× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
People will dismiss the government Mirza Fakhrul
hear-news
player
google_news print-icon

জনগণই সরকারকে বিদায় করবে: মির্জা ফখরুল

জনগণই-সরকারকে-বিদায়-করবে-মির্জা-ফখরুল
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি
বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘সব রাজনৈতিক দলগুলো একমত হয়েছে। এই সরকারের পতন ছাড়া এই রাষ্ট্রের কল্যাণ সম্ভব নয়। শুধু ক্ষমতার পরিবর্তনের জন্য নয়, এই রাষ্ট্র কাঠামোর জন্য এই সরকারকে বিদায় জানাতে হবে। আরও ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনগণই পথ দেখাবে।

বর্তমান সংকট থেকে উত্তরণের পথ জনগণই দেখাবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে রোববার বিকেলে এক আলোচনা সভায় এমন মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘সব রাজনৈতিক দলগুলো একমত হয়েছে। এই সরকারের পতন ছাড়া এই রাষ্ট্রের কল্যাণ সম্ভব নয়। শুধু ক্ষমতার পরিবর্তনের জন্য নয়, এই রাষ্ট্র কাঠামোর জন্য এই সরকারকে বিদায় জানাতে হবে। আরও ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনগণই পথ দেখাবে। এখান থেকে বের হতেই হবে।’

মির্জা ফখরুল বলেন,‘ এই সরকার দুটি বিষয়ের খুব বেশি ক্ষতি করেছে। একটা হচ্ছে, রাজনৈতিক। আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে, সাম্যের ওপর ভিত্তি করে যে অর্থনীতি হওয়ার কথা, সেটিও এই সরকার ধ্বংস করেছে। দেশে গরীব আরও গরীব হচ্ছে, বড়লোক আরও বড়লোক হচ্ছে।’

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘সব রাজনৈতিক দল এই স্বৈরাচার সরকারের পতনের লক্ষ্যে কাজ করছে। ওদিকে ক্ষমতাসীন জোটের অনেকে বেরিয়ে গেছে। ক্ষমতাসীনদের আচরণ দেখলে মনে হয়, তারাই কেবল রাজনীতি বোঝে।’

মানুষ ক্ষমতার পরিবর্তন চায় উল্লেখ করে মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘এই সরকার ফ্যাসিস্ট। বিএনপি যে রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারের ঘোষণা দিয়েছে, এত স্পস্ট করে আগে কখনো বিষয়টি উত্থাপন হয়নি। মানুষ একটা পরিবর্তন চায়। আর বিএনপির কর্মসূচিতে মানুষ বিশ্বাস রাখতে শুরু করেছে।’

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘বিদ্যুতখাত, ব্যাংকখাত সব খাত নষ্ট করেছে এই সরকার। গুম-খুন-ক্রসফায়ার করে, মামলা দিয়ে ক্ষমতায় টিকে আছে তারা। ফ্যাসিবাদের দুটি লক্ষণ। একটি হচ্ছে, ভয় দেখানো, আরেকটি হচ্ছে মিথ্যাচার করে শাসন জায়েজ করা। প্রতিদিন এই সরকার মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে।’

আরও পড়ুন:
এই লড়াই শেষ লড়াই, এই লড়াই জাতিকে রক্ষার জন্য: ফখরুল
পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে রাজনীতি করি: ফখরুল
৯৬-এর আলোকে তত্ত্বাবধায়কের রূপরেখা করছে বিএনপি
নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণেই মিয়ানমারের হামলা: ফখরুল
আপনারা স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক বানিয়েছেন, কে মানবে: ফখরুল

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Prime Minister inaugurated the book fair

বইমেলা উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

বইমেলা উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর
তিন বছর পর সশরীরে হাজির হয়ে বাঙালির বই উৎসব উদ্বোধন কররেলন শেখ হাসিনা। করোনাভাইরাস মহামারির আগে প্রতি বছরই তিনি সশরীরে হাজির হয়ে বইমেলা উদ্বোধন করতেন। তিনি মেলায় ঘুরে বইও কিনতেন।

অমর একুশে বইমেলা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার বিকেলে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গনে উদ্বোধনী বক্তব্য শেষে এই মেলার উদ্বোধন ঘোষণা করেন তিনি। পরে বইমেলা ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো এবারের মেলার আসর। এর মধ্যদিয়ে খুলল বাঙালির প্রাণের মেলার ফটক।

