× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Two arrested for murdering expatriates wife in Rupnagar
hear-news
player
google_news print-icon

রূপনগরে প্রবাসীর স্ত্রী হত্যায় দুজন গ্রেপ্তার

রূপনগরে-প্রবাসীর-স্ত্রী-হত্যায়-দুজন-গ্রেপ্তার
রাজধানীর রূপনগরে গৃহবধূ মায়া হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া শিপন ও আসাদুল। ছবি: নিউজবাংলা
রোববার ভিকটিমের ভাই আওলাদ হোসেন রূপনগর থানায় মামলা করেন। ওইদিনই অভিযান চালিয়ে ২ আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় রক্তমাখা ছুরি ও জ্যাকেট জব্দ করা হয়।

রাজধানী রূপনগরে ‘ট’ ব্লকে সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী মায়া হত্যায় দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার রাত সাড়ে ৩টায় ৩ নম্বর রোডের ৩৬ নম্বর বাসা থেকে মায়ার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

রোববার ভিকটিমের ভাই আওলাদ হোসেন বাদী হয়ে রূপনগর থানায় মামলা করেন। ওইদিনই রাজধানীতে অভিযান চালিয়ে মামলার ২ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন- শিপন ও আসাদুল ইসলাম। এ সময় রক্তমাখা ছুরি ও জ্যাকেট জব্দ করা হয়।

সোমবার মিরপুর ডিসি অফিসে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. জসীম উদ্দীন মোল্লা।

তিনি বলেন, আসামিরা হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘হত্যার মোটিভের বিভিন্ন দিক আমরা খতিয়ে দেখছি। গ্রেপ্তার শিপন ভিকটিমের বাড়িতে থাকতেন। আর আসাদুল পাশের একটি বাড়িতে থাকতেন। নিহতের বাসায় তাদের আসা-যাওয়া ছিল। শিপন ঘটনার আগের দিন সন্ধ্যায় এসেছিলেন ভিকটিমের বাসায়। নিহত মায়াকে তারা মামানি বলে ডাকতেন।

‘তারা চুরি বা ডাকাতির উদ্দেশ্যে ওই বাসায় গিয়েছিলেন কি না বা পূর্বশত্রুতা ছিল কি না এসব বিষয় আমরা খতিয়ে দেখছি। তিনতলার ভাড়াটিয়াকে শিপন একজন টাইলস মিস্ত্রি ঠিক করে দিয়েছিলেন। কিন্তু মায়া তাদের মিস্ত্রি না নিয়ে অন্য মিস্ত্রি ঠিক করেন। সব বিষয় আমরা খতিয়ে দেখছি। হত্যায় ব্যবহৃত চাকু ও রক্তমাখা জ্যাকেট উদ্ধার করা হয়েছে।’

ধর্ষণের ঘটনা আছে কি না জানতে চাইলে ডিসি জসীম উদ্দীন মোল্লা বলেন, ‘ভিকটিম যেহেতু নারী, একজন নারী পুলিশ অফিসার পা থেকে মাথা পর্যন্ত সুরতহাল রিপোর্ট করেছেন। এ বিষয়ে কিছু থাকলে মেডিক্যাল রিপোর্টে আসবে।’

আরেক প্রশ্নের জবাবে জসীম উদ্দীন বলেন, ‘ভাড়াটিয়া শিপন জানতেন নিহতের স্বামী বিদেশ থেকে টাকা পাঠাতেন। টাইলস মিস্ত্রি ঠিক করে দেয়ার পরও অন্য মিস্ত্রি দিয়ে কাজ করানো আরেকটি মোটিভ হতে পারে। অন্য মিস্ত্রিরা কেমন কাজ করেছে দেখার কথা বলে আসামিরা নিহত মায়ার বাসায় প্রবেশ করেন।’

আরও পড়ুন:
স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় গ্রেপ্তার ২
চালককে খুন করে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের ঘটনায় গ্রেপ্তার ২
চালকের গলাকেটে অটোরিকশা ছিনতাই করতো ওরা
আশ্রয়দাতা নারীকেই খুন
টাঙ্গাইলে এক ব্যক্তিকে ‘পিটিয়ে হত্যা’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Some misuse of law is normal Law Minister

