘটনার বিচার চেয়ে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

তারা আরও জানান, মধ্যরাতে হঠাৎ জাবি শাখা ছাত্রলীগ ও বহিরাগতরা সশস্ত্র অবস্থায় হেলমেট পড়ে ভিসি ভবনের সামনেই সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করেন। তখন আন্দোলনকারীরা উপাচার্যের বাসভবনের ভেতরে আশ্রয় নিলে সেখানে ঢুকেও শিক্ষার্থীদের মারধর করে আহত করেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। একপর্যায়ে বিভিন্ন হল থেকে সহস্রাধিক শিক্ষার্থী বেরিয়ে আসলে পুলিশ-ছাত্রলীগ ও তাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। তখন পুলিশ শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে টিয়ারশেল ও ছড়রা গুলি ছোড়ে। এতে অর্ধাশতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন।

গুলিবিদ্ধ হয়েছেন জাবির ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক খন্দকার লুৎফুল এলাহী, নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের জাবি প্রতিনিধি আব্দুর রহমান সার্জিল ও বণিক বার্তার মেহেদী মামুনসহ চারজন।

পরে আহত ও গুলিবিদ্ধদের সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ ও জাবির হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, হামলাকারীদের অধিকাংশের মাথায় হেলমেট ও হাতে ধারালো অস্ত্র ছিল। সে সময় দুটি পেট্রলবোমা ছুড়তে দেখা যায় তাদের। হামলা থেকে বাঁচতে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের বাসভবনের ভেতরে আশ্রয় নেন। ওই সময় তাদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। রাত সোয়া ১২টার দিকে ঘটনাস্থলে পুলিশ এলে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা উপাচার্যের বাসভবনের ফটক ছেড়ে রাস্তায় চলে যান।

পরে রাত পৌনে দুইটার দিকে ফটক ভেঙে বাসভবনের ভেতরে প্রবেশ করেন তারা। তখন বেশ কয়েকটি পেট্রলবোমা ছুড়ে বাসভবনের ফটকের লাইটসহ বিভিন্ন লাইট ভাঙচুর করেন তারা। এরপর আন্দোলনকারীদের ব্যাপক মারধর করেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। সেই সময় উপাচার্য বাসভবনেই ছিলেন।

গুলিবিদ্ধ নিউজবাংলার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আব্দুর রহমান সার্জিল বলেন, ‘ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা ভিসির বাসভবনে ঢুকে আন্দোলনকারীদের মারধর করার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষার্থীরা হল থেকে বেরিয়ে এসে ছাত্রলীগকে ধাওয়া দিয়ে সরিয়ে দেয়। সে সময় শিক্ষার্থীরা পুলিশের ওপর চড়াও হয়।

‘পুলিশ শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে ছড়রা গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এতে অনেকেই আহত হয়। আমরা চার গণমাধ্যমকর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছি।’

এনাম মেডিক্যালের ইমার্জেন্সি মেডিক্যাল অফিসার আলী বিন সোলাইমান বলেন, ‘(সোমবার) রাতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্তত ৬০ জন আহত রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের অনেকেই গুলিবিদ্ধ ছিলেন।’

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহেল কাফি বলেন, ‘ছাত্রলীগ ও আন্দোলনকারীরা যখন ভিসির বাসভবনের সামনে মুখোমুখি হয়, অপর দিক থেকে বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীরা ভিসির বাসভবনের সামনে উপস্থিত হয়ে পুলিশের ওপর হামলা করেন। সে সময় আমাদের টিয়ারশেল ও ফাঁকা গুলি নিক্ষেপ করতে হয়েছে।

‘শিক্ষার্থীদের হামলায় আমিসহ অন্তত ১০ থেকে ১৫ জন পুলিশ আহত হয়েছে, তবে সকাল থেকে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। যেকোনো বিশৃঙ্খলা এড়াতে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
জাবিতে শিক্ষার্থীদের মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ২০
ঢাবিতে ছাত্রলীগ-শিক্ষার্থী ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া দেড় ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদে খুলনায় মহাসড়ক অবরোধ
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার চেয়ে ববিতে বিক্ষোভ
ঢাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা, আহত ২০০

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Today is Sheikh Hasinas imprisonment day

শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস আজ

শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস আজ সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ছবি: সংগৃহীত
শেখ হাসিনার মুক্তির দাবিতে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ ২৫ লাখ গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে জমা দেয়। সারা দেশ থেকে তার মুক্তির দাবি ওঠে। তার দল আওয়ামী লীগ সিদ্ধান্ত নেয় ‘মুক্ত শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নির্বাচনে অংশ নেয়ার’। এসব দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস আজ। সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় হয়রানি ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

