× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Even though the waters of Teesta and Dharla rivers have receded the low lying areas are flooded
google_news print-icon

পানি কমেছে তিস্তা ধরলার, এখনও প্লাবিত নিম্নাঞ্চল

পানি-কমেছে-তিস্তা-ধরলার-এখনও-প্লাবিত-নিম্নাঞ্চল-
তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি কমলেও জলাবদ্ধতা রয়ে গেছে নিম্নাঞ্চলে। ছবি: নিউজবাংলা
পাউবো লালমনিরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল কুমার জানান, তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি বাড়ায় আশপাশের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে, কিন্তু সকাল থেকে কিছু কিছু জায়গায় পানি কমতে শুরু করেছে।

লালমনিরহাটে তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি কমতে শুরু করলেও প্লাবিত আছে তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলগুলো।

ডালিয়া পয়েন্টে শনিবার সকাল ৬টার দিকে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়, তবে দুপুর ১২টার দিকে তা কমে ৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

অপরদিকে ধরলা নদীর পানি শিমুলবাড়ি পয়েন্টে সকাল ৬টার দিকে ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। দুপুর ১২টার দিকে তা আরও কমে ১৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্য অনুযায়ী, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে লালমনিরহাটের তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি প্রতিনিয়ত ওঠানামা করছে।

পানি বৃদ্ধির কারণে তিস্তা নদীর আশপাশের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি গেট খুলে দেয়া হয়।

এদিকে পানি কমলেও জেলার পাঁচটি উপজেলার নদীবেষ্টিত গোকুন্ডা, তিস্তা, কালমাটি, খুনিয়াগাছ, মাস্টারপাড়া, হরিণচড়া, মহিষখোচা, গোবর্ধন, রুদ্রেশ্বর, শৈলমারী, বৈরাতি, গড্ডীমারীর মতো এলাকা থেকে পানি সরেনি। এ কারণে দুর্ভোগ কমেনি এসব এলাকার বাসিন্দাদের।

পাউবো লালমনিরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল কুমার জানান, পানি বৃদ্ধির ফলে তিস্তা ও ধরলা নদী তীরবর্তী বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছিল। সকাল থেকে কিছু কিছু জায়গায় পানি কমতে শুরু করেছে।

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, ‘তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নাঞ্চলগুলো প্লাবিত হয়। আমরা বন্যার্তদের জন্য ১১০ টন চাল, শুকনো খাবার ও চার লক্ষ টাকা বরাদ্দ দিয়েছি।’

আরও পড়ুন:
নেত্রকোণার বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে
বিপৎসীমার ওপরে দক্ষিণের ৬ নদীর পানি
তিস্তা ধরলা যমুনায় ভাঙন, নদীগর্ভে ২ স্কুলসহ বহু বাড়ি ও আবাদি জমি
দুই জেলায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে
বিপৎসীমার উপরে সুরমা, বন্যার অবনতির শঙ্কা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Daily demand of eggs in Sylhet is 29 lakhs production is only 4 lakhs

সিলেটে ডিমের প্রাত্যহিক চাহিদা ২৯ লাখ, উৎপাদন মাত্র ৪ লাখ

সিলেটে ডিমের প্রাত্যহিক চাহিদা ২৯ লাখ, উৎপাদন মাত্র ৪ লাখ সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ওয়াপসা আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন ভিসি প্রফেসর ডা. মো. জামাল উদ্দিন ভুঞা। ছবি: নিউজবাংলা
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, দেশের ৪৫ ভাগ মানুষ প্রাণিজ আমিষের ওপর নির্ভরশীল। প্রাণিজ আমিষের অন্যতম উৎস হলো পোল্ট্রি শিল্প। অথচ সিলেট অঞ্চলে লেয়ার খামার ও পোল্ট্রি হ্যাচারি নেই বললেই চলে।

