× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Takkis killers are creating rivers of cold corpses Anu Mohammad
google_news print-icon

ত্বকীর হত্যাকারীরা শীতলক্ষ্যাকে লাশের নদী বানাচ্ছে: আনু মুহাম্মদ

ত্বকীর-হত্যাকারীরা-শীতলক্ষ্যাকে-লাশের-নদী-বানাচ্ছে-আনু-মুহাম্মদ
নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শুক্রবার এক সমাবেশে বক্তব্য রাখছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আনু মোহাম্মদ। ছবি: নিউজবাংলা
আনু মুহাম্মদ বলেন, দেশের পুলিশ, র‍্যাবসহ সব প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুমড়ে-মুচড়ে ফেলা হচ্ছে। যদি এগুলো ঠিক থাকত তাহলে আমরা ত্বকী হত্যার বিচার দেখতাম।

ত্বকীর হত্যাকারীরা নারায়নগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীকে লাশের নদী বানাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ।

তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী হত্যার দশ বছর উপলক্ষে শুক্রবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

আনু মুহাম্মদ বলেন, দেশের পুলিশ, র‍্যাবসহ সব প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুমড়ে-মুচড়ে ফেলা হচ্ছে। যদি এগুলো ঠিক থাকত তাহলে আমরা ত্বকী হত্যার বিচার দেখতাম।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এ অধ্যাপক বলেন, সরকারের ক্ষমতাসীন লোকেরাই সন্ত্রাস তৈরি করছে। এরা সারা দেশে বহু হত্যাকাণ্ড ঘটাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নির্যাতনের কারখানা তৈরি করছে। দেশের তরুণ-তরুণীরা এখন ভয়াবহ বিপদে আছে।

সমাবেশে মানবাধিকার কর্মী খুশি কবির, ত্বকী হত্যার বিচার করা মানে দেশের জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত করা। এ হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে যে আন্দোলন ১০ বছর ধরে চলছে আমরা সে আন্দোলনে আছি, থাকব।

সমাবেশে ত্বকীর বাবা রফিউর রাব্বি বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর গ্রেপ্তার আজমেরী ওসমানের দুই সহযোগী আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন- ত্বকীকে আজমেরী ওসমানের নেতৃত্বে কীভাবে হত্যা করা হয়েছে, কারা কারা এর সঙ্গে জড়িত। কিন্তু আজ পর্যন্ত আদালতে অভিযোগপত্র জমা পড়েনি।

তিনি বলেন, ত্বকীকে অপহরণ করার পর শামীম ওসমানের এক ক্যাডারের অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। ত্বকীকে হত্যাকাণ্ডে শামীম ওসমান ও তার ছেলে অয়ন ওসমানও জড়িত। আমরা এ হত্যার বিচার চাই। যতদিন হত্যার বিচার হবে না, ততদিন আন্দোলন চলবে।

২০১৩ সালের ৬ মার্চ নগরের শায়েন্তা খাঁ রোডের বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় মেধাবী ছাত্র তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী। দুদিন পর ৮ মার্চ শীতলক্ষ্যা নদীর কুমুদিনী শাখা খাল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই বছরের ১২ নভেম্বর আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের ভাতিজা আজমেরী ওসমানের সহযোগী সুলতান শওকত ভ্রমর আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। ত্বকী হত্যা মামলায় দ্রুত অভিযোগপত্র প্রদান ও বিচারের দাবিতে প্রতি মাসের ৮ তারিখ মোম শিখা প্রজ্বালন কর্মসূচি পালন করে আসছে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট।

আরও পড়ুন:
ত্বকী হত্যা: বিচার শুরুর অপেক্ষায় ৯ বছর
সেই আগের রূপে আজমেরী ওসমান?
ত্বকী হত্যা নিয়ে সংবাদ, পত্রিকা অফিসে হামলা
ত্বকী হত্যা: আজমেরীর ঘনিষ্ঠ ভ্রমরের জামিন নাকচ
ত্বকী হত্যা: কারাগারে আজমেরীর ঘনিষ্ঠ ভ্রমর

