× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
3 people including a woman lost their lives in a buffalo attack in Tangail
hear-news
player
google_news print-icon

টাঙ্গাইলে মহিষের গুঁতোয় নারীসহ ৩ জনের প্রাণহানি

টাঙ্গাইলে-মহিষের-গুঁতোয়-নারীসহ-৩-জনের-প্রাণহানি
টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার লাউহাটিতে একটি আক্রমণাত্মক মহিষকে থামানোর চেষ্টা করছেন স্থানীয়রা। ছবি: নিউজবাংলা
স্থানীয়দের ভাষ্য , রোববার সকাল ১০টার দিকে এলাসিন ইউনিয়নের মো. শরিফ মিয়ার মহিষটি আক্রমনাত্মক হয়ে ওঠে। পরে সেটি এলোপাতাড়ি দৌড়াতে থাকে।

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার লাউহাটিতে মহিষের আক্রমণে এক নারীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২২ জন।

নিহতরা হলেন- লাউহাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও তারুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা হাসমত আলী খান এবং একই এলাকার কিতাব আলী ও হাজেরা বেগম।

এদের মধ্যে সোমবার রাত পৌনে এগারোটার দিকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হাসমত আলী ও রাত সাড়ে বারোটায় টাঙ্গাইল থেকে ঢাকায় নেয়ার পথে কিতাব আলীর মৃত্যু হয়। এর আগে রোববার বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাজেরা নামের আরও এক নারী মারা যান।

স্থানীয়দের ভাষ্য, রোববার সকাল ১০টার দিকে এলাসিন ইউনিয়নের মো. শরিফ মিয়ার মহিষটি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। পরে সেটি এলোপাতাড়ি দৌড়াতে থাকে।

এলাসিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মানিক রতন জানান, মহিষের আক্রমণে ৩টি গ্রামের বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে মহিষটির মালিক শরিফ মিয়াও রয়েছেন। তার অবস্থাও গুরুতর।

লাউহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিন মোহাম্মদ খান বলেন, ‘মহিষের আক্রমণে হাজেরা বেগম নামের এক নারী প্রথমে মারা যান। পরে অন্তত ৮-১০ জন ব্যক্তিকে আক্রমণ করে আহত করে মহিষটি। এদের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে।’

এ নিয়ে দেলদুয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন মৃধা বলেন, ‘মহিষটির আক্রমণের শিকার হয়ে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ২২ জন আহত হন। তাদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’

টাঙ্গাইল জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রানা মিয়া বলেন, ‘অতি উৎসাহী লোকজন পিছু নেয়ায় মহিষটি আরও উত্তেজিত হয়ে উঠে। লোকজন মহিষটিকে ধাওয়া না করলে হয়তো হতাহতের সংখ্যা কম হতো। রোববার বিকেলে ঢাকা চিড়িয়াখানা থেকে প্রাণী ফ্রাংকুলাইজেশ (অচেতন) দল ঘটনাস্থলে যায়, তবে এর আগেই স্থানীয় লোকজন মহিষটিকে মেরে ফেলে।’

আরও পড়ুন:
‘মহিষের গুঁতোয়’ লেবু চাষির মৃত্যু
মহিষ দেখতে যেতে হবে চিড়িয়াখানায়!
ক্ষ্যাপা মহিষ প্রাণ নিল মানুষের
বরিশালে হচ্ছে মহিষ গবেষণা কেন্দ্র
মহিষের মাংস এখন মহিষেরই মাংস

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Chief Justice urges speedy resolution of cases

দ্রুত মামলা নিষ্পত্তির তাগিদ প্রধান বিচারপতির

দ্রুত মামলা নিষ্পত্তির তাগিদ প্রধান বিচারপতির চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা আইনজীবী সমিতির শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। ছবি: নিউজবাংলা
আইনজীবীদের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আদালতের সুষ্ঠু মামলা ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে আপনারা (আইনজীবী) বিচারককে সহযোগিতা করবেন। এটা সবার জন্য কাম্য। ভালো করে মামলা উপস্থাপন করবেন, আইনের বাখ্যা দেবেন। স্বল্প সময়ে বিচারপ্রার্থীদের আইনি প্রতিকার দেয়া কেবল আদালতের নয়, আপনাদেরও দায়িত্ব।’

