× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Movie lovers of Comilla want Cineplex in the city
google_news print-icon

শহরে সিনেপ্লেক্স চান কুমিল্লার সিনেমাপ্রেমীরা

শহরে-সিনেপ্লেক্স-চান-কুমিল্লার-সিনেমাপ্রেমীরা
কুমিল্লা নগরের চকবাজারের রুপালী সিনেমা হল। ছবি: নিউজবাংলা
নগরের টমসমব্রিজ এলাকার গৃহবধূ সুমনা হক বলেন, “এ ঈদে সিনপ্লেক্সে বসে ‘প্রিয়তমা’ এবং ‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমা দেখার ইচ্ছা ছিল। কুমিল্লায় কোনো সিনেপ্লেক্স না থাকায় তা আর সম্ভব না। ঢাকায় গিয়ে দেখব, সেই সময় কই?”

ঐতিহ্যগত ও ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ শহর কুমিল্লায় সিনেপ্লেক্সে বসে চলচ্চিত্র দেখতে চান অনেক সিনেমাপ্রেমী, কিন্তু শহরটিতে সে ব্যবস্থা না থাকায় বিভিন্ন ছুটির সময়ে বছরজুড়ে মুক্তি পাওয়া সিনেমা দেখতে পারছেন না তারা।

দূরত্বের কারণে সিনেমা দেখার জন্য কুমিল্লা থেকে ঢাকায় আসাও বাস্তবসম্মত নয় অনেকের কাছে। এমন বাস্তবতায় পরিবার নিয়ে সিনেমা দেখতে শহরে সিনেপ্লেক্সে নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন কুমিল্লার বেশ কয়েকজন সিনেমাপ্রেমী।

স্বাধীনতার আগে ও পরে কুমিল্লায় সাত থেকে আটটি হলে নিয়মিত সিনেমা প্রদর্শন হতো। তার মধ্যে মোগলটুলী এলাকায় ‘প্যারাডাইস’ নামে একটি সিনেমা হল ছিল। এ ছাড়াও গাংচর এলাকায় একটি, কান্দিরপাড়ে পিকচার প্যালেস নামে একটি সিনেমা হল ছিল, যেটা ‘লিবার্টি হল’ নামে পরিচিত।

চকবাজারে নয়ন মহল (যেটা এখন ‘রুপালী সিনেমা হল’ নামে পরিচিত), ‘দীপিকা’, ‘দীপালি’ ও ‘রাজগঞ্জের রূপকথা’ সিনেমা হলগুলো ব্যাপক পরিচিত ছিল।

শহরের বাইরে বিভিন্ন উপজেলায় বেশ কয়েকটি সিনেমা হলে দিনে তিনটি করে শো হতো। টিকিট নিয়ে মারামারি হতো। ব্ল্যাকে টিকেট কেটে সিনেমা দেখে বাড়ি ফেরার পর নানা গল্প হতো।

সুন্দর পরিবেশ ও ‘সুস্থ ধারার’ সিনেমা তৈরি না হওয়ায় গেল এক দশকে এসব সিনেমা হল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন দর্শকরা। দর্শকখরায় ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যায় নগরীর অধিকাংশ সিনেমা হল।

অস্তিত্ব জানান দিতে নগরীর চকবাজারে এখনও রুপালী হলে সিনেমা দেখানো হয়, তবে সেখানে প্রতিদিন ১০ জন দর্শনার্থীও যায় না বলে আফসোস প্রকাশ করেন হল সংশ্লিষ্টরা।

কী বলছেন সিনেমাপ্রেমীরা

গেল কয়েক বছরে দেশে আলোচিত কিছু চলচ্চিত্র তৈরি হলেও পরিবার নিয়ে তা দেখার সুযোগ ছিল না কুমিল্লা শহরবাসীর।

নগরের টমসমব্রিজ এলাকার গৃহবধূ সুমনা হক বলেন, “কান্দিরপাড় দীপিকা সিনেমা হলে আমি আমার বাবার সাথে গিয়ে প্রয়াত হুমায়ুন আহমেদ পরিচালিত ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’ সিনেমাটি দেখেছি। অনেক ভালো লেগেছিল। এখন দারুণ দারুণ সিনেমা তৈরি হচ্ছে।

“এ ঈদে সিনপ্লেক্সে বসে ‘প্রিয়তমা’ এবং ‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমা দেখার ইচ্ছা ছিল। কুমিল্লায় কোনো সিনেপ্লেক্স না থাকায় তা আর সম্ভব না। ঢাকায় গিয়ে দেখব, সেই সময় কই?”