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Extreme heat reduced to intense heat in Chuadanga

অতি তীব্র দাবদাহ কমে তীব্র তাপদাহ চুয়াডাঙ্গায়

অতি তীব্র দাবদাহ কমে তীব্র তাপদাহ চুয়াডাঙ্গায় চুয়াডাঙ্গার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা সোমবার বেলা ৩টায় রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ছবি: নিউজবাংলা
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান বলেন, ‘চলমান তীব্র দাবদাহ কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে, তবে বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই।’

গত এক সপ্তাহ থেকে অব্যাহত তাপদাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে চুয়াডাঙ্গার জনজীবন, তবে আজ দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা কমে অতি তীব্র দাবদাহ রূপ নিয়েছে তীব্র তাপদাহে।

জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা সোমবার বেলা ৩টায় রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে রোববার জেলার তাপমাত্রা ছিল ৪২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং শনিবার জেলার তাপমাত্রা উঠেছিল সর্বোচ্চ ৪২.৩ ডিগ্রিতে।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান বলেন, ‘চলমান তীব্র দাবদাহ কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে, তবে বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই।’

সকাল থেকে সূর্যের চোখ রাঙানিতে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে জেলার জনপদ। দিনের মতোই থাকছে রাতের তাপমাত্রা। তীব্র তাপদাহে শান্তি নেই কোথাও। গরমে একটু স্বস্তি পেতে কেউ কেউ আশ্রয় নিচ্ছেন গাছের ছায়ায়। দিন ও রাতের তাপমাত্রায় খুব বেশি পার্থক্য না থাকায় দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে এখানকার জনজীবন।

চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার বাসিন্দা সুমন আলী বলেন, ‘কয়েকদিন তীব্র তাপ অনুভূত হচ্ছে। রাস্তায় বের হওয়ার উপায় নেই। ছাতা নিয়ে বের হলেও গরম থেকে নিস্তার নেই।’

এদিকে তীব্র তাপদাহে জনসাধারণকে সচেতন করতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় মাইকিং করে পথচারী ও এলাকাবাসীকে সতর্ক করছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন।

আরও পড়ুন:
এপ্রিলের এ গরম কি অস্বাভাবিক
৬২.৩ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ঝলসাচ্ছে ব্রাজিলের জনজীবন
দেশজুড়ে কমতে পারে রাতের তাপমাত্রা
দেশজুড়ে বাড়তে পারে রাতের তাপমাত্রা
দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় কাঁপছে শ্রীমঙ্গল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Father and son were hacked and shot dead in Coxs Bazar

কক্সবাজারে বাবা-ছেলেকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা

কক্সবাজারে বাবা-ছেলেকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা কক্সবাজারের রামু থানা। ফাইল ছবি
স্থানীয়দের ভাষ্য, মিয়ানমার থেকে পাচার হয়ে আসা গরু চোরাচালানকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে বিরোধের জের ধরে জোড়া খুনের এ ঘটনা ঘটেছে।

কক্সবাজারের রামু উপজেলায় দুইজনকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের উত্তর থোয়াইঙ্গাকাটা মৌলভীরঘোনা এলাকার নজরুল ইসলামের চায়ের দোকানের সামনে রোববার রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

প্রাণ হারানো দুইজন হলেন একই এলাকার জাফর আলম (৫৫) এবং তার ছেলে মো. সেলিম (৩৫)।

রামু থানার ওসি আবু তাহের দেওয়ান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাটি কারা, কী কারণে ঘটিয়েছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে স্থানীয় দুইপক্ষের মধ্যে পূর্ব বিরোধের জেরে ঘটনাটি ঘটেছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, মিয়ানমার থেকে পাচার হয়ে আসা গরু চোরাচালানকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে বিরোধের জের ধরে জোড়া খুনের এ ঘটনা ঘটেছে।

ওসি আবু তাহের বলেন, ‘রোববার মধ্যরাতে রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়নের থোয়াইঙ্গাকাটা মৌলভীঘোনা এলাকায় স্থানীয় স্টেশনের একটি দোকানে সেলিমসহ কয়েকজন বন্ধু মিলে আড্ডা দিচ্ছিল। এ সময় মুখোশ পরিহিত ১৫ থেকে ২০ জনের একদল অজ্ঞাত দুর্বৃত্ত অতর্কিত তার ওপর হামলা করে।

