× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
There is a glimpse of winter in the country
hear-news
player
google_news print-icon

দেশজুড়ে শীত কমার আভাস

দেশজুড়ে-শীত-কমার-আভাস
রাজধানী বাড্ডা এলাকার রৌদ্রোজ্জ্বল আকাশ। ছবি: নিউজবাংলা
বৃহস্পতিবার সকাল নয়টা পর্যন্ত দেশের সর্বনিম্ন ৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গায়। এর আগে বুধবার সর্বোচ্চ ২৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায়।

দেশের ১৮টি জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় সারা দেশেই রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে। সেই সঙ্গে এ সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিও হতে পারে।

বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্যান্য এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

পাশাপাশি যশোর ও চুয়াডাঙ্গা জেলাসহ রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ওপর দিয়ে যে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, তা অব্যাহত থাকতে পারে।

বৃহস্পতিবার সকাল নয়টা পর্যন্ত দেশের সর্বনিম্ন ৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গায়। এর আগে বুধবার সর্বোচ্চ ২৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায়।

বৃহস্পতিবার ঢাকায় সূর্যোদয় হয় ভোর ৬টা ৪৪ মিনিটে। সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায়।

আরও পড়ুন:
ঢাকায় শীতের তীব্রতা কমলেও অনুভূতি একই
রাজশাহীতে দেখা মেলেনি সূর্যের, তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে
রংপুরে শীত নিবারণ করতে গিয়ে বাড়ছে অগ্নিদগ্ধ রোগীর সংখ্যা
টানা চার দিন সূর্যের দেখা নেই কুমিল্লায়
চুয়াডাঙ্গায় হাড়-কাঁপানো শীতে রোগ বাড়ছে শিশুদের

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
There is no alternative to knowing when writing a column

‘কলাম লিখতে হলে জানার বিকল্প নেই’

‘কলাম লিখতে হলে জানার বিকল্প নেই’
সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক ডমীজানুর রহমান বলেন, কলাম লেখার প্রথম কথা হলো, আপনাকে পড়াশোনা করতে হবে। পড়াশোনা না করলে, কলাম লেখা যাবে না। আপনি যে বিষয়ে কলাম লিখবেন, সে বিষয়ে প্রথমে আপনাকে জেনে নিতে হবে।

কলাম লিখতে হলে প্রথমে নিজেকে তথ্য জানতে হবে। কলাম লিখতে হলে জানার বিকল্প নেই। একটি বিষয় নিয়ে লিখার পূর্বে বিষয়টি সম্পর্কে সত্য মিথ্যা জানতে হবে।

বুধবার বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরামের উদ্যোগে জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘কলাম লেখার রীতি-নীতি, কৌশল শিখন ও অনুশীলন ’ শীর্ষক ওয়ার্কশপে এসব কথা বলেন বক্তারা।

বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরামের সাধারণ সম্পাদক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মিল্টন বিশ্বাসের সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য দেন ফোরামের এর সভাপতি ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. মীজানুর রহমান, সংগঠনটির সহ সভাপতি অধ্যাপক ড. রাশিদ আসকারী, দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সেক্রেটারি শ্যামল দত্ত, বাংলা একাডেমির উপ পরিচালক ড. তপন বাগচী।

সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক ডমীজানুর রহমান বলেন, কলাম লেখার প্রথম কথা হলো, আপনাকে পড়াশোনা করতে হবে। পড়াশোনা না করলে, কলাম লেখা যাবে না। আপনি যে বিষয়ে কলাম লিখবেন, সে বিষয়ে প্রথমে আপনাকে জেনে নিতে হবে।

অধ্যাপক ড. রাশিদ আসকারী বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবকে সামনে রেখে আমাদরেকে জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি করতে হবে। আগামীর বিশ্ব বাজার দখল করবে তথ্য। এই তথ্য বা ইনফরমেশন যারা ভালোভাবে ব্যবহার করতে পারবে, যারা প্রয়োজন অনুযায়ী ট্রান্স এন্ড টুইস বুঝে চলতে পারবে, তারাই টিকে যাবে।

প্রেস ক্লাবের সেক্রেটারি শ্যামল দত্ত শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, কলাম লেখা, রীতি-নীতি, কৌশল শিখন বিষয়ক অনুশীলন কার্যক্রমটি একটি ভালো উদ্যোগ। আপনাদেরকে এ আয়োজন করার জন্য সাধুবাদ জানাচ্ছি।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Snigdha Rezwanas first book in search of womanhood at the book fair