চিওড়া সরকারি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুহিবুবুল হক ছোটন বলেন, ‘আমরা যারা পারিবারিক আবহে প্রবেশ করেছি, আমাদের জন্য সিনোপ্লেক্স খুব প্রয়োজন। সন্তান নিয়ে সুস্থ ধারার ছবির সাথে থাকা খুব দরকার।

‘দুই ঘণ্টার ছবির জন্য চার ঘণ্টা জ্যাম ঠেলে ঢাকা গিয়ে সময় ব্যয় অনেক বিলাসী ব্যাপার আজকাল। এই শহরে একটি সিনপ্লেক্স গড়ে উঠুক।’

কুমিল্লা সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের প্রভাষক কাজী বেলায়েত উল্লাহ জুয়েল বলেন, ‘আমরা যখন স্কুলে পড়ি তখন বাংলা সিনেমার স্বর্ণযুগ চলছে। সালমান শাহ, মান্না, জসিম কিংবা রিয়াজ—এদের ছবি দেখার জন্য কুমিল্লার সিনেমা হলগুলোতে একেবারে হুলুস্থুল লেগে যেত। ঈদের সময় এই আগ্রহ বেড়ে যেত কয়েক গুণ। ভাবতে অবাক লাগে শিক্ষা-সংস্কৃতির শহর হিসেবে খ্যাত এই কুমিল্লায় এখন পরিবার নিয়ে দেখার মতো কোনো সিনেমা হলই নেই।

‘অশ্লীলতার মেঘ সরিয়ে সুস্থ ধারার যে ছবিগুলো এখন তৈরি হচ্ছে, সেগুলো উপভোগ করা থেকে সম্পূর্ণভাবে বঞ্চিত হচ্ছে কুমিল্লার মানুষ, যা পরোক্ষভাবে অসুস্থ সংস্কৃতি এবং অসুস্থ সামাজিকতাকে উসকে দিচ্ছে বলে মনে করি।’

একটি বেসরকারি ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের সময়ে কান্দিরপাড়ের সিনেমা হলগুলোতে ব্ল্যাকের টিকিট বিক্রি করে রাতারাতি বড়লোক হয়ে যাওয়া অনেকের জীবনটা কাছ থেকে দেখেছি। বন্ধু তার প্রেমিকা নিয়ে সিনেমা দেখবে। তার নিরাপত্তার জন্য আমরা হলে তার পাশে থেকে সিনেমা উপভোগ করতাম। সত্যি বলতে তখন সিনেমায় কোনো অশ্লীলতা ছিল না।

‘মাঝে একটা খারাপ সময় গেছে। এখন আবার ভালো সময় ফিরে এসেছে। ভালো সিনেমা তৈরি হচ্ছে। আমাদের এখানে সিনেপ্লেক্স খুবই দরকার। এই শহরে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার পাশাপাশি সিনপ্লেক্স তৈরির জন্য বেসরকারি কিংবা ব্যক্তিবিশেষ বিনিয়োগ দরকার।’

বাংলা সিনেমা নিয়ে রীতিমতো গবেষণা করেন গৃহবধু মাহজাবিন সুলতানা। নগরীর রেসকোর্স এলাকার এ বাসিন্দা বলেন, “আমি মনে করি গেল কয়েক বছরে বাংলাদেশে বিশ্বমানের সিনেমা তৈরি হচ্ছে। তার মধ্যে ‘মনপুরা’, ‘আয়নাবাজি’, ‘ঢাকা অ্যাটাক’, ‘দেবী’, ‘পোড়ামন-২’, ‘সুলতান’, ‘দহন’, ‘আবার বসন্ত’, ‘পাসওয়ার্ড’, ‘বীর’, ‘মিশন এক্সট্রিম’, ‘শান’, ‘অপারেশন সুন্দরবন’, ‘হাওয়া’, ‘পরাণ’, ‘তালাশ’, ‘চোরাবালি’, ‘বিশ্বসুন্দরী’ ও ‘স্বপ্নজাল’-এর মতো সিনেমা তৈরি হয়েছে।

“আমি কিছু সিনেমা ঢাকায় গিয়ে দেখেছি। কয়েকটা দেখেছি মোবাইলে ডাউনলোড করে। তাও সিনেমা মুক্তির মাসখানেক পরে। আফসোস হচ্ছে একটি ভালো সিনেমা হল বা সিনপ্লেক্স না থাকার কারণে কুমিল্লাবাসী এসব সিনেমা উপভোগ করা থেকে বঞ্চিত হলো।”

লেখক ও গবেষক আহসানুল কবীর বলেন, “এই শহরে পাকিস্তানি, কলকাতার সিনেমার সাথে পাল্লা দিয়ে বাংলা সিনেমা চলত। এই জনপদে জন্মগ্রহণ করেছেন কালজয়ী ‘রূপবান’ ছায়াছবির প্রযোজক কামাল উদ্দিন, পরিচালক সালাউদ্দিন। কলকাতার বিখ্যাত পরিচালক সুশীল কুমার এই জনপদের সন্তান। অত্যন্ত শক্তিমান অভিনেত্রী সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়ের জন্মভূমি কুমিল্লা।