বিচারপ্রার্থীকে আইনি প্রতিকার দিতে মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির বিষয়ে তাগিদ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। তিনি বলেছেন, স্বল্প সময়ে আইনি প্রতিকার দেয়া আদালত ও আইনজীবী উভয়ের দায়িত্ব।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা আইনজীবী সমিতির শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানে শনিবার হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী এ কথা বলেন।

আইনজীবীদের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আদালতের সুষ্ঠু মামলা ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে আপনারা (আইনজীবী) বিচারককে সহযোগিতা করবেন। এটা সবার জন্য কাম্য। ভালো করে মামলা উপস্থাপন করবেন, আইনের বাখ্যা দেবেন। স্বল্প সময়ে বিচারপ্রার্থীদের আইনি প্রতিকার দেয়া কেবল আদালতের নয়, আপনাদেরও দায়িত্ব।’

বিচারকদের সম্মান জানানোর আহ্বান জানিয়ে আইনজীবীদের ‍উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘অনেক বিচারক আছেন যারা আপনাদের বাবার বয়সী, তাদের প্রাপ্য সম্মানটা আপনারা দেবেন।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জবদুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, বাংলাদেশ আইন কমিশনের সদস্য বিচারপতি এ.টি.এম ফজলে কবীর, জেলা ও দায়রা জজ আদীব আলী, চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক এ কে এম গালিভ খান, পুলিশ সুপার আবদুর রকিব প্রমুখ।

এর আগে সকালে শোভাযাত্রা, জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও বেলুন-পায়রা উড়িয়ে শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। আদালতে আসা বিচারপ্রার্থীদের বিশ্রাম ও বসার সুবিধার্থে ‘ন্যায়কুঞ্জু’ ভবন নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। পরে আদালত চত্বরে দুটি আম গাছ ও একটি কৃষ্ণচূড়া ফুলের গাছ রোপণ করেন প্রধান বিচারপতি।

আরও পড়ুন:
জজদের নির্দেশনা প্রধান বিচারপতির
প্রধান বিচারপতি পদক পেলেন ৫ বিচারক
সংবিধান অনুযায়ী দেশ চলছে কি না দেখবে সুপ্রিম কোর্ট: প্রধান বিচারপতি
প্রযুক্তিনির্ভরতায় বই পড়া কমছে: প্রধান বিচারপতি
দুর্নীতি রাষ্ট্রের ভিত্তি দুর্বল করে: প্রধান বিচারপতি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Concerns of 52 prominent people regarding the attack on Rizwana

রিজওয়ানার ওপর হামলার ঘটনায় ৫২ বিশিষ্টজনের উদ্বেগ

রিজওয়ানার ওপর হামলার ঘটনায় ৫২ বিশিষ্টজনের উদ্বেগ সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। ফাইল ছবি
নাগরিক সমাজের এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা উদ্বেগজনক। আমরা এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ, নিন্দা ও জড়িতদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে কোনো দখলদার, পাহাড়খেকো, নদীখেকো ও ভূমিদস্যু যেন এমন ঘটনা ঘটানোর সাহস না দেখায় সে বিষয়ে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের ওপর হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশের ৫২ জন বিশিষ্ট নাগরিক। এই হামলার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে তাদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।

শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো নাগরিক সমাজের এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অধিকারভিত্তিক সংগঠনের ওপর এ ধরনের ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনা উদ্বেগজনক। আমরা এর তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানাচ্ছি। রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে নাগরিকদের চলাফেরা ও নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। রাষ্ট্রকে সব নাগরিকের এই অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

২৬ জানুয়ারি চট্টগ্রাম নগরীর আকবরশাহ এলাকায় রিজওয়ানা হাসানের গাড়ি লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়া হয়। এ সময় তার সফরসঙ্গী বেলার কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, আকবরশাহ থানাধীন লেকসিটি আবাসিক এলাকায় পাহাড় কেটে ভরাট করা ছড়া পরিদর্শনের সময় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ৯ নম্বর উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জহুরুল আলম ওরফে জসিমের নেতৃত্বে তার অনুসারী দুর্বৃত্তরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

