× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Deaths in Custody 11 RAB members interrogated in operation
google_news print-icon

হেফাজতে মৃত্যু: অভিযানে থাকা ১১ র‌্যাব সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদ

হেফাজতে-মৃত্যু-অভিযানে-থাকা-১১-র‌্যাব-সদস্যকে-জিজ্ঞাসাবাদ
নওগাঁ সদরের চন্ডীপুর ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ের অফিস সহকারী সুলতানা জেসমিন। ফাইল ছবি
র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানান, তদন্ত কমিটির সদস্যরা রাজশাহীতে অবস্থান করছেন। তারা সুলতানা জেসমিনকে গ্রেপ্তারে অভিযানে থাকা র‌্যাব-৫ এর জয়পুরহাট ক্যাম্পের ১১ সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। তদন্ত শেষ হলে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নওগাঁয় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) হাতে আটক হওয়ার পর অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সুলতানা জেসমিনের মৃত্যুর ঘটনায় র‌্যাবের ১১ সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ হলে কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বৃহস্পতিবার রাতে নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, জেসমিন মৃত্যুর ঘটনায় র‍্যাব সদর দপ্তরের ইনকোয়ারি টিম রাজশাহীতে রয়েছে। জেসমিনকে আটকের অভিযানে সংশ্লিষ্ট ১১ সদস্যকে র‍্যাব-৫ এর সদর দপ্তরে নিয়ে আসা হয়েছে। তাদেরকে জেসমিনকে আটক ও পরবর্তীতে মৃত্যুর বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। একইসঙ্গে তারা ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের সঙ্গেও কথা বলেছেন।

র‌্যাব-৫ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল রিয়াজ শাহরিয়ার জানান, ওই ঘটনা তদন্তে কাজ করছে র‌্যাব সদর দপ্তরের ইন্টারনাল ইন্টারোগেশন টিম। তারা এখন রাজশাহীতে অবস্থান করছেন। জেসমিনকে আটকে অভিযান চালিয়েছিল র‌্যাব-৫ এর জয়পুরহাট ক্যাম্পের যে দলটি সেই দলের প্রত্যেককেই জয়পুরহাট থেকে রাজশাহীতে র‌্যাবের ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে নিয়ে আসা হয়েছে।

তদন্ত কমিটি এখন রাজশাহীতেই অবস্থান করছে। মূলত তদন্ত কমিটি এই সদস্যদের কাছ থেকে নানা প্রশ্নের উত্তর জানছেন। তদন্ত কমিটিকে সহযোগিতার অংশ হিসেবেই তাদের রাজশাহীতে আনা হয়েছে। এটি ‘প্রত্যাহার’ কিংবা ‘ক্লোজড’ পর্যায়ের বিষয় নয়।

জেসমিনের হার্টের নমুনা ল্যাবে

এদিকে সুলতানা জেসমিনের মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হতে করা ময়না তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেতে আরও খানিকটা সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন ময়না তদন্তকারী চিকিৎসক। এজন্য জেসমিনের হার্টের পরীক্ষা করার জন্য নমুনা পাঠানো হয়েছে প্যাথলজি বিভাগে।

পুলিশ বলছে, সুলতানা জেসমিন র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার অবস্থায় বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) এনামুল হকের করা মামলাটি তারা গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে।

সুলতানা জেসমিন র‌্যাবের হেফাজতে অসুস্থ হয়ে যখন রামেক হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি হওয়ার দিন রাজশাহীর রাজপাড়া থানায় মামলা করেন বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) এনামুল হক। পরদিন মারা যান জেসমিন।

এই মামলায় এনামুল হক দুজনের নাম উল্লেখ ছাড়াও অজ্ঞাত আরও ২/৩জনকে আসামি করেন। এক নম্বর আসামি আল আমিন। তার বাড়ি চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার কুতুবপুর এলাকায়। ২ নম্বর আসামী মোছা. সুলতানা জেসমিন।

