× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Two women killed by poisoning in Barisal Police
hear-news
player
google_news print-icon

বরিশালে বিষ মিশিয়ে দুই নারীকে হত‌্যা: পুলিশ

বরিশালে-বিষ-মিশিয়ে-দুই-নারীকে-হত‌্যা-পুলিশ
সিঁদ কাটা ঘরের সামনে স্থানীয়রা। ছবি: নিউজবাংলা
বাবুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি পুরোপুরি পরিকল্পিত একটি হত্যাকাণ্ড বলেই মনে হয়েছে। বিষয়টি ভিন্ন খাতে রুপ দেয়ার জন্য চুরির ঘটনা সাজানো হয়েছে। আমরা পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।’

বরিশালের বাবুগঞ্জের কেদারপুরে একই রাতে ইউপি সদস্যের মা ও ছেলের বউয়ের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়াও মৃত ওই ইউপি সদস্যের স্ত্রীকে মুমূর্ষূ অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে স্থানীয়রা।

স্বজন ও স্থানীয়রা বলছে, চুরি করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে খাবারের সঙ্গে বিষাক্তদ্রব্য মিশিয়ে তাদের কিছু খাওয়ানো হয়েছে। তবে পুলিশ বলছে, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, বিষয়টিকে ভিন্ন খাতে নেয়ার জন্য চুরির মতো একটি ঘটনার রুপ দেয়ার চেষ্টা করেছে দুর্বৃত্তরা। যদিও এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকে এখন পর্যন্ত আটক করা হয়নি।

মৃত ১০২ বছর বয়সী লালমুন নেছা বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য মৃত দেলোয়ার হোসেনের মা। ২০ বছর বয়সী রিপা আক্তার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে সোলায়ামানের স্ত্রী। গুরুতর অসুস্থ মিনার বেগমকে স্থানীয় বাহেরচর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বাবুগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অলিউল ইসলাম বৃহস্পতিবার সকালে নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘বুধবার রাত দেড়টা থেকে দুইটার মধ্যে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদের এক থেকে দেড়শ গজ দূরে ঘটনাস্থল। তবে আমরা গিয়ে ঘটনাস্থলে কাউকে পাইনি, তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় স্থানীয়রা। হাসপাতালে নেয়ার পর লালমুন নেছা ও রিপা আক্তারকে মৃত ঘোষণা করা হয়, মিনারা বেগম হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।’

স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, বুধবার রাত ১১টা থেকে সাড়ে ১১টার দিকে প্রতিবেশী এক নারী টয়লেটে যেতে ঘর থেকে বের হন। তখন তিনি বাড়ির মধ্যে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির অবস্থান দেখতে পেয়ে ডাকাডাকি করেন। তবে ওই ব্যক্তি কোনো উত্তর না দিলে ওই নারী ঘরের ভেতর থেকে টর্চলাইট আনতে যান। ফিরে এসে ওই ব্যক্তিকে আর না পেয়ে নিজেদের গোয়ালঘরের দিকে যান তিনি।

সেখানে গিয়ে গরুসহ সবকিছু ঠিকভাবে দেখতে পান। পরে ঘরে ফেরার সময় সাবেক ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেনের ঘরের দরজা খোলা দেখতে পেয়ে ডাকাডাকি করেন। কিন্তু ঘরের ভেতর থেকে কোনো সারাশব্দ না আসায় তিনি ভয়ে ডাক চিৎকার দিলে আশপাশের বাড়ির লোকজনও সেখানে জড়ো হন।

পরে স্থানীয়রা মিলে ঘরের ভেতর গিয়ে তিন নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় এবং পুলিশে খবর দেয়।

এদিকে স্থানীয় গ্রাম পুলিশের দফাদার মো. হানিফ জানান, কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ ভূতেরদিয়া এলাকার এই ঘটনা পুরো এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। সকাল থেকে বাড়িতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি স্থানীয় লোকজনও ভিড় করেছেন।

তিনি বলেন, ‘রাতে এ বাড়িতে দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী, মা ও ছেলের বউ ছাড়া কেউ ছিলেন না। কেউ সন্দেহ করছে চুরির জন্য খাবারের সঙ্গে কিছু মিশিয়ে এই পরিবারের তিনজনকে অচেতন করা হয়েছিল। আর সেই বিষক্রিয়া বেশি হওয়ায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে, বাকি একজন অচেতন হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়। তবে সার্বিক আলামত দেখে চুরির জন্য নয়, হত্যাকাণ্ডের জন্যই এমনটা করা হয়েছে তাও সন্দেহ করছেন অনেকে।’

