× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
6 abducted Rohingyas have been released
google_news print-icon

মুক্তি পেয়েছেন অপহৃত ৬ রোহিঙ্গা

মুক্তি-পেয়েছেন-অপহৃত-৬-রোহিঙ্গা
কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গা আশ্রয় কেন্দ্র। ফাইল ছবি
টেকনাফে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি হাসান বারী নুর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অপহরণের শিকার ছয় রোহিঙ্গাকে শনিবার রাত ৮টার দিকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। মুক্তিপণ দিতে হয়েছে কি না সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট তথ্য জানতে পারিনি।’

কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে অপহরণের শিকার ৬ রোহিঙ্গা মুক্তি পেয়েছেন। অপহরণের পর তাদের প্রত্যেকের পরিবারের কাছে ৫০ হাজার টাকা করে মুক্তিপণ চাওয়া হয়েছিল। তবে মুক্তি পাওয়ার জন্য তাদের মুক্তিপণ দিতে হয়েছিল কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে অপহরণের শিকার হন ওই ৬ রোহিঙ্গা। শনিবার রাত ৮টার দিকে তারা মুক্তি পেয়েছেন। অপহরণের শিকার ছয় জন ২১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা। তারা হলেন- ফরোয়াজ, জোহার, নুর, নুরুল হক, জাহিদ হোসেন ও ইদ্রিস।

টেকনাফে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি হাসান বারী নুর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অপহরণের শিকার ছয় রোহিঙ্গাকে শনিবার রাত ৮টার দিকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।’

মুক্তিপণ দিতে হয়েছে কি না জানতে চাইলে হাসান বারী বলেন, ‘আমরা এখনও এ বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য জানতে পারিনি। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।’

এর আগে শনিবার দুপুরে ১৬ এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মঞ্জুরুল ইসলাম জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার পর চোরাইপথে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের চাকমারকুলের ২১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে তাদের অপহরণ করা হয়। স্থানীয় এক ব্যক্তি কাজ দেয়ার কথা বলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে তাদের জিম্মি করে রাখে। রাত সাড়ে ১২টার পর তাদের পরিবারের কাছে ৫০ হাজার টাকা করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

টেকনাফ এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে এ রকম অপহরণের ঘটনা বেড়েছে। ৮ জানুয়ারি ভোরে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের লেচুয়াপ্রাং এলাকায় খেত পাহারা দেয়ার সময় চার কৃষককে অপহরণ করা হয়। তাদের পরিবারের কাছে মোট ২৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা। পরে ৬ লাখ টাকা দিয়ে তিনজন মুক্তি পান বলে জানান স্থানীয় চেয়ারম্যান।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য বলছে, গত চার মাসে টেকনাফে ৩১ জন অপহরণের শিকার হয়েছেন। তাদের মধ্যে স্থানীয় বাঙালি ২০ জন, বাকি ১১ জন রোহিঙ্গা।

আরও পড়ুন:
মিয়ানমার ছাড়ার চেষ্টা, ১১২ রোহিঙ্গার কারাদণ্ড
রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনে বাংলাদেশের পাশে থাকবে তুরস্ক
সমুদ্রে ভাসতে থাকা সেই নৌকা থেকে ১৮৫ রোহিঙ্গা উদ্ধার
ক্যাম্পে গুলিতে নিহত রোহিঙ্গা মাঝি
সমুদ্রে ১৮০ রোহিঙ্গার মৃত্যুর শঙ্কা, উদ্ধার ১০

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The exact reason behind the killing of MP Anna Harun is not yet known

এমপি আনার হত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি: হারুন

এমপি আনার হত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি: হারুন রাজধানীর মিণ্টো রোডের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন ডিএমপি ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ। ছবি: নিউজবাংলা
ডিএমপি ডিবি প্রধান বলেন, ‘খুনিরা কলকাতার ফ্ল্যাটে এমপি আনোয়ারুল আজীম আনারকে হত্যার পর চারটি মোবাইল ফোন সেট নিয়ে বেনাপোল সীমান্তবর্তী এলাকায় আসে এবং পরে বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হত্যাকাণ্ডে ফাঁসাতে তাদেরকে ফোন করে।’

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যার পেছনে ব্যবসায়িক লেনদেন, আধিপত্য বিস্তারসহ অনেক কারণ থাকতে পারে। তবে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ এখনও জানা যায়নি।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ শনিবার সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন। সূত্র: ইউএনবি

