× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
2 including children killed in truck crush in Bhuyapur
hear-news
player
google_news print-icon

ভূঞাপুরে ট্রাকচাপায় শিশুসহ নিহত ২

ভূঞাপুরে-ট্রাকচাপায়-শিশুসহ-নিহত-২
আহতদের চিতিৎসা দিতে ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়/ ছবি: নিউজবাংলা
ভূঞাপুর সদর থেকে ভ্যানটি যাত্রী নিয়ে গোবিন্দাসির দিকে যাচ্ছিল। এ সময় বাগবাড়ি নামক স্থানে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি তেলবাহী ট্রাক ভ্যানটিকে চাপা দেয়।

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ট্রাকচাপায় প্রাণ হারিয়েছে শিশুসহ দুইজন। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার বাগবাড়ি এলাকায় তেলবাহী ট্রাকের চাপায় ব্যাটারিচালিত ভ্যানের যাত্রী অজ্ঞাত এক নারী ও শিশু প্রাণ হারায়।

এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘বিকেলে ভূঞাপুর সদর থেকে ভ্যানটি যাত্রী নিয়ে গোবিন্দাসির দিকে যাচ্ছিল। এ সময় বাগবাড়ি নামক স্থানে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি তেলবাহী ট্রাক ভ্যানটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই এক মেয়ে শিশু ও এক নারী প্রাণ হারান। এ সময় আরও দুইজন আহত হন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আহত ব্যক্তিদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পরপরই ট্রাকটিকে আটক করা হলেও চালক ও সহকারী পালিয়েছেন। নিহত দুইজনের লাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে।’ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানান ওসি।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Order to pay government witnesses in the case

মামলায় সরকারি সাক্ষীদের খরচ দেয়ার নির্দেশ

মামলায় সরকারি সাক্ষীদের খরচ দেয়ার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্ট। ফাইল ছবি
সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের নির্দেশনায় আদালতকে উদ্দেশ করে বলা হয়েছে- ফৌজদারি মামলায় সরকারি সাক্ষীদের সাক্ষ্য ভাতা প্রদানে নতুন অর্থনৈতিক কোড/খাত সৃজন এবং এই খাতে অর্থ বরাদ্দে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে সরকারি সাক্ষীদের যাতায়াত ভাড়াসহ প্রয়োজনীয় খরচ দিতে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

নির্দেশনায় আদালতকে উদ্দেশ করে বলা হয়েছে- ফৌজদারি মামলায় সরকারি সাক্ষীদের সাক্ষ্য ভাতা প্রদানে নতুন অর্থনৈতিক কোড/খাত সৃজন এবং এই খাতে অর্থ বরাদ্দে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার মুন্সি মো. মশিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে। ৩১ জানুয়ারি স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির বিষয়টি শনিবার গণমাধ্যমকে জানানো হয়।

আরও পড়ুন:
শুধু বয়স, অসুস্থতা বিবেচনায় জামিন নয়: আপিল বিভাগ
সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড প্যানেলে আরও ৯ আইনজীবী
সুপ্রিম কোর্টের ৫০ বছর, থিম লোগো উন্মোচন
ভারতে প্রথম লাইভে সুপ্রিম কোর্টের শুনানি
তথ্যপ্রযুক্তির ছোঁয়ায় মামলাজট কমান, সুপ্রিম কোর্টকে রাষ্ট্রপতি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Home and farm worth crores by stealing export clothes

রপ্তানির পোশাক চুরি করে কোটি টাকার বাড়ি-খামার

রপ্তানির পোশাক চুরি করে কোটি টাকার বাড়ি-খামার গার্মেন্টস পণ্য চোর চক্রের হোতা শাহেদ ওরফে সাঈদ ওরফে বদ্দাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। ছবি: নিউজবাংলা
র‍্যাব জানায়, শাহেদ চক্র গত দেড় যুগ ধরে এভাবে রপ্তানিযোগ্য গার্মেন্টস পণ্য চুরি করে আসছিল। চুরির টাকায় শাহেদের প্রায় ২০ কোটি টাকার একটি বাড়ি করেছেন। এছাড়া মৌলভীবাজারের দূর্লভপুরে প্রায় ২০ একর জমির ওপরে রয়েছে মাছের খামারসহ দুটি হাঁস ও মুরগির খামার।

