× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Rohingya sailor killed by stabbing by masked men
hear-news
player
google_news print-icon

মুখোশধারীদের ছুরিকাঘাতে রোহিঙ্গা মাঝি নিহত

মুখোশধারীদের-ছুরিকাঘাতে-রোহিঙ্গা-মাঝি-নিহত
কক্সবাজারে অবস্থিত রোহিঙ্গা ক্যাম্প। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, সন্ধ্যায় জামতলী ক্যাম্পে রশিদের দ্বিতীয় স্ত্রী জেসমিন আরার ঘরে ২/৩ জন মুখোশ পরিহিত অবস্থায় প্রবেশ করে। তারা রশিদকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।

কক্সবাজারের উখিয়ার পালংখালী ক্যাম্পে রশিদ আহমদ নামে এক রোহিঙ্গা মাঝিকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

শনিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে রশিদকে ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে হাসপাতালে নিলে তার মৃত্যু হয়।

নিহত ৩৬ বছর বয়সী রশিদ পালংখালী ১৫ নম্বর জামতলী ক্যাম্পের এ/৫ ব্লকে থাকতেন। তিনি ওই ব্লকের হেড মাঝি ছিলেন।

রশিদের পরিবারের বরাত দিয়ে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, সন্ধ্যায় জামতলী ক্যাম্পে রশিদের দ্বিতীয় স্ত্রী জেসমিন আরার ঘরের ভেতরে ২/৩ জন মুখোশ পরিহিত অবস্থায় প্রবেশ করে। তারা রশিদকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে তাকে ক্যাম্পের এমএসএফ হাসপাতালে নেয়া হলে তার মৃত্যু হয়।

উখিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ওলিউর রহমান জানান, রশিদের বুকের ডান পাশে, পেটে, তলপেটে, ডান কানের লতিতে ও বাম হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলিতে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
গ্রামে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি ছুরিকাঘাত, আহত ৬
স্ত্রীর সামনে ছুরিকাঘাতে হত্যা
বিশ্বনাথে ছুরিকাঘাতে ছাত্রলীগকর্মী খুন
সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীকে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাত

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
What did Sattar say by voting?

ভোট দিয়ে কী বললেন সাত্তার

ভোট দিয়ে কী বললেন সাত্তার পরমানন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন বিএনপির দলছুট নেতা উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়া। ছবি: নিউজবাংলা
আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়া বলেন, ‘নিজের ভোটটি দিতে পেরে খুব ভালো লাগছে। জয়ী হতে পারলে সরাইলের উন্নয়ন কাজ আরও এগিয়ে নিয়ে যাব।’ 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ উপনির্বাচনে চলছে ভোট গ্রহণ। সচারচর ভোট এলেই যেন গ্রামগঞ্জে তৈরি হয় উৎসবের আমেজ। কিন্তু এই উপনির্বাচনের সরাইল আশুগঞ্জের বেশিরভাগ কেন্দ্রেই দেখা মিলছে না ভোটারের। ভোটার সমাগম না থাকায় ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অলস সময় পার করছে।

বুধবার সকাল সাড়ে আটটা থেকে বিকাল সাড়ে চারটা পর্যন্ত চলবে ভোট।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ উপনির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আবদুস সাত্তার ভূঁইয়া (কলার ছড়া), আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আবু আসিফ আহমেদ (মোটরগাড়ি), জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব আবদুল হামিদ ভাসানী (লাঙ্গল) ও জাকের পার্টির জহিরুল ইসলাম (গোলাপ ফুল)।

ইতোমধ্যে আশুগঞ্জ ও সরাইলের বারোটি ভোটকেন্দ্র ঘুরে মোটরগাড়ি মার্কার এজেন্ট দেখা যায়নি। বাকি তিন প্রার্থীর এজেন্ট ভোটকেন্দ্রে নিয়োজিত রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আবু আসিফের এক সমর্থক জানান, আবু আসিফ নিখোঁজ থাকায় সমর্থক ও এজেন্টরা ভয়ে রয়েছে। তাছাড়া কিছু কিছু ভোটকেন্দ্র থেকে আবু আসিফের এজেন্টদের ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না।

এদিকে দুপুরে রওশন আরা জলিল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেয়ার কথা ছিল আবু আসিফের স্ত্রী মেহেরুন্নিসা মেহরিনের। তবে আসিফের স্ত্রী মেহেরুন্নিসা সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেছেন, অনেক কেন্দ্রে তাদের এজেন্টদের ঢুকতে দেয়া হয়নি। তাছাড়া এখনো পর্যন্ত আবু আসিফকে খুঁজ পাওয়া যায়নি। তিনি নিজেও ভোট দেয়ার ব্যাপারে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন।

এদিকে বেলা ১১ টায় সরাইল উপজেলার পাকশিমুল ইউনিয়নের পরমানন্দপুর ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ৪৬ নম্বর পরমানন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন বিএনপির দলছুট নেতা উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়া। বার্ধক্যজনিত কারণে দুজনের কাঁধে ভর করে তিনি ভোট দেন।

ভোট দেয়ার পর আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়া বলেন, ‘নিজের ভোটটি দিতে পেরে খুব ভালো লাগছে। জয়ী হতে পারলে সরাইলের উন্নয়ন কাজ আরও এগিয়ে নিয়ে যাব।’

