× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Where was I during BNP and where now Sheikh Hasina
hear-news
player
google_news print-icon

বিএনপির সময় কোথায় ছিলাম আর এখন কোথায়: শেখ হাসিনা

বিএনপির-সময়-কোথায়-ছিলাম-আর-এখন-কোথায়-শেখ-হাসিনা
শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি
‘বিদ্যুতের অভাবে দিনের পর দিন লোডশেডিং চলত। গ্যাসের অভাবে শিল্পকারখানার মালিকেরা যেমন হাহাকার করত, তেমনি চুলা জ্বলত না মানুষের বাড়িতে। সারসহ কৃষি উপকরণের উচ্চমূল্য এবং জ্বালানি তেলের অভাবে কৃষকের নাভিশ্বাস উঠেছিল। এমনি এক অর্থনৈতিক দুরবস্থার মধ্যে আমরা সরকার পরিচালনার দায়িত্ব নেই।’

সরকারের চার বছর পূর্তির দিন জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সরকারের টানা তৃতীয় আমলের উন্নয়ন, অগ্রগতি তুলে ধরেছেন। সেই সঙ্গে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের শেষ বছরের সঙ্গে বর্তমান সময়ের একটি তুলনাও করেছেন।

শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণে বর্ষপূর্তিতে কয়েকটি বিষয়ে আলোকপাত করে জনগণের স্মৃতিকে নাড়া দিতে পুরনো প্রসঙ্গ তুলে ধরার কথা উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, ‘আমরা কী দিয়েছি বিচার বিশ্লেষণ করুন।’

শেখ হাসিনা জানান, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২০০৫-৬ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ছিল ৫৪৩ ডলার। সেটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৮২৪ ডলারে। ২০০৫-০৬ সালে বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার ছিল ৪১ দশমিক ৫ শতাংশ। বর্তমানে তা ২০ কমে দাঁড়িয়েছে শতাংশ।

সে বছর দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৫ দশমিক ৪-শূন্য শতাংশ। করোনা মহামারির আগে ২০১৯-২০২০ অর্থবছর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৮ দশমিক এক-পাঁচ শতাংশে। ২০০৫-০৬-এ জিডিপির আকার ছিল ৬০ বিলিয়ন ডলার। ২০২১-২২ অর্থবছরে সেটি সাত গুণেরও বেশি বেড়ে হয়েছে ৪৬০ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার।

২০০৫-০৬ অর্থবছরে বাজেটের আকার ছিল ৬১ হাজার ৫৭ কোটি টাকা। ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাজেটের আকার ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা। বিএনপি-জামায়াতের শেষ অর্থবছরে পণ্য রপ্তানি খাতে আয় হয়েছিল ১০ দশমিক পাঁচ-দুই বিলিয়ন ডলার। ২০২১-২০২২ অর্থবছর তা বেড়ে দাঁড়ায় ৫২ দশমিক শূন্য-আট বিলিয়ন ডলারে।

২০০৫-০৬ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ৪ দশমিক আট-শূন্য বিলিয়ন ডলার। ২০২১-২০২২ অর্থবছরে বিদেশ থেকে প্রবাসী বাংলাদেশিরা পাঠিয়েছেন ২২ দশমিক শূন্য-সাত বিলিয়ন ডলার। ২০০৫-০৬ অর্থবছরে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল সাড়ে ৩ বিলিয়ন ডলার। ২০২১ সালের মাঝামাঝি সময়ে তা ৪৮ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়।

বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা ও মূল্যস্ফীতির কারণে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমানে রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, এই রিজার্ভ ৫ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর জন্য যথেষ্ট।

শেখ হাসিনা জানান, ২০০৫-০৬ সময়ে শিশুমৃত্যুর হার ছিল প্রতি হাজারে ৪৫ জন। বর্তমানে তা নেমে এসেছে ২২ জনে। গড় আয়ু সাড়ে ৬৪ বছর থেকে বেড়ে হয়েছে ৭৩ বছর। সাক্ষরতার হার ৪৫ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৭৫ দশমিক ২ শতাংশ হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির হার তখন ছিল ৭১ শতাংশ, এখন তা বেড়ে হয়েছে ৯৯ শতাংশ।