স্নিগ্ধা রেজওয়ানার প্রথম বই ‘নারী সত্তার অন্বেষণে’ বইমেলায়

স্নিগ্ধা রেজওয়ানার প্রথম বই ‘নারী সত্তার অন্বেষণে’ বইমেলায়
বইটি ছাপা হয়েছে ঐতিহ্য প্রকাশনী থেকে এবং প্রচ্ছদ করেছেন ধ্রুব এষ । ঐতিহ্যের স্টল নম্বর ২২-এ পাওয়া যাচ্ছে এই গবেষণামূলক গ্রন্থ। বইটির মূল্য ৩৭০ টাকা, তবে বইমেলায় এটি ২৫% ছাড়ে পাওয়া যাচ্ছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক রেজওয়ানা করিম স্নিগ্ধার বই ‘নারী সত্তার অন্বেষণে’ এসেছে একুশের বইমেলায়।

বইটি ছাপা হয়েছে ঐতিহ্য প্রকাশনী থেকে এবং প্রচ্ছদ করেছেন ধ্রুব এষ । ঐতিহ্যের স্টল নম্বর ২২-এ পাওয়া যাচ্ছে এই গবেষণামূলক গ্রন্থ। বইটির মূল্য ৩৭০ টাকা, তবে বইমেলায় এটি ২৫% ছাড়ে পাওয়া যাচ্ছে।

ঢাকা শহরের মধ্যবিত্ত নারীর সত্তা নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণ প্রক্রিয়াকে লিঙ্গীয় সর্ম্পক-নারী শরীর, যৌনতা, মাতৃত্ব, শিক্ষা, ধর্মীয় মূল্যবোধ, সামাজিক সম্পর্ক এবং মধ্যবিত্তের চৈতন্য কীভাবে নারীকে তার সত্তা গঠনে সক্রিয় করে তোলে সেটি বিশ্লেষণের মাধ্যমে এই বইতে তুলে ধরা হয়েছে।

লেখকের মূল যুক্তি হলো, নারীর আত্ম-গঠন একটি জটিল এবং চলমান প্রক্রিয়া যা সমাজের মনোভাব, নিয়ম এবং প্রত্যাশা দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত হয়। স্নিগ্ধা রেজওয়ানার বইটি নারী অধ্যয়ন এবং জেন্ডার স্টাডির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান।

২০১০ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেয়া স্নিগ্ধা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রেকর্ড নম্বর নিয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

তার পিএইচডি গবেষণার বিষয় ছিল ঢাকা শহরের ‘হিজড়া’ সম্প্রদায়। নারীবাদ, লিঙ্গ বৈচিত্র্য, শরীর এবং যৌনতা, পৌরুষ এবং পুরষত্বসহ সামাজিক নৃবিজ্ঞানের অপরাপর বিষয় নিয়ে দেশে-বিদেশে বিভিন্ন গবেষণা পত্রিকায় তার লেখা প্রকাশিত হয়েছে। নারীসত্তার অন্বেষণ তার প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ।

আরও পড়ুন:
৩ বই না রাখার শর্তে আদর্শকে মেলায় স্টল বরাদ্দের নির্দেশ
বইমেলায় রচনা পারভীনের ‘ঋষি শূন্যতায় সমর্পণ’
বইমেলায় কবি আজিম হিয়ার ‘নিরন্ন আললা’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Permanent bail of Fakhrul Abbas in Paltan police case

পল্টন থানার মামলায় ফখরুল-আব্বাসের স্থায়ী জামিন

পল্টন থানার মামলায় ফখরুল-আব্বাসের স্থায়ী জামিন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
আদালতে বিএনপির দুই নেতার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। তার সঙ্গে ছিলেন আসাদুজ্জামান, সগীর হোসেন লিয়ন ও আনিছুর রহমান রায়হান। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম মুনির।

রাজধানীর পল্টন থানায় করা মামলায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে এবার স্থায়ী জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট।

বিচারপতি মো. সেলিম ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এ রায় দেয়।

আদালতে বিএনপির দুই নেতার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। তার সঙ্গে ছিলেন আসাদুজ্জামান, সগীর হোসেন লিয়ন ও আনিছুর রহমান রায়হান। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম মুনির।