সিলেট বিভাগে প্রতিদিন ২৫ লাখ ডিমের ঘাটতি রয়েছে। এ অঞ্চলে প্রতিদিন হাঁস ও মুরগির ডিমের চাহিদা রয়েছে প্রায় ২৯ লাখ। চাহিদার বিপরীতে সিলেটে মাত্র ৪ লাখ ডিম উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে। ফলে অন্তত ২৫ লাখ ডিম বাইরে থেকে এনে চাহিদা মেটাতে হচ্ছে।

শনিবার সকালে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) ওয়ার্ল্ডস পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশনের (ওয়াপসা বিবি) বিভাগীয় কর্মশালায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

কর্মশালায় বক্তারা বলেন, হাঁসের ডিমের পুষ্টিগুণ মুরগির ডিমের চেয়ে বেশি। এতে অন্য কোনো এলার্জেন্স নেই। দেশের ৪৫ ভাগ মানুষ প্রাণিজ আমিষের ওপর নির্ভরশীল। প্রাণিজ আমিষের অন্যতম উৎস হলো পোল্ট্রি শিল্প। অথচ সিলেট অঞ্চলে লেয়ার খামার ও পোল্ট্রি হ্যাচারি নেই বললেই চলে।

তারা বলেন, সিলেট অঞ্চলে কর্মক্ষম যুব সমাজকে কাজে লাগানোর পাশাপাশি গ্রামীণ নারীদের পোল্ট্রি শিল্পে নিয়োজিত করতে পারলে এ অঞ্চলে মাংস ও ডিমের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে। পোল্ট্রি শিল্পেও কৃষির মতো বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ বিলের পরিবর্তে আবাসিক বিল প্রদান করতে হবে। একইসঙ্গে উদ্যোক্তা গড়ে তুলতে স্বল্প সুদে ব্যাংক ঋণের সুবিধা বাড়াতে হবে।

সিলেট কৃষি বিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি, অ্যানিমেল ও বায়োমেডিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. ছিদ্দিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিকৃবির উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. জামাল উদ্দিন ভুঞা।

অধ্যাপক ড. নাসরিন সুলতানা লাকীর সঞ্চালনায় কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ওয়াপসা বিবির সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় চিফি এপিডেমিউলজিস্ট ডা. আছির উদ্দিন, ওয়াস্টার পোল্ট্রির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমরান হোসেন।

কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ওয়াপসা বিবির সদস্য অধ্যাপক ড. মো. ইলিয়াস হোসেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ড. এটিএম মাহবুব-ই-ইলাহী, অধ্যাপক ড. এম রাশেদ হাসনাত।

কর্মশালায় জানানো হয়, সিলেট জেলায় সোনালী জাতের মুরগির চাহিদা রয়েছে এক লাখ। অথচ স্থানীয়ভাবে সরবরাহ হচ্ছে ১০ হাজারের মতো। কর্মশালায় বায়ু নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিতের পাশাপাশি প্রান্তিক চাষী পর্যায় থেকে বাজার পর্যন্ত ডিমের দামের বৈষম্য কমানোর তাগিদ দেয়া হয়।

সিলেটে হাওরাঞ্চলে হাঁস পালনের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এই সম্ভাবনাকে ব্যক্তি পর্যায়ে কাজে লাগানো যায় বলেও সুপারিশ করেন গবেষকরা।

আরও পড়ুন:
আলুর হিমাগারে ছিল ২১ লাখ ডিম, ২৪ হাজার কেজি মিষ্টি
এক লাফে হোল্ডিং ট্যাক্স কয়েক শ গুণ বৃদ্ধি, ক্ষুব্ধ সিলেট নগরবাসী
উজানের ঢল আর বৃষ্টিতে গ্রীষ্মেই সিলেটে বন্যার পদধ্বনি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The child was stuck in the school toilet for 6 hours