মেলার ৩৯তম আসরের উদ্বোধনের আগে প্রধানমন্ত্রী সাতটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন। এর আগে তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার ২০২২ প্রদান করেন।

প্রধানমন্ত্রী যে বইগুলোর মোড়ক উন্মোচন করেন, সেগুলো হলো ১. শেখ হাসিনা সম্পাদিত বঙ্গবন্ধুর রচনাবলি ২. আমার জীবননীতি আমার রাজনীতি ৩. বাংলা একাডেমি পত্রিকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মশতবার্ষিকী সংখ্যা ৪. বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী: পাঠ বিশ্লেষণ ৫. কারাগারের রোজনামচার: পাঠ বিশ্লেষণ ৬. আমার দেখা নয়াচীন: পাঠ বিশ্লেষণ ৭. হাসান আজিজুল হকের একটি বই।

তিন বছর পর সশরীরে হাজির হয়ে বাঙালির বই উৎসব উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা। করোনাভাইরাস মহামারির আগে প্রতি বছরই তিনি সশরীরে হাজির হয়ে বইমেলা উদ্বোধন করতেন। তিনি মেলায় ঘুরে বইও কিনতেন।

গত তিন বছর মহামারির কারণে প্রধানমন্ত্রী মেলায় উপস্থিত হতে পারেননি। তিনি বইমেলা উদ্বোধন করেছেন ডিজিটালি সংযুক্ত হয়ে। এবার তার উপস্থিতি বইমেলায় ভিন্ন মাত্রা যোগ করল।

২০২০ সালে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের কারণে ঐতিহ্যবাহী বইমেলা শুরু হয় ২ ফেব্রুয়ারি। বৈশ্বিক করোনাভাইরাস মহামারির কারণে, ২০২১ সালে ১৮ মার্চ এবং ২০২২ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বইমেলা শুরু হতে বিলম্ব হয়।

ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন বিকাল তিনটা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা চলবে। তবে দর্শক ক্রেতা ও পাঠকরা রাত সাড়ে আটটার পরে মেলা প্রাঙ্গনে ঢুকতে পারবেন না।

সরকারি ছুটির দিনে সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং দুপুরে খাবার ও নামাজের জন্য এক ঘণ্টা বিরতি থাকবে।

এবারের মেলায় ৬০১টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৯০১টি স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। বাংলা একাডেমি মাঠে ১১২টি প্রতিষ্ঠানকে ১৬৫টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৪৮৯টি প্রতিষ্ঠানকে ৭৩৬টি স্টল বরাদ্দ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

তাছাড়া এ বছর মোট ৩৮টি প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। গত বছর ৫৩৪টি প্রতিষ্ঠানকে ৭৭৪টি স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল। এছাড়া লিটল ম্যাগাজিন চত্বরে ১৫৩টি স্টল থাকবে।

যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বইমেলা ভেন্যু ও এর আশেপাশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে এবং মেলার ১১ লাখ বর্গফুট জায়গার প্রতিটি স্থান সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় থাকবে।

আরও পড়ুন:
বইমেলা উদ্বোধনে বাংলা একাডেমিতে প্রধানমন্ত্রী
হুমকি থাকলে লেখক-প্রকাশকদের নিরাপত্তা দেবে ডিএমপি
এশরার লতিফের ‘নক্ষত্র-নূপুর’ আসছে বইমেলায়

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The science minister asked the journalists questions about Rooppur

রূপপুর নিয়ে প্র‌শ্ন, সাংবাদিকদের ওপর চটলেন বিজ্ঞানমন্ত্রী

রূপপুর নিয়ে প্র‌শ্ন, সাংবাদিকদের ওপর চটলেন বিজ্ঞানমন্ত্রী সচিবালয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বুধবার স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের করণীয়বিষয়ক কর্মশালায় সাংবাদিকদের ওপর চটে যান মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান। ছবি: নিউজবাংলা
সাংবাদিকের প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রী বলেন, ‘আমি বুঝি না, তোমরা প্রফেশনাল না? আর ইউ প্রফেশনাল? লেট মি দিস অ্যান্সার? ইউ আর প্রফেশনাল, লাইক মি আর্কিটেকচার। তোমরা তো প্রফেশনাল। তোমাদের রেগুলার প্রফেশনাল স্টাডির কো‌নো ব্যবস্থা আছে? নাই।’

