× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
6 people in hospital after drinking coke
google_news print-icon

কোকাকোলা পান করার পর ৬ জন হাসপাতালে

কোকাকোলা-পান-করার-পর-৬-জন-হাসপাতালে
কোক পান করার পর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ছবি: নিউজবাংলা
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক সাদিয়া মা আরিজ বলেন, ‘শুক্রবার সকালে অসুস্থ হয়ে ছয় জন জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসেন। ওই পরিবারের লোকজনের অভিযোগ তারা কোকাকোলা পান করে অসুস্থ হয়েছেন। আমরা তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রেখে পর্যবেক্ষণ করছি। তাদের অবস্থা আশঙ্কামুক্ত কিনা সেটা এখনই বলা যাচ্ছে না।’

চুয়াডাঙ্গায় কোমল পানীয় কোকাকোলা পান করার পর অসুস্থ হয়ে ছয়জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার রাতে অসুস্থ হওয়ার পর শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে তাদেরকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

অসুস্থ ব্যক্তিরা হলেন সদর উপজেলার আলোকদিয়া ইউনিয়নের কৃষি খামারের মালিক তেইপুর গ্রামের শেষের পাড়ার আসাবুল হকের চার ছেলে ২২ বছর বয়সী ইয়াছিন আলী, ১৭ বছর বয়সী হুসাইন আলী, ১২ বছর বয়সী হাসাইন হোসেন ও ৭ বছর বয়সী আব্দুল হাকিম এবং কৃষি খামারের প্রজেক্ট ম্যানেজার ৩৫ বছর বয়সী রিয়াজ উদ্দিন ও কর্মচারী ২৭ বছর বয়সী সোহাগ হোসেন।

কৃষি খামারের কর্মচারী সোহাগ হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে সদর উপজেলার ভালাইপুর মোড়ে কাজ শেষে বাড়িতে ফিরছিলেন তিনি। এ সময় ভালাইপুর মোড়ের একটি দোকান থেকে ৫০০ মিলিলিটারের একটি কোকাকোলা কিনে বাড়িতে যান তিনি। রাত ৮টার দিকে বাড়িতে ফিরে ওই কোকাকোলা সবাই মিলে ভাগাভাগি করে পান করেন। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন।

কৃষি খামারের প্রজেক্ট ম্যানেজার রিয়াজ উদ্দিন জানান, কোকাকোলা পান করার কিছুক্ষণ পরই সবাই অসুস্থ হয়ে পড়েন। তার মাথা ঝিমঝিম করতে থাকে এবং তিনি দুর্বল হয়ে যান। বাকি পাঁচজনের মুখ দিয়ে ফেনা বের হতে থাকে। বাড়িতেই বিশ্রাম নিচ্ছিলেন তারা। প্রতিবেশীরা শুক্রবার সকালে তাদের হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক সাদিয়া মা আরিজ বলেন, ‘শুক্রবার সকালে অসুস্থ হয়ে ছয়জন জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসেন। ওই পরিবারের লোকজনের অভিযোগ, তারা কোকাকোলা পান করে অসুস্থ হয়েছেন। আমরা তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রেখে পর্যবেক্ষণ করছি। তাদের অবস্থা আশঙ্কামুক্ত কি না সেটা এখনই বলা যাচ্ছে না।’

তবে যে কোমল পানীয় পান করা হয়েছিল তার এখনও তিন মাস মেয়াদ রয়েছে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন:
শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ
ছেলের দায়ের কোপে প্রাণ গেল বাবার
নেশাগ্রস্ত করে জাবিতে এনে টাকা আদায়
প্যানেল মেয়রের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ নারী কাউন্সিলরের
মুন্সীগঞ্জে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
EB campus busy with Iftar