স্কুলের টয়লেটে ৬ ঘণ্টা আটকে ছিল শিশু

স্কুলের টয়লেটে ৬ ঘণ্টা আটকে ছিল শিশু প্রতীকী ছবি
পরীক্ষা শেষে বেলা ১২টার দিকে বিদ্যালয় ছুটির পর রাফিন টয়লেটে যাওয়ার পর স্কুলের দপ্তরি খোকন খান টয়লেট চেক না করেই বাইরে থেকে রশি দিয়ে আটকিয়ে দেন।

মাদারীপুরে একটি স্কুলের টয়লেটে প্রথম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর আটকে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। ছুটির পর সবাই বাড়ি চলে গেলেও টয়লেটে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে শিশুটি। এ ঘটনার ৬ ঘণ্টা পর তাকে সেখান থেকে বের করা হয়।

মাদারীপুর সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের ৯ নম্বর পাঁচখোলা বোর্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটে। তবে এ বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে শনিবার।

ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থীর নাম রাফিন। সে পাঁচখোলা এলাকার মৃত্যু নুরুল হকের ছেলে এবং ৯ নম্বর পাঁচখোলা বোর্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্র।

শিশুটির পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবারও স্কুলে গিয়েছিল রাফিন। তখন তাদের পরীক্ষা চলছিল। পরীক্ষা শেষে বেলা ১২টার দিকে বিদ্যালয় ছুটির পর রাফিন টয়লেটে যাওয়ার পর স্কুলের দপ্তরি খোকন খান টয়লেট চেক না করেই বাইরে থেকে রশি দিয়ে আটকিয়ে দেন। পরে শিশুটি দরজাটি খোলার জন্য ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া পায়নি। এ সময় আতঙ্কিত হয়ে বারবার দরজা খুলতে চিৎকার করতে থাকে সে। প্রায় ছয় ঘণ্টার চেষ্টার পর সে এক পর্যায়ে টয়লেটের দরজা খুলতে সক্ষম হয়।

এদিকে ছুটির পর রাফিন বাড়িতে না ফেরায় তার বাড়ির লোকজন বিভিন্ন ছাত্র ও আত্মীয়ের বাড়িতে খুঁজতে থাকে। অন্যদিকে, সন্ধ্যা ৬টার পর বিদ্যালয়ের তিনতলা থেকে এক মুদি দোকানীকে বিদ্যালয়ের গেট খোলার জন্য ডাকাডাকি করতে করতে অসুস্থ হয়ে পড়ে রাফিন। এরপর কয়েকজন মিলে তাকে উদ্ধার করে তার বাড়িতে নিয়ে যায়।

এলাকাবাসী এ ঘটনাকে ১৯৮০ সালের শিশুতোষ চলচ্চিত্র ‘ছুটির ঘণ্টা’র সঙ্গে তুলনা করে বলে, ‘৬ ঘণ্টা পর স্কুলের বাথরুম থেকে জীবিত ফিরে এলেও আর কিছু সময় হলেই ছুটির ঘণ্টা বেজে যেত শিশুটির।’

ওই মুদি দোকানদার বলেন, ‘দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বাথরুমের আটকা পড়ার পরে কোনোমতে দরজা খুলেই তিনতালার বেলকনি থেকে আমাদের ডাক দেয় রাফিন। পরে আমরা গিয়ে তাকে উদ্ধার করি।’

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রওশন আরা বেগম বলেন, ‘ওইদিন আমি একটি মিটিংয়ে ছিলাম। বের হবার আগপর্যন্ত এমন কিছু আমার নজরে পড়েনি। আমি পরে জানতে পেরেছি। বিষয়টির সঙ্গে কে জড়িত রয়েছে, তা তদন্ত করে বের করা হবে।’

মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল মামুন বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। আপনাদের মাধ্যমেই জানতে পেরেছি। যদি এরকম কিছু হয়ে থাকে, তদন্ত সাপেক্ষে আইনহত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two farmers died due to lightning in Tangail