ভবিষ্যতে কোনো দখলদার, পাহাড়খেকো, নদীখেকো ও ভূমিদস্যু যেন এ ধরনের ঘটনা ঘটানোর সাহস না দেখায়, সে বিষয়ে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতেও বিবৃতিতে দাবি জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে সই করেছেন- মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন সুলতানা কামাল, অর্থনীতিবিদ ওয়াহেদউদ্দিন মাহমুদ, পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান, গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী, নিজেরা করির সমন্বয়কারী খুশী কবির, মানবাধিকার কর্মী ড. হামিদা হোসেন, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার, আইন ও সালিশ কেন্দ্রের সভাপতি জেড আই খান পান্না, অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্যপরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাণা দাশগুপ্ত, অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড রিফর্ম অ্যান্ড ডেভলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, অধ্যাপক আনু মোহাম্মদ, নারীপক্ষ’র সদস্য শিরিন হক, টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, আইনজীবী শাহদীন মালিক, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম, অধ্যাপক ড. আবুল বারকাত, লেখক রাহনুমা আহমেদ, ব্লাস্ট-এর অনারারি নির্বাহী পরিচালক সারা হোসেন, সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং, আলোকচিত্রী শহিদুল আলম, অধ্যাপক আসিফ নজরুল প্রমুখ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mother beaten to death for not giving food

খাবার না দেয়ায় মাকে পিটিয়ে হত্যা!

খাবার না দেয়ায় মাকে পিটিয়ে হত্যা! মিঠামইন থানা। ফাইল ছবি
স্থানীয়দের ভাষ্য, ইন্দ্রজিৎ দীর্ঘদিন যাবৎ মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। এ জন্য তাকে নিয়মিত চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল। শনিবার সকালে খাবার নিয়ে কথা কাটাকাটির ‌এক পর্যা‌য়ে মা‌য়ের ওপর চড়াও হয়ে তাকে হত্যা করে পা‌লি‌য়ে যান ইন্দ্রজিত। পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে মরদেহে উদ্ধার করে।

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে খাবার না দেওয়ায় মাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ছেলে ইন্দ্রজিত দাসকে (৪৫) আটক করেছে পুলিশ।

উপজেলার সদর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর বড়হাটি এলাকায় শনিবার সকাল ৭ টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে।

মৃত মনমোহনী দাস(৭০) উপজেলার গোবিন্দপুর বড়হাটি এলাকার বাসিন্দা হরিলাল দাসের স্ত্রী।

স্থানীয়দের ভাষ্য, ইন্দ্রজিৎ দীর্ঘদিন যাবৎ মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। এ জন্য তাকে নিয়মিত চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল। শনিবার সকালে খাবার নিয়ে কথা কাটাকাটির ‌এক পর্যা‌য়ে মা‌য়ের ওপর চড়াও হয়ে তাকে হত্যা করে পা‌লি‌য়ে যান ইন্দ্রজিত। পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে মরদেহে উদ্ধার করে।

মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কলিন্দ্র নাথ গোলদার বলেন, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ইন্দ্রজিতকে এরইমধ্যে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুন:
যৌতুক না পেয়ে স্ত্রীকে হত্যায় মৃত্যুদণ্ড
দেড় যুগ পর সম্মেলন, হয়নি কমিটি
মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় এক উপজেলাতে ৪ ‘রাজাকার’
হোসেনপুর ছাত্রলীগের নতুন কমিটিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
হাসপাতালে ফোন হারানো নিয়ে আনসার-সুইপার সংঘর্ষ, আহত ৭

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Some misuse of law is normal Law Minister

আইনের কিছু অপব্যবহার হওয়াটা স্বাভাবিক: আইনমন্ত্রী

আইনের কিছু অপব্যবহার হওয়াটা স্বাভাবিক: আইনমন্ত্রী শনিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সেমিনারে বক্তব্য দেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। ছবি: নিউজবাংলা
আনিসুল হক বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের যথেষ্ট প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। যে কারণে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করা হয়েছে তা কেউ বলে না। শুধু বলা হয়, বাক-স্বাধীনতা ও সংবাদ ক্ষেত্রের স্বাধীনতা হরণ করার জন্য এই আইন করা হয়েছে। এটা মোটেও সঠিক নয়।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের যথেষ্ট প্রয়োজনীয়তা রয়েছে উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেছেন, প্রকৃত অপরাধী থেকে পুলিশ ও আইনপ্রণেতাদের দুই ধাপ এগিয়ে থাকতে হবে। কারণ আইনকে পাশ কাটিয়ে কিভাবে অপরাধ করা যায় তারা সেই চেষ্টায় থাকে।

শনিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ আয়োজিত ‘নিরাপদ ডিজিটাল সমাজ: রাষ্ট্রের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের যথেষ্ট প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। যে কারণে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করা হয়েছে তা কেউ বলে না। শুধু বলা হয় বাক-স্বাধীনতা ও সংবাদ ক্ষেত্রের স্বাধীনতা হরণ করার জন্য এই আইন করা হয়েছে, যা মোটেও সঠিক নয়।

মন্ত্রী বলেন, আইন হলে তার কিছু অপব্যবহার হয়, এটা স্বাভাবিক। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে পাশ কাটিয়ে কিভাবে অপরাধ করা যায় সে ব্যাপারেও চেষ্টা হবে। কারণ অপরাধীরা সব সময় একধাপ এগিয়ে থাকার চেষ্টা করে । পুলিশ ও আইন প্রণেতাদের এখন প্রকৃত অপরাধীদের থেকে দুই ধাপ এগিয়ে থাকার চেষ্টা করতে হবে।

ডাটা সুরক্ষা আইন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, আগে আইন প্রণয়ন করার আগে অংশীজনদের সঙ্গে কোনো পরামর্শ করা হতো না। এখন অংশীজনদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে আইন তৈরি করা হয়। অংশীজনদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা ও পরামর্শ করেই ডাটা সুরক্ষা আইন করা হবে। এ নিয়ে বিভ্রান্তির কোনো সুযোগ নেই।

আনিসুল হক বলেন, ‘এখন আমরা গ্লোবাল সিটিজেন হয়েছি। আবার বর্তমানের অনেক অপরাধ ট্রান্স বর্ডার হয়েছে। এসব অপরাধকে মোকাবিলা করার জন্য মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিসটেন্স অ্যাক্ট প্রণয়ন করা হয়েছে। পৃথিবীর প্রায় সব দেশ এই আইন প্রণয়ন করেছে।

এপিনিকের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিল মেম্বার সুমন আহমেদ সাব্বিরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিজিডি ই-গভ সিআইআরটি’র প্রকল্প পরিচালক তারেক এম বরকত উল্লাহ।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন- ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আবু হেনা মোরশেদ জামান, বিটিআরসির কমিশনার আবু সৈয়দ দিলজার হোসেন, ডিএমপির এডিসি মো. নাজমুল ইসলাম, আইসিটি বিষয়ক সাংবাদিক রাশেদ মেহেদী প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
বিচারকের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের বিচার আদালত করবে: আইনমন্ত্রী
অনেকে না জেনেই মানবাধিকারের ছবক দেন: আইনমন্ত্রী
মুক্ত মানুষকে কীভাবে জামিন দেয়: আইনমন্ত্রী
বিএনপির ষড়যন্ত্র সফল হলে দেশ বিরান ভূমি হবে: আইনমন্ত্রী
সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম থাকবে কি না চিন্তাভাবনা হচ্ছে: আইনমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Case against 1200 accused in double murder

জোড়া খুনে অভিযুক্তদের বাড়িঘরে হামলা, ১২০০ জনের নামে মামলা

জোড়া খুনে অভিযুক্তদের বাড়িঘরে হামলা, ১২০০ জনের নামে মামলা দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার চুনিয়াপাড়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে জোড়া খুনের ঘটনায় অভিযুক্তদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু হাসান কবির মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বাড়িঘরে হামলা, অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় স্থানীয় এক গ্রাম পুলিশ অজ্ঞাতনামা এক হাজার ২০০ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন। আসামিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। আর হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার চুনিয়াপাড়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে জোড়া খুনের ঘটনায় অভিযুক্তদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে মামলা হয়েছে।

অজ্ঞাতনামা এক হাজার ২০০ জনকে আসামি করে শুক্রবার রাতে মামলাটি করেন উপজেলার ঘোড়াঘাট ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ সুনীল চন্দ্র দাস।

ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু হাসান কবির মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বাড়িঘরে হামলা, অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় স্থানীয় এক গ্রাম পুলিশ অজ্ঞাতনামা এক হাজার ২০০ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন। আসামিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। আর হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