রাজধানীর মিণ্টো রোডে ডিবি’র সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তিন সদস্যের একটি দল শনিবার রাত বা রোববার সকালের মধ্যে ভারতের উদ্দেশে রওনা হবে।

বাংলাদেশ পুলিশের পাশাপাশি কলকাতা পুলিশও সংসদ সদস্য আনার হত্যার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত করছে। তারা ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সফর করেছে।

ডিএমপি ডিবি প্রধান বলেন, ‘অপহরণের পর খুনিরা এমপি আনারকে ফ্ল্যাটে নিয়ে যায়। তারপর খুনিরা তার একটি ফোন অন্য জায়গায় নিয়ে যায়। উদ্দেশ্য, এটা বুঝানো যে তিনি অন্য জায়গায় আছেন।

‘এছাড়া খুনিরা তাকে হত্যার পর চারটি মোবাইল ফোন সেট নিয়ে বেনাপোল সীমান্তবর্তী এলাকায় আসে এবং পরে বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হত্যাকাণ্ডে ফাঁসাতে তাদেরকে ফোন করে।’

মরদেহ পাওয়া যায়নি অথচ পুলিশ কেন এটাকে হত্যাকাণ্ড বলছে- এমন প্রশ্নের জবাবে হারুন বলেন, ‘এমন অনেক মামলা আছে যেখানে বছরের পর বছর ধরে লাশ পাওয়া যায়নি।’

প্রসঙ্গত, এমপি আনার চিকিৎসার জন্য ১১ মে কলকাতায় যান এবং ১৪ মে থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ২২ মে বলেন, কলকাতার অদূরে নিউ টাউনের একটি ফ্ল্যাটে তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে।

এমপি আনারের মৃত্যুর ঘটনায় ২২ মে একটি মামলা দায়ের করা হয়।

ইতোমধ্যে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার তিন আসামির আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

আরও পড়ুন:
এমপি আনার হত্যা: অপরাধী হলে শিলাস্তির বিচার চান দাদা
এমপি আনার হত্যা মামলায় ৩ আসামি রিমান্ডে
এনডিটিভির প্রতিবেদনে এমপি আনার হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা
হাজারও মানুষের জানাজায় অংশ নেয়া এমপি আনারের মরদেহই মিলছে না
মাঠের মাঝে শাহীনের রহস্যঘেরা বাংলো

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Killing of MP Anna Dada wants punishment for the culprit

এমপি আনার হত্যা: অপরাধী হলে শিলাস্তির বিচার চান দাদা

এমপি আনার হত্যা: অপরাধী হলে শিলাস্তির বিচার চান দাদা এমপি আনার হত্যাকাণ্ডে জড়িত হিসেবে নাম এসেছে শিলাস্তি রহমানের। ছবি: নিউজবাংলা
দাদা সেলিম মিয়া বলেন, ‘আরিফুর রহমানের দুই সন্তান। শিলাস্তি বড় ও সুবাহ ছোট। ভাতিজা ঝুট ব্যবসায়ী। ছোট বেলা থেকেই ঢাকার উত্তরায় বসবাস করে। মাঝেমধ্যে গ্রামের বাড়িতে এলেও দুই/একদিন থেকেই চলে যায়। যতটুকু দেখেছি, আমার নাতনী শিলাস্তির চলাফেরা উচ্ছৃঙ্খল। সে অপরাধী হয়ে থাকলে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক।’

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যাকাণ্ডে জড়িয়ে গেছে একটি নাম- শিলাস্তি রহমান। তথ্য বেরিয়েছে, শিলাস্তি রহমান হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী শিমুল ভূঁইয়ার পরিকল্পনার অংশ হয়ে হত্যাকাণ্ডে সহযোগীর ভূমিকা রেখেছেন। তাকে দিয়ে টোপ ফেলেই

এমপি আনারকে তার বন্ধুর বাসা থেকে ঘাতকদের ফ্ল্যাটে নেয়া হয়।

টাঙ্গাইলের নাগরপুরের এই তরুণী বাস্তবিকই যদি অপরাধী হয়ে থাকেন তাহলে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়েছেন দাদা বীর মুক্তিযোদ্ধা সেলিম মিয়া।

