× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Chhatra Dal clash and firing leader killed
google_news print-icon

কমিটি নিয়ে ছাত্রদলের সংঘর্ষ, গুলি: নেতা নিহত

কমিটি-নিয়ে-ছাত্রদলের-সংঘর্ষ-গুলি-নেতা-নিহত
গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত ছাত্রদল নেতা সাদেকুর রহমান (বাঁয়ে) ও আহত আশরাফুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা
পুলিশ জানায়, নিহত সাদেকুর রহমান নরসিংদী জেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও আশরাফুল ইসলাম ছাত্রদল নেতা। তারা সম্প্রতি ঘোষিত জেলা ছাত্রদলের পদবঞ্চিত হওয়া নেতা।

নরসিংদীতে জেলা ছাত্রদলের আভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে ছাত্রদল নেতা নিহত হয়েছেন; আরেকজন আহত হয়ে হাসপাতালে রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় নরসিংদী জেলা বিএনপির কার্যালয় সংলগ্ন শহরতলীর চিনিশপুরে এ সংঘর্ষ হয়।

সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ হন ছাত্রদল নেতা ৩২ বছর বয়সী সাদেকুর রহমান ও ২০ বছরের আশরাফুল ইসলাম। সংকটাপন্ন অবস্থায় তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সাদেকুর রহমান মারা যান।

ঢামেকের জরুরী বিভাগে কর্তব্যত চিকিসৎক নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে সংঘর্ষ শুরু হলে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। ঘটনার পর কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিবের বাসভবন ও জেলা বিএনপির কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে ৮টি রাম দা ও ৫টি ককটেল উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, নিহত সাদেকুর রহমান নরসিংদী জেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও আশরাফুল ইসলাম ছাত্রদল নেতা। তারা সম্প্রতি ঘোষিত জেলা ছাত্রদলের পদবঞ্চিত হওয়া নেতা।

পদবঞ্চিত ছাত্রদল নেতারা বলেন, ‘এ বছরের ২৬ জানুয়ারি সিদ্দিকুর রহমান নাহিদকে সভাপতি, মাইনুদ্দিন ভুইয়াকে সিনিয়র সহ-সভাপতি ও মেহেদী হাসানকে সাধারণ সম্পাদক করে জেলা ছাত্রদলের ৫ সদস্য বিশিষ্ট (আংশিক) কমিটির অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। এরপর থেকে ঘোষিত কমিটি বাতিলের দাবিতে পদবঞ্চিত ছাত্রদল নেতাকর্মীরা আন্দোলন চালিয়ে আসছিলেন।

এর জেরে কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক খায়রুল কবির খোকনের চিনিশপুরের বাসভবন তথা জেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে একাধিকবার হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানান তারা।

তারা আরও বলেন, ‘ছাত্রদলের কমিটি বাতিলের আন্দোলনের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার চিনিশপুরে জেলা বিএনপির কার্যালয়ের আশেপাশে মোটরসাইকেল শোডাউন করে বিক্ষোভ করছিলেন পদবঞ্চিত ছাত্রদল নেতাকর্মীরা। এসময় ছাত্রদলের অপর গ্রুপের নেতাকর্মীরা অতর্কিতে তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

‘এসময় মাথায় ও পিঠে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন পদবঞ্চিত ছাত্রদল গ্রুপের দুই নেতা সাদেক ও আশরাফুল। পরে আহতদের উদ্ধার করে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায় নেতাকর্মীরা। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দুজনকে ঢাকা মেডিক্যালে পাঠান।’

জেলা ছাত্রদলের সদ্য বহিষ্কৃত সহ সহ-সভাপতি মাইন উদ্দিন ভুইয়া বলেন, ‘জেলা বিএনপির আহ্বায়ক খায়রুল কবির খোকনের নির্দেশে নরসিংদী জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান নাহিদের নেতৃত্বে এই হামলা ও গুলির ঘটনা ঘটেছে। দুজনকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নেয়ার পর আহত ছাত্রদল নেতা সাদেকুর রহমান মারা যান। আর আশরাফুল ইসলাম সংকটাপন্ন অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ভর্তি রয়েছেন।’