পুলিশের সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এনামুল হকের মামলার সূত্র ধরে পুলিশ ঘটনাটির সবকিছুই জানার চেষ্টা করবে। ওই নারীর আগের কোনো মামলার রেকর্ড এখন পর্যন্ত নেই। তার অতীত কর্মকাণ্ড সম্পর্কেও খোঁজ নিচ্ছে পুলিশ। সে সঙ্গে আর্থিক লেনদেন, ব্যাংক হিসাব বা মোবাইল ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে অস্বাভাবিক কোনো লেনদেন আছে কিনা এসবও তদন্ত করা হবে।

রাজশাহী মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার রফিকুল আলম বলেন, ‘ঘটনাটি খুবই গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। ঘটনার মূল তথ্য উদ্ঘাটনের জন্য যতগুলো দিক অনুসন্ধান করা দরকার পুলিশ সেটা করছে।’

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. কফিল উদ্দিন জানান, ময়না তদন্ত প্রতিবেদন কবে নাগাদ দেয়া যাবে তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তবে খুব একটা দেরি হবে না বলে আভাস দেন তিনি।

ডা. কফিল বলেন, ‘হার্টের একটি পরীক্ষার জন্য প্যাথলজি বিভাগে নমুনা পাঠানো হয়েছে। এই পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ার পরই ফরেনসিক বিভাগ কাজ করবে এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে তারা চূড়ান্ত রিপোর্ট দিতে পারবেন। প্যাথলজি বিভাগের রিপোর্ট পেতে সাধারণত সপ্তাহখানেকের বেশি সময় লাগে না। আর এই রিপোর্ট না পেলে টু দ্য পয়েন্টে কিছু বলা যাবে না।’

রামেক-এর প্যাথলজি বিভাগের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আগামী সপ্তাহের শুরুতেই তারা রিপোর্ট দিতে পারেন। আর তা হলে এই সপ্তাহেই ময়না তদন্ত প্রতিবেদনও পাওয়া যেতে পারে।

প্রসঙ্গত, নওগাঁয় ওই নারীকে আটক করেছিলেন র‌্যাব-৫ এর জয়পুরহাট ক্যাম্পের। ওই ক্যাম্পের দায়িত্বে রয়েছেন মেজর পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা। র‌্যাবে এই পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে কোম্পানি কমান্ডারের দায়িত্ব দেয়া হয়। ওই অভিযানের বিষয়ে কোম্পানি কমান্ডারসহ অভিযানে থাকা গাড়িচালক থেকে শুরু করে সব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

গত ২২ মার্চ সকাল সাড়ে ১০টায় নওগাঁর নওজোয়ান মাঠের সামনে থেকে স্থানীয় ভূমি অফিসে কর্মরত সুলতানা জেসমিনকে আটক করেন র‌্যাব-৫ এর জয়পুরহাট ক্যাম্পের সদস্যরা। আটকের প্রায় দুই ঘণ্টা পর দুপুরে সুলতানাকে অসুস্থ অবস্থায় নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে সন্ধ্যা পর্যন্ত চিকিৎসাধীন থাকার পর তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। ২৪ মার্চ সকালে রামেক হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন:
জেসমিনের মাথায় আঘাতের তথ্য নেই, মৃত্যুতে কারও দায় থাকলে ব্যবস্থা: র‌্যাব
জেসমিনের মৃত্যু রক্তক্ষরণে, পোস্টমর্টেম রিপোর্ট হাইকোর্টে
বাড়ি ফিরেছেন সৈকত
র‌্যাব হেফাজতে মায়ের মৃত্যুর পর এবার ছেলে নিখোঁজ
র‍্যাব হেফাজতে নারীর মৃত্যু: ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন চায় হাইকোর্ট

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Naogaon ADC Miltons name in Sultanas financial transactions