এর আগে গত ৩ জানুয়ারি দুই নেতাকে জামিন দিয়ে রুল জারি করেছিল একই আদালত।

এরপর এ আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষে আপিল করলে আপিল বিভাগ দুজনের জামিন বহাল রেখে রুল নিষ্পত্তির নির্দেশ দেয়।

আপিল বিভাগের এ নির্দেশের আলোকে রুল শুনানি শেষ করে আদালত বিএনপির দুই নেতাকে স্থায়ী জামিন নিয়ে রুলটি নিষ্পত্তি করে দেয়।

এ মামলায় এক মাস কারাভোগের পর গত ৯ জানুয়ারি অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে মুক্তি পান মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাস।

গত বছরের ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির গণসমাবেশ সামনে রেখে ৭ ডিসেম্বর নয়াপল্টনে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। পরের দিন ৮ ডিসেম্বর রাতে মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাসকে বাসা থেকে আটক করে পুলিশ। পরে তাদের সংঘর্ষের ঘটনায় পল্টন থানায় করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

আরও পড়ুন:
সরকার মুরগির ডিমকে অশ্বডিম্ব বলছে, জেগে উঠতে হবে: ফখরুল
শিক্ষাকে ইস্যু বানিয়েছে আওয়ামী লীগ: ফখরুল
জনগণই সরকারকে বিদায় করবে: মির্জা ফখরুল
ঘুঘুকে বারবার ধান খেতে দেবেন না ফখরুল
বইমেলা সরকার বা কোনো একক দলের নয়: ফখরুল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The lawyer took the litigant out of the court

আদালত থেকে বিচারপ্রার্থীকে বের করে দিলেন আইনজীবী

আদালত থেকে বিচারপ্রার্থীকে বের করে দিলেন আইনজীবী কয়েকজন আইনজীবী আদালতের কাজ বন্ধ রয়েছে বলে সালামকে ধমকিয়ে আদালত ভবন থেকে বের করে দেন। ছবি: নিউজবাংলা
আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. মোস্তফা কামাল বলেন, ‘আদালতে বিচারক, কর্মকর্তা ও কার্মচারীগণ উপস্থিত রয়েছেন। বিচারকার্যের জন্য সবাই প্রস্তুত রয়েছেন। বিচার চেয়ে আদালতের কাছে দারস্থ হওয়া আইনগত অধিকার। তবে বিচারপ্রার্থীদের আদালতে আসতে না দেয়া সম্পূর্ণ বেআইনী।’

দীর্ঘ এক মাস ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই বিচারক ও নাজির মমিনুল ইসলামের শাস্তির দাবিতে কোর্ট বর্জন করছে আইনজীবীরা। এতে অচল হয়ে পড়ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিচার ব্যবস্থা। জেলা ও দায়রা জজ নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল-১ এর আদালত ব্যতীত সব আদালতে গিয়েছে আইনজীবীরা ।

দাবি পূরণ না হওয়ায় বুধবার সকাল থেকে আবারও সব আদালত বর্জন করেছে আইনজীবী সমিতি। এতে বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি বুধবার থেকে আরও বাড়বে বলে মনে আদালত-সংশ্লিষ্টরা।

আদালতে ঘুরে দেখা যায়, সকাল সাড়ে ৯ টা থেকে আদালত চত্বরে বিচারপ্রার্থীদের সমাগম থাকলেও আইনজীবী দেখা যায় নি। তবে বিচার প্রার্থীরা জানতেন না বুধবার থেকে আবারও আদালত করবেন না আইনজীবীরা । বিষয়টি জেনে অনেক বিচারপ্রার্থী হতাশাগ্রস্থ হয়েছে। দূর-দূরান্ত থেকে আসা বিচারপ্রার্থীরা আদালত প্রাঙ্গণে এসে ঘুরে আবারও ফিরে যাচ্ছেন।

বিচার প্রার্থীরা ইচ্ছেকৃতভাবে ফিরে যাচ্ছে না, আইনজীবীরা আদালতের প্রতিটি প্রবেশ দ্বারে দাঁড়িয়ে আদালত থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ রয়েছে বিচার প্রার্থীদের।