কর্মশালার বিষয়ের বাইরে গি‌য়ে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ‌কেন্দ্র নি‌য়ে প্রশ্ন করায় সাংবাদিকদের ওপর চটেছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান।

সচিবালয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বুধবার স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের করণীয়বিষয়ক কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠা‌নে এমন ঘটনা ঘ‌টে।

ওই কর্মশালার বিষ‌য়ে সাংবা‌দিক‌দের স‌ঙ্গে ২৮ মি‌নিট কথা ব‌লেন ইয়াফেস ওসমান। এরপর অনুম‌তি নি‌য়ে এক সাংবা‌দিক প্রশ্ন ক‌রতে চাইলে ইয়াফেস ওসমান ব‌লেন, ‘বলো ভাই, তোমাদের তো আবার সময়ের দাম আছে। তো এতগুলো কথা বললাম, এগুলো কি একটাও কাজের কথা হয় নাই? আচ্ছা বলো।’

এরপর ওই সাংবাদিক বলেন, ‘রাশিয়ার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালামাল সরবরাহে কত দেরি হতে পারে?’

জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘ওই ব্যাপারে এখন কিছু বলব না। এত কথার মধ্যে তোমরা চলে গেলে রূপপুরে।’

ওই সময় মন্ত্রীর সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব জিয়াউল হাসান বলেন, ‘আজকের ওয়ার্কশপের সঙ্গে এই প্রশ্ন সঙ্গতিপূর্ণ নয়।’

পরে মন্ত্রী বলেন, ‘আমি বুঝি না, তোমরা প্রফেশনাল না? আর ইউ প্রফেশনাল? লেট মি দিস অ্যান্সার? ইউ আর প্রফেশনাল, লাইক মি আর্কিটেকচার। তোমরা তো প্রফেশনাল। তোমাদের রেগুলার প্রফেশনাল স্টাডির কো‌নো ব্যবস্থা আছে? নাই।’

ওই সময় ক‌য়েকজন সাংবাদিক মন্ত্রী‌কে জানান, সাংবা‌দিক‌দের জন্যও সেই ব্যবস্থা র‌য়ে‌ছে।

তখন মন্ত্রী বলেন, ‘ঘোড়ার ডিম আছে তোমাদের। আমাদের একটা ইনস্টিটিউট আছে। ওখান থেকে যদি সার্টিফিকেট না পাও, ইউ ক্যান নট প্রাকটিস। কারণ হলো, ওটার (ইনস্টিটিউট) শুরুটা হয় আমার হাত দিয়ে। ওইগুলো করো আগে। বিকজ বাংলাদেশকে আমরা ওই জায়গায় নিতে চাই।’

এরপর একজন সাংবাদিক বলেন, ‘সনদ ছাড়া সাংবাদিকতা করা যাবে না সেই বাধ্যবাধকতা নেই।’

এর পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রী বলেন, ‘ওইটাই তো প্রবেলম। তোমার যদি একটা ব্যাকগ্রাউন্ড না থাকে, কালকে বলে দিলা তুমি সাংবাদিক। তুমি তো প্রফেশনালিজমের কিছু বোঝোই না। একটা প্রফেশন মাস্ট নো দ্যাট সাবজেক্ট। তার একটা ব্যাকগ্রাউন্ড থাকতে হবে। একটা কথা বলে দিলা যেকোনো জায়গা থেকে চলে আসলে। তার মানে তোমাদের কোনো স্ট্যান্ডার্ড নাই।

‘তোমার প্রফেশনালি যদি জ্ঞান-গরিমা থাকে, নেচারালি তখন তুমি একভাবে বলবা, আর যদি না থাকে আরেকভাবে বলবা। তারপরও তুমি বলছো আমরা আসতে পারি যেকোনো জায়গা থেকে? এনিওয়ে ভাই, আমি তোমার এই কথায় যেতে চাই না। একদিন আইসো, তোমাদের বসদের সাথে কথা হয় তো, ওদের সাথেই কথা বলব। তোমাদের সাথে বলে আর লাভ নাই।’