ইফতার আয়োজনে মুখরিত ইবি ক্যাম্পাস

ইফতার আয়োজনে মুখরিত ইবি ক্যাম্পাস ইবি ক্যাম্পাসে ইফতার করছে শিক্ষার্থীরা । ছবি: নিউজবাংলা
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্স পড়ুয়া শিক্ষার্থী আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘ক্যাম্পাসে আর মাত্র ছয় মাসের মতো অবস্থান করব। হয়তো ছাত্র হিসেবে এটাই আমার ক্যাম্পাসে শেষ ইফতার। তাই যতোটুকু সম্ভব এই সময়টা উপভোগ করছি। রোজায় ক্যাম্পাসে আলাদা একটা আমেজ কাজ করে। একসঙ্গে ইফতার, রাতে সবাই সবাইকে ডাকাডাকি করছে সেহরি খাওয়ার জন্য। জিনিসগুলো খুবই আনন্দের। হয়তো ক্যাম্পাস ছেড়ে গেলে এই রোজার দিনগুলো খুব মনে পড়বে।’

পবিত্র রোজা ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ৪০ দিনের ছুটি শুরু হয়েছে গত বৃহস্পতিবার। এরই মধ্যে প্রায় ৭০ ভাগ শিক্ষার্থী বাড়ির উদ্দেশ্যে হল ও মেস ত্যাগ করেছেন।

তবে কিছু বিভাগে পরীক্ষা ও অনেক শিক্ষার্থী টিউশনি করানোর কারণে বাকিরা এখনও ক্যাম্পাসের হলে ও পার্শ্ববর্তী মেসে অবস্থান করছেন। রোজার এই সময়টাতে পরিবার থেকে দূরে থাকলেও বন্ধু, বড় ভাই ও জুনিয়রদের সঙ্গে ইফতার আয়োজনে কোনো ত্রুটি রাখেননি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার প্রথম রোজায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদ্দাম হোসেন হল সংলগ্ন ক্রিকেট মাঠে ইফতার আয়োজনে সৌহার্দ্য সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। বন্ধুদের সঙ্গে ইফতার আয়োজনে ভ্রাতৃত্বের প্রতিফলন ঘটেছে বলেও জানায় ইফতারে অংশ নেয়া অনেক শিক্ষার্থী।

বন্ধুদের সঙ্গে ইফতারে অংশ নিয়ে ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী রাফি বলেন, ‘নিজের পরিবার, মা-বাবা, ভাইবোন থেকে দূরে থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে আমার আরেকটি পরিবার হয়েছে। ইফতারের এই সময়ে বাসার কথা বেশি মনে পড়লেও বন্ধুদের সঙ্গে থাকলে সেই প্রভাব পড়েনা। যদিও ক্লাশ বন্ধ, টিউশনির কারণে এখনও বাড়িতে যাইনি। যতদিন আছি আশা করি বন্ধুদের নিয়ে একসঙ্গে ইফতার করব।’

ইফতার আয়োজনে মুখরিত ইবি ক্যাম্পাস
ইফতার আয়োজনে মুখরিত ইবি ক্যাম্পাস। ছবি: নিউজবাংলা

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্স পড়ুয়া শিক্ষার্থী আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘ক্যাম্পাসে আর মাত্র ছয় মাসের মতো অবস্থান করব। হয়তো ছাত্র হিসেবে এটাই আমার ক্যাম্পাসে শেষ ইফতার। তাই যতোটুকু সম্ভব এই সময়টা উপভোগ করছি। রোজায় ক্যাম্পাসে আলাদা একটা আমেজ কাজ করে। একসঙ্গে ইফতার, রাতে সবাই সবাইকে ডাকাডাকি করছে সেহরি খাওয়ার জন্য। জিনিসগুলো খুবই আনন্দের। হয়তো ক্যাম্পাস ছেড়ে গেলে এই রোজার দিনগুলো খুব মনে পড়বে।’

শুধু মুসলিম শিক্ষার্থীরাই নয় ইফতার আয়োজনে মিলিত হয়েছেন অন্যান্য ধর্মালম্বীর শিক্ষার্থীরাও। অন্য ধর্মের বন্ধুদের নিয়ে ইফতারে অংশ নিয়ে অসাম্প্রদায়িকতাকে ফুটিয়ে তুলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এসব শিক্ষার্থী।

ইফতারে অংশ নেয়া আদিবাসী শিক্ষার্থী মংক্যচিং মারমা বলেন, ‘বড়ভাইদের সঙ্গে ইফতার করেছি। আয়োজনেও সাহায্য করেছি। আমি বিষয়গুলি খুবই উপভোগ করছি।’