তেমনটি অভিযোগ করেন সরাইল উপজেলা অরুয়াইল থেকে আসা সালমা বেগম। তিনি অভিযোগ করেন, স্বামীর জামিনের আবেদন করতে আসলে আদালতে ভিতর ঢুকতেই ধমকিয়ে বের করে দেয়া হয়েছে তাকে। চার শিশু সন্তান নিয়ে দীর্ঘ দেড় মাস যাবত এই আদালতে চত্বরে ঘুরছেন স্বামী কাউসারকে জামিন করানোর জন্য। তবে আইনজীবী ও বিচারকদের দ্বন্ধে স্বামীর জামিন না করাতে পেরে শিশু সন্তান নিয়ে পথে বসার মত অবস্থা তাদের।

সালমা বেগম বলেন, ‘৬ মাস আগে প্রতিবেশী এক মহিলা তার স্বামী কাউসারের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। আর সেই মামলায় জেল খাটছে তার স্বামী। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী হওয়ায় স্বামীকে জামিন করানো জন্য হন্য হয়ে ঘুরছে আদালতে।

‘গত ৩ জানুয়ারি আদালতে হাজির করানো হয়েছিল। মামলায় প্রতিবেশী মহিলার সঙ্গে আপোষ করা হলেও সেদিন আইনজীবী না থাকায় তার স্বামীর জামিন হয় নি। তবে আদালতের বিচারক বলেছিলেন পিপি সাহেবের স্বাক্ষর নিয়ে আসলে জামিন দেয়া হবে। কিন্তু সেদিন ৫০০০ হাজার টাকা দিয়ে পায়ে ধরে কান্নাকাটি করলে তিনি স্বাক্ষর দেননি। বুধবার তার স্বামীর মামলা শুনানি ছিল। কিন্তু সকালে আদালতে প্রবেশ দ্বারে ঢুকতে গেলেই কয়েকজন আইনজীবী আদালতের কাজ বন্ধ রয়েছে বলে সালামকে ধমকিয়ে আদালত ভবন থেকে বের করে দেয়। এ সময় সাথে ছিল তার চার শিশু সন্তান।’
শুধু সালমা নয়, সরাইল রসূলপুরের মুমিনুল হক, কসবা উপজেলা শাহাদৎ মিয়া, আখাউড়া উপজেলা মনোয়ারা বেগম, বাঞ্ছারাপুরের ইলিয়াস মিয়া, নবীরনগর উপজেলা কৃষ্ণনগর গ্রামের ইছা মিয়া সহ আরও বেশ কয়েকজনকে আইনজীবীদের পথ আটকে দেয়ার কারণে আদালত থেকে ফিরে যেতে হয়েছে।

আদালত থেকে ফিরিয়ে দেয়ার কারণ জানতে চাইলে আইনজীবী সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট বশির আহমেদ খান বলেন, ‘আমাদের দাবি অনুযায়ী আদালত বর্জন চলছে। কার্যক্রম যেন না নিতে পারে সেক্ষেত্রে ব্যবস্থা নিচ্ছি। আইনজীবী ছাড়া সরাসরি যেন কোনো পিটিশন না নেয় সেই বিষয়ে আমরা প্রয়োজন ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

এ ব্যাপারে আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. মোস্তফা কামাল বলেন, ‘আদালতে বিচারক, কর্মকর্তা ও কার্মচারীগণ উপস্থিত রয়েছেন। বিচারকার্যের জন্য সবাই প্রস্তুত রয়েছেন। বিচার চেয়ে আদালতের কাছে দারস্থ হওয়া আইনগত অধিকার। তবে বিচারপ্রার্থীদের আদালতে আসতে না দেয়া সম্পূর্ণ বেআইনী।’

আরও পড়ুন:
এক সপ্তাহ পর সচল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিচার বিভাগ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই বিচারক বাদে অন্যদের আদালতে যাবেন আইনজীবীরা
দুই বিচারকের অপসারণ দাবিতে আইনজীবীদের কোর্ট বর্জন
এয়ারগানে পাখি শিকারের দায়ে ৬ মাসের জেল
এনআইডি জালিয়াতির মামলায় ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে অভিযোগ গ্রহণ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
2 lakh Bangladeshis in Dubai aim for Europe on visit visa