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ধুবরিয়া ইউনিয়নের পাইসানা গ্রামের মিয়া বাড়ির সন্তান শিলাস্তি রহমান। শনিবার দুপুরে সরজমিনে দেখা গেছে, বাড়িটি পুরোপুরি ফাঁকা। শিলাস্তিদের টিনের ঘরের দরোজায় তালা ঝুলছে। টিনের ঘরের পাশেই নির্মাণ করা হয়েছে দোতলা একটি বাড়ি। তবে বাড়ির ভেতরে কোনো আসবাবপত্র নেই।

এমপি আনার হত্যা: অপরাধী হলে শিলাস্তির বিচার চান দাদা
টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার নাগরপুর পাইসানা গ্রামের মিয়া বাড়ির সন্তান শিলাস্তি (বাঁয়ে); দাদা সেলিম মিয়া। ছবি: নিউজবাংলা

এ সময় পাশের ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সেলিম মিয়া। তিনি শিলাস্তির বাবা আরিফুর রহমানের বাবার ছোট ভাই।

সেলিম মিয়া জানান, তার ভাতিজা আরিফুর রহমানের দুই সন্তান। শিলাস্তি বড় ও সুবাহ ছোট। তাদের কোনো ভাই নেই। আরিফুর রহমান একজন জুট ব্যবসায়ী। ছোট বেলা থেকেই তারা ঢাকার উত্তরায় বসবাস করেন। মাঝেমধ্যে গ্রামের বাড়িতে এলেও দুই/একদিন পরই আবার ঢাকায় চলে যান। গ্রামে পাড়া-প্রতিবেশী কারও সঙ্গেই ওদের তেমন কোনো কথাবার্তা হয় না।

তিনি বলেন, ‘আমার নাতনী শিলাস্তির চলাফেরা উচ্ছৃঙ্খল এবং বাড়ির বাইরে দিনের পর দিন সময় কাটায়। এসব কারণে ওদের সঙ্গে কথা বলা বাদ দিয়েছি। আমার পরিবারের লোকজনও ওদেরকে এড়িয়ে চলে।

‘বাড়িতে অল্প সময়ের জন্য এলেও শিলাস্তির যে ড্রেসআপ তা দেখে মনে হতো ওর বাবা কোটিপতি। সে বাড়িতে বসেই সবার সামনে সিগারেটও টানে। আমি বাধা দিলেও শুনতো না। পরে আর বাধা দেয়ারও চেষ্টা করিনি। আমার নাতনী শিলাস্তি অপরাধ করে থাকলে তার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করছি।’

স্থানীয় লোকজন জানায়, শিলাস্তি রহমান ও তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরেই ঢাকায় বসবাস করে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর পরই শিলাস্তি রহমানের দাদার সম্পত্তি তার বাবা আরিফুর রহমান বিক্রি করে ঢাকায় চলে যায়। বাড়িটা থাকলেও তারা কেউ এখানে তেমন একটা আসে না।

এ বিষয়ে নাগরপুরের ধুবরিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান খান বলেন, ‘ওরা অনেক আগে থেকেই ঢাকায় থাকে। কেউ সঠিকভাবে বলতেও পারে না যে শিলাস্তি কোথাকার। এখন আমরা জানতে পারলাম যে তার বাড়ি নাগরপুরে। গতকাল (শুক্রবার) পর্যন্তও বিষয়টি জানতাম না।

নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন বলেন, ‘শিলাস্তি নামের মেয়েটি নাগরপুরের- এমন কোনো তথ্য এখনও পাইনি। তার বিষয়েও আর কোনো তথ্য এখন পর্যন্ত আমার কাছে নেই। জানলে জানাতে পারব।’

আরও পড়ুন:
এমপি আনার হত্যা মামলায় ৩ আসামি রিমান্ডে
এনডিটিভির প্রতিবেদনে এমপি আনার হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা
হাজারও মানুষের জানাজায় অংশ নেয়া এমপি আনারের মরদেহই মিলছে না
মাঠের মাঝে শাহীনের রহস্যঘেরা বাংলো
এমপি আনার হত্যা নিয়ে কালীগঞ্জে ধোঁয়াশা!