এ সময় আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়ার সঙ্গে ছিলেন তার পুত্র মাইনুল হাসান তুষার, সাবেক উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক রিফাত জিয়া, ভাতিজা মুকসুদ আলী।

মাইনুল হাসান তুষার বলেন, ‘বাবাকে নিয়ে এসে ভোট দিয়েছি। জয়ের ব্যাপারে আমরা শতভাগ প্রত্যাশী।’

আরও পড়ুন:
বগুড়ায় ভোটারের অপেক্ষায় অলস সময় পার
পুত্রবধূর হাত ধরে ভোটকেন্দ্রে শতবর্ষী জহরা
দোকানে এসে শোনেন আজ ভোট
ইভিএমে ত্রুটি, দুইবারে ভোট
বিএনপির ছেড়ে দেয়া ৬ আসনে ভোট শুরু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
There are no doors and windows and students are still government schools

নেই দরজা-জানালা আর শিক্ষার্থী, তবুও সরকারি বিদ্যালয়

নেই দরজা-জানালা আর শিক্ষার্থী, তবুও সরকারি বিদ্যালয় অবকাঠামোহীন উত্তর মাঝের চর আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয়। ছবি: নিউজবাংলা
সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার লুৎফর রহমান বলেন, ‘জমি সংক্রান্ত সমস্যা থাকায় ভবন করা যাচ্ছে না। সদর ভূমি কর্মকর্তাসহ বিদ্যালয়ের স্থান পরিদর্শন করা হয়েছে এবং জমি সংক্রান্ত জটিলতা দূর করতে প্রধান শিক্ষককে পরামর্শ দেয়া হয়েছে। কিন্তু প্রধান শিক্ষকের অবহেলার কারণে বিদ্যালয়ের নাজুক অবস্থা।’

শিক্ষার্থী আর অবকাঠামো না থাকলেও তবুও সেটি কুড়িগ্রামের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বাস্তবে আছে শুধু পতাকা, সাইনবোর্ড আর শিক্ষক। এ যেন ঢাল নেই তলোয়ার নেই নিধারাম সরদার।

চারদিকে কৃষি জমি। ধান রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক। জমির মাঝখানে চোখে পড়বে একটি টিনের চাল। বেড়া-দরজা-জানালা কিছুই নেই। শুধুমাত্র টিনের চালার সামনে বাঁশের মধ্যে লাগানো জাতীয় পতাকা উড়ছে আর সামনে একটি সাইনবোর্ডে লেখা উত্তর মাঝের চর আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। দুটি ভাঙা বেঞ্চ আর কয়েকটি প্লাস্টিকের চেয়ার এবং একটি মাত্র টেবিলের ওপর শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর হাজিরা খাতা।

সেখানে দুয়েকজন অভিভাবকসহ বসে আছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। নেই কোনো শিক্ষার্থীর কোলাহল কিংবা শিক্ষকদের পাঠদানের জন্য ব্যস্ততা। বিদ্যালয় যাবার পথ না থাকায় যেতে হবে জমির আইল বেয়ে। না এটা কোনো ছবি বা কল্পকাহিনীর গল্প নয়, এমন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খোঁজ মিলবে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার মোগলবাসা ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামে।

মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিনে এমন চিত্র দেখা যায়। বিদ্যালয়ের চিত্র দেখে জরাজীর্ণ বললেও ভুল হবে। বিদ্যালয়টিতে শুধুমাত্র কাগজ কলমে ৮০ জন শিক্ষার্থীর জন্য রয়েছে ৫ জন শিক্ষক।

নেই দরজা-জানালা আর শিক্ষার্থী, তবুও সরকারি বিদ্যালয়

মোগলবাসা ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর মৌজায় ২০০৪ সালে বেসরকারিভাবে গঠিত উত্তর মাঝের চর আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয়। কিন্তু নিচু স্থান হওয়ায় বন্যার পানিতে ডুবে থাকে বছরের অধিকাংশ সময়। তাই ২০১১ সালে পাশেই উত্তর মাঝের চর গ্রামে উঁচুস্থানে নিয়ে যাওয়া হয় বিদ্যালয়টি। সেখানে থাকাকালীন ২০১৮ সালে বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ হয়।

গত বছরের বন্যায় ধরলা নদীর ভাঙনে একই ইউনিয়নের পার্শ্ববর্তী চর কৃষ্ণপুর গ্রামের চর কৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভেঙে যায়। এরপর সেই বিদ্যালয়টিও স্থানান্তরিত করা হয় উত্তর মাঝের চর গ্রামেই। পাশাপাশি দুটি বিদ্যালয়ের অবস্থান হওয়ায় উত্তর মাঝের চর আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে পূর্বের স্থানে স্থানান্তর করার নির্দেশ দেয় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। এরপর থেকেই বিদ্যালয়ের এমন চিত্র হলেও কর্তৃপক্ষের ভ্রুক্ষেপ নেই। বিদ্যালয়ের পরিবেশ না থাকায় সন্তানদের ভর্তি করাচ্ছেন না অভিভাবক।

