× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
A mother and two children died after being hit by a train in Patgram
hear-news
player
google_news print-icon

পাটগ্রামে ট্রেনে কাটা পড়ে মা ও দুই সন্তানের মৃত্যু

পাটগ্রামে-ট্রেনে-কাটা-পড়ে-মা-ও-দুই-সন্তানের-মৃত্যু
পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী-পাটগ্রাম রেলপথের ঘুন্টি এলাকায় শুক্রবার সকালে ট্রেন দুর্ঘটনায় পড়ে মা ও দুই সন্তান। ছবি: নিউজবাংলা
পরিবারের বরাত দিয়ে থানা পুলিশ জানায়, স্বামী রাশেদুল ইসলামের সঙ্গে ঝগড়া করে দুই শিশু সন্তানসহ ঘর থেকে বের হয়ে আসেন সুমী বেগম। পরে হয়তো তিনি আত্মহত্যার জন্য দুই সন্তানকে নিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন। এ ঘটনায় রাশেদুল ইসলামকে আটক করা হয়েছে।

লালমনিরহাটের পাটগ্রামে ট্রেনে কাটা পড়ে মা ও দুই শিশুসন্তান প্রাণ হারিয়েছে। শুক্রবার সকালে উপজেলার বুড়িমারী-পাটগ্রাম রেলপথের ঘুন্টি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- পাটগ্রাম উপজেলার ধবল সুতি রহমানপুর এলাকার রাশেদুজ্জামানের স্ত্রী সুমি বেগম, তার ছয় বছর বয়সী মেয়ে তাসমিরা তাবাসসুম তাসিন ও ২ বছরের ছেলে।

পাটগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ওমর ফারুক নিউজবাংলাকে এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

থানা পুলিশ জানায়, লালমনিরহাট থেকে বুড়িমারীগামী একটি ট্রেন ঘুন্টি এলাকা পার হওয়ার সময় ট্রেনের নিচে মা ও তার ছেলে-মেয়ে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মা ও মেয়ে মারা যায়। গুরুতর আহত হয় দুই বছরের ছেলে সন্তান।

স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধার করে পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে সেখান থেকে দ্রুত রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাতে শিশুটি মারা যায়।

পারিবারিক কলহের জের ধরে এটি আত্মহত্যার ঘটনাও হতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

পরিবারের বরাত দিয়ে থানা পুলিশ জানায়, স্বামী রাশেদুল ইসলামের সঙ্গে ঝগড়া করে দুই শিশু সন্তানসহ ঘর থেকে বের হয়ে আসেন সুমী বেগম। পরে হয়তো তিনি আত্মহত্যার জন্য দুই সন্তানকে নিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন।

এ ঘটনায় রাশেদুল ইসলামকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

আরও পড়ুন:
ট্রেনে কাটা পড়লেন দুই প্রতিবন্ধী
ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল গৃহবধূর
বগি উদ্ধার, টঙ্গীতে ৫ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক
টঙ্গীতে বগি লাইনচ্যুত, ট্রেন চলাচল ব্যাহত
ট্রেনে কাটা পড়ে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Irfan Selims trial begins arrest warrant issued

ইরফান সেলিমের বিচার শুরু, গ্রেপ্তারে পরোয়ানা

ইরফান সেলিমের বিচার শুরু, গ্রেপ্তারে পরোয়ানা ফাইল ছবি
২০২০ সালের ২৫ অক্টোবর নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ আহমদ খান মোটরসাইকেলে যাচ্ছিলেন। এ সময় ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিমের গাড়ি তাকে ধাক্কা দেয়।

নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধরের মামলায় আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য হাজি সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিমসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে আদালত। এর মাধ্যমে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারকার্য শুরু হলো।

বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নূর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

এদিন ইরফান সেলিম আদালতে হাজির না হওয়ায় তার আইনজীবী সময় আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। একই সঙ্গে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৬ মার্চ দিন ঠিক করেন বিচারক।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন ইরফান সেলিমের দেহরক্ষী জাহিদুল মোল্লা, গাড়িচালক মিজানুর রহমান, মদিনা গ্রুপের প্রটোকল অফিসার এ বি সিদ্দিক দীপু ও সহযোগী কাজী রিপন।

২০২০ সালের ২৫ অক্টোবর নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ আহমদ খান মোটরসাইকেলে যাচ্ছিলেন। এ সময় ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিমের গাড়ি তাকে ধাক্কা দেয়। এরপর তিনি সড়কের পাশে মোটরসাইকেলটি থামিয়ে গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলতে চান।