ইফতার কেনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাইনিং বা ক্যাফেটেরিয়ায় কোনো ব্যবস্থা না থাকলেও ক্যাম্পাস মধ্যবর্তী দোকানগুলোতে নানা রকমের ইফতার সামগ্রী তৈরি করছেন দোকানীরা। তবে হলগুলো যেহেতু খোলা রয়েছে তাই ডাইনিংয়ে বা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ হতে ইফতারের আয়োজন থাকলে আরও সুবিধা হতো বলে মনে করছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

আরও পড়ুন:
ইফতারি তৈরিতে পোড়া তেল ব্যবহার না করার আহ্বান
ইফতারের দোয়া
গুচ্ছে থাকতে চায় না ইবি, নিতে চায় আলাদা ভর্তি পরীক্ষা
ইফতারে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার, যা জানা জরুরি
ইবিতে এবার ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের অডিও ফাঁস!

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Shamim Osmans physical condition has improved and returned home

শামীম ওসমানের শারীরিক অবস্থার উন্নতি, ফিরেছেন বাড়িতে

শামীম ওসমানের শারীরিক অবস্থার উন্নতি, ফিরেছেন বাড়িতে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান। ফাইল ছবি
শামীম ওসমানের ব্যক্তিগত সহকারী হাফিজুর রহমান মান্নান বলেন, ‘এমপি সাহেবের (শামীম ওসমান) শারীরিক অবস্থান এখন ভালো। তিনি অনেকটা সুস্থতা বোধ করায় বাড়িতে চলে এসেছেন, তবে চিকিৎসকের পরার্মশে আছেন।’

শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় বাড়িতে ফিরেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান।

গত দুই দিন রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

শামীম ওসমানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজাম শনিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি নিউজবাংলাকে জানান, চিকিৎসকের পরার্মশে শুক্রবার তিনি (শামীম ওসমান) বাড়িতে চলে গিয়েছেন, তবে বর্তমানে বাড়িতে বিশ্রামে আছেন।

আর আগে শাহ নিজাম জানিয়েছিলেন, ‘খাদ্য গ্রহণে অনিয়ম, ঠিকমতো না ঘুমানোর কারণে শামীম ওসমান অসুস্থ হয়ে পড়েছে।’

শামীম ওসমানের ব্যক্তিগত সহকারী হাফিজুর রহমান মান্নান বলেন, ‘এমপি সাহেবের (শামীম ওসমান) শারীরিক অবস্থান এখন ভালো। তিনি অনেকটা সুস্থতা বোধ করায় বাড়িতে চলে এসেছেন, তবে চিকিৎসকের পরার্মশে আছেন।’

বৃহস্পতিবার বিকেলে সাংসদের সহধর্মিণী সালমা ওসমান লিপি ও ছেলে ইমতিনান ওসমান অয়ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাসের মাধ্যমে শামীম ওসমানের সুস্থতা কামনায় পরিবারের পক্ষ থেকে সবার দোয়া চান।

অয়ন নিউজবাংলাকে জানান, তার বাবা (শামীম ওসমান) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ওই সময় তিনি সবার কাছে তার বাবার দ্রুত সুস্থতা কামনায় দোয়া চেয়েছেন।

এর আগে সালমা ওসমান লিপি ফেসবুকে লিখেন, ‘সংসদ সদস্য শামীম ওসমান গতকাল (বুধবার) রাত থেকে অসুস্থ। তিনি বর্তমানে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আপনারা সবাই উনার দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া করবেন। সবার কাছে দোয়া কামনা করছি।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Pickup driver killed by bus distraught wife with 3 children

বাসের ধাক্কায় পিকআপ চালক নিহত, ৩ সন্তানকে নিয়ে দিশেহারা স্ত্রী

বাসের ধাক্কায় পিকআপ চালক নিহত, ৩ সন্তানকে নিয়ে দিশেহারা স্ত্রী সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ফয়জারের পরিবারে চলছে শোকের মাতম। ছবি: নিউজবাংলা
দিনাজপুর ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মঞ্জিল হক বলেন, ‘দুর্ঘটনার সময় গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি, রাস্তা প্রশস্তকরনের জন্য খোড়া ও যানবাহনের বেপরোয়া গতির কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। দুর্ঘটনার পর পিকআপটিকে বাসের নিচ থেকে টেনে বের করা হয়েছে। বিআরটিসি বাসটি পিকআপের উপরে উঠে গেছিল।’