সহকারি শিক্ষক আশরাফিয়া বিনতে আকতার বলেন, ‘বিদ্যালয়ে আসার কোনো পথ নেই। জমির আইল দিয়ে আসা-যাওয়া করতে হয়। এজন্য বাচ্চারা বিদ্যালয়ে আসে না। বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণী থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত প্রায় ৮০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। এর মধ্যে ১০/১৫ জন শিক্ষার্থী আসে। জমির আইল ভেজা থাকায় প্রায় সময় পিছলে পরে আহত এবং পোশাক নষ্ট হয়ে যায়।’

নেই দরজা-জানালা আর শিক্ষার্থী, তবুও সরকারি বিদ্যালয়

অভিভাবক কাজলি বেগম বলেন, ‘স্কুলের ঘর নেই শুধু পতাকা, সাইনবোর্ড আছে দেখে বোঝা যায় এটি স্কুল। কিন্তু বাস্তবে টিনের চালটুকু দেখে কেউ বুঝতে পারবে না এটা সরকারি স্কুল।’

অভিভাবক লাইলী বেগম বলেন, ‘সরকারি স্কুল হলেও এখানে ঘর, বেঞ্চ, টিউবওয়েল, ল্যাট্রিন এমন কি স্কুল আসার রাস্তাও নেই। এমন পরিবেশে কোনো অভিভাবক কি তার সন্তান দিতে পারে?’

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলতাফ হোসেন বলেন, ‘বিদ্যালয় স্থানান্তর আর জমি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে এমন করুণ চিত্র। দান করা জমিতে দাগ নম্বরের সমস্যার কারণে নতুন ভবন হচ্ছে না। অথচ একই মালিকের জমি বিদ্যালয়ের চারপাশে। বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের জন্য বরাদ্দ আসলেও অর্থ ছাড় হচ্ছে না জমি জটিলতার কারণে।’

জমিদাতা ও ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন, ‘আমি এক বিঘা জমি দান করেছি বিদ্যালয়ের নামে। এখন জমি সংক্রান্ত কি জটিলতা হয়েছে তারাই ভালো জানে। প্রায় দুবছর থেকে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি না থাকা এবং বিদ্যালয়ের উন্নয়ন না হবার জন্য কর্তৃপক্ষ দায়ী।’

নেই দরজা-জানালা আর শিক্ষার্থী, তবুও সরকারি বিদ্যালয়

সদর সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কানিজ আখতারের কাছে বিদ্যালয় সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী না থাকায় প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী শিক্ষকদের ফোনে অফিস আসার নিদের্শ দেন।

সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার লুৎফর রহমান বলেন, ‘জমি সংক্রান্ত সমস্যা থাকায় ভবন করা যাচ্ছে না। সদর ভূমি কর্মকর্তাসহ বিদ্যালয়ের স্থান পরিদর্শন করা হয়েছে এবং জমি সংক্রান্ত জটিলতা দূর করতে প্রধান শিক্ষককে পরামর্শ দেয়া হয়েছে। কিন্তু প্রধান শিক্ষকের অবহেলার কারণে বিদ্যালয়ের নাজুক অবস্থা।’

আরও পড়ুন:
প্রাথমিকে বদলি নির্দেশিকায় এলো যেসব পরিবর্তন
স্কুলে নতুন শিক্ষাক্রমের জন্য অনলাইন প্রশিক্ষণ ডিসেম্বরেই
সরকারি প্রাথমিকে নিয়োগ পরীক্ষা হবে বিভাগভিত্তিক
রাজধানীর ১৩ স্কুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে টিম
পরীক্ষার্থীর চেয়ে শিক্ষক বেশি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Youth arrested in case of organized rape of housewife

গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় যুবক গ্রেপ্তার

গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় যুবক গ্রেপ্তার সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় গ্রেপ্তার মো. আমানউল্লাহ। ছবি: নিউজবাংলা
সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন জানান, তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আমানউল্লাহর পালিয়ে থাকার অবস্থান জানতে পেরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমানউল্লাহকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়া চলছে।

ময়মনসিংহের নান্দাইলে এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

নেত্রকোণার পূর্বধলা থানাধীন শ্যামগঞ্জ বাজার থেকে বুধবার ভোর চারটার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ১৯ বছর বয়সী মো. আমানউল্লাহ ময়মনসিংহের নান্দাইল থানাধীন খারোয়া গ্রামের বাসিন্দা।

ময়মনসিংহ র‌্যাব-১৪ সদর দপ্তরের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন জানান, গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর দুপুর দেড়টার দিকে ওই গৃহবধূ তার বাড়ি থেকে ভালুকায় যাওয়ার জন্য পার্শ্ববর্তী উপজেলা গফরগাঁও রেলওয়ে স্টেশনে অবস্থান করছিল। এ সময় সুমন মিয়া নামের একজন ভালুকায় ওই নারীকে পৌঁছে দিবে বলে মোটরসাইকেলে করে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর সুমন আমানউল্লাহ নামের একজনকে মোবাইলে কল দিয়ে ডেকে নিয়ে আসে।

সাড়ে ছয়টার দিকে নান্দাইল থানাধীন খারুয়া ইউনিয়নের রাজাপুর এলাকায় সড়কের পাশের জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। এরপর রাত সাড়ে সাতটার দিকে তারা ওই নারীকে দেওয়ানগঞ্জ বাজারের কাছে কালী মন্দিরের সামনে ফেলে রেখে চলে যায়।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় ২৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ওই নারীর বাবা থানায় ধর্ষণ মামলা করেন। পরে আসামি সুমনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। সুমন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন জানান, তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আমানউল্লাহর পালিয়ে থাকার অবস্থান জানতে পেরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমানউল্লাহকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়া চলছে।

আরও পড়ুন:
বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াজেদ হত্যা: প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
১৬ বছর পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার  
লেগুনার হেলপার থেকে গ্যাং লিডার
প্রাইমারি স্কুলে চাকরি পাইয়ে দেয়ার নামে প্রতারণা  
বরিশালে হাত-পায়ে ইট বেঁধে হত্যার রহস্য উদঘাটন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Spend idle time waiting for voters in Bogra

বগুড়ায় ভোটারের অপেক্ষায় অলস সময় পার

বগুড়ায় ভোটারের অপেক্ষায় অলস সময় পার সকাল থেকে ভোটার উপস্থিতি কম বগুড়ার কেন্দ্রগুলোতে। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
সকাল সাড়ে নয়টার দিকে বগুড়া জিলা স্কুলে গিয়ে দেখা যায়, কেন্দ্রে হঠাৎ দুই-একজন ভোটার আসছেন। তাদের মধ্যে পুরুষ বেশি। এই কেন্দ্রে ভোটার ২ হাজার ৭২। সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত সেখানে ভোট দিয়েছেন ৩১ জন।

বিএনপির ছেড়ে দেয়া বগুড়া-৬ ও বগুড়া-৪ আসনের উপনির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি একেবারেই কম।

বুধবার সকাল থেকে কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারা অলস সময় পার করছেন।

এর মধ্যেই স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অনেকে অভিযোগ করেছেন, ভোটকেন্দ্র থেকে তাদের এজেন্টদের জোর করে তাড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। যদিও নৌকার প্রার্থী বলছেন, বগুড়া-৬ আসনে নির্বিঘ্নে ভোট হচ্ছে।

সকাল সাড়ে নয়টার দিকে বগুড়া জিলা স্কুলে গিয়ে দেখা যায়, কেন্দ্রে হঠাৎ দুই-একজন ভোটার আসছেন। তাদের মধ্যে পুরুষ বেশি। এই কেন্দ্রে ভোটার ২ হাজার ৭২। সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত সেখানে ভোট দিয়েছেন ৩১ জন।

কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার কার্তিক চন্দ্র দেবনাথ জানান, শীতের সকাল হওয়ার কারণে ভোটার উপস্থিতি কম। হয়তো দুপুরের দিকে ভোটার বাড়বে।

শহরের চকসুত্রাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটার ৩ হাজার ১০৭। এর মধ্যে সকাল সোয়া ১০টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৪৬টি।

সদরের সবগ্রাম কুদরতিয়া উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটার ৩ হাজার ৯৭২। এর মধ্যে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ভোট পড়ে ৩০০টি।

বগুড়া-৪ আসনের কহুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোটার ২ হাজার ৩৪৮। এর মধ্যে সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ভোট দিয়েছেন ৭০ জন। অর্থাৎ ভোট দিয়েছেন ২ দশমিক ৯৮ শতাংশ ভোটার।

বগুড়া সদরের জুবিলি ইনস্টিটিউশন পুরুষ কেন্দ্রে ভোটার ৩ হাজার ৪৮৬। এর মধ্যে আধা ঘণ্টায় ভোট দেন ৯৯ জন। নারী কেন্দ্রের ৩ হাজার ৬৫৪ ভোটারের মধ্যে সকাল ৯টা পর্যন্ত ভোট দেন ১২০ জন।

বগুড়ার জুবলি ইনস্টিটিউশনে নারী ভোটকেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার আবু হেনা মোস্তাফিজার রহমান বলেন, ‘সকাল থেকে কোনো প্রকার বাধা বিঘ্ন ছাড়াই এই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে। ভোটার উপস্থিতিও গড়ে ভালো রয়েছে। দিন শেষে ভালো ভোট উপহার দেওয়া যাবে।’

এ কেন্দ্রের ফটকের ভেতরে ও বাহিরে ১৫ থেকে ২০ জন নেতা-কর্মী নিয়ে ভোটারদের কাছে ভোট চাইছিলেন বগুড়ার যুবলীগের বহিষ্কৃত আলোচিত নেতা মতিন সরকার।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এই নেতা বলেন, ‘আমরা কারও কাছ থেকে ভোট চাচ্ছি না। আমাদের নেতা-কর্মীরা ভোটাদের বুথ চিনিয়ে দিচ্ছে।’

কেন্দ্র দখলের বিষয়ে অভিযোগ করেন বগুড়া-৬ আসনের ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল মান্নান।

তিনি বলেন, শুধু জুবিলি ইনস্টিটিউশন নয়, বগুড়া সদর আসনের ৭৮টি কেন্দ্র যুবলীগ দখল করেছে।

আবদুল মান্নান আরও বলেন, ‘আমার প্রার্থীদের বলে দিছি সব ভোট বস্তায় করে নৌকার প্রার্থীকে দিয়ে দিতে।’

বগুড়া-৬ আসনে আপেল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা সচেতন নাগরিক কমিটির সভাপতি মাসুদার রহমানও অভিযোগ করেছেন ভোট কেন্দ্র থেকে এজেন্ট বের করে দেয়ার।

বগুড়া-৬ (সদর) আসনে সকাল সাড়ে ৮টায় শুরু হয়েছে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ। সকালে বগুড়া শহরের হাসনাজাহান উচ্চ বিদ্যালয়ে ভোট দিয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী রাগেবুল আহসান রিপু।

তিনি বলেন, ‘নির্বিঘ্নে ভোট হচ্ছে কোনো সমস্যা ছাড়াই। ভোটারদের মাঝে কোনো ভীতি নেই। সব দলের প্রার্থীর এজেন্ট এখানে রয়েছে।’

বগুড়া-৬ এবং ৪ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘জুবলি ভোট কেন্দ্রের বিষয়ে আমাদের কাছে অভিযোগ ছিল, কিন্তু ওখানে আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা গিয়ে কাউকে পায়নি, তবে বাহিরে কিছু লোকজনের জটলা ছিল। সেগুলোও আর নেই। আর দুই আসনের কোথাও এমন পরিস্থিতি হলে আমরা তৎপর আছি; ব্যবস্থা নেব।’

নির্বাচন উপলক্ষে দুই আসনে ৩ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ৩৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করছেন। পাশাপাশি ১৪ প্লাটুন বিজিবি ও র‍্যাবের ১৭ টহল দল মোতায়েন আছে। এ ছাড়াও ভোটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সাড়ে ৪ হাজার নিরাপত্তাকর্মী কাজ করছেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতি ভোটকেন্দ্রে গুরুত্ব বিবেচনায় নিরাপত্তার জন্য তিনজন পুলিশ সদস্য ছাড়াও এপিবিএন, আনসার ভিডিপিসহ ১৭ নিরাপত্তকর্মী দায়িত্বে আছেন। ভোটকেন্দ্রের বাইরে ও নির্বাচনী এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পুলিশের স্ট্রাইকিং ফোর্স, বিজিবি ও র‍্যাব সদস্যরা টহল দিচ্ছেন। নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।’

বগুড়া-৪ আসনের ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৯ জন। এ আসনে আওয়ামী লীগ ১৪ দলীয় জোট থেকে জাসদ প্রার্থীকে সমর্থন দিয়েছে। এর বাইরে পাঁচজন স্বতন্ত্র প্রার্থী আছেন। তাদের মধ্যে কুড়াল প্রতীকে নির্বাচন করছেন সাবেক বিএনপি নেতা কামরুল হাসান সিদ্দিকী জুয়েল। আর ট্রাক প্রতীকে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করছেন সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা মো. মোশফিকুর রহমান কাজল।

বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে ভোটার ৩ লাখ ২৮ হাজার ৪৬৯। ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১১২টি। আর ভোটকক্ষের সংখ্যা ৭৭৭টি। এর মধ্যে অস্থায়ী কক্ষ আছে ৪২টি।

বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী ১১ জন। পাঁচজন আছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী। এদের মধ্যে ট্রাক প্রতীকের আব্দুল মান্নান আকন্দ সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা। তিনি এই আসনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী হিসেবে পরিচিত।

উপনির্বাচনে বগুড়ার দুই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। ময়দানের পাশাপাশি ভার্চুয়াল জগতের প্রচার-প্রচারণায় ব্যাপক সাড়া দেখিয়েছেন এ প্রার্থী।

বগুড়া-৬ (সদর) আসনে ভোটার রয়েছে ৪ লাখ ১০ হাজার ৭৪৩। ভোটকেন্দ্র ১৪৩টি ও কক্ষ ১ হাজার ১৭টি।

গত বছরের ১০ ডিসেম্বর বিকেলে রাজধানীর গোলাপবাগে ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশ থেকে বিএনপির ছয় এমপির পদত্যাগের ঘোষণা আসে। তাদের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে খালি হওয়া আসনগুলোতে আজ উপনির্বাচন হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
সাত্তার চমকের শেষটা দেখার অপেক্ষা
ফোনালাপ ফাঁস: আসিফ স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে?
ডিসির নম্বর ক্লোন করে নির্বাচনী প্রার্থীর কাছে অর্থ দাবি
আওয়ামী লীগের ৩ সমর্থকের মনোনয়ন প্রত্যাহারে কপাল খুলছে সাত্তারের
চাঁপাইয়ে আওয়ামী লীগের ‘ঘরের শত্রু বিভীষণ’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The body of the freedom fighter on the bed was looted with gold ornaments and money

খাটের ওপর মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ, স্বর্ণালংকার ও টাকা লুট

খাটের ওপর মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ, স্বর্ণালংকার ও টাকা লুট মৃত মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হালিমের ঘরে দুর্বৃত্তরা স্বর্ণালংকার ও টাকা লুট করেছে। ছবি: নিউজবাংলা
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ রিজাউল হক জানান, খাটের ওপরে ওই মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ পাওয়া যায়। তাদের বাড়ি থেকে টাকা ও স্বর্ণালংকার চুরি হয়েছে। ওই বাড়িতে চারটি সিসি টিভি ক্যামেরা আছে তবে দুর্বৃত্তরা হার্ড ডিক্স নিয়ে গেছে। পুলিশ ইতোমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। যারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে৷

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার এনায়েতনগর ইউনিয়নের ধর্মগঞ্জের মাওলা বাজার এলাকায় নিজ বাড়ির খাটের ওপর থেকে আব্দুল হালিম নামে এক মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মাওলা বাজারের ওই বাড়ি থেকে বুধবার সকালে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ধারণা, মঙ্গলবার মধ্যরাতে তিনি মারা গেছেন। তার ঘর থেকে স্বর্ণালংকার ও টাকা লুট করেছে দুর্বৃত্তরা।

মৃত ৭২ বছর বয়সী মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হালিম মাওলাবাজার এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।

ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রিজাউল হক নিউজবাংলাকে এসব তথ্য জানান।

স্বজনরা জানান, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হালিমের এক ছেলে ও দুই মেয়ে। মেয়েরা স্বামীর বাড়ি থাকেন। ছেলের পরিবারের সঙ্গে থাকেন তিনি। ঘটনার সময় ছেলে মাসুদ ছাড়া তার বাড়িতে অন্য কেউ ছিলেন না। পরিবারের অন্য সদস্যরা মঙ্গলবার তাদের আত্মীয়দের বাড়িতে বেড়াতে যান। রাতে আলাদা কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন বাবা ও ছেলে।

ওই মুক্তিযোদ্ধার ছোট মেয়ে নুরুন নেছা বলেন, ‘রাত আড়াইটার দিকে বাড়ির ভাড়াটিয়া ফোন করে জানায় একদল দুর্বৃত্ত ঘরে ডাকাতি করেছে। ঘুমন্ত অবস্থায় ভাই মাসুদকে হাত পা ও চোঁখ বেধে মারধর করে টাকা ও স্বর্নালংকার নিয়ে গেছে। আরেক রুমে বাবা পড়ে আছেন, তিনি কোনো কথা বলছেন না। বাড়িতে গিয়ে দেখি বাবা মারা গেছেন। ঘরে থাকা জমি বিক্রির ২০ লাখেরও বেশি টাকা ও স্বর্ণালংকার নেই।’

ওসি রিজাউল জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মরদেহের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে তার মৃত্যুর কারণ।

ওসি আরও জানান, খাটের ওপরে ওই মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ পাওয়া যায়। তাদের বাড়ি থেকে টাকা ও স্বর্ণালংকার চুরি হয়েছে। ওই বাড়িতে চারটি সিসি টিভি ক্যামেরা আছে তবে দুর্বৃত্তরা হার্ড ডিক্স নিয়ে গেছে। পুলিশ ইতোমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। যারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে৷

আরও পড়ুন:
স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ, স্বামী পলাতক
বৃদ্ধকে গলা কেটে হত্যা, ধারালো ছুরি উদ্ধার
সীমান্তে হত্যা চোরাচালান বন্ধে কাঁটাতার মিছিল
স্কুল কলেজ শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার বড় কারণ অভিমান: প্রতিবেদন
নায়িকা শিমু হত্যা মামলায় মেয়ের সাক্ষ্য

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A centenarian woman holding her daughter in laws hand at the polling station

পুত্রবধূর হাত ধরে ভোটকেন্দ্রে শতবর্ষী জহরা

পুত্রবধূর হাত ধরে ভোটকেন্দ্রে শতবর্ষী জহরা পুত্রবধূর হাত ধরে ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে এসেছেন শতবর্ষী মোছা. জহরা। ছবি: নিউজবাংলা
ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের রিটার্নিং অফিসার জি এম সাহাতাব উদ্দীন জানান, শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ চলছে। ভোটাররা নির্বিঘ্নে এসে তাদের ভোট দিচ্ছেন। যেকোনো প্রকার নাশকতা ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। 

ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের উপনির্বাচনে পুত্রবধূর হাত ধরে ভোটকেন্দ্রে এসে ভোট দিয়েছেন শতবর্ষী এক নারী।

পীরগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভোট দেন তিনি।

১০৫ বছর বয়সী মোছাম্মৎ জহরা রঘুনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা।

ভোট দেয়া নিয়ে জহরা বলেন, ‘ভোটের পরিবেশ ভালো লেগেছে। বাড়ি থেকে পুত্রবধূকে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিতে এসেছি।’

ওই সময় সব বয়সী ভোটারের উপস্থিতি দেখা যায় কেন্দ্রে, তবে নারী ভোটারের সংখ্যা ছিল তুলনামূলক বেশি।

পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার স্বাধীন চন্দ্র জানান, এই কেন্দ্রে ভোটার ৬ হাজার ৪৪২। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৩২০৭ ও নারী ভোটার ৩ হাজার ২৩৫।

এদিকে সকাল থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়া নির্বাচনী এলাকায় এখন পর্যন্ত কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের রিটার্নিং অফিসার জি এম সাহাতাব উদ্দীন জানান, শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ চলছে। ভোটাররা নির্বিঘ্নে এসে তাদের ভোট দিচ্ছেন। যেকোনো ধরনের নাশকতা ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।

আরও পড়ুন:
ফোনালাপ ফাঁস: আসিফ স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে?
ডিসির নম্বর ক্লোন করে নির্বাচনী প্রার্থীর কাছে অর্থ দাবি
আওয়ামী লীগের ৩ সমর্থকের মনোনয়ন প্রত্যাহারে কপাল খুলছে সাত্তারের
চাঁপাইয়ে আওয়ামী লীগের ‘ঘরের শত্রু বিভীষণ’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে সাত্তার-চমকের কী প্রভাব

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Kamrans alternative to Anwaruzzaman in Sylhet?

সিলেটে কামরানের বিকল্প কি আনোয়ারুজ্জামান

সিলেটে কামরানের বিকল্প কি আনোয়ারুজ্জামান বদরউদ্দিন আহমদ কামরান ও আনোয়ারুজ্জমান চৌধুরী। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
সিলেট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন বলেন, ‘আওয়ামী লীগ বড় দল। দলের অনেক নেতাই মনোনয়ন চাচ্ছেন। এ ব্যাপারে দলীয় প্রধান ও মনোনয়ন বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবেন। আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে কে প্রার্থী হবেন, এ ব্যাপারে কিছু বলা যাবে না।’

সিলেট সিটি করপোরেশনের এ পর্যন্ত সবগুলো নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন বদরউদ্দিন আহমদ কামরান। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ২০২০ সালের ১৫ জুন মৃত্যু হয় সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক এ সভাপতির। এমন বাস্তবতায় এবারের নির্বাচনে তার বিকল্প কে হচ্ছেন, তা নিয়ে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা দলটির ভেতরে।

চলতি বছরের মাঝমাঝিতে সিলেট সিটি নির্বাচন হওয়ার কথা। আওয়ামী লীগের অন্তত অর্ধডজন নেতা এ নির্বাচনের মেয়র পদে দলীয় মনোয়ন পেতে তৎপরতা চালাচ্ছিলেন, তবে হঠাৎ করেই আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছেন প্রবাসী এক নেতা।

যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগে যুক্ত সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীই সিলেটে কামরানের বিকল্প হচ্ছেন বলে গুঞ্জন চলছে। দলের হাইকমান্ড থেকে তাকে ‘সবুজ সংকেত’ দেয়া হয়েছে বলেও প্রচার চালাচ্ছেন আনোয়ারুজ্জামান অনুসারীরা। এমন ‘সংকেত’ পেয়ে সম্প্রতি দেশেও এসেছেন আনোয়ারুজ্জামান। যদিও এই প্রচারের সত্যতা নেই বলে দাবি করেছেন অন্য মনোয়নপ্রত্যাশীরা।

কে এই আনোয়ারুজ্জামান

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার বাসিন্দা আনোয়ারুজ্জমান চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাজ্যপ্রবাসী। দেশে থাকার সময় থেকেই তিনি আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। বর্তমানে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন। বঙ্গবন্ধু পরিবারের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে বলে জানা যায়। সেই ঘনিষ্টতার সূত্রে প্রবাসে অবস্থান করেও সিলেটের রাজনীতিতে প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন আনোয়ারুজ্জামান। সিলেটে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন কমিটি গঠন এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ে আড়ালে থেকেও অন্যতম কুশীলব হয়ে ওঠেন তিনি।

গত দুটি সংসদ নির্বাচনে সিলেট-২ আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন পেতে তৎপরতা শুরু করেন প্রবাসী এই নেতা। যদিও দল মনোনয়ন দেয়নি তাকে।

গুঞ্জন রয়েছে, তার আপত্তির কারণেই এই আসনে মনোনয়ন বঞ্চিত থাকতে হয় সাবেক সংসদ সদস্য ও সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরীকে। দলের দুই প্রভাবশালী নেতার বিভক্তির কারণে দুইবারই এ আসনটি জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দেয় আওয়ামী লীগ।

মেয়র পদে যেভাবে আলোচনায় আনোয়ারুজ্জামান

এতদিন সিলেট-২ আসনে মনোনয়ন পেতে তৎপরতা চালালেও চলতি মাসে হঠাৎ করেই সিলেট সিটি নির্বাচনের মেয়র পদে প্রার্থী হিসেবে উঠে আসে আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর নাম।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, সাবেক সংসদ সদস্য ও সিলেটের প্রবীণ নেত্রী সৈয়দা জেবুন্নেছা হককে সম্প্রতি আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য করা হয়। এরপর তিনি দলীয় প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করতে যান। ওই সাক্ষাতেই সিলেট সিটি নির্বাচন প্রসঙ্গ উঠে আসে। ওই সময় প্রধানমন্ত্রী সিলেট সিটি নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে আনোয়ারুজ্জামানের নাম বিবেচনার ইঙ্গিত দিয়েছেন বলে দলীয় নেতা-কর্মীদের কাছে জানান জেবুন্নেসা হক। এরপর থেকেই মেয়র পদে আলোচনায় ওঠে আসে আনোয়ারুজ্জামানের নাম। এখন নগর ছেঁয়ে গেছে তার ছবি সংবলিত পোস্টার-ফেস্টুনে।

এ বিষয়ে সৈয়দা জেবুন্নেছা হকের সঙ্গে সম্প্রতি মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