তিনি বলেন, ‘ঘরের এক পাশে একটি ছোট আকারের সিঁদ কাটা হয়েছে, তবে সেটি দিয়ে কোনো মানুষের চলাচল সম্ভব নয়। আর পরিবারের লোকজনের কাছ থেকে যেটুকু জেনেছি তাতে কিছু স্বর্নালংকারসহ অল্প কিছু মালামাল খোয়া গেছে। এক্ষেত্রে চুরি হলে আরও অনেক মালামালই তো খোয়া যেত।’

কেদারপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. ইব্রাহিম জানান, ওই বাড়িতে চারটি ঘর রয়েছে। তাদের মধ্যে তিনটি ঘরে লোক থাকে। আরেকটি ঘর তালাবদ্ধ। তিনটি ঘরে কোনো পুরুষ ছিল না।

ইব্রাহিম বলেন, ‘দেলোয়ার মেম্বর জীবদ্দশায় একজনের কাছে জমি বিক্রি করার কথা বলে টাকা নিয়েছিল। কিন্তু জমির দলিল দিতে পারেননি। তার উত্তরাধিকার স্ত্রী, ছেলে ও মেয়ে বুধবার ওই জমির দলিল দিয়েছেন। জমির দলিল দিলেও তারা কোনো টাকা পাননি।’

তিনি আরও জানান, জমির দলিল দেয়ার পর সোলেমান বরিশাল নগরীর কর্মস্থলে ও মেয়ে স্বামীর বাড়িতে ফিরে গেছে। তাই ঘরে দেলোয়ারের মা, স্ত্রী ও ছেলের বউ ছিল।

ইউপি সদস্য বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে জমির দলিল দেয়ায় দুর্বৃত্তরা বুঝেছিল ঘরে টাকা রয়েছে। তাই হয়তো খাবার অথবা পানির সঙ্গে বিষ মিশিয়ে রেখেছিল। সেই খাবার খেয়ে তিন নারী অসুস্থ হয়ে পড়ে। রাতে তারা সিঁদ কেটে ঘরে প্রবেশ করেছে।’

সকালে বাবুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি পুরোপুরি পরিকল্পিত একটি হত্যাকাণ্ড বলেই মনে হয়েছে। বিষয়টি ভিন্ন খাতে রুপ দেয়ার জন্য চুরির ঘটনা সাজানো হয়েছে। আমরা পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।’

আরও পড়ুন:
জামাতাকে ফাঁসাতে মেয়েকে খুন, বাবা গ্রেপ্তার
বাড়ি ভাড়া চাওয়ায় হত্যার অভিযোগ
প্রতিপক্ষের হামলায় প্রাণ গেল জমির মালিকের
যৌতুক না পেয়ে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ
সীমান্ত দিয়ে পালানোর সময় হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The lawyer took the litigant out of the court

আদালত থেকে বিচারপ্রার্থীকে বের করে দিলেন আইনজীবী

আদালত থেকে বিচারপ্রার্থীকে বের করে দিলেন আইনজীবী কয়েকজন আইনজীবী আদালতের কাজ বন্ধ রয়েছে বলে সালামকে ধমকিয়ে আদালত ভবন থেকে বের করে দেন। ছবি: নিউজবাংলা
আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. মোস্তফা কামাল বলেন, ‘আদালতে বিচারক, কর্মকর্তা ও কার্মচারীগণ উপস্থিত রয়েছেন। বিচারকার্যের জন্য সবাই প্রস্তুত রয়েছেন। বিচার চেয়ে আদালতের কাছে দারস্থ হওয়া আইনগত অধিকার। তবে বিচারপ্রার্থীদের আদালতে আসতে না দেয়া সম্পূর্ণ বেআইনী।’

দীর্ঘ এক মাস ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই বিচারক ও নাজির মমিনুল ইসলামের শাস্তির দাবিতে কোর্ট বর্জন করছে আইনজীবীরা। এতে অচল হয়ে পড়ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিচার ব্যবস্থা। জেলা ও দায়রা জজ নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল-১ এর আদালত ব্যতীত সব আদালতে গিয়েছে আইনজীবীরা ।

দাবি পূরণ না হওয়ায় বুধবার সকাল থেকে আবারও সব আদালত বর্জন করেছে আইনজীবী সমিতি। এতে বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি বুধবার থেকে আরও বাড়বে বলে মনে আদালত-সংশ্লিষ্টরা।

আদালতে ঘুরে দেখা যায়, সকাল সাড়ে ৯ টা থেকে আদালত চত্বরে বিচারপ্রার্থীদের সমাগম থাকলেও আইনজীবী দেখা যায় নি। তবে বিচার প্রার্থীরা জানতেন না বুধবার থেকে আবারও আদালত করবেন না আইনজীবীরা । বিষয়টি জেনে অনেক বিচারপ্রার্থী হতাশাগ্রস্থ হয়েছে। দূর-দূরান্ত থেকে আসা বিচারপ্রার্থীরা আদালত প্রাঙ্গণে এসে ঘুরে আবারও ফিরে যাচ্ছেন।