তখন গাড়ি থেকে ইরফানের সঙ্গে থাকা অন্যরা একসঙ্গে তাকে কিল-ঘুষি মারেন এবং মেরে ফেলার হুমকি দেন। তার স্ত্রীকে গালিগালাজ করেন।

এ ঘটনার পরদিন ২৬ অক্টোবর সকালে ইরফান সেলিম, তার দেহরক্ষী মো. জাহিদুল মোল্লা, এ বি সিদ্দিক দিপু এবং গাড়িচালক মিজানুর রহমানসহ অজ্ঞাত ২-৩ জনকে আসামি করে ওয়াসিফ আহমদ খান ধানমন্ডি থানায় একটি মামলা করেন।

আরও পড়ুন:
হাজী সেলিমপুত্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছাল
আদেশ পৌঁছালেই কারাগার ছাড়বেন ইরফান সেলিম
ইরফানের জামিন স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের শুনানি ১৯ এপ্রিল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Tiger hunting by mixing poison in goat meat

ছাগলের মাংসে বিষ মিশিয়ে বাঘ শিকার

ছাগলের মাংসে বিষ মিশিয়ে বাঘ শিকার সাতক্ষীরার শ্যামনগর থেকে দুজনকে আটকের পর উদ্ধার করা বাঘের চামড়া। ছবি: নিউজবাংলা
সুন্দরবনে বাঘের বিচরণ এলাকায় রেখে আসা হয় বিষমিশ্রিত মাংস। বাঘ ওই মাংস খেয়ে মারা যাওয়ার পর সেটির চামড়া ও অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিয়ে আসা হয়। পরে এক শ্রেণির সৌখিন মানুষের কাছে তা বিক্রি করা হয় প্রায় কোটি টাকা দামে।

ছাগলের মাংসের মধ্যে কীটনাশক (বিষ) মিশিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় সুন্দরবনে। বাঘের বিচরণ এলাকার আশপাশে রেখে আসা হয় সেই মাংস। এক পর্যায়ে বাঘ ওই মাংস খেয়ে মারা গেলে সেটির চামড়া ও অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিয়ে আসা হয়। পরে এক শ্রেণির সৌখিন মানুষের কাছে তা বিক্রি করা হয় প্রায় কোটি টাকা দামে।

বাংলাদেশের জাতীয় পশু রয়েল বেঙ্গল টাইগার এভাবেই সুন্দরবন থেকে শিকার করে আসছিল একটি চক্র। এদের মধ্যে দুইজনকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

সোমবার বিকেলে আটক করা ওই দুজন হলেন মো. হাফিজুর শেখ ও মো. ইসমাইল শেখ। তাদের বাড়ি সুন্দরবন সংলগ্ন সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ধলপাড়া গ্রামে।

র‌্যাব-৬ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোস্তাক আহমেদ বলেন, ‘প্রথমে আমারা গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে এই বাঘ শিখার চক্রটি সম্পর্কে তথ্য পাই। পরে বাঘের চামড়া ও অঙ্গ-প্রত্যক্ষের ক্রেতা সেজে তাদেরকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তাদের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে একটি বাঘের চামড়া লবণ মাখা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।’

আটকদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘২৭ জানুয়ারি ওরা শ্যামনগর উপজেলা সংলগ্ন সুন্দরবন থেকে বাঘটি শিকার করেছিলেন। পরে সৌখিন মানুষদের খুঁজছিলেন, যারা প্রায় কোটি টাকা মূল্য দিয়ে একেকটি বাঘের চামড়া কিনে থাকে।

‘যারা এসব বাঘের চামড়া কেনে তারাও আমাদের নজরদারিতে আছে। গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’

আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিকারিরা জানিয়েছেন, তারা মাছ ও গোলপাতা সংগ্রহের উদ্দেশ্যে সুন্দরবনে প্রবেশ করে বাঘ শিকার করতেন। সুযোগ বুঝে বনের অন্যান্য প্রাণিও শিকার করতেন তারা।

অধিনায়ক বলেন, আটকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। একইসঙ্গে এই মামলার তদন্তভার আমাদের দেয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হবে। তাহলে এই সিন্ডেকেটে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।’

আরও পড়ুন:
সুন্দরবনের ‘বাঘ হাবিব’ কারাগারে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Permanent bail of Fakhrul Abbas in Paltan police case