টাঙ্গাইলে বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু

টাঙ্গাইলে বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু প্রতীকী ছবি
স্থানীয়রা জানান, সকালে ধান কাটাতে গেলে বজ্রপাতে আবদুল হোসেন ও আমির হোসেন আহত হয়ে মাটিতে পড়ে যান। পাশে অন্য জমিতে থাকা শ্রমিকরা তাদের কালিহাতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে তাদের মৃত্যু হয়।

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

উপজেলার বীর বাসিন্দা ইউনিয়নের নোয়া বাড়ি গ্রামে শনিবার সকাল ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

প্রাণ হারানো দুইজন হলেন দিনাজপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার চৌদ্দপুর গ্রামের আবদুল হোসেন ও আমির হোসেন। তারা সম্পর্কে মামাত-ফুফাত ভাই।

স্থানীয়রা জানান, হযরত মিয়ার বাড়িতে ধান কাটার জন্য প্রায় সাতদিন ধরে এসেছেন তারা। সকালে ধান কাটাতে গেলে বজ্রপাতে আবদুল হোসেন ও আমির হোসেন আহত হয়ে মাটিতে পড়ে যান। পাশে অন্য জমিতে থাকা শ্রমিকরা তাদের কালিহাতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে তাদের মৃত্যু হয়।

বজ্রপাতে মৃত্যুর বিষয়টি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা নিশ্চিত করেছেন।

কালিহাতী উপজেলার বীবাসিন্দা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সোহরাব মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেছি। মৃত ব্যক্তিদের পরিবারকে খবর দেয়া হয়েছে। তারা আসলে মরদেহ বুঝিয়ে দেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
গাইবান্ধার দুই উপজেলায় বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু
কুড়িগ্রামে পুকুরের পানিতে খেলতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই শিশুর
গলায় লিচুর বিচি আটকে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু
বজ্রপাত নিরোধ যন্ত্র স্থাপনে সহায়তা করতে চায় ফ্রান্স
মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত হওয়ার আগে আসামিকে কনডেম সেলে রাখা যাবে না: হাইকোর্ট

মন্তব্য

বাংলাদেশ
4 arrested including one from Myanmar while going to India through Benapole

বেনাপোল দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় মিয়ানমারের একজনসহ আটক ৪

বেনাপোল দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় মিয়ানমারের একজনসহ আটক ৪ বেনাপোল ঘিবা সীমান্ত দিয়ে পাসপোর্ট ও ভিসা ছাড়া ভারতে যাওয়ার সময় চারজনকে আটক করেছে বিজিবি। ছবি: নিউজবাংলা
বিজিবি ঘিবা ক্যাম্প কমান্ডার হাবিলদার আবদুস সামাদ জানান, আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা চিকিৎসার জন্য ভারতে যাচ্ছিলেন এবং মিয়ানমারের ওই ব্যক্তি ভারতে কাজের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন।

যশোরের বেনাপোল ঘিবা সীমান্ত দিয়ে পাসপোর্ট ও ভিসা ছাড়া ভারতে যাওয়ার সময় মিয়ানমারের এক নাগরিকসহ চারজনকে আটক করেছে বিজিবি।

ঘিবা মাঠ নামক স্থানে থেকে শুক্রবার রাতে অবৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়ার সময় যশোর ব্যাটালিয়নের (৪৯ বিজিবি) অধীন ঘিবা বিওপির একটি টহল দল বাংলাদেশি তিনজন ও এবং মিয়ানমারের একজনে আটক করে।

আটক চারজন হলেন ঢাকার খিলগাঁওয়ের কৃষ্ট ধর মন্ডল, মুন্সিগঞ্জ সদরের আশা রানি বাছার, নড়াইলের কালিয়া থানার মোছা. শিউলি খাতুন ও মিয়ানমারের নাগরিক মো. হোসেন।