দুবাইয়ে ২ লাখ বাংলাদেশি, লক্ষ্য ইউরোপ

দুবাইয়ে ২ লাখ বাংলাদেশি, লক্ষ্য ইউরোপ
অবৈধ পথে ইউরোপে পাড়ি জমাতে গিয়ে পদে পদে প্রতারণার শিকার হচ্ছে তরুণ-যুবকরা। দিনের পর দিন আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন, দেশে স্বজনদের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায়, পাসপোর্টসহ সব কাগজপত্র কেড়ে নিয়ে বিদেশবিভূঁইয়ের রাস্তায় ছেড়ে দেয়া, আটক করে জেল বন্দি জীবন কাটানো, সবশেষে সর্বস্ব খুইয়ে দেশে ফেরত আসার ঘটনা ঘটছে অহরহ।

অবৈধ পথে ইউরোপে পাড়ি জমাতে দুই লাখের বেশি বাংলাদেশি দুবাইয়ে ঢুকেছে। করোনার আগে ও পরে এসব বাংলাদেশি ভিজিট ভিসায় সেখানে পৌঁছেছে। আর দুবাইকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করে তারা অবৈধভাবে পাড়ি দিচ্ছে ইতালি, স্পেন, গ্রিস, ফ্রান্স, তুরস্কসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে।

বাস্তবতা হলো, এই মানুষগুলোর অধিকাংশই বিপদসংকুল এই পথ পাড়ি দিতে গিয়ে প্রতারণার শিকার হচ্ছে। দিনের পর দিন আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন, দেশে স্বজনদের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায়, পাসপোর্টসহ সব কাগজপত্র কেড়ে নিয়ে বিদেশবিভূঁইয়ের রাস্তায় ছেড়ে দেয়া, আটক করে জেল বন্দি জীবন কাটানো, সবশেষে সর্বস্ব খুইয়ে দেশে ফেরত আসার ঘটনা ঘটছে অহরহ।

তবু থেমে নেই উন্নত-সচ্ছল জীবনের আশায় অবৈধপথে বিদেশে পাড়ি জমানোর এই চেষ্টা। বেপরোয়া মানবপাচারকারী চক্রের ফাঁদে প্রতিনিয়ত পা রাখছে অসংখ্য তরুণ-যুবক।

বাংলাদেশ থেকে দালালের মাধ্যমে দুবাই হয়ে ইউরোপ যাওয়ার আগে মরক্কো, তিউনিসিয়া, লিবিয়া, ইরান ও আলবেনিয়ার মতো দেশগুলোতে ঢুকছে তারা। আর ভয়ঙ্কর ঝুঁকির এই যাত্রাপথে তাদের অনেকেই মানব পাচারকারীদের খপ্পরে পড়ে পাসপোর্ট, টাকাপয়সা সব হারিয়ে সর্বস্বান্ত হচ্ছে। শিকার হচ্ছে অমানুষিক নির্যাতনের। অনেক ক্ষেত্রেই তাদেরকে জিম্মি করে দেশে স্বজনদের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে মুক্তিপণ।

ভয়ঙ্কর এসব ফাঁদ থেকে কোনোমতে মুক্তি মিললেও তাদের দেশে ফেরার পথ আর সেভাবে খোলা থাকে না। সব হারিয়ে ফেরার কোনো উপায় না দেখে আবার পা পাড়াচ্ছে পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোর দিকে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভূমধ্যসাগর ও পারস্য উপসাগর পাড়ি দিয়ে পৌঁছাচ্ছে গ্রিস, স্পেন, ইতালি ও তুরস্কের মতো দেশে।

অভিবাসন বিশ্লেষকদের তথ্যমতে, বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে অবৈধভাবে প্রবেশ করার জন্য ১৮টির মতো পথ ব্যবহার হয়। দুর্গম মরুভূমি ও গভীর সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে ইউরোপে পৌঁছাতে প্রতিবছর বহু মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে। গ্রেপ্তার হয়ে জেল খাটতে হচ্ছে অনেককে।

পুলিশের একটি সূত্র বলছে, গত দুই বছরে বাংলাদেশ থেকে দুই লাখের বেশি মানুষ ভিজিট ভিসায় দুবাই গেছে। তাদের লক্ষ্য দালালদের মাধ্যমে ইউরোপের কোনো একটি দেশে পৌঁছানো। তবে এদের মধ্যে ঠিক কতজন ইউরোপে পৌঁছাতে পেরেছে বা পারছে তার সঠিক কোনো পরিসংখ্যান নেই বাহিনীটির কাছে।