সাংবা‌দিকরাও এসব বিষ‌য়ে কথা বল‌তে শুরু কর‌লে মন্ত্রী ব‌লেন, ‘আচ্ছা এই সাবজেক্ট বাদ দিয়ে দাও। আমি ওই জন্য বলছি তোমরা এই সাবজেক্টের ওপর ধরো না কেন? এটা বাদ দিয়ে তুমি চলে গেলে অন্য জায়গায়। এটা নিয়ে আর কোনো কথাই হবে না।

‘তুমি এখানে আসছো কী জন্য? তুমি রূপপুরের ব্যাপারে কথা বলতে আসছো? এখান থেকে তোমার প্রশ্ন বের করতে হবে, উত্তর নিতে হবে। সেটা হলে তুমি প্রোপার জিনিসটা করলা।’

ওই সময় একজন সাংবাদিক মন্ত্রী‌কে বলেন, ‘আমরা যারা সাংবাদিকতা করি তাদের সাবজেক্টের বাইরেও প্রশ্ন করতে হয়। আপনাকে আমরা পাই না, গত ৮-৯ মাসে আপনার প্রোগ্রামে আসিনি, এই প্রথম আসলাম। তাও আবার জরুরি ভিত্তিতে আসতে বলেছেন। ১১টার প্রোগ্রাম, ১১টা ১০ মিনিটে আমাদেরকে জানিয়েছেন। আমরা গুরুত্বপূর্ণ মনে করে চলে এসেছি।

‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে জনগণের জানার আগ্রহ আছে। জনসাধারণের ভিউ থেকে আমাদেরও অনেক কিছু জানতে হয়।’

তখন মন্ত্রী ক্ষে‌পে গি‌য়ে ধম‌কের সু‌রে বলেন, ‘আমি একটা কথা পরিষ্কার বলে যাই। ইউ লিসেন টু মি। আপনারা যদি না আসতে চান, চলে যান। গেট গোয়িং।’

এরপর সেখা‌নে উপ‌স্থিত থাকা সাংবা‌দিকরাও প্র‌তি‌ক্রিয়া জা‌নি‌য়ে অনুষ্ঠানস্থল ছাড়‌তে চাইলে মন্ত্রী ব‌লেন, ‘ইউ শুড গো। আমি বললাম প্রশ্নটা ওটার ওপর না করে এটার ওপরে করেন। এটা বলতে পারব না আমি?’

আরও পড়ুন:
রূপপুরে দ্বিতীয় ইউনিটের পারমাণবিক চুল্লি স্থাপনকাজ শুরু
বাংলাদেশকে ধন্যবাদ রোসাটমপ্রধানের
যেখানে বাংলার চেয়ে দাপট রুশ ভাষার
রূপপুরের বিদ্যুৎপ্রাপ্তি পেছাতে পারে গ্রিডলাইনের কারণে
রূপপুরে দ্বিতীয় চুল্লি স্থাপনের কাজ শুরু বুধবার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Prime Minister at Bangla Academy to inaugurate the book fair

বইমেলা উদ্বোধনে বাংলা একাডেমিতে প্রধানমন্ত্রী

বইমেলা উদ্বোধনে বাংলা একাডেমিতে প্রধানমন্ত্রী বইমেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত
তিন বছর পর সশরীরে হাজির হয়ে বাঙালির বই উৎসব উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা। করোনাভাইরাস মহামারির আগে প্রতি বছরই তিনি সশরীরে হাজির হয়ে বইমেলা উদ্বোধন করতেন। তিনি মেলায় ঘুরে বইও কিনতেন।

অমর একুশে বইমেলা উদ্বোধন করতে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গনে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার বিকেলে তার উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে মেলার এবার আসর।

উদ্বোধনের পর সংক্ষিপ্ত ভাষণ শেষে বইমেলা ঘুরে দেখার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

তিন বছর পর সশরীরে হাজির হয়ে বাঙালির বই উৎসব উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা। করোনাভাইরাস মহামারির আগে প্রতি বছরই তিনি সশরীরে হাজির হয়ে বইমেলা উদ্বোধন করতেন। তিনি মেলায় ঘুরে বইও কিনতেন।