‘দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্রের কয়েকটি কোপ দিলে তিনি চিৎকার করে পালানোর চেষ্টা চালায়। এ সময় ছেলের চিৎকার শুনে তাকে লক্ষ্য করে বাবা জাফর আলম টর্চের আলো ফেলেন। পরে দুর্বৃত্তরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি করে পালিয়ে যায়।’

ওসি বলেন, দুর্বৃত্তরা পালিয়ে গেলে স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় বাবা-ছেলেকে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। এ সময় হাসপাতালের চিকিৎসক দুইজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতদের স্বজন জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘রাতে স্থানীয় একটি দোকানে আড্ডা দেয়ার সময় মুখোশ পরিহিত একদল লোক ধারালো অস্ত্র ও গুলি করে বাবা-ছেলেকে হত্যা করেছে। তাদের সঙ্গে কোনো লোকজনের পূর্ব শত্রুতা ছিল কিনা জানি না।’

স্থানীয়রা জানায়, একই এলাকার ‘আবছার ডাকাত’ এবং ‘শাহীন ডাকাত’ গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবত আধিপত্য বিস্তার এবং বার্মিজ গরু চোরাচালানকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলে আসছিল। রোববার রাতে শাহীন ডাকাত গ্রুপের ১৪ থেকে ১৫ জন লোক চোরাচালানের গরু পার করার জন্য ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। সেখানে আবছার ডাকাত গ্রুপের ২০ থেকে ২২ জন দেশীয় অস্ত্র ও বন্দুক নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়।

ওসি আবু তাহের জানান, ঘটনার কারণ জানার পাশাপাশি জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
পাবনায় জমির বিরোধে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১
টাকা চেয়ে না পেয়ে বাবার প্রাণ নিল ছেলে
চট্টগ্রামে ট্রেনে কাটা পড়ে ২ জন নিহত
ভাইয়ের বউয়ের লাঠির আঘাতে ভাসুর নিহত
নাটোরে হত্যা মামলার আসামিকে কুপিয়ে হত্যা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Husband sentenced to death for killing his wife in Naogaon

নওগাঁয় গৃহবধূ হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

নওগাঁয় গৃহবধূ হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড নওগাঁর নিয়ামতপুরে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে সালাউদ্দিনকে সোমবার দুপুরে মৃত্যুদণ্ড দেয় আদালত। ছবি: নিউজবাংলা
জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারপক্ষের কৌঁসুলি আবদুল খালেক বলেন, ‘আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হওয়ায় মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে।’

নওগাঁর নিয়ামতপুরে এক গৃহবধূকে হত্যার দায়ে স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু শামীম আজাদ সোমবার দুপুরে এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সালাউদ্দিন ওরফে টনির (৩৫) বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার মুরাদপুর গ্রামে। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারপক্ষের কৌঁসুলি আবদুল খালেক বলেন, ‘আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হওয়ায় মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে।’

আদালত ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিয়ামতপুর উপজেলার ধানসা গ্রামের আবু কালামের মেয়ে ২৪ বছর বয়সী তুকাজ্জেবার সঙ্গে ২০১৯ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার মুরাদপুর গ্রামের সালাউদ্দিনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে সালাউদ্দিন তুকাজ্জেবার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন।

তুকাজ্জেবা স্বামী সালাউদ্দিনকে নিয়ে ২০২০ সালের ২৯ জুন বাবার বাড়ি নিয়ামতপুরের ধানসা গ্রামে বেড়াতে আসেন। পারিবারিক কলহের জেরে শ্বশুরবাড়িতে থাকা অবস্থায় ১ জুলাই সালাউদ্দিন তার স্ত্রী তুকাজ্জেবার গলায় কাঁচি দিয়ে খুঁচিয়ে গুরুতর জখম করেন।