বিচার প্রার্থীরা ইচ্ছেকৃতভাবে ফিরে যাচ্ছে না, আইনজীবীরা আদালতের প্রতিটি প্রবেশ দ্বারে দাঁড়িয়ে আদালত থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ রয়েছে বিচার প্রার্থীদের।

তেমনটি অভিযোগ করেন সরাইল উপজেলা অরুয়াইল থেকে আসা সালমা বেগম। তিনি অভিযোগ করেন, স্বামীর জামিনের আবেদন করতে আসলে আদালতে ভিতর ঢুকতেই ধমকিয়ে বের করে দেয়া হয়েছে তাকে। চার শিশু সন্তান নিয়ে দীর্ঘ দেড় মাস যাবত এই আদালতে চত্বরে ঘুরছেন স্বামী কাউসারকে জামিন করানোর জন্য। তবে আইনজীবী ও বিচারকদের দ্বন্ধে স্বামীর জামিন না করাতে পেরে শিশু সন্তান নিয়ে পথে বসার মত অবস্থা তাদের।

সালমা বেগম বলেন, ‘৬ মাস আগে প্রতিবেশী এক মহিলা তার স্বামী কাউসারের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। আর সেই মামলায় জেল খাটছে তার স্বামী। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী হওয়ায় স্বামীকে জামিন করানো জন্য হন্য হয়ে ঘুরছে আদালতে।

‘গত ৩ জানুয়ারি আদালতে হাজির করানো হয়েছিল। মামলায় প্রতিবেশী মহিলার সঙ্গে আপোষ করা হলেও সেদিন আইনজীবী না থাকায় তার স্বামীর জামিন হয় নি। তবে আদালতের বিচারক বলেছিলেন পিপি সাহেবের স্বাক্ষর নিয়ে আসলে জামিন দেয়া হবে। কিন্তু সেদিন ৫০০০ হাজার টাকা দিয়ে পায়ে ধরে কান্নাকাটি করলে তিনি স্বাক্ষর দেননি। বুধবার তার স্বামীর মামলা শুনানি ছিল। কিন্তু সকালে আদালতে প্রবেশ দ্বারে ঢুকতে গেলেই কয়েকজন আইনজীবী আদালতের কাজ বন্ধ রয়েছে বলে সালামকে ধমকিয়ে আদালত ভবন থেকে বের করে দেয়। এ সময় সাথে ছিল তার চার শিশু সন্তান।’
শুধু সালমা নয়, সরাইল রসূলপুরের মুমিনুল হক, কসবা উপজেলা শাহাদৎ মিয়া, আখাউড়া উপজেলা মনোয়ারা বেগম, বাঞ্ছারাপুরের ইলিয়াস মিয়া, নবীরনগর উপজেলা কৃষ্ণনগর গ্রামের ইছা মিয়া সহ আরও বেশ কয়েকজনকে আইনজীবীদের পথ আটকে দেয়ার কারণে আদালত থেকে ফিরে যেতে হয়েছে।

আদালত থেকে ফিরিয়ে দেয়ার কারণ জানতে চাইলে আইনজীবী সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট বশির আহমেদ খান বলেন, ‘আমাদের দাবি অনুযায়ী আদালত বর্জন চলছে। কার্যক্রম যেন না নিতে পারে সেক্ষেত্রে ব্যবস্থা নিচ্ছি। আইনজীবী ছাড়া সরাসরি যেন কোনো পিটিশন না নেয় সেই বিষয়ে আমরা প্রয়োজন ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

এ ব্যাপারে আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. মোস্তফা কামাল বলেন, ‘আদালতে বিচারক, কর্মকর্তা ও কার্মচারীগণ উপস্থিত রয়েছেন। বিচারকার্যের জন্য সবাই প্রস্তুত রয়েছেন। বিচার চেয়ে আদালতের কাছে দারস্থ হওয়া আইনগত অধিকার। তবে বিচারপ্রার্থীদের আদালতে আসতে না দেয়া সম্পূর্ণ বেআইনী।’

আরও পড়ুন:
এক সপ্তাহ পর সচল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিচার বিভাগ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই বিচারক বাদে অন্যদের আদালতে যাবেন আইনজীবীরা
দুই বিচারকের অপসারণ দাবিতে আইনজীবীদের কোর্ট বর্জন
এয়ারগানে পাখি শিকারের দায়ে ৬ মাসের জেল
এনআইডি জালিয়াতির মামলায় ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে অভিযোগ গ্রহণ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Old womans throat slit in cowshed