এদিকে এই হতাকাণ্ডের প্রতিবাদে রাত পৌনে ৮টার দিকে রেলস্টেশন এলাকায় বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা মাইন উদ্দিন ভুইয়ার নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন তার অনুসারীরা।

নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফজলে-ই খোদা বলেন, ‘জেলা হাসপাতালে গিয়ে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া গেছে। অপরজনকে আগেই ঢাকায় পাঠানো হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
পরীক্ষার্থীদের ফুল দিতে আসা ছাত্রদলের ওপর ছাত্রলীগের হামলা
নরসিংদীতে ছাত্রদল নেতা গুলিবিদ্ধ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Admission of 169 students of Vikarunnisa remains cancelled
লিভ টু আপিল খারিজ

ভর্তি বাতিলই থাকছে ভিকারুননিসার ১৬৯ শিক্ষার্থীর

ভর্তি বাতিলই থাকছে ভিকারুননিসার ১৬৯ শিক্ষার্থীর রাজধানীর বেইলি রোডে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ফটক। ফাইল ছবি
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ রাফিউল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছে আপিল বিভাগ। ফলে ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে হাইকোর্টের দেয়া রায়ই বহাল রইল।’

রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রথম শ্রেণিতে ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে আনা লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে তিন বিচারপতির আপিল বেঞ্চ রোববার এ আদেশ দেন বলে বাসসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ভর্তি বাতিল হওয়া শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা দুটি লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেন।

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ রাফিউল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছে আপিল বিভাগ। ফলে ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে হাইকোর্টের দেয়া রায়ই বহাল রইল।

‘হাইকোর্টের রায় অনুসারে ১৬৯ শিক্ষার্থীর শূন্য আসনে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে এখন শিক্ষার্থী ভর্তিতে স্কুল কর্তৃপক্ষের আইনগত কোনো বাধা রইল না।’

বয়সের নিয়ম না মানার অভিযোগে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের স্কুল শাখায় ভর্তিকৃত প্রথম শ্রেণির ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল থাকবে বলে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চের ২৯ পৃষ্ঠার দেয়া রায় গত ২৭ জুন সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।

রায়ে বলা হয়, ‘নির্দিষ্ট বয়সসীমার পরিপ্রেক্ষিতে প্রার্থীদের (আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের) ফিল্টার করার জন্য সফটওয়্যারে কোনো প্রোগ্রাম স্থাপন করা হয়নি। এর মধ্যে গত বছরের ২ ডিসেম্বর অযোগ্য ১৬৯ শিক্ষার্থীদের ভর্তি ও অন্যান্য অনিয়মে জড়িতদের চিহ্নিত করতে অনুসন্ধান করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয় এবং নিষ্পাপ শিশুরা কর্তৃপক্ষের অবহেলা, অদক্ষতা ও অপকর্মের বিষয়বস্তু না হতে হয়।’

রায়ে উল্লেখ করা হয়, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয় ভিকারুননিসার পুরো ভর্তি প্রক্রিয়া অনুসন্ধান করবে। অনুসন্ধান কমিটি আরও ভালো ভর্তি প্রক্রিয়া চালু করার এবং অপরাধীদের খুঁজে বের করার পরামর্শ দেবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় আইন অনুযায়ী চিহ্নিত অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।

‘এ জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ বিভাগের সচিবকে ৩ সদস্যের একটি অনুসন্ধান কমিটি করতে বলা হয়েছে। অতিরিক্ত সচিব মর্যাদার নিচে নয় এমন কর্মকর্তার নেতৃত্বে কমিটি করতে হবে। বাকি দুই সদস্যের মধ্যে একজন শিক্ষা বোর্ড থেকে, অপরজন আইটি এক্সপার্ট বুয়েট থেকে যুক্ত করতে হবে।’

রায়ের অনুলিপি শিক্ষা সচিব, বুয়েটের উপাচার্য এবং শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে পাঠাতে বলা হয়েছে।

ভিকারুননিসায় ভর্তি নিয়ে বয়সের নিয়ম না মানার অভিযোগ এনে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তিচ্ছু দুই শিক্ষার্থীর মা গত ১৪ জানুয়ারি রিট করেন। সে রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২৩ জানুয়ারি হাইকোর্ট রুলসহ আদেশ দেয়। তার ধারাবাহিকতায় ২৮ ফেব্রুয়ারি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তর একটি স্মারক হাইকোর্টে উপস্থাপন করে।

মাউশির ওই আদেশ অনুযায়ী, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা অনুসরণ করেনি। ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারির আগে জন্মগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের ভর্তি করার প্রক্রিয়া ছিল বিধিবহির্ভূত। ভর্তি হওয়া এসব শিক্ষার্থীর মধ্যে ২০১৫ সালে জন্মগ্রহণকারী ১০ জন ও ২০১৬ সালে জন্মগ্রহণকারী শিক্ষার্থী সংখ্যা ১৬৯ জন। এসব শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল করে শিগগিরই মাউশিকে অবহিত করার অনুরোধ করা হয়।

এরপর স্কুল কর্তৃপক্ষ ১৬৯ জনের ভর্তি বাতিল করে। ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের পর এখন অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে এক সপ্তাহের মধ্যে শূন্য আসনে ভর্তি নিতে গত ৬ মার্চ নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।

ওই আদেশের বিরুদ্ধে বাতিলকৃত শিক্ষার্থীর অভিভাবক আপিল বিভাগে আবেদন করেন। আপিল বিভাগ গত ২০ মার্চ হাইকোর্টে জারি করা রুল দুই মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে বলে। এ সময় পর্যন্ত ওই শিক্ষার্থীদের ভর্তি বাতিল ও অপেক্ষমাণদের ভর্তির ওপর স্থিতাবস্থা দেয়া হয়।

এরই মধ্যে ভর্তি বাতিল হওয়া ১২০ শিক্ষার্থীর পক্ষে আরেকটি রিট করা হয়। সে রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত ২৫ মার্চ হাইকোর্ট রুল দেয়। এরপর পৃথক রুলের ওপর একসঙ্গে শুনানি শেষে গত ২১ মে রায় ঘোষণা করে হাইকোর্ট।

২৯ পৃষ্ঠায় দেয়া এ রায়ের অনুলিপি প্রকাশের পর লিভ টু আপিল করা হয়েছিল, যার শুনানি নিয়ে সর্বোচ্চ আদালত আজ খারিজ করে আদেশ দেয়।

আরও পড়ুন:
যৌন হয়রানির মামলায় ভিকারুননিসার শিক্ষক মুরাদ গ্রেপ্তার
ঝুঁকিপূর্ণ গুলশান শপিং সেন্টার গুঁড়িয়ে দেয়ার আদেশ বহাল
৪ সপ্তাহ সুপ্রিম কোর্টে লড়তে পারবেন না দুই আইনজীবী
ঢাকা-৪ আসনে বিজয়ী আওলাদ হোসেনকে শপথ পড়ানোর নির্দেশ
শামীম-শাম্মীর প্রার্থিতা নিয়ে আপিলের শুনানি ২ জানুয়ারি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The body of the sacked municipal councilor was recovered in Naogaon

নওগাঁয় বরখাস্তকৃত পৌর কাউন্সিলরের মরদেহ উদ্ধার

নওগাঁয় বরখাস্তকৃত পৌর কাউন্সিলরের মরদেহ উদ্ধার নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বরখাস্তকৃত কাউন্সিলর মিজানুর রহমান মিতু। ছবি: নিউজবাংলা
পত্নীতলা থানার ওসি মোজাফফর হোসেন বলেন, ‘সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, তবে তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে প্রাথমিকভাবে কিছু ধারণা করতে পারেনি পুলিশ।’ 

নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বরখাস্তকৃত কাউন্সিলর মিজানুর রহমান মিতুর (৪৮) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার পাটিচরা ইউনিয়নের সালিগ্রাম এলাকার বুড়িদহ বিল থেকে রোববার বেলা ১১টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

প্রাণ হারানো মিজানুর রহমান মিতু উপজেলার ছোট চাঁদপুর গ্রামের আফসার কেরানির ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পত্নীতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন বলেন, ‘সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, তবে তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে প্রাথমিকভাবে কিছু ধারণা করতে পারেনি পুলিশ।’

এ বিষয়ে নজিপুর পৌরসভার মেয়র রেজাউল কবির চৌধুরী বলেন, ‘প্রায় তিন বছর আগে পৌরসভার অফিসের ভেতরে ঢুকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় চেয়ার তুলে আমাকে মারতে গিয়েছিল (মিতু)। এ ছাড়াও মাঝেমধ্যে সে নেশা করে অফিসের স্টাফদের সাথে খারাপ আচরণ করত।

‘সার্বিক বিষয়ে পর্যালোচনা করে বিষয়টি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে জানানো হয়। পরে মন্ত্রণালয় থেকে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘সকালে জানলাম পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করেছে। ঠিক কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, তা পুলিশ তদন্ত করে বের করবে সেই আশা করছি। তার মৃত্যুর সঠিক কারণ তদন্ত করে বের করা হোক।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
APBN member injured in shelling at Rohingya camp

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গোলাগুলিতে এপিবিএন সদস্য আহত

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গোলাগুলিতে এপিবিএন সদস্য আহত উখিয়ার মধুরছড়া ৪-এক্সটেনশন রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় পুলিশ সদস্যদের অবস্থান। ছবি: নিউজবাংলা
৮ এপিবিএনের অধিনায়ক অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (এডিআইজি) মোহাম্মদ ইকবাল বলেন, ‘রোববার ভোরে উখিয়ার মধুরছড়া ৪-এক্সটেনশন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এফ-ব্লকে এপিবিএন পুলিশের ৯ সদস্য নিরাপত্তায় নিয়োজিত ছিল। একপর্যায়ে ক্যাম্পের কাঁটাতারের সীমানার বাহির থেকে ৩০ থেকে ৩৫ জন সদস্য প্রবেশ করে অতর্কিত এপিবিএন সদস্যদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে। আত্মরক্ষার্থে এপিবিএন সদস্যরাও পাল্টা গুলি ছোড়ে। গোলাগুলির একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।’

কক্সবাজারের উখিয়ার একটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোববার আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) সঙ্গে গোলাগুলিতে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) এক সদস্য আহত হয়েছেন।

উপজেলার মধুরছড়া ৪-এক্সটেনশন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এফ-ব্লকে ভোরে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান ৮ এপিবিএনের অধিনায়ক অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (এডিআইজি) মোহাম্মদ ইকবাল।

গুলিবিদ্ধ এপিবিএন সদস্য মো. শাহরাজ (২৫) মধুরছড়া পুলিশ ক্যাম্পে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত।

মোহাম্মদ ইকবাল বলেন, ‘রোববার ভোরে উখিয়ার মধুরছড়া ৪-এক্সটেনশন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এফ-ব্লকে এপিবিএন পুলিশের ৯ সদস্য নিরাপত্তায় নিয়োজিত ছিল। একপর্যায়ে ক্যাম্পের কাঁটাতারের সীমানার বাহির থেকে ৩০ থেকে ৩৫ জন সদস্য প্রবেশ করে অতর্কিত এপিবিএন সদস্যদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে। আত্মরক্ষার্থে এপিবিএন সদস্যরাও পাল্টা গুলি ছোড়ে। গোলাগুলির একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।

‘উভয় পক্ষের গোলাগুলিতে সন্ত্রাসীদের ছোড়া গুলিতে মো. শাহরাজ নামের এপিবিএনের এক সদস্য গুলিবিদ্ধ হন। এতে তার ডান ঊরু ও ডান হাতের আঙুল আঘাতপ্রাপ্ত হয়।’

এডিআইজি আরও বলেন, ‘গোলাগুলি থেমে গেলে গুলিবিদ্ধ এপিবিএন সদস্যকে উদ্ধার করে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। ঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।’

আরও পড়ুন:
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরুর বিষয়ে ইতিবাচক মিয়ানমার
পাহাড়ধস: কক্সবাজারে এক দিনে নিহত চার, আহত তিন
কক্সবাজারে পাহাড় ধসে শিশুসহ দুজন নিহত
সীমান্তের অরক্ষিত জায়গা দিয়ে আসছে রোহিঙ্গারা
ক্যাম্পে রোহিঙ্গা যুবককে তুলে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Students agitation should be stopped Home Minister

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন থামানো উচিত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন থামানো উচিত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শনিবার ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্সে গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ও সুধী সমাবেশে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। ছবি: নিউজবাংলা
আসাদুজ্জামান খান বলেন, ছাত্র ভাইদের কিছু বলার থাকলে তারা রাস্তাঘাট বন্ধ না করে আদালতে এসে বলতে পারেন। রাস্তাঘাট বন্ধ করলে জনগণের দুর্ভোগ বাড়ে, হাসপাতালগামী রোগীদের দুর্ভোগ বাড়ে। সেই সাধারণ মানুষের যে কী অভিব্যক্তি তা ছাত্রদের শোনা উচিত।’

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে দেশব্যাপী চলমান শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘আমি মনে করি, ছাত্রদের একটু অপেক্ষা করা উচিত, আন্দোলন থামানো উচিত।’

শনিবার বিকেলে ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্সে ‘মুক্তিযুদ্ধে পুলিশ: ময়মনসিংহ জেলা’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন এবং সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ছাত্র ভাইদের কিছু বলার থাকলে তারা রাস্তাঘাট বন্ধ না করে আদালতে এসে বলতে পারেন। রাস্তাঘাট বন্ধ করলে জনগণের দুর্ভোগ বাড়ে, হাসপাতালগামী রোগীদের দুর্ভোগ বাড়ে। সেই সাধারণ মানুষের যে কী অভিব্যক্তি তা ছাত্রদের শোনা উচিত।’

আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘পৃথিবীর সব জায়গায় কিন্তু কোটা রয়েছে। সব দেশেই কিছু অনগ্রসর জায়গা থাকে, যেমন আমাদের ক্ষুদ্র জাতি-গোষ্ঠীর জন্য কোটা রয়েছে এবং সংবিধানেও সেটি বলা আছে। এটি বাতিল করে দিলে এরা কোনো দিন সমাজের মূল স্রোতে আসতে পারবে না। আমরা মনে করছি, সবাই যেন একসঙ্গে চলতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী কোটা উঠিয়ে দিয়েছিলেন। বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন। বিচার বিভাগ থেকে বার্তা এসেছে, কোটা আবার চালু হবে। এতে সংক্ষুব্ধ হয়েছেন আমাদের ছাত্ররা।