ওই দিন সকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে তুকাজ্জেবা ও সালাউদ্দিনের ঘর থেকে চিৎকারের শব্দ পেয়ে তুকাজ্জেবার বাবা ও তার মা বাইরে থেকে ঘরের দরজা খোলার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে প্রতিবেশী রবিউল ইসলাম লাথি মেরে দরজা ভেঙে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে তুকাজ্জেবাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পায়।

ওই সময় সালাউদ্দিনের হাতে কাপড় কাটার কাঁচি দেখতে পান তারা। পরে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে তুকাজ্জেবাকে নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে জানান।

স্ত্রীকে আহত করে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন সালাউদ্দিনকে আটক করে থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

মামলার বিবরণে আরও উল্লেখ করে বলা হয়, এ ঘটনায় নিহত তুকাজ্জেবার বাবা আবু কালাম বাদী হয়ে সালাউদ্দিনের নামে নিয়ামতপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ২০২২ সালের ২২ জুন আদালতে সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের মোট ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে আদালতে ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের দীর্ঘ সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় দোষী নওগাঁর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু শামীম আজাদ আসামিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি শুনানি করেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারপক্ষের কৌঁসুলি পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আবদুল খালেক। আসামিপক্ষে মামলাটির শুনানি করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আতিকুর রহমান।

আবদুল খালেক বলেন, ‘সমস্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হওয়ায় বিচারক আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করেছেন। এ রায় হত্যা মামলার ক্ষেত্রে একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।’

আরও পড়ুন:
ভাতিজিকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় চাচার মৃত্যুদণ্ড
সিএনজি চালককে হত্যার দায়ে ২ যুবকের মৃত্যুদণ্ড
নিরাপদ সড়কের দাবিতে চোখে কাপড় বেঁধে অবস্থান স্কুলছাত্রীর
মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় স্বামী-স্ত্রী নিহত, প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান
নওগাঁয় ঠিকাদারকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় অভিযুক্ত শান্ত গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The candidate is the cousin of former minister Zahid Malek ignoring the party decision
উপজেলা নির্বাচন

দলীয় সিদ্বান্ত উপেক্ষা করে প্রার্থী হলেন সাবেক মন্ত্রী জাহিদ মালেকের ফুফাতো ভাই

দলীয় সিদ্বান্ত উপেক্ষা করে প্রার্থী হলেন সাবেক মন্ত্রী জাহিদ মালেকের ফুফাতো ভাই ফাইল ছবি
সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের ফুফাতো ভাই ইসরাফিল হোসেন এবং ইসরাফিল হোসেনের মামাতো ভাই হচ্ছেন বর্তমান সংসদ সদস্য জাহিদ মালেক।

দলীয় সিদ্বান্ত উপেক্ষা করে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও মানিকগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদ মালেকের আপন ফুফাতো ভাই মো. ইসরাফিল হোসেন।

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইসরাফিল এরই মধ্যে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, ইসরফিল হোসেনের মা মৃত রাহেলা বেগম সাবেক বস্ত্রমন্ত্রী ও ঢাকা সিটি করপোরশনের সাবেক মেয়র কর্নেল (অব.) আব্দুল মালেকের আপন বোন। আর কর্নেল মালেকের ছেলে হচ্ছেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও বর্তমান মানিকগঞ্জ-৩ আসনের সদস সদস্য জাহিদ মালেক।

এ হিসেবে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের ফুফাতো ভাই ইসরাফিল হোসেন এবং ইসরাফিল হোসেনের মামাতো ভাই হচ্ছেন বর্তমান সংসদ সদস্য জাহিদ মালেক।

মন্ত্রী-সংসদ সদস্যদের আত্মীয়দের উপজেলা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে হবে- সম্প্রতি এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে আওয়ামী লীগ। এর জন্য সাংগঠনিক সম্পাদকদের সারা দেশ থেকে তথ্য নিয়ে তালিকা তৈরির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

আসন্ন ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ইসরাফিল হোসেন টানা তৃতীয় বারের মতো চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ইসরফিল হোসেন ২০১৩ সাল থেকে এখন পর্যন্ত মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এর আগে ২০১৪ সালে ৪র্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তৎকালীন যুবদলের সাবেক সভাপতি মো.আতাউর রহমান আতাকে পরাজিত করে প্রথম বারের মতো মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি।