জেবুন্নেছা হকের বরাত দিয়ে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম নাদেল বলেন, ‘সিটি নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে আনোরুজ্জামানের কথা বিবেচনা করার কথা প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এমনটি জেবুন্নেছা হক আমাকেও বলেছেন। আরও অনেককেই এ কথা বলেছেন তিনি।’

নাদেল আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ আরও কিছু শীর্ষ নেতার কাছ থেকেও এ ব্যাপারে আমি ইতিবাচক ইঙ্গিত পেয়েছি।’

এদিকে মেয়র পদে প্রার্থী হিসেবে আলোচনা শুরুর পর ২২ জানুয়ারি দেশে আসেন আনোয়ারুজ্জান চৌধুরী। তাকে সংবর্ধনা জানাতে ওই দিন বিমানবন্দরে দলীয় নেতা-কর্মীদের ঢল নামে। শোভাযাত্রার মাধ্যমে বিমানবন্দর থেকে তাকে নগরে নিয়ে আসেন নেতা-কর্মীরা।

এরপর ২৬ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন আনোয়ারুজ্জামান। সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী তাকে সবুজ সংকেত দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী।

মহানগর আওয়ামী লীগে ক্ষোভ

মেয়র পদে প্রার্থী হিসেবে আনোয়ারুজ্জামানকে ‘সবুজ সংকেত’ দেয়া হয়েছে, এমন খবর চাউর হওয়ার পর থেকেই ক্ষোভ বিরাজ করছে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাদের মধ্যে। বিশেষত মেয়র পদে মনোনয়নপ্রত্যাশী অন্য নেতারা এ নিয়ে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন। যদিও দলীয় প্রধানের বিরাগভাজন হওয়ার ভয়ে এ নিয়ে প্রকাশ্যে কেউ কোনো মন্তব্য করতে চাননি, তবে এই আলোচনা শুরুর পর থেকেই উল্লসিত আনোয়ারুজ্জামান অনুসারীরা।

সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা যায়, সিলেট সিটিতে আগামী নির্বাচনে মেয়র পদে মনোনয়ন পেতে অর্ধডজন নেতা তৎপরতা চালাচ্ছিলেন। এর মধ্যে রয়েছেন আওয়ামী লীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আসাদ উদ্দিন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এটিএম হাসান জেবুল, কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদ এবং বদরউদ্দিন আহমদ কামরানের ছেলে আরমান আহমদ শিপলু।

কামরানের মৃত্যুর পর থেকেই মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। শেষ সময় এসে প্রবাসী এক নেতার নাম আলোচনার শীর্ষে উঠে আসায় হতাশ তাদের সবাই।

মনোনয়নপ্রত্যাশীদের একজন নাম প্রকাশ না করার শর্ত বলেন, ‘যারা দেশে থেকে দীর্ঘদিন ধরে দলের রাজনীতি করছেন, বিপদে-আপদে মানুষের পাশে রয়েছেন, তাদের বাদ দিয়ে প্রবাসে বিলাসী জীবন কাটানো কাউকে মেয়র পদে মনোনয়ন দেয়াটা আওয়ামী লীগের জন্য আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হবে।’

ওই নেতা আরও বলেন, ‘সিলেট নগরবাসীর জন্য আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর কোনো অবদান নাই। গত ভয়াবহ বন্যায়ও তাকে পাশে পায়নি নগরবাসী। তিনি নগরের বাসিন্দাও নন।’

মেয়র পদে আনোয়ারুজ্জামানকে দলীয় প্রধানের বিবেচনায় রাখার প্রচার সত্য নাও হতে পারে উল্লেখ করে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর এক সদস্য বলেন, ‘আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়া এত সহজ না। এমন প্রচারণা মিথ্যে হওয়ারই সম্ভাবনা বেশি। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ডের সভার আগে এ ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যাবে না।’

এ প্রসঙ্গে আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘আমি তৃণমূল থেকে উঠে আসা রাজনৈতিক কর্মী। গত সংসদ ও সিটি নির্বাচন সিলেটে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে আমি নিরলসভাবে কাজ করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি এই শহরেই বড় হয়েছি, পড়ালেখা করেছি। তাই সিলেট নগরের মানুষ আমার আপনজন।’

প্রধানমন্ত্রী সবুজ সংকেত দিয়েছেন জানিয়ে আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘গত বহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হয়েছে। সিটি নির্বাচনের জন্য তিনি আমাকে কাজ করার দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।’

এ প্রসঙ্গে সিলেট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন বলেন, ‘আওয়ামী লীগ বড় দল। দলের অনেক নেতাই মনোনয়ন চাচ্ছেন। এ ব্যাপারে দলীয় প্রধান ও মনোনয়ন বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবেন। আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে কে প্রার্থী হবেন, এ ব্যাপারে কিছু বলা যাবে না।’

আরও পড়ুন:
রাষ্ট্রপতি হতে চান জগদীশ, ইসির ‘‌বাধা’
সাত্তার চমকের শেষটা দেখার অপেক্ষা
ফোনালাপ ফাঁস: আসিফ স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে?
ডিসির নম্বর ক্লোন করে নির্বাচনী প্রার্থীর কাছে অর্থ দাবি
ডিসিদের বলেছি দেশবাসী সুষ্ঠু নির্বাচন চাইছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

p
উপরে