দিনাজপুর-রংপুর মহাসড়কের সদর উপজেলার দরবারপুর নামকস্থানে সোমবার সন্ধ্যায় বিআরটিসি বাস ও পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় পিকআপের চালক ফয়জার রহমানসহ ৩ জন নিহত হন। পরিবারের একমাত্র আয়ের মানুষের হঠাৎ মৃত্যুতে পথে বসেছে ফয়জারের পরিবারটি। তিন সন্তানকে দিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় দিন পার করছেন নিহত ফয়জারের স্ত্রী নাসরিন আক্তার।

গত সোমবার সন্ধ্যায় পঞ্চগড় থেকে রংপুর অভিমুখী বিআরটিসির একটি বাস দশমাইল মোড়ে থামে। এরপর রংপুরের উদ্দেশ্যে দ্রুতগতিতে যাত্রা শুরু করে। পথে দরবারপুর নামকস্থানে দিনাজপুরমুখী পুরাতন ব্যাটারী বোঝাই করা একটি পিকআপের উপরে উঠে যায় বিআরটিসি বাসটি। এতে ঘটনাস্থলে পিকআপ চালক ফয়জার রহমান, যাত্রী সোহান ও মোস্তাকিম নিহত হন।

পরে ফায়ার সার্ভিস, হাইওয়ে থানা ও কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিআরটিসির নিচে চাপা পড়া পিকআপটিকে অন্য একটি ট্রাক্টর দিয়ে টেনে বের করে। পরে পিকআপের সামনের অংশ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। দুর্ঘটনার পর ওই বিআরটিসি বাসটির চালক ও স্টাফরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে দিনাজপুর কোতোয়ালি থানায় একটি অভিযোগ দেয়া হয়েছে। দুর্ঘটনার পর দুর্ঘটনাকবলিত পিকআপ ও বিআরটিসি বাসটি হাইওয়ে থানা পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নেয়।

বিআরটিসি বাসের বেপরোয়া গতির কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে দাবি করেছেন প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতদের স্বজনেরা। তবে দুর্ঘটনার সময় গুড়িগুড়ি বৃষ্টিপাত, প্রশস্তকরনের জন্য রাস্তা খুড়া ও যানবাহনের দ্রুতগতিকে দায়ী করেছেন ফায়ার সার্ভিস ও হাইওয়ে থানা পুলিশ। তবে আর যেন এ ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটে সেই জন্য প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর পরিবার।

দুর্ঘটনায় ফয়জার রহমান চিরিরবন্দর উপজেলার রানীরবন্দর সাতনালা গ্রামের বাসিন্দা, নিহত সোহান ও মোস্তাকিম রানীরবন্দর এলাকার বাসিন্দা। তাদের মৃত্যুর পর থেকে তাদের পরিবারের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি হারিয়ে পথে বসার উপক্রম হয়েছে নিহত ফয়জারের পরিবারে। তিন সন্তানকে নিয়ে কীভাবে চলবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে ফয়জারের স্ত্রী নাসরিন আক্তার।

ফয়জারের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুকালে ফয়জার রহমান ৩ সন্তানের জনক ছিলেন। বড় মেয়ে ফারহানা আক্তার তিথি আলোকডিহি জেবি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীতে পড়ে, ছোট ছেলে ফুয়াদ হোসেন ডোমারের একটি হাফিজিয়া মাদ্রাসা পড়ে এবং ছোট মেয়ে ১৫ মাস বয়সী ফাবিয়া আক্তার। ছোট মেয়ে ফাবিয়াকে ম্যাজিষ্ট্রেট বানানোর স্বপ্ন ছিল ফয়জারের।

নিহত ফয়জারের স্ত্রী নাসরিন আক্তার বলেন, ‘বিআরটিসি বাসটি আমার স্বামীর প্রাণ কেড়ে নিল। তার উপর নির্ভর করে আমাদের পরিবারটি চলছি। এখন আমরা কীভাবে চলব, কীভাবে খাব। আমার তিনটা সন্তানকে নিয়ে আমি কীভাবে চলব?’