আইনের কিছু অপব্যবহার হওয়াটা স্বাভাবিক: আইনমন্ত্রী

আইনের কিছু অপব্যবহার হওয়াটা স্বাভাবিক: আইনমন্ত্রী শনিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সেমিনারে বক্তব্য দেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। ছবি: নিউজবাংলা
আনিসুল হক বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের যথেষ্ট প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। যে কারণে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করা হয়েছে তা কেউ বলে না। শুধু বলা হয়, বাক-স্বাধীনতা ও সংবাদ ক্ষেত্রের স্বাধীনতা হরণ করার জন্য এই আইন করা হয়েছে। এটা মোটেও সঠিক নয়।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের যথেষ্ট প্রয়োজনীয়তা রয়েছে উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেছেন, প্রকৃত অপরাধী থেকে পুলিশ ও আইনপ্রণেতাদের দুই ধাপ এগিয়ে থাকতে হবে। কারণ আইনকে পাশ কাটিয়ে কিভাবে অপরাধ করা যায় তারা সেই চেষ্টায় থাকে।

শনিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ আয়োজিত ‘নিরাপদ ডিজিটাল সমাজ: রাষ্ট্রের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের যথেষ্ট প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। যে কারণে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করা হয়েছে তা কেউ বলে না। শুধু বলা হয় বাক-স্বাধীনতা ও সংবাদ ক্ষেত্রের স্বাধীনতা হরণ করার জন্য এই আইন করা হয়েছে, যা মোটেও সঠিক নয়।

মন্ত্রী বলেন, আইন হলে তার কিছু অপব্যবহার হয়, এটা স্বাভাবিক। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে পাশ কাটিয়ে কিভাবে অপরাধ করা যায় সে ব্যাপারেও চেষ্টা হবে। কারণ অপরাধীরা সব সময় একধাপ এগিয়ে থাকার চেষ্টা করে । পুলিশ ও আইন প্রণেতাদের এখন প্রকৃত অপরাধীদের থেকে দুই ধাপ এগিয়ে থাকার চেষ্টা করতে হবে।

ডাটা সুরক্ষা আইন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, আগে আইন প্রণয়ন করার আগে অংশীজনদের সঙ্গে কোনো পরামর্শ করা হতো না। এখন অংশীজনদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে আইন তৈরি করা হয়। অংশীজনদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা ও পরামর্শ করেই ডাটা সুরক্ষা আইন করা হবে। এ নিয়ে বিভ্রান্তির কোনো সুযোগ নেই।

আনিসুল হক বলেন, ‘এখন আমরা গ্লোবাল সিটিজেন হয়েছি। আবার বর্তমানের অনেক অপরাধ ট্রান্স বর্ডার হয়েছে। এসব অপরাধকে মোকাবিলা করার জন্য মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিসটেন্স অ্যাক্ট প্রণয়ন করা হয়েছে। পৃথিবীর প্রায় সব দেশ এই আইন প্রণয়ন করেছে।

এপিনিকের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিল মেম্বার সুমন আহমেদ সাব্বিরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিজিডি ই-গভ সিআইআরটি’র প্রকল্প পরিচালক তারেক এম বরকত উল্লাহ।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন- ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আবু হেনা মোরশেদ জামান, বিটিআরসির কমিশনার আবু সৈয়দ দিলজার হোসেন, ডিএমপির এডিসি মো. নাজমুল ইসলাম, আইসিটি বিষয়ক সাংবাদিক রাশেদ মেহেদী প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
বিচারকের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের বিচার আদালত করবে: আইনমন্ত্রী
অনেকে না জেনেই মানবাধিকারের ছবক দেন: আইনমন্ত্রী
মুক্ত মানুষকে কীভাবে জামিন দেয়: আইনমন্ত্রী
বিএনপির ষড়যন্ত্র সফল হলে দেশ বিরান ভূমি হবে: আইনমন্ত্রী
সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম থাকবে কি না চিন্তাভাবনা হচ্ছে: আইনমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Case against 1200 accused in double murder

