× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Remembrance of the Rajbari womens group released after 4 months
google_news print-icon

৪ মাস পর কারামুক্ত রাজবাড়ী মহিলা দলের স্মৃতি

৪-মাস-পর-কারামুক্ত-রাজবাড়ী-মহিলা-দলের-স্মৃতি
জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর বিএনপি নেতা-কর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হন সোনিয়া আক্তার স্মৃতি। ছবি: নিউজবাংলা
মুক্তির পর স্মৃতি বলেন, ‘আমি সঠিক কথাই লিখেছিলাম। সত্যি কথা বলার অপরাধে চার মাস মাসুম দুটি বাচ্চা রেখে আমাকে জেল খাটতে হয়েছে। এতে আমার কোনো আফসোস নেই। কারণ আমি জানি পুরো বাংলাদেশের মানুষ আমার পাশে ছিল। আর আমার দলের জন্য চার মাস কেন, চার বছরও জেল খাটতে পারি।’

ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটূক্তি ও ফুচকা উৎসবের নামে ‘অশ্লীল নৃত্য’ আয়োজনের অভিযোগে করা আলাদা দুটি মামলায় প্রায় চার মাস কারাগারে থাকা রাজবাড়ীর মহিলা দলের নেত্রী সোনিয়া আক্তার স্মৃতি জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।

রাজবাড়ী জেলা কারাগার থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মুক্তি পান তিনি।

মুক্তির পর স্মৃতি বলেন, ‘আমি সঠিক কথাই লিখেছিলাম। সত্যি কথা বলার অপরাধে চার মাস মাসুম দুটি বাচ্চা রেখে আমাকে জেল খাটতে হয়েছে। এতে আমার কোনো আফসোস নেই।

‘কারণ আমি জানি পুরো বাংলাদেশের মানুষ আমার পাশে ছিল। আর আমার দলের জন্য চার মাস কেন, চার বছরও জেল খাটতে পারি।’

স্মৃতি আরও বলেন, ‘একজন সমাজকর্মী হিসেবে মানুষের জন্য কাজ করি। রাত-বিরাতে মুমূর্ষু রোগীর জন্য বের হই; তাদের রক্ত জোগাড় করে দিই। এ জন্য অনেক খারাপ কথা শুনতে হয়েছে, কিন্তু যাদের উপকার হয়েছে, তাঁরা খুশি হয়েছেন।’

স্মৃতি রাজবাড়ী ব্লাড ডোনার্সের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। তিনি জেলা মহিলা দলের সদস্য। দুই সন্তানের এ জননী শহরের বেড়াডাঙ্গা এলাকায় থাকেন।

স্মৃতির ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ‘আপত্তিকর’ পোস্টের বিষয়ে রাজবাড়ী সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন সামসুল আরেফিন চৌধুরী নামের আওয়ামী লীগের স্থানীয় এক নেতা। পরে অভিযোগটি মামলা হিসেবে ৫ অক্টোবর রেকর্ড করা হয়। ওই দিনই স্মৃতিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত বছরের ৩১ আগস্ট স্মৃতি তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে একটি স্ট্যাটাস দেন, যাতে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্যের সমালোচনা করে ‘আপত্তিকর’ কথা লেখেন। অনেকে পোস্টটি দেখায় প্রধানমন্ত্রীর সুনাম ক্ষুণ্ন ও মানহানি হয়।

মামলায় রাজবাড়ী জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জামিন চেয়ে বিফল হন স্মৃতি। এরপর ৩০ অক্টোবর হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করেন। এর শুনানি নিয়ে ৩১ অক্টোবর তাকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেয় হাইকোর্ট। এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করলে ২ নভেম্বর তার জামিন স্থগিত করে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।

চেম্বার আদালত বিষয়টি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠায়। এর ধারাবাহিকতায় ২৮ নভেম্বর আপিল বিভাগে শুনানি হয়। পরে ১৫ জানুয়ারি প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ স্মৃতিকে ছয় মাসের জামিন দেয়।