খোদাদাতপুর গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে বুধবার সকালে প্রতিপক্ষের হামলায় মনোয়ার হোসেন (২৪) ও রাকিব হোসেন (২৫) নামের দুজন নিহত হন। পরদিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার দুপুরে দুজনের জানাজা চলছিল। এ সময় নিহত ব্যক্তিদের পক্ষের লোকজন চুনিয়াপাড়ায় বাড়ি বাড়ি ঢুকে অগ্নিসংযোগ করেন বলে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির লোকজন অভিযোগ করেছেন। অগ্নিসংযোগকালে লোকজন লাঠিসোঁটা, দা ও কোদাল নিয়ে প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা ও লুটপাট চালান। এ সময় প্রাণ বাঁচাতে নারী, শিশু ও পুরুষেরা বাড়িঘর ছেড়ে দৌড়ে পালান।

মামলার এজাহারে বাদী সুনীল চন্দ্র দাস উল্লেখ করেছেন, নিহত দুজনের জানাজা ও দাফনকাজে উপস্থিত খোদাদাতপুর ও পাশের গ্রামের লোকজন লাঠিসোঁটা, দা ও কোদাল নিয়ে চুনিয়াপাড়ায় প্রতিপক্ষের বাড়িসহ আশপাশের বাড়িঘরে হামলা চালান। এ সময় সেখানে উপস্থিত থানা-পুলিশসহ গ্রাম পুলিশের সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রাণপণ চেষ্টা করেন। পরে থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ এনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টাকালে হামলাকারীরা চুনিয়াপাড়ার আবদুস সালাম, তোতা মিয়া, নুরুল ইসলাম, হাফিজুর রহমানের বাড়িসহ আশপাশের কিছু টিনের বসতবাড়ি এবং বাড়ির সামনে খড়ের গাদায় আগুন লাগিয়ে দেন। এ ছাড়া নজরুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী, আবদুল ওহাব, মোগেন ওরফে মকবুল হোসেনের বাড়িসহ ২০ থেকে ২৫টি বাড়ি ভাঙচুর করেন।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, বাড়িঘরে আগুন লাগানো, ভাঙচুর, প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র লুট এবং গরু-ছাগল চুরির ঘটনায় প্রায় সাড়ে ১৬ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে। পরে পার্শ্ববর্তী থানাগুলো থেকে অতিরিক্ত পুলিশ এসে সেখানকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আরও পড়ুন:
ভোটের ফল নিয়ে সংঘর্ষ, ম্যাজিস্ট্রেটের গাড়ি ভাঙচুর
মুক্তিপণের দাবিতে অপহৃত শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ
৪৫ ঘণ্টা পর বিদ্যুৎ পেল দিনাজপুর পৌরসভা
বিআইডাব্লিউটিএ নষ্ট করল কৃষকের আলুর ক্ষেত
বিচারক বদলি, পেছাল ঘোড়াঘাটের ইউএনও হত্যাচেষ্টা মামলার রায়

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNPs tussle with the election knowing that it will not win Hasan

জিততে পারবে না জেনে নির্বাচন নিয়ে বিএনপির টালবাহানা: হাছান

জিততে পারবে না জেনে নির্বাচন নিয়ে বিএনপির টালবাহানা: হাছান রাজশাহীতে রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভার আগে শনিবার সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ। ছবি: সংগৃহীত
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিশ্বের অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশ, যেমন: ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কন্টিনেন্টাল ইউরোপের দেশগুলোর মতোই আমাদের দেশে সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান সরকার দেশ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা অবস্থায় স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের অধীনে জাতীয় নির্বাচন হবে। জিততে পারবে না জেনেই বিএনপি নির্বাচন নিয়ে টালবাহানা করে।’

জিততে পারবে না জেনেই আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসা নিয়ে বিএনপি টালবাহানা শুরু করেছে বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

রাজশাহীতে রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভার আগে শনিবার সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন তিনি।

এতে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে বিএনপির অনড় অবস্থানের বিষয়ে জানতে চাইলে হাছান মাহমুদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিশ্বের অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশ, যেমন: ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কন্টিনেন্টাল ইউরোপের দেশগুলোর মতোই আমাদের দেশে সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান সরকার দেশ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা অবস্থায় স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের অধীনে জাতীয় নির্বাচন হবে। জিততে পারবে না জেনেই বিএনপি নির্বাচন নিয়ে টালবাহানা করে।’

আগামী নির্বাচনে বিএনপির জেতার সম্ভাবনা নেই বলে মনে করেন হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি ডান-বাম-অতি ডান-অতি বাম সব দলকে সঙ্গে নিয়ে ২০০৮ সালের নির্বাচন ও তারপর উপনির্বাচন মিলে ৩০টির মতো আসন পেয়েছিল। ২০১৪ সালে নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত করতে বিএনপি পাঁচ শর বেশি ভোটকেন্দ্র স্কুল ও সেখানকার শিক্ষার্থীদের বই-খাতা পুড়িয়ে দিয়েছে; কয়েকজন নির্বাচন কর্মকর্তাকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। ২০১৮ সালের নির্বাচনেও সংশয়ে থেকে শেষ পর্যন্ত সব রকম জোট করে ছয়টি আসন পেয়েছে।

‘সহজেই বোঝা যায়, নির্বাচনে জেতার কোনো আশা তাদের নেই। আর সে কারণেই তাদের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অলীক স্বপ্ন, এত টালবাহানা।’

আরও পড়ুন:
পদত্যাগ না করলে পালানোর পথ পাবেন না: ফখরুল
‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে’ বিএনপির পদযাত্রা
পদযাত্রায় বিএনপির রাজনৈতিক মৃত্যু দেখছেন কাদের
বিএনপির পদযাত্রা দুপুরে
বিএনপি নেতা খোকনের বাড়িতে আগুন দেয়ার অভিযোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Madrasa janitor to militant leader

মাদ্রাসার দারোয়ান থেকে জঙ্গি নেতা

মাদ্রাসার দারোয়ান থেকে জঙ্গি নেতা নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের ফখরুল ইসলামসহ ছয় সদস্য গ্রেপ্তার। ছবি: নিউজবাংলা
সিটিটিসি প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান জানান, গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে জঙ্গি কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত নয়টি মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে।

নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের মুফতি হান্নানসহ একাধিক নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি গ্রেপ্তার হওয়ায় হরকাতুল জিহাদ সংগঠনটি নেতৃত্ব শূন্য হয়ে যায়। এরই ধারাবাহিকতায় দেশে এসে ফখরুল ইসলাম জঙ্গি কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে নতুন সদস্য সংগ্রহ ও বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের (হুজি) সদস্য সংগ্রহ, অর্থ সংগ্রহ করা এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দাওয়াতি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সিটিটিসি ইউনিটের সিটি সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের ডিজিটাল ফরেনসিক টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের (হুজি) ফখরুল ইসলামসহ ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. ফখরুল ইসলাম, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. সুরুজ্জামান, হাফেজ মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, মো. দীন ইসলাম এবং মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন।

ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শনিবার দুপুরে সিটিটিসি প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান জানান, গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে জঙ্গি কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত নয়টি মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে।

কে এই ফখরুল ইসলাম

সিটিটিসি প্রধান আসাদুজ্জামান বলেন, ‘বিদেশ থেকে জঙ্গি বিষয়ে ট্রেনিং প্রাপ্ত বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের (হুজি) সক্রিয় সদস্য মো. ফখরুল ইসলাম ১৯৮৮ সালে গাজীপুর জেলার টঙ্গী তামিরুল মিল্লাত মাদ্রাসায় দারোয়ানের চাকরি করতেন।

‘পরবর্তীতে ১৯৮৮ সালে কাজের উদ্দেশে বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানের করাচি শহরে যান। পাকিস্তানে অবস্থানের সময় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মুফতি জাকির হোসেনের সঙ্গে পরিচয় হয় তার। মুফতি জাকির হোসেন পাকিস্তানের করাচি শহরে ইসলামীয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল এবং আল কায়েদার সামরিক কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।

‘মুফতি জাকির আল কায়েদা সংগঠনের জিহাদি ট্রেনিংয়ের কমান্ডার। মুফতি জাকির ফখরুল ইসলামকে জিহাদের দাওয়াত দিলে সে দাওয়াত গ্রহণ করেন। ফখরুল ইসলাম জিহাদি ট্রেনিংয়ে অংশগ্রহণের জন্য মুফতি জাকিরের সঙ্গে একাধিকবার পাকিস্তান থেকে আফগানিস্তানের কান্দাহার শহরে দীর্ঘকালীন প্রশিক্ষণে যান।’