বাসস জানায়, ওই সময় শেখ হাসিনার মুক্তির দাবিতে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ ২৫ লাখ গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে জমা দেয়। সারা দেশ থেকে তার মুক্তির দাবি ওঠে। তার দল আওয়ামী লীগ সিদ্ধান্ত নেয় ‘মুক্ত শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নির্বাচনে অংশ নেয়ার’।

এসব দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। শেখ হাসিনার মুক্তির মধ্য দিয়ে এ দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরায় ফিরে আসে।

বার্তা সংস্থাটির প্রতিবেদনে জানানো হয়, প্রায় দেড় যুগ আগে ১৬ ‍জুলাই ভোরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দুই সহস্রাধিক সদস্য সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে শেখ হাসিনার ধানমন্ডির বাসভবন সুধা সদন ঘেরাও করে। সেই সময় শেখ হাসিনা ফজরের নামাজ আদায় করছিলেন।

সকাল সাড়ে সাতটার দিকে যৌথবাহিনীর সদস্যরা শেখ হাসিনাকে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার করে সুধা সদন থেকে বের করে নিয়ে আসে এবং যৌথবাহিনীর সদস্যরা বন্দি অবস্থায় তাকে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে হাজির করে।

তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আদালতের কার্যক্রম শুরু হওয়ার নির্ধারিত সময়ের প্রায় দুই ঘণ্টা আগেই আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার জামিন আবেদন নাকচ করেন বিচারক। তাকে রাখা হয় সংসদ ভবনের স্যাঁতসেঁতে একটি ভবনে, যা পরবর্তী সময়ে সাব জেল হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে বাংলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারকে অবরুদ্ধ করার অপপ্রয়াস চালায় তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার। শেখ হাসিনা আদালতের গেটে দাঁড়িয়ে প্রায় ৩৬ মিনিটের অগ্নিঝরা বক্তৃতার মাধ্যমে তৎকালীন সরকারের হীন-রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন।

গ্রেপ্তারের আগ মুহূর্তে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দেশবাসীর উদ্দেশে একটি চিঠির মাধ্যমে দেশের জনগণ এবং আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের গণতন্ত্র রক্ষায় মনোবল না হারিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার আহ্বান জানান।

আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য সহযোগী সংগঠন ও গণতন্ত্রপ্রত্যাশী দেশবাসীর ক্রমাগত প্রতিরোধ আন্দোলন, বঙ্গবন্ধুকন্যার আপসহীন ও দৃঢ় মনোভাব এবং দেশবাসীর অনড় দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৮ সালের ১১ জুন দীর্ঘ ১১ মাস কারাভোগ ও নানামুখী ষড়যন্ত্রের পর তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।

আওয়ামী লীগসহ সমমনা সংগঠনগুলো যথাযথ কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটি পালন করবে।

আরও পড়ুন:
চীন থেকে শূন্য হাতে ফেরার দাবিকারীরা মানসিকভাবে অসুস্থ: প্রধানমন্ত্রী
রপ্তানিযোগ্য নতুন পণ্য ও বাজার খুঁজতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন বিকেলে
ফুটবলের উন্নয়নে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে: প্রধানমন্ত্রী
চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন রোববার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chhatra League Student clash again in Shahidullah Hall area of ​​Dubai

ঢাবির শহীদুল্লাহ হল এলাকায় ফের ছাত্রলীগ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষ

ঢাবির শহীদুল্লাহ হল এলাকায় ফের ছাত্রলীগ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল এলাকায় সোমবার রাতে শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলে। ছবি: নিউজবাংলা
রাতে দোয়েল চত্বর এলাকায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার সময় রাস্তায় অনেকগুলো ককটেল ফুটিয়েছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। তবে শিক্ষার্থীদের দাবি, ককটেলের পাশাপাশি সাউন্ড গ্রেনেড এবং গুলিও ছোড়া হয়েছে।

পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ্ হলের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের মধ্যে ফের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়। তবে রাত সোয়া ৯টার দিকে পরিস্থিতি আবার নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

রাতে দোয়েল চত্বর এলাকায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার সময় রাস্তায় অনেকগুলো ককটেল ফুটিয়েছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। তবে শিক্ষার্থীদের দাবি, ককটেলের পাশাপাশি সাউন্ড গ্রেনেড এবং গুলিও ছোড়া হয়েছে।

সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্ হলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়। ছাত্রলীগের পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি মহানগর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরাও যোগ দিয়েছেন। অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শহীদুল্লাহ্ হল ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য হলের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা হলের ভেতরে আর ছাত্রলীগ দোয়েল চত্বর আর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মোড়ের দিকে অবস্থান নেন। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে করতে হলের ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে শিক্ষার্থীরা হলের ভেতর ও ছাদ থেকে পাল্টা ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন। এভাবে দেড় ঘণ্টা ধরে ইটপাটকেল ছোড়াছুড়ি চলে৷

ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল ছোড়াছুড়ির এই পুরোটা সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনের কাউকে ঘটনাস্থলে দেখা যায়নি। পরে সন্ধ্যা ৭টার দিকে পুলিশ এবং এর আগ মুহূর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক আব্দুল মুহিত শহীদুল্লাহ হলে প্রবেশ করেন। পুলিশ ছাত্রলীগকে আর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সদস্যরা শিক্ষার্থীদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন।

এ সময় ড. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ্ হলের শিক্ষার্থী ছাড়া বাকিদের ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে বললে শিক্ষার্থীরা ‘দালাল দালাল’ বলে স্লোগান দেন। শিক্ষার্থীরা সহকারী প্রক্টরের উদ্দেশে বলেন, ‘এটি আমাদের ক্যাম্পাস। যারা বহিরাগত তাদের আগে বের হতে বলেন।’

এ সময় শিক্ষার্থীরা সহকারী প্রক্টরের পদত্যাগও দাবি করেন।

দেড় ঘণ্টাব্যাপী এই ধাওয়া-পাল্টাধাওয় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নিয়ন্ত্রণে আসার পর শিক্ষার্থীরা হলের গেটের কাছে দাঁড়িয়ে স্লোগান দিতে শুরু করেন। আর ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা দোয়েল চত্বরের কাছে অবস্থান নেন। মাঝখানে অবস্থান নেয় পুলিশ।

কিছু সময় বিরতি দিয়ে পুনরায় শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া। শিক্ষার্থীরা হল গেটের ভেতরে ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা বাইরে থেকে পরস্পরের দিকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। একইসঙ্গে চলে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া। অবশেষে রাত সোয়া ৯টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ।

এদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জরুরি বৈঠক ডাকেন উপাচার্য অধ্যাপক ড এ এস এম মাকসুদ কামাল। বৈঠক শেষে তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য আমাদের হলের প্রাধ্যক্ষরা রাতভর হলে অবস্থান করবেন। মিটিংয়ে আমাদের আরও কিছু বিষয় নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেগুলো সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
চবিতে ছাত্রলীগের দফায় দফায় হামলা, ছাত্রীদের হেনস্তা
জাবিতে শিক্ষার্থীদের মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ২০
ঢাবিতে ছাত্রলীগ-শিক্ষার্থী ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া দেড় ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদে খুলনায় মহাসড়ক অবরোধ
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার চেয়ে ববিতে বিক্ষোভ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chabis repeated attacks by the Chhatra League are harassment of female students

চবিতে ছাত্রলীগের দফায় দফায় হামলা, ছাত্রীদের হেনস্তা

চবিতে ছাত্রলীগের দফায় দফায় হামলা, ছাত্রীদের হেনস্তা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শহীদ মিনারের পাশে সোমবার দুপুরে শিক্ষার্থীদৈর ওপর হামলা চালায় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। ছবি: নিউজবাংলা
কোটা সংস্কার দাবিতে আন্দোলনকারী ছাত্রীরা বলেন, ‘শহীদ মিনারে আমাদেরকে হেনস্তা করার প্রতিবাদে প্রক্টর কার্যালয়ে অভিযোগ দিতে যাই। সেখানেও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা আমাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও শারীরিকভাবে হেনস্তা করে। প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টরদের উপস্থিতিতেই ছাত্রলীগ আমাদের দেখে নেয়ার হুমকি দিয়েছে। আমরা নিরাপত্তার শঙ্কায় ভুগছি।’

চটগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) কোটা সংস্কার আন্দোলনের সম্পৃক্ত শিক্ষার্থীদের ওপর আবারও দফায় দফায় হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। হামলায় দুই শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন। নারী শিক্ষার্থীদেরকে শারীরিকভাবে হেনস্তা এবং প্রক্টরের সামনে বিশ্রী ভাষায় গালিগালাজ করারও অভিযোগ উঠেছে।

পূর্বঘোষিত কর্মসূচি পালনের উদ্দেশ্যে সোমবার বেলা আড়াইটার শাটল ট্রেন ধরার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেশনে জড়ো হন শিক্ষার্থীরা। এসময় ছাত্রলীগের নেতারা এসে শাটলের চাবি কেড়ে নেন এবং আন্দোলনের সমন্বয়কসহ কয়েকজন শিক্ষার্থীকে জিম্মি করে নিয়ে যান। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসের সামনে ফের প্রক্টরের উপস্থিতিতে কোটা সংস্কারপন্থীদের মারধর করে ছাত্রলীগ কর্মীরা।