এরপর ৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ২য় বারের মতো মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ইসরাফিল হোসেন বলেন, আমি নির্বাচন করব। কারণ উপজেলা নির্বাচনে দল বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সিদ্বান্ত নিয়েছে,আমি সেই ক্যাটাগরিতে পড়ি না। সুতরাং আমার ক্ষেত্রে দলীয় সিদ্বান্তের প্রভাব পরবে না এবং নির্বাচনে কোনো বাধার হবে না।

তিনি বলেন, বরং আমি নির্বাচন না করলে আমাদের তৃণমূলে বিভেদ ও বিশৃঙাখলা বাড়বে। তাছাড়া আমি নির্বাচন না করলে, কলাগাছ দাঁড়ালেও জিতবে। দীর্ঘদিন ধরে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছি এবং প্রায় ৪০-৪২ বছর ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। আর আমার আত্মীয়স্বজন আমার অনেক (জাহিদ মালেক) মহদয় রাজনীতি আসছেন।

এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী পরিষদের সদস্য ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী দীপক কুমার ঘোষ বলেন, যারা নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করবেন, তাদের প্রত্যেককে দলীয় সিদ্বান্ত মেনে নেয়া উচিত। আর যদি কেউ দলীয় সিদ্বান্ত অমান্য করে, তাহলে দলীয় সিদ্বান্ত অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

নাম প্রকাশে একাধিক চেয়ারম্যান প্রার্থী জানান, ইসরাফিল হোসেন যে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের আপন ফুফাতো ভাই এটা মানিকগঞ্জের প্রত্যেক নেতা-কর্মীরজানা আছে। দলীয় সিদ্বান্তের আগে দিনও সম্ভাব্য উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থীদের সাথে আলোচনা করেছিলেন জাহিদ মালেক। ইসরাফিল হোসেনের জন্য অনেক প্রার্থীকে নির্বাচন থেকে সরে যেতেও বলেছিলেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তারা জানান, নির্বাচনে যতই দলীয় সিদ্বান্ত বা নির্দেশনা থাকুক না কেন, গোপনে তো এমপি (জাহিদ মালেক) ইসরাফিলের জন্য কাজ করবেই। কারণ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জাহিদ মালেকের প্রার্থী হচ্ছে ইসরাফিল হোসেন।

তবে এ বিষয়ে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও মানিকগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদ মালেকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার মন্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

নির্বাচন কমিশনার মো.আলমগীর জানান, সংশ্লিষ্ট উপজেলার ভোটাররা, নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে পারবেন। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নির্বাচনে কোনো বাধা নেই এবং এই নির্বাচনে দলীয় কোনো পরিচয়ের প্রয়োজনও নেই। তবে নির্বাচনীয় আইনে বিরুদ্ধে ঋণ খেলাপি আছে, ক্রিমিনাল মামলা ২-৩বছর সাজা খেটেছেন। অথবা যারা নাগরিত্ব হারান, তাহলে তারা নির্বাচন করতে পারবেন না।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The police rescued the dog after receiving information that it was pulling with the skeleton

কঙ্কাল নিয়ে টানাটনি করছিল কুকুর, খবর পেয়ে উদ্ধার পুলিশের

কঙ্কাল নিয়ে টানাটনি করছিল কুকুর, খবর পেয়ে উদ্ধার পুলিশের দেবিদ্বারের একটি ডোবা থেকে সোমবার কঙ্কাল উদ্ধার করে থানা পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
দেবিদ্বার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোক্তার হোসেন মল্লিক বলেন, ‘কুকুর কঙ্কালটি নিয়ে টানাটানি করার সময় স্থানীয়রা দেখে খবর দিয়েছে। খবর পেয়ে কঙ্কালটি উদ্ধার করতে আসি।’

কুমিল্লার দেবিদ্বারে ডোবা থেকে একটি কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার ধামতি ইউনিয়নের দুয়ারিয়া এলাকায় স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে সোমবার সকালে কঙ্কালটি উদ্ধার করা হয়।