গোয়াল ঘরে বৃদ্ধার গলাকাটা মরদেহ

গোয়াল ঘরে বৃদ্ধার গলাকাটা মরদেহ
মেলান্দহ থানার ওসি দেলোয়ার বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।’

জামালপুরের মেলান্দহে এক বৃদ্ধ নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার ঝাউগড়া ইউনিয়নের টগারচর এলাকায় সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

৫৫ বছর বয়সী সুরাইয়া বেগম ওই এলাকার আজিজুল হকের স্ত্রী।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন নিউজবাংলাকে এসব তথ্য জানান।

নিহতের স্বজনেরা জানান, বুধবার ভোর সকালে গোয়ালঘর থেকে গরু বের করতে যান নিহত সুরাইয়া বেগম। তার স্বামী আজিজুল হক মসজিদে ফজরের নামাজ পড়ে গোয়াল ঘরে গিয়ে দেখেন স্ত্রীর গলাকাটা লাশ। পরে ডাক চিৎকারে লোকজন আসেন। পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

ওসি দেলোয়ার বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।’

আরও পড়ুন:
দোকানের সামনের সড়কে যুবকের গলাকাটা ক্ষতবিক্ষত মরদেহ
কমলাপুরে আবাসিক হোটেলে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ
স্বামীর ওপর রাগ করে সৎ ছেলেকে বালিশচাপায় হত্যার অভিযোগ
নদীতে গোসলে নেমে নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু
ঢাকনাহীন সেপটিক ট্যাংকে পড়ে প্রাণ গেল শিশুর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
All 65 students of 13 colleges in Dinajpur failed

দিনাজপুরে ১৩ কলেজের সবাই ফেল

দিনাজপুরে ১৩ কলেজের সবাই ফেল দিনাজপুরে এইচএসসির ফল পেয়ে উচ্ছ্বসিত ছাত্রীরা। ছবি: নিউজবাংলা
জেলায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষার পাসের হার গত বছরের তুলনায় কমেছে। এ বছর এ বোর্ডে পাস দাঁড়িয়েছে ৭৯ দশমিক ৮ শতাংশ। একই সঙ্গে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী, জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে। তবে সে তুলনায় গত বছরের তুলনায় অকৃতকার্য কলেজের সংখ্যা বেড়েছে।

দিনাজপুরে গত বছর অকৃতকার্য কলেজের সংখ্যা ছিল দুটি, তবে এ বছর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩টিতে। এই ১৩টি কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল মাত্র ৬৫ জন।

জেলায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষার পাসের হার গত বছরের তুলনায় কমেছে। এ বছর এ বোর্ডে পাস দাঁড়িয়েছে ৭৯ দশমিক ৮ শতাংশ। একই সঙ্গে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী, জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে। তবে সে তুলনায় গত বছরের তুলনায় অকৃতকার্য কলেজের সংখ্যা বেড়েছে।

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তোফাজ্জুর রহমানের সই করা এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে বুধবার দুপুরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চলতি বছর এসএসসি পাসের হার ৭৯ দশমিক ৮ শতাংশ। গত বছর এই বোর্ডে পাশের হার ছিল ৯২ দশমিক ৪৩ শতাংশ। এই বোর্ডের অধীনে রংপুর বিভাগের ৮ জেলার ৬৭১টি কলেজ থেকে এক লাখ ২৯৩ জন পরীক্ষার্থী রেজিষ্ট্রেশন করে। কিন্তু পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ৯৯ হাজার ৭০৫ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ৭৮ হাজার ৮৪৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিসূত্রে জানা গেছে, উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ১১ হাজার ৮৩০ জন। এর মধ্যে ৬ হাজার ২৫৫ জন ছাত্রী ও ৫ হাজার ৫৭৫ জন ছাত্র। গত বছর এই বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১৫ হাজার ৩৪৯ জন শিক্ষার্থী। সে তুলনায় চলতি বছর জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যা কমেছে তিন হাজার ৫১৯ জন।