পল্টন থানার মামলায় ফখরুল-আব্বাসের স্থায়ী জামিন

পল্টন থানার মামলায় ফখরুল-আব্বাসের স্থায়ী জামিন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
আদালতে বিএনপির দুই নেতার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। তার সঙ্গে ছিলেন আসাদুজ্জামান, সগীর হোসেন লিয়ন ও আনিছুর রহমান রায়হান। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম মুনির।

রাজধানীর পল্টন থানায় করা মামলায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে এবার স্থায়ী জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট।

বিচারপতি মো. সেলিম ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এ রায় দেয়।

আদালতে বিএনপির দুই নেতার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। তার সঙ্গে ছিলেন আসাদুজ্জামান, সগীর হোসেন লিয়ন ও আনিছুর রহমান রায়হান। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম মুনির।

এর আগে গত ৩ জানুয়ারি দুই নেতাকে জামিন দিয়ে রুল জারি করেছিল একই আদালত।

এরপর এ আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষে আপিল করলে আপিল বিভাগ দুজনের জামিন বহাল রেখে রুল নিষ্পত্তির নির্দেশ দেয়।

আপিল বিভাগের এ নির্দেশের আলোকে রুল শুনানি শেষ করে আদালত বিএনপির দুই নেতাকে স্থায়ী জামিন নিয়ে রুলটি নিষ্পত্তি করে দেয়।

এ মামলায় এক মাস কারাভোগের পর গত ৯ জানুয়ারি অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে মুক্তি পান মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাস।

গত বছরের ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির গণসমাবেশ সামনে রেখে ৭ ডিসেম্বর নয়াপল্টনে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। পরের দিন ৮ ডিসেম্বর রাতে মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাসকে বাসা থেকে আটক করে পুলিশ। পরে তাদের সংঘর্ষের ঘটনায় পল্টন থানায় করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

আরও পড়ুন:
সরকার মুরগির ডিমকে অশ্বডিম্ব বলছে, জেগে উঠতে হবে: ফখরুল
শিক্ষাকে ইস্যু বানিয়েছে আওয়ামী লীগ: ফখরুল
জনগণই সরকারকে বিদায় করবে: মির্জা ফখরুল
ঘুঘুকে বারবার ধান খেতে দেবেন না ফখরুল
বইমেলা সরকার বা কোনো একক দলের নয়: ফখরুল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The lawyer took the litigant out of the court

আদালত থেকে বিচারপ্রার্থীকে বের করে দিলেন আইনজীবী

আদালত থেকে বিচারপ্রার্থীকে বের করে দিলেন আইনজীবী কয়েকজন আইনজীবী আদালতের কাজ বন্ধ রয়েছে বলে সালামকে ধমকিয়ে আদালত ভবন থেকে বের করে দেন। ছবি: নিউজবাংলা
আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. মোস্তফা কামাল বলেন, ‘আদালতে বিচারক, কর্মকর্তা ও কার্মচারীগণ উপস্থিত রয়েছেন। বিচারকার্যের জন্য সবাই প্রস্তুত রয়েছেন। বিচার চেয়ে আদালতের কাছে দারস্থ হওয়া আইনগত অধিকার। তবে বিচারপ্রার্থীদের আদালতে আসতে না দেয়া সম্পূর্ণ বেআইনী।’

দীর্ঘ এক মাস ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই বিচারক ও নাজির মমিনুল ইসলামের শাস্তির দাবিতে কোর্ট বর্জন করছে আইনজীবীরা। এতে অচল হয়ে পড়ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিচার ব্যবস্থা। জেলা ও দায়রা জজ নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল-১ এর আদালত ব্যতীত সব আদালতে গিয়েছে আইনজীবীরা ।

দাবি পূরণ না হওয়ায় বুধবার সকাল থেকে আবারও সব আদালত বর্জন করেছে আইনজীবী সমিতি। এতে বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি বুধবার থেকে আরও বাড়বে বলে মনে আদালত-সংশ্লিষ্টরা।

আদালতে ঘুরে দেখা যায়, সকাল সাড়ে ৯ টা থেকে আদালত চত্বরে বিচারপ্রার্থীদের সমাগম থাকলেও আইনজীবী দেখা যায় নি। তবে বিচার প্রার্থীরা জানতেন না বুধবার থেকে আবারও আদালত করবেন না আইনজীবীরা । বিষয়টি জেনে অনেক বিচারপ্রার্থী হতাশাগ্রস্থ হয়েছে। দূর-দূরান্ত থেকে আসা বিচারপ্রার্থীরা আদালত প্রাঙ্গণে এসে ঘুরে আবারও ফিরে যাচ্ছেন।