আগ্নেয়াস্ত্র প্রশিক্ষণ

ফখরুল ওই ট্রেনিংয়ে বিভিন্ন অস্ত্র প্রশিক্ষণের পাশাপাশি অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র একে-৪৭, এলএমজি ও রকেট লাঞ্চার পরিচালনা শেখেন। ট্রেনিংয়ের সময় কান্দাহারের সমশেদ পাহাড়ে তিনি নিয়মিত ফায়ারিং অনুশীলন করতেন। অনুশীলনের সময় ফখরুল ইসলাম একে-৪৭সহ সশস্ত্র অবস্থায় প্রশিক্ষণ এলাকায় চার ঘণ্টা করে নিরাপত্তামূলক পাহারা ডিউটি করতেন।

সিটিটিসি প্রধান আসাদুজ্জামান আরও বলেন, ওই সময়ে ফখরুল আল কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেন ও মোল্লা ওমরের সঙ্গে একাধিকবার সাক্ষাৎ করেন। তিনি আফগানিস্তানে বিভিন্ন মেয়াদে জিহাদি ট্রেনিং করার পর আবার পাকিস্তানের করাচিতে ফিরে আসেন। করাচি থেকে ১৯৯৫ সালে ইরানের রাজধানী তেহরান যান এবং প্রায় ৩ বছর সেখানে থাকার পর করাচিতে ফিরে আসেন। পরবর্তীতে ইসলামাবাদ থেকে ভারতের ভিসা নিয়ে ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশে চলে আসেন।

বিভিন্ন এনক্রিপটেড অ্যাপস ব্যবহারে যোগাযোগ

সিটিটিসি জানায়, ফখরুল সাংগঠনিক কার্যক্রম স্বশরীরে ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযাগ মাধ্যম ব্যবহার করে অব্যাহত রাখতেন। তিনি অত্যাধুনিক সামাজিক যোগাযাগ মাধ্যমে এনক্রিপটেড অ্যাপস বিপ ব্যবহারের মাধ্যমে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের এবং বাংলাদেশের অন্যান্য হুজি সদস্যদের সঙ্গে উগ্রবাদী ও আক্রমণাত্মক বিষয়ে আলোচনা করে ম্যাসেজ আদান-প্রদান করতেন এবং যেকোনো সময় বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে বড় ধরনের জঙ্গি হামলা পরিচালনার বিষয়ে নিজেদের মধ্যে পরিকল্পনা করতেন।

রোহিঙ্গাদের রিক্রুট ও পাহাড়ি এলাকায় প্রশিক্ষণ ক্যাম্প করতে চেয়েছিল হুজি

বাংলাদেশের হুজি সদস্যদের বান্দরবান পাহাড়ি এলাকায় প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা করেছিল গ্রেপ্তারকৃতরা। ফখরুল ও তার ছেলে গ্রেপ্তার সাইফুল ইসলাম অন্যান্য হুজি সদস্যদের নিয়ে একাধিকবার কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের তাদের সংগঠনে রিক্রুটের উদ্দেশে এবং জিহাদি কার্যক্রমের অংশ হিসাবে রোহিঙ্গাদের অনুপ্রাণিত করার উদ্দেশে তাদেরকে বিভিন্ন সময় মোটা অংকের টাকা অনুদান করেন।

যেভাবে দেয়া হতো বোমা বানানোর প্রশিক্ষণ

নিষিদ্ধ ঘোষিত হুজির একটি এনক্রিপটেড অ্যাপের প্রাইভেট চ্যানেল থেকে প্রাপ্ত কনটেন্ট আব্দুল্লাহ আল মামুন তার সংগঠনের পরিচিত দুই একজনকে হাতে কলমে বোমা বানানোর প্রশিক্ষণ লাভের উদ্দেশে এবং বোমা বানানোর নির্দেশনা দিয়ে শেয়ার করেছে।

আরও পড়ুন:
সরকারি চাকরি দেয়ার নামে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ৫
ডাকাত থেকে জঙ্গি সংগঠনের সামরিক প্রধান মাসুদ
অস্ত্র-গুলিসহ দুই জঙ্গি গ্রেপ্তারের ঘটনায় মামলা
মদের মামলায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ ছেলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
ভালুক শাবক দুটি পাচারের চেষ্টা হচ্ছিল

মন্তব্য

p
উপরে