“একসময় এই শহরে ভার্নাল থিয়েটার খুব সক্রিয় ছিল। খুব ভালো ভালো নাটক মঞ্চস্থ হতো। সেই সংস্কৃতি এখন ধ্বংস হয়ে গেছে। ষাটের দশকে কুমিল্লা শহরে যখন ৫০ হাজার মানুষের বসবাস, তখন সিনেমা হল ছিল সাত থেকে আটটা। এখন দশ লক্ষেরও বেশি মানুষের শহরে একটা সিনেমা হল কিংবা একটা সিনে কমপ্লেক্স নেই। আমি খুবই আশ্চর্য হই।”

উত্তরণ কোন পথে

এমন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের পরামর্শ দিয়েছেন অনেকে। তাদের একজন ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব বদরুল হুদা জেনু বলেন, “কুমিল্লা পৌরসভা থাকাকালীন ‘রূপকথা’, ‘লিবার্টি’, ‘রুপালী’, ‘দীপিকা’, ‘দীপালি’ ও ‘মধুমতি’ সিনেমা হল ছিল। রাত-দিন সমানতালে দর্শক আসত। তারপর সিটি করপোরেশন হলো ১০ বছরের বেশি হয়ে গেল। একটা সিনপ্লেক্স নেই।

“এই শহরে অন্তত পাঁচটি সিনপ্লেক্স দরকার। সেখানে একটিও নেই। বিষয়টা ভাবতেই খারাপ লাগে। এখন মানুষের সামর্থ্য বেড়েছে। এই শহরে বেসরকারি বিনিয়োগ বেড়েছে। আমি বলব যারা বেসরকারিভাবে কুমিল্লায় বাণিজ্যিক ভবন গড়েছেন, তারা চাইলে সিনপ্লেক্স, ফুড কোর্ট ও আবাসিক হোটেল একসঙ্গে একই ভবনে করতে পারেন। তাতে লোকসান হওয়ার কোনো সুযোগ থাকবে না।”

বদরুল হুদা জেনু আরও বলেন, ‘সিনেপ্লেক্স হলে যারা তরুণ বাবা-মা আছেন, তারা সন্তানদের নিয়ে যেতে পারবেন। পারিবারিক সর্ম্পকটা মজবুত হবে।’

আরও পড়ুন:
অসততার দায়ে ‘সততা হাসপিটাল’ সিলগালা
ফেনসিডিল সেবনের ভিডিও শেয়ার করায় আওয়ামী লীগ নেতাকে হত্যা
কুমিল্লায় দেশি অনেক মাছ বিলুপ্তির শঙ্কা
বিয়ের দাওয়াত খেতে এসে ফিরতে হলো জানাজা পড়ে
কুমিল্লায় যুবলীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Pattu and Deadbody are not releasing on Eid

ঈদে মুক্তি পাচ্ছে না ‘পটু’ ও ‘ডেডবডি’

ঈদে মুক্তি পাচ্ছে না ‘পটু’ ও ‘ডেডবডি’ ছবি: সংগৃহীত
দুই সিনেমার পক্ষ থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়ে দুটি ভিন্ন কারণ দেখানো হয়েছে।

শেষ মুহূর্তে এসে ঈদে মুক্তি থেকে সরে দাঁড়ালো আহমেদ হুমায়ুন নির্মিত ‘পটু’ ও মোহাম্মদ ইকবাল পরিচালিত ‘ডেডবডি’ সিনেমা দুটি। দুই সিনেমার পক্ষ থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়ে দুটি ভিন্ন কারণ দেখানো হয়েছে।

‘পটু’ প্রযোজনা করেছে জাজ মাল্টিমিডিয়া। প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার আব্দুল আজিজ জানিয়েছেন, তাদের ছবিটির পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ এখনও শেষ হয়নি। তাই ঘোষণা দিয়েও সরে দাঁড়িয়েছেন তারা।

তবে এই ঈদে প্রতিষ্ঠানটির ‘মোনা: জ্বীন ২’ প্রেক্ষাগৃহে চলবে বলে জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে ‘ডেডবডি’ নিয়ে সরে দাঁড়ানোর ব্যাপারে অনন্ত জলিলের পরামর্শ শুনেছেন পরিচালক-প্রযোজক ইকবাল।

জলিলকে উদ্দেশ করে ইকবাল বলেছেন, ‘ব্রাদার (অনন্ত জলিল) আপনাকে আমি ভালোবাসি। আপনি বলার সঙ্গে সঙ্গে (সিনেমাটি) আমি ঈদে রিলিজ না করে দুই সপ্তাহ পিছিয়েছি এবং হল মালিকদের চিঠি দিয়ে দুই সপ্তাহ পর প্রদর্শনের জন্য অনুরোধ করেছি।’

ইকবাল জানান, ঈদের পরিবর্তে ৩ মে দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে তার ছবিটি। ভৌতিক ধাঁচের গল্পে নির্মিত এই ছবিতে অভিনয় করেছেন ওমর সানী, রোশান, শ্যামল মাওলা, অন্বেষা রায় প্রমুখ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Is Payal single?