প্রত্যক্ষদর্শী সুবহান আলী বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে একটু দুরেই আমার বাসা। সন্ধ্যা বিকট আওয়াজ পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে দেখি বিআরটিসি বাস পিকআপের উপরে চড়ে আসে। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে একটি ট্রাক্টর দিয়ে টেনে পিকআপকে বিআরটিসির নিচ থেকে বের করে। বিআরটিসি বাস বেপরোয়া গতি ছিল বলেই পিকআপের উপরে উঠে গেছে।’

নিহতের চাচা আব্দুর রউফ বলেন, ‘আমার ভাবি, ভাতিজা, ভাতিজার বউ আর ৩ সন্তান নিয়ে তাদের সুখের সংসার চলছি। আমার ভাতিজা দীর্ঘদিন ধরে পিকআপ চালায়। সে কোন দিন দুর্ঘটনা ঘটায় নাই। দুর্ঘটনার দিন পুরাতন ব্যাটারী নিয়ে রানীরবন্দর থেকে দিনাজপুর শহরে যাচ্ছিল। কিন্তু বেপরোয়া বিআরটিসির কারণে তিন তিনটি তাজা প্রাণ শেষ হয়ে গেল। এটার দায় কে নিবে। ভাতিজার মৃত্যুর পর তার পরিবারটি দিশেহারা হয়ে পড়েছে। তিন সন্তানকে কীভাবে মানুষ করবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে পরিবারটি।’

প্রতিবেশী বাবলু রহমান বলেন, ‘দশমাইল থেকে রংপুরের রাস্তায় যত্রতত্রভাবে বাস দাড়িয়ে যায়। যেখানে যাত্রী পাবে তারা সেখানে হঠাৎ করে ব্রেক করে দেয়। আবার অন্য বা তাদের ওভারটেক করলে তারা যাত্রী পাবার আশায় বেপেরোয়া হয়ে পড়ে। এই রাস্তায় বেপরোয়া গাড়ির কারণে বহু সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে। কিন্তু এসবের দায় কে নিবে?’

দিনাজপুর ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মঞ্জিল হক বলেন, ‘দুর্ঘটনার সময় গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি, রাস্তা প্রশস্তকরনের জন্য খোড়া ও যানবাহনের বেপরোয়া গতির কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। দুর্ঘটনার পর পিকআপটিকে বাসের নিচ থেকে টেনে বের করা হয়েছে। বিআরটিসি বাসটি পিকআপের উপরে উঠে গেছিল।’

দশমাইল হাইওয়ে থানার ইনচার্জ ননী গোপাল বর্মন বলেন, ‘দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থল থেকে তিন জনের মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোতোয়ালি থানায় একটি অভিযোগ দেয়া হয়েছে। মূলত দ্রুতগতির কারণেই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। দুর্ঘটনার পর দুর্ঘটনাকবলিত দুটি গাড়ি আমাদের হেফাজতে রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
দেয়াল ধসে মাদ্রাসার নৈশপ্রহরী নিহত
খিলগাঁওয়ে ভবন থেকে পাইলিংয়ের পাইপ পড়ে পথচারীর মৃত্যু
কালিহাতীতে দুই ট্রাকের সংঘর্ষে চালক নিহত
প্রতিবেশীর ‘দায়ের কোপে’ পান বিক্রেতা নিহত
অটোরিকশায় ট্রাকের ধাক্কা, দুজন নিহত    

মন্তব্য

বাংলাদেশ
That is why Chirkumar got married at the age of 70

‘বিয়ে না করা যৌক্তিক কাজ হতে পারে না’

‘বিয়ে না করা যৌক্তিক কাজ হতে পারে না’ হাওলাদার শওকত আলী ও শাহেদা বেগম নাজু। ছবি: সংগৃহীত
বিয়ে নিয়ে হাওলাদার শওকত আলী বলেন, ‘স্বজনদের চাপ থাকলেও ভাই-বোনদের দায়িত্ব ও স্বাধীনতা হারানোর ভয়ে বিয়ে করিনি, কিন্তু শেষ বয়সে এসে নিজেকে খুব একা মনে হতে থাকে, যার কারণে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিই। এতে পরিবারের সবাই খুবই খুশি হয়। পরবর্তী সময়ে সবার সম্মতিতে বিয়ে সম্পন্ন হয়।’

