× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Uncle arrested on charges of raping a fourth grader
google_news print-icon

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে চাচা আটক

শিশু-ধর্ষণের-অভিযোগে-চাচা-আটক
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সার্কেল আজমল হোসেন জানান, তিনদিন আগে তেরঘরিয়া গ্রামে নানার বাড়িতে বেড়াতে যায় ওই শিশু। গতকাল দুপুরে নানার বা‌ড়ি‌তে কেও না থাকায় সে সেখানে একাই ছিল। এ সময় তার দূরসম্পর্কের মামা ওই বাড়িতেই তার হাত-পা ও মুখ বেঁধে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।

মেহেরপুর সদর উপজেলায় চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

জেলার গাংনী উপজেলার খাশমহল গ্রামে তার দুলাভাইয়ের বাড়ি থেকে বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাকে আটক করা হয়।

২৮ বছর বয়সী ওই মুদি ব‍্যবসায়ীকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি অভিযোগ স্বীকার করে নিয়েছেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সার্কেল আজমল হোসেন নিউজবাংলাকে এসব তথ‍্য নিশ্চিত করেছেন।

ওই শিশুর মায়ের বরাতে তিনি জানান, তিনদিন আগে তেরঘরিয়া গ্রামে নানার বাড়িতে বেড়াতে যায় ওই শিশু। গতকাল দুপুরে নানার বা‌ড়ি‌তে কেও না থাকায় সে সেখানে একাই ছিল। এ সময় তার দূরসম্পর্কের মামা ওই বাড়িতেই তার হাত-পা ও মুখ বেঁধে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।

পরে শিশুটির রক্তক্ষরণ শুরু হলে পরিবারের লোকজন উদ্ধার করে চিকিৎসার জন‍্য প্রথমে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে পরে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

ঘটনার পর থেকেই পুলিশ অভিযুক্তক আটকের জন্য কাজ করছিল। আটকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করে দুপুরে আদালতে তোলা হবে।

আরও পড়ুন:
চালককে হত্যা করে অটোরিকশা ছিনতাই, গ্রেপ্তার ৩
সীতাকুণ্ডে বিস্ফোরণ: ধরাছোঁয়ার বাইরে অভিযুক্তরা
শেকলে বাঁধা স্বামীকে উদ্ধারে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার স্ত্রী
নাইকো মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ১৯ মার্চ
সীতাকুণ্ডের বিস্ফোরণে ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Bike rider killed in bus accident 2 buses set on fire by excited crowd

বাসের রেষারেষিতে বাইক আরোহী নিহত, দুই বাসে আগুন

বাসের রেষারেষিতে বাইক আরোহী নিহত, দুই বাসে আগুন বাইক আরোহী নিহতের ঘটনায় দুই বাসে আগুন দেন সংক্ষুব্ধ লোকজন। ছবি: নিউজবাংলা
আশুলিয়া থানার এসআই মাসুদ আল মামুন জানান, এ ঘটনায় একটি বাসের চালককে আটক করা হয়েছে। পুড়িয়ে দেয়া বাস দুটিকে রেকার দিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। এ সময় সড়কটিতে যান চলাচল কিছুটা বিঘ্নিত হয়েছে।

ঢাকার সাভারে দুই বাসের রেষারেষিতে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহতের ঘটনায় আগুন দিয়ে দুটি বাস পুড়িয়ে দিয়েছেন উপস্থিত সংক্ষুব্ধ লোকজন।

টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কের জিরাবো বেঙ্গল প্লাস্টিক কারখানার সামনে রোববার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুর্ঘটনায় আর কেউ হতাহত হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিহত ২৫ বছর বয়সী মেহেদী হাসান রাজধানীর ডেমরা থানার থুলথুলিয়া এলাকার মাজেদ ওরুফে বাহারুলের ছেলে। তিনি ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে কাজ করতেন।

প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে জিরাবো ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার কবির হোসেন জানান, সকালে টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কে আলী নুর পরিবহনের দুটি বাস রেষারেষি করে আবদুল্লাহপুরের দিকে যাচ্ছিল। ওই সময় বিপরীত দিক থেকে বাইপাইলের দিকে আসা এক মোটরসাইকেল আরোহী একটি বাসের চাপায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন। ওই সময় উপস্থিত উত্তেজিত লোকজন বাস দুটিতে আগুন ধরিয়ে দেন। খবর পেয়ে দ্রুত এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট।

আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদ আল মামুন জানান, এ ঘটনায় একটি বাসের চালককে আটক করা হয়েছে। পুড়িয়ে দেয়া বাস দুটিকে রেকার দিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। ওই সময় সড়কটিতে যান চলাচল কিছুটা বিঘ্নিত হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ফ্লাইওভারে মোটরসাইকেল আরোহী শিক্ষার্থী নিহত
‘পোলাডা ১২ দিনের ছুটি পাইয়া চির ছুটিতে চইলা গেল’
যাত্রাবাড়ীতে ‘বাড়িওয়ালার কিল-ঘুষিতে’ মারা গেলেন যুবক
শাহজাদপুরে অটোরিকশাকে চাপা ট্যাংকলরির, নিহত ২
সৌদিতে বাস উল্টে নিহতদের মধ্যে ৮ জন বাংলাদেশি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Prothom Alo editor sought anticipatory bail in the High Court

হাইকোর্টে আগাম জামিন চাইলেন প্রথম আলো সম্পাদক

হাইকোর্টে আগাম জামিন চাইলেন প্রথম আলো সম্পাদক প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান। ফাইল ছবি
জামিন আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করে আইনজীবী প্রশান্ত কুমার কর্মকার রোববার বলেন, ‘আগাম জামিন চেয়ে আবেদন ফাইল হয়েছে।’

রাজধানীর রমনা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলায় হাইকোর্টে আগাম জামিন চেয়েছেন প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান।

হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রোববার আবেদনটি করা হয়।

জামিন আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করে মতিউর রহমানের আইনজীবী প্রশান্ত কুমার কর্মকার বলেন, ‘আগাম জামিন চেয়ে আবেদন ফাইল হয়েছে।’

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা

স্বাধীনতা দিবসে সংবাদ প্রকাশের জেরে প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান ও সাভারে কর্মরত প্রতিবেদক শামসুজ্জামান শামসের নামে ২৯ মার্চ মধ্যরাতে রমনা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন আবদুল মালেক নামের আইনজীবী।

রমনা থানার ডিউটি অফিসার হাবিবুর রহমান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলায় প্রথম আলোর সম্পাদক, প্রতিবেদক ছাড়াও সহযোগী একজন ক্যামেরাম্যান ও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়।

ওই থানার পরিদর্শক (নিরস্ত্র) আবু আনসারকে এ মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৫ এর (২), ৩১, ৩৫ ধারায় আনা অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া ব্যবহার করে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি বা সুনাম ক্ষুণ্নের পাশাপাশি বিভ্রান্তি ছড়াতে মিথ্যা তথ্য প্রচার করেন।

প্রেক্ষাপট

স্বাধীনতা দিবসে প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়, যাতে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে একজন শ্রমিকের ক্ষোভের বার্তা ছিল।

প্রতিবেদনটিতে স্মৃতিসৌধে ফুল বিক্রেতা শিশু সবুজ মিয়ার বক্তব্য ছিল। একই প্রতিবেদনে জাকির হোসেন নামে দিনমজুরের বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলা হয়, ‘বাজারে গেলে ঘাম ছুটে যায়। আমাগো মাছ, মাংস আর চাইলের স্বাধীনতা লাগব।’

প্রতিবেদনটির ভিত্তিতে প্রথম আলোর ফেসবুক পেজে ফটো কার্ড ছাপা হয়েছিল। এতে উদ্ধৃতিটি ছিল দিনমজুর জাকিরের আর ছবি ছিল ফুল বিক্রেতা সবুজের।

ওই পোস্টে ছবি, উদ্ধৃতির এ গরমিলের পর প্রথম আলোর পক্ষ থেকে পোস্টটি সরিয়ে ফেলা হয়। পরবর্তী সময়ে সংশোধনী দেয় সংবাদমাধ্যমটি।

এ নিয়ে বেসরকারি একাত্তর টিভিতে প্রচারিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সাত বছরের শিশুর হাতে ১০ টাকা দিয়ে দৈনিক প্রথম আলোর ফটোসাংবাদিক ছবি তুলেছেন বলে দাবি ওই শিশু ও তার পরিবারের।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন, এ ধরনের সংবাদের মাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করেছে প্রথম আলো।

দলটির সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ১ এপ্রিল সাংবাদিকদের বলেন, ‘দৈনিক প্রথম আলো তাদের নিজস্ব প্রভুদের ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের জন্য জাতির সামনে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করে তরুণ সমাজের মনে হতাশা ও ক্ষোভ সৃষ্টির জন্য উসকানি দেওয়ার অপচেষ্টা করেছে।