‘প্রধান বিচারপতি কিন্তু স্পষ্ট করে নির্দেশনা দিয়েছেন, আদালত যে রায়টি দিয়েছিলেন সেটি স্থগিত করা হয়েছে এবং ছাত্রদেরও বলেছেন, তারা যেন উচ্চ আদালতে যেখানে বিচারটি চলছে, সেখানে গিয়ে তাদের কথা বলেন। তারা বললে সে অনুযায়ী বিচারপতিদের বিচার করতে সুবিধা হবে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘করোনার সময় যখন সন্তান বাবা-মায়ের কাছে যায়নি, তখন পুলিশ গেছে। এখানের পুলিশ সবার হৃদয় জয় করেছে। পুলিশ শুধু জনগণকে ভালোবাসে না, দেশের ইতিহাসকেও রক্ষা করে। নির্বাচনে পুলিশের কোনো পক্ষপাতিত্ব ছিল না। তার উদাহরণ বর্তমান আইজিপির ভাই নৌকা নিয়ে দাঁড়ালেও পরাজিত হয়েছেন। পুলিশ বাহিনী সব নির্বাচনে সঠিক দায়িত্ব পালন করেছে।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) শাহ আবিদ হোসেন। স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শরীফ আহমেদ এমপি, মোহাম্মদ মোহিত উর রহমান এমপি, মাহমুদুল হক এমপি, নজরুল ইসলাম এমপি, আবদুল মালেক সরকার এমপি, এ বি এম আনিছুজ্জামান এমপি, মাহমুদ হাসান এমপি, ফাহ্‌মী গোলন্দাজ এমপি, আবদুল ওয়াহেদ এমপি, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এমদাদুল হক, ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার উম্মে সালমা তানজিয়া, জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরী, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ইউসুফ খান পাঠান, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এহতেশামুল আলম, ময়মনসিংহ চেম্বার অফ কমার্সের সভাপতি আমিনুল হক, নাট্যব্যক্তিত্ব ম. হামিদ প্রমুখ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এর আগে ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্সে এসে জেলা পুলিশের ১১টি প্রকল্প এবং জেলা পুলিশের মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর উদ্বোধন করেন।

আরও পড়ুন:
জানমালের অনিশ্চয়তা দেখা দিলে পুলিশ বসে থাকবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আন্দোলনকারীদের প্রতি কঠোর হবে না পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মিয়ানমারকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে পাল্টা গুলি চালাব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
প্রতি জেলায় হবে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র
এমপি আনার চোরাচালানে জড়িত ছিলেন তা বলিনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Annas murder The investigation will not be hampered even if the accused retract their statements
ডিএমপি ডিবি প্রধান বললেন

আনার হত্যা: আসামিরা জবানবন্দি প্রত্যাহার করলেও তদন্ত বাধাগ্রস্ত হবে না

আনার হত্যা: আসামিরা জবানবন্দি প্রত্যাহার করলেও তদন্ত বাধাগ্রস্ত হবে না ডিএমপি ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ শনিবার মিন্টো রোডের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। ছবি: নিউজবাংলা
এমপি আনার হত্যার ঘটনায় তিন আসামি জবানবন্দি প্রত্যাহার করতে চাওয়ায় মামলায় কোনো প্রভাব পড়বে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে হারুন অর রশীদ বলেন, ‘আদালতে যে কেউ আবেদন করতে পারেন। সেই আবেদন আদালত গ্রহণ করতে পারে আবার বাতিলও করতে পারে। এতে তদন্তে কোনো বাধার সৃষ্টি হবে না।’

সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারকে হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ মামলায় ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক কাজী কামাল আহমেদ বাবু ওরফে গ্যাস বাবুসহ তিনজন আইনজীবীর মাধ্যমে জবানবন্দি প্রত্যাহারের আবেদন করেছেন। এ ঘটনায় মামলার তদন্ত বাধাগ্রস্ত হবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

শনিবার রাজধানীর মিন্টো রোডে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জবানবন্দি প্রত্যাহারের আবেদন করা অন্য দুজন হলেন শিমুল ভুইঁয়া ওরফে শিহাব ওরফে ফজল মোহাম্মদ ভুইঁয়া ওরফে আমানুল্যাহ সাঈদ ও তানভীর ভুইঁয়া।

তিনজন আসামি জবানবন্দি প্রত্যাহার করতে চেয়েছেন। এতে মামলায় কোনো প্রভাব পড়বে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে হারুন বলেন, ‘আদালতে যে কেউ আবেদন করতে পারেন। সেই আবেদন আদালত গ্রহণ করতে পারে আবার বাতিলও করতে পারে। এতে তদন্তে কোনো বাধার সৃষ্টি হবে না।’

হারুন বলেন, ‘আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যার ঘটনায় এ পর্যন্ত সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ছয়জন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। এছাড়া ভারতীয় পুলিশের কাছে দুজন রয়েছেন।

ডিএমপি ডিবিপ্রধান বলেন, ‘আমরা আগেও বলেছি যে অযথা কাউকে ডাকাডাকি করছি না। আবার এ ঘটনার সঙ্গে যে বা যারা জড়িত তিনি বা তারা যত বড় নেতাই হোন কাউকে ছাড় দেয়া হচ্ছে না। আরও বেশ কয়েকজনের নাম আমরা পেয়েছি। এর মধ্যে মাস্টারমাইন্ড দেশের বাইরে রয়েছে। সবকিছু মিলিয়েই তদন্ত কার্যক্রম চলছে। ভারতের সঙ্গেও যোগাযোগ রয়েছে আমাদের।’

তিনি বলেন, ‘এমপি আনার হত্যার ঘটনায় অবাধ ও সুষ্ঠু তদন্ত করছে ডিবি। তদন্তের প্রয়োজনে আমরা কলকাতা ও নেপালে গিয়েছি। আদালতের অনুমতি নিয়ে গ্যাস বাবুকে সঙ্গে নিয়ে ঝিনাইদহের দুটি পুকুরে মোবাইল উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
মমতার বৈঠকে এমপি আনার হত্যা প্রসঙ্গ
আনার হত্যা মামলায় ফয়সাল ও মোস্তাফিজুর রিমান্ডে
আনার হত্যা মামলার আসামি মোস্তাফিজ ও ফয়সাল গ্রেপ্তার
গ্যাস বাবুর ফেলে দেয়া ফোন উদ্ধারে ঝিনাইদহে অভিযান
এমপি আনার হত্যা: গ্যাস বাবুকে ঝিনাইদহ কারাগারে স্থানান্তর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Three people died due to electrocution in the capital

রাজধানীতে বৃষ্টির পানিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিনজনের মৃত্যু

রাজধানীতে বৃষ্টির পানিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিনজনের মৃত্যু প্রতীকী ছবি।
শুক্রবার রাজধানীর পল্লবী ও কোতোয়ালি থানার সিএমএম আদালতের পাশে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন আলাউদ্দিন, রাসেল ও আইউব আলী।

রাজধানীতে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার রাজধানীর পল্লবী ও কোতোয়ালি থানার সিএমএম আদালতের পাশে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন আলাউদ্দিন, রাসেল ও আইউব আলী।

আলাউদ্দিন ময়মনসিংহের তারাকান্দা থানার মেঘেরা গ্রামের বাচ্চু মিয়ার সন্তান। রাসেল চট্টগ্রামের পটিয়া থানার কেলিশহর দারোগার হাট গ্রামের রতন দাসের ছেলে। দুজনই পল্লবী এলাকায় থাকতেন। আর আইউব আলী পিরোজপুরের নাজিরপুর থানার তারাবুনিয়া গ্রামের বেলায়েত শেখের সন্তান।

শুক্রবার দুপুরে পল্লবীর আজিজ মার্কেটের পাশে আসবাব কারখানায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান আলাউদ্দিন ও রাসেল। তারা দুজনই ওই কারখানায় মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করতেন।

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার পর অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল আজিজ বলেন, ‘খবর পেয়ে কুর্মিটোলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ট্রলির ওপর থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।’

স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, বৃষ্টির কারণে আসবাব কারখানায় পানি জমে যায়। মালপত্র রেখে পানি সরানোর সময় অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন এই দুজন। তবুও ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

অপর ঘটনায় শুক্রবার রাতে ঢাকার সিএমএম আদালতের পাশে আগরবাতি গলিতে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান আইউব আলী। তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার পর অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

আইউব আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম জানান, তার বাবা মিস্ত্রির কাজ করতেন। রাতে কাজ শেষ করে বাসায় ফেরার পথে আগরবাতি গলি এলাকায় জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ন্যাশনাল হাসপাতাল নেয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিক্যারল কলেজ হাসাপাতালে নিলে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