জেসমিনের আর্থিক লেনদেনে নওগাঁর এডিসি মিল্টনের নাম

জেসমিনের আর্থিক লেনদেনে নওগাঁর এডিসি মিল্টনের নাম বাঁ থেকে- সুলতানা জেসমিন, তার লেখা প্রমাণপত্র ও নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মিল্টন চন্দ্র রায়। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
সুলতানা জেসমিনের মামা নাজমূল হক মন্টু জানান, নওগাঁ শহরে তার ভাগ্নীর ভাড়া বাসা থেকে আসবাবপত্র সরিয়ে নিতে গিয়ে আর্থিক লেনদেনের ৪৬ পাতার পত্রগুলো পাওয়া যায়। তার একটিতে নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মিল্টন চন্দ্র রায়ের নাম লেখা আছে। তাতে একটি মোবাইল ব্যাংকিং নম্বর এবং ৫০ হাজার টাকা দেনদেনের কথাও উল্লেখ করা আছে।

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) হেফাজতে মারা যাওয়া নওগাঁ ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক সুলতানা জেসমিনের আর্থিক লেনদেনের প্রমাণপত্রে নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মিল্টন চন্দ্র রায়ের নাম পাওয়া গেছে। সুলতানার হাতে লেখা প্রমাণপত্রগুলো তার স্বজনরা উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটির হাতে তুলে দিয়েছেন।

৪৬ পাতা প্রমাণপত্রের মধ্যে একটি পাতায় মোবাইল ব্যাংকিংয়ের একটি নম্বর, অংকে ও কথায় লেখা ৫০ হাজার টাকা, ০৫/০১/২০২৩ তারিখ (বৃহস্পতিবার) ও এডিসি মিল্টনের নাম লেখা আছে। সবই সুলতানার হাতে লেখা বলে তার স্বজনরা দাবি করেছেন।

সুলতানা জেসমিনের মামা নাজমূল হক মন্টু জানান, নওগাঁ শহরের একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন তার ভাগ্নী। সম্প্রতি সেই বাসা থেকে আসবাবপত্র সরিয়ে নিতে গিয়ে আর্থিক লেনদেনের ৪৬ পাতার পত্রগুলো পাওয়া যায়।

পত্রগুলোতে দেখা যায়, মৃত্যুর আগে সাম্প্রতিক সময়ে সুলতানা বেশ কয়েকটি মোবাইল ব্যাংকিং নম্বরে টাকা পাঠানোর কথা লিখে রেখেছিলেন। প্রমাণপত্রগুলো হাইকোর্টের নির্দেশে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ গঠিত উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটির হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।

৪৬ পাতা প্রমাণপত্রের একটিতে নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মিল্টন চন্দ্র রায়ের নাম লেখা আছে। সেই কাগজে একটি মোবাইল ব্যাংকিং নম্বর ও ৫০ হাজার টাকা দেনদেনের কথাও উল্লেখ করা আছে।

সুলতানার হাতে লেখা এসব প্রমাণপত্রের সূত্র ধরে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে এনামূল হকের দায়ের করা মামলা ও সুলতানার মৃত্যুর ঘটনার অনেক রহস্য বেরিয়ে আসবে উল্লেখ করেন মন্টু।

সুলতানা জেসমিনের মৃত্যু ও তার বিরুদ্ধে এনামূল হকের করা মামলার বিষয়টি তদন্ত করছে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি। এর অংশ হিসেবে সম্প্রতি নওগাঁ সার্কিট হাউসে সুলতানার স্বজনদের জবানবন্দি রেকর্ড করেছে কমিটি।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব মাহমুদুল হোসাইন খান সাংবাদিকদের জানান, খুঁটিনাটি সংশ্লিষ্ট সব বিষয়কে প্রাধান্য দিয়েই তদন্ত করছেন তারা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রতিবেদন জমা দেয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

সুলতানার আর্থিক লেনদেনের প্রমাণপত্রে নাম থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে এডিসি মিল্টন চন্দ্র রায় বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। সুলতানা জেসমিনকে আমি চিনতাম না। তার সঙ্গে আমার পরিবারের কারও কোনো সম্পর্কও ছিলো না।’

র‌্যাব হেফাজতে সুলতানা জেসমিনের মৃত্যুর ঘটনায় উচ্চ আদালতের এক আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে ২২ মে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। কমিটির প্রধান করা হয় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মাহমুদুল হোসাইন খানকে।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব, নওগাঁর সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, সিভিল সার্জন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং নওগাঁর পুলিশ সুপার মনোনীত একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।