গাজীপুরের কারখানা থেকে গত বছরের ২৯ অক্টোবর কাভার্ড ভ্যানে পোশাকের একটি চালান ব্রাজিলে রপ্তানির উদ্দেশে চট্টগ্রাম বন্দরে পাঠানো হয়। পরের দিন ৮৯৮ কার্টন ভর্তি সোয়েটার চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়। ক্রেতা-মনোনীত শিপিং প্রতিষ্ঠান এক লাখ ২৫ হাজার ডলারেরও বেশি মূল্যের চালানটি গ্রহণ করে ব্রাজিলে পাঠায়। সেই মোতাবেক বন্দর থেকে চালানবহনকারী জাহাজটি রওনা দেয়ার পরপরই ক্রেতা পুরো অর্থ পরিশোধ করেন। তবে গত ৬ জানুয়ারি ব্রাজিলের ক্রেতার কাছ থেকে পাওয়া একটি ভিডিও দেখে হতবাক হয়ে যায় গার্মেন্টস মালিকপক্ষ।

সেখানে দেখা যায়, কিছু কার্টন সম্পূর্ণ খালি। অনেকগুলো কার্টন থেকে প্রচুর পরিমাণ পণ্য খোয়া গেছে। পরবর্তীতে চুরি হওয়া গার্মেন্টস পণ্যের সমপরিমাণ অর্থ জরিমানা হিসেবে পরিশোধ করতে হয়েছে মালিকপক্ষকে। এ ঘটনায় গত ২ ফেব্রুয়ারি গাজীপুরের গাছা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

এই অভিযোগের রহস্য উদ্ঘাটনে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায় র‍্যাব। পরে প্রায় শতকোটি টাকা মূল্যের রপ্তানি করা চোরাই গার্মেন্টস পণ্যসহ সংঘবদ্ধ চোর চক্রের হোতা শাহেদ ওরফে সাঈদ ওরফে বদ্দাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতে র‍্যাব-৪ এর পৃথক পৃথক অভিযানে মৌলভীবাজার, গোপালগঞ্জ ও ঢাকার আশপাশের এলাকা থেকে তারা গ্রেপ্তার হন। কারওয়ান বাজার র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শনিবার দুপুরে এসব কথা বলেন র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

গ্রেপ্তাররা হলেন- শাহেদ ওরফে সাঈদ ওরফে বদ্দা, মো. ইমারত হোসেন সজল, শাহজাহান ওরফে রাসেল ওরফে আরিফ ও মো. হৃদয়। এ সময় উদ্ধার করা হয় চুরি যাওয়া পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত ১টি কাভার্ড ভ্যান।

র‍্যাব জানায়, শাহেদ চক্র গত দেড় যুগ ধরে এভাবে রপ্তানিযোগ্য গার্মেন্টস পণ্য চুরি করে আসছিল। চুরির টাকায় শাহেদের প্রায় ২০ কোটি টাকার একটি বাড়ি করেছেন। এছাড়া মৌলভীবাজারের দূর্লভপুরে প্রায় ২০ একর জমির ওপরে রয়েছে মাছের খামারসহ দুটি হাঁস ও মুরগির খামার।

খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘গ্রেপ্তার শাহেদ এই গার্মেন্টস পণ্য চুরি চক্রের হোতা এবং নির্দেশদাতা। মূলত তার ছত্রছায়ায় বাংলাদেশের প্রায় অধিকাংশ গার্মেন্টস পণ্য চুরির ঘটনা সংঘটিত হয়ে থাকে। ৪০-৫০ জনের এই চক্রে রয়েছে ড্রাইভার, হেলপার, গোডাউন মালিক, গোডাউন এলাকার আশ্রয়দাতা, অত্যন্ত দক্ষ কুলি সর্দারসহ একদল কর্মী। প্রাথমিক পর্যায়ে তারা ট্রান্সপোর্টে গার্মেন্টেসের মালামাল বহন শুরু করে। একপর্যায়ে তারা গার্মেন্টস পণ্য পরিবহনের সঙ্গে সম্পৃক্ত কাভার্ডভ্যানের চালক ও সহকারীদের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলে এবং অল্প সময়ে বেশি অর্থ লাভের প্রলোভন দেখিয়ে গার্মেন্টস পণ্য চুরির কাজে উৎসাহিত করে।’

‘গার্মেন্টস থেকে রপ্তানির জন্য পণ্য রওনা হওয়ার পর চক্রটি চুরির কাজ শুরু করে। যানবাহন থেকে ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ পণ্য সরিয়ে প্যাকেজিংয়ের পর তারা আবার বন্দরে পাঠিয়ে দেয়।’