জোড়া খুনে অভিযুক্তদের বাড়িঘরে হামলা, ১২০০ জনের নামে মামলা

জোড়া খুনে অভিযুক্তদের বাড়িঘরে হামলা, ১২০০ জনের নামে মামলা দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার চুনিয়াপাড়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে জোড়া খুনের ঘটনায় অভিযুক্তদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু হাসান কবির মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বাড়িঘরে হামলা, অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় স্থানীয় এক গ্রাম পুলিশ অজ্ঞাতনামা এক হাজার ২০০ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন। আসামিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। আর হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার চুনিয়াপাড়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে জোড়া খুনের ঘটনায় অভিযুক্তদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে মামলা হয়েছে।

অজ্ঞাতনামা এক হাজার ২০০ জনকে আসামি করে শুক্রবার রাতে মামলাটি করেন উপজেলার ঘোড়াঘাট ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ সুনীল চন্দ্র দাস।

ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু হাসান কবির মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বাড়িঘরে হামলা, অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় স্থানীয় এক গ্রাম পুলিশ অজ্ঞাতনামা এক হাজার ২০০ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন। আসামিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। আর হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

খোদাদাতপুর গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে বুধবার সকালে প্রতিপক্ষের হামলায় মনোয়ার হোসেন (২৪) ও রাকিব হোসেন (২৫) নামের দুজন নিহত হন। পরদিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার দুপুরে দুজনের জানাজা চলছিল। এ সময় নিহত ব্যক্তিদের পক্ষের লোকজন চুনিয়াপাড়ায় বাড়ি বাড়ি ঢুকে অগ্নিসংযোগ করেন বলে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির লোকজন অভিযোগ করেছেন। অগ্নিসংযোগকালে লোকজন লাঠিসোঁটা, দা ও কোদাল নিয়ে প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা ও লুটপাট চালান। এ সময় প্রাণ বাঁচাতে নারী, শিশু ও পুরুষেরা বাড়িঘর ছেড়ে দৌড়ে পালান।

মামলার এজাহারে বাদী সুনীল চন্দ্র দাস উল্লেখ করেছেন, নিহত দুজনের জানাজা ও দাফনকাজে উপস্থিত খোদাদাতপুর ও পাশের গ্রামের লোকজন লাঠিসোঁটা, দা ও কোদাল নিয়ে চুনিয়াপাড়ায় প্রতিপক্ষের বাড়িসহ আশপাশের বাড়িঘরে হামলা চালান। এ সময় সেখানে উপস্থিত থানা-পুলিশসহ গ্রাম পুলিশের সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রাণপণ চেষ্টা করেন। পরে থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ এনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টাকালে হামলাকারীরা চুনিয়াপাড়ার আবদুস সালাম, তোতা মিয়া, নুরুল ইসলাম, হাফিজুর রহমানের বাড়িসহ আশপাশের কিছু টিনের বসতবাড়ি এবং বাড়ির সামনে খড়ের গাদায় আগুন লাগিয়ে দেন। এ ছাড়া নজরুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী, আবদুল ওহাব, মোগেন ওরফে মকবুল হোসেনের বাড়িসহ ২০ থেকে ২৫টি বাড়ি ভাঙচুর করেন।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, বাড়িঘরে আগুন লাগানো, ভাঙচুর, প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র লুট এবং গরু-ছাগল চুরির ঘটনায় প্রায় সাড়ে ১৬ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে। পরে পার্শ্ববর্তী থানাগুলো থেকে অতিরিক্ত পুলিশ এসে সেখানকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আরও পড়ুন:
ভোটের ফল নিয়ে সংঘর্ষ, ম্যাজিস্ট্রেটের গাড়ি ভাঙচুর
মুক্তিপণের দাবিতে অপহৃত শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ
৪৫ ঘণ্টা পর বিদ্যুৎ পেল দিনাজপুর পৌরসভা
বিআইডাব্লিউটিএ নষ্ট করল কৃষকের আলুর ক্ষেত
বিচারক বদলি, পেছাল ঘোড়াঘাটের ইউএনও হত্যাচেষ্টা মামলার রায়

মন্তব্য

বাংলাদেশ
After one year the stolen goods were recovered and arrested 2

এক বছর পর ছিনতাই হওয়া মালামাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২

