× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Removal of sacrificial waste started in two cities of Dhaka
google_news print-icon

ঢাকার দুই সিটিতে চলছে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ

ঢাকার-দুই-সিটিতে-চলছে-কোরবানির-বর্জ্য-অপসারণ
রাজধানী ঢাকায় চলছে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ। ছবি: বাসস
ঈদুল আজহায় এবার ঢাকার দুই সিটিতে পাঁচ লাখ পশু কোরবানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এসব পশু থেকে কমপক্ষে ৩০ হাজার টন বর্জ্য সৃষ্টি হয়েছে বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের। এসব বর্জ্য অপসারণে দুই সিটি মিলে প্রায় ২০ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োজিত রয়েছেন।

রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ চলছে। ১৯ হাজার ২৪৪ জন পরিচ্ছন্নকর্মী ঈদের দিন বৃহস্পতিবার দুপুরে বর্জ্য অপসারণ শুরু করেন। বিকেল সাড়ে ৫টার মধ্যে দুই সিটির ৫টি ওয়ার্ড থেকে কোরবানির শতভাগ পশু বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। এগুলো হলো- ১০ (১ম), ৫৩ (২য়), ৩৮ (৩য়), ৪১, ৩৭ নম্বর ওয়ার্ড।

সংশ্লিষ্টরা জানান, দ্রুত সময়ের মধ্যে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে দুই সিটির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মীদের ঈদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। বিতরণ করা হয়েছে আনুমানিক ১১ লাখ প্লাস্টিক ও পলিব্যাগ। খোলা হয়েছে হটলাইন।

ঈদুল আজহায় এবার ঢাকার দুই সিটিতে পাঁচ লাখ পশু কোরবানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এসব পশু থেকে কমপক্ষে ৩০ হাজার টন বর্জ্য সৃষ্টি হয়েছে বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের। এসব বর্জ্য অপসারণে দুই সিটি মিলে প্রায় ২০ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োজিত রয়েছেন।

ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন, এবার কোরবানির পশুর বর্জ্য ৮ ঘন্টার মধ্যে অপসারণ করা হবে। আর ডিএসসিসির মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস নগরবাসীকে আশ্বাস দিয়ে বলেছিলেন, এবার কোরবানি শুরুর ১২ ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণ সিটি পুরোপুরি কোরবানির বর্জ্যমুক্ত করা হবে। সে লক্ষ্যে দুই সিটি জুড়ে চলছে এই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম।

ডিএনসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মকবুল হোসাইন শিমুল জানান, উত্তর সিটিতে ১০ হাজার ৩১৪ জন কর্মী কোরবানির বর্জ্য অপসারণে নিয়োগ করা হয়েছে।

জবাই করা কোরবানির পশুর বর্জ্য তাৎক্ষণিকভাবে অপসারণ এবং কোরবানির পশুর হাট দ্রুত পরিষ্কার করতে ঈদের আগের দিন থেকে ঈদের পরের দুই দিন বর্জ্যবাহী ড্রাম্প ট্রাক/খোলা ট্রাক, ভারী যান-যন্ত্রপাতি, পানির গাড়ি, বেসরকারি এবং ভাড়ায় পিকআপভ্যানসহ ৬১৫টি গাড়ি ব্যবহার করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, বর্জ্য ব্যাগ, ব্লিচিং পাউডারসহ অন্যান্য পরিচ্ছন্নতার কাজে ব্যবহৃত উপকরণ ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের মাধ্যমে জনগণের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৯ লাখ পলিব্যাগ, বায়োডিগ্রেডেবল পলিব্যাগ ১ লাখ, ব্লিচিং পাউডার ২ হাজার ৪০০ বস্তা (৬৭ টন), স্যাভলন ৯০০ ক্যান (প্রতি ক্যান ৫ লিটার), টুকরি ৭ হাজারটি, ফিনাইল ১ হাজার ৬০০ লিটার (প্রতি ক্যান ১ লিটার)।

ডিএসসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবু নাছের জানান, কোরবানির বর্জ্য অপসারণে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৫ হাজার ৩০০ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী, ৭৫টি ওয়ার্ডে নিয়োজিত প্রাথমিক বর্জ্য সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠানের ৩ হাজার কর্মী এবং পশুর হাটের জন্য ৬৩০ জন বাইরের শ্রমিকসহ সর্বমোট প্রায় ৮ হাজার ৯৩০ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী বর্জ্য অপসারণ কাজে নিয়োজিত রয়েছে।

কোথাও বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখলে দক্ষিণ সিটির কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ০১৭০৯৯০০৮৮৮ ও ০২২২৩৩৮৬০১৪ নম্বর ফোন করে অবহিত করারও অনুরোধ জানানো হয়েছে।

তিনি জানান, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে কোরবানির পশুর হাট এবং জবাইয়ের পরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা তদারক করতে ডিএসসিসির উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি তদারক পরিষদ গঠন করা হয়েছে।

কোরবানির বর্জ্য ও সাধারণ বর্জ্য অপসারণে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নিজস্ব ৩৫৭টি বিভিন্ন ধরনের যান-যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হচ্ছে।

এ ছাড়া পর্যাপ্ত হাতগাড়ি, বেলচা, কাটা ও টুকরিসহ অন্যান্য মালামাল ওয়ার্ড পর্যায়ে সরবরাহ করা হয়। সে সঙ্গে রাজউক, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের ২৪টি ভারী যান ব্যবহার করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
ঢাকার দুই সিটিতে চলছে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ
‘বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলুন’
উত্তর ৮ আর দক্ষিণ ২৪ ঘণ্টায় বর্জ্য অপসারণ করবে
ঈদের দিনেই কোরবানির সব বর্জ্য অপসারণ হবে: মসিক মেয়র

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The festival ended with a chariot procession

উল্টো রথযাত্রায় শেষ হলো উৎসব

উল্টো রথযাত্রায় শেষ হলো উৎসব ছবি: সংগৃহীত
উল্টো রথযাত্রা উপলক্ষে সোমবার বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন এবং মন্দির নানা মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সকালে বিভিন্ন মাঙ্গলিক আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠানমালা। ইসকন বিকেলে রাজধানীতে শোভাযাত্রা বের করে।

উল্টো রথ টানার মধ্য দিয়ে সোমবার শেষ হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় পর্ব শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসব।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস- জগন্নাথ দেব হলেন জগতের নাথ বা অধীশ্বর। জগত হচ্ছে বিশ্ব আর নাথ হচ্ছেন ঈশ্বর। তাই জগন্নাথ হচ্ছে জগতের ঈশ্বর। তার অনুগ্রহ পেলে মানুষের মুক্তিলাভ হয়। জীবরূপে তাকে আর জন্ম নিতে হয় না। এ বিশ্বাস থেকেই রথের ওপর জগন্নাথ দেবের প্রতিমা রেখে রথযাত্রা করেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

উল্টো রথযাত্রা উপলক্ষে সোমবার বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন এবং মন্দির নানা মাঙ্গলিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সকালে বিভিন্ন মাঙ্গলিক আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠানমালা। এর মধ্যে ছিল হরিনাম সংকীর্তন, বিশ্ব শান্তি ও মঙ্গল কামনায় অগ্নিহোত্রী যজ্ঞ, মহাপ্রসাদ বিতরণ, আলোচনা সভা, পদাবলী কীর্তন, আরতি কীর্তন, ভাগবত কথা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও শ্রীমদ্ভাগবত গীতা পাঠ।

ইসকনসহ রাজধানীর রাম-সীতা মন্দির ও তাঁতীবাজার জগন্নাথ মন্দিরে এ উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

রাজধানী ঢাকায় আন্তর্জাতিক কৃষ্ণ ভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) উল্টো রথযাত্রা উপলক্ষে সোমবার বিকেলে শোভাযাত্রা বের করে। উল্টোরথ যাত্রার উদ্বোধনী উপলক্ষে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের মেলা প্রাঙ্গণে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

পরে এখান থেকে বর্ণাঢ্য সাজে তিনটি বিশাল রথে জগন্নাথ দেব, শুভদ্রা ও বলরামের প্রতিকৃতিসহ শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রা পলাশী মোড়, জগন্নাথ হল, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, দোয়েল চত্বর, হাইকোর্ট, সরকারি কর্মচারী হাসাপাতাল, বঙ্গবাজার, গুলিস্তান, বঙ্গভবন, দৈনিক বাংলা, মতিঝিল, ইত্তেফাক মোড় ও টিকাটুলি হয়ে ইসকন মন্দিরে গিয়ে শেষ হয়।

সনাতনী রীতি অনুযায়ী, প্রতি বছর চন্দ্র আষাঢ়ের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে শুরু হয় জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা।

এর আগে ৭ জুলাই রথযাত্রা উৎসব শুরু হয়। ইসকন রথযাত্রা উপলক্ষে ৯ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

আরও পড়ুন:
মানিকগঞ্জে রথযাত্রা উৎসব শুরু
বগুড়ায় রথযাত্রার গাড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু ৫, আহত ৪০
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের রথযাত্রা উৎসব শুরু মঙ্গলবার
যাত্রার জন্য প্রস্তুত রথ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rath Yatra festival started in Manikganj

মানিকগঞ্জে রথযাত্রা উৎসব শুরু

মানিকগঞ্জে রথযাত্রা উৎসব শুরু রোববার মানিকগঞ্জ শহরের শ্রীশ্রী আনন্দময়ী কালিবাড়ী কালিমন্দিরের সামনে থেকে রথযাত্রা বের হয়। ছবি: নিউজবাংলা
আনন্দমুখর পরিবেশে রোববার মানিকগঞ্জ শহরের শ্রীশ্রী আনন্দময়ী কালিবাড়ী কালিমন্দিরের সামনে থেকে শোভাযাত্রা বের হয়। এতে শত শত নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। সাতদিন পর ১৫ জুলাই বিকেলে জগন্নাথ দেবের উল্টো শোভাযাত্রার মাধ্যমে শেষ হবে এই রথ উৎসব।

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে মানিকগঞ্জে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় অনুষ্ঠান জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসব শুরু হয়েছে।

সনাতন ধর্মীয় রীতি অনুসারে রোববার দুপুরে আনন্দমুখর পরিবেশে মানিকগঞ্জ শহরের শ্রীশ্রী আনন্দময়ী কালিবাড়ী কালিমন্দিরের সামনে থেকে রথযাত্রা বের হয়। রথযাত্রায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শত শত নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। সাতদিন পর ১৫ জুলাই বিকেলে জগন্নাথ দেবের উল্টো শোভাযাত্রার মাধ্যমে শেষ হবে এই রথ উৎসব।

সাতদিন ব্যাপী রথযাত্রা উদ্বোধন করেন মানিকগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো. রমজান আলী। এ সময় শ্রীশ্রী আনন্দময়ী কালিবাড়ী মন্দিরের সভাপতি শংকর লাল ঘোষ, সহ-সভাপতি সুভাষ সরকার, সাধারণ সম্পাদক দোলন ঘোস্বামী, সদস্য অসিম বিশ্বাস, সৌমিত্র সরকার মনা ও পুরোহিত কানু ঘোস্বামীসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
বগুড়ায় রথযাত্রার গাড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু ৫, আহত ৪০
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের রথযাত্রা উৎসব শুরু মঙ্গলবার
যাত্রার জন্য প্রস্তুত রথ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
5 dead 30 injured due to electrocution in Rath Yatra car in Bogra

বগুড়ায় রথযাত্রার গাড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু ৫, আহত ৪০

বগুড়ায় রথযাত্রার গাড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু ৫, আহত ৪০ ‘বগুড়া শহরের সেউজগাড়ি জামতলা এলাকায় রোববার এই দুর্ঘটনা ঘটে। ছবি: সংগৃহীত
বগুড়া মেডিক্যাল পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আনিসুর রহমান জানান, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সেউজগাড়ি ইসকন মন্দির থেকে রথযাত্রা বের হয়। একশ’ গজ এগুতেই রাস্তার পাশে ১১ হাজার ভোল্টেজ বিদ্যুতের তারের সঙ্গে রথযাত্রার গম্বুজের ধাক্কা লাগে। এ সময় লোহার তৈরি পুরো রথ বিদ্যুতায়িত হয়ে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

বগুড়ায় হিন্দু ধর্মালম্বীদের রথযাত্রার উৎসবে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন শিশুসহ অন্তত ৪০ জন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রোববার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে ইসকন মন্দির থেকে রথযাত্রা বের হওয়ার পর ১০০ গজ দূরে বগুড়া শহরের সেউজগাড়ি আমতলা মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন শাজাহানপুর উপজেলার গোহাইল গ্রামের রঞ্জিতা, আদমদিঘী উপজেলার কুন্ডু গ্রামের নরেশ মহন্ত, সদর উপজেলার তিনমাথা রেলগেটের লঙ্কেশ্বরের স্ত্রী আতসী রানী ও শিবগঞ্জ উপজেলার কুলুপাড়া গ্রামের অলক কুমার। অপর এক নারীর নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

আহতরা হলেন- রীপা, তুর্ণ, কৃষ্ণা, প্রীতিলতা, চুমকী, পূজা, ডলি, শিউলি, নীপা, রীমা, রত্না, পুতুল, শান্তি, স্বরস্বতি, মোহনা, ঝর্ণা, চুমকী, গীতা ও ফুলকীসহ ৪০ জন। আহতরা বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনার খবর পেয়ে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান হাসপাতালে যান এবং সবার চিকিৎসার ব্যাপারে খোঁজখবর নেন।

যেভাবে ঘটে দুর্ঘটনা

বগুড়া মেডিক্যাল পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আনিসুর রহমান জানান, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সেউজগাড়ি ইসকন মন্দির থেকে রথযাত্রা বের হয়। একশ’ গজ এগুতেই রাস্তার পাশে ১১ হাজার ভোল্টেজ বিদ্যুতের তারের সঙ্গে রথযাত্রার গম্বুজের ধাক্কা লাগে। এ সময় লোহার তৈরি পুরো রথ বিদ্যুতায়িত হয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে দুজন ও পরে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়। আহত হন অন্তত ৪০ জন।

বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. স্নিগ্ধ আখতার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রসঙ্গত, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় অনুষ্ঠান শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসব শুরু হয়েছে রোববার। হিন্দু রীতি অনুযায়ী, প্রতি বছর চান্দ্র আষাঢ়ের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে শুরু হয় জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাসহ নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠানমালার মাধ্যমে আনন্দমুখর পরিবেশে ৯ দিনব্যাপী শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা মহোৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ১৫ জুলাই বিকেল ৩টায় উল্টো রথের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে এ উৎসব শেষ হবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Holy Ashura 17 July

পবিত্র আশুরা ১৭ জুলাই

পবিত্র আশুরা ১৭ জুলাই প্রতীকী ছবি।
বাংলাদেশের আকাশে শনিবার পবিত্র মহররম মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। সে হিসাবে মহররম মাস গণনা শুরু হবে সোমবার। সে অনুযায়ী ১৭ জুলাই বুধবার পালিত হবে পবিত্র আশুরা।

বাংলাদেশের আকাশে শনিবার ১৪৪৬ হিজরি সনের পবিত্র মহররম মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। সে হিসাবে পবিত্র জিলহজ মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হচ্ছে রোববার। আর সোমবার মহররম মাস গণনা শুরু হবে। সে অনুযায়ী ১৭ জুলাই বুধবার পালিত হবে পবিত্র আশুরা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে শনিবার সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মু. আ. আউয়াল হাওলাদার।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৪৪৬ হিজরি সনের পবিত্র মহররম মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়গুলো, আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে সভায় পর্যালোচনা করা হয়। এতে দেখা যায়, শনিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে কোথাও মহররম মাসের চাঁদ দেখার সংবাদ পাওয়া যায়নি। তাই আগামীকাল রোববার জিলহজ মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হবে। আর সোমবার মহররম মাস গণনা শুরু হবে। সে অনুযায়ী ১৭ জুলাই (বুধবার) পবিত্র আশুরা পালিত হবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Moon sighting committee meeting to decide Ashura date on Saturday

আশুরার তারিখ নির্ধারণে চাঁদ দেখা কমিটির সভা শনিবার

আশুরার তারিখ নির্ধারণে চাঁদ দেখা কমিটির সভা শনিবার প্রতীকী ছবি
ইফার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সভায় সভাপতিত্ব করবেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফরিদুল হক খান।

হিজরি ১৪৪৬ সালের পবিত্র মুহাররম মাসের চাঁদ দেখা এবং পবিত্র আশুরার তারিখ নির্ধারণের লক্ষ্যে শনিবার জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (ইফা) বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে আগামীকাল সন্ধ্যা সোয়া সাতটায় এ সভা শুরু হবে।

ইফার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সভায় সভাপতিত্ব করবেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফরিদুল হক খান।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ‘বাংলাদেশের আকাশে কোথাও পবিত্র মুহাররম মাসের চাঁদ দেখা গেলে তা নিম্নোক্ত টেলিফোন ও ফ্যাক্স নম্বরে অথবা সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক অথবা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হলো।

‘টেলিফোন নম্বর: ০২-২২৩৩৮১৭২৫, ০২-৪১০৫০৯১২, ০২-৪১০৫০৯১৬ ও ০২-৪১০৫০৯১৭। ফ্যাক্স নম্বর: ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭ ও ০২-৯৫৫৫৯৫১।’

আরও পড়ুন:
নৌপথে চাঁদাবাজির অভিযোগ: সেই পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি
চাঁদ দেখা যায়নি, ঈদ বৃহস্পতিবার
ঈদুল ফিতরের তারিখ নির্ধারণে বৈঠকে চাঁদ দেখা কমিটি
চাঁদ দেখা যায়নি, সৌদি আরবে ঈদ বুধবার
‘নৌ পুলিশের যন্ত্রণাটা ডাকাত দলের সদস্যদের চেয়ে কম নয়’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
107 people including women and children were killed in a religious ceremony in India

ভারতে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পদদলিত হয়ে নারী-শিশুসহ নিহত ১০৭

ভারতে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পদদলিত হয়ে নারী-শিশুসহ নিহত ১০৭ ভারতের উত্তর প্রদেশে হাতরাস জেলার সিকান্দ্রারাউ এলাকায় মঙ্গলবার সৎসঙ্গে জমায়েত হয় বিপুলসংখ্যক মানুষ। ছবি: এনডিটিভি
হিন্দুস্তান টাইমস মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে জানায়, একজন ধর্মীয় প্রচারক হাতরাস জেলার সিকান্দ্রারাউ এলাকার রতিভানপুর গ্রামে তাঁবু টানিয়ে আয়োজিত ‘সৎসঙ্গে’ অনুসারীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেয়ার সময় ‌এই পদদলনের ঘটনা ঘটে।

ভারতের উত্তর প্রদেশে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পদদলিত হয়ে নারী-শিশুসহ কমপক্ষে ১০৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

হিন্দুস্তান টাইমস মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে জানায়, একজন ধর্মীয় প্রচারক হাতরাস জেলার সিকান্দ্রারাউ এলাকার রতিভানপুর গ্রামে তাঁবু টানিয়ে আয়োজিত ‘সৎসঙ্গে’ অনুসারীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেয়ার সময় ‌এই পদদলনের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ধারণা করছে, আয়োজনটি যে সময়ে চলছিল তখন প্রচণ্ড গরম ছিল। অনুষ্ঠানস্থলে অনেক মানুষ থাকায় একপর্যায়ে শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। এরপর অনেক মানুষ একসঙ্গে সেখান থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করলে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়।

ইন্সপেক্টর জেনারেল (আলীগড় রেঞ্জ) শলভ মাথুর বলেন, ‘এটি ছিল ধর্ম প্রচারক ভোলে বাবার সৎসঙ্গ সভা।’

অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া কয়েকজন জানিয়েছেন, সৎসঙ্গ শেষ হওয়ার পর সবাই একসঙ্গে বের হওয়ার জন্য তাড়াহুড়ো করায় এই দুর্ঘটনা ঘটনা ঘটেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, পদদলনের ঘটনা ঘটে হাথরসের একটি প্রার্থনা সভায়। স্থানীয় কমিউনিটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, বাস এবং ট্যাম্পুতে করে অনেকের নিথর দেহ নিয়ে আসা হয়েছে। ওই সময় তাদের আত্মীয়-স্বজনরা কান্নাকাটি করছিলেন।

উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে এ ঘটনা সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে এবং কীভাবে ভয়াবহ এই পদদলনের ঘটনা ঘটল তার কারণ খুঁজে বের করতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ওই অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া এক নারী জানান, প্রার্থনা সভাটি আয়োজন করা হয়েছিল স্থানীয় এক ধর্মীয় গুরুর সম্মানে। অনুষ্ঠান শেষে যখন মানুষ বের হয়ে যাচ্ছিলেন তখন পদদলনের ঘটনা ঘটে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
All communities live in harmony in Bangladesh PM

বাংলাদেশে সব সম্প্রদায় সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করে: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশে সব সম্প্রদায় সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করে: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি
শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলেমিশে বসবাস করে। এখানে অন্যান্য সম্প্রদায়ের মতো দাউদি বোহরা সম্প্রদায়ও শান্তিতে বসবাস করবে।’

দাউদি বোহরা সম্প্রদায়ের একটি প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেছে।

সোমবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে চার সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন সম্প্রদায়টির সভাপতি কায়েদ জোহর উজ্জয়িনওয়ালা।

সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব কে এম সাখাওয়াত মুন সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে অন্যান্য সম্প্রদায়ের মতো দাউদি বোহরা সম্প্রদায়ও শান্তিতে বসবাস করবে।’

বাংলাদেশে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলেমিশে বসবাস করবে জানিয়ে শেখ হাসিনা তাদেরকে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন।

প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, নিরাপত্তা, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। একইসঙ্গে তারা মানবকল্যাণে শেখ হাসিনার অবদান তুলে ধরেন।

দাউদি বোহরা সম্প্রদায়ের নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। তারা হাতে তৈরি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি প্রতিকৃতি এবং ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে তাদের কমিউনিটি নেতা শেখ তাহেরভাইয়ের একটি ছবি উপহার দেন।

দাউদি বোহরা সম্প্রদায়ের অনুসারীরা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে আছে। বাংলাদেশে এই সম্প্রদায়ের অনুসারীর সংখ্যা প্রায় এক হাজার ২০০। এরা মূলত চট্টগ্রাম ও পুরান ঢাকায় বসবাস করেন। তাদের নেতা সাইয়্যেদুনা মুফাদ্দল সাইফুদ্দিন।

আরও পড়ুন:
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে বাজেট বাস্তবায়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলছে, কাউকে ছাড় দেয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী
ইতিহাসের সর্ববৃহৎ বাজেট হলেও উচ্চাভিলাষী নয়: প্রধানমন্ত্রী
প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা দুই বছর করার পরিকল্পনা সরকারের: প্রধানমন্ত্রী
আইনি জটিলতায় তারেককে ফেরানোর চেষ্টা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

p
উপরে