র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক বলেন, ‘গ্রেপ্তার শাহেদ চট্টগ্রামে থাকাকালে ১৯৯৬ সালে ২টি ট্রাক কিনে লোকাল ব্যবসা শুরু করেন। ২০০৪ সালে ট্রাক দুটি বিক্রি করে ৪টি কাভার্ড ভ্যান কিনে গার্মেন্টস পণ্য পরিবহন শুরু করেন। সে কাভার্ড ভ্যানের চালক ও সহকারীদের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের সহায়তায় গার্মেন্টস পণ্য চুরির কার্যক্রমের জন্য একটি সংঘবদ্ধ চোর চক্র তৈরি করেন। বর্তমানে তার নিজস্ব ৪টি কাভার্ড ভ্যানসহ চোর চক্রে মোট ১৫টি কাভার্ড ভ্যান রয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১৭-১৮টি গার্মেন্টস পণ্য চুরির মামলা রয়েছে। যার অধিকাংশ মামলায় তিনি কারাভোগ করেছেন। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে আদালতে ৬টি মামলার বিচারকার্য চলমান রয়েছে। ’

আরও পড়ুন:
প্রতারণা করে বিপুল বিত্তের মালিক, অবশেষে ধরা
ইউপি সদস্য হত্যায় সাবেক চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার
বেসিস পুরস্কার পেল র‍্যাবিটহোল
যুক্তরাষ্ট্রের সব অভিযোগের সত্যতা নেই, জবাব দেয়া হয়েছে: র‍্যাব ডিজি
পাচারের সময় চিৎকারে বাস থেকে উদ্ধার ৫৯ জন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Many people who were cheated by buying cycles left fake dollars
ব্রিফিংয়ে ডিবি

জাল ডলার ছেড়েছিল চক্র, কিনে প্রতারিত অনেকে

জাল ডলার ছেড়েছিল চক্র, কিনে প্রতারিত অনেকে জাল টাকা, রুপি ও ডলার তৈরি চক্রের চার সদস্যের কাছ থেকে বিভিন্ন সামগ্রী উদ্ধারের কথা জানায় ডিবি। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
ডিবি জানায়, সারা দেশে চক্রের এজেন্ট রয়েছে। প্রথম পর্যায়ে ১ কোটি টাকার জাল নোট ১০ লাখে, এরপর ২০ লাখে এবং সব শেষ ধাপে ৫০ লাখে বিক্রি করতেন এর সদস্যরা। এজেন্টদের চাহিদা অনুযায়ী যেকোনো পরিমাণের জাল নোট প্রস্তুত করে দিতেন তারা। বাংলাদেশি মুদ্রার ক্ষেত্রে তারা কম মূল্যমানের নোটও (যেমন: ১০০ ও ২০০ টাকা) জাল করেছিলেন, যা খালি চোখে ধরা প্রায় অসম্ভব।

রোজাকে সামনে রেখে একটি চক্র প্রায় ২০০ কোটি টাকা সমমূল্যের দেশি-বিদেশি জাল নোট বাজারে ছড়িয়ে দিতে চেয়েছিল জানিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) বলেছে, দেশে সংকটের সুযোগ নিয়ে জাল ডলার বাজারে ছেড়েছিল চক্রের সদস্যরা, যা কম দামে কিনে প্রতারিত হন অনেকে।

জাল টাকা, রুপি ও ডলার তৈরি চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে এসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে বলে জানিয়েছে ডিবি।

গ্রেপ্তার চারজন হলেন উজ্জল দাস ওরফে সোবহান শিকদার, আবদুর রশিদ, মমিনুল ইসলাম ও শাহ মো. তুহিন আহমেদ ওরফে জামাল। তাদের কাছ থেকে ২৭ লাখ টাকা মূল্যের জাল টাকা, ভারতীয় রুপি ও আমেরিকান ডলার, ১ কোটি ২০ লাখ টাকা মূল্যমানের জাল রেভিনিউ স্ট্যাম্প ও জালনোট তৈরির বিভিন্ন উপকরণ উদ্ধারের কথা জানায় পুলিশ।