ব্র্যাকের অভিবাসন প্রোগ্রামের প্রধান শরিফুল হাসান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কোভিডের আগে-পরে আমাদের দেশ থেকে প্রায় দুই লাখ লোক ভিজিট ভিসায় দুবাই গেছে। তাদের একটা বড় অংশই সেখানে কাজ পায়নি। সে সময়ই আমরা শঙ্কা প্রকাশ করেছিলাম- এই যে লোকজন দুবাইয়ে যাচ্ছে, তারা পরবর্তীতে ইউরোপে অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টা করবে।’

তিনি বলেন, ‘গত দুই বছরে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার পথে ২২ হাজারের বেশি মানুষ আটক হয়েছে। দুবাইয়ে ভিজিট ভিসায় যারা গেছে তারা এখন ইরান, গ্রিস, তুরস্ক হয়ে পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোতে যাওয়ার চেষ্টা করছে। এতে করে শুধু তারা নিজেরাই যে বিপদে পড়ছে তা নয়, আন্তর্জাতিকভাবে দেশের ভাবমূর্তিও প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।’

উন্নত-সচ্ছল জীবনের আশায় অবৈধপথে বিদেশে পাড়ি জমানো প্রায় আড়াই হাজার বাংলাদেশি গত এক বছরে দেশে ফিরেছে বলে জানিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সংস্থাটির মানবপাচার প্রতিরোধ টিমের তথ্য অনুযায়ী, মানব পাচারের শিকারদের একটা বড় অংশই দুবাই হয়ে অন্যান্য দেশে অবৈধভাবে প্রবেশ করেছে।

সম্প্রতি মানবপাচার মামলায় একটি চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করে সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম বিভাগ। চক্রটি ইউরোপে পাঠানোর নাম করে ভিজিট ভিসায় এক ভুক্তভোগীকে দুবাইয়ে পাঠায়। সেখানে তার পাসপোর্টসহ সর্বস্ব কেড়ে নিয়ে লাখ লাখ টাকার বিনিময়ে পাঠায় ইরানে। সেখান থেকে পাঠানো হয় তুরস্কে।

তুরস্কে যাওয়ার পর সেখানকার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হয়ে জেল খাটার পর আইওএম এবং বাংলাদেশ দূতাবাসের সহায়তায় দেশে ফিরে আসেন তিনি।

ভুক্তভোগীকে ভিজিট ভিসায় দুবাই এবং পরবর্তীতে ইরান ও তুরস্কে পাঠানো মানব পাচারকারী চক্রটির সঙ্গে সিভিল অ্যাভিয়েশনের একজনসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। তারা হলেন- মাহামুদুল হাছান, জাহাঙ্গীর আলম বাদশা, সালামত উল্লাহ ও রাশিয়া বেগম।

তাদের মধ্যে মাহামুদুল হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্টের অভ্যন্তরে অগ্রগামী ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিসের এয়ার কন্ডিশন সার্ভিসে এবং জাহাঙ্গীর সিভিল এভিয়েশনে কর্মরত বলে জানিয়েছে সিআইডি।

তুরস্ক ফেরত এই ভুক্তভোগী বলেন, ‘পাচারকারীরা জানিয়েছিল যে বিমানে করে আমাকে তুরস্কে পৌঁছানো হবে। সে জন্য প্রথমে যেতে হবে দুবাইয়ে। সেখান থেকে তুরস্কের ভিসা দেয়া হবে। কিন্তু তাদের কথা ও কাজে কোনো মিল নেই। পুরোটাই ছিল ফাঁদ।’

তিনি বলেন, ‘আমাকে দুবাই পাঠানো হয় ভিজিট ভিসায়। দুবাইতে যাওয়ার পরই আমার সঙ্গে থাকা টাকাপয়সা, পাসপোর্টসহ যাবতীয় ডকুমেন্ট নিয়ে যায় দালালেরা। কাগজ ছাড়া আমার কোথাও যাওয়ারও উপায় ছিল না।

‘তুরস্ক পাঠাবে বলে দুবাইতে আমার কাছ থেকে নেয়া হয় এক লাখ টাকা। তারা ট্রলার ও স্পিডবোটে করে আমাকে ইরানে নিয়ে যায়। সেখানে একটি কক্ষে আটকে রেখে ওরা আমার ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালায়। আমাকে নির্যাতনের বিষয়টি জানিয়ে দেশে আমার পরিবার থেকে দফায় দফায় ওরা ৮ লাখ টাকা আদায় করে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এই ভুক্তভোগী আরও বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত অনেক টাকার বিনিময়ে আমি ইরান থেকে কোনো কাগজপত্র ছাড়া তুরস্কে পৌঁছাই। সেখানে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে জেল খাটি। এরপর বাংলাদেশ থেকে আউটপাস নিয়ে তুরস্কে বাংলাদেশ অ্যাম্বেসি ও আইএম-এর সহায়তায় দেশে ফিরে আসি।