জোট সরকারের শেষ বছরে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে বরাদ্দ ছিল ৩৭৩ কোটি টাকা। ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৫৭৬ কোটি টাকা। ২০০৫-০৬ অর্থবছরে কৃষি খাতে ভতুর্কি দেয়া হয় ৫৯২ কোটি টাকা। ২০২২-২৩ অর্থবছর কৃষি খাতে মোট ভর্তুকির পরিমাণ ৪০ হাজার কোটি টাকা।

২০০৫-০৬ অর্থবছরে দেশে চাল উৎপাদন হয়েছিল ১ কোটি ৭৯ লাখ টন। ২০২১-২২ অর্থবছরে চাল, গম, ভুট্টা মিলিয়ে উৎপাদন দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ৭২ লাখ ৮৮ হাজার টন। বিএনপি-জামায়াত জোটের শেষ বছর বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ছিল মাত্র ৩ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট। সেটি বেড়ে হয়েছে ২৫ হাজার ৮২৬ মেগাওয়াট।

সে সময় বিদ্যুৎ সুবিধাপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠীর হার ছিল ৪৫ শতাংশ। ২০২২ সালে শতভাগ মানুষকে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, ‘সব ঘর আলোকিত করেছি।’

সারাদেশে যোগাযোগ অবকাঠামো গড়ে তুলতে সরকারের উদ্যোগ তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। কৃষিক্ষেত্রে সরকারের উদ্যোগও তুলে ধরেন তিনি। বলেন, ‘প্রায় ২ কোটি ১০ লাখ কৃষককে কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ড প্রদান করা হয়েছে। ১ কোটি কৃষক ১০ টাকা দিয়ে ব্যাংক একাউন্ট খুলেছেন।’

ভর্তুকির টাকা সরাসরি ব্যাংকে জমা হয় জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সেচের জন্য সুলভমূল্যে বিদ্যুৎ এবং কৃষিযন্ত্র ক্রয়ে ৭০ শতাংশ ভর্তুকি পাচ্ছেন।’

বাংলাদেশ মাছ, মাংস ও ডিম উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, ইলিশ উৎপাদনে বিশ্বে প্রথম। বিশ্বে বাংলাদেশ ধান উৎপাদনে তৃতীয়, পাট ও স্বাদু পানির মাছ উৎপাদনে দ্বিতীয়।

১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলায় সরকারের চেষ্টার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘ইতোমধ্যেই অনেকগুলি অঞ্চলে দেশি-বিদেশি কোম্পানি বিনিয়োগ শুরু করেছে। কৃষি পণ্য ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’

কৃষি উৎপাদন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে অনাবাদি জমি চাষের আওতায় আনা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। বলেন, ‘স্থানীয় পর্যায়ে কোল্ডস্টোরেজ স্থাপন ও ফসল প্রক্রিয়াজাতকরণের ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

‘আমার গ্রাম-আমার শহর কর্মসূচি’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে গ্রামের জনগণকে শহরের সব নাগরিক সুবিধা পৌঁছে দেয়ার কাজ চলছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। বলেন,‘গ্রামেও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে গেছে।’

তিনি জানান, ৩৫ লাখেরও বেশি মানুষকে বিনামূল্যে জমিসহ ঘর দেয়া হয়েছে, ২ কোটি ৫৩ লাখ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি-উপবৃত্তি দেওয়া হচ্ছে।

‘আমরা কী দিয়েছি বিচার বিশ্লেষণ করুন’

২০০৯ সাল থেকে একটানা ১৪ বছর আওয়ামী লীগ সরকার দেশ এবং দেশের জনগণকে কী দিতে পেরেছে, তার বিচার-বিশ্লেষণ করতেও জনগণের প্রতি অনুরোধ রাখেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘বর্ষপূর্তিতে আমি শুধু কয়েকটি বিষয়ে আলোকপাত করে আপনাদের স্মৃতিকে নাড়া দিতে চাই।’

২০০৯ সালে আমরা যখন সরকার পরিচালনার দায়িত্ব নেন, তখন বিশ্বব্যাপী মন্দা থাকার বিষয়টি তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম ছিল আকাশচুম্বী, অন্যদিকে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ছিল নিম্নমুখী।