‘অনেকে বলেছেন যে, এটা তাদের একটা ভুল। আমি তাদের উদ্দেশে বলতে চাই, স্বাধীনতা দিবসের দিনে বাঙালি জাতির ৫২ বছরের অর্জন মর্যাদা নিয়ে তামাশা করা সাধারণ ভুল নয়; একটি ফৌজদারি অপরাধ।’

এর আগে ৩০ মার্চ আওয়ামী লীগের প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, প্রথম আলোর প্রতিবেদন রাষ্ট্রের ভিত্তিমূলে আঘাত করেছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Case against 859 leaders and activists of BNP in Khulna

খুলনায় সংঘর্ষ: বিএনপির ৮৫৯ নেতা-কর্মীর নামে মামলা

খুলনায় সংঘর্ষ: বিএনপির ৮৫৯ নেতা-কর্মীর নামে মামলা খুলনায় সংঘর্ষে আহত একজনকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত
খুলনা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য (মিডিয়া সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত) মিজানুর রহমান মিলটন বলেন, ‘শনিবারের এ কর্মসূচির আগে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৬ নেতা-কর্মীকে বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সাংবিধানিকভাবে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি পালনের অধিকার আছে, কিন্তু পবিত্র রমজান মাসে রোজাদার বিএনপি নেতা-কর্মীদের ওপর নারকীয় তাণ্ডব কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। দমন-নিপীড়ন করে চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না।’

খুলনায় পুলিশের সঙ্গে বিএনপির সংঘর্ষের ঘটনায় ৮৫৯ নেতা-কর্মীকে আসামি করে মামলা হয়েছে। এতে ৫৯ জনকে এজাহারভুক্ত ও ৭০০ থেকে ৮০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

এ মামলায় এজাহারভুক্ত প্রথম সাতজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।

খুলনার সদর থানায় শনিবার রাতে এসআই অজিত কুমার দাস বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান আল-মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন খুলনার রূপসা উপজেলার যুগিহাটি গ্রামের ২৩ বছর বয়সী ইশারাত ইসলাম, দিঘলিয়া উপজেলার চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামের ৪৭ বছর বয়সী শেখ কামাল উদ্দিন, মহানগরীর রুপসা স্ট্যান্ড রোডের ৩৫ বছর বয়সী মো. জালাল হোসেন, রূপসা উপজেলার চর রুপসা গ্রামের ২৮ বছর বয়সী মো. রাজু শেখ, মহানগরীর খানজাহান আলী থানার ফুলবাড়ি গেট এলাকার ৪৬ বছর বয়সী আব্দুল হাই রুমি, ৩৪ বছর বয়সী দেলোয়ার হোসেন জসিম ও ফুলতলা উপজেলার পয়গ্রাম গ্রামের ৩২ বছর বয়সী মিজানুর রহমান। তাদের কাছ থেকে ১৫ টুকরো ভাঙা ইটের খণ্ড, ৯টি কাঠের আছাড়ি ও ৭টি লোহার রড জব্দ দেখানো হয়েছে।

মামলায় পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তথ্যবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, খুলনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমির এজাজ খান, সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পি, খুলনা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুল আলম তুহিন, যুগ্ম আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম জহির।

এজাহারে বলা হয়, শনিবার বিকেল ৩টায় খুলনা থানাধীন কে ডি ঘোষ রোডে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির উদ্যোগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হচ্ছিল। আকস্মিকভাবে বিএনপির নেতা-কর্মীরা লাঠিসোঁটা, লোহার রড, কাঠের বাতা, ইট-পাটকেল, দেশীয় অস্ত্র ও বাঁশের লাঠি নিয়ে মিছিলসহ সরকারবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে জনমনে ভীতি, দোকানপাট ভাঙচুর করতে উদ্যত হন। তারা যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি ও শান্তি-শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে চরম মারমুখী অবস্থায় পুলিশের কর্তব্যকাজে বাধা দেন। ওই সময় তারা পরিকল্পিতভাবে পুলিশের ওপর হামলা করে গুরুতর ও সাধারণ জখম করেন। সে সময় সরকারি অস্ত্র ও জানমাল রক্ষার্থে তাদের ওপর ১৪টি লং সেল গ্যাস গান, ৬টি শর্ট সেল গ্যাস গান, ৩০টি শর্টগানের রাবার বুলেট, ৫টি সিসা বুলেট ও তিনটি গ্রেনেড ফায়ার করে পুলিশ।