বিচার প্রার্থীরা ইচ্ছেকৃতভাবে ফিরে যাচ্ছে না, আইনজীবীরা আদালতের প্রতিটি প্রবেশ দ্বারে দাঁড়িয়ে আদালত থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ রয়েছে বিচার প্রার্থীদের।

তেমনটি অভিযোগ করেন সরাইল উপজেলা অরুয়াইল থেকে আসা সালমা বেগম। তিনি অভিযোগ করেন, স্বামীর জামিনের আবেদন করতে আসলে আদালতে ভিতর ঢুকতেই ধমকিয়ে বের করে দেয়া হয়েছে তাকে। চার শিশু সন্তান নিয়ে দীর্ঘ দেড় মাস যাবত এই আদালতে চত্বরে ঘুরছেন স্বামী কাউসারকে জামিন করানোর জন্য। তবে আইনজীবী ও বিচারকদের দ্বন্ধে স্বামীর জামিন না করাতে পেরে শিশু সন্তান নিয়ে পথে বসার মত অবস্থা তাদের।

সালমা বেগম বলেন, ‘৬ মাস আগে প্রতিবেশী এক মহিলা তার স্বামী কাউসারের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। আর সেই মামলায় জেল খাটছে তার স্বামী। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী হওয়ায় স্বামীকে জামিন করানো জন্য হন্য হয়ে ঘুরছে আদালতে।

‘গত ৩ জানুয়ারি আদালতে হাজির করানো হয়েছিল। মামলায় প্রতিবেশী মহিলার সঙ্গে আপোষ করা হলেও সেদিন আইনজীবী না থাকায় তার স্বামীর জামিন হয় নি। তবে আদালতের বিচারক বলেছিলেন পিপি সাহেবের স্বাক্ষর নিয়ে আসলে জামিন দেয়া হবে। কিন্তু সেদিন ৫০০০ হাজার টাকা দিয়ে পায়ে ধরে কান্নাকাটি করলে তিনি স্বাক্ষর দেননি। বুধবার তার স্বামীর মামলা শুনানি ছিল। কিন্তু সকালে আদালতে প্রবেশ দ্বারে ঢুকতে গেলেই কয়েকজন আইনজীবী আদালতের কাজ বন্ধ রয়েছে বলে সালামকে ধমকিয়ে আদালত ভবন থেকে বের করে দেয়। এ সময় সাথে ছিল তার চার শিশু সন্তান।’
শুধু সালমা নয়, সরাইল রসূলপুরের মুমিনুল হক, কসবা উপজেলা শাহাদৎ মিয়া, আখাউড়া উপজেলা মনোয়ারা বেগম, বাঞ্ছারাপুরের ইলিয়াস মিয়া, নবীরনগর উপজেলা কৃষ্ণনগর গ্রামের ইছা মিয়া সহ আরও বেশ কয়েকজনকে আইনজীবীদের পথ আটকে দেয়ার কারণে আদালত থেকে ফিরে যেতে হয়েছে।

আদালত থেকে ফিরিয়ে দেয়ার কারণ জানতে চাইলে আইনজীবী সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট বশির আহমেদ খান বলেন, ‘আমাদের দাবি অনুযায়ী আদালত বর্জন চলছে। কার্যক্রম যেন না নিতে পারে সেক্ষেত্রে ব্যবস্থা নিচ্ছি। আইনজীবী ছাড়া সরাসরি যেন কোনো পিটিশন না নেয় সেই বিষয়ে আমরা প্রয়োজন ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

এ ব্যাপারে আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. মোস্তফা কামাল বলেন, ‘আদালতে বিচারক, কর্মকর্তা ও কার্মচারীগণ উপস্থিত রয়েছেন। বিচারকার্যের জন্য সবাই প্রস্তুত রয়েছেন। বিচার চেয়ে আদালতের কাছে দারস্থ হওয়া আইনগত অধিকার। তবে বিচারপ্রার্থীদের আদালতে আসতে না দেয়া সম্পূর্ণ বেআইনী।’

আরও পড়ুন:
এক সপ্তাহ পর সচল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিচার বিভাগ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই বিচারক বাদে অন্যদের আদালতে যাবেন আইনজীবীরা
দুই বিচারকের অপসারণ দাবিতে আইনজীবীদের কোর্ট বর্জন
এয়ারগানে পাখি শিকারের দায়ে ৬ মাসের জেল
এনআইডি জালিয়াতির মামলায় ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে অভিযোগ গ্রহণ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
2 lakh Bangladeshis in Dubai aim for Europe on visit visa

