× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Bafuf officials will be investigated for irregularities
google_news print-icon

বাফুফের কর্তাদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অনুসন্ধান চলবে

বাফুফের-কর্তাদের-বিরুদ্ধে-অনিয়মের-অনুসন্ধান-চলবে
বাফুফের দুর্নীতির বিষয়ে অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়ে হাইকোর্টের আদেশ বহাল রেখেছে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। ফাইল ছবি
আদেশের বিষয়ে জানতে চাইলে দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বাফুফেকে সরকারের দেয়া অর্থের বিষয়ে অনুসন্ধান চলবে, তবে ফিফার দেয়া অর্থের বিষয়ে অনুসন্ধানের আদেশ স্থিতাবস্থা থাকবে।’

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগসহ সংস্থাটির অভ্যন্তরীণ অনিয়ম, দুর্নীতির বিষয়ে অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়ে হাইকোর্টের আদেশ বহাল রেখেছে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। তবে ফিফার দেয়া অর্থের বিষয়ে অনুসন্ধানের আদেশ স্থিতাবস্থা জারি করেছে আদালত।

এ বিষয়ে আগামী ৯ জুলাই আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দিয়েছে আদালত। সেই দিন আপিল বেঞ্চে শুনানি হবে।

রোববার আপিল বিভাগের বিচারপতি আবু জাফর সিদ্দিকীর চেম্বার আদালত এ আদেশ দেন।

আদালতে সালাম মুর্শেদীর পক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মেহেদী হাছান চৌধুরী। দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান এবং ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমনের পক্ষে ছিলেন মুরাদ রেজা।

আদেশের বিষয়ে জানতে চাইলে দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বাফুফেকে সরকারের দেয়া অর্থের বিষয়ে অনুসন্ধান চলবে, তবে ফিফার দেয়া অর্থের বিষয়ে অনুসন্ধানের আদেশ স্থিতাবস্থা থাকবে।’

বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগসহ সংস্থাটির দুর্নীতি তদন্ত চেয়ে গত ১৪ জুন হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

এই রিটের শুনানি নিয়ে পরের দিন ১৫ জুলাই বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ অনুসন্ধানের নির্দেশ দেন।

হাইকোর্টের এ নির্দেশ স্থগিত চেয়ে আপিলে আবেদন করেন সালাম মুর্শেদী। সেই আবেদনের শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত এ আদেশ দেন।

আরও পড়ুন:
তদন্তাধীন বিষয়ে মন্তব্য করা যাবে না: হাইকোর্ট
একাত্তর টিভি ও ব্যারিস্টার সুমনের বিরুদ্ধে কাজী সালাউদ্দিনের রিট

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Video footage of those involved in the violence being caught Haroon

সহিংসতায় জড়িতদের ভিডিও ফুটেজ দেখে ধরা হচ্ছে: হারুন

সহিংসতায় জড়িতদের ভিডিও ফুটেজ দেখে ধরা হচ্ছে: হারুন ডিএমপি ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ। ছবি: সংগৃহীত
ডিএমপি ডিবি প্রধান বলেন, ‘আমাদের হাতে আসা সিসিটিভি ফুটেজে কে কীভাবে আগুন লাগায় এবং মালামাল লুট করে নিয়ে যায় তাদের অনেকেরই নাম-পরিচয় পাওয়া গেছে। এদের সবাইকে গ্রেপ্তার করা হবে।’

কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে ঢাকা মহানগরীতে সরকারি স্থাপনায় ভাঙচুর, সহিংসতা ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড হয়েছে। এসব ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

রাজধানীর মহাখালীতে সেতু ভবনে ঢুকে লুটপাটের অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তারসহ ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়ার ঘটনায় মোট ৯ জনকে গ্রেপ্তারের পর বুধবার নিজ কার্যালয়ে একথা বলেন ডিএমপি ডিবি প্রধান।

তিনি বলেন, ‘আমাদের হাতে আসা সিসিটিভি ফুটেজে কে কীভাবে আগুন লাগায় এবং মালামাল লুট করে নিয়ে যায় তাদের অনেকেরই নাম-পরিচয় পাওয়া গেছে। এদের সবাইকে গ্রেপ্তার করা হবে।’

গ্রেপ্তার দুজন হলেন, জজ মিয়া ও মো. রাকিব। মঙ্গলবার রাতে মহাখালী থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

হারুন সাংবাদিকদের আরও বলেন, ‘আন্দোলনের নামে ঢাকা শহরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ এবং লুটপাট করা হয়েছে। মনোবল ভেঙে দেয়ার জন্য পুলিশকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা ও আহত করা হয়েছে। তথ্য-প্রযুক্তি ডাটা সেন্টারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালায় তারা। হামলার রসদ সরবরাহ করার তথ্য-প্রমাণ আমাদের হাতে আছে।’

তিনি বলেন, ‘মহাখালীর সেতু ভবনে জামায়াত-শিবির ও বিএনপির কিছু নেতা টাকাপয়সা দিয়ে সাততলা বস্তি এবং কুড়িল বস্তিসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন সংগ্রহ করেছে। এরপর মহাখালীতে জড়ো হয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। পরবর্তী সময়ে তারা সেতু ভবনে ঢুকে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং লুটপাট চালায়।

‘আমাদের হাতে আসা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, তারা কীভাবে আগুন লাগায় এবং মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এই ঘটনায় জড়িত অনেকের নামপরিচয় পেয়েছি।’

হারুন অর রশীদ বলেন, ‘গ্রেপ্তার দুজনের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের সাত নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন- ঢাকা উত্তর যুবদলের সাবেক সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর, বিএনপি নেতা বরকতুল্লা বুলুর ছেলে সানিয়াত বুলু, মহানগর দক্ষিণ বিএনপিসহ সভাপতি মোশারফ হোসেন খোকন ওরফে কাইল্লা খোকন, কৃষক দলের সহ সভাপতি নাসির উদ্দিন, ছাত্রদলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান দয়াল, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা এস এম কামাল উদ্দিন ও ভাটারা থানার আমির রেজাউল করিম।

জামায়াত-বিএনপি সরকারি স্থাপনাকে কেন টার্গেট করছে জানতে চাইলে হারুন বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন চলছে। পুলিশকে হত্যা, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, ডাটা সেন্টার, বিটিভি, আমাদের গর্বের মেট্রো রেলে হামলা করেছে।

‘সব জায়গায় তারা গানপাউডার দিয়ে জ্বালিয়ে দিয়েছে। তারা ৭১ সালের মতো পুরনো দিনে ফিরে গেছে। তারা চেয়েছিল সরকার উৎখাত করতে। দেশে কোটা আন্দোলন চলছে আর তারা ঢাকার বর্ডার এলাকায় রেখে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করেছে। আমরা সবার নাম-পরিচয় পেয়েছি। তারা কীভাবে কার মাধ্যমে গানপাউডার ও অস্ত্র এনেছে বের করা হবে।’

ডিএমপি ডিবি প্রধান আরও বলেন, ‘তারা পুলিশকে মারার জন্য ও আগুন দেয়ার জন্য টাকা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। কে নির্দেশনা দিয়েছে, কারা অর্থায়ন করেছে সব বের করা হবে।’

আরও পড়ুন:
আন্দোলন নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের তালিকা পাওয়া গেছে: হারুন
কোটা আন্দোলনকারীদের অন্যদিকে ধাবিত করার চেষ্টা চলছে: হারুন
ঝিনাইদহ আওয়ামী লীগের আরও নেতা নজরদারিতে: হারুন
সিয়ামকে জিজ্ঞাসাবাদে প্রয়োজনে ফের কলকাতা যাবে ডিবি: হারুন
৯০০ মরদেহ দাফনের প্রমাণ দেখাতে ব্যর্থ মিল্টন সমাদ্দার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Judicial inquiry commission has met

বৈঠক করেছে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন

বৈঠক করেছে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন
বিচারপতি খন্দকার দিলীরুজ্জামান বলেন, ‘ইতোমধ্যে কমিশন কার্যক্রম শুরু করেছে। তারই আলোকে আমরা আজ কমিশনের প্রথম মিটিং করেছি। গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আমরা নাগরিকদের কাছ থেকে তথ্যাদি আহ্বান করব। নাগরিকগণ কী পদ্ধতিতে তথ্য-প্রমাণাদি দেবেন তা গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ থাকবে। কমিশন সততা, নিষ্ঠা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে।’

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ১৬ জুলাই সংঘটিত সহিংসতা ও হত্যার ঘটনা তদন্তে গঠিত বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশনের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার সুপ্রিম কোর্ট অডিটরিয়ামের একটি কক্ষে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি খন্দকার দিলীরুজ্জামানকে দিয়ে ১৮ জুলাই এক সদস্যবিশিষ্ট এই বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন করে দেয়া হয়। এ তদন্ত কমিশনের সহায়তায় রয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার শাখা।

প্রথম বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন বিচারপতি খন্দকার দিলীরুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘দ্য কমিশনস অফ ইনকোয়ারি অ্যাক্ট ১৯৫৬-এর ৩ ধারার ক্ষমতাবলে সরকার এই বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন করে দেয়। সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিল করে সরকার ২০১৮ সালে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে কয়েকজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেন।

‘৫ জুলাই হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ কোটা পদ্ধতি বিলুপ্তির প্রজ্ঞাপনটি বাতিল করে রায় দেয়। হাইকোর্টের এ রায়ের পর কোটা সংস্কারের দাবিতে ছাত্রছাত্রীরা আন্দোলন শুরু করে। এ আন্দোলন চলাকালে গত ১৬ জুলাই সারাদেশে এক অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং ৬ জন ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আমাকে দিয়ে এক সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিশন গঠন করে দেয়া হয়।’

বিচারপতি খন্দকার দিলীরুজ্জামান বলেন, ‘গত ১৬ জুলাই ৬ জন ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ উদঘাটন, তাদের মৃত্যুর জন্য দায়ীদের চিহ্নিতকরণ ও ৫ থেকে ১৬ জুলাই সংঘটিত অগ্নিসংযোগ, লুটপাট, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের তথ্যাদি ও প্রমাণাদি আগামী ৬ আগস্টের মধ্যে সরাসরি ই-মেইল ডাকযোগে প্রদান করা যাবে।

‘ইতোমধ্যেই কমিশন কার্যক্রম শুরু করেছে। তারই আলোকে আমরা আজ কমিশনের প্রথম মিটিং করেছি। গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আমরা নাগরিকদের কাছ থেকে তথ্যাদি আহ্বান করব। নাগরিকগণ কী পদ্ধতিতে তথ্য-প্রমাণাদি দেবেন তা গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ থাকবে। কমিশনের দৈনন্দিন কার্যক্রম সংবাদ বিজ্ঞপ্তি মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানিয়ে দেয়া হবে।’

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিচারপতি খন্দকার দিলীরুজ্জামান বলেন, ‘কমিশন সততা, নিষ্ঠা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে।’

তিনি গণমাধ্যমসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহায়তা কামনা করেছেন।

চলমান পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করবে কমিশন। বেঁধে দেয়া সময় অর্থাৎ ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে কমিশন প্রতিবেদন দেয়ার চেষ্টা করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার শাখার সচিব মাহমুদুল হোসেন খান, অতিরিক্ত সচিব জাহেদা পারভীন, উপসচিব তানভীর আহমেদ এবং সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার মশিয়ার রহমান উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
1 thousand 117 policemen injured and killed 3 across the country

সারাদেশে এক হাজার ১১৭ পুলিশ সদস্য আহত, নিহত ৩

সারাদেশে এক হাজার ১১৭ পুলিশ সদস্য আহত, নিহত ৩ ছবি: সংগৃহীত
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও পরিদর্শন) মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম বলেন, ২৭৭ জন পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়ে এই হাসপাতালে এসেছেন। তাদের মধ্যে ৮৩ জনকে ভর্তি করা হয়েছিল। বর্তমানে ৬৯ জন ভর্তি রয়েছেন। তাদের বেশিরভাগই মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত।

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে রাজধানীসহ সারা দেশে সংঘাত-সহিংসতা চলাকালে এক হাজার ১১৭ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৩২ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে তিনজন পুলিশ সদস্যের।

বুধবার পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

নিহত তিন পুলিশ সদস্য হলেন- নারায়ণগঞ্জের পিবিআইয়ে কর্মরত এসআই মাসুদ পারভেজ, ট্যুরিস্ট পুলিশের এসআই মুক্তাদির ও আরেক সদস্য গিয়াস উদ্দিন।

মঙ্গলবার পর্যন্ত ৬৯ জন পুলিশ সদস্য রাজধানীর রাজারবাগে কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তাদের মধ্যে আইসিইউতে রয়েছেন তিনজন। আহত আরও অনেকের অবস্থা গুরুতর।

রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতাল ছাড়াও ঢাকা মেডিক্যাল, সোহরাওয়ার্দীসহ অন্যান্য হাসপাতালে অনেক পুলিশ সদস্য চিকিৎসা নিয়েছেন। এখনও অনেক পুলিশ সদস্য সেসব হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে পুলিশ হাসপাতালের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও পরিদর্শন) মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ২৭৭ জন পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়ে এই হাসপাতালে এসেছেন। তাদের মধ্যে ৮৩ জনকে ভর্তি করা হয়েছিল। বর্তমানে ৬৯ জন ভর্তি রয়েছেন। তাদের বেশিরভাগই মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত।

প্রসঙ্গত, সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্যে দুর্বৃত্তরা রাজধানীসহ সারা দেশে বিভিন্ন স্থানে রাষ্ট্রীয় সম্পদের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে। হামলা থেকে রেহাই পাননি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও।

আরও পড়ুন:
সিএনজিতে হারানো চিকিৎসার ৪ লাখ টাকা উদ্ধার করে দিল পুলিশ
নিজের পিস্তলের গুলিতে বিদ্ধ এএসআই
পুলিশের ৪০ ঊর্ধ্বতন পদে রদবদল
পুলিশকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশে সতর্কতার অনুরোধ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের
ভারতে চামড়া পাচার রোধে সীমান্তে সতর্ক বিজিবি-পুলিশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Surrender of 261 escaped prisoners from Narsingdi Jail

নরসিংদী কারাগার থেকে পালানো ২৬১ কয়েদির আত্মসমর্পণ

নরসিংদী কারাগার থেকে পালানো ২৬১ কয়েদির আত্মসমর্পণ নরসিংদী জেলা কারাগারের একটি সেলে তাণ্ডবের খণ্ডচিত্র। ছবি: সংগৃহীত
কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়াদের মধ্যে মঙ্গলবার ১৩৮ জন ও বুধবার ১২৩ জন আত্মসমর্পণ করেন। পালিয়ে যাওয়া কয়েদিদের আত্মসমর্পণ করার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহরের বিভিন্ন স্থানে মাইকিং করা হচ্ছে।

নরসিংদী জেলা কারাগারে দুর্বৃত্তরা হামলা ও অগ্নিসংযোগ করে অস্ত্র লুটের সময় ৮২৬ কয়েদি পালিয়ে যান। তাদের মধ্যে বুধবার বিকেল পর্যন্ত ২৬১ জন আত্মসমর্পণ করেছেন। তারা নরসিংদী জেলা দায়রা জজ আদালতের মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করেন বলে জানা গেছে।

জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি কাজী নাজমুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়াদের মধ্যে মঙ্গলবার ১৩৮ জন ও বুধবার ১২৩ জন আত্মসমর্পণ করেন। পালিয়ে যাওয়া কয়েদিদের আত্মসমর্পণ করার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহরের বিভিন্ন স্থানে মাইকিং করা হচ্ছে।

এদিকে বুধবার দুপুর দেড়টায় নরসিংদী জেলা কারাগার পরিদর্শন করেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ-জামান।

জানা গেছে, নরসিংদী জেলা কারাগারটি শহরের ভেলানগরের ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশেই অবস্থিত। এই ভেলানগর ও জেলখানা মোড়ে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা কয়েক দিন ধরেই লাগাতার বিক্ষোভ-সমাবেশ করছিলেন।

শুক্রবারও সেখানে কয়েক হাজার মানুষ বিক্ষোভ করেন। তবে সেদিন সেখানে সাধারণ শিক্ষার্থীদের খুব একটা দেখা যায়নি। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে হঠাৎ হাজারও মানুষ কারাগারের দিকে এগুতে থাকে। তারা গিয়ে সেখানে প্রথমে ইটপাটকেল ও পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে।

হামলাকারীদের হাতে লাঠিসোঁটা, দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। এ সময় প্রাথমিকভাবে কারারক্ষীরা তাদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। বেশ কিছুক্ষণ ধরে তাদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

কিন্তু একপর্যায়ে কারারক্ষীরা পিছু হটেন। তখন হামলাকারীরা কারাগারের দুদিকের ফটক অনেকটা ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়ে এবং অগ্নিসংযোগ করে। এ সময় হামলায় চার কারারক্ষী গুরুতর আহত হন। পরে কারারক্ষীরা নিরুপায় হয়ে জেলখানার ভেতরে ঢুকে নিজেদের রক্ষা করেন।

জেল কোড অনুযায়ী এমন পরিস্থিতিতে গুলি ছোড়ার এখতিয়ার থাকলেও তা করা হয়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারীরা মূল কারাগারের ভেতরে ঢুকে সেলগুলো শাবল ও লোহার জিনিসপত্র দিয়ে ভেঙে কয়েদিদের পালিয়ে যেতে সাহায্য করে। কিছু কারারক্ষীর কাছ থেকে চাবি নিয়েও সেলের তালা খোলা হয়।

হামলা ও অগ্নিসংযোগে কারাগার ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। অফিস কক্ষ, কনডেম সেল, রান্নাঘর, খোলা চত্বর সব জায়গায় তাণ্ডবের চিহ্ন। দরজা-জানালাগুলো ভেঙে গেছে, দেয়ালে দেয়ালে পোড়া চিহ্ন।

এদিকে হামলাকারীরা কারাগার থেকে ৮৫টি অস্ত্র ও আট হাজারের বেশি গুলি ছিনিয়ে নিয়েছে। এর মধ্যে সাত হাজার রাইফেলের এবং শটগানের গুলি রয়েছে এক হাজার ৫০ রাউন্ড।

জেলা পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান মঙ্গলবার জানান, এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এখন পর্যন্ত মোট ৯৫ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ছয়জন কয়েদি। তাদের কারাগারের আশপাশ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া লুট হওয়া অস্ত্রের মধ্যে ৩৩টি, এক হাজার গুলি এবং অসংখ্য হাতকড়া উদ্ধার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বগুড়া কারাগার থেকে কয়েদি পালানোর ঘটনায় ৩ কারারক্ষী বরখাস্ত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Educational institutions will open after 100 security is ensured Education Minister

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পর: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পর: শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। ফাইল ছবি
মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার পরিবেশ এখনও তৈরি হয়নি। এই মুহূর্তে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাই আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে পারছি না।’

শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী।

বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার পরিবেশ এখনও তৈরি হয়নি। এই মুহূর্তে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাই আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে পারছি না।’

চলমান এইচএসসি পরীক্ষা শেষ করা বর্তমানে সরকারের মূল অগ্রাধিকার বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা প্রসঙ্গে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি বুঝে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
স্কুল-মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী
বুয়েটে জঙ্গি কার্যক্রম আছে কি না, তদন্ত করব: শিক্ষামন্ত্রী
‘ট্রি অফ পিস’ পুরস্কার নিয়ে যা বলল ইউনূস সেন্টার
ইউনেস্কো পুরস্কার নিয়ে ইউনূস সেন্টারের তথ্য বিভ্রান্তিকর: শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল হতে পারে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dr Yunuss application will be rejected and the case will continue

ড. ইউনূসের আবেদন খারিজ, মামলা চলবে

ড. ইউনূসের আবেদন খারিজ, মামলা চলবে
গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক-কর্মচারীদের লভ্যাংশ আত্মসাতের মামলায় অভিযোগ গঠনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আবেদন খারিজ করার পাশাপাশি এক বছরের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করতে বিচারিক আদালতকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক-কর্মচারীদের লভ্যাংশ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় অভিযোগ গঠনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এক বছরের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করতে বিচারিক আদালতকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এই আদেশ দেয়।

আদালতে ড. ইউনূসের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন। আর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

এর আগে গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক-কর্মচারীদের লভ্যাংশ আত্মসাতের মামলায় অভিযোগ গঠনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আবেদনে অভিযোগ গঠনের আদেশ বাতিল চাওয়া হয়।

গত ১২ জুন গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক-কর্মচারীদের লভ্যাংশ আত্মসাতের মামলায় প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ড. ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদালত।

আরও পড়ুন:
অর্থ আত্মসাৎ মামলা বাতিলে হাইকোর্টে ড. ইউনূসের আবেদন
সাজা কখনও স্থগিত হয় না: ড. ইউনূসের মামলার পর্যবেক্ষণে হাইকোর্ট
অর্থ আত্মসাৎ মামলায় ড. ইউনূসসহ ১৪ জনের বিচার শুরু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Joint force operation in Bandarban killed 2 members of KNF

বান্দরবানে যৌথ বাহিনীর অভিযান, কেএনএফের ২ সদস্য নিহত

বান্দরবানে যৌথ বাহিনীর অভিযান, কেএনএফের ২ সদস্য নিহত
বুধবার সকালে ওই এলাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযান চালানো হয়। অভিযানে কেএনএএফের দুই সদস্য নিহত হয়েছেন। এ সময় বেশ কিছু অস্ত্র, গোলাবারুদ ও অন্যান্য সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

বান্দরবানের রুমা উপজেলার সৈকতপাড়ায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) দুই সদস্য নিহত হয়েছেন।

তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুধবার সকালে ওই এলাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযান চালানো হয়। অভিযানে কেএনএএফের দুই সদস্য নিহত হয়েছেন। এ সময় বেশ কিছু অস্ত্র, গোলাবারুদ ও অন্যান্য সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন:
বান্দরবানে সাঙ্গু নদীতে নৌকাডুবি, দুই স্কুল শিক্ষার্থী নিখোঁজ
বান্দরবানে এপিবিএন উদ্ধার করল ৬০টি মোবাইল সেট ও নগদ অর্থ
পাহাড়ের ভাঁজে আনারসের শোভা
বান্দরবানে গোলাগুলিতে কেএনএফের ২ সদস্য নিহত
থানচির থুইসাপাড়ায় ভয়াবহ আগুন নিয়ন্ত্রণ বিজিবির

মন্তব্য

p
উপরে