এজাহার অনুযায়ী, বিএনপির নেতা-কর্মীদের হামলায় সেখানে দায়িত্বরত এসআই মো. সাইদুর রহমান, মো. আব্দুল হাই, মো. অলিয়ার রহমান, সনজিত কর্মকার, মো. শান্তিরাম পাল, মো. আব্দুস সালাম, মো. শাকিম হোসেন, মো. রিপন শেখ, নায়েক তুহিন ও এসএএফ মো. শাহিন রক্তাক্ত জখম হন।

শনিবার দুপুরে ১০ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে খুলনায় অবস্থান কর্মসূচি পালনের কথা ছিল বিএনপির।

খুলনা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য (মিডিয়া সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত) মিজানুর রহমান মিলটন বলেন, ‘আমাদের কর্মসূচি পণ্ড করতে বেলা ১১টা থেকে দলীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশ উপস্থিত হতে থাকে। দুপুর ২টার দিকে নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে আসতে শুরু করলে পুলিশ হঠাৎ করে লাঠিপেটা, টিয়ার শেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ শুরু করে। প্রায় ২ ঘণ্টাব্যাপী নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়।’

তিনি বলেন, ‘টিয়ারশেল ও রাবার বুলেটে ঘাটভোগ ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ কবির শেখ, রূপসা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব রুবেল মীর, বটিয়াঘাটা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব বাহাদুর মুন্সী, ডুমুরিয়া উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহিন মোল্লা, ডুমুরিয়া উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক তামিম মোল্লা, খুলনা জেলা যুবদলের সাজু হাওলাদার, খুলনা জেলা ছাত্রদলের মনিরুজ্জামান নয়ন হাওলাদার, ইয়াসিন, ফিরোজ মাহমুদ, ইসমাইল হোসেন, ইবাদুল হক রুবায়েত, ইস্তিয়াক আহমেদ ইস্তিসহ ১৫ থেকে ২০ গুরুতর আহত হয়েছেন।’

মিলটন আরও বলেন, ‘শনিবারের এ কর্মসূচির আগে ২৪ ঘণ্টায় ১৬ নেতা-কর্মীকে বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সাংবিধানিকভাবে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি পালনের অধিকার আছে, কিন্তু পবিত্র রমজান মাসে রোজাদার বিএনপি নেতা-কর্মীদের ওপর নারকীয় তাণ্ডব কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। দমন-নিপীড়ন করে চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না।’

আরও পড়ুন:
মুক্তিযোদ্ধার ছদ্মাবরণে পাকিস্তানিদের দোসর ছিলেন জিয়া: তথ্যমন্ত্রী
ইসির চিঠি অতীতের মতো ভোট করার নতুন কৌশল: ফখরুল
বিএনপিকে ইসির আমন্ত্রণ হঠাৎ নয়: কমিশনার
বিএনপিকে আলোচনার আহ্বান জানিয়ে সিইসির চিঠি
বিনা পরোয়ানায় নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার বন্ধ চায় বিএনপি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A League and BNP supporters face each other again in the Supreme Court Lawyers Association

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতিতে আ.লীগ ও বিএনপিপন্থীরা ফের মুখোমুখি

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতিতে আ.লীগ ও বিএনপিপন্থীরা ফের মুখোমুখি বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট বারের তলবি সভায় নতুন করে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত হয়। ফাইল ছবি
নতুন করে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে গঠিত এডহক কমিটির প্রথম সভা হয়েছে শনিবার। এই কমিটির বিরোধিতা করে মতবিনিময় সভা করেছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবীরা। পাল্টা হিসেবে বিএনপি সমর্থক আইনজীবীরা সমিতির সাবেক সভাপতি জয়নুল আবেদীনের কক্ষের সামনে অবস্থান নেন।

হামলা-মামলার মধ্য দিয়ে সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি নির্বাচন শেষ হলেও আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীদের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার ছুটির দিনেও দু’পক্ষের অবস্থানে সরগরম হয়ে ওঠে সমিতি প্রাঙ্গণ।