পায়েল কি সিঙ্গেল?

পায়েল কি সিঙ্গেল? পায়েল সরকার
পায়েলের কথায়, ‘‘সিঙ্গল থাকলে জীবনটা নিজের সুবিধা মতো কাটানো যায়।’’

২০২৩ সালের শেষ থেকে টলিপাড়া একের পর এক তারকা-বিয়ের সাক্ষী থেকেছে। কিন্তু তারকাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন, যাদের সম্পর্ক বা বিয়ে নিয়ে অনুরাগীদের কৌতূহলের শেষ নেই। যেমন অভিনেত্রী পায়েল সরকার।

এখনও তিনি কেন সাত পাকে বাঁধা পড়েননি? সম্প্রতি টেলিভিশনের এক অনুষ্ঠানে তার কারণ জানিয়েছেন অভিনেত্রী। এ নিয়ে মঙ্গলবার প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আনন্দবাজর পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ।

পায়েল বলেন, ‘‘অনেকেই জিজ্ঞাসা করেন, আমি সিঙ্গল কেন? যে কেনো বাঙালি পরিবারে মেয়ের বাবারা আসলে এতটাই পজেসিভ...।’’

অভিনেত্রীকে থামিয়ে দিয়ে প্রশ্ন করা হয়, ‘‘তা হলে আপনি বাবা-মায়ের জন্য সিঙ্গেল?’’ পায়েল বলেন, ‘‘একদমই তাই। আমার নিজের জন্য যোগ্য সঙ্গী ছেড়েই দাও, ওদের জন্যও সঠিক ব্যক্তি খুঁজে পাচ্ছি না।’’

বাবা-মায়ের চাপেই কি জীবনসঙ্গী খুঁজে পাচ্ছেন না পায়েল? অভিনেত্রীর কাছে প্রশ্ন রাখা হলে তিনি বলেন, ‘‘আগেই বলে রাখি, পুরো বিষয়টাই মজার ছলে বলেছি। কথা প্রসঙ্গে এসেছে।’’

তবে তিনি সম্পর্কে রয়েছেন কি না, তা তার অভিভাবকের ভাবনা ছাড়া অন্য কারও চিন্তার বিষয় নয় বলেই তিনি মনে করেন।

সম্পর্কে না থাকা এবং থাকার মধ্যে কী কী সুবিধা-অসুবিধা রয়েছে? পায়েলের কথায়, ‘‘সিঙ্গেল থাকলে জীবনটা নিজের সুবিধা মতো কাটানো যায়।’’

একই সঙ্গে পায়েল বিশ্বাস করেন, কারও সঙ্গে থাকতে শুরু করলে তখন মানুষ উপলব্ধি করতে পারে একা থাকার সুবিধা বা অসুবিধা। পুরো বিষয়টাই ব্যক্তির মানসিকতার ওপর নির্ভর করে।

পায়েল বললেন, ‘‘অন্যদিকে, সম্পর্কে থাকলে তখন দায়িত্বটা দুজনের মধ্যে ভাগ হয়ে যায়। কিন্তু তা তখন আবার সবার পছন্দ হবে কি না, সেটাও দেখতে হবে।’’

পায়েল কি এখন সম্পর্কে রয়েছেন, নাকি তিনি একা? হেসে বললেন, ‘‘আমি কেন বলব? সম্পর্কে আছি কি নেই, তা আবার আমাকেই বলতে হবে কেন, সেটাই বুঝতে পারি না!’’

সম্প্রতি ‘আবার অরণ্যে দিন রাত্রি’ সিনেমায় পায়েলকে দেখেছেন দর্শক। তার অভিনীত বাংলাদেশি ‘দরদ’ সিনেমাও মুক্তির অপেক্ষায়। এ ছাড়াও, খুব দ্রুত নতুন ছবির কাজ শুরু করবেন পায়েল।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
If something obscene is posted on Facebook you will know I didnt give it Swastika

ফেসবুকে অশ্লীল কিছু পোস্ট হলে জানবেন আমি দিইনি: স্বস্তিকা

ফেসবুকে অশ্লীল কিছু পোস্ট হলে জানবেন আমি দিইনি: স্বস্তিকা ফাইল ছবি
এমনিতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বেশ সক্রিয় স্বস্তিকা। নিজের ব্যক্তিগত জীবন থেকে সমাজেসবার খুঁটিনাটি তুলে ধরেন সেখানে।

বেশ দুশ্চিন্তায় পড়েছে ভারতী অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। অবশ্য তাই-ই তো হওয়ার কথা! ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছে তার।