‘বিদ্যুতের অভাবে দিনের পর দিন লোডশেডিং চলত। গ্যাসের অভাবে শিল্পকারখানার মালিকেরা যেমন হাহাকার করত, তেমনি চুলা জ্বলত না মানুষের বাড়িতে। সারসহ কৃষি উপকরণের উচ্চমূল্য এবং জ্বালানি তেলের অভাবে কৃষকের নাভিশ্বাস উঠেছিল। এমনি এক অর্থনৈতিক দুরবস্থার মধ্যে আমরা সরকার পরিচালনার দায়িত্ব নেই।’

শেখ হাসিনা জানান, ভোটের আগে দেয়া ইশতেহারের আলোকে তারা স্বল্প, মধ্য এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নকে এগিয়ে নেয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। স্থবির অর্থনীতিকে সচল করতে কৃষি, জ্বালানি, বিদ্যুৎসহ কয়েকটি খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে আমরা কাজ শুরু করেন।

নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে বেশ কয়েকটি ছোট বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা, রাসায়নিক সারের দাম কমিয়ে দেয়া এবং প্রতিটি খাতে আমরা পরিকল্পিত উন্নয়ন নিশ্চিত করার উদ্যোগের কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার সুফল জনগণ আজ পেতে শুরু করেছে। আজ দেশের শতভাগ মানুষ বিদ্যুতের আওতায়। নিজস্ব গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি বর্ধিত চাহিদা মেটানোর জন্য আমরা এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন করে এলএনজি আমদানির ব্যবস্থা নিয়েছি। প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত আজ মধ্যবিত্ত-নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারে গ্যাসের চুলায় রান্না হয়।’

নিজ অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণ, মেট্রোরেল উদ্বোধনের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘কিছুদিনের মধ্যেই শুধু বাংলাদেশেই নয়, চট্টগ্রামে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম পাতাল সড়কপথ- বঙ্গবন্ধু টানেল উদ্বোধনের মাধ্যমে আরেকটি মাইলফলক স্থাপিত হবে। পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুরে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।’

‘পণ্যমূল্য বেড়েছে ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে’

২০২০ সালের শুরুতে বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস মহামারি ছড়িয়ে পড়ার পর অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেরও এক গভীর অর্থনৈতিক সংকটে পড়ার স্মৃতিচারণও করেন শেখ হাসিনা। বলেন, সরকারের সময়মত উদ্যোগ গ্রহণের ফলে ভালোভাইে সেই মহামারি মোকাবিলা করা গেছে।

রাশিয়া-উইক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বে নতুন যে সংকট সেটিও উঠে আসে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে। তিনি বলেন, ‘পশ্চিমা দেশগুলোর এবং রাশিয়ার পাল্টাপাল্টি অবরোধের ফলে খাদ্য, জ্বালানিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম অস্বাভাবিকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বেড়েছে পরিবহন খরচ। ফলে আমাদের দেশেও জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে। আমরা কয়েকটি পণ্য বেশি দামে কিনে স্বল্পদামে সীমিত আয়ের মানুষের মধ্যে বিতরণ করছি।

‘এক কোটি পরিবার টিসিবি’র ফেয়ার প্রাইজ কার্ডের মাধ্যমে ৩০ টাকা কেজি দরে চাল ও সাশ্রয়ী মূল্যে ভোজ্য তেল, ডাল ও চিনি ক্রয় করতে পারছেন। ৫০ লাখ পরিবার ১৫ টাকা কেজি দরে মাসে ৩০ কেজি চাল কিনতে পারছেন। অসহায় মানুষদের ভিজিডি ও ভিজিএফ-এর মাধ্যমে ৩০ কেজি করে চাল প্রতিমাসে বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছে। হিজড়া, বেদে, মান্তা, দলিত, হরিজন, কুষ্ঠরোগীসহ সকল ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী মানুষের জন্য পুর্নবাসন কর্মসূচি গ্রহণ করেছি আমরা।’

আরও পড়ুন:
প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনের প্রত্যাশা করছি: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীকে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামির মৃত্যু
টুঙ্গিপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Prime Minister inaugurated the Investment Development Authority building

বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ভবন উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ভবন উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর বিডা ভবন উদ্বোধনের পর মোনাজাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অতিথিরা। ছবি: সংগৃহীত

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে বিশ্বের বিস্ময়: প্রধানমন্ত্রী
কৃচ্ছ্র সাধনে দৃষ্টান্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের
দেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়কে: প্রধানমন্ত্রী
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ
অনির্বাচিত সরকার এলে সংবিধান অশুদ্ধ হয়: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Brother and sister killed in car truck collision in Bogra

বগুড়ায় কার-ট্রাক সংঘর্ষ, ভাই-বোন নিহত

বগুড়ায় কার-ট্রাক সংঘর্ষ, ভাই-বোন নিহত বগুড়া-রংপুর মহাসড়কের মোকামতলা চকপাড়ায় ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া প্রাইভেট কার। ছবি: নিউজবাংলা
এস আই রাসেল আহম্মেদ জানান, প্রাইভেট কারে তিনজন ছিলেন। তারা রংপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। মহাসড়কের চকপাড়া এলাকায় আসার পর প্রাইভেট কারের চাকা ফেটে নিয়ন্ত্রণ হারালে বিপরীত দিক থেকে আসা বগুড়াগামী এক ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়৷

বগুড়ার শিবগঞ্জে ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে প্রাইভেটকারের যাত্রী ভাই ও বোন প্রাণ হারিয়েছেন। এ ঘটনায় বোনের স্বামী হুমায়ূন আহত হয়েছেন।

শনিবার রাত সোয়া ৯টার দিকে বগুড়া-রংপুর মহাসড়কের মোকামতলা চকপাড়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন সিয়াম ও তার বোন কুহেলী আক্তার। তারা লালমনিরহাটের বাসিন্দা। আর হুমায়ূন বরিশালের হিজলা উপজেলার হোসেন আহম্মেদের ছেলে।

ছিলিমপুর পুলিশ ফাঁড়ির এস আই রাসেল আহম্মেদ জানান, প্রাইভেট কারে তিনজন ছিলেন। তারা রংপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। মহাসড়কের চকপাড়া এলাকায় আসার পর প্রাইভেট কারের চাকা ফেটে নিয়ন্ত্রণ হারালে বিপরীত দিক থেকে আসা বগুড়াগামী এক ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়৷

দুর্ঘটনার পর তিনজনকে উদ্ধার করে শজিমেক হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসক ভাই ও বোনকে মৃত ঘোষণা করেন। আর বোনের স্বামী হুমায়ূনের চিকিৎসা চলছে।

গোবিন্দগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে আমাদের একটি টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। দুর্ঘটনাকবলিত কার ও ট্রাক পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
জানুয়ারিতে দুর্ঘটনায় ৬৪২ প্রাণহানি, সর্বোচ্চ বাইকে
মেরিন ড্রাইভ ভ্রমণে গিয়ে ফিরলেন লাশ হয়ে
রেল ক্রসিংয়ে ট্রেনের ধাক্কায় গেল যুবকের প্রাণ
দুই ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৩
পেরুতে বাস খাদে পড়ে গেল ২৪ প্রাণ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rampal power station is going to produce coal again

আসছে কয়লা, ফের উৎপাদনে যাচ্ছে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র

আসছে কয়লা, ফের উৎপাদনে যাচ্ছে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র। ফাইল ছবি
প্রনয় ভার্মা বলেন, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী জুনে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট চালু হবে। এ বিষয়ে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। এছাড়া সব ধরনের পরিবেশগত বিষয় বিবেচনা করে প্লান্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। যার কারণে সুন্দরবনের কেন ক্ষতি হবে না।

কয়লা সংকটে বন্ধ থাকা বাগেরহাটের রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট আগামী সপ্তাহে পুনরায় চালু হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার প্রনয় ভার্মা ।

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে পরিদর্শনে এসে শনিবার সকালে সাংবাদিকদের তিনি এমনটি জানান।

প্রনয় ভার্মা বলেন, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী জুনে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট চালু হবে। এ বিষয়ে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। এছাড়া সব ধরনের পরিবেশগত বিষয় বিবেচনা করে প্লান্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। যার কারণে সুন্দরবনের কেন ক্ষতি হবে না।