‘সব হারিয়ে আমি ও আমার পরিবার এখন সর্বস্বান্ত, বিপর্যস্ত। আমি চাই না এমন ফাঁদে পড়ে কেউ অবৈধভাবে ইউরোপে পাড়ি জমানোর চেষ্টা করুক।’

মানবপাচার ঠেকাতে সিআইডির টিম কাজ করছে জানিয়ে সংস্থাটির এই কর্মকর্তা বলেন, ‘২০১৯ সালে ৭২টি মানবপাচার মামলার তদন্তভার পেয়েছি আমরা। এর মধ্যে ৬৭টির তদন্ত প্রতিবেদন দেয়া হয়েছে।

‘২০২০ সালে আমাদের কাছে এসেছে ৬৩টি মামলা আর প্রতিবেদন দিয়েছি ৫১টির। ২০২১ সালে তদন্তভার পেয়েছি ৫১টি মামলার, তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছি ৬০টির। আর ২০২২ সালে তদন্তভার পেয়েছি ৩০টির এবং তদন্ত প্রতিবেদন দিয়েছে ৪৫টি মামলার।’

সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম ইউনিটের বিশেষ পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম বলেন, ‘লিবিয়া, মরক্কো, ইরান, তুরস্ক ও কম্বোডিয়ার মতো দেশগুলোতে মানবপাচার হচ্ছে। দুবাইকে বিশেষ করে ট্রানজিট শহর হিসেবে ব্যবহার করছে পাচারকারীরা।

‘মানুষ উন্নত জীবন ও উপার্জনের জন্য ইতালি, স্পেন, ফ্রান্স এবং অন্যান্য ইউরোপীয় দেশে যেতে প্রলুব্ধ হচ্ছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তারা ভিজিট ভিসার মাধ্যমে প্রতারিত হয়ে লিবিয়া, তিউনিসিয়া, মরক্কো ও অন্যান্য আফ্রিকান দেশে যেতে বাধ্য হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
ভারতে পাচারের ৭৭ দিন পর পালিয়ে এসে তরুণীর মামলা
মানবপাচার মামলা: ইভানের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ১২ এপ্রিল
নৃত্যশিল্পী ইভানের জামিন
মানব পাচার: ইভানের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা পেছাল
ইউরোপের কথা বলে শ্রীলংকার জঙ্গলে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Old womans throat slit in cowshed

গোয়াল ঘরে বৃদ্ধার গলাকাটা মরদেহ

গোয়াল ঘরে বৃদ্ধার গলাকাটা মরদেহ
মেলান্দহ থানার ওসি দেলোয়ার বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।’

জামালপুরের মেলান্দহে এক বৃদ্ধ নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার ঝাউগড়া ইউনিয়নের টগারচর এলাকায় সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

৫৫ বছর বয়সী সুরাইয়া বেগম ওই এলাকার আজিজুল হকের স্ত্রী।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন নিউজবাংলাকে এসব তথ্য জানান।

নিহতের স্বজনেরা জানান, বুধবার ভোর সকালে গোয়ালঘর থেকে গরু বের করতে যান নিহত সুরাইয়া বেগম। তার স্বামী আজিজুল হক মসজিদে ফজরের নামাজ পড়ে গোয়াল ঘরে গিয়ে দেখেন স্ত্রীর গলাকাটা লাশ। পরে ডাক চিৎকারে লোকজন আসেন। পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

ওসি দেলোয়ার বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।’

আরও পড়ুন:
দোকানের সামনের সড়কে যুবকের গলাকাটা ক্ষতবিক্ষত মরদেহ
কমলাপুরে আবাসিক হোটেলে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ
স্বামীর ওপর রাগ করে সৎ ছেলেকে বালিশচাপায় হত্যার অভিযোগ
নদীতে গোসলে নেমে নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু
ঢাকনাহীন সেপটিক ট্যাংকে পড়ে প্রাণ গেল শিশুর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
All 65 students of 13 colleges in Dinajpur failed