প্রসঙ্গত, র‌্যাব-৫ এর জয়পুরহাট ক্যাম্পের একটি দল চলতি বছরের ২২ মার্চ রাজশাহী স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক যুগ্ম সচিব এনামুল হকের মৌখিক অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে সঙ্গে নিয়েই নওগাঁ পৌরসভার চণ্ডিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মচারী সুলতানা জেসমিনকে আটক করে। আটক অবস্থায়ই ২৪ মার্চ সকালে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জেসমিন মারা যান।

আরও পড়ুন:
পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তদন্ত দল
র‍্যাব হেফাজতে জেসমিনের মৃত্যু: উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ
জেসমিনের ছেলে ও বোনজামাইকে র‍্যাবের জিজ্ঞাসাবাদ
জেসমিনের মৃত্যু মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে: চিকিৎসক
হেফাজতে জেসমিনের মৃত্যু: বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Allegations of death due to pulse severing during surgery to remove gallstones

পিত্তথলির পাথর সরানোর অস্ত্রোপচারে নাড়ি কাটায় মৃত্যুর অভিযোগ

পিত্তথলির পাথর সরানোর অস্ত্রোপচারে  নাড়ি কাটায় মৃত্যুর অভিযোগ নওগাঁর বলাকা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে ভুল অস্ত্রোপচারে রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠে। ছবি: নিউজবাংলা
স্বজনদের অভিযোগ, অস্ত্রোপচারের সময় ভুল করে চিকিৎসক ওই নারীর বেশ কয়েকটি নাড়ি কেটে ফেলেন। এতে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর কারণ জানতে চাইলে চিকিৎসক আবদুল বারী খন্দকার পালিয়ে যান।

নওগাঁ শহরের স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে পিত্তথলির পাথর সরাতে গিয়ে ভুল করে নাড়ি কাটায় এক নারীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন স্বজনরা।

মারা যাওয়া ৪৮ বছর বয়সী নারীর নাম মিলি বেগম। বলাকা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে তার অস্ত্রোপচার করেন রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক আবদুল বারী খন্দকার।

স্বজনরা জানান, এক মাস আগে মিলি বেগমের পিত্তথলিতে পাথর আছে বলে জানান চিকিৎসক। সে পাথর অপসারণে বলাকা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের ২০৩ নম্বর শয্যায় সোমবার বিকেলে ভর্তি হন।

ওই দিন সাড়ে ৫টার দিকে তার অস্ত্রোপচার করা হয়।

স্বজনদের অভিযোগ, অস্ত্রোপচারের সময় ভুল করে চিকিৎসক ওই নারীর বেশ কয়েকটি নাড়ি কেটে ফেলেন। এতে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর কারণ জানতে চাইলে চিকিৎসক আবদুল বারী খন্দকার পালিয়ে যান।

মিলি বেগমের ছোট ছেলে তায়েব হাসান বলেন, ‘অপারেশনের পর বেডে নেয়ার ৫০ মিনিটের মধ্যে মা মারা যান। ওরা ভুল করে পেটের নাড়ি কেটে মাকে মেরে ফেলেছে।

ভাতিজা আশফাকুর রহমান বলেন, ‘ওই ক্লিনিকে এর আগেও অনেক মানুষকে ভুল অপারেশনে মরতে দেখেছি। এরপরেও ক্লিনিক বন্ধ হচ্ছে না।’

বড় ছেলে মেহেদী হাসান বলেন, ‘মাকে দাফনের পর আমরা শোকে কাতর। এটা হত্যাকাণ্ড। ডা. বারী এবং ক্লিনিক মালিক এনামুলের বিরুদ্ধে শিগগিরই মামলা করব। মোটা অংকের টাকায় সমঝোতার লোভ দেখিয়েছিল। আমার মায়ের মতো আর কোনো মা যেন ভুল অপারেশনে মারা না যান, সে জন্য আমরা লড়াই করে যাব।’