দুবাইয়ে ২ লাখ বাংলাদেশি, লক্ষ্য ইউরোপ

দুবাইয়ে ২ লাখ বাংলাদেশি, লক্ষ্য ইউরোপ
অবৈধ পথে ইউরোপে পাড়ি জমাতে গিয়ে পদে পদে প্রতারণার শিকার হচ্ছে তরুণ-যুবকরা। দিনের পর দিন আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন, দেশে স্বজনদের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায়, পাসপোর্টসহ সব কাগজপত্র কেড়ে নিয়ে বিদেশবিভূঁইয়ের রাস্তায় ছেড়ে দেয়া, আটক করে জেল বন্দি জীবন কাটানো, সবশেষে সর্বস্ব খুইয়ে দেশে ফেরত আসার ঘটনা ঘটছে অহরহ।

অবৈধ পথে ইউরোপে পাড়ি জমাতে দুই লাখের বেশি বাংলাদেশি দুবাইয়ে ঢুকেছে। করোনার আগে ও পরে এসব বাংলাদেশি ভিজিট ভিসায় সেখানে পৌঁছেছে। আর দুবাইকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করে তারা অবৈধভাবে পাড়ি দিচ্ছে ইতালি, স্পেন, গ্রিস, ফ্রান্স, তুরস্কসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে।

বাস্তবতা হলো, এই মানুষগুলোর অধিকাংশই বিপদসংকুল এই পথ পাড়ি দিতে গিয়ে প্রতারণার শিকার হচ্ছে। দিনের পর দিন আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন, দেশে স্বজনদের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায়, পাসপোর্টসহ সব কাগজপত্র কেড়ে নিয়ে বিদেশবিভূঁইয়ের রাস্তায় ছেড়ে দেয়া, আটক করে জেল বন্দি জীবন কাটানো, সবশেষে সর্বস্ব খুইয়ে দেশে ফেরত আসার ঘটনা ঘটছে অহরহ।

তবু থেমে নেই উন্নত-সচ্ছল জীবনের আশায় অবৈধপথে বিদেশে পাড়ি জমানোর এই চেষ্টা। বেপরোয়া মানবপাচারকারী চক্রের ফাঁদে প্রতিনিয়ত পা রাখছে অসংখ্য তরুণ-যুবক।

বাংলাদেশ থেকে দালালের মাধ্যমে দুবাই হয়ে ইউরোপ যাওয়ার আগে মরক্কো, তিউনিসিয়া, লিবিয়া, ইরান ও আলবেনিয়ার মতো দেশগুলোতে ঢুকছে তারা। আর ভয়ঙ্কর ঝুঁকির এই যাত্রাপথে তাদের অনেকেই মানব পাচারকারীদের খপ্পরে পড়ে পাসপোর্ট, টাকাপয়সা সব হারিয়ে সর্বস্বান্ত হচ্ছে। শিকার হচ্ছে অমানুষিক নির্যাতনের। অনেক ক্ষেত্রেই তাদেরকে জিম্মি করে দেশে স্বজনদের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে মুক্তিপণ।

ভয়ঙ্কর এসব ফাঁদ থেকে কোনোমতে মুক্তি মিললেও তাদের দেশে ফেরার পথ আর সেভাবে খোলা থাকে না। সব হারিয়ে ফেরার কোনো উপায় না দেখে আবার পা পাড়াচ্ছে পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোর দিকে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভূমধ্যসাগর ও পারস্য উপসাগর পাড়ি দিয়ে পৌঁছাচ্ছে গ্রিস, স্পেন, ইতালি ও তুরস্কের মতো দেশে।

অভিবাসন বিশ্লেষকদের তথ্যমতে, বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে অবৈধভাবে প্রবেশ করার জন্য ১৮টির মতো পথ ব্যবহার হয়। দুর্গম মরুভূমি ও গভীর সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে ইউরোপে পৌঁছাতে প্রতিবছর বহু মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে। গ্রেপ্তার হয়ে জেল খাটতে হচ্ছে অনেককে।

পুলিশের একটি সূত্র বলছে, গত দুই বছরে বাংলাদেশ থেকে দুই লাখের বেশি মানুষ ভিজিট ভিসায় দুবাই গেছে। তাদের লক্ষ্য দালালদের মাধ্যমে ইউরোপের কোনো একটি দেশে পৌঁছানো। তবে এদের মধ্যে ঠিক কতজন ইউরোপে পৌঁছাতে পেরেছে বা পারছে তার সঠিক কোনো পরিসংখ্যান নেই বাহিনীটির কাছে।