এদিকে নতুন করে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে গঠিত এডহক কমিটি প্রথম সভা করেছে শনিবার। কমিটি সমিতির সংবিধান অনুযায়ী ভোটার তালিকা প্রস্তুত করে ১৪ ও ১৫ জুন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ এবং সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করে নির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করবে।

এডহক কমিটি ব্যতীত সমিতির কোনো বিষয় নিয়ে অন্য কোনো কমিটিকে যাতে সাক্ষাৎ না দেয়া হয়, সেজন্য প্রধান বিচারপতির কাছে রোববার এডহক কমিটির নেতৃত্বে চিঠি দেয়া হবে। অন্য বিচারপতিদেরও চিঠি দেয়া হবে।

সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির কনফারেন্স রুমে এডহক কমিটির সিনিয়র সদস্য আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভা পরিচালনা করেন কমিটির সদস্য সচিব শাহ আহমেদ বাদল।

সভায় এডহক কমিটির সদস্য তৈমূর আলম খন্দকার, জগলুল হায়দার আফরিক, ড. রফিকুল ইসলাম মেহেদীসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। কমিটির আহ্বায়ক সিনিয়র অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মহসিন রশিদ তার স্ত্রীর অসুস্থতার জন্য হাসপাতাল থেকে অনলাইনে সভায় যোগ দেন।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, সমিতির সব ব্যাংক হিসাব এডহক মিটির আহ্বায়ক মোহাম্মদ মহসিন রশিদ ও সদস্য সচিব শাহ্ আহমেদ বাদল এবং সিনিয়র সদস্য আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিনের মধ্যে দুইজনের যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত হবে। এ বিষয়ে সব তফসিলি ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে চিঠি দেয়া হবে।

প্রসঙ্গত, বিশিষ্ট আইনজীবী ও সংবিধান প্রণয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলামের সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার তলবি সভা আহ্বান করে এই এডহক কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটির বিরুদ্ধে শনিবার প্রতিবাদ ও মতবিনিময় সভা করেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবীরা।

সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী ২ নম্বর হলে (উত্তর) বর্তমান নির্বাচিত সভাপতি মো. মোমতাজ উদ্দিন ফকির ও সম্পাদক আবদুন নুর দুলালের নেতৃত্বে নির্বাচিত সদস্য এবং আওয়ামী লীগ সমর্থক আইনজীবীরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় তারা এডহক কমিটিসহ বিএনপির আইনজীবীদের বিরুদ্ধে পাল্টা স্লোগান দেন। তারা জানান, রোববার সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হবে। এতে কেউ বাধা সৃষ্টি করলে প্রয়োজনে পাল্টা জবাব দেয়া হবে। পরে তারা সেখানে বিক্ষোভ মিছিল করেন।

অন্যদিকে বারের সাবেক সম্পাদক বিএনপি সমর্থিত ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সুপ্রিমকোর্ট ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক গাজী কামরুল ইসলাম সজলের নেতৃত্বে বিএনপি সমর্থক আইনজীবীরা সমিতির সাবেক সভাপতি জয়নুল আবেদীনের কক্ষের সামনে অবস্থান নেন।

গত ১৫ ও ১৬ মার্চ হট্টগোল, হামলা, মামলা ও ভাঙচুরের মধ্য দিয়ে সুপ্রিমকোর্ট বারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে ১৪টি পদের সবক’টিতে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেল জয়ী হয়।

আরও পড়ুন:
বারের কলঙ্ক মুছতে নতুন করে নির্বাচনের ঘোষণা
আইনজীবী সমিতির ভোটে হাঙ্গামার মামলায় খোকন-কাজলসহ ১৩ জনের জামিন
‘ভোটে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সাহায্য নেয়ার বিকল্প ছিল না’
পুলিশের লাঠিচার্জের ঘটনার তদন্ত চেয়ে বিএনপিপন্থীদের রিট
সমিতির নির্বাচনেও পুলিশের ব্যবহার লজ্জার: বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
5 detained from BNP program in Rajshahi