বিজিবি ঘিবা ক্যাম্প কমান্ডার হাবিলদার আবদুস সামাদ জানান, আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা চিকিৎসার জন্য ভারতে যাচ্ছিলেন এবং মিয়ানমারের ওই ব্যক্তি ভারতে কাজের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন।

তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আটক, প্রায় ২৩ লাখ টাকা জব্দ
ভয়ঙ্কর প্রতারক চক্রের ব্ল্যাকমেইলিংয়ের ফাঁদ, অবশেষে ধরা
‘ঘুষের’ টাকাসহ পাউবোর দুই প্রকৌশলী আটক
সেনাবাহিনীতে চাকরির ভুয়া নিয়োগপত্র, টাকা আত্মসাতের অভিযোগে একজন আটক 
মহেশপুর সীমান্ত থেকে ৪০টি স্বর্ণের বারসহ আটক ২

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two people including a child died after taking a bath in Mahananda

মহানন্দায় গোসলে নেমে শিশুসহ দু’জনের মৃত্যু

মহানন্দায় গোসলে নেমে শিশুসহ দু’জনের মৃত্যু প্রতীকী ছবি।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও ভোলাহাট উপজেলায় মহানন্দা নদীতে গোসল করতে নেমে ডুবে যান কলেজছাত্র রায়হান আলী শুভ ও ১২ বছরের সোনিয়া। তাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও ভোলাহাট উপজেলায় মহানন্দা নদীতে গোসল করতে নেমে শিশুসহ দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন- সদর উপজেলার স্বরূপনগরের মো. জিকেনের ছেলে ও শাহ নেয়ামতুল্লাহ কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র রায়হান আলী শুভ ও ভোলাহাট উপজেলার দলদলী ইউনিয়নের পীরগাছি গ্রামের জহর আলীর মেয়ে সোনিয়া। দুজনের মরদেহ আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার ওসি মিন্টু রহমান জানান, ‘মহানন্দা সেতুর রাবার ড্যাম এলাকায় তিন-চার বন্ধু মিলে নদীতে গোসল করতে নেমে ডুবে যায় শুভ। পরে অন্যরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

অন্যদিকে ভোলাহাট থানার ওসি সুমন কুমার জানান, উপজেলার বজরাটেক এলাকায় নানা জমরুদ্দিনের বাড়িতে বেড়াতে এসে দুপুরে মহানন্দা নদীতে গোসল করতে নেমেছিল সোনিয়া। এরপর তাকে খুঁজে না পাওয়ায় ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়া হয়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা নদী থেকে সোনিয়াকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠালে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন:
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু
কুড়িগ্রামে পুকুরের পানিতে খেলতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই শিশুর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Seasonal journalists are not allowed to enter polling stations
ঝালকাঠিতে ইসি আহসান হাবিব

মৌসুমী সাংবাদিকদের ভোট কেন্দ্রে প্রবেশের পাস নয়

মৌসুমী সাংবাদিকদের ভোট কেন্দ্রে প্রবেশের পাস নয় শনিবার ঝালকাঠিতে তিন জেলার প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন ইসি আহসান হাবিব খান। ছবি: নিউজবাংলা
ইসি আহসান হাবিব খান বলেন, ‘কোনো ভোট কেন্দ্রে অসংগতির ছবি ও ভিডিও করে প্রমাণ দেখাতে পারলে দ্রুত সময়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রয়োজনে কেন্দ্রে ভোট বন্ধ করে দেয়া হবে। অবাধ নিরপেক্ষ ও শান্তিময় নির্বাচন করার জন্য প্রশাসন সর্বদা প্রস্তুত।’

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. আহসান হাবিব খান বলেছেন, উপজেলা নির্বাচনে ভুঁইফোড় মিডিয়া এবং মৌসুমী সাংবাদিকদের ভোট কেন্দ্রে প্রবেশের জন্য পাস দেয়া হবে না। সংশ্লিষ্ট কমিটি আবেদন যাচাই-বাছাই করে পাস ইস্যু করবে।