ব্র্যাকের অভিবাসন প্রোগ্রামের প্রধান শরিফুল হাসান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কোভিডের আগে-পরে আমাদের দেশ থেকে প্রায় দুই লাখ লোক ভিজিট ভিসায় দুবাই গেছে। তাদের একটা বড় অংশই সেখানে কাজ পায়নি। সে সময়ই আমরা শঙ্কা প্রকাশ করেছিলাম- এই যে লোকজন দুবাইয়ে যাচ্ছে, তারা পরবর্তীতে ইউরোপে অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টা করবে।’

তিনি বলেন, ‘গত দুই বছরে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার পথে ২২ হাজারের বেশি মানুষ আটক হয়েছে। দুবাইয়ে ভিজিট ভিসায় যারা গেছে তারা এখন ইরান, গ্রিস, তুরস্ক হয়ে পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোতে যাওয়ার চেষ্টা করছে। এতে করে শুধু তারা নিজেরাই যে বিপদে পড়ছে তা নয়, আন্তর্জাতিকভাবে দেশের ভাবমূর্তিও প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।’

উন্নত-সচ্ছল জীবনের আশায় অবৈধপথে বিদেশে পাড়ি জমানো প্রায় আড়াই হাজার বাংলাদেশি গত এক বছরে দেশে ফিরেছে বলে জানিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সংস্থাটির মানবপাচার প্রতিরোধ টিমের তথ্য অনুযায়ী, মানব পাচারের শিকারদের একটা বড় অংশই দুবাই হয়ে অন্যান্য দেশে অবৈধভাবে প্রবেশ করেছে।

সম্প্রতি মানবপাচার মামলায় একটি চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করে সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম বিভাগ। চক্রটি ইউরোপে পাঠানোর নাম করে ভিজিট ভিসায় এক ভুক্তভোগীকে দুবাইয়ে পাঠায়। সেখানে তার পাসপোর্টসহ সর্বস্ব কেড়ে নিয়ে লাখ লাখ টাকার বিনিময়ে পাঠায় ইরানে। সেখান থেকে পাঠানো হয় তুরস্কে।

তুরস্কে যাওয়ার পর সেখানকার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হয়ে জেল খাটার পর আইওএম এবং বাংলাদেশ দূতাবাসের সহায়তায় দেশে ফিরে আসেন তিনি।

ভুক্তভোগীকে ভিজিট ভিসায় দুবাই এবং পরবর্তীতে ইরান ও তুরস্কে পাঠানো মানব পাচারকারী চক্রটির সঙ্গে সিভিল অ্যাভিয়েশনের একজনসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। তারা হলেন- মাহামুদুল হাছান, জাহাঙ্গীর আলম বাদশা, সালামত উল্লাহ ও রাশিয়া বেগম।

তাদের মধ্যে মাহামুদুল হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্টের অভ্যন্তরে অগ্রগামী ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিসের এয়ার কন্ডিশন সার্ভিসে এবং জাহাঙ্গীর সিভিল এভিয়েশনে কর্মরত বলে জানিয়েছে সিআইডি।

তুরস্ক ফেরত এই ভুক্তভোগী বলেন, ‘পাচারকারীরা জানিয়েছিল যে বিমানে করে আমাকে তুরস্কে পৌঁছানো হবে। সে জন্য প্রথমে যেতে হবে দুবাইয়ে। সেখান থেকে তুরস্কের ভিসা দেয়া হবে। কিন্তু তাদের কথা ও কাজে কোনো মিল নেই। পুরোটাই ছিল ফাঁদ।’

তিনি বলেন, ‘আমাকে দুবাই পাঠানো হয় ভিজিট ভিসায়। দুবাইতে যাওয়ার পরই আমার সঙ্গে থাকা টাকাপয়সা, পাসপোর্টসহ যাবতীয় ডকুমেন্ট নিয়ে যায় দালালেরা। কাগজ ছাড়া আমার কোথাও যাওয়ারও উপায় ছিল না।