রাজশাহীতে বিএনপির কর্মসূচি থেকে আটক ৫

রাজশাহীতে বিএনপির কর্মসূচি থেকে আটক ৫ রাজশাহীতে বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে বিএনপির নেতা-কর্মীদের আটক করছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
রাজশাহী মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার রফিকুল আলম বলেন, বিএনপির নেতা-কর্মীরা নির্ধারিত স্থানের বাইরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করায় পাঁচজনকে আটক করে পুলিশ। তারা বেআইনিভাবে সমাবেশ করছিল, যা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করছিল। আটকদের বিরেুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রাজশাহীতে বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদসহ পাঁচ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার বিকেল ৪টার দিকে নগরীর গণকপাড়া থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটকরা হলেন- রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদ, পবা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোজাফফর হোসেন, চারঘাট উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সেক্রেটারি কামরুজ্জামান মৃধা, শলুয়া ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক এমদাদুল হক ও বাঘা উপজেলার হরিরামপুর এলাকার স্বপন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার বিকেলে নগরীর মালোপাড়ায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপির নেতা-কর্মীরা সাগরপাড়া মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ তাদের ব্যানার কেড়ে নিয়ে লাঠিপেটা করে। এর পরপরই নগরীর গণকপাড়া মোড়ে জেলা বিএনপির নেতা-কর্মীরা পথসভা করার চেষ্টা করে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হারুন অর রশিদ। পথসভা শুরুর আগেই পুলিশ সেখানে লাঠিচার্জ করে এবং জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাইদ চাঁদসহ পাঁচজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

পরে ভুবন মোহন পার্কেক সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু ও যুগ্ম মহাসচিব হারুন অর রশিদ পুলিশের লাঠিপেটার নিন্দা জানান। তারা অবিলম্বে আটক বিএনপি নেতাদের মুক্তি দাবি করেন।

হারুন অর রশিদ বলেন, এভাবে ভয় ভীতি দেখিয়ে আন্দোলন থামানো যাবে না। প্রশাসনের এমন আচরণ দেশের জন্য অশনি সংকেত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রাজশাহী মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার রফিকুল আলম বলেন, বিএনপির নেতা-কর্মীরা নির্ধারিত স্থানের বাইরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করায় পাঁচজনকে আটক করে পুলিশ। তারা বেআইনিভাবে সমাবেশ করছিল, যা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করছিল। আটকদের বিরেুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Journalism cannot be mixed with crime and propaganda Information Minister

অপরাধ ও অপপ্রচারের সঙ্গে সাংবাদিকতা মেলানো যাবে না: তথ্যমন্ত্রী

অপরাধ ও অপপ্রচারের সঙ্গে সাংবাদিকতা মেলানো যাবে না: তথ্যমন্ত্রী শনিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ডিআরইউ-এর ইফতার আয়োজনে বক্তব্য দেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। ছবি: নিউজবাংলা
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘স্বাধীনতা দিবসের দিন জাতীয় স্মৃতিসৌধের সামনে ১০ টাকা দিয়ে ফুঁসলিয়ে একটি ১০ বছরের ছেলেকে দিয়ে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে কথা বলানোর চেষ্টা এবং সে না বললেও তার বক্তব্য হিসেবে সেটি প্রচার করা শুধু বাংলাদেশের সাংবাদিকতার নীতি-নৈতিকতার পরিপন্থী নয়, সাংবাদিকতার নিয়ম-নীতিরও পরিপন্থী।’

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘সাংবাদিকরা সমাজের অনুন্মোচিত বিষয় তুলে আনেন, সমাজের তৃতীয় নয়ন খুলে দেন। সাংবাদিকতা একটি মহৎ পেশা। অপরাধ ও অপপ্রচারের সঙ্গে সাংবাদিকতাকে মেলানো যাবে না।’

শনিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) ইফতার আয়োজনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ডিআরইউ সভাপতি মুরসালিন নোমানী ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল আহসান সোহেল সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন। সংগঠনের সহ-সভাপতি দীপু সারোয়ারসহ বর্তমান ও সাবেক নির্বাহী পরিষদ ও সাধারণ সদস্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

দৈনিক প্রথম আলোর সাংবাদিক গ্রেপ্তার হওয়া প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতা দিবসের দিন জাতীয় স্মৃতিসৌধের সামনে ১০ টাকা দিয়ে ফুঁসলিয়ে একটি ১০ বছরের ছেলেকে দিয়ে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে কথা বলানোর চেষ্টা এবং সে না বললেও তার বক্তব্য হিসেবে সেটি প্রচার করা শুধু বাংলাদেশের সাংবাদিকতার নীতি-নৈতিকতার পরিপন্থী নয়, সাংবাদিকতার নিয়ম-নীতিরও পরিপন্থী।