স্মৃতির বাবা আবদুস সাত্তার মল্লিক বলেন, ‘বাংলাদেশে জামিন হয়, কিন্তু মুক্তি মেলে না। আমার বাচ্চা আমার কাছে ফিরে এসেছে। আমার বুকের মানিক। আমার খুব ভালো লাগছে।’

রাজবাড়ী জেলা বারের আইনজীবী ও স্মৃতির মনোনীত আইনজীবী নেকবর হোসেন মনি জানান, বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তির মামলা ও ফেসবুক গ্রুপ ‘খাদক বাঙ্গালী’র আয়োজনে রাজবাড়ী শিশু পার্কে অশ্লীল নৃত্য আয়োজন করার অভিযোগে মামলায় জামিন পান স্মৃতি। সন্ধ্যায় জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন তিনি।

সোনিয়া আক্তার স্মৃতি জামিন পেলে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।

আরও পড়ুন:
পঞ্চাশ বছর পর স্মৃতিস্তম্ভ পেল গণকবর
পদ্মা খরস্রোতা, দৌলতদিয়ায় গাড়ির দীর্ঘ সারি
কালুরঘাটে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করতে চায় সংসদীয় কমিটি
স্মৃতিসৌধে জাপানের রাষ্ট্রদূতের শ্রদ্ধা
স্মৃতিসৌধ পেল স্কুল শিক্ষার্থীরা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The democracy with which we fought the liberation war is in exile BNP

যে স্বপ্ন নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম সেই গণতন্ত্র নির্বাসনে: বিএনপি

যে স্বপ্ন নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম সেই গণতন্ত্র নির্বাসনে: বিএনপি মহান স্বাধীনতার দিবস উপলক্ষে রোববার দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: নিউজবাংলা
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘৫২ বছর আগে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের স্বপ্ন ও আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম। সেই গণতন্ত্র আজ নির্বাসনে। গণতান্ত্রিক অধিকারগুলো কেড়ে নেয়া হয়েছে। এক কথায় কোনো অধিকার নেই।’

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাকে টিকে রাখার জন্য নজিরবিহীন দুর্নীতি করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মহান স্বাধীনতার দিবস উপলক্ষে রোববার দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘গুম, খুনের মাধ্যমে তারা মানুষের মৌলিক অধিকার কেড়ে নিয়েছে। ৫২ বছর আগে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের স্বপ্ন ও আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম। সেই গণতন্ত্র আজ নির্বাসনে। গণতান্ত্রিক অধিকারগুলো কেড়ে নেয়া হয়েছে। মানুষের ভোটের, কথা বলার ও লেখার অধিকার নেই। এক কথায় কোনো অধিকার নেই।’

তিনি বলেন, ‘পরিকল্পিতভাবে রাষ্ট্রের সব গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ভেঙে ফেলা হচ্ছে। নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়ে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার হীন প্রচেষ্টা নিয়ে আওয়ামী লীগ ফ্যাসিবাদী কার্যকলাপ চালাচ্ছে। তারা বাকশাল করছে। তবে এসবের বিরুদ্ধে আজ বাংলাদেশের মানুষ জেগে উঠেছে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আজ আমরা গণতন্ত্র উদ্ধারের জন্য, খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার জন্য, সরকারের পদত্যাগসহ ১০ দফা দাবিতে আন্দোলন করছি। দেশের মানুষ তার অধিকার, ভোটের অধিকার এবং শান্তিতে বসবাস করার অধিকার আদায়ে আন্দোলন শুরু করেছে।

‘আজকের এই দিনে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আশা করছি তারা গণতন্ত্র পুনঃরুদ্ধারের আন্দোলনে শরিক হবে।’