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Comillas popular extortionist Apu arrested

কুমিল্লার আলোচিত চাঁদাবাজ অপু গ্রেপ্তার

কুমিল্লার আলোচিত চাঁদাবাজ অপু গ্রেপ্তার কুমিল্লায় চিহ্নিত চাঁদাবাজ অপুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. তাহসীন বাহার সূচনা বলেন, ‘অপু একজন চিহ্নিত চাঁদাবাজ। তার বিষয়ে অনেক অভিযোগ পেয়েছি।’

কুমিল্লা নগরীর চিহ্নিত চাঁদাবাজ আবদুল হাসান চৌধুরী অপুকে গ্রেপ্তার করেছে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশ।

শুক্রবার গভীর রাতে মোগলটুলির নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কোতয়ালি মডেল থানার ওসি ফিরোজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অপুর নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধে পাঁচটি মামলা রয়েছে। এতদিন জামিনে ছিল। চাঁদাবাজি ও হামলার মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

অপুর গ্রেপ্তারের খবরে নগরীর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা শাকিল আহমেদ রানা বলেন, ‘৫ নম্বর ওয়ার্ডে যারাই নতুন বাড়ি নির্মাণ করে কিংবা বাড়ি সংস্কার করে তাদের কাছে চাঁদা দাবি করে অপু ও তার লোকজন। এ চাঁদাবাজ চক্রটি আমার সাথেও একই আচরণ করে।

‘গত ২২ মে রাত ১১টার দিকে চাঁদাবাজ অপু ও তার সঙ্গীরা আমার গাড়ি থামিয়ে আমাকে আক্রমণ করে। আমাকে পিটিয়ে আহত করে।’

৫ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তত ২০ জন বাসিন্দা জানান, অপুর চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। প্রতিনিয়ত অস্ত্র নিয়ে চলাফেরা করেন তিনি। অপু আগেও চাঁদাবাজি করে জেলে গিয়েছেন।

এ বিষয় কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. তাহসীন বাহার সূচনা বলেন, ‘অপু একজন চিহ্নিত চাঁদাবাজ। তার বিষয়ে অনেক অভিযোগ পেয়েছি।’

পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়ে তাহসীন বাহার সূচনা জানান, যারাই এ নগরীতে চাঁদাবাজি করার চেষ্টা করবে তাদের কোনো প্রকার ছাড় দেয়া হবে না।

আরও পড়ুন:
বিষ খাইয়ে শারীরিক প্রতিবন্ধী সন্তানকে হত্যার অভিযোগে বাবা-মা গ্রেপ্তার
ওরা পরিবহন চাঁদাবাজ
জমি নিয়ে বিরোধের জেরে শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
যাত্রীবেশে চালকের গলা কেটে অটোরিকশা ছিনতাই, গ্রেপ্তার ৩
যুদ্ধাপরাধের মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
22 Jamaat leaders arrested from Savare restaurant

সাভারে রেস্তোরাঁ থেকে গ্রেপ্তার জামায়াতের ২২ নেতা-কর্মী

সাভারে রেস্তোরাঁ থেকে গ্রেপ্তার জামায়াতের ২২ নেতা-কর্মী ঢাকার সাভারে শুক্রবার সন্ধ্যায় রেস্তোরাঁ থেকে গ্রেপ্তার জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীদের কয়েকজন। ছবি: সংগৃহীত
আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাসুদুর রহমান জানান, নাশকতার পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে শুক্রবার জামায়াতের ২২ নেতা-কর্মীকে আটকের পর তাদের নামে মামলা করা হয়েছে। শনিবার তাদের ঢাকার মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ঢাকার সাভারে একটি রেস্তোরাঁ থেকে জামায়াতে ইসলামীর ২২ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

উপজেলার আশুলিয়ার পল্লী বিদ্যুৎ এলাকার ‘ফুড প্লানেট’ রেস্তোরাঁয় শুক্রবার সন্ধ্যায় গোপন বৈঠকের সময় তাদের আটক করা হয় বলে জানায় পুলিশ। পরে মামলা করে তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