‘এখানে স্পষ্টত জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদ লংঘিত হয়েছে এবং দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতি কটাক্ষ করা হয়েছে। এসব অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলেই মামলা হয়েছে, এর সঙ্গে সাংবাদিকতাকে না মেলানোর অনুরোধ জানাই। তবে কারও কোনো হয়রানি যেন না হয়, সেদিকে আমরা নজর রাখছি।’

সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, 'দ্রব্যমূল্য নিয়ে, সরকারের সমালোচনা করে প্রায় প্রতিদিন দেশের পত্র-পত্রিকায় লেখা হয়, টেলিভিশনে রিপোর্ট প্রচার হয়। এ নিয়ে কোনো মামলা তো দূরের কথা, কোনোদিন কাউকে সরকারের পক্ষ থেকে প্রশ্নও করা হয়নি।

‘অথচ এই ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট পত্রিকা থেকে বিদেশি গণমাধ্যমে বলা হয়েছে যে, দ্রব্যমূল্য নিয়ে রিপোর্ট করার কারণে তাদের সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এটা বলে তাদেরকে উস্কানি দেয়া হয়েছে। সম্পূর্ণরূপে বানোয়াট এই অসত্য অপপ্রচার আসলে দেশবিরোধিতা।’

তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আর অপরাধ এক বিষয় নয়। দেশের সাংবাদিক ইউনিয়নগুলো, সম্পাদক, প্রকাশক, শিক্ষক, শিল্পী, সুশীল সমাজও স্বাধীনতাকে কটাক্ষের প্রতিবাদ জানিয়েছে, বিবৃতি দিয়েছে। কারণ এখানে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ভারতে বিবিসি কার্যালয়ে তল্লাশি নিয়ে তো উদ্বেগ দেখলাম না: তথ্যমন্ত্রী
বাসন্তীর জালের মতোই শিশুর নামে অসত্য লেখা হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী
এক-এগারোর কুশীলব ও বিএনপি এক হয়ে ষড়যন্ত্রে: তথ্যমন্ত্রী
রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা থাকায় বিদেশিরা বিনিয়োগে আগ্রহী: তথ্যমন্ত্রী
মুক্তিযোদ্ধার ছদ্মাবরণে পাকিস্তানিদের দোসর ছিলেন জিয়া: তথ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Condemnation of 50 prominent citizens for spreading anti state news in Prothom Alo

প্রথম আলোতে ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ সংবাদ প্রচারে ৫০ বিশিষ্ট নাগরিকের নিন্দা

প্রথম আলোতে ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ সংবাদ প্রচারে ৫০ বিশিষ্ট নাগরিকের নিন্দা সাংবাদিক শামসুজ্জামানকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ফাইল ছবি
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘গণমাধ্যম একটি সভ্য সমাজের অন্যতম দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান। কিন্তু আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, প্রথম আলো পত্রিকা এই নৈতিক দায়িত্ব উপেক্ষা করে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করে দেশের সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে। মহান স্বাধীনতা দিবসে তারা এ-দেশের স্বাধীনতাকে বিদ্রূপ করে বানোয়াট প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। দেশের সচেতন নাগরিক হিসেবে আমরা এই ষড়যন্ত্রমূলক অপতৎপরতার তীব্র নিন্দা জানাই।’

প্রথম আলো পত্রিকায় রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রমূলক সংবাদ প্রচারের উল্লেখ করে এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন দেশের ৫০ জন বিশিষ্ট নাগরিক।

শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘গণমাধ্যম একটি সভ্য সমাজের অন্যতম দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান। কিন্তু আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, প্রথম আলো পত্রিকা এই নৈতিক দায়িত্ব উপেক্ষা করে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করে দেশের সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে। মহান স্বাধীনতা দিবসে তারা এ-দেশের স্বাধীনতাকে বিদ্রূপ করে বানোয়াট প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। দেশের সচেতন নাগরিক হিসেবে আমরা এই ষড়যন্ত্রমূলক অপতৎপরতার তীব্র নিন্দা জানাই।

‘সম্প্রতি ওই পত্রিকার একটি প্রতিবেদনে জাতীয় স্মৃতিসৌধের প্রেক্ষাপটে একটি শিশুর ছবি এবং সেই ছবির নিচে ক্যাপশনের পরিবর্তে একজন দিনমজুরের বক্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে। ক্যাপশনে উল্লিখিত বক্তব্যে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতাকে পরিষ্কারভাবে উপহাস করা হয়েছে। একজনের ছবির ক্যাপশনে অন্য আরেকজনের উদ্ধৃতি প্রকাশ গণমাধ্যমের নৈতিকতা পরিপন্থী।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নামে এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড কোনোক্রমেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে সরকারকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে এ ধরনের বানোয়াট সংবাদ পরিবেশনের ঘটনা আমরা আগেও প্রত্যক্ষ করেছি।