বুধবার সকালে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে অভিনেত্রী এ খবর দিয়েছেন বলে আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এমনিতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বেশ সক্রিয় স্বস্তিকা। নিজের ব্যক্তিগত জীবন থেকে সমাজেসবার খুঁটিনাটি তুলে ধরেন সেখানে।

স্বস্তিকা লিখেছেন, ‘আমার ফেসবুক পেজ হ্যাক হয়েছে। আমার টিম এই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চালাচ্ছে। যদি কোনো অপমানজনক বা অশ্লীল পোস্ট নজরে পড়ে তা হলে দয়া করে এড়িয়ে যান এবং জানবেন সেটি আমি করিনি।’

টলিপাড়ার যে অভিনেত্রীদের বলিউডে অবাধ যাতায়াত, তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন স্বস্তিকা। সম্প্রতি তার নতুন হিন্দি সিনেমা ‘লাভ সেক্স অউর ধোঁকা ২’-এর টিজারে এক ঝলক দেখা গেছে অভিনেত্রীকে।

দিবাকর বন্দ্যোপাধ্যায় পরিচালিত এ সিনেমার প্রথম পর্ব এসেছিল প্রায় ১৪ বছর আগে। এবার এর দ্বিতীয় পর্বে রয়েছেন স্বস্তিকা। ১৯ এপ্রিল মুক্তি পাবে এই সিনেমা।

আরও পড়ুন:
কার প্রেমে মজেছেন শাহরুখপুত্র
আসিফের পুম্বার খোঁজ দিলে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার
রাজ মরে গেলেও দেখতে যাব না: পরীমনি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Who is Shahrukhputra in love with?

কার প্রেমে মজেছেন শাহরুখপুত্র

কার প্রেমে মজেছেন শাহরুখপুত্র আরিয়ান খান ও ল্যারিসা বনেসি
ব্রাজিলিয়ান সুন্দরীর প্রেমে মজেছেন শাহরুখপুত্র। ব্রাজিলিয়ান অভিনেত্রী ল্যারিসা বনেসির সঙ্গে আরিয়ানের ভালোবাসার গুঞ্জন এখন পেজ ৩- এর হট কেক।

বলিউড তারকা শাহরুখ খানের বড় ছেলে আরিয়ান নতুন ব্র্যান্ড, প্রমোশন এসব কিছু নিয়েই ব্যস্ত এখন। তবে এর মাঝেও বিটাউনের অন্দরে গুঞ্জন, তার জীবনে এসেছে নতুন প্রেমের বসন্ত।

কে সেই তরুণী, এ নিয়ে নানা মহলেই চলছে আলোচনা। তার পরিচয়ও প্রকাশ্যে এনেছে গণমাধ্যম।

এই সময় বলছে, ব্রাজিলিয়ান সুন্দরীর প্রেমে মজেছেন শাহরুখপুত্র। ব্রাজিলিয়ান অভিনেত্রী ল্যারিসা বনেসির সঙ্গে আরিয়ানের ভালোবাসার গুঞ্জন এখন পেজ ৩- এর হট কেক।

আরিয়ান-ল্যারিসার প্রেমচর্চা উসকে দিয়েছেন এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী। ইনস্টাগ্রামে আরিয়ান ল্যারিসার ফ্যামিলির সদস্যদের ফলো করেছেন। ব্রাজিলিয়ান অভিনেত্রীর মাকে গিফটও দিয়েছেন বলে দাবি উঠেছে।

ল্যারিসার ইনস্টা স্টোরিতে তার মায়েক দেওয়া আরিয়ানের উপহারের সেই ছবিও রেডিট ব্যবহারকারীরা দেখেছেন বলে জানান।

আরিয়ান খান এবং ল্যারিসা বনেসির মধ্যে প্রেমচর্চা উসকে বেশ কিছু ইন্টারেস্টিং পয়েন্ট শেয়ার করেছে রেডিট ব্যবহারকারী। খান পরিবারের ছেলের ইনস্টা প্রোফাইলে রীতিমতো গোয়েন্দাগিরি চালানো হচ্ছে। সেখান থেকেই জানা গেছে, আরিয়ান ল্যারিসার পরিবারকে ইন্সটায় ফলো করছেন। চর্চিত প্রেমিকার মাকে জন্মদিনে উপহার পাঠাচ্ছেন।

ল্যারিসা পেশায় অভিনেত্রী। গুরু রন্ধাওয়ার ‘সুরমা সুরমা’ মিউজিক ভিডিও, স্টেবিন বেনের মিউজিক ভিডিও এবং এমনকি বিশাল মিশ্রের সঙ্গে একটি অ্যালবামেও কাজ করেছেন আরিয়ানের চর্চিত প্রেমিকা। বলিউডের সুপারস্টার অক্ষয় কুমার এবং জন আব্রাহমের সঙ্গে ব্লকবাস্টার গান ‘সুভা হোনে না দে’-তে ছিলেন ল্যারিসা।