একাকীত্ব ঘোচাতে ৭০ বছর বয়সে বিয়ে করা বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার হুড়কা গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক হাওলাদার শওকত আলী বলেছেন, বিয়ে না করা যৌক্তিক কাজ হতে পারে না।

গত শনিবার দুপুরে ১০ লাখ টাকা দেনমোহরে জেলার মোংলা উপজেলার মিঠাখালী এলাকার ৩৫ বছর বয়সী শাহেদা বেগম নাজুকে বিয়ে করেন শওকত।

নিজ বাড়িতে জাঁকজমকপূর্ণভাবে পরিবারের সম্মতিতে এই বিয়ে হয়। বিয়ের অনুষ্ঠানে মেয়ের পক্ষের লোকজন আসেন শওকত আলীর বাড়িতে।

আলোচিত এ বিয়েতে খুশি হাওলাদার শওকত আলী ও শাহেদা বেগম নাজু।

বিয়ে নিয়ে হাওলাদার শওকত আলী বলেন, ‘জীবনের শুরু থেকে মানুষের কল্যাণে কাজ করেছি। ভাই-বোন ও এলাকার মেধাবী শিক্ষার্থীদের প্রতিষ্ঠিত করাই ছিল আমার একমাত্র লক্ষ্য, যার কারণে বিয়ে তো দূরের কথা, নিজের করা জমিতে একটি ভবনও করিনি। আল্লাহ আমার আশা পূরণ করেছেন। আমার সব ভাই-বোনেরা শিক্ষিত হয়েছেন। সবাই নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত।

‘স্বজনদের চাপ থাকলেও ভাই-বোনদের দায়িত্ব ও স্বাধীনতা হারানোর ভয়ে বিয়ে করিনি, কিন্তু শেষ বয়সে এসে নিজেকে খুব একা মনে হতে থাকে, যার কারণে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিই। এতে পরিবারের সবাই খুবই খুশি হয়। পরবর্তী সময়ে সবার সম্মতিতে বিয়ে সম্পন্ন হয়।’

বিয়ের এক সপ্তাহ পার হয়ে গেল। এখন কেমন আছেন জানতে চাইলে হাওলাদার শওকত আলী বলেন, ‘খুবই ভালো আছি। বিয়ের পরে এখনও শ্বশুরবাড়িতে যাইনি, তবে স্ত্রীকে নিয়ে নদীতে স্পিডবোটসহ বিভিন্ন স্থানে ঘুরেছি।

‘শ্বশুরবাড়ি যাব একটু সময়, সুযোগ হলে। সবকিছু জেনেই নাজু আমাকে বিয়ে করেছে। আমিও নাজুকে আপন করে নিয়েছি। জীবনের বাকিটা সময় একসাথে কাটাতে চাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিয়ে না করা কোনো যৌক্তিক কাজ হতে পারে না। সবার উচিত বিয়ে করা। বিয়ে করার ধর্মীয়, সামাজিক, পারিবারিক ও শারীরিক গুরুত্ব অনেক। জীবনের ঝামেলার জন্য সময়মতো না হলেও যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিয়ে করে নেয়া উচিত।’

শাহেদা বেগম নাজু বলেন, ‘একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী হিসেবে আমি এই বিয়েতে অনেক খুশি। সবার কাছে দোয়া চাই, বাকি জীবন যেন সুখ-শান্তিতে কাটাতে পারি।’

শাহেদা বেগম নাজু এর আগে বিয়ে করেছিলেন। সেই ঘরে একটি মেয়ে আছে তার। ওই মেয়েরও দায়িত্ব নিয়েছেন হাওলাদার শওকত আলী।

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের বোন নার্গিস আক্তার ঝর্না বলেন, ‘ভাইয়ার দেখাশোনা করার জন্য ছেলেকে নিয়ে তার বাড়িতে থাকি। ভাই-বোনরা সবসময় চাইতাম, ভাইয়ার একটা সংসার হোক, সে সুখে শান্তিতে থাকুক।