গ্রেপ্তার জামায়াত নেতা-কর্মীদের মধ্যে ১৯ জনের নাম, পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন রাজবাড়ীর পাংশার বাগমারা গ্রামের জিল্লুর রহমান (৪৫), নাটোরের বাগাতিপাড়ার আশিকুর রহমান (৪০), চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ থানার কাসাড়া গ্রামের মো. আনোয়ার (২৯), জামালপুরের মেলান্দহ থানার ঢালুখাবাড়ি চরপাড়ার আবদুর রাজ্জাক (৫০), টাঙ্গাইলের নাগরপুর থানার পাকুটিয়া গ্রামের রফিকুল ইসলাম (৪২), মেহেরপুরের গাংগী থানার সাহেবনগর গ্রামের আবুল বাশার (৪৩), টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানার ভাওয়া গ্রামের আবদুল কাদের (৬০), সিরাজগঞ্জ সদর থানার শিলদাহ গ্রামের আমিনুল ইসলাম (৩৩), আশুলিয়ার নয়ারহাটের ঘুঘুদিয়া এলাকার আরমান হোসেন (৩৭), মাদারীপুরের শিবচর থানার সন্যাসীর চর এলাকার জলিল খান (৪২), লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ থানার কান্দিরপাড় গ্রামের সোহেল রানা (২৮), চাঁদপুরের মতলব উত্তর থানার সিকিরচড় গ্রামের আবুল কালাম আজাদ (৫৩), বগুড়ার ধনুট থানার বড়মোগাচর গ্রামের আবদুল করিম (২৯), নীলফামারীর ডোমার থানার উত্তর আমবাড়ি গ্রামের নুরনবী (৩৮), লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ থানার কালিকাপুর গ্রামের তৈয়ব উল্লাহ (৪৭), ময়মনসিংহের ত্রিশাল থানার উরাগাছা গ্রামের মোজাম্মেল হক (৪০), দিনাজপুরের কোতোয়ালি থানার নিশ্চিন্তপুর গ্রামের মিরাজ হোসেন (৩৪), আশুলিয়ার পলাশবাড়ী বটতলা এলাকার মানিক (৩৪), বরিশালের মুলাদি থানার চরপদ্মা গ্রামের মো. হাসান (৩৫), বরিশাল সদরের চরকালামতি এলাকার জসিমউদ্দীন (৪০) ও সিরাজগঞ্জের চৌহালী থানার চৌবাড়িয়া গ্রামের জাহিদ হাসান (৪১)।

আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাসুদুর রহমান জানান, নাশকতার পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে শুক্রবার জামায়াতের ২২ নেতা-কর্মীকে আটকের পর তাদের নামে মামলা করা হয়েছে। শনিবার তাদের ঢাকার মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারসহ ১১ জনকে কারাদণ্ড
সাভারে দম্পতিসহ চার মরদেহ উদ্ধার
ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে পা ভাঙার অভিযোগ রিকশাচালকের
গরুবাহী ট্রাকের ধাক্কায় পুলিশ কনস্টেবল নিহত
পুলিশ সাংবাদিক পিটিয়ে অবশেষে গ্রেপ্তার মিঠু চেয়ারম্যান

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two Bangladeshis were injured in a mine explosion on the border

সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে দুই বাংলাদেশি আহত

সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে দুই বাংলাদেশি আহত আহত সোনা মিয়াকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ছবি: নিউজবাংলা
ঘুমধুম ইউপির ৩ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মোহাম্মদ আলমের ধারণা, মিয়ানমার থেকে চোরাই পথে গরু আনতে গিয়ে তারা আহত হয়েছেন।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তমব্রু সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে দুই বাংলাদেশি আহত হয়েছেন।

শুক্রবার রাত সোয়া ৮টার দিকে তমব্রু সীমান্তের ৩২ ও ৩৩ নম্বর পিলারের মাঝামাঝি এলাকা সংলগ্ন মিয়ানমারের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে।

ঘুমধুম ইউপির ৩ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মোহাম্মদ আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আহতরা হলেন- তমব্রু পশ্চিমকূল এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে ১৬ বছরের নবী হোসেন ওরফে সোনা মিয়া এবং একই এলাকার আবুল কালামের ছেলে ৩০ বছর বয়সী আবু তাহের।

মেম্বার আলম জানান, রাতে সীমান্তের ৩২ ও ৩৩ নম্বর পিলার সংলগ্ন মিয়ানমারের ভেতরে হঠাৎ বড় ধরনের বিস্ফোরণ হয়। এতে স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে সীমান্তের ওপার থেকে আহত দুই ব্যক্তিকে রক্তাক্ত অবস্থায় আসতে দেখেন স্থানীয়রা।