এক বছর পর ছিনতাই হওয়া মালামাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ বাঁয়ে আসামি মো. সোহাগ ও ডানে শরিফুল ইসলাম। ছবি: কোলাজ নিউজবাংলা
পিবিআইর তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এই ছিনতাইকারী চক্রটি বিমানবন্দর থেকে প্রবাসীকে বহন করা গাড়িটি অনুসরণ করে আসছিল। সুযোগ বুঝে ডিবি পুলিশের পরিচয় দিয়ে তারা ছিনতাই করে। এভাবে ২০২১ সালে আরও অন্তত ১০টি ছিনতাই ঘটিয়েছে চক্রটি।’ 

এক বছরের বেশি সময় আগে আশুলিয়ার জিরাবো এলাকায় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পরিচয়ে এক প্রবাসীর মালামাল ও তার ভাড়া করা প্রাইভেটকারটি ছিনতাই হয়।

এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের বিশেষায়িত তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের(পিবিআই)। সেই সঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে লুট করা মালামাল ও প্রাইভেটকারটি।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন- গোপালগজ্ঞ মোকসুদপুরের মো. সোহাগ ও ধামরাইয়ের শরিফুল ইসলাম। শরিফুল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় পিবিআই ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মীর মো. শাফিন মাহমুদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘২০২১ সালের ২৫ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ১২টার দিকে ডিবি পরিচয়ে আসা একদল ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন সৌদি আরব প্রবাসী মো. আমিনুল ইসালামসহ একটি প্রাইভেটকারে থাকা তিনজন। ওই সময় তাদের কাছে থাকা মালামাল, নগদ টাকা, মোবাইল ফোন ও প্রাইভেটকারটি ছিনিয়ে নেয়া হয়। আমরা এই মামলাটি তদন্ত করতে গিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করি। এ চক্রের আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’

এ ছিনতাইয়ের পর প্রাইভেটকারটির মালিক রেন্ট-এ কার ব্যবসায়ী মো. আব্দুল মালেক বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় মামলা করেন। প্রথমে থানা পুলিশ দীর্ঘ দিন মামলাটি তদন্ত করলেও ঘটনার রহস্য উদঘাটন করতে না পারায় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেয়।

পিবিআইর তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এই ছিনতাইকারী চক্রটি বিমানবন্দর থেকে প্রবাসীকে বহন করা গাড়িটি অনুসরণ করে আসছিল। সুযোগ বুঝে ডিবি পুলিশের পরিচয় দিয়ে তারা ছিনতাই করে। এভাবে ২০২১ সালে আরও অন্তত ১০টি ছিনতাই ঘটিয়েছে চক্রটি।’

তাদের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তারে পিবিআই ঢাকা জেলা কাজ করছে বলেও জানিয়েছেন মো. শহিদুল ইসলাম।

আরও পড়ুন:
জামাতাকে ফাঁসাতে মেয়েকে খুন, বাবা গ্রেপ্তার
পিবিআই সেজে প্রতারণা, গ্রেপ্তার পিবিআইয়ের হাতেই
প্রকৌশলীর মতে ক্ষতির অঙ্ক ১০ হাজার, পিবিআই বলল দুই লাখ
সুপারিগাছে মাটির দাগ ধরে জোড়া খুনের রহস্য উদঘাটন
খুন করে ১৬ ফুট বালুর নিচে চাপা, রহস্য উদ্ঘাটন পিবিআইয়ের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
VP Limon who got life sentence in drug case is in the hands of RAB

মাদক মামলায় যাবজ্জীবন পাওয়া ভিপি লিমন র‌্যাবের কব্জায়

মাদক মামলায় যাবজ্জীবন পাওয়া ভিপি লিমন র‌্যাবের কব্জায় গ্রেপ্তার ভিপি লিমন। ছবি: নিউজবাংলা
র‌্যাব কর্মকর্তা জানান, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য গ্রেপ্তার আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আব্দুল আহাদ ওরফে লিমন ওরফে ভিপি লিমনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিকেলে র‌্যাব-২ এর জ্যৈষ্ঠ সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) মো. ফজলুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ফজলুল হক জানান, গ্রেপ্তার আব্দুর আহাদ ওরফে ভিপি লিমন একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। ২০১৪ সালে একটি মাদক মামলায় দু বছর জেলে থেকে জামিনে বের হয়ে তিনি আত্মগোপন করেন। বিভিন্ন পরিচয়ে আত্মগোপনে থেকে তিনি আবারও মাদক ব্যবসা চালিয়ে যান।