বাংলাদেশে-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইদ একরাম উল্লাহ সাংবাদিকদের জানান, ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লা সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায় রামপাল কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন। ডলার রিলিজ করতে কিছুটা সময় লাগার কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়। তবে সমস্যা সমাধান হওয়ায় নতুন করে কয়লা নিয়ে একটি জাহাজ সেখান থেকে রওনা দিয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কয়লাবাহী জাহাজটি রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে এসে পৌঁছাবে।

আসছে কয়লা, ফের উৎপাদনে যাচ্ছে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র

তিনি আরও বলেন, এখন থেকে নিয়মিত কয়লা আসবে। ফলে জুন মাস থেকে আবারও কয়লা দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এ ছাড়া দ্বিতীয় ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে জোরেশোরে কাজ চলছে। সবমিলিয়ে এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে কোনও সমস্যা হবে না।

গত ১৪ জানুয়ারি ডলার সংকটের জেরে কয়লা আমদানি না হওয়ায় রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। ডলার সংকটের কারণে এলসি খুলতে না পারায় কয়লার আমদানি বন্ধ আছে।

আরও পড়ুন:
রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে চুরি হওয়া মেশিন উদ্ধার
রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের অর্ধকোটি টাকার যন্ত্র গায়েব
ডলার সংকট: ৭ দিন ধরে উৎপাদন বন্ধ রামপালে
রামপালের বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে
বিদ্যুৎ জামওয়ালের ‘ক্র্যাক’ শুরু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bagar of 55 kg is sold at 75 thousand in Yamuna

যমুনায় ৫৫ কে‌জির বাগাড়, বিক্রি ৭৫ হাজারে

যমুনায় ৫৫ কে‌জির বাগাড়, বিক্রি ৭৫ হাজারে সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে যমুনা নদীতে ধরা পড়া বাগাইড় মাছটি শনিবার ভূঞাপুরের গোবিন্দাসী বাজারে তোলা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
গো‌বিন্দাসী মাছ বাজার স‌মি‌তির সভাপ‌তি বাবলু হ‌ালদার বলেন, ‘সিরাজগঞ্জের বেলকু‌চি উপজেলার যমুনা নদীতে এক জেলের জালে ধরা পড়ে বিশাল আকারের বাগাড় মাছটি। বিক্রির উদ্দেশ্যেই সেখান থেকে মাছটি কিনে আনি আমি। প‌রে সেটি ৭৫ হাজার টাকায় বি‌ক্রি ক‌রে‌ছি।’

টাঙ্গাই‌লের ভূঞাপু‌রে যমুনা নদী থে‌কে জে‌লের জা‌লে ধরা প‌ড়ে‌ছে ৫৫ কে‌জি ওজ‌নের এক‌টি বাগাড় মাছ‌। পরে স্থানীয় বাজা‌রে মাছ‌টি ৭৫ হাজার টাকায় বি‌ক্রি ক‌রেন বাবলু হালদার।

শ‌নিবার দুপুরে উপ‌জেলার গো‌বিন্দাসী বাজা‌রে বাগাড় মাছ‌টি বিক্রির জন‌্য আ‌নেন বাবলু হালদার। এদিন সকা‌লে সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকু‌চি এলাকায় যমুনা নদী থেকে এক জে‌লের কাছ থে‌কে মাছটি কেনেন তিনি।

গো‌বিন্দাসী মাছ বাজার স‌মি‌তির সভাপ‌তি বাবলু হালদার প‌রে গো‌বিন্দাসী বাজা‌রে বাগাড় মাছ‌টি ৭৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। মাছটি কিনে নেন মধুপুর উপ‌জেলার গা‌রোবাজা‌রের সুজন না‌মে এক ব্যক্তি।

ক্রেতা সুজন জানান, বিশাল আকৃ‌তির বাগাড় মাছ‌টি কিনে তারা কয়েকজন মিলে ভাগ ক‌রে নি‌য়ে‌ছেন।