‘আমাদের জন্যে তো অনেক করেছে। শেষ বয়সে এসে ভাইয়া বিয়ে করেছে, এ জন্য আমরা সবাই খুশি।’

আরও পড়ুন:
বাল্যবিয়ের অপরাধে বরের কারাদণ্ড
লবণ পানি-প্যাডের অভাবে যৌন রোগ, বিয়েতে ‘সমাধান’
ফেব্রুয়ারিতে সাত পাকে বাঁধা পড়ছেন সিদ্ধার্থ-কিয়ারা
একসঙ্গে ২৪ জোড়া তরুণ-তরুণীর বিয়ে
কিয়ারাকে বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন সিদ্ধার্থ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The sacked body of the driver of Rooppur nuclear power plant

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের গাড়িচালকের বস্তাবন্দি মরদেহ

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের গাড়িচালকের বস্তাবন্দি মরদেহ
কুমারখালী ওসি মহাসিন হোসেন জানান, সম্রাট ও মোমিন দুইজন গাড়ি চালক ছিলেন রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে। পরে দুই বন্ধুর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠে। কোনো টাকা-পয়সা লেনদেন থাকার কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে মনে করছে পুলিশ।

নিখোঁজের দুইদিন পর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের গাড়িচালকের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

কুষ্টিয়ার কুমারখালীর সাদীপুর ঘাটে টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার গাড়ির মধ্য থেকে শনিবার সকাল ৮টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

কুমারখা‌লী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহসিন হোসাইন জানান, শনিবার সকালে সাদীপুর ঘাট এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় সাদা রঙের একটি টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার গাড়ির ভেতর থেকে তার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত যুবক মো. সম্রাট পাবনা জেলার ঈশ্বরদী থানার আলাস ক‌্যাম্প এলাকার বাসিন্দা। তিনি পাবনার ঈশ্বরদী রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কর্মরত রা‌শিয়ান NIKIMT কোম্পা‌নির পরিচালক ইউরি ফেদা‌রোপ ব্যবহৃত ল্যান্ড ক্রুজার গাড়ি চালাতেন।

গত দুইদিন যাবত সাদিপুর ঘাটের কাছে পরিত্যক্ত অবস্থায় গাড়িটি পড়ে ছিল। সকালে গাড়ি থেকে দুর্গন্ধ বের হলে স্থানীয় লোকজন থানায় খবর দেয়। পরে কুমারখালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে গাড়ির ভেতর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় গাড়ির ড্রাইভার সম্রাটের মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহ ও গাড়ি পাবনার ঈশ্বরদী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সম্রাট গত দুইদিন যাবত নিখোঁজ ছিলেন। এ বিষয়ে তার পরিবার গত ২৩ মার্চ পাবনার ঈশ্বরদী থানায় একটি জিডি করে। এরই প্রেক্ষিতে নিহত সম্রাটের বন্ধু মোমিনকে না পেয়ে তার স্ত্রী সীমাকে জিজ্ঞাসাবাদের থানায় নিয়েছে পুলিশ।

এ বিষয়ে কুমারখালী ওসি মহাসিন হোসেন জানান, সম্রাট ও মোমিন দুইজন গাড়ি চালক ছিলেন রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে। পরে দুই বন্ধুর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠে। কোনো টাকা-পয়সা লেনদেন থাকার কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে মনে করছে পুলিশ।

তাকে ঈশ্বরদী এলাকায় হত্যা করে গাড়িসহ মরদেহ কুষ্টিয়ার কুমারখালীর সাদিপুর ঘাট এলাকায় রেখে যায় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করেছে পুলিশ।

আরও পড়ুন:
স্ত্রী-সন্তানের মরদেহ ঘরে, গাছে ঝুলছিল স্বামীর
ফ্লাইওভারের ঢালে বাসচাপায় গেল শিক্ষানবিশ আইনজীবীর প্রাণ
বরিশালে হোটেল কর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গোমতীতে ভেসে উঠল আনসার সদস্যের মরদেহ  
সেচ পাম্পের পাইপে নারীর মরদেহ, স্বামী আটক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
50 shops burnt in Thanchi Bazaar