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. আবদুল বারী খন্দকার বলেন, ‘অপারেশন থিয়েটারে নেয়ার আগে রোগীর সবকিছুই স্বাভাবিক ছিল। অপারেশন শুরুর পর সব প্রক্রিয়া ডিসপ্লেতে দেখানো হয়। এরপর তাকে শয্যায় নেয়া হলে সম্ভবত হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে। ভুল অপারেশনে মৃত্যুর অভিযোগটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বলাকা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের পরিচালক এনামুল হক বলেন, ‘মিলি বেগমের অপারেশন অভিজ্ঞ সার্জন দিয়েই করানো হয়। সেটা ঠিক না ভুল আমি বলতে পারব না। রোগীর মৃত্যু স্বাভাবিক ছিল। মৃত্যুর পর সমঝোতার চেষ্টার অভিযোগটি সঠিক নয়।’

নওগাঁ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়সাল বিন আহসান বলেন, ‘বলাকা ক্লিনিকে রাতে হট্টগোল সৃষ্টি হয়েছিল। পরে সেখানে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। লিখিত অভিযোগ এখনও পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

নওগাঁর সিভিল সার্জন আবু হেনা রায়হানুজ্জামান সরকার বলেন, ‘খোঁজ নিয়ে দেখব।’

আরও পড়ুন:
পারভীনের রিপোর্ট দেখে পারভেজের পিত্তথলি কর্তন: হাইকোর্টে রিট
পারভীনের রিপোর্ট দেখে পারভেজের পিত্তথলি কাটলেন চিকিৎসক
বিনা মূল্যে চিকিৎসা-ওষুধ পেল গারো পাহাড়ের ৭ হাজার মানুষ
নিরাপদ হাসপাতাল চান তারা
স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরে ওবায়দুল কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Road accident in Sylhet Funding for handover of body without post mortem

সিলেটে ১৫ প্রাণহানি: ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর

সিলেটে ১৫ প্রাণহানি: ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর সিলেটে বুধবার সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের স্বজনদের আহাজারি। ছবি: নিউজবাংলা
সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইমরুল হাসান জানান, বুধবার দুপুরে নিহতদের পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।

সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় পিকআপে ট্রাকের ধাক্কার ঘটনায় নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়া স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইমরুল হাসান জানান, বুধবার দুপুরে নিহতদের পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।

এদিকে জেলা প্রশাসন নিহতদের পরিবারকে ২০ হাজার টাকা ও আহতদের পরিবারকে ১০ হাজার টাকা সহায়তা দেয়।

এ ছাড়া সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে দেন।

বুধবার ভোরে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের কুতুবপুর এলাকায় বালুবাহী ট্রাক ও যাত্রীবহনকারী পিকআপের সংঘর্ষে ওই দুর্ঘটনা ঘটে।

এদিকে দুর্ঘটনায় নিহতদের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দেয়।

দুর্ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিস ১৫ জনের মৃত্যুর তথ্য জানালেও সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ১৪ জনের মরদেহ পাওয়ার কথা জানায়।

দুপুরে ওই ১৪ জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১২ জন। হতাহতদের সবাই নির্মাণশ্রমিক।

হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, হিমঘরের পাশে মাটিতে বসে আহাজহারি করছেন নিহত মেহের মিয়ার স্ত্রী চাঁদনী বেগম। তিনি বলেন, ‘সকালে ডিম রান্না করে দিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি না খেয়েই চলে যান। এখন আমার বাচ্চাগুলো এতিম হয়ে গেল। আমি টাকা চাই না। বাচ্চাদের বাবাকে চাই।’

আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রবিউল ইসলাম বলেন, ‘হঠাৎ বিপরীত দিক থেকে আসা ট্রাকটি আমাদের পিকআপে ধাক্কা দিলে উল্টে যায়।’

দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সিলেটের পুলিশ কমিশনার ইলিয়াছ শরীফ বলেন, ‘পিকআপে করে যাত্রী পরিবহন নিষিদ্ধ। তারপরও মহাসড়কে পিকআপে করে যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে। এ কারণেই এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনা যাতে আর না হয়, সে ব্যাপারে আমরা সতর্ক থাকব।’

আরও পড়ুন:
হবিগঞ্জে বাসচাপায় অটোরিকশার ৩ আরোহী নিহত
কুমিল্লায় ট্রেনের ধাক্কায় বাবা-ছেলে ও ট্রাকচাপায় মা-মেয়ে নিহত
ট্রাকের ধাক্কায় অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত  
যাত্রাবাড়ীতে বাসের ধাক্কায় যুবক নিহত
টাঙ্গাইলে বাসচাপায় স্বামী-স্ত্রীসহ নিহত ৪

মন্তব্য

বাংলাদেশ
One and a half kg of gold was detained at the Sharsha border 2

শার্শা সীমান্তে দেড় কেজি স্বর্ণসহ আটক ২

শার্শা সীমান্তে দেড় কেজি স্বর্ণসহ আটক ২ শার্শা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে স্বর্ণসহ আটক দুই পাচারকারী। ছবি: নিউজবাংলা
খুলনা ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল তানভীর রহমান জানান, বুধবার বেলা আড়াইটার দিকে রুদ্রপুর গ্রামের বিলপাড়া এলাকা দিয়ে দুই ব্যক্তি সীমান্তের দিকে প্রবেশের চেষ্টা করলে তাদের ধাওয়া করে আটক করা হয়। পরে তাদের কাছ থেকে ১২টি স্বর্ণবার পাওয়া যায়, যার ওজন এক কেজি ৪০০ গ্রাম।

ভারতে পাচারকালে যশোরের শার্শা সীমান্তের রুদ্রপুর থেকে এক কেজি ৪০০ গ্রাম ওজনের ১২টি স্বর্ণ বারসহ দুই পাচারকারীকে আটক করেছে বিজিবি।

বুধবার ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের টহল দলের সদস্যরা স্বর্ণবারসহ এই দু’জনকে আটক করেন। তারা হলেন- বেনাপোল বন্দর থানার পুটখালী গ্রামের মিন্টু হালদারের ছেলে দেব হালদার ও শফিকুল ইসলামের ছেলে সাইদুল ইসলাম।

খুলনা ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল তানভীর রহমান জানান, সীমান্ত পথে একটি স্বর্ণের চালান ভারতে পাচার হবে এমন সংবাদে সীমান্ত এলাকায় বিজিবি নজরদারি বাড়ায়।

বুধবার বেলা আড়াইটার দিকে রুদ্রপুর গ্রামের বিলপাড়া এলাকার মেইন পিলার ২২-এর পাশ দিয়ে সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তি সীমান্তের দিকে প্রবেশের চেষ্টা করলে তাদের ধাওয়া করে আটক করা হয়। পরে তাদের দেহ তল্লাশি করে ১২টি স্বর্ণবার পাওয়া যায়, যার ওজন এক কেজি ৪০০ গ্রাম। উদ্ধার এই স্বর্ণের বাজারমূল্য প্রায় এক কোটি ২০ লাখ টাকা।

আটক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে স্বর্ণপাচার আইনে মামলা হবে বলে জানান বিজিবি কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
চট্টগ্রামে এক দিনের ব্যবধানে আবারও স্বর্ণ উদ্ধার
দরজার কব্জায় মিলল ১ কেজি স্বর্ণ, আটক যাত্রী
শার্শার পাঁচ ভুলাট সীমান্তে ১৪ স্বর্ণের বার উদ্ধার
কোমরে লুকিয়ে ৩ কোটি টাকার স্বর্ণ যাচ্ছিল ভারতে
বোরকায় লুকিয়ে পাচার হচ্ছিল আড়াই কোটি টাকার স্বর্ণ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The controversial Waheed Anju marriage is invalid High Court

আলোচিত ওয়াহিদ-আঞ্জুর বিয়ে অবৈধ: হাইকোর্ট

আলোচিত ওয়াহিদ-আঞ্জুর বিয়ে অবৈধ: হাইকোর্ট সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ। ফাইল ছবি
আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, উইলকৃত সেই বাড়িতে বসবাসকারী জগলুল ওয়াহিদের মেয়েরা মুসলিম আইন অনুযায়ী তাদের সম্পত্তির অধিকার পাবেন।

প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী ফেরদৌস ওয়াহিদের ভাই প্রয়াত মোস্তফা জগলুল ওয়াহিদের সঙ্গে ভারতীয় নাগরিক আঞ্জু কাপুরের বিয়ে অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট।

বুধবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে এ রায় দেয়।

রায়ের ফলে আঞ্জু কাপুরকে উইল করা বাড়িটি তার অধীনে থাকল না বলে জানিয়েছেন আইনজীবী।

আদালতে জগলুল ওয়াহিদের দুই মেয়ের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন মনজিল মোরসেদ।

তিনি বলেন, উইলকৃত সেই বাড়িতে বসবাসকারী জগলুল ওয়াহিদের মেয়েরা মুসলিম আইন অনুযায়ী তাদের সম্পত্তির অধিকার পাবেন।

আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, ‘আমরা জেনেছি আঞ্জু কাপুর বাংলাদেশ থেকে ভারতে চলে গিয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে একটি প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি আছে।’

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গৃহকর্তা জগলুল ওয়াহিদের মৃত্যুর পর মালিকানা নিয়ে বিরোধে তার দুই মেয়ে অবস্থান নেন বাড়ির সামনে। ওই দুই বোনের দাবি, বাড়ির দখল বাবার দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করা ভারতীয় নাগরিক আঞ্জু কাপুরের হাতে। তিনি কিছুতেই ওই বাড়িতে তাদের ঢুকতে দিচ্ছেন না। এ নিয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন নজরে নিয়ে হাইকোর্ট স্বপ্রণোদিত আদেশ দেয়।

আদেশের পর দুই নারীকে তাদের বাবা মোস্তফা জগলুল ওয়াহিদের গুলশান-২-এর ৯৫ নম্বর সড়কের বাসায় প্রবেশ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। পরবর্তী সময়ে বিষয়টি নিয়ে কয়েক দফায় হাইকোর্টে শুনানি হয় এবং হাইকোর্ট রুল জারি করে। একই সঙ্গে ভারতীয় নাগরিক ও হিন্দু নারী আঞ্জু কাপুরের সঙ্গে জগলুল ওয়াহিদের বিয়ে ও বাড়ি উইল করা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের চারজন সিনিয়র আইনজীবীর (অ্যামিকাস কিউরি) অভিমত শোনে হাইকোর্ট। অবশেষে আইনজীবীদের অভিমত বিবেচনায় নিয়ে এবং এর আগে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে আজ রায় দিল উচ্চ আদালত।

আরও পড়ুন:
রাজশাহী শহরে এলেই চাঁদকে গণধোলাই: লিটন
চাঁদের গ্রেপ্তার চান ২৩ বিশিষ্ট নাগরিক
প্রধানমন্ত্রীকে হুমকিদাতা চাঁদ গ্রেপ্তার কি না জানতে চাইল হাইকোর্ট
তালগাছ উপড়ানোয় ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যকে বরখাস্তের নির্দেশ
তালগাছ মেরে ফেলায় আওয়ামী লীগ নেতাকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mayor Tapas wants Tk 100 crore compensation from Daily Star

ডেইলি স্টারের কাছে ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চান মেয়র তাপস

ডেইলি স্টারের কাছে ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চান মেয়র তাপস ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। ফাইল ছবি
নোটিশ পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অনলাইনে থাকা প্রতিবেদন অপসারণ এবং সাত দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়।

মানহানির অভিযোগে দৈনিক পত্রিকা ডেইলি স্টারের কাছে ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।

নোটিশ পাঠানোর বিষয়টি বুধবার জানান তাপসের আইনজীবী মেজবাহুর রহমান।

তিনি জানান, গত ৫ জুন রেজিস্ট্রি ডাকে ওই নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশটি ডেইলি স্টারের সম্পাদক ও প্রকাশক মাহফুজ আনাম, নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ আশফাকুল হক ও লেখক নাজিবা বাশারকে পাঠানো হয়।

নোটিশ পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অনলাইনে থাকা প্রতিবেদন অপসারণ এবং সাত দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়।

আইনজীবী মেজবাহুর রহমান বলেন, ‘ডেইলি স্টারের পত্রিকা এবং অনলাইন ভার্সনে প্রতিবেদন বা কলাম প্রকাশ করা হয়। কলামের লেখা ছিল ‘বাতাস প্রবাহের জন্য গাছ কর্তন’, আরেকটি টাইটেল ছিল যেখানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নামকে বিকৃত করে লেখা হয় ‘ধোকা সাউথ টাউন করপোরেশন পরিবেশবাদীর চেয়ে একধাপ এগিয়ে আছে’। শুধু তাই নয় মেয়র তাপসের নাম বিকৃত করে লেখা হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করা হয়। এ ধরণের বক্তব্য আমাদের প্রচলিত ফৌজদারি আইন অনুযায়ী মানহানির পর্যায়ে পড়ে। প্রতিবেদন দেখে মেয়র তাপস আমাকে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার জন্য নির্দেশনা দেন।’

সাত দিনের মধ্যে ক্ষতিপূরণসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ডেইলি স্টার কর্তৃপক্ষ না নিলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান ওই আইনজীবী।

আরও পড়ুন:
আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল পুনরুদ্ধারে ডিএসসিসির উচ্ছেদ অভিযান শুরু
রেড জোনে ফের উচ্ছেদ
গুলিস্তানে সহস্রাধিক হকার উচ্ছেদ 
‘রাত ২টার পর ওষুধ লাগলে কোথায় যাব?’
ওষুধের দোকান বন্ধে ডিএসসিসির বিজ্ঞপ্তি পরিবর্তন চেয়ে নোটিশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Naked bodies of men and women in private cars in Tejgaon

তেজগাঁওয়ে প্রাইভেট কারে নারী-পুরুষের নগ্ন মরদেহ

তেজগাঁওয়ে প্রাইভেট কারে নারী-পুরুষের নগ্ন মরদেহ প্রতীকী ছবি
পুলিশের পরিদর্শক শাহ আলম বলেন, ‘তাদের দেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। নারীর ব্যাগে কনডম পাওয়া গেছে।’

রাজধানীর তেজগাঁওয়ের এলেনবাড়িতে প্রাইভেট কারের ভেতর দুজন নারী-পুরুষের মরদেহ নগ্ন অবস্থায় পড়ে ছিল।

পরে স্থানীয় লোকজনের দেয়া খবরে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে তেজগাঁও থানা-পুলিশ।

তেজগাঁও থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাহ আলম জানান, এলেনবাড়ি এসএসএফের স্টাফ কোয়ার্টারের ভেতরে প্রাইভেট কারটি দাঁড় করানো ছিল।

মরদেহ দুটি ৫৩ বছর বয়সী দেলোয়ার হোসেন ও ৪২ বছর বয়সী মৌসুমী আক্তার রানির।

দেলোয়ার এসএসএফের অফিস সহায়ক এবং মৌসুমীর বাড়ি মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায়।

পরিদর্শক শাহ আলম বলেন, ‘তাদের দেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। অবস্থা দেখে প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে, প্রাইভেট কারে তারা অক্সিজেনের অভাবে মারা গেছেন অথবা উত্তেজক কিছু সেবন করেছিলেন। নারীর ব্যাগে কনডম পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।’

মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। পুলিশের পক্ষে মামলাসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার প্রস্তুতি চলছে।

আরও পড়ুন:
‘প্রেমিকের’ বাড়ির সামনে প্রেমিকার ঝুলন্ত মরদেহ
প্রবাসী স্বামীকে ভিডিও কলে রেখে স্ত্রীর ‘আত্মহত্যা’
সীমান্তে যুবককে পিটিয়ে হত্যার ৯ মাস পর মরদেহ ফেরত
রাস্তায় পড়ে ছিল ওয়েল্ডিং মিস্ত্রির মরদেহ
হাতিরঝিল থেকে বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার

মন্তব্য

p
উপরে