ডেনিম প্যান্ট দেখে ধারণা করা হচ্ছে এটি কোনো পুরুষের কঙ্কালের।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা ডোবায় একটি কুকুরকে কঙ্কালটি নিয়ে টানাটানি করতে দেখে। পরে কুকুর তাড়িয়ে পুলিশকে খবর দিলে বাহিনীর সদস্যরা কঙ্কালটি উদ্ধার করে।

দেবিদ্বার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোক্তার হোসেন মল্লিক বলেন, ‘কুকুর কঙ্কালটি নিয়ে টানাটানি করার সময় স্থানীয়রা দেখে খবর দিয়েছে। খবর পেয়ে কঙ্কালটি উদ্ধার করতে আসি।

‘কঙ্কালটির পরনে জিন্স (ডেনিম) প্যান্ট দেখে পুরুষ মনে হচ্ছে। মাথা থেকে কোমর পর্যন্ত শুধু হাড় আছে। আর কোমর থেকে পা পর্যন্ত প্যান্ট ছিল, তবে মাংস পচে পোকা ধরেছে।’

কঙ্কালের পরিচয় শনাক্তের বিষয়ে এ কর্মকর্তা বলেন, ‘এখনও পরিচয় শনাক্ত হয়নি। মৃত্যুর কারণও জানা যায়নি, তবে পরিচয় শনাক্ত করা কঠিন হবে। কারণ প্রায় মাসখানেক বা তার বেশি সময় ধরে পড়ে থাকায় হাত-পায়ের কোথাও মাংস নেই।

‘আর আঙুলের ছাপ নেয়ারও কোনো উপায় নেই। আমরা কঙ্কালটি কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পাঠানোর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। এই বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

আরও পড়ুন:
মুরাদনগরে আগুনে পুড়ল ১৪ দোকান
চান্দিনা পৌর ভবনের টাকা চুরির ঘটনায় লিখিত অভিযোগ
কুমিল্লায় যুবক হত্যায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড
ছোট হয়ে আসছে তাঁতের খাদির বাজার
বরুড়ায় ঘরে যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Uncle sentenced to death in case of murder after raping niece

ভাতিজিকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় চাচার মৃত্যুদণ্ড

ভাতিজিকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় চাচার মৃত্যুদণ্ড নাটোরের সিংড়ায় ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। ছবি: নিউজবাংলা
নাটোরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি আনিসুর রহমান জানান, ২০১৯ সালের ৪ আগস্ট ১৬ বছরের এক কিশোরী ও ছোট তার দুই ভাই-বোনকে বাড়িতে রেখে তাদের পরিবারের সদস্যরা পার্শ্ববর্তী পাকুয়া গ্রামে যায়। কিশোরীর ছোট দুই ভাই-বোন স্কুলে যাওয়ায় পর বাড়িতে কেউ না থাকায় তার আপন চাচা শাহাদত বাড়িতে প্রবেশ করেন এবং ভাতিজিকে ধর্ষণ করেন।

নাটোরের সিংড়ায় নিজ ভাতিজিকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

নাটোরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম সোমবার দুপুরে এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত শাহাদত একই উপজেলার দেওগাছা উত্তপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তাকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি আনিসুর রহমান জানান, ২০১৯ সালের ৪ আগস্ট ১৬ বছরের এক কিশোরী ও ছোট তার দুই ভাই-বোনকে বাড়িতে রেখে তাদের পরিবারের সদস্যরা পার্শ্ববর্তী পাকুয়া গ্রামে যায়। কিশোরীর ছোট দুই ভাই-বোন স্কুলে যাওয়ায় পর বাড়িতে কেউ না থাকায় তার আপন চাচা শাহাদত বাড়িতে প্রবেশ করেন। পরে অভিযুক্ত শাহাদত তার ভাতিজিকে ধর্ষণ করেন।

এ সময় কিশোরী সেই ঘটনা সবাইকে জানিয়ে দেয়ার কথা বললে শাহাদত তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন।

তিনি জানান, নিহতের দুই ভাই-বোন স্কুল থেকে বাসায় ফিরে তার বোনকে মৃত দেখলে শাহাদত দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। ওই সময় এলাকাবাসী ধাওয়া দিয়ে শাহাদতকে ধরে সংঘবদ্ধ পিটুনি দিলে তিনি তার ভাতিজিকে ধর্ষণের পর হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেন।

এ ঘটনায় নিহত কিশোরীর মা শাহাদতের নামে সিংড়া থানায় মামলা করেন। রায় ঘোষণার সময় সোমবার অভিযুক্ত শাহাদত আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
সিএনজি চালককে হত্যার দায়ে ২ যুবকের মৃত্যুদণ্ড
স্বামী-স্ত্রীকে হত্যার মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড
শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় যুবকের মৃত্যুদণ্ড
অন্তর হত্যাকাণ্ড: ৩ জনের ফাঁসি, ৩ জনের যাবজ্জীবন
প্রবাসীকে হত্যা মামলায় স্ত্রীসহ চারজনের ফাঁসি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The body of a young man was recovered from a tea garden in Moulvibazar

চা বাগানে শ্রমিকের ছেলের ঝুলন্ত মরদেহ

চা বাগানে শ্রমিকের ছেলের ঝুলন্ত মরদেহ প্রতীকী ছবি
কমলগঞ্জ থানার এসআই জিয়াউল বলেন, ‘বাগানের ৮ নম্বর সেকশন এলাকায় একটি গাছের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেয়া সজল বাউরির মরদেহ সকালে উদ্ধার করা হয়েছে।’

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের একটি চা বাগানে গাছের সঙ্গে ফাঁস লাগা অবস্থায় এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার ফুলবাড়ি চা বাগান এলাকার ৮ নম্বর সেকশনে সোমবার সকালে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে কমলগঞ্জ থানা পুলিশ।

প্রাণ হারানো যুবক ১৯ বছর বয়সী সজল বাউরি, যে ওই বাগানের চা শ্রমিক চুন্নু বাউরির ছেলে।

স্থানীয় একজনের ভাষ্য, ‘রাতে মা-বাবার সঙ্গে ভাত নিয়ে সজল বাউরির ঝগড়া হয়। আমরা তাদের ঝগড়া শুনতে পাই। সকালে বাগানে গাছের সঙ্গে তার মরদেহ দেখে তার মা-বাবাকে জানাই।

‘পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। সে বাগানে শ্রমিকের কাজ করত।’

সজল বাউরির বাবা চুন্নু বাউরী বলেন, ‘আমার সঙ্গে ও ছেলের মায়ের সঙ্গে গরম ভাত করে দেয়ার জন্য সন্ধ্যায় ঝগড়া হয়। সে ঠান্ডা ভাত খাবে না। পরে রাত আটটার দিকে ঘর থেকে বের হয়ে যায়। আমরা ভাবছি হয়তো প্রতিবেশী কারও ঘরে রাতে থাকতে পারে। তাই আর খোঁজখবর নিইনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘সকালে হঠাৎ শ্রমিকরা কাজে গেলে চা বাগানের ৮ নম্বর সেকশনে এলাকায় গাছের সঙ্গে ফাঁস লাগা অবস্থায় সজলের মরদেহ দেখতে পেয়ে আমাদের খবর দেয়। আমরা পুলিশকে বিষয়টা জানাই। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।’

কমলগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জিয়াউল বলেন, ‘বাগানের ৮ নম্বর সেকশন এলাকায় একটি গাছের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেয়া সজল বাউরির মরদেহ সকালে উদ্ধার করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মরদেহ ময়নাতদন্ত করার জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ছেলের বিরুদ্ধে মাকে খুন করার অভিযোগ
গাইবান্ধায় অটোরিকশার চালকের গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার
ভুট্টা ক্ষেতের পাশে নারীর মরদেহ, পাশে রক্তাক্ত কাঁচি
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে কমলগঞ্জে দুই দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা
পদ্মার শাখা নদীতে এবার ভেসে উঠল রামিনের মরদেহ

মন্তব্য

p
উপরে