তিনি জানান, এরমধ্যে বিচার শেষে আদালত তাকে যাবজ্জীবন সাজা দেয়। পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। ৭ বছর পলাতক থাকার পর গোয়েন্দা তথ্যে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ভিপি লিমন মাদক মামলায় সাজা হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে জানান র‌্যাব কর্মকর্তা ফজলুল হক। তিনি জানান, লিমন জানিয়েছন, আত্মগোপনে থাকার সময় কখনও রাজমিস্ত্রি আবার কখনও অটোরিকশা চালাতেন। এসব কাজের আড়ালে মাদক পরিবহন ও বিক্রির কাজ করতেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় তিনটি মাদক মামলা রয়েছে বলেও স্বীকার করেন।

র‌্যাব কর্মকর্তা জানান, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য গ্রেপ্তার আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ব‌রিশা‌লে সাজাপ্রাপ্ত ব‌হিষ্কৃত আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার
উপনির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আসিফের নির্বাচনি প্রচার প্রধান গ্রেপ্তার
সরকারি চাকরি দেয়ার নামে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ৫

মন্তব্য

বাংলাদেশ
2 lakh pieces Yaba seized and detained 5

২ লাখ পিস ইয়াবা জব্দ, আটক ৫

২ লাখ পিস ইয়াবা জব্দ, আটক ৫ ইয়াবাসহ আটক ৫ মাদক কারবারি। ছবি: নিউজবাংলা
র‌্যাব-৭ এর কোম্পানি অধিনায়ক মেজর মেহেদী হাসান বলেন, ‘মাদক কারবারিদের আটকের পর তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী ফিশিং বোটে মাছের ড্রাম থেকে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ২০টি প্যাকেটে ২ লাখ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। এগুলোর মূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা।

সমুদ্রপথে চট্টগ্রামে প্রবেশের সময় একটি ফিশিং বোট থেকে ২ লাখ পিস ইয়াবাসহ ৫ মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব। তাদের মধ্যে একজন রোহিঙ্গা সদস্যও রয়েছে। জব্দ ইয়াবার বাজার মূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা।

বৃহস্পতিবার ভোর ৫টার দিকে কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা লঞ্চঘাট থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটক ৫ জন হলেন- নুরুল আবছার, মেহের আলী, আব্দুল হামিদ, কালু ও নুরু হাসান। তাদের মধ্যে নুরু হাসান রোহিঙ্গা। বাকি চারজন কুতুবদিয়া এলাকার বাসিন্দা।

র‌্যাব-৭ এর কোম্পানি অধিনায়ক মেজর মেহেদী হাসান বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি যে টেকনাফের শাপলাপুর থেকে ফিশিং বোটে ইয়াবার বড় একটি চালান চট্টগ্রামে প্রবেশের চেষ্টা করছে। এজন্য আমরা বিভিন্ন ঘাট ও সমুদ্রে নজরদারি বৃদ্ধি করি।

‘এক পর্যায়ে বোটটি বাঁশখালী ও আনোয়ারার দিকে প্রেবেশের চেষ্টা করে। পরে বোটটি শনাক্ত করে ধাওয়া করলে কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা লঞ্চঘাটে থামে। এ সময় ৫ মাদক কারবারিসহ বোটটি আটক করা হয়।’

তিনি বলেন, ‘মাদক কারবারিদের আটকের পর তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী ওই ফিশিং বোটের মাছের ড্রাম থেকে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ২০টি প্যাকেটে ২ লাখ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। জব্দ এসব ইয়াবার মূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা। তারা টেকনাফের সীমান্ত এলাকা থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ইয়াবা সরবরাহ করে আসছিল।’

আরও পড়ুন:
আদালত থেকে পালানো আসামি ফের মাদক নিয়ে গ্রেপ্তার
ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোয় ৩ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ
মিয়ানমারের ছয় নাগরিকের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
নতুন উপাচার্য পেল স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি
অর্থ পাচার ঘৃণা করি, কর্মকর্তাদের এত বিদেশ সফর কেন: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Suicide of death row inmate withdraws prison guard