‘তুরস্ক পাঠাবে বলে দুবাইতে আমার কাছ থেকে নেয়া হয় এক লাখ টাকা। তারা ট্রলার ও স্পিডবোটে করে আমাকে ইরানে নিয়ে যায়। সেখানে একটি কক্ষে আটকে রেখে ওরা আমার ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালায়। আমাকে নির্যাতনের বিষয়টি জানিয়ে দেশে আমার পরিবার থেকে দফায় দফায় ওরা ৮ লাখ টাকা আদায় করে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এই ভুক্তভোগী আরও বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত অনেক টাকার বিনিময়ে আমি ইরান থেকে কোনো কাগজপত্র ছাড়া তুরস্কে পৌঁছাই। সেখানে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে জেল খাটি। এরপর বাংলাদেশ থেকে আউটপাস নিয়ে তুরস্কে বাংলাদেশ অ্যাম্বেসি ও আইএম-এর সহায়তায় দেশে ফিরে আসি।

‘সব হারিয়ে আমি ও আমার পরিবার এখন সর্বস্বান্ত, বিপর্যস্ত। আমি চাই না এমন ফাঁদে পড়ে কেউ অবৈধভাবে ইউরোপে পাড়ি জমানোর চেষ্টা করুক।’

মানবপাচার ঠেকাতে সিআইডির টিম কাজ করছে জানিয়ে সংস্থাটির এই কর্মকর্তা বলেন, ‘২০১৯ সালে ৭২টি মানবপাচার মামলার তদন্তভার পেয়েছি আমরা। এর মধ্যে ৬৭টির তদন্ত প্রতিবেদন দেয়া হয়েছে।

‘২০২০ সালে আমাদের কাছে এসেছে ৬৩টি মামলা আর প্রতিবেদন দিয়েছি ৫১টির। ২০২১ সালে তদন্তভার পেয়েছি ৫১টি মামলার, তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছি ৬০টির। আর ২০২২ সালে তদন্তভার পেয়েছি ৩০টির এবং তদন্ত প্রতিবেদন দিয়েছে ৪৫টি মামলার।’

সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম ইউনিটের বিশেষ পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম বলেন, ‘লিবিয়া, মরক্কো, ইরান, তুরস্ক ও কম্বোডিয়ার মতো দেশগুলোতে মানবপাচার হচ্ছে। দুবাইকে বিশেষ করে ট্রানজিট শহর হিসেবে ব্যবহার করছে পাচারকারীরা।

‘মানুষ উন্নত জীবন ও উপার্জনের জন্য ইতালি, স্পেন, ফ্রান্স এবং অন্যান্য ইউরোপীয় দেশে যেতে প্রলুব্ধ হচ্ছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তারা ভিজিট ভিসার মাধ্যমে প্রতারিত হয়ে লিবিয়া, তিউনিসিয়া, মরক্কো ও অন্যান্য আফ্রিকান দেশে যেতে বাধ্য হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
ভারতে পাচারের ৭৭ দিন পর পালিয়ে এসে তরুণীর মামলা
মানবপাচার মামলা: ইভানের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ১২ এপ্রিল
নৃত্যশিল্পী ইভানের জামিন
মানব পাচার: ইভানের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা পেছাল
ইউরোপের কথা বলে শ্রীলংকার জঙ্গলে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
UP member in jail in Noakhali

নোয়াখালীতে ইউপি সদস্য কারাগারে

নোয়াখালীতে ইউপি সদস্য কারাগারে সেনবাগ উপজেলার কেশারপাড় ইউপির ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ৪৮ বছর বয়সী আলেক হোসেন গ্রেপ্তার হয়েছেন। ছবি: নিউজবাংলা
সেনবাগ থানার ওসি মো. ইকবাল হোসেন বলেন, ‘গ্রেপ্তার আলেককে নোয়াখালী মুখ্য বিচারিক আদালতের বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।’

নোয়াখালীর সেনবাগে বাড়িঘরে হামলা ভাংচুর লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় করা মামলায় এক ইউপি সদস্যকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

নোয়াখালী মুখ্য বিচারিক আদালতের বিচারক ইকবাল হোসাইনের আদালত মঙ্গলবার বিকেলে এ আদেশ দেন।

এর আগে দুপুরে তাকে উপজেলার কেশারপাড় ইউনিয়ন থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গ্রেপ্তার ৪৮ বছর বয়সী আলেক হোসেন উপজেলার কেশারপাড় ইউপির ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল হোসেন পাটোয়ারী নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

মামলার বরাতে তিনি বলেন, ‘ইউপি নির্বাচন নিয়ে পূর্ব বিরোধের জেরে সোমবার রাতে উপজেলার কেশারপাড় ইউপি আবদুস সাত্তার মেম্বারের বাড়িতে আলেক মেম্বারের নেতৃত্বে ১৪/১৫ জন দুর্বৃত্ত আগ্নেয়াস্ত্র ও দা-ছেনী, লাঠিসোঠা নিয়ে হামলা চালিয়ে ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগে করে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার ভুক্তভোগী ফারুক হোসাইন বাদী হয়ে ইউপি সদস্য আলেক হোসেনসহ ১৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৫/৬ জনের নামে থানায় মামলার পর পুলিশ দুপুরে ইউপি সদস্য আলেক হোসেনকে গ্রেপ্তার করে।