চবিতে ছাত্রলীগের দফায় দফায় হামলা, ছাত্রীদের হেনস্তা
ছাত্রলীগ জিম্মি করে ধরে নিয়ে যাওয়া শিক্ষার্থীদের উদ্ধারে চবি প্রক্টর অফিসে অন্য শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা

কোটা সংস্কারপন্থী শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘দুপুরে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেশনে জড়ো হই চট্টগ্রাম নগরের ষোলশহরে গিয়ে আন্দোলনে যোগ দেয়ার জন্য। তখন ছাত্রলীগ কর্মীরা এসে শাটলের চাবি নিয়ে নেয় ও আমাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তারা তালাত মাহমুদ রাফিসহ কয়েক শিক্ষার্থীকে জিম্মি করে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যায়।

‘আন্দোলনকারী জিম্মি শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করতে যাওয়ার পথে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে শিক্ষার্থীদের আটকে বেধড়ক মারধর করে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। তারা এ সময় এক শিক্ষার্থীকে রাস্তায় ফেলে বাঁশ-তক্তা দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মক জখম করে এবং ছাত্রীদের হেনস্তা করে। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী মো. মাহবুবুর রহমান গুরুতর আহত হন।

ছাত্রীরা বলেন, শহীদ মিনারে আমাদেরকে হেনস্থা করার প্রতিবাদে প্রক্টর কার্যালয়ে অভিযোগ দিতে যাই। এ সময় ছাত্রলীগ আমাদের পথরোধ করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। আমরা প্রক্টর অফিসের ভেতরে ঢুকতে গেলে তারা দরজা আটকে দাঁড়িয়ে থাকে এবং আমাদেরকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করে। প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টরদের উপস্থিতিতেই ছাত্রলীগ আমাদের সঙ্গে খুব খারাপ আচরণ করেছে। আমাদের দেখে নেয়ার কথা বলেছে। আমরা নিরাপত্তার শঙ্কায় ভুগছি।’

শিক্ষার্থী তালাত মাহমুদ রাফি বলেন, ‘গণতন্ত্রের দেশে একজন নাগরিককে কেউ জোর করে তুলে আনতে পারে না। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাকে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই। ছাত্রলীগের নেতারা আমার শরীরে বেশ কয়েকবার আঘাত করেছে।’

প্রক্টর অফিসের সামনে মারধরের শিকার বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী নাম প্রকাশ না করে বলেন, ‘আমরা প্রক্টরের অফিসে ঢুকতে চাইলে ছাত্রলীগ বাধা দেয়, দরজা লাগিয়ে দিতে চায়। তখন আমি দরজা আটকালে তারা আমার পায়ে একাধিক লাথি মারে ও হাতে আঘাত করে।

‘আমাদের সব ছাত্রীর সঙ্গেই তারা খারাপ আচরণ করেছে। তারা প্রক্টর অফিসের সামনেই আমাদের ওপর হাত তুলেছে, বিশ্রী ভাষা ব্যবহার করেছে। প্রক্টররা সব কিছু দেখেও কোনো পদক্ষেপ নেননি, উল্টো তাদের সঙ্গে কথা বলার সময় আমাদেরকে ধমক দেন।’

চবি ছাত্রলীগের একাংশের নেতা ইলিয়াস বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজাকারদের কোনো ঠাঁই নেই। রাজাকার-রাজাকার স্লোগান দিয়ে কেউ এদেশে থাকতে পারে না।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. অহিদুল আলম বলেন, ‘গতকাল রাতে যে বিশৃঙ্খলা হয়েছিল আমরা সে বিষয়ে অবগত ছিলাম না। তার জেরে আজ এ ঘটনা ঘটেছে। আমরা তদন্ত করে দেখব কারা দোষী।’

এর আগে রোববার রাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া বক্তব্যের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা ‘তুমি কে, আমি কে- রাজাকার রাজাকার’ স্লোগানে মিছিল বের করেন। এ সময় ক্যাম্পাসের কাটাপাহাড় রোডে পেছন থেকে অতর্কিত হামলা চালায় ছাত্রলীগ। ওই হামলায় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন।

আরও পড়ুন:
কুবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল
ক্যাম্পাসে আত্মস্বীকৃত রাজাকারদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে ছাত্রলীগ: কাদের
শাবিতে শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা, প্রতিবাদে বিক্ষোভ
তারা সমগ্র জাতিকে কলঙ্কিত করেছে: সেলিম মাহমুদ
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে ঢাবিতে কোটা আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভ

মন্তব্য

p
উপরে