টাইগার শ্রফ, সুরাজ পাঞ্চোলির মতো অভিনেতার সঙ্গেও স্ক্রিন শেয়ার করেছেন ল্যারিসা বনেসি। সাইফ আলি খানের ‘গো গোয়া গন’-এ পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় করেন।

আরিয়ানর সঙ্গে এর আগে নাম জড়ায় পাক সুন্দরী সাদিয়া খানের। নিউ ইয়ার সেলিব্রেশনের ছবি সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করতেই আরিয়ান-সাদিয়ার মধ্যে সম্পর্কের নতুন কেনো সমীকরণ তৈরি হল কি না তা হয়ে উঠেছিল বিনোদনের চর্চিত টপিক।

আরও পড়ুন:
আসিফের পুম্বার খোঁজ দিলে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার
রাজ মরে গেলেও দেখতে যাব না: পরীমনি
হাতে ব্যথা পেয়েছেন কোয়েল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
50 thousand rupees reward for finding Asif Pumba

আসিফের পুম্বার খোঁজ দিলে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার

আসিফের পুম্বার খোঁজ দিলে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার বিড়ালের এই ছবি ফেসবুকে শেয়ার করেছেন আসিফ আকবর
এই শিল্পী লিখেছেন, বিড়ালটা বেঁচে আছে, কারো বাসায় আছে। তিনি হয়তো মালিক খুঁজে পাচ্ছেন না। অথবা কেউ নিজের মনে করে লুকিয়ে রেখেছে- এই সম্ভাবনাও নাকচ করছিনা । পুম্বা খুব সুন্দর দেশি ক্যাট, স্বাভাবিকের চেয়েও ওর দেহের গড়ন ও সৌন্দর্য নজর কাড়ার মত। আমি জানি সে ভালো যত্ন আত্তিতেই আছে। ওকে ইনজেকশন দেয়ার সময়ও হয়ে গেছে।

পোষা বিড়াল হারিয়ে গেছে সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের। বেশ কদিন ধরে খোঁজাখুঁজির পর না পেয়ে এবার তার তার ‘পুম্ব ‘র সন্ধান চেয়ে পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে কদিন আগে পোষা বিড়ালটির হারানোর খবর দিয়েছিলেন আসিফ, থানায় করেছিলেন সাধারণ ডায়েরিও। মঙ্গলবার আরেকটি পোস্টে ওই আর্থিক পুরস্কারের কাথা ঘোষণা করেন এই শিল্পী।

তিনি লিখেছেন, সুবিশাল কম্পাউন্ডে প্রতিদিনই পুম্বাকে খুঁজি। ওর নাম ধরেও ডাকাডাকি করি যদি সাড়া দেয়! পুম্বা নেই ১৩ দিন হয়েছে, অনেক ক্যাট লাভার চেষ্টা করে যাচ্ছে তাকে খুঁজে বের করতে। পুম্বার মত দেখতে একটা বিড়াল ইতিমধ্যে তার মালিকও খুঁজে পেয়েছে।

আসিফ লিখেছেন, আমার সন্তানদের ধারণা, তাদের বাবা মহাপরাক্রমশালী হারকিউলিস, যে সব কিছু করতে পারে। কোনো ক্রাইসিস তৈরি হলে সন্তানদের শান্ত করার জন্য বলি চিন্তা করোনা বাবা- টাইগার আভি জিন্দা হ্যায়! পুম্বা হারিয়ে যাওয়ার পর বাচ্চাদের কাছে কিছুটা অসহায় হয়ে গেছি। তেইশ মাস বয়সী আইদাহও পুম্বাকে খুঁজে বেড়ায়।

এই শিল্পী লিখেছেন, বিড়ালটা বেঁচে আছে, কারো বাসায় আছে। তিনি হয়তো মালিক খুঁজে পাচ্ছেন না। অথবা কেউ নিজের মনে করে লুকিয়ে রেখেছে- এই সম্ভাবনাও নাকচ করছিনা । পুম্বা খুব সুন্দর দেশি ক্যাট, স্বাভাবিকের চেয়েও ওর দেহের গড়ন ও সৌন্দর্য নজর কাড়ার মত। আমি জানি সে ভালো যত্ন আত্তিতেই আছে। ওকে ইনজেকশন দেয়ার সময়ও হয়ে গেছে।

আসিফ লিখেছেন, প্লিজ পুম্বার শুধু সন্ধান দিন, ৫০,০০০/ টাকা গিফট পৌঁছে যাবে। উদ্ধার করার দায়িত্ব আমার, কমেন্টবক্সে নজর রাখছি। সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন সুন্দর থাকুন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Even if Raj dies I wont go to visit Parimony