মিডিয়া সেন্টারে শনিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপি ডিবির প্রধান হারুন অর রশীদ বলেন, পয়লা ফেব্রুয়ারি দারুস সালাম থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে জালনোট ও রেভিনিউ স্ট্যাম্প প্রস্তুতকারী চক্রের হোতা উজ্জল দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে দারুস সালামের একটি বাসা থেকে জাল নোট ও রেভিনিউ স্ট্যাম্প প্রস্তুতকালে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ডিএমপি ডিবির প্রধান বলেন, চক্রটি মতিঝিল এলাকা থেকে প্রয়োজনীয় কাগজ, নয়াবাজার ও মিটফোর্ড থেকে রং, ফয়েল সংগ্রহ করে বিভিন্ন দেশের জাল নোট ও স্ট্যাম্প তৈরি করে আসছিল। বর্তমান বিশ্ববাজারে ডলার সংকট হওয়ায় তারা আমেরিকান জাল ডলার তৈরি করে বিদেশেও পাচার করছিল। একই সঙ্গে তারা ভারতীয় জাল রুপিও তৈরি করে।

ডিবি জানায়, সারা দেশে চক্রের এজেন্ট রয়েছে। প্রথম পর্যায়ে ১ কোটি টাকার জাল নোট ১০ লাখে, এরপর ২০ লাখে এবং সব শেষ ধাপে ৫০ লাখে বিক্রি করতেন এর সদস্যরা। এজেন্টদের চাহিদা অনুযায়ী যেকোনো পরিমাণের জাল নোট প্রস্তুত করে দিতেন তারা। বাংলাদেশি মুদ্রার ক্ষেত্রে তারা কম মূল্যমানের নোটও (যেমন: ১০০ ও ২০০ টাকা) জাল করেছিলেন, যা খালি চোখে ধরা প্রায় অসম্ভব।

ডিবির প্রধান বলেন, ‘দীর্ঘ প্রায় ৮-৯ বছর ধরে চক্রটি ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় স্বল্পমেয়াদে বাসা ভাড়া নিয়ে বিভিন্ন মূল্যমানের জাল নোট, ভারতীয় রুপি, আমেরিকান ডলারসহ রেভিনিউ স্ট্যাম্প প্রস্তুত করে আসছিল। তাদের কাছে যে পরিমাণ জাল টাকা তৈরির কাগজ ও অন্যান্য উপকরণ পাওয়া গেছে, তা দিয়ে আগামী রমজান-ঈদুল ফিতরে প্রায় ২০০ কোটি টাকার জাল নোট ও রেভিনিউ স্ট্যাম্প বাজারে ছাড়তে পারত।’

এক প্রশ্নের জবাবে হারুন বলেন, ‘সস্তায় পেয়ে বাইরে থেকে ডলার কিনে অনেকে প্রতারিত হচ্ছেন। এর দায় যে কিনবে তারই। কারণ ডলার কেনা উচিত ব্যাংক অথবা কোনো অনুমোদিত মানি এক্সচেঞ্জ থেকে।

‘আমরা এই চক্রটিকে সেদিন গ্রেপ্তার না করলে পরদিনই জাল নোট আর স্ট্যাম্পগুলো বাজারে চলে যেত। তাদের কিছু এজেন্টের নাম পেয়েছি। আমরা এসব নিয়ে কাজ করছি।’

আরও পড়ুন:
গরু চুরির সময় গৃহবধূকে গাড়িচাপা, চক্রের খোঁজে ডিএমপি ডিবি
ডিবির হারুনের নামে মামলা নেয়নি আদালত
বিএনপি অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগে ডিবির হারুনের নামে মামলার আবেদন
জাল ভিসা নিয়ে আমেরিকান দূতাবাসের অভিযোগে ছয়জন গ্রেপ্তার
চালকের গলাকেটে অটোরিকশা ছিনতাই করতো ওরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chhatra League leader arrested with stolen motorcycle

চোরাই মোটরসাইকেলসহ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

চোরাই মোটরসাইকেলসহ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার গোলাম গাউস লিমন। ছবি: সংগৃহীত
বগুড়ার শাজাহানপুর থানার ওসি আব্দুল কাদের জিলানী বলেন, ‘ডিবির টিম চোরাই মোটরসাইকেল নিয়ে গোলাম গাউছ নামে এক ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে। মামলা হওয়ার পর আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠায় ডিবি পুলিশ। তার বিরুদ্ধে আগের তিনটি মামলা আছে। তার মধ্যে একটি মোটরসাইকেল চুরির।’

চোরাই মোটরসাইকেলