× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Bangladesh is below Pakistan and Sri Lanka in the list of happiest countries
google_news print-icon

সুখী দেশের তালিকায় পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কার নিচে বাংলাদেশ

সুখী-দেশের-তালিকায়-পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কার-নিচে-বাংলাদেশ
জাতিসংঘের সদরদপ্তর। ছবি: সংগৃহীত
প্রতিবেদনটি তৈরির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জন হেলিওয়েল বার্তা সংস্থা সিএনএনকে বলেছেন, অপরিচিত লোকজনকে সাহায্য করার প্রবণতা করোনাভাইরাস মহামারির কারণে ২০২১ সালে নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পায়, যা ২০২২ সালে আরও বেড়েছে ।

জাতিসংঘ প্রকাশিত বিশ্বের সুখী দেশের তালিকায় অর্থনৈতিক সংকটে জর্জরিত পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার চেয়ে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। এ তালিকায় টানা ষষ্ঠবারের মতো শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে ফিনল্যান্ড।

সোমবার এই তালিকা প্রকাশ করেছে বিশ্ব সংস্থাটি। ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট-২০২৩ শীর্ষক এই তালিকা কয়েকটি সূচকের হালনাগাদ তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়েছে। সূচকগুলোর মধ্যে রয়েছে- স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামো, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, জিডিপি, দুর্নীতি ইত্যাদি।

তালিকায় ফিনল্যান্ডের পর দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ডেনমার্ক ও আইসল্যান্ড। এছাড়া পাকিস্তান ১০৮, শ্রীলঙ্কা ১১২, ভারত ১২৬তম অবস্থানে রয়েছে।

এবারের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান গত বছরের তুলনায় ২৩ ধাপ অবনমন ঘটেছে । গত বছর বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৯৪তম। এ বছর তা নেমে গেছে ১১৮তম স্থানে। এশিয়ায় বাংলাদেশের নাগরিকদের তুলনায় সুখে রয়েছে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার নাগরিকরা।

তালিকায় একেবারে তলানিতে রয়েছে যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তান। এছাড়া যুদ্ধরত রাশিয়ার অবস্থান ৭২ ও ইউক্রেন ৯২তম।

প্রতিবেদনটি প্রস্তুতকারীদের একজন জন হেলিওয়েল বার্তা সংস্থা সিএনএনকে বলেছেন, অপরিচিত লোকজনকে সাহায্য-সহযোগিতা করার প্রবণতা করোনাভাইরাসের মহামারির কারণে ২০২১ সালে নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পায়, যা ২০২২ সালে আরও বেড়েছে ।

২০২২ সালের সুখী দেশের তালিকা করতে গিয়ে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে করোনা মহামারিকে। মহামারির জের এখনও টানছে বিশ্ব। ২০২৩ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোভিড মানুষের ভালো থাকার খরচ বাড়িয়ে দিয়েছে, সেই সঙ্গে বেড়েছে বেকারত্ব।

২০১২ সালের পর থেকে প্রতিবছরের ২০ মার্চ আন্তর্জাতিক সুখ দিবস পালন করা হয়। ওই বছরের ১২ জুলাই দিনটিকে ‘বিশ্ব সুখ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ।

আরও পড়ুন:
জাতিসংঘের বাংলা ফন্ট এখন ইউনিকোডে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে সতর্ক করল জাতিসংঘ
জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনে নতুন দায়িত্বে বাংলাদেশ
রোহিঙ্গা ফেরত বিষয়ে নিরাপত্তা পরিষদে রেজল্যুশন গৃহীত
বাংলাদেশকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জাতিসংঘের

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Not yielding under any pressure Prime Minister

কোনো চাপেই নতি স্বীকার নয়: প্রধানমন্ত্রী

কোনো চাপেই নতি স্বীকার নয়: প্রধানমন্ত্রী ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস উপলক্ষে বুধবার আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি
শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিদ্যুতের কারণে মানুষের কষ্ট হচ্ছে। এ সমস্যা সমাধানে চেষ্টা করছে সরকার। দুই দিনের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। ১০-১৫ দিনের মধ্যে (বিদ্যুৎ) পরিস্থিতির উন্নতি হবে।’

কোনো ধরনের চাপের কাছে নতি স্বীকার না করার ঈঙ্গিত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, দেশি-বিদেশি যত চাপই আসুক না কেন, ওই চাপের কাছে বাঙালি মাথা নত করে না। দেশের মানুষের ভোটের অধিকার আমরাই সুরক্ষিত করব। আমরাই আন্দোলন-সংগ্রাম করে গণতন্ত্র এনেছি। এই গণতন্ত্রিক অধিকারের ধারাবাহিকতা আছে বলেই আজকে বাংলাদেশে উন্নত হয়েছে। আর্থ-সামাজিক উন্নতি হয়েছে।

ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস উপলক্ষে বুধবার আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ এদেশের মানুষের ভোটাধিকারের জন্য সংগ্রাম করেছে। মানুষ ভোটাধিকার পেয়েছে। আওয়ামী লীগই জনগণের ভোটের অধিকারের সুরক্ষা দেবে। মানুষ ভোট দিতে পারলে আওয়ামী লীগ কখনও পরাজিত হয় না। কেউ ভোটাধিকার কেড়ে নিলে জনগণ ছেড়ে দেয় না, খালেদা জিয়া তার প্রমাণ।’

বিএনপি শুধু ভোট চোর নয়, ভোট ডাকাত বলে এসময় মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ক্ষমতা দিতে পারে একমাত্র এদেশের জনগণ। জনগণের এই অধিকার, সচেতনতা আমরা দিতে পেরেছি, এটা এ দেশের মানুষ জানে।’

বিএনপিকে কেউ নাগরদোলায় বসিয়ে ক্ষমতা দিয়ে যাবে না উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, ‘জনগণের ক্ষমতায় তারা বিশ্বাস রাখে না। তারা মনে করে অন্য কোথাও থেকে এসে নাগরদোলায় চাপিয়ে কেউ তাদের ক্ষমতায় বসাবে। কেউ দেবে না; দেয় না। ব্যবহার করে; ব্যবহার করবে; কিন্তু, দেবে না ক্ষমতা।’

তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া যখন গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দেয় তখন আমি একটা কথা বলেছিলাম, আল্লাহতালা জন বুঝে ধন দেয়। খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এলে গ্যাস একটুও পাবে না, দিতেও পারবে না। সত্যিই কিন্তু দিতে পারে নাই। যে ক’টা কূপ খনন করছে, সবগুলো শুকনা। কোনো গ্যাস পায়নি, যারা কিনতে চেয়েছিল তারাও নিতে পারেনি।’

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘বিএনপি আন্দোলন করতে চাইলে করুক। আমরা কিছু বলব না। তবে আমাদের নজর রাখতে হবে, তারা অগ্নি সন্ত্রাস করেছে কিনা, মানুষকে পুড়িয়ে, হাত পা কেটেছে কিনা। সেটা যেন করতে না পারে। নিজের চোখ-ক্যামেরা সবসময় ঠিক রাখতে হবে। জ্বালাও-পোড়াও করে অগ্নি সন্ত্রাস করলে বিএনপি মার্কিন ভিসা পাবে না।’

বাজেট বাস্তবায়ন

বাজেট প্রসঙ্গে সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমাদের অনেক জ্ঞানী-গুণী আছেন, যারা বুদ্ধি বেচে জীবিকা নির্বাহ করেন। বুদ্ধিজীবী। আমি বিদ্যুৎ দিয়েছি, তারা এয়ারকন্ডিশন রুমে বসে বক্তৃতা দেন। ডিজিটাল বাংলাদেশের সুযোগ নেন।

‘প্রাইভেট টেলিভিশনও আওয়ামী লীগ সরকারই দিয়েছে। সেই টেলিভিশনের টক শোতে এসে আলোচনা করে- এই বাজেট আওয়ামী লীগ কোনোদিনও কার্যকর করতে পারবে না। আমি স্পষ্ট বলতে চাই, করতে পারব সেটা বুঝে-শুনেই আমরা বাজেট দিয়েছি। আমরা যা দিয়েছি আমরা তা করতে পারব।’

দুই দিনের মধ্যে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হবে

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিদ্যুতের কারণে মানুষের কষ্ট হচ্ছে। এ সমস্যা সমাধানে চেষ্টা করছে সরকার। দুই দিনের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। ১০-১৫ দিনের মধ্যে (বিদ্যুৎ) পরিস্থিতির উন্নতি হবে। অতিরিক্ত গরমে মানুষের কষ্ট বুঝতে পারছি আমরা। আমরা ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দিতে সক্ষম হয়েছি।

‘দুর্ভাগ্য আমাদের। এক গেল করোনাভাইরাসের তিনটা বছর। সবকিছু চলাচল বন্ধ। অর্থনীতি একেবারে স্থবির। উন্নত দেশগুলোতে মুদ্রাস্ফীতি। এরপরও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, স্যাংশন। সবকিছুর দাম এত বেড়ে গেছে যে, পণ্য ক্রয় ও পরিবহন দুদিকেই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।’

এসময় খাদ্য উৎপাদন আরও বাড়ানোর তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমরা দেশের বাইরেও রপ্তানি করতে পারব। রপ্তানির ক্ষেত্রে আমরা শুধুমাত্র গার্মেন্টসের ওপর নির্ভর করে থাকব না। আমরা আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছি। এই ডিজিটাল ডিভাইস, আমরা এগুলো তৈরি করব। ইতোমধ্যে অনেক বিনিয়োগ আসছে। একশটা অর্থনৈতিক অঞ্চল করে দিয়েছি, সেখানে বিনিয়োগের সুযোগ আসছে। আইসিটি, ডিজিটাল ডিভাইস- এগুলো উত্পাদন করে আমরা রপ্তানি করব।’

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন— আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, শাহজাহান খান, সিমিন হোসেন রিমি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম মান্নান কচি প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
ছয় দফা দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
আগামী নির্বাচনটা চ্যালেঞ্জের হবে: শেখ হাসিনা
আওয়ামী লীগ সরকার দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছে: প্রধানমন্ত্রী
অভাব বিশ্বব্যাপী, বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Naogaon ADC Miltons name in Sultanas financial transactions

জেসমিনের আর্থিক লেনদেনে নওগাঁর এডিসি মিল্টনের নাম

জেসমিনের আর্থিক লেনদেনে নওগাঁর এডিসি মিল্টনের নাম বাঁ থেকে- সুলতানা জেসমিন, তার লেখা প্রমাণপত্র ও নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মিল্টন চন্দ্র রায়। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
সুলতানা জেসমিনের মামা নাজমূল হক মন্টু জানান, নওগাঁ শহরে তার ভাগ্নীর ভাড়া বাসা থেকে আসবাবপত্র সরিয়ে নিতে গিয়ে আর্থিক লেনদেনের ৪৬ পাতার পত্রগুলো পাওয়া যায়। তার একটিতে নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মিল্টন চন্দ্র রায়ের নাম লেখা আছে। তাতে একটি মোবাইল ব্যাংকিং নম্বর এবং ৫০ হাজার টাকা দেনদেনের কথাও উল্লেখ করা আছে।

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) হেফাজতে মারা যাওয়া নওগাঁ ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক সুলতানা জেসমিনের আর্থিক লেনদেনের প্রমাণপত্রে নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মিল্টন চন্দ্র রায়ের নাম পাওয়া গেছে। সুলতানার হাতে লেখা প্রমাণপত্রগুলো তার স্বজনরা উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটির হাতে তুলে দিয়েছেন।

৪৬ পাতা প্রমাণপত্রের মধ্যে একটি পাতায় মোবাইল ব্যাংকিংয়ের একটি নম্বর, অংকে ও কথায় লেখা ৫০ হাজার টাকা, ০৫/০১/২০২৩ তারিখ (বৃহস্পতিবার) ও এডিসি মিল্টনের নাম লেখা আছে। সবই সুলতানার হাতে লেখা বলে তার স্বজনরা দাবি করেছেন।

সুলতানা জেসমিনের মামা নাজমূল হক মন্টু জানান, নওগাঁ শহরের একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন তার ভাগ্নী। সম্প্রতি সেই বাসা থেকে আসবাবপত্র সরিয়ে নিতে গিয়ে আর্থিক লেনদেনের ৪৬ পাতার পত্রগুলো পাওয়া যায়।

পত্রগুলোতে দেখা যায়, মৃত্যুর আগে সাম্প্রতিক সময়ে সুলতানা বেশ কয়েকটি মোবাইল ব্যাংকিং নম্বরে টাকা পাঠানোর কথা লিখে রেখেছিলেন। প্রমাণপত্রগুলো হাইকোর্টের নির্দেশে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ গঠিত উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটির হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।

৪৬ পাতা প্রমাণপত্রের একটিতে নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মিল্টন চন্দ্র রায়ের নাম লেখা আছে। সেই কাগজে একটি মোবাইল ব্যাংকিং নম্বর ও ৫০ হাজার টাকা দেনদেনের কথাও উল্লেখ করা আছে।

সুলতানার হাতে লেখা এসব প্রমাণপত্রের সূত্র ধরে অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে এনামূল হকের দায়ের করা মামলা ও সুলতানার মৃত্যুর ঘটনার অনেক রহস্য বেরিয়ে আসবে উল্লেখ করেন মন্টু।

সুলতানা জেসমিনের মৃত্যু ও তার বিরুদ্ধে এনামূল হকের করা মামলার বিষয়টি তদন্ত করছে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি। এর অংশ হিসেবে সম্প্রতি নওগাঁ সার্কিট হাউসে সুলতানার স্বজনদের জবানবন্দি রেকর্ড করেছে কমিটি।

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব মাহমুদুল হোসাইন খান সাংবাদিকদের জানান, খুঁটিনাটি সংশ্লিষ্ট সব বিষয়কে প্রাধান্য দিয়েই তদন্ত করছেন তারা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রতিবেদন জমা দেয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

সুলতানার আর্থিক লেনদেনের প্রমাণপত্রে নাম থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে এডিসি মিল্টন চন্দ্র রায় বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। সুলতানা জেসমিনকে আমি চিনতাম না। তার সঙ্গে আমার পরিবারের কারও কোনো সম্পর্কও ছিলো না।’

র‌্যাব হেফাজতে সুলতানা জেসমিনের মৃত্যুর ঘটনায় উচ্চ আদালতের এক আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে ২২ মে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। কমিটির প্রধান করা হয় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মাহমুদুল হোসাইন খানকে।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব, নওগাঁর সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, সিভিল সার্জন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং নওগাঁর পুলিশ সুপার মনোনীত একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।

প্রসঙ্গত, র‌্যাব-৫ এর জয়পুরহাট ক্যাম্পের একটি দল চলতি বছরের ২২ মার্চ রাজশাহী স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক যুগ্ম সচিব এনামুল হকের মৌখিক অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে সঙ্গে নিয়েই নওগাঁ পৌরসভার চণ্ডিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মচারী সুলতানা জেসমিনকে আটক করে। আটক অবস্থায়ই ২৪ মার্চ সকালে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জেসমিন মারা যান।

আরও পড়ুন:
পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তদন্ত দল
র‍্যাব হেফাজতে জেসমিনের মৃত্যু: উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ
জেসমিনের ছেলে ও বোনজামাইকে র‍্যাবের জিজ্ঞাসাবাদ
জেসমিনের মৃত্যু মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে: চিকিৎসক
হেফাজতে জেসমিনের মৃত্যু: বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
What the Home Minister said about the Jamaat assembly permission

জামায়াতের সমাবেশের অনুমতি নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জামায়াতের সমাবেশের অনুমতি নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বুধবার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। ছবি: সংগৃহীত
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্তদের সভা-সমাবেশ করার অধিকার রয়েছে। তারা তাদের মতামত প্রকাশ করবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু, জামায়াত বর্তমানে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক রাজনৈতিক দল হিসেবে স্বীকৃত নয়।’

জামায়াতে ইসলামীর প্রতিবাদ সমাবেশের অনুমতি দেয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

বুধবার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্তদের সভা-সমাবেশ করার অধিকার রয়েছে। তারা তাদের মতামত প্রকাশ করবে এটাই স্বাভাবিক।

‘কিন্তু, জামায়াত বর্তমানে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক রাজনৈতিক দল হিসেবে স্বীকৃত নয়। তাই সমাবেশের অনুমতি দেয়া হবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ডিএমপি কমিশনার।’

তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি বা ভাঙচুরের সম্ভাবনার মতো বিষয়গুলো ডিএমপি কমিশনারকে বিবেচনা করার আহ্বান জানান তিনি।

এসময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বিদেশি কূটনীতিকদের আলোচনা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এটা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিষয়। মন্ত্রণালয় পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

রাষ্ট্রদূতরা কূটনৈতিক প্রোটোকল মেনে চলবেন এবং তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

আরও পড়ুন:
সংলাপ, আলোচনার বিকল্প নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বনানী থানা জামায়াতের আমির ও সম্পাদকসহ আটক ১০
ঢাকায় জামায়াতের সমাবেশ, সিদ্ধান্ত জানায়নি পুলিশ
জামায়াতের বিক্ষোভ ঘিরে ঢাকার প্রবেশমুখে চেকপোস্ট, তল্লাশি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bangladesh is under pressure in industrial production and services sector World Bank

জ্বালানি সংকটে চাপে পড়েছে বাংলাদেশ: বিশ্বব্যাংক

জ্বালানি সংকটে চাপে পড়েছে বাংলাদেশ: বিশ্বব্যাংক
বিশ্বব্যাংকের ‘গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্ট’- এ বলা হয়, আমদানি নিয়ন্ত্রণ ও জ্বালানি সংকটের কারণে বাংলাদেশে শিল্প উৎপাদন চাপে পড়েছে। সে সঙ্গে প্রভাব পড়েছে পরিষেবা খাতে।

আমদানি নিয়ন্ত্রণ ও জ্বালানি সংকটের কারণে বাংলাদেশে শিল্প উৎপাদন চাপে পড়েছে। সেই সঙ্গে প্রভাব পড়েছে পরিষেবা খাতে। বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে এমনটা বলা হয়েছে।

এ ছাড়া দেশে মুদ্রাস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি, নীতি অনিশ্চয়তার সঙ্গে বাড়তি উদ্বেগ হিসেবে যোগ হয়েছে বাংলাদেশি পণ্যের বৈদেশিক চাহিদা হ্রাস পাওয়া।

এতে প্রত্যাশিতভাবেই ২০২২-২৩ অর্থবছরে জিডিপি (মোট দেশজ উৎপাদন) প্রবৃদ্ধি কমে ৫ দশমিক ২ শতাংশ হওয়ার কথা বলছে বিশ্বব্যাংক, যা আগের বছর ৭ দশমিক ১ শতাংশ ছিল। তবে আগামী অর্থবছরে আবারও জিডিপি বাড়ার পূর্বাভাস দেয়া হয়।

চলতি সপ্তাহে প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের ‘গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্ট’ শীর্ষক প্রতিবেদনে ওই তথ্য উঠে এসেছে।

বিশ্বব্যাংক বিভিন্ন সময় দেশের প্রবৃদ্ধি হোঁচট খেতে পারে বলে সতর্ক করে আসছে। এ ছাড়া বিভিন্ন দেশি ও আন্তর্জাতিক সংস্থার পূর্বাভাসে বাংলাদেশ কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জনে বাধার মুখে পড়তে পারে বলে জানানো হয়।

সরকার ২০২২-২৩ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নির্ধারণ করেছিল। কিন্তু পরে তা কমিয়ে ৬ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করে অর্থ মন্ত্রণালয়।

বিশ্বব্যাংকের তথ্য মতে, চলতি বছর জিডিপি কমলেও আগামী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি বেড়ে ৬ দশমিক ২ এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৬ দশমিক ৪ এ পৌঁছাবে।

২০২০-২১ অর্থবছরে তা ছিল ৬ দশমিক ৯। আর করোনা মহামারীর ধাক্কায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে জিডিপি কমে ৩ দশমিক ৪ গিয়ে ঠেকে।

বিশ্বব্যাংকের ‘গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্ট’- এ বলা হয়, উচ্চ অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণ, রিজার্ভ সংকট, আর্থ-সামাজিক উত্তেজনাসহ বিভিন্ন পারিপার্শ্বিক কারণে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর আর্থিক খাত ঝুঁকিতে রয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এসব দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। গত দুই দশক ধরে একাধিক জলবায়ু-সম্পর্কিত বিপর্যয়ে এখানকার আর্থিক খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আরও পড়ুন:
সংকট মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
পদ্মা সেতুতে অর্থায়ন বন্ধ ছোট বিষয়: বিশ্বব্যাংক এমডি
সাহায্য করতে হবে, না বলতে পারবেন না: বিশ্বব্যাংককে অর্থমন্ত্রী
বিশ্বব্যাংকের কাছে মেগা প্রকল্পে টাকা চেয়েছে ঢাকা
বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখতে আসছেন বিশ্বব্যাংকের এমডি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Government is ready to treat dengue but everyones awareness is essential Health Minister

ডেঙ্গুর চিকিৎসায় প্রস্তুত সরকার, তবে সবার সচেতনতা জরুরি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ডেঙ্গুর চিকিৎসায় প্রস্তুত সরকার, তবে সবার সচেতনতা জরুরি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ছবি: পিআইডি
ডেঙ্গুর বিষয়ে নিজেদেরও সচেতন হতে হবে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাড়ির ভেতরে-বাইরে যেন পরিত্যক্ত জিনিস পড়ে না থাকে, ফুলের টবে পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে সচেতন হওয়া জরুরি।’

ডেঙ্গুর চিকিৎসায় সরকারের সব ধরণের প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেছেন, ‘ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করতে হলে মশা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, মশা কমলে ডেঙ্গু কমবে। কিন্তু রোগীর চিকিৎসায় আমরা প্রস্তুত।’

বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ডেঙ্গু রোগীদের জন্য দেশের সব পর্যায়ে চিকিৎসা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ঢাকা শহরে বলেন, অন্যান্য ডিভিশনাল শহরে বলেন, কিংবা জেলা শহরে বলেন, সব জায়গায় ডেঙ্গু চিকিৎসার ব্যবস্থা আছে; কর্নার আছে, ডাক্তার-নার্সদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে এবং রোগীদের যে ওষুধ দরকার হবে, সে ব্যবস্থাও করা আছে।’

ডেঙ্গু চিকিৎসায় কোনো সমস্যা হবে না বলে মনে করেন তিনি।

তবে নিজেদেরও সচেতন হতে হবে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাড়ির ভেতরে-বাইরে যেন পরিত্যক্ত জিনিস পড়ে না থাকে, ফুলের টবে পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে সচেতন হওয়া জরুরি।’

বাংলাদেশে ২০০০ সালে প্রথম ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ২০১৯ সালে সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয় দেশে। সে বছরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১ হাজার ৩৫৪ জন আর মৃত্যু হয় ১৭৯ জনের।

২০২০ সালে শুরু হয় মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রকোপ। করোনায় কমে আসে ডেঙ্গুর প্রকোপ। রোগী শনাক্ত হয় ১ হাজার ৪০৫ জন। তাদের মধ্যে মারা যান সাতজন।

এ ছাড়া ২০২১ সালে শনাক্ত হয় ২৮ হাজার ৪২৯ জন, মৃত্যু হয় ১০৫ জনের। সবশেষ ২০২২ সালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন মোট ৬২ হাজার। মারা যান ২৮১ জন।

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গু: একদিনে সর্বোচ্চ রোগী হাসপাতালে, মৃত্যু ২
বর্ষা না আসতেই ডেঙ্গুর বিস্তার, কেন?
এখনই নিয়ন্ত্রণ না করা গেলে ডেঙ্গু পরিস্থিতি হবে ভয়াবহ: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rescued Bangladeshi peacekeeper Asheku kidnapped in Sudan

সুদানে অপহৃত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী আশেকুর উদ্ধার

সুদানে অপহৃত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী আশেকুর উদ্ধার বাংলাদেশ পুলিশের লোগো। ফাইল ছবি
মঙ্গলবার স্থানীয় সময় আনুমানিক সন্ধ্যা ছয়টায় একটি গোষ্ঠী তাকে অপহরণ করে। পরবর্তীতে কাল রাতেই মিশন কর্তৃপক্ষ তাকে উদ্ধার করে।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত অবস্থায় সাউথ সুদানে অপহরণ হওয়া বাংলাদেশ পুলিশের এসআই আশেকুর রহমানকে উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার স্থানীয় সময় আনুমানিক সন্ধ্যা ছয়টায় একটি গোষ্ঠী তাকে অপহরণ করে। পরবর্তীতে কাল রাতেই মিশন কর্তৃপক্ষ তাকে উদ্ধার করে।

পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) মনজুর রহমান বলেন, ‘সাউথ সুদানের মালাকাল টিম সাইটে নিয়োজিত পুলিশ কম্পোন্যান্টের সাথে নিয়মিত নিরাপত্তা টহলকালে এ ঘটনা ঘটে।

তিনি বলেন, ‘সাব-ইন্সপেক্টর মো. আশেকুর রহমান সুস্থ আছেন। তিনি ইনডিভিজুয়াল পুলিশ অফিসার (আইপিও) হিসেবে শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত রয়েছেন।’

এছাড়া সাউথ সুদান জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত বাংলাদেশ পুলিশের সকল শান্তিরক্ষী সুস্থ ও নিরাপদে রয়েছেন বলেও এসময় জানান তিনি।

চলতি বছরের ২১ এপ্রিল আইপিও হিসেবে দক্ষিণ সুদানে যান আশেক। এসপি থেকে এসআই পর্যন্ত বিভিন্ন পদের মোট ১১ জন সদস্য ছিলেন বাংলাদেশ থেকে যাওয়া ওই দলে।

আরও পড়ুন:
মাদক কারবারি ধরতে গিয়ে ২ কনস্টেবল গুরুতর আহত
বাংলাদেশের উন্নয়নে বাধা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন: জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ
জীবন উৎসর্গকারী ৫ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীকে জাতিসংঘের সম্মাননা
পদযাত্রার পেছন থেকে পুলিশের ওপর হামলা হয়: ডিসি রমনা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
One and a half kg of gold was detained at the Sharsha border 2

শার্শা সীমান্তে দেড় কেজি স্বর্ণসহ আটক ২

শার্শা সীমান্তে দেড় কেজি স্বর্ণসহ আটক ২ শার্শা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে স্বর্ণসহ আটক দুই পাচারকারী। ছবি: নিউজবাংলা
খুলনা ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল তানভীর রহমান জানান, বুধবার বেলা আড়াইটার দিকে রুদ্রপুর গ্রামের বিলপাড়া এলাকা দিয়ে দুই ব্যক্তি সীমান্তের দিকে প্রবেশের চেষ্টা করলে তাদের ধাওয়া করে আটক করা হয়। পরে তাদের কাছ থেকে ১২টি স্বর্ণবার পাওয়া যায়, যার ওজন এক কেজি ৪০০ গ্রাম।

ভারতে পাচারকালে যশোরের শার্শা সীমান্তের রুদ্রপুর থেকে এক কেজি ৪০০ গ্রাম ওজনের ১২টি স্বর্ণ বারসহ দুই পাচারকারীকে আটক করেছে বিজিবি।

বুধবার ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের টহল দলের সদস্যরা স্বর্ণবারসহ এই দু’জনকে আটক করেন। তারা হলেন- বেনাপোল বন্দর থানার পুটখালী গ্রামের মিন্টু হালদারের ছেলে দেব হালদার ও শফিকুল ইসলামের ছেলে সাইদুল ইসলাম।

খুলনা ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল তানভীর রহমান জানান, সীমান্ত পথে একটি স্বর্ণের চালান ভারতে পাচার হবে এমন সংবাদে সীমান্ত এলাকায় বিজিবি নজরদারি বাড়ায়।

বুধবার বেলা আড়াইটার দিকে রুদ্রপুর গ্রামের বিলপাড়া এলাকার মেইন পিলার ২২-এর পাশ দিয়ে সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তি সীমান্তের দিকে প্রবেশের চেষ্টা করলে তাদের ধাওয়া করে আটক করা হয়। পরে তাদের দেহ তল্লাশি করে ১২টি স্বর্ণবার পাওয়া যায়, যার ওজন এক কেজি ৪০০ গ্রাম। উদ্ধার এই স্বর্ণের বাজারমূল্য প্রায় এক কোটি ২০ লাখ টাকা।

আটক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে স্বর্ণপাচার আইনে মামলা হবে বলে জানান বিজিবি কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
চট্টগ্রামে এক দিনের ব্যবধানে আবারও স্বর্ণ উদ্ধার
দরজার কব্জায় মিলল ১ কেজি স্বর্ণ, আটক যাত্রী
শার্শার পাঁচ ভুলাট সীমান্তে ১৪ স্বর্ণের বার উদ্ধার
কোমরে লুকিয়ে ৩ কোটি টাকার স্বর্ণ যাচ্ছিল ভারতে
বোরকায় লুকিয়ে পাচার হচ্ছিল আড়াই কোটি টাকার স্বর্ণ

মন্তব্য

p
উপরে