এ বোর্ডে অকৃতকার্য ১৩টি কলেজগুলো হলো- ঠাকুরগাঁও জেলার রানীশংকৈল উপজেলার গড় কলেজ (১৩ জন পরীক্ষার্থী), ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালন্দর মহিলা কলেজ (১১ জন পরীক্ষার্থী), কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাটে সিংগার ডাবরিরহাট বিএল হাই স্কুল এন্ড কলেজ (৭ জন পরীক্ষার্থী), পঞ্চগড় জেলার তেতুলিয়া উপজেলার আলহাজ্ব তমিজ উদ্দীন কলেজ (৭জন পরীক্ষার্থী), পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার মারেয়া মডেল হাই স্কুল এন্ড কলেজ (৭জন পরীক্ষার্থী), লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার নাসির উদ্দীন কলেজ (৬জন পরীক্ষার্থী), একই জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার দুহুলা এসসি হাই স্কুল এন্ড কলেজ (৪জন পরীক্ষার্থী), নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার চৌধুরীরানী হাই স্কুল এন্ড কলেজ (৩জন পরীক্ষার্থী), দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার সনকা আদর্শ কলেজ (৩জন পরীক্ষার্থী), গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা মহিলা কলেজ (একজন পরীক্ষার্থী), লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার দইখাওয়া মহিলা কলেজ (একজন পরীক্ষার্থী), দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার উত্তর লক্ষিপুর হাই স্কুল এন্ড কলেজ (একজন পরীক্ষার্থী) ও ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার পীরগঞ্জ কলেজিয়েট স্কুল এন্ড কলেজ (একজন পরীক্ষার্থী)।

আরও পড়ুন:
এইচএসসির ফল প্রকাশ
এইচএসসি ও সমমানের ফল জানবেন কীভাবে
এইচএসসির ফলের অপেক্ষা
এইচএসসির ফল ৮ ফেব্রুয়ারি
এসএসসি এপ্রিলে, এইচএসসি জুনে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bangladeshi killed in BSF firing at Maheshpur border

মহেশপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

মহেশপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত আরিফুল ইসলামের নিহতের ঘটনায় স্বজনদের আহাজারি। ছবি: নিউজবাংলা
শ্যামকুড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জামিরুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘মরদেহ ভারতে রয়েছে। আমরা মরদেহ দেশে ফেরত আনার জন্য বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ করেছি।’

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার শ্যামকুড় সীমান্তে বিএসএফের এক গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন।

ভারতের পাকুড়া সীমান্তে বুধবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ৩০ বছর বয়সী আরিফুল ইসলাম শ্যামকুড় পশ্চিমপাড়ার বাসিন্দা।

স্থানীয় সংবাদকর্মী মশিউর রহমান টিংকু জানান, আরিফুল ইসলামসহ আরও কয়েকজন সীমান্তের ওপারে গরু আনতে যায়। ভোররাতে ফেরার পথে ভারতের পাখিউড়া ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যসের সামনে পড়ে। সেসময় বিএসএফ তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে অন্যরা পালিয়ে গেলেও গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায় আরিফুল ইসলাম।

শ্যামকুড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জামিরুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘মরদেহ ভারতে রয়েছে। আমরা মরদেহ দেশে ফেরত আনার জন্য বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ করেছি।’

আরও পড়ুন:
থানচিতে র‌্যাবের সঙ্গে জঙ্গিদের গোলাগুলি
ট্রাকচাপায় বাইক আরোহী নিহত
ভবন মালিকের গুলিতে রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার ও কর্মচারী আহত
গরুবোঝাই ভটভটির ধাক্কায় প্রাণ গেল বাইক আরোহীর
ফলার আঘাতে নিহত পল্লি চিকিৎসক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
100 pass in 34 colleges in Barishal

ব‌রিশা‌লে শতভাগ পাস ৩৪টি ক‌লে‌জে

ব‌রিশা‌লে শতভাগ পাস ৩৪টি ক‌লে‌জে বরিশালে এইচএসসির ফল পেয়ে উচ্ছ্বসিত ছাত্রীরা সেলফি তুলছেন। ছবি: নিউজবাংলা
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ব‌লেন, ব‌রিশাল বিভা‌গে এবা‌রে পাসের হা‌রে এ‌গি‌য়ে র‌য়ে‌ছে ভোলা জেলা। এই জেলায় পা‌শের হার ৯২ দশ‌মিক ৯। এরপ‌রে ৯১ দশ‌মিক ১২ ভাগ নি‌য়ে এ‌গি‌য়ে আ‌ছে ব‌রিশাল। ঝালকা‌ঠি‌তে পা‌সের হার ৮৮ দশ‌মিক ২৫, পি‌রোজপু‌রে ৮৮ দশ‌মিক ১৮, বরগুনায় ৮৭ দশ‌মিক ৮৩ ও পটুয়াখালী‌তে পা‌সের হার ৭৩ দশ‌মিক ৭৫ ভাগ।

বরিশালে উচ্চ মাধ‌্যমিক পরীক্ষায় এবা‌রে কো‌নো ক‌লে‌জেই শূন‌্য পাস নেই, ত‌বে শতভাগ পাস র‌য়ে‌ছে ৩৪টি ক‌লে‌জে।

ব‌রিশাল বো‌র্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অরুন কুমার গাইন বুধবার এক সংবাদ স‌ম্মেল‌নে এ ফলাফল প্রকাশ ক‌রেন।