বাবলু হ‌ালদার বলেন, ‘বেলকু‌চির যমুনা নদীতে এক জেলের জালে ধরা পড়ে মাছটি। বিক্রির উদ্দেশ্যেই সেখান থেকে মাছটি কিনে আনি আমি। প‌রে মাছটি ৭৫ হাজার টাকায় বি‌ক্রি ক‌রে‌ছি।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
642 deaths in accidents in January are highest on bikes

জানুয়ারিতে দুর্ঘটনায় ৬৪২ প্রাণহানি, সর্বোচ্চ বাইকে

জানুয়ারিতে দুর্ঘটনায় ৬৪২ প্রাণহানি, সর্বোচ্চ বাইকে মহাসড়কে দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত একটি মোটরসাইকেল। ফাইল ছবি
যাত্রী কল্যাণ সমিতির দুর্ঘটনা মনিটরিং সেলের পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন অনুযায়ী, জানুয়ারিতে ২১৪টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ২০৫ জন। এসব দুর্ঘটনায় আহত জন ১১৪ বাইক আরোহী।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে সড়ক, রেল ও নৌপথে ৬৫০টি দুর্ঘটনায় ৬৪২ জন প্রাণ হারিয়েছে জানিয়ে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি বলেছে, বিগত মাসে যাত্রাপথে সবচেয়ে বেশি নিহত হয়েছেন মোটরসাইকেল বা বাইক আরোহীরা।

সংবাদমাধ্যমে শনিবার পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে কাজ করা বেসরকারি সংস্থাটি।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জানুয়ারিতে ৫৯৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৮৫ জন নিহত ও ৮৯৯ জন আহত হয়েছে। এ ছাড়া রেলপথে ৪৪টি দুর্ঘটনায় ৪৬ প্রাণহানি ও ৭৮ জন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। নৌপথে ১৩ দুর্ঘটনায় ১১ জনের মৃত্যু, একজন আহত ও ছয়জন নিখোঁজ হয়।

সংস্থাটির দুর্ঘটনা মনিটরিং সেলের পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন অনুযায়ী, জানুয়ারিতে ২১৪টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ২০৫ জন। এসব দুর্ঘটনায় আহত জন ১১৪ বাইক আরোহী।

দেশের জাতীয়, আঞ্চলিক সংবাদপত্র ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।

এতে দেখা যায়, ২০২২ সালের জানুয়ারির চেয়ে ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে সড়কে দুর্ঘটনা ৫.৩ শতাংশ এবং আহত ১০.০৪ শতাংশ বেড়েছে, তবে প্রাণহানি ৪.৬ শতাংশ কমেছে।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, জানুয়ারিতে সংঘটিত দুর্ঘটনার ২৯.৫১ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ৩৮.৬১ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে ও ২৪.৪৫ শতাংশ ফিডার রোডে হয়েছে।

সারা দেশে মোট দুর্ঘটনার ৫.২২ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, ১.১৮ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে এবং ১.০১ শতাংশ রেলক্রসিংয়ে ঘটেছে।

গত মাসে সড়ক দুর্ঘটনা সবচেয়ে বেশি হয় ১৭ জানুয়ারি। ওই দিনে ৩৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২০ জন নিহত ও ৩১ জন আহত হয়।

সবচেয়ে কম সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে ২ জানুয়ারি, যেদিন ১২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১০ জন নিহত ও ২১ জন আহত হয়।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, সড়ক দুর্ঘটনার উল্লেখযোগ্য কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে বেপরোয়া গতি, বিপজ্জনক ওভারটেকিং, ফিটনেসবিহীন যানবাহনের অবাধ চলাচল, যাত্রী ও পথচারীদের অসতর্কতা, চালকের অদক্ষতা, চালকের বেপরোয়া মনোভাব, চলন্ত অবস্থায় মোবাইল বা হেডফোন ব্যবহার, মাদক সেবন করে যানবাহন চালানো ইত্যাদি।

আরও পড়ুন:
মেরিন ড্রাইভ ভ্রমণে গিয়ে ফিরলেন লাশ হয়ে
রেল ক্রসিংয়ে ট্রেনের ধাক্কায় গেল যুবকের প্রাণ
দুই ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৩
পেরুতে বাস খাদে পড়ে গেল ২৪ প্রাণ
শ্রীমঙ্গলে অটোরিকশায় পিকআপের ধাক্কা, নিহত ২