কবরে শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আব্দুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান শাহজাহান ওমর, ডা. জাহিদ হোসেন প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
মানবাধিকার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেদনে লজ্জিত হই: ফখরুল
শওকত মাহমুদকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার
সুপ্রিম কোর্টে নির্বাচনি ব্যবস্থার শেষ দেখছেন ফখরুল
ভারতীয় হাইকমিশনারের বাসায় নৈশভোজের আমন্ত্রণে বিএনপির প্রতিনিধি দল
নির্বাচনি আতঙ্কে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্টের ষড়যন্ত্রে বিএনপি: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The struggle to restore democracy will continue Fakhrul

গণতন্ত্র ফেরানোর সংগ্রাম চলবে: ফখরুল

গণতন্ত্র ফেরানোর সংগ্রাম চলবে: ফখরুল মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধের শহীদবেদিতে শ্রদ্ধা জানানো শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: নিউজবাংলা
বিএনপির চলমান আন্দোলন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করে দলটির মহাসচিব বলেন, ‘এই মহান দিনে, স্বাধীনতার শুভলগ্নে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে শপথ গ্রহণ করছি, আমরা গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে, ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে, চাল, ডাল, তেলের দাম সহনীয় পর্যায়ে আনার জন্য ও দেশকে সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য আমরা যে সংগ্রাম শুরু করেছি, তা চালিয়ে যাব।’

দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে বিএনপি সংগ্রাম করছে দাবি করে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধের শহীদবেদিতে শ্রদ্ধা জানানো শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন সম্ভব হয়েছে। আমরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ঘোষণার মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলাম। তখন যে স্বপ্ন ছিল, আশা-আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হবে, কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের। আজকে এত বছর পরেও আমাদের গণতন্ত্রের জন্য প্রাণ দিতে হচ্ছে। আমাদের লড়াই- সংগ্রাম করতে হচ্ছে।

‘আমাদের ভোটের অধিকার হারিয়ে গেছে, আমাদের কথা বলার অধিকার হারিয়ে গেছে। সাংবাদিকদের সত্য কথা লেখার অধিকার হারিয়ে গেছে। এখানে কর্তৃত্ববাদী ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। আমরা এই দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য সংগ্রাম করছি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দেশের কী দুর্ভাগ্য! দেশের স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের সহধর্মিণীকে শুধু গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনের জন্য তাকে কারাগারে বন্দি করে রাখা হয়েছে।

‘আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নির্বাসিত করা হয়েছে। ৩৫ লাখের বেশি আমাদের নেতা-কর্মীদের মিথ্যা মামলায় হয়রানি করা হচ্ছে।’

ওই সময় বিএনপির চলমান আন্দোলন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করে দলটির মহাসচিব বলেন, ‘এই মহান দিনে, স্বাধীনতার শুভলগ্নে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে শপথ গ্রহণ করছি, আমরা গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে, ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে, চাল, ডাল, তেলের দাম সহনীয় পর্যায়ে আনার জন্য ও দেশকে সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য আমরা যে সংগ্রাম শুরু করেছি, তা চালিয়ে যাব।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Zia was a friend of Pakistanis in the guise of a freedom fighter Information Minister

মুক্তিযোদ্ধার ছদ্মাবরণে পাকিস্তানিদের দোসর ছিলেন জিয়া: তথ্যমন্ত্রী

মুক্তিযোদ্ধার ছদ্মাবরণে পাকিস্তানিদের দোসর ছিলেন জিয়া: তথ্যমন্ত্রী মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রোববার সকালে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে দলীয় নেতাদের সঙ্গে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ। ছবি: সংগৃহীত
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় যদি কেউ একজন মুক্তিযোদ্ধাকে পানি খাইয়েছে বা এক বেলা ভাত খাইয়েছে, সেই অপরাধে পাকিস্তানিরা তাকে ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করেছে, তার বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিয়েছে, নির্যাতন করেছে। আর জিয়াউর রহমান রণাঙ্গনে যুদ্ধ করে আর তার স্ত্রী খালেদা জিয়াকে পাকিস্তানিরা নতুন বউয়ের মতো আদর-যত্ন করে। এতেই তো প্রমাণিত হয়, জিয়াউর রহমান আসলে মুক্তিযোদ্ধার ছদ্মাবরণে পাকিস্তানিদের দোসর হিসেবে কাজ করেছেন।’

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান বীর মুক্তিযোদ্ধার ছদ্মাবরণে পাকিস্তানিদের দোসর ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রোববার সকালে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে দলীয় নেতাদের সঙ্গে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের কাছে এ মন্তব্য করেন তিনি।

জিয়াউর রহমানকে নিয়ে বিএনপির নানা বক্তব্য প্রসঙ্গে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রথম সরকার, যে সরকার মুজিবনগরে শপথ গ্রহণ করেছিল এবং বাংলাদেশে স্বাধীনতাযুদ্ধ পরিচালনা করেছিল, সেই সরকারের অধীনে জিয়াউর রহমান একজন চাকুরে ছিলেন।’

তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় যদি কেউ একজন মুক্তিযোদ্ধাকে পানি খাইয়েছে বা এক বেলা ভাত খাইয়েছে, সেই অপরাধে পাকিস্তানিরা তাকে ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করেছে, তার বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিয়েছে, নির্যাতন করেছে। আর জিয়াউর রহমান রণাঙ্গনে যুদ্ধ করে আর তার স্ত্রী খালেদা জিয়াকে পাকিস্তানিরা নতুন বউয়ের মতো আদর-যত্ন করে। এতেই তো প্রমাণিত হয়, জিয়াউর রহমান আসলে মুক্তিযোদ্ধার ছদ্মাবরণে পাকিস্তানিদের দোসর হিসেবে কাজ করেছেন।’

হাছান মাহমুদ আরও বলেন, ‘বিএনপি নেতারা ২১ বছর ধরে ইতিহাস বিকৃতি করেছেন। সেই বিকৃতি যখন ঠেকে গেছে, তখন তাদের মাথা খারাপ হয়ে গেছে এবং সেই কারণে মির্জা ফখরুল সাহেবরা আবোল-তাবোল বকা শুরু করেছেন।’

স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে শনিবার বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের ভুলে একাত্তরের ২৫ মার্চে গণহত্যা হয়েছিল।

এ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে রোববার জাতীয় স্মৃতিসৌধে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘পাকিস্তান যা বলে, তারা (বিএনপি) তাই বলে। কারণ তারা পাকিস্তানি ভাবধারায় উজ্জীবিত, তাদের হৃদয়ে পাকিস্তানি চেতনা। তারা এমনটাই বলবে, এটাই হওয়া সমীচীন।’

আরও পড়ুন:
ইসির চিঠি অতীতের মতো ভোট করার নতুন কৌশল: ফখরুল
রমজানের পবিত্রতা নষ্ট করতে চায় বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী
বিএনপিকে ইসির আমন্ত্রণ হঠাৎ নয়: কমিশনার
বিএনপিকে আলোচনার আহ্বান জানিয়ে সিইসির চিঠি
আওয়ামী লীগ গেছে হাসের আমন্ত্রণে, বিএনপির মতো পদলেহনে না: তথ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Lenin became a member of the League Advisory Council

আ.লীগ উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য হলেন লেনিন

আ.লীগ উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য হলেন লেনিন নূহ-উল-আলম লেনিন। ফাইল ছবি
নূহ-উল-আলম লেনিন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আমাকে আজ (শনিবার) এ সংক্রান্ত চিঠি দিয়েছেন।’

আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সাবেক সদস্য নূহ-উল-আলম লেনিনকে দলের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য করা হয়েছে৷

শনিবার দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত চিঠি লেলিনকে পৌঁছে দেয়া হয়েছে৷

নূহ-উল-আলম লেনিন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আমাকে আজ (শনিবার) এ সংক্রান্ত চিঠি দিয়েছেন।’

প্রসঙ্গত, লেলিন দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের মুখপত্র উত্তরণ-এর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি এর আগে দলের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক, প্রচার সম্পাদক এবং সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
ECs letter New tactic to vote like past Fakhrul

ইসির চিঠি অতীতের মতো ভোট করার নতুন কৌশল: ফখরুল

ইসির চিঠি অতীতের মতো ভোট করার নতুন কৌশল: ফখরুল বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি
সংলাপের জন্য নির্বাচন কমিশনের (ইসি) চিঠির প্রসঙ্গ টেনে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের কোনো ক্ষমতা আছে নাকি? তারা পারবে এই প্রশাসনকে সোজা করতে? তারা চিঠি-টিঠি দিয়ে অযথা কেন হয়রান হচ্ছে?’

সংলাপের জন্য নির্বাচন কমিশনের (ইসি) চিঠিকে ‘অতীতের মতো ভোট করার লেটেস্ট কৌশল’ বলে উল্লেখ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, ইসির এই চিঠির বিষয়ে করণীয় সম্পর্কে দলের স্থায়ী কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত হবে।

শনিবার মহানগর নাট্যমঞ্চে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে এই আলোচনা সভা আয়োজন করে বিএনপি।

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) দেয়া চিঠির প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘কমিশনের কিছু করার ক্ষমতা নেই। এই সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। তাই নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের ঘোষণা দিতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘অতীতে কেউ ভোট দিতে পেরেছেন? আগের মতো ভোট আর চলবে না। জাপানের রাষ্ট্রদূত তো বলেই ফেললেন যে, বাপের জন্মে শুনিনি যে আগের রাতে ভোট হয়। ওই জন্য এখন আবার নতুন নতুন কৌশল। তার মধ্যে লেটেস্ট কৌশল হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের চিঠি।’

সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বৃহস্পতিবার বিকেলে ডিও পত্রের মাধ্যমে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আলোচনা ও মতবিনিময়ের জন্য আমন্ত্রণ জানান।

ওই চিঠির প্রসঙ্গ টেনে প্রশ্ন তুলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের কোনো ক্ষমতা আছে নাকি? সে পারবে এই প্রশাসনকে সোজা করতে?’

এ সময় দলের নেতাকর্মীরা ‘ন ‘না’স্লোগান দিতে থাকলে তিনি বলেন, ‘সঠিক কথা। এই নির্বাচন কমিশন চিঠি-টিঠি দিয়ে অযথা কেন হয়রান হচ্ছে। আপনারা ভদ্রলোকের মতো থাকতেন, ভদ্রলোকের মতো থাকেন, বেতন-টেতন নেন।’

ইসিকে উদ্দেশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ইভিএম দিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু পারছেন না। অতীতে নির্বাচন কমিশন ট্রেনিং বাবদ কোটি কোটি টাকা খেয়ে ফেলেছে। আপনারা এরকম কিছু আছে কিনা সেগুলো দেখেন। অযথা জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে আপনারা এসব কথা বলে নিজেদের খাটো করবেন না।’

তিনি বলেন, ‘সংকট একটাই, তা হলো নির্বাচনকালীন সরকারে কে থাকবে? নির্বাচনকালে আওয়ামী লীগ থাকলে সেই ভোট কোনোদিনই সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ হবে না। এটা প্রমাণিত। শুধু জাতীয় সংসদে নয়, স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলোর ক্ষেত্রেও তাই।

‘সুতরাং এসব অযথা এক্সারসাইজ না করে আসল জায়গায় আসেন। আসল জায়গাটা হচ্ছে, নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার দিতে হবে। সেটা নিয়ে কাজ করুন, সেটা নিয়ে কথা বলুন, সেটা নিয়ে ঘোষণা দিন। অন্য কোনো কিছু দেশের মানুষ মেনে নেবে না।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘মানুষ ন্যায্যমূল্যে চাল-ডাল-তেল কেনার জন্য ট্রাকের পেছনে লাইন দিচ্ছে। অনেকে আবার পাচ্ছেও না। আবার তারা (সরকার) পাতাল রেল করছে। পূর্বাচলের ওই জায়গায় পাতাল রেল করা কি খুব বেশি প্রায়োরিটি হয়ে গেছে? কোনোটাই না। প্রায়োরিটি দেয়া দরকার চাল, ডাল, তেল, লবণসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণকে।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা ছিল বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক দেশ হবে। ৫১ বছরে পর এসেও অত্যন্ত দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে বলতে হয় যে স্বাধীনতার মূল চেতনা, মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্ন আজকে ধুলিসাৎ হয়ে গেছে।

‘একটি দল ক্ষমতায় থাকার জন্য স্বৈরাচারী, ফ্যাসিস্ট প্রক্রিয়ায় এদেশের মানুষের কথা বলার অধিকার, গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক অধিকারকে লুট করে বাংলাদেশকে ধ্বংসের কিনারায় নিয়ে গিয়ে সারা বিশ্বে লজ্জ্বায় ফেলে দিয়েছে।’

বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি ও সহ-প্রচার সম্পাদক আমীরুল ইসলাম খান আলিমের যৌথ সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন- দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান ও সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, শাহজাহান ওমর, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, এজেডএম জাহিদ হোসেন, আহমেদ আজম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, আবদুস সালাম, জয়নুল আবদিন ফারুক, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক সাদেক আহমেদ খান প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
বিএনপিকে ইসির আমন্ত্রণ হঠাৎ নয়: কমিশনার
বিএনপিকে আলোচনার আহ্বান জানিয়ে সিইসির চিঠি
বিনা পরোয়ানায় নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার বন্ধ চায় বিএনপি
মানবাধিকার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেদনে লজ্জিত হই: ফখরুল
শওকত মাহমুদকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP wants to destroy the sanctity of Ramadan Information Minister

রমজানের পবিত্রতা নষ্ট করতে চায় বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী

রমজানের পবিত্রতা নষ্ট করতে চায় বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী রাজধানীর মিণ্টো রোডের সরকারি বাসভবনে শনিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। ছবি: নিউজবাংলা
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘অতীতে আমরা কখনও পবিত্র রমজান মাসে আন্দোলনের ঘোষণা দেখিনি। সবাই রমজানের পবিত্রতা বজায় রেখে রাজনৈতিক কর্মসূচি থেকে বিরত থাকে। বিএনপির কর্মসূচি দেখে মনে হচ্ছে তারা রমজানের পবিত্রতা নষ্ট করতে চায়।’

বিএনপি রমজানের পবিত্রতা নষ্ট করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, ‘দলটি রমজানেও মানুষকে স্বস্তি দিতে চায় না। রমজান মাসে কর্মসূচির নামে তারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে।’

রাজধানীর মিণ্টো রোডের সরকারি বাসভবনে শনিবার দুপুরে মতবিনিময়কালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘অতীতে আমরা কখনও পবিত্র রমজান মাসে আন্দোলনের ঘোষণা দেখিনি। সবাই রমজানের পবিত্রতা বজায় রেখে রাজনৈতিক কর্মসূচি থেকে বিরত থাকে। রমজানে ইফতার পার্টি হয়, সেখানে কথাবার্তা হয় এবং অন্যান্য কর্মসূচি হয়। বিএনপির কর্মসূচি দেখে মনে হচ্ছে তারা রমজানের পবিত্রতাটাও নষ্ট করতে চায়।’

রমজানে দেশে পণ্যের যথেষ্ট মজুদ থাকার পরও যারা দাম বাড়াচ্ছে তাদেরকে গণবিরোধী হিসেবে উল্লেখ করেন তথ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘দুঃখজনক হলেও সত্যি যে রমজান কিংবা কোনো উৎসব-পার্বণ এলে আমাদের দেশের কিছু কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফা করতে পণ্যের মূল্য বাড়িয়ে দেয়।

‘রমজান সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী আমদানি ও উৎপাদননির্ভর সব পণ্যের সরবরাহ যাতে ঠিক থাকে সে ব্যবস্থা করেছেন। ফলে খাদ্যপণ্যের মজুদ এখন শুধু যথেষ্টই নয়, বরং প্রয়োজনের চেয়ে বেশি। রমজানে পণ্যমূল্য বৃদ্ধির কোনো যৌক্তিক কারণ নেই।’

তিনি বলেন, রমজানে যারা দাম বাড়াবে তাদের বিরুদ্ধে সরকার ইতোমধ্যে ব্যবস্থা নিচ্ছে। প্রয়োজনে শাস্তির বিধান রাখা হবে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন সংস্থা কাজ করছে, বাজার মনিটর করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে জনগণকেও সতর্ক থাকার আহ্বান জানাই।

‘কেউ যেন পণ্যের সংকট তৈরি ও অযথা দাম বাড়িয়ে অতিরিক্ত মুনাফা করতে না পারে সে ক্ষেত্রে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে রিপোর্টিং করাসহ গণমাধ্যমও ভূমিকা রাখতে পারে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mirza Fakhrul is a broker of evil Kader

মির্জা ফখরুল অপশক্তির দালাল: কাদের

মির্জা ফখরুল অপশক্তির দালাল: কাদের আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘২৫ মার্চ জাতীয় গণহত্যা দিবসে বিএনপির কোনো কর্মসূচি নেই কেন? একাত্তরের গণহত্যার জন্য একটিবারের জন্যও পাকিস্তান দুঃখ প্রকাশ করেনি, ক্ষমা চায়নি। অথচ এদেশে এখনও কেউ কেউ বলেন, পাকিস্তান আমল ভালো ছিল। তারা আসলে পাকিস্তানের সেবাদাস, পাকিস্তানের দালাল।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘দেশে সাম্প্রদায়িক ও জঙ্গিবাদী সব অপশক্তির মুখপাত্র বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার দল বিএনপিও পাকিস্তানের দালাল পার্টি। তাদের চেতনায় রয়েছে পাকিস্তান। এদেরকে প্রতিহত, প্রতিরোধ ও পরাজিত করতে হবে।’

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের আয়োজনে ‘২৫ মার্চ, জাতীয় গণহত্যা দিবস’-এর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রশ্ন তুলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘২৫ মার্চ জাতীয় গণহত্যা দিবসে বিএনপির কোনো কর্মসূচি নেই কেন? একাত্তরের গণহত্যার জন্য একটিবারের জন্যও পাকিস্তান দুঃখ প্রকাশ করেনি, ক্ষমা চায়নি। উপরন্তু তারা ৩/৪ লাখ মানুষ আমাদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে। তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নেয়নি। অথচ এদেশে এখনও কেউ কেউ বলেন, পাকিস্তান আমল ভালো ছিল। তারা আসলে পাকিস্তানের সেবাদাস, পাকিস্তানের দালাল।’

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এসএম মান্নান কচি, দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন কবিরসহ মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

আরও পড়ুন:
মির্জা ফখরুলের মর্মবেদনা আমরা বুঝি: ওবায়দুল কাদের
বিএনপির আন্দোলনের সঙ্গে জনগণ নেই: কাদের
অপকর্মে জড়িতদের ছাত্রলীগ থেকে বের করে দাও: কাদের
‘ফখরুল বিএনপির অবৈধ মহাসচিব’
ভোট চুরির অপবাদ যুক্তরাষ্ট্রেও আছে : কাদের

মন্তব্য

p
উপরে