রাজ মরে গেলেও দেখতে যাব না: পরীমনি

রাজ মরে গেলেও দেখতে যাব না: পরীমনি শরিফুল রাজ ও পরীমনি
প্রেমে বিশ্বাসী কি না কিংবা আর কখনও বিয়ে করবেন কি না, এ বিষয়ে পরীমনি বলেন, ‘নাহ। আর প্রেমে বিশ্বাস নেই। জীবন থেকে উড়ে গিয়েছে। আমার ছেলেই আমার জীবনের একমাত্র প্রেম। ওর হাসি, কান্না সব কিছুতেই ভালবাসা আছে। ওর আর আমার মাঝে কোনও সংশয় নেই। ও শুধু আমার।’

ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন চিত্রনায়িকা পরীমনি ও নায়ক শরিফুল রাজ। তবে নানা দ্বন্দ্বে বিয়েটা আর শেষ পর্যন্ত টেকেনি। রাজের প্রতি পরীর এতটাই অনাগ্রহ, রাজের মৃত্যুর পরও নাকি তাকে আর দেখতে যাবেন না তিনি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে মঙ্গলবার প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন পরীমনি। কলকাতায় ‘ফেলু বক্সী’ শিরোনামে একটি সিনেমার শুটিং করছেন নায়িকা

কখনও মনে হয়, ছেলের জন্য শরিফুলকে আরও একটা সুযোগ দেবেন- এ প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘নামই মুখে আনতে চাই না। এত ঘৃণা ওর প্রতি। কোনোদিন মরে গেলেও দেখতে যাব না।

‘যে মানুষটা বেঁচে আছে সে অন্য মানুষ, যে আমার কাছে ছিল, সে আরও আগে মরে গিয়েছিল। সেই মৃতদেহটা দেখেছি। আসলে মানুষটা আমার কাছে ‘ডেড’।’

প্রেমে বিশ্বাসী কি না কিংবা আর কখনও বিয়ে করবেন কি না, এ বিষয়ে পরীমনি বলেন, ‘নাহ। আর প্রেমে বিশ্বাস নেই। জীবন থেকে উড়ে গিয়েছে। আমার ছেলেই আমার জীবনের একমাত্র প্রেম। ওর হাসি, কান্না সব কিছুতেই ভালবাসা আছে। ওর আর আমার মাঝে কোনও সংশয় নেই। ও শুধু আমার।’

পরীমনির মনখারাপ কখন হয়? উত্তরে তিনি বলেন, ছেলে যখন অসুস্থ হয়, তখন মনে হয়, জোরে একটা যদি চিৎকার দিতে পারতাম, যাতে হাসপাতালটা ফেটে যেত। ছেলে দুবার হাসপাতালে ভর্তি ছিল। তখন ওইটুকু বাচ্চার হাতে স্যালাইন লাগানো।

পরীমনি বলেন, ওকে নিয়ে একা একা হাঁটছি। তখন মনে হয়েছিল, এই কষ্টটা আমার একার করার কথা ছিল না। তখন ওই মানুষটার ওপর আরও রাগ হয়। মানছি, বাবারা সব পারে না, কিন্তু দায় কি একা মায়ের?

নায়িকা বলেন, আমাকে যে রকম দেখতে লাগে, আমি সে রকমই। বাইরে ও ভিতরে। আমার মধ্যে কোনও ‘ফিল্টার’ নেই। আমার রাগটাও দেখা যায়। মনখারাপ দেখা যায়, কিছু পুষে রাখি না। এটা অনেকের সঙ্গে চলার জন্য হয়তো ভাল নয়। তবে আমার জীবনটা সিনেমা নয়, অত ‘ফিল্টার’ দিতে পারব না। আমাকে পোষালে ভালো, না পোষালে আরও ভালো।

পরীমনি সাক্ষাৎকারে বলেন, সবাই কারও না কারও কথা শুনে কাজ করে। কিন্তু আমার মনে হয়, ব্যক্তিস্বাধীনতা বলে তো একটা বস্তু আছে। তাই বলে কারও ক্ষতি করে কিছু করতে আমি চাই না। আমাকে ঘোমটা দিয়ে চলতে হবে কিংবা মেয়ে বলে কোনো কাজ করতে পারব না, এ ধরনের চাপিয়ে দেয়া জিনিস ছোটবেলা থেকে মেনে নিতে পারি না।

তিনি বলেন, আমি যখন এগুলো নিয়ে কথা বলি, লোকে ‘বেয়াদব’ বলে দাগিয়ে দেয়। আমি আসলে এ রকম বেয়াদপ হতে চাই, এ রকমই বেয়াদব থাকতে চাই। যদি নিজের মতো করে বাঁচতে চাইলে বেয়াদব হতে হয়, আমার অসুবিধে নেই।