তিনি আরও বলেন, ‘গ্রেপ্তার আলেককে নোয়াখালী মুখ্য বিচারিক আদালতের বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।’

আরও পড়ুন:
বিদেশি মদসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
দিনাজপুরে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ব্যবসায়ী
প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার
কিশোর গ্যাং ও ছিনতাইকারী চক্রের ২০ সদস্য গ্রেপ্তার
মানবতাবিরোধী অপরাধ: পলাতক সুলতান ফকির গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Abnormalities in the anus of the deceased madrasah student

নিহত মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর পায়ুপথে অস্বাভাবিকতার চিহ্ন

নিহত মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর পায়ুপথে অস্বাভাবিকতার চিহ্ন প্রতীকী ছবি
নিহত ১৪ বছর বয়সী শিশু শিক্ষার্থী পড়াশোনা করতেন কামরাঙ্গীর চরে নুরিয়া মাদ্রাসায়। এই মাদ্রাসা থেকে হাফেজ হয়ে গত শুক্রবার ওয়াজ মাহফিলে পাগড়ি পান। পাগড়ি গ্রহণ শেষে তিনি বাসায় ফেরেন। এরপর থেকে বাসাতেই ছিলেন তিনি।

ঢাকার কামরাঙ্গীর চরের রসুলপুরে এক মাদ্রাসা ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের পর সুরতহাল রিপোর্ট তৈরির সময় তার পায়ুপথে অস্বাভাবিকতার চিহ্ন পেয়েছে পুলিশ। এই শিশু শিক্ষার্থী কারও দ্বারা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে কিনা তা তদন্ত করা হচ্ছে।

সোমবার রাতে তাকে ঘরের ভেতর ঝুলন্ত অবস্থায় পায় পরিবারের সদস্যরা। পরে মধ্যরাতে তার মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

নিহত ১৪ বছর বয়সী ওই শিক্ষার্থী পড়াশোনা করতেন কামরাঙ্গীর চরে নুরিয়া মাদ্রাসায়। এই মাদ্রাসা থেকে হাফেজ হয়ে গত শুক্রবার ওয়াজ মাহফিলে পাগড়ি পান। পাগড়ি গ্রহণ শেষে সে বাসায় ফেরে। এরপর থেকে ওই শিক্ষার্থী বাসাতেই ছিল।

কামরাঙ্গীর চর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, গতকাল ওর মাদ্রাসার যাওয়ার কথা। কিন্তু যেতে চাইনি। রাতে একটি কক্ষে দরজা বন্ধ করে অনেকক্ষণ ভেতরে থাকলে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। ভেতরে তাকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

শিশু শিক্ষার্থীর পায়ুপথে অস্বাভাবিকতা দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন ওসি মোস্তাফিজুর রহমান আরও বলেন, আত্মহত্যা করলে পায়ুপথে বীর্য ও মল আসে। এই ভিকটিমের ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। এর বাইরে তার পায়ুপথ স্ফিত ছিল। যেটা দেখে আমাদের সন্দেহ হয়েছে। আমরা মরদেহ ময়নাতদন্ত করিয়েছি। ডাক্তার কোনো কিছু জানাননি। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের জন্য আমরা অপেক্ষা করছি।

এ ঘটনায় এরইমধ্যে একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে, তবে তদন্তে যৌন নির্যাতন বা অন্য কিছু পাওয়া গেলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ওসি মোস্তাফিজুর।

আরও পড়ুন:
মাদ্রাসার মেয়েশিশুর ঝুলন্ত মরদেহ, প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ
মাদ্রাসার শৌচাগারে দেড় মাসের ব্যবধানে আরেক মেয়ের ঝুলন্ত দেহ
বন্ধুর প্রেমিকাকে ধর্ষণের মামলায় ইমাম, মাদ্রাসাশিক্ষকসহ গ্রেপ্তার ৩
শিশু পর্নোগ্রাফি: গুগলের তথ্যে ধরা বরগুনার মাদ্রাসাছাত্র
শিশুকে মাদ্রাসার ভেতরে ধর্ষণ, নিরাপত্তাকর্মী গ্রেপ্তার

মন্তব্য

p
উপরে