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে শনিবার ঝালকাঠি শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে তিন জেলার প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন।

আহসান হাবিব খান বলেন, ‘কোনো ভোট কেন্দ্রে অসংগতির ছবি ও ভিডিও করে প্রমাণ দেখাতে পারলে দ্রুত সময়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রয়োজনে কেন্দ্রে ভোট বন্ধ করে দেয়া হবে। অবাধ নিরপেক্ষ ও শান্তিময় নির্বাচন করার জন্য প্রশাসন সর্বদা প্রস্তুত।’

তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনার একটি সাংবিধানিক পদ। সংবিধান সুরক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। ভোটার উপস্থিত করানো প্রার্থীর দায়িত্ব। তবে ভোটারদের কেন্দ্রে আসতে যদি কেউ বাধা দেয় তার জন্য দুই থেকে সাত বছর কারাদণ্ডের আইন করা হয়েছে। সেভাবেই আমরা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছি। নির্বাচনকালীন ডিসি-এসপিরা স্বাধীনভাবে কাজ করবেন।

আরও পড়ুন:
মৃত বাবাকে দেখতে এক ঘণ্টা সময় পেলেন মেয়ে
সামনের নির্বাচনগুলো আরও স্বচ্ছ হবে: ইসি
প্রকাশ্যে ভোট: ক্ষমা চাওয়ায় এমপি হাফিজকে দায়মুক্তি ইসির
প্রবাসীদের এনআইডি কার্যক্রম দেখতে যুক্তরাজ্য যাচ্ছেন ইসি আলমগীর
প্রকাশ্যে ভোট, বরিশালের এমপি হাফিজ মল্লিককে ইসিতে তলব

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Three people including mother and son were killed by lightning in Narsingdi

নরসিংদীতে বজ্রপাতে মা-ছেলেসহ তিনজন নিহত

নরসিংদীতে বজ্রপাতে মা-ছেলেসহ তিনজন নিহত ফাইল ছবি
নিহতদের একজন কাইয়ুম তার নানার বাড়ি বেড়াতে এসে মামার সঙ্গে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন।

নরসিংদীর সদর উপজেলার দুর্গম চলাঞ্চল আলোকবালীর মাঠে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রাঘাতে মা-ছেলেসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুইজন।

শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। খবর বাসস

নিহতরা হলেন- আলোকবালী ইউনিয়নের মধ্যপাড়া গ্রামের কামাল মিয়ার স্ত্রী ৪৮ বছর বয়সী শরিফা বেগম ও তার ১২ বছরের ছেলে ইমন এবং রায়পুরা উপজেলার বাঘাইকান্দি গ্রামের হাতেম মিয়ার ছেলে ২৫ বছর বয়সী কাইয়ুম মিয়া।

কাইয়ুম তার নানার বাড়ি বেড়াতে এসে মামার সঙ্গে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন।

নিহতদের স্বজনদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, সকালে কামাল মিয়া, তার স্ত্রী শরিফা ও ছেলে ইমনসহ বেশ কয়েকজন জমিতে ধান কাটছিলেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বৃষ্টি শুরু হলে বিদ্যুৎ চমকানো শুরু হয়। ওই সময় হঠাৎ বজ্রপাতে শরিফা, তার ছেলে ইমন ও কামালসহ ৫ জন আহত হন। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে ইমন, শরিফা ও কাইয়ুম মারা যান।

কামাল মিয়া ও রহমত আলী নামে আহত দুই ব্যক্তিকে সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

নরসিংদী সদর মডেল থানার ওসি তানভীর আহমেদ বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আহতদের সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
টাঙ্গাইলে বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু
বজ্রপাত নিরোধ যন্ত্র স্থাপনে সহায়তা করতে চায় ফ্রান্স

মন্তব্য

p
উপরে