তিনি জানান, সঙ্গে সঙ্গে তাদের কুতুপালংয়ের এমএসএফ হাসপাতালে নিয়ে আসেন স্থানীয়রা। তবে অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠান।

আহতদের স্বজনরা জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে সোনা মিয়ার ডান পায়ের গোড়ালি সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পাশাপাশি শরীরের বিভিন্ন স্থান গুরুতর জখম হয়েছে। এছাড়া আবু তাহেরের শরীরেও বিভিন্ন স্থানে জখন হয়েছে।

ইউপি সদস্যের ধারণা, মিয়ানমার থেকে চোরাই পথে গরু আনতে গিয়ে তারা আহত হয়েছেন।

আরও পড়ুন:
ভারত থেকে অবৈধভাবে প্রবেশের সময় আটক ৮
গরু পাচারকারী চক্র ও ডাকাতদলের গোলাগুলি, নিহত ১
মিয়ানমারে ফের গোলাগুলি, কাঁপল টেকনাফ সীমান্ত
নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে ফের ৩ বাংলাদেশি আহত
নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের ওপারে মাইন বিস্ফোরণে ২ বাংলাদেশি আহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
3 arrested in Jessore for beating a man to death for love

যশোরে প্রেম নিয়ে একজনকে পিটিয়ে হত্যা, আটক ৩

যশোরে প্রেম নিয়ে একজনকে পিটিয়ে হত্যা, আটক ৩ ফাইল ছবি
স্থানীয়রা জানান, কন্যাদাহ গ্রামের একটি মেয়ের সঙ্গে স্থানীয় একটি ছেলের দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি জানতে পেরে হাসান মেম্বারসহ ১০-১২ জন ব্যক্তি ছেলেটির মামাতো ভাই সাইফুল ইসলাম মুকুলের বাড়িতে তাকে খুঁজতে যান। এ সময় ছেলেটিকে না পেয়ে মুকুল ও বকুলকে মেরে গুরুতর আহত করে ফেলে যান।

যশোরে প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে ইউপি মেম্বারসহ ১০/১২ জন মিলে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা মামলায় তিনজন গ্রেপ্তার হয়েছে।

গত বুধবার রাত ১০ টার দিকে শার্শা উপজেলার উলাশী ইউনিয়নের কন্যাদাহ গ্রামে সাইফুল ইসলাম মুকুল ও তার ভাই শরিফুল ইসলাম বকুলকে পিটিয়ে আহত করা হয়। পরে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মুকুল মারা যান।

এ ঘটনায় শুক্রবার নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে শার্শা থানায় একটি মামলা হয়। মামলার পর ওই ইউপি সদস্যসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- উলাশী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য ৩৫ বছর বয়সী হাসান মেম্বার, ৪৫ বছর বয়সী তাজউদ্দিন ও ৩৭ বছর বয়সী কামরুজ্জামান।

স্থানীয়রা জানান, কন্যাদাহ গ্রামের একটি মেয়ের সঙ্গে স্থানীয় একটি ছেলের দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি জানতে পেরে হাসান মেম্বারসহ ১০-১২ জন ব্যক্তি ছেলেটির মামাতো ভাই সাইফুল ইসলাম মুকুলের বাড়িতে তাকে খুঁজতে যান। এ সময় ছেলেটিকে না পেয়ে মুকুল ও বকুলকে মেরে গুরুতর আহত করে ফেলে যান।

পরে প্রতিবেশীরা তাদের চিকিৎসার জন্য যশোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। এর মধ্যে মুকুলের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

শার্শা থানার ওসি শেখ মনিরুজ্জামান বলেন, ‘নিহতের ফুফাত ভাইয়ের সঙ্গে স্থানীয় ইউপি সদস্যের এক আত্নীয়ের প্রেমঘটিত সম্পর্কের জেরে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় মামলা হলে ইউপি সদস্য হাসানসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
কাপড় ধুতে বলায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা: স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
ঝালকাঠিতে গাছে বেঁধে যুবককে পিটিয়ে হত্যা
জমি নিয়ে বিরোধে ভাতিজিকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ
ফেরিওয়ালাকে হত্যায় নারীর মৃত্যুদণ্ড, স্বামীর জেল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two were abducted while visiting the fountain in Teknaf