তি‌নি বলেন, ‘এবা‌রে কো‌নো ক‌লে‌জেই শূন‌্য পাস নেই। ত‌বে শতভাগ পাস র‌য়ে‌ছে ৩৪টি ক‌লে‌জে। এবা‌রে ইং‌রেজি সাব‌জে‌ক্টে তুলনামূলক ফলাফল খারাপ হ‌য়ে‌ছে পরীক্ষার্থী‌দের।’

উচ্চ মাধ‌্যমিক পরীক্ষায় ব‌রিশাল মাধ‌্যমিক ও উচ্চ মাধ‌্যমিক শিক্ষাবো‌র্ডে পা‌সের হার ৮৬ দশ‌মিক ৯৫ ভাগ। গত বছর পা‌সের হার ছি‌ল ৯৫ দশ‌মিক ৭৬। ত‌বে গত বছ‌রের তুলনায় পা‌সের হার কম হ‌লেও ফলাফলে সবাই সন্তুষ্ট ব‌লে জা‌নি‌য়ে‌ছে বোর্ড কর্তৃপক্ষ। এ‌দি‌কে এবা‌রে জি‌পিএ ৫ পে‌য়ে‌ছে ৭৩৮৬ জন, যা গত বছ‌রের তুলনায় ২৫৮৫ জন কম।

অরুন কুমার ব‌লেন, ‘৬১ হাজার ৮৮৫ পরীক্ষার্থীর ম‌ধ্যে উত্তীর্ণ হ‌য়ে‌ছে ৫৩ হাজার ৮০৭ জন। এর ম‌ধ্যে ছে‌লে ২৫ হাজার ৫৮৮ ও মে‌য়ে ২৮ হাজার ২১৯ জন। ৭ হাজার ৩৮৬ জন জি‌পিএ-৫ প্রাপ্তদের ম‌ধ্যে ছে‌লে দুই হাজার ৫৮০ ও মে‌য়ে ৫ হাজার ৮০৬ জন।’

৩৩১ ক‌লে‌জের পরীক্ষার্থীরা ১২৫ কে‌ন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নে‌য় এবং পু‌রো পরীক্ষায় ব‌হিষ্কার হ‌য়েছেন ২০ জন পরীক্ষার্থী। তা‌দের ম‌ধ্যে ৭ জন বিজ্ঞান বিভা‌গের, ১২ জন মান‌বিক ও একজন ব‌্যবসায় শিক্ষার।

বিজ্ঞান বিভা‌গে পরীক্ষার্থী ছি‌ল ১২ হাজার ৭২ জন, পাশ ক‌রে‌ছে ১০ হাজার ৮৬১ জন, মা‌নবিক বিভা‌গে পরীক্ষার্থী ছি‌ল ৪০ হাজার ৩১১ জন ও পাস ক‌রে‌ছেন ৩৪ হাজার ৬৭৩ জন এবং ব‌্যবসায় শিক্ষা বিভা‌গে পরীক্ষার্থী সংখ‌্যা ৯ হাজার ৫০২ জন ও পাস ক‌রে‌ছে ৮ হাজার ২৭৩ জন।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ব‌লেন, ব‌রিশাল বিভা‌গে এবা‌রে পা‌সের হা‌রে এ‌গি‌য়ে র‌য়ে‌ছে ভোলা জেলা। এই জেলায় পা‌সের হার ৯২ দশ‌মিক ৯। এরপ‌রে ৯১ দশ‌মিক ১২ ভাগ নি‌য়ে এ‌গি‌য়ে আ‌ছে ব‌রিশাল। ঝালকা‌ঠি‌তে পা‌সের হার ৮৮ দশ‌মিক ২৫, পি‌রোজপু‌রে ৮৮ দশ‌মিক ১৮, বরগুনায় ৮৭ দশ‌মিক ৮৩ ও পটুয়াখালী‌তে পা‌সের হার ৭৩ দশ‌মিক ৭৫ ভাগ।

ভোলা পা‌সের হা‌রে এ‌গি‌য়ে থাক‌লেও দুই হাজার ২৯৭‌টি জি‌পিএ-৫ এ পে‌য়ে এ‌গি‌য়ে ব‌রিশাল জেলা। এ ছাড়া ভোলায় জি‌পিএ-৫ পে‌য়ে‌ছে ৬৫৩ জন, ঝালকা‌ঠি‌তে ২৯৮ জন, পি‌রোজপু‌রে ৫৪৭ জন, বরগুনায় ৫২৭ জন ও পটুয়াখালী‌তে ৪৮৪ জন।

এ‌দি‌কে ফলাফ‌লে খু‌শি হ‌য়ে ব‌রিশা‌লে ক‌লে‌জে ক‌লে‌জে উচ্ছ্বাস ক‌রে‌ছে শিক্ষার্থীরা। কা‌ঙ্খিত ফলাফল পে‌য়ে খু‌শি তারা।