কোতোয়ালি থানা উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাজীব ঢালী জানান, খবর পেয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের মরদেহ ঢাকা মেডিক্যালের মর্গে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন:
আইপিএস মেরামতের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মিস্ত্রির মৃত্যু
কুড়িগ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে সহোদর দুই শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু
কুকুর মারার ফাঁদে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে রাশিয়া থেকে বাড়িতে আসা ছেলের সঙ্গে প্রাণ গেল মায়েরও
নকলায় বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে জড়িয়ে দুজনের মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Attempts are being made to sideline the quota agitators Harun

কোটা আন্দোলনকারীদের অন্যদিকে ধাবিত করার চেষ্টা চলছে: হারুন

কোটা আন্দোলনকারীদের অন্যদিকে ধাবিত করার চেষ্টা চলছে: হারুন রাজধানীর মিণ্টো রোডের কার্যালয়ে শনিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ডিএমপি ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ। ছবি: সংগৃহীত
ডিএমপি ডিবি প্রধান বলেন, ‘কেউ যদি মনে করে যে আদালত মানবে না, পুলিশের কথা মানবে না, তাহলে আমাদের করার কী আছে? আমাদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর যে ক্ষমতা আমরা সেটাই করবো।’

কোটা আন্দোলনকারীদের অন্য কেউ ইন্ধন দিতে পারে এবং ঘটনাটি অন্যদিকে ধাবিত করারও চেষ্টা চলছে বলে উল্লেখ করেছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

রাজধানীর মিন্টো রোডে নিজ কার্যালয়ে শনিবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

ডিএমপি ডিবি প্রধান বলেন, ‘কেউ যদি আদালতের আদেশ না মানে, সড়ক অবরোধ করে এবং আন্দোলনের নামে জানমালের ক্ষতি করে তাহলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর যে যৌক্তিক কাজ সেটাই করা হবে।

তিনি বলেন, ‘কোটার ব্যবস্থার প্রচলন শুধু বাংলাদেশে নয়, অনেক দেশেই আছে। কোটার বিরোধিতা করে কিছু লোক ও কিছু শিক্ষার্থী রাস্তায় আন্দোলন করছে। ইতোমধ্যে সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি নিয়ে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের ওপর এক মাসের স্থিতাবস্থা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

‘সুপ্রিম কোর্ট সবার ভরসাস্থল। আদালতের নির্দেশনা সবার মেনে চলা উচিত। কিন্তু কয়েকদিন ধরে শিক্ষার্থীরা ক্লাসে না গিয়ে বিভিন্ন সড়কে বসে সাধারণ মানুষের চলাচলে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। অনেক জায়গায় গাড়িতে তারা হাত দিচ্ছে এবং একটি মামলাও রুজু হয়েছে।’

হারুন বলেন, ‘কেউ যদি মনে করে যে আদালত মানবে না, পুলিশের কথা মানবে না, তাহলে আমাদের করার কী আছে? আমাদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর যে ক্ষমতা আমরা সেটাই করবো।’

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অন্য কেউ ইন্ধন দিচ্ছে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি ডিবি প্রধান বলেন, ‘আন্দোলনে অনুপ্রবেশকারী ঢুকেছে কিনা, ঘটনাটি অপরদিকে ধাবিত করার চেষ্টা চলছে কিনা- এসব নিয়ে ডিবির টিম ও পুলিশ কাজ করছে। কেউ যদি হাইকোর্টের নির্দেশনা না মেনে আন্দোলনের নামে সড়কে নেমে অবরোধ করে গাড়িতে হামলা ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে, তবে আমরা ধরে নিতে পারি অনুপ্রবেশকারীরাই এসব কাজ করছে।’

আরও পড়ুন:
কোটা আন্দোলনকারীদের দাবি সংবিধানবিরোধী: কাদের
কোটা আন্দোলনকারীদের নামে শাহবাগ থানায় মামলা পুলিশের
কোটা নিয়ে আন্দোলনকারীদের দাবি সঠিক নয়: সেলিম মাহমুদ
পুলিশি হামলার প্রতিবাদে কুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
রাজশাহীতে রেলপথ অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা

মন্তব্য

p
উপরে