গত তিন বছর মহামারির কারণে প্রধানমন্ত্রী মেলায় উপস্থিত হতে পারেননি। তিনি বইমেলা উদ্বোধন করেছেন ডিজিটালি সংযুক্ত হয়ে। এবার তার উপস্থিতি বইমেলায় ভিন্ন মাত্রা দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
নৌকায় ভোটের ওয়াদা চাই: শেখ হাসিনা
নৌকায় ভোট দিয়েছেন বলেই দেশ আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী
বিএনপির পদযাত্রার অনেক মানে জানালেন কাদের
রাজশাহীর জনসভাস্থলে প্রধানমন্ত্রী
কানায় কানায় পূর্ণ প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Shahjalals runway will be closed for two months and 5 hours

দুই মাস ৫ ঘণ্টা করে বন্ধ থাকবে শাহজালালের রানওয়ে

দুই মাস ৫ ঘণ্টা করে বন্ধ থাকবে শাহজালালের রানওয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে। ফাইল ছবি
বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম বলেন, ‘বিমানবন্দরের রানওয়ের লাইটিং ব্যবস্থার সংস্কারকাজ শুরু হবে। এ জন্য ২ ফেব্রুয়ারি থেকে দুই মাস রাত ২টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ চলাচল বন্ধ থাকবে।’

রানওয়ের লাইটিং ব্যবস্থা সংস্কারকাজের অংশ হিসেবে আগামী দুই মাস ৫ ঘণ্টা করে উড়োজাহাজ চলাচল বন্ধ থাকবে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে।

বৃহস্পতিবার রাত ২টা থেকে শুরু হবে এ সংস্কারকাজ।

শাহজালাল বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, রানওয়ের সেন্ট্রাল লাইন লাইট স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এতে ফ্লাইট ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা বাড়বে। এর অংশ হিসেবে ২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ এপ্রিল বিমানবন্দরের রানওয়ে রাত ২টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এ সময়ের মধ্যে সংস্কারকাজ চলবে, যে কারণে এ ৫ ঘণ্টায় বন্ধ থাকবে উড়োজাহাজ ওঠানামা।

এই সময়ে যেসব ফ্লাইটের শিডিউল থাকবে, সেগুলো দিনের অন্য সময়ে চলবে। ফ্লাইট চলাচলের সূচি পুর্নবিন্যাস করা হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট (এটিএম) বিভাগ থেকে নোটিশ জারি করা হয়েছে।

ফ্লাইট পুর্নবিন্যাসের ফলে সকাল ৭টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা এবং রাত ১০টা থেকে ২টা পর্যন্ত বিমানবন্দরে ফ্লাইটের চাপ হতে পারে। এ চাপ সামলাতে মনিটরিং টিম গঠন করেছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। সাধারণত রাত ২টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত শাহজালাল বিমানবন্দরে সাত থেকে আটটি ফ্লাইট চলাচল করে।

আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম বলেন, ‘বিমানবন্দরের রানওয়ের লাইটিং ব্যবস্থার সংস্কারকাজ শুরু হবে। এ জন্য ২ ফেব্রুয়ারি থেকে দুই মাস রাত ২টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ চলাচল বন্ধ থাকবে।

‘বছরের এ সময়ে কুয়াশা থাকায় ফ্লাইট চলাচলে বিঘ্ন ঘটে, যে কারণে লাইটিং ব্যবস্থা সংস্কারকাজ করতে এ সময়কে বেছে নেয়া হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
কুয়াশায় শাহজালালে ফ্লাইট ওঠানামায় বিপত্তি
বাংলাদেশে নতুন বিমানবন্দর তৈরিতে আগ্রহ ভারতের
যাত্রীর সঙ্গে আনা এয়ার ফ্রায়ারে মিলল দেড় কোটি টাকার স্বর্ণ
বিমানবন্দরে তেলবাহী ট্রাকে আগুন জেনারেটরের স্পার্ক থেকে
শাহজালালে তেলবাহী গাড়ির আগুন নিয়ন্ত্রণে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
It means that despite the improvement Dhakas air is still unhealthy

মানে উন্নতি হলেও ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’

মানে উন্নতি হলেও ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’ রাজধানীতে ধোঁয়া উড়তে থাকা ভাগাড়ের পাশ দিয়ে যাচ্ছেন কয়েকজন। ছবি: এএফপি
আইকিউএয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে বুধবার সকাল ৯টা ৪১ মিনিটে দূষিত বাতাসে ১০০টি শহরের মধ্যে দশম অবস্থানে ছিল বাংলাদেশের রাজধানী। দূষিত বাতাসের দিক থেকে ওই সময়ে শীর্ষে ছিল পাকিস্তানের করাচি। দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে ছিল কাজাখস্তানের আস্তানা ও চীনের উহান।

দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় নিয়মিত শীর্ষ পাঁচে থাকা ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলে জানিয়েছে আইকিউএয়ার।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানিটির র‌্যাঙ্কিংয়ে বুধবার সকাল ৯টা ৪১ মিনিটে দূষিত বাতাসে ১০০টি শহরের মধ্যে দশম অবস্থানে ছিল বাংলাদেশের রাজধানী।

র‌্যাঙ্কিংয়ে দূষিত বাতাসের দিক থেকে ওই সময়ে শীর্ষে ছিল পাকিস্তানের করাচি। দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে ছিল কাজাখস্তানের আস্তানা ও চীনের উহান।

মানে উন্নতি হলেও ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’

গত কয়েক দিন ঢাকার বাতাস ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ছিল। র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থানেও ছিল বিভিন্ন সময়, তবে আজ সকালে সে তুলনায় উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের রাজধানীর বাতাস।

নির্দিষ্ট স্কোরের ভিত্তিতে কোনো শহরের বাতাসের ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি সেটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাকি ক্ষতিকর, তা জানায় আইকিউএয়ার।

কোম্পানিটি শূন্য থেকে ৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘ভালো’ ক্যাটাগরিতে রাখে। অর্থাৎ এ ক্যাটাগরিতে থাকা শহরের বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়।

৫১ থেকে ১০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘মধ্যম মানের বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করে কোম্পানিটি।

আইকিউএয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ধরা হয়।

১৫১ থেকে ২০০ স্কোরে থাকা শহরের বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির বিবেচনা করা হয়।

র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়। তিন শর বেশি স্কোর পাওয়া শহরের বাতাসকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করে আইকিউএয়ার।

সকালের নির্দিষ্ট ওই সময়ে ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ১৬৮। এর মানে হলো ওই সময়ে অস্বাস্থ্যকর বাতাসের মধ্যে বসবাস করতে হয়েছে রাজধানীবাসীকে।

এর আগে মঙ্গলবার ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ১৯৮। অর্থাৎ, গতকালও রাজধানীর বাতাস অস্বাস্থ্যকর ছিল, তবে স্কোরের দিক থেকে হিসাব করলে মঙ্গলবারের বাতাসের মান আজকের তুলনায় খারাপ ছিল।

আইকিউএয়ার জানায়, বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকার বাতাসে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ১৭ দশমিক ৭ গুণ বেশি।

আরও পড়ুন:
স্নাতক নয়, ঢাবিতে এবার ভর্তি পরীক্ষা আন্ডারগ্র্যাজুয়েট নামে
নারীর চোখে দেখা গল্প তারা বলতে পারছে কি?
জয়ের জন্য ঢাকার দরকার ১১৪ রান
পর্দা উঠল ঢাকা লিট ফেস্টের
দুর্নীতির দায়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটির তিন কর্মী চাকরিচ্যুত, আড়াই বছরে ৩৮

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Human chain demanding stop cutting of trees in Dhanmondi

ধানমন্ডিতে গাছ কাটা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

ধানমন্ডিতে গাছ কাটা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ধানমন্ডিতে গাছ কাটার প্রতিবাদে মানবন্ধন। ছবি: নিউজবাংলা
বক্তারা বলেন, গাছ কেটে কোনো উন্নয়ন হয় না। গাছ ও মানুষ সবাইকে নিয়ে গাছবান্ধব নগর পরিকল্পনার দাবি জানান তারা।

ধানমন্ডির সাতমসজিদ সড়কে গাছ কাটা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আবাহনী মাঠের বিপরীতে ‘সাতমসজিদ সড়ক গাছ রক্ষা আন্দোলনের’ ব্যানারে মঙ্গলবার প্রায় কয়েকশত মানুষ গাছ কাটা বন্ধের প্রতিবাদ জানান।

স্থানীয়দের ভাষ্য, সড়কদ্বীপ উন্নয়নের নামে গাছ কাটা হচ্ছে। এটি এমনভাবে তৈরি হচ্ছে যেখানে পরবর্তী সময়ে গাছ রোপণ করা হলেও টিকে থাকার সম্ভাবনা ক্ষীণ।

বক্তারা বলেন, গাছ কেটে কোনো উন্নয়ন হয় না। প্রতিবাদী ফেস্টুন ও বক্তৃতার ভেতর দিয়ে তারা গাছ বাঁচানোর এই আন্দোলনে সবাইকে যোগ দেয়ারও আহ্বান জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সাধারণ সম্পাদক শরীফ জামিল, এলাকাবাসীর মধ্য থেকে শারমিন মুর্শিদ, ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, আমিরুল রাজিব, মান্নান মুনির, ইমতিয়াজ আলম বেগ, মোস্তফা জামান, সৈয়দ মুহাম্মদ জাকির এবং আমিনুল ইসলাম ইমন প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
ধানমন্ডিতে অবৈধ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান সরাতে নোটিশ
ধানমন্ডি আইডিয়ালের বরখাস্ত অধ্যক্ষের পাল্টা অভিযোগ
আইডিয়াল কলেজের অধ্যক্ষসহ তিন শিক্ষক বরখাস্ত
ধানমন্ডি আইডিয়াল অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবিতে একাট্টা শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Order to admit 41 brothers in Vikarunnisa

ভিকারুননিসায় ৪১ সহোদরকে ভর্তির নির্দেশ

ভিকারুননিসায় ৪১ সহোদরকে ভর্তির নির্দেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ। ফাইল ছবি
৪১ জন সহোদর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করে, কিন্তু ১৬ জানুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি পরিপত্র দেয়। যেখানে বলা হয়, শুধুমাত্র ২০২৩ শিক্ষাবর্ষের জন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে এন্ট্রি শ্রেণিসহ অন্য শ্রেণিতে মোট আসনের অতিরিক্ত ৫ শতাংশ শিক্ষার্থী সহোদর ও জমজ ভর্তির জন্য আবেদনকারীদের মধ্যে থেকে ভর্তি করাতে পারবে। এ বিধানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করা হয়।

প্রথম শ্রেণিতে ৪১ সহোদর ও জমজকে ভর্তি নিতে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

শিক্ষার্থীদের পক্ষে তাদের অভিভাবকের করা রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের এবং বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এবিএম আলতাফ হোসেন ও আইনজীবী শফিকুর রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

আইনজীবী এবিএম আলতাফ হোসেন জানান, বেসরকারি স্কুল, স্কুল অ্যান্ড কলেজ (মাধ্যমিক, নিম্ন মাধ্যমিক ও সংযুক্ত প্রাথমিক স্তর) শিক্ষার্থী ভর্তির নীতিমালা-২০২২ অনুসারে কোনো প্রতিষ্ঠানে আবেদনকারী শিক্ষার্থীর সহোদর/সহোদরা বা জমজ ভাই/বোন যদি আগে থেকে অধ্যয়নরত থাকে, সেসব সহোদর বা জমজকে সংশ্লিষ্ট ভর্তি কমিটি আবেদন যাচাই-বাছাই করে ভর্তির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

এই বিধান অনুযায়ী, ৪১ জন সহোদর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করে, কিন্তু ১৬ জানুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি পরিপত্র দেয়। যেখানে বলা হয়, শুধুমাত্র ২০২৩ শিক্ষাবর্ষের জন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে এন্ট্রি শ্রেণিসহ অন্য শ্রেণিতে মোট আসনের অতিরিক্ত ৫ শতাংশ শিক্ষার্থী সহোদর ও জমজ ভর্তির জন্য আবেদনকারীদের মধ্যে থেকে ভর্তি করাতে পারবে। এ বিধানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করা হয়। কারণ তারা যখন আবেদন করে, তখন ৫ শতাংশের বিধান ছিল না। এ কারণে আদালত এই ৪১ জনের ক্ষেত্রে ওই বিধান স্থগিত করে রুল জারি করেছেন। পাশাপাশি তাদের ভর্তি করাতে নির্দেশ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
জমি চাইলেন ভিকারুননিসার অধ্যক্ষ
ধানমন্ডিতে ভাড়া ভবনে থাকতে চায় না ভিকারুননিসার ছাত্রীরা
ভিকারুননিসার অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচন বন্ধে আইনি নোটিশ
ভিকারুননিসায় কামরুন নাহারের নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ
এ অধ্যক্ষ ছাড়া কি ভিকারুননিসা চলবে না: হাইকোর্ট

মন্তব্য

p
উপরে