আরও পড়ুন:
এইচএসসি ও সমমানের ফল জানবেন কীভাবে
এইচএসসির ফলের অপেক্ষা
এইচএসসির ফল ৮ ফেব্রুয়ারি
এসএসসি এপ্রিলে, এইচএসসি জুনে
রাজশাহী বোর্ডে ২০ হাজার পরীক্ষার্থীর খাতা চ্যালেঞ্জ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rajshahi Board pass GPA five ahead girls

রাজশাহী বোর্ডে পাস, জিপিএ ফাইভে এগিয়ে মেয়েরা

রাজশাহী বোর্ডে পাস, জিপিএ ফাইভে এগিয়ে মেয়েরা এইচএসসি ফল ভালো করায় শিক্ষার্থীদের মিষ্টি খাওয়াচ্ছেন শিক্ষক। ছবি: নিউজবাংলা
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আরিফুল ইসলাম বলেন, ছাত্রীদের পাসের হার ৮৫ দশমিক ৮৯ শতাংশ। আর ছাত্রদের পাসের হার ৭৭ দশমিক ৭৭ ভাগ। জিপিএ-৫ প্রাপ্তি ছাত্রীর সংখ্যা ১১ হাজার ৯৫৭ জন। আর জিপিএ ৫ পাওয়া ছাত্রের সংখ্যা ৯ হাজার ৮৯৮ জন।’

রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে ছাত্রদের চেয়ে এগিয়ে ছাত্রীরা।

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আরিফুল ইসলাম বুধবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আরিফুল ইসলাম বলেন, ছাত্রীদের পাসের হার ৮৫ দশমিক ৮৯ শতাংশ। আর ছাত্রদের পাসের হার ৭৭ দশমিক ৭৭ ভাগ। জিপিএ-৫ প্রাপ্তি ছাত্রীর সংখ্যা ১১ হাজার ৯৫৭ জন। আর জিপিএ ৫ পাওয়া ছাত্রের সংখ্যা ৯ হাজার ৮৯৮ জন।’

তিনি আরও বলেন, ‘এবার পাস করেছে এক লাখ ৩ হাজার ৩৮৫ জন। পাসের হার ৮১ দশমিক ৬০। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২১ হাজার ৮৫৫ জন শিক্ষার্থী। পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির দিক দিয়ে গতবারের চেয়ে কমেছে। গত বছর এ বোর্ডে পাসের হার ছিল ৯৭ দশমিক ২৯ শতাংশ।’

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বলেন, ‘এ বছর শতভাগ পাশ করেছে ৩১ টি কলেজের শিক্ষার্থীরা। শতভাগ ফেল করেছে এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ৯টি।’

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আরও বলেন, ‘গত বছরের ৬ নভেম্বর থেকে শুরু হয় এইচএসসি পরীক্ষা। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের আওতায় বিভাগের আট জেলায় এবার পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ২৯ হাজার ৪২৩ জন। এর মধ্যে পরীক্ষা দেয় ১ লাখ ২৬ হাজার ৭০০ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৬৬ হাজার ৯৪৩ জন আর ছাত্রী ৫৯ হাজার ৭৫৭ জন। বিভাগের আট জেলার ৭৫১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এসব শিক্ষার্থী ২০১টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।’

আরও পড়ুন:
এইচএসসির ফল ৮ ফেব্রুয়ারি
এসএসসি এপ্রিলে, এইচএসসি জুনে
রাজশাহী বোর্ডে ২০ হাজার পরীক্ষার্থীর খাতা চ্যালেঞ্জ
ভিক্ষুকের কাছে এইচএসসির ৫০টি খাতা, থানায় নিয়ে গেলেন পথচারী
‘ঘটা করে’ এসএসসি, এইচএসসির ফল প্রকাশ নিয়ে প্রশ্ন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
7 injured in two way clash between three groups of BCL in Chabi

চবিতে ছাত্রলীগের তিন গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৭ 

চবিতে ছাত্রলীগের তিন গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৭  চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের তিন উপগ্রুপের মধ্যে দ্বিমুখী সংঘর্ষ । ছবি: নিউজবাংলা
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভুঁইয়া বলেন, ‘খবর পেয়ে প্রক্টরিয়াল টিম সেখানে গিয়েছে। আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। এ ধরনের ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত। জড়িতদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নেব। নিরাপত্তা জোরদার করতে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হবে।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের তিন উপগ্রুপের মধ্যে দ্বিমুখী সংঘর্ষ হয়েছে। এতে তিন গ্রুপের ৭ কর্মী আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে সিক্সটি নাইন গ্রুপের সঙ্গে সিএফসি ও বিজয় গ্রুপের কর্মীদের যৌথভাবে সংঘর্ষ শুরু হয়।