‘স্বাধীনতার অব্যবহিতকাল পরে ১৯৭৪ সালে বাসন্তী নামের এক নারীকে জাল পরিয়ে সাজানো ছবি তুলে দুর্ভিক্ষের কাল্পনিক চিত্র তুলে ধরা হয়েছিল। প্রথম আলোর তৎপরতা ১৯৭৪-এর ঘটনার ধারাবাহিকতা বলে প্রতীয়মান হয়। জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে একটি মহল অনুরূপ ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে।

দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে আমরা যথাযথ তদন্তসাপেক্ষে এ ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি। তবে এ প্রক্রিয়ায় ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টসহ কোনো আইনের যেন অপপ্রয়োগ না হয় সেটিও নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

যারা বিবৃতি দিয়েছেন

অধ্যাপক আব্দুল মান্নান, অধ্যাপক ড. আবদুল খালেক, অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, অধ্যাপক ড. শরীফ এনামুল কবীর, অধ্যাপক ড. খন্দকার বজলুল হক, অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান, অধ্যাপক ড. নাসরীন আহমাদ, অধ্যাপক ড. সহিদ আকতার হুসাইন, অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নান চৌধুরী, অধ্যাপক ড. তোফায়েল আহাম্মদ, অধ্যাপক ড. অহিদুজ্জামান, অধ্যাপক এ কে এম সাইদুল হক চৌধুরী, অধ্যাপক ড. মো. আলী আকবর, অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নান আকন্দ, অধ্যাপক ড. মো. সেকান্দর আলী, অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম, অধ্যাপক ড. মো. আখতারুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভূইয়া ও অধ্যাপক ড. এ জে এম শফিউল আলম ভূইয়া।

অন্যদের মধ্যে রয়েছেন- সাংবাদিক মোজাম্মেল বাবু, নাইমুল ইসলাম খান, মো. মনজুরুল ইসলাম ও শ্যামল দত্ত; অধ্যাপক চৌধুরী জুলফিকার মতিন, অধ্যাপক মলয় কুমার ভৌমিক, অধ্যাপক ড. আবুল কাশেম, অধ্যাপক ড. বিধান চন্দ্র দাশ, অধ্যাপক ড. অজিত কুমার মজুমদার, অধ্যাপক ড. এ এ মামুন, অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক ড. নোমান ও অধ্যাপক ডাক্তার কামরুল হাসান খান।

বিবৃতিদাতাদের মধ্যে আরও রয়েছেন- প্রকৌশলী কাজী খায়রুল বাশার, ইঞ্জিনিয়ার নূরুল হুদা, ইঞ্জিনিয়ার শাহাদাত হোসেন শিবলু, ডা. নুজহাত চৌধুরী, ডা. মামুন আল মাহতাব, পীযুষ বন্দ্যোপাধ্যায়, তারানা হালিম, গোলাম কুদ্দুস, ডা. এহতেশামুল হক দুলাল, ডা. জামাল উদ্দিন চৌধুরী, ডা. মনিরুজ্জামান, অধ্যাপক ড. মো. হারুনর রশীদ খান, অধ্যাপক ড. এমরান কবীর চৌধুরী, অধ্যাপক ড. ইকবাল কবির জাহিদ, অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গালিব, অধ্যাপক ড. কবির হোসেন এবং অধ্যাপক ড. মো. রাশেদ তালুকদার।

আরও পড়ুন:
প্রথম আলো’র ঘটনায় বিএফইউজে-ডিইউজের উদ্বেগ
স্বাধীনতাকে কটাক্ষ করা প্রতিবেদনের প্রতিবাদ সম্পাদক প্রকাশক আইনজীবীদের
শাহবাগ মোড়ে প্রথম আলো সম্পাদকের কুশপুতুল পোড়ালেন ‘সাধারণ শিক্ষার্থীরা’
প্রথম আলো আমাদের শত্রু ভাবে: কাদের
কেরানীগঞ্জ থেকে কাশিমপুরে নেয়া হলো সাংবাদিক শামসুজ্জামানকে

মন্তব্য

p
উপরে