পরীমনি বলেন, আমি কর্মজগতের কথাটা বলতে পারি। আমাকে নিয়ে যে ভুল ধারণা আছে, সেটা হল, আমি নাকি শুটিং ফাঁসাই (বলেই হাসি)। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে লোকে বলে, পরীমনির অনেক প্রেমিক, অনেকগুলো বর। কিন্তু আমি জানতে চাই, তারা কোথায়? আমি নিজেও কথা বলতে গেলে বিব্রত বোধ করি। আগে একটা ধারণা ছিল, বিতর্কিত কিছু নিয়ে কথা বলা যাবে না। কিন্তু আমার মনে হয়, বিতর্কিত বিষয় নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ালে, সে ব্যাপারে বেশি কথা বলা প্রয়োজন। আমি আমার আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলেছি, যারা আমাকে নিয়ে ভুল তথ্য দিচ্ছেন, তাদের চিহ্নিত করে আইনি পদক্ষেপ নেব।

সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আসলে লোকে আমাকে প্রচণ্ড ভুল বোঝে। আমাকে নিয়ে যা কিছু লেখা হয়, সে সব দেখে নিজেই বিভ্রান্ত হয়ে যাই— এটা কোন পরীমনি! আমার সম্পর্কে আমি এত উদ্ভট তথ্য পাই, নিজেকে নিয়ে ভাবি, ওটা কি আমাকে নিয়ে বলছে ওরা?

আরও পড়ুন:
হাতে ব্যথা পেয়েছেন কোয়েল
স্বস্তিকা নিজেকে ছোট করল: মমতা
রাজিতের সুর-কন্ঠে আসছে এমি জান্নাতের ‘মনের বারণ’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Koel got a pain in his hand

হাতে ব্যথা পেয়েছেন কোয়েল

হাতে ব্যথা পেয়েছেন কোয়েল কোয়েল মল্লিক
গত বছরের দুর্গাপূজায় মুক্তি পেয়েছিল ‘জঙ্গলে মিতিন মাসি’। এবার শহরেই কালপ্রিটের খোঁজ করবেন কোয়েল। সেই সিরিজের শুটিংয়ের সময়ই ঘটেছে বিপত্তি।

সিনেমার শুটিং করতে গিয়ে হাতে ব্যথা পেয়েছেন ভারতীয় অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। আঘাত বেশ গুরুতর। এখন বিশ্রামে আছেন তিনি।

রোববার একটি অ্যাকশন দৃশ্যে অংশ নেয়ার সময় আহত হলে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জিনিউজ জানিয়েছে।

গত বছরের দুর্গাপূজায় মুক্তি পেয়েছিল ‘জঙ্গলে মিতিন মাসি’। এবার শহরেই কালপ্রিটের খোঁজ করবেন কোয়েল। সেই সিরিজের শুটিংয়ের সময়ই ঘটেছে বিপত্তি।

প্রতিবেদন বলছে, হাতে চোট পেয়েছেন অভিনেত্রী। এমনকি ফ্যাকচারও হয়েছে তার। হাতে প্লাস্টার করতে হয়েছে। আগেও যে হাতে চোট লেগেছিল, নেপালগঞ্জের কাছে শুটিংয়ের সময় টলি কুইন সেই হাতেই ব্যথা পেয়েছেন। আঘাত এতটাই গুরুতর যে দুদিন শুটিং স্থগিত রাখা হয়েছে। হাতের ব্যথা না কমলে শুটিং করা যাবে না।

এই সময় জানিয়েছে, ২০২৩-এর দুর্গাপূজায়ও মুক্তি পেয়েছে মিতিন মাসি সিরিজের একটি পার্ট। জঙ্গলে মিতিন মাসি। নারী গোয়েন্দা চরিত্রে একজন নারীর লড়াই ভীষণভাবেই মন কেড়েছে ভক্তদের বারবার। এবারের নতুন সিনেমা যে তার অন্যথা হবে না, তা সবারই জানা। এবার সিনেমার নাম ‘খুনির সন্ধানে’।

সুচিত্রা ভট্টাচার্যের উপন্যাস অবলম্বনে এই সিনেমায় একঝাঁক তারকার পাশাপাশি এবারেও মিতিন মাসি চরিত্রে নজর কাড়বেন কোয়েল মল্লিক। এবারের গল্প ‘মেঘের পারে মেঘ’ অবলম্বনে তৈরি হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোয়েল লিখেছেন, ‘৩১ মার্চ একটি খুনির সন্ধানে মিতিন সিনেমার শুটিংয়ের সময়ে আমার হাতে চোট লাগে। মেডিকা হাসপাতালে পৌঁছেছিলাম তখনই। ডান হাতে আলনা বোন ফ্র্যাকচার হয়েছে। ডাক্তার বিকাশ কপুরের চিকিৎসায় দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠব।’

মন্তব্য

p
উপরে