টেকনাফে ঝর্ণা দেখতে গিয়ে দুজন অপহৃত

টেকনাফে ঝর্ণা দেখতে গিয়ে দুজন অপহৃত অপহরণের পর পাহাড়ে অনুসন্ধানে নেমেছে পুলিশ। ফাইল ছবি
টেকনাফ থানার ওসি মুহাম্মদ ওসমান গনি জানান, অপহৃতদের গহীন পাহাড়ের জঙ্গলের ভেতরে নিয়ে যাওয়ার সময় রিয়াদ পালিয়ে আসার চেষ্টা করেন। এতে অপহরণকারীরা তাকে মেরে রক্তাক্ত করে। পরে ফের তিনি কৌশলে পালিয়ে আসতে সক্ষম হলেও অপর দুইজনকে অপহরণকারীরা নিয়ে যায়।

কক্সবাজারের টেকনাফে ঝর্ণা দেখতে গিয়ে দুই দর্শনার্থীসহ তিনজন অপহরণের শিকার হন। পরে মারধরের শিকার হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় একজন পালিয়ে আসতে সক্ষম হলেও দুজনের সন্ধান এখনও মিলছে না।

শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের নোয়াখালিয়া পাড়ার বাঘঘোনা ঝর্ণা দেখতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন টেকনাফ থানার ওসি মুহাম্মদ ওসমান গনি।

তিনি জানান, ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান শুরু করলেও এখনও অপহৃত দুইজনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

অপহৃতরা হলেন- চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার পূর্ব রূপকানিয়া এলাকার মো. মোস্তাক আহমদের ছেলে ২২ বছর বয়সী মোহাম্মদ রিদওয়ান এবং স্থানীয় বাঘঘোনা এলাকার মৃত আব্দুল মালেকের ছেলে ১৮ বছর বয়সী রিদওয়ান।

আর সাতকানিয়ার উপজেলার পূর্ব রূপকানিয়া এলাকার মো. মোস্তাক আহমদের ছেলে ৩৫ বছর বয়সী মো. ফজলুল করিম রিয়াদ অপহরণকারীদের কবল থেকে পালিয়ে আসেন। তিনি রিদওয়ানের বড় ভাই। অপহৃত আরেক রিদওয়ান ওই দুই ভাইয়ের দোকানের কর্মচারী।

পুলিশ জানিয়েছে, অপহৃত দুই ভাই মো. ফজলুল করিম রিয়াদ ও মোহাম্মদ রিদওয়ান ব্যবসায়িক সূত্রে বাহারছড়া ইউনিয়নের নোয়াখালিয়া পাড়ায় অবস্থান করেন। সেখানে তাদের একটি দোকান রয়েছে।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ওসি ওসমান গনি জানান, শুক্রবার বিকেলে বাঘঘোনা এলাকায় ওই দুই ভাই তাদের কর্মচারী স্থানীয় রিদওয়ানকে সঙ্গে নিয়ে ঝর্ণা দেখতে যান। এক পর্যায়ে ঝর্ণা এলাকা থেকে মুখোশধারী ৪/৫ জনের একদল দুর্বৃত্ত অস্ত্রের মুখে তাদের জিম্মি করে নিয়ে যায়।

অপহৃতদের গহীন পাহাড়ের জঙ্গলের ভেতরে নিয়ে যাওয়ার সময় রিয়াদ পালিয়ে আসার চেষ্টা করেন। এতে অপহরণকারীরা তাকে মেরে রক্তাক্ত করে। পরে ফের তিনি কৌশলে পালিয়ে আসতে সক্ষম হলেও অপর দুইজনকে অপহরণকারীরা নিয়ে যায়।

আহত অবস্থায় পালিয়ে আসা রিয়াদকে স্থানীয়রা কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তিনি চিকিৎসা নিচ্ছেন।

ওসি বলেন, ‘ঘটনার খবর শুনে অপহৃতদের উদ্ধারে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান শুরু করে। টেকনাফে বাহারছড়া ইউনিয়নের গহীন পাহাড়ের সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালালেও অপহৃতদের উদ্ধার করা যায়নি। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসায় আপাতত পুলিশ পাহাড়ে অভিযান স্থগিত রাখা হয়েছে।’

অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য নিয়ে রাতেই সাঁড়াশি অভিযান শুরু করা হবে বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
টেকনাফে অপহৃত শিশু উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৫
টেকনাফের সড়কে পাওয়া গেল অপহৃত ২ জনকে

মন্তব্য

p
উপরে