দিনাজপুরে ১৩ কলেজের সবাই ফেল

দিনাজপুরে ১৩ কলেজের সবাই ফেল দিনাজপুরে এইচএসসির ফল পেয়ে উচ্ছ্বসিত ছাত্রীরা। ছবি: নিউজবাংলা
জেলায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষার পাসের হার গত বছরের তুলনায় কমেছে। এ বছর এ বোর্ডে পাস দাঁড়িয়েছে ৭৯ দশমিক ৮ শতাংশ। একই সঙ্গে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী, জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে। তবে সে তুলনায় গত বছরের তুলনায় অকৃতকার্য কলেজের সংখ্যা বেড়েছে।

দিনাজপুরে গত বছর অকৃতকার্য কলেজের সংখ্যা ছিল দুটি, তবে এ বছর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩টিতে। এই ১৩টি কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল মাত্র ৬৫ জন।

জেলায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষার পাসের হার গত বছরের তুলনায় কমেছে। এ বছর এ বোর্ডে পাস দাঁড়িয়েছে ৭৯ দশমিক ৮ শতাংশ। একই সঙ্গে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী, জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে। তবে সে তুলনায় গত বছরের তুলনায় অকৃতকার্য কলেজের সংখ্যা বেড়েছে।

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তোফাজ্জুর রহমানের সই করা এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে বুধবার দুপুরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চলতি বছর এসএসসি পাসের হার ৭৯ দশমিক ৮ শতাংশ। গত বছর এই বোর্ডে পাশের হার ছিল ৯২ দশমিক ৪৩ শতাংশ। এই বোর্ডের অধীনে রংপুর বিভাগের ৮ জেলার ৬৭১টি কলেজ থেকে এক লাখ ২৯৩ জন পরীক্ষার্থী রেজিষ্ট্রেশন করে। কিন্তু পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ৯৯ হাজার ৭০৫ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ৭৮ হাজার ৮৪৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিসূত্রে জানা গেছে, উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ১১ হাজার ৮৩০ জন। এর মধ্যে ৬ হাজার ২৫৫ জন ছাত্রী ও ৫ হাজার ৫৭৫ জন ছাত্র। গত বছর এই বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১৫ হাজার ৩৪৯ জন শিক্ষার্থী। সে তুলনায় চলতি বছর জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যা কমেছে তিন হাজার ৫১৯ জন।

এ বোর্ডে অকৃতকার্য ১৩টি কলেজগুলো হলো- ঠাকুরগাঁও জেলার রানীশংকৈল উপজেলার গড় কলেজ (১৩ জন পরীক্ষার্থী), ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালন্দর মহিলা কলেজ (১১ জন পরীক্ষার্থী), কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাটে সিংগার ডাবরিরহাট বিএল হাই স্কুল এন্ড কলেজ (৭ জন পরীক্ষার্থী), পঞ্চগড় জেলার তেতুলিয়া উপজেলার আলহাজ্ব তমিজ উদ্দীন কলেজ (৭জন পরীক্ষার্থী), পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার মারেয়া মডেল হাই স্কুল এন্ড কলেজ (৭জন পরীক্ষার্থী), লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার নাসির উদ্দীন কলেজ (৬জন পরীক্ষার্থী), একই জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার দুহুলা এসসি হাই স্কুল এন্ড কলেজ (৪জন পরীক্ষার্থী), নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার চৌধুরীরানী হাই স্কুল এন্ড কলেজ (৩জন পরীক্ষার্থী), দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার সনকা আদর্শ কলেজ (৩জন পরীক্ষার্থী), গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা মহিলা কলেজ (একজন পরীক্ষার্থী), লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার দইখাওয়া মহিলা কলেজ (একজন পরীক্ষার্থী), দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার উত্তর লক্ষিপুর হাই স্কুল এন্ড কলেজ (একজন পরীক্ষার্থী) ও ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার পীরগঞ্জ কলেজিয়েট স্কুল এন্ড কলেজ (একজন পরীক্ষার্থী)।

আরও পড়ুন:
এইচএসসির ফল প্রকাশ
এইচএসসি ও সমমানের ফল জানবেন কীভাবে
এইচএসসির ফলের অপেক্ষা
এইচএসসির ফল ৮ ফেব্রুয়ারি
এসএসসি এপ্রিলে, এইচএসসি জুনে

মন্তব্য

p
উপরে