মৃত্যুদণ্ডের কয়েদির আত্মহত্যা, কারারক্ষী প্রত্যাহার

মৃত্যুদণ্ডের কয়েদির আত্মহত্যা, কারারক্ষী প্রত্যাহার
কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারের সিনিয়র সুপার সুব্রত কুমার বালা জানান, কয়েদি নজরুল বৃহস্পতিবার সকালে কারাগারের ভেতরে ফ্যানের সঙ্গে রশি দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে নজরুল ইসলাম নামে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত এক কয়েদি আত্মহত্যা করেছেন। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে হাই সিকিউরিটি কারাগারে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার দায়ে এক কারারক্ষীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কারাগারের ভেতরে আত্নহত্যার চেষ্টা করেন ওই কয়েদি। পরে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে নেয়া হলে মারা যান তিনি।

কয়েদি নজরুল ইসলামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া পাবদা গ্রামে। স্ত্রী ও সন্তান হত্যার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে পাকুন্দিয়া থানায় ২০১৭ সালে মামলা হয়। ওই মামলায় ২০২১ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নজরুলকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারের সিনিয়র সুপার সুব্রত কুমার বালা জানান, নজরুল মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। কারাগারে তার চিকিৎসা চলছিল। বৃহস্পতিবার সকালে কারাগারের ভেতরে ফ্যানের সঙ্গে রশি দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তিনি। কারা কর্তৃপক্ষ তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কারা হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় রফিকুল ইসলাম নামে এক কারারক্ষীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। আরও দুই কারারক্ষীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার প্রস্তুতি চলছে। তবে ওই দুই কারারক্ষীর নাম জানাননি তিনি।

আরও পড়ুন:
কাশিমপুর কারাগারে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত কয়েদির মৃত্যু
প্রধানমন্ত্রীকে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামির মৃত্যু
কারাহাজতির ঢামেকে মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
6000 kg of jelly pushed shrimp seized

জেলি পুশ করা ৬ হাজার কেজি চিংড়ি জব্দ

জেলি পুশ করা ৬ হাজার কেজি চিংড়ি জব্দ বৃহস্পতিবার কেরানীগঞ্জ থেকে জেলি পুশ করা বিপুল চিংড়ি জব্দ করার পর তা পুড়িয়ে ফেলা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
কোস্টগার্ড কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার খন্দকার মুনিফ তকি জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে কেরানীগঞ্জে ধলেশ্বরী ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালায় কোস্ট গার্ড। এ সময় খুলনা থেকে চট্টগ্রামগামী যাত্রীবাহী চারটি বাস ও দুটি ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে জেলি পুশ করা চিংড়ি জব্দ করা হয়। এর পরিমাণ আনুমানিক ৬ হাজার ১০০ কেজি।

ঢাকার কেরানীগঞ্জে জেলি পুশ করা ৬ হাজার ১০০ কেজি চিংড়ি জব্দ করেছে কোস্টগার্ড।

বৃহস্পতিবার বিকেলে কোস্টগার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার খন্দকার মুনিফ তকি এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোরে কেরানীগঞ্জে ধলেশ্বরী ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালায় কোস্ট গার্ড। এ সময় খুলনা থেকে চট্টগ্রামগামী যাত্রীবাহী চারটি বাস ও দুটি ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে জেলি পুশ করা চিংড়ি জব্দ করা হয়। এর পরিমাণ আনুমানিক ৬ হাজার ১০০ কেজি।

কোস্টগার্ডের এই কর্মকর্তা জানান, জেলিভরা বিপুল চিংড়ি জব্দ করা হলেও এর মালিককে আটক করা যায়নি। ওই অভিযানে কেরানীগঞ্জ উপজেলা উপ-সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. আশিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। পরবর্তীতে তার উপস্থিতিতে জব্দকৃত জেলি পুশকৃত চিংড়ি পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।

আরও পড়ুন:
৩ হাজার কেজি চিংড়িতে ২ হাজার কেজি অপদ্রব্য
যশোরে ফের জেলি পুশ করা চিংড়ির চালান জব্দ
২ টন সিলিকন জেলযুক্ত চিংড়ি যাচ্ছিল ঢাকায়

মন্তব্য

p
উপরে