থানচি বাজারে পুড়ল ৫০টি দোকান

থানচি বাজারে পুড়ল ৫০টি দোকান
থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, মো: আবুল মনসুর বলেন, ‘আনুমানিক ৫০টির বেশি দোকান পুড়ে যায়, ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ সহায়তা দেয়ার ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

বান্দরবানের থানচি বাজারে ভয়াবহ আগুনে ৫০টি দোকান পুড়ে ছাই হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ২ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

বান্দরবান ফায়ার সার্ভিসের সাব স্টেশন অফিসার মো. ইসমাইল মিয়া নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে থানচি বাজারের টিএন্ডটি পাড়ার একটি চা দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে ধারণা করা যাচ্ছে। এ সময় থানচি বাজারে ১০০টি দোকানের মধ্যে ৫০টি দোকান পুড়ে যায়।

স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিটের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আগুনে কত কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা নিরুপন করা যায়নি।

থানচি উপজেলা চেয়ারম্যান থোয়াই হ্লা মং মারমা জানান, বাজারের দক্ষিণ কোণ থেকেই আগুনের সুত্রপাত হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে বাজারের কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, এতে ব্যবসায়ীরা নি:স্ব হয়ে পড়েছে।

এদিকে ঘটনার পর থানচি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান থোয়াইহ্লা মং মার্মা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, মো: আবুল মনসুরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

গত ২৩ মার্চ থানচির বলিপাড়া ইউনিয়নের বলি বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বলিপাড়া বাজারের ৪৫টি দোকান ও ভাসমান কাঁচাবাজারসহ মোট ৫২টি দোকান পুড়ে কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়।

এই ব্যাপারে থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, মো: আবুল মনসুর বলেন, ‘আনুমানিক ৫০টির বেশি দোকান পুড়ে যায়, ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ সহায়তা দেয়ার ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

২০২০ সালের ২৭ এপ্রিল থানচি বাজারে আগুনে ২০০টি দোকান পুড়ে অন্তত ১০কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়।

আরও পড়ুন:
গৌরীপুরে ভয়াবহ আগুন, পুড়ল অর্ধশতাধিক দোকান
থানচির বলিবাজারে পুড়ল ৫৯টি দোকান
মহাসড়কে চলন্ত পিকআপ ভ্যানে আগুন
গভীর রাতে বাড়িতে আগুন, পুড়ে নারীর মৃত্যু
মালিকের কোমরে দড়ি: সীতাকুণ্ডের সব অক্সিজেন কারখানা বন্ধ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
SSC candidate died after being hit by a train

ট্রেনে কাটা পড়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু

ট্রেনে কাটা পড়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু গোপালগঞ্জে ট্রেনে কাটা পড়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু। ছবি: নিউজবাংলা
কাশিয়ানী থানার ওসি মো. ফিরোজ আলম জানান, বেলতলা রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় গোপালগঞ্জ হতে রাজশাহীগামী টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

গোপালগঞ্জে ট্রেনে কাটা পড়ে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।

কাশিয়ানী উপজেলার খায়েরহাট এলাকার রেলক্রসিংয়ে শনিবার সকাল পৌনে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

১৬ বছর বয়সী মুন্নী খানম ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলার বড়ভাগ এলাকার পান্নু শেখের মেয়ে। মালা উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল মুন্নী।

মুন্নীর পরিবারের বরাত দিয়ে কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ আলম জানান, মুন্নী পাশ্ববর্তী আলফাডাঙ্গা উপজেলার বড়ভাগ থেকে কাশিয়ানী উপজেলার খায়েরহাট মদিনাপাড়ায় বোনের বাড়িতে যাচ্ছিল। বেলতলা রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় গোপালগঞ্জ হতে রাজশাহীগামী টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন:
সায়েন্স ল্যাব এলাকায় বিস্ফোরণে আহত ঢাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু
সিলেটে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই শ্রমিকের মৃত্যু
বহুতল ভবনের সাত তলা থেকে পড়ে শ্রমিক নিহত
কিশোরগঞ্জে ট্রেনে দুর্বৃত্তদের হামলা
গাজীপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে মানসিক প্রতিবন্ধীসহ দুজন নিহত

মন্তব্য

p
উপরে