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Glimpse of winter after winter

শৈত্যপ্রবাহের পর শীত কমার আভাস

শৈত্যপ্রবাহের পর শীত কমার আভাস রৌদ্রোজ্জ্বল দিনে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত লোকজন। ফাইল ছবি/পিয়াস বিশ্বাস
তাপমাত্রার বিষয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়, সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

দেশের দুই জেলার ওপর দিয়ে শুক্রবার মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেলেও শনিবার কোথাও এমন পরিস্থিতি দেখা যায়নি।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসেও শৈত্যপ্রবাহের কোনো বার্তা দেয়া হয়নি।

রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি রাতের তাপমাত্রা বাড়ার আভাস দিয়েছে, যার অর্থ হলো দেশজুড়ে কমতে পারে শীতের অনুভূতি।

পূর্বাভাসে সিনপটিক অবস্থা নিয়ে বলা হয়, উপমহাদেশীয় উচ্চতাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বিহার ও সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

দিনভর আবহাওয়া কেমন থাকবে, তা নিয়ে পূর্বাভাসে জানানো হয়, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।

কুয়াশা নিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, শেষ রাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্যত্র কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

তাপমাত্রার বিষয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়, সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার অবস্থা নিয়ে বলা হয়, এ সময়ের শেষের দিকে রাতের তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, শুক্রবার দেশের সর্বোচ্চ ৩০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল কক্সবাজারের টেকনাফে। শনিবার দেশের সর্বনিম্ন ১০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় চুয়াডাঙ্গায়।

আরও পড়ুন:
শীত ওঠানামা করতে পারে দুই-তিন দিন
‘মাঘের শীতে বাঘ পালায়’ শুধু বইয়েই
শীত আরও কমতে পারে টানা তিন দিন
শীত কমার আভাস
মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে বিপাকে নওগাঁর শ্রমজীবীরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bangladesh has a new role in the UN Peacebuilding Commission

জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনে নতুন দায়িত্বে বাংলাদেশ

জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনে নতুন দায়িত্বে বাংলাদেশ
সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কমিশনের সদস্যরা ২০২৩ সালের জন্য ক্রোয়েশিয়াকে সভাপতি এবং বাংলাদেশ ও জার্মানিকে সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করেন। বৃহস্পতিবার নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে রাষ্ট্রদূত মুহিত আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রোয়েশিয়ার কাছে কমিশনের সভাপতির দায়িত্বভার হস্তান্তর করেন।

জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত সর্বসম্মতিক্রমে ২০২৩ সালের জন্য জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের (পিবিসি) সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি এর আগে ২০২২ সালে কমিশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কমিশনের সদস্যরা ২০২৩ সালের জন্য ক্রোয়েশিয়াকে সভাপতি এবং বাংলাদেশ ও জার্মানিকে সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করেন। বৃহস্পতিবার নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে রাষ্ট্রদূত মুহিত আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রোয়েশিয়ার কাছে কমিশনের সভাপতির দায়িত্বভার হস্তান্তর করেন।

শুক্রবার ঢাকায় প্রাপ্ত এক সরকারি তথ্য বিবরণীতে এ সংবাদ জানানো হয়। এতে বলা হয়, অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত কমিশনে সভাপতির দায়িত্ব পালনের সময় বাংলাদেশের প্রতি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময় থেকে ক্রমান্বয়ে বাংলাদেশ জাতিসংঘের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

বিশ্বের সর্বোচ্চ শান্তিরক্ষী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্বশান্তি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। মুহিত আগামীতে কমিশনের কাজে বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

আরও পড়ুন:
রোহিঙ্গা ফেরত বিষয়ে নিরাপত্তা পরিষদে রেজল্যুশন গৃহীত
বাংলাদেশকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জাতিসংঘের
জাতিসংঘের নারী অধিকার সংস্থা থেকে ইরানকে বহিষ্কার
নাগরিক মত প্রকাশের স্বাধীনতা কমেছে: জাতিসংঘ মহাসচিব
বঙ্গবন্ধুর উক্তি জাতিসংঘ রেজুলেশনে

মন্তব্য

p
উপরে