বিবাদমান গ্রুপগুলো হলো শাটল ট্রেনের বগি ভিত্তিক উপগ্রুপ সিক্সটি নাইন, সিএফসি ও বিজয়। সিক্সটি নাইন গ্রুপ সাবেক সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দিনের অনুসারী হিসেবে ক্যাম্পাসে পরিচিতি। সিএফসি ও বিজয় গ্রুপ শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

সংঘর্ষের সময় সিক্সটি নাইনের কর্মীরা শাহ জালাল হলের সামনে ও ভিতরে, সিএফসি কর্মীরা শাহ আমনের ভেতরে এবং বিজয়ের কর্মীরা সোহরাওয়ার্দী মোড়ে অবস্থান নেয়। সিক্সটি নাইন ও বাকি দুই গ্রুপের মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়া চলে। এ সময় দেশীয় অস্ত্র হাতে মহড়া দিতে দেখা যায় গ্রুপগুলোর নেতা-কর্মীদের।

পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল টিম রাত পৌনে ১টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। তবে রাত সাড়ে চারটার দিকে ফের সংঘর্ষে জড়ায় তিন পক্ষ। সোয়া পাঁচটায় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী সূত্রে জানা যায়, রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেলস্টেশনের একটি চায়ের দোকানে বসে ধূমপান করছিলেন সিক্সটি নাইন গ্রুপের দ্বিতীয় বর্ষের এক কর্মী ৷ তখন সেখানে পাশের একটি টেবিলে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন বিজয় ও সিএফসির তৃতীয় বর্ষের কয়েকজন কর্মী ৷

একপর্যায়ে ধূমপানের ধোঁয়া ছড়ালে সিএফসির এক কর্মী প্রতিবাদ করেন ৷ তিনি ধূমপানকারীর শিক্ষাবর্ষ জানতে চান। পরে সিক্সটি নাইনের ওই কর্মী নিজেকে দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী পরিচয় দিলে সিএফসির কর্মী তার ওপর চড়াও হন ৷ জুনিয়র হয়ে কেন এভাবে প্রকাশ্যে ধূমপান করছেন এসব নিয়ে তর্কাতর্কিতে জড়ান ৷

একপর্যায়ে তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে এটি সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরবর্তীতে প্রক্টরিয়াল বডি ও পুলিশের সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

বিশ্ববিদ্যালয় মেডিক্যালের প্রধান কর্মকর্তা ডা. মো. আবু তৈয়ব জানান, সংঘর্ষে সাতজন মেডিক্যালে চিকিৎসা নিতে এসেছেন। সবাইকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিক্সটি নাইন গ্রুপের নেতা ও শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন টিপু বলেন, ‘জুনিয়রদের মধ্যে ঝামেলা হয়েছে বলে শুনেছি। আমরা তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।’

সিএফসি গ্রুপের নেতা ও শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সাদাফ খান বলেন, ‘রাত ১০টার দিকে স্টেশন তলায় (চায়ের দোকান) আমাদের এক কর্মীকে সিক্সটি নাইন গ্রুপের কর্মীরা মারধর করে ৷ পরবর্তীতে সিক্সটি নাইনের কর্মীদের বিজয় গ্রুপের সঙ্গেও সংঘর্ষ হয়। আমরা আমাদের ছেলেদের হলে ঢুকিয়ে দিই। কিন্তু ভোররাতে সিক্সটি নাইনের কর্মীরা আমাদের কর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা করে।’

বিজয় গ্রুপের নেতা ও শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি নজরুল ইসলাম সবুজ বলেন, ‘সেক্রেটারির ছেলেরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাদের ছেলেদের সঙ্গে ঝামেলা করে ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভুঁইয়া বলেন, ‘খবর পেয়ে প্রক্টরিয়াল টিম সেখানে গিয়েছে। আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। এ ধরনের ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত। জড়িতদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নেব। নিরাপত্তা জোরদার করতে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হবে।’

আরও পড়ুন:
সিঁধ কেটে মা ও দুই সন্তানকে কোপাল দুর্বৃত্তরা
ফের আন্দোলনে চবি চারুকলার শিক্ষার্থীরা
ছাত্রলীগ কর্মীর চাকরি না হওয়ায় চবিতে উপাচার্যের কার্যালয়ে ভাঙচুর
চেয়ারে বসা নিয়ে ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের মধ্যে সংঘর্ষ
শর্ত সাপেক্ষে ক্লাসে ফিরছেন চবি চারুকলার শিক্ষার্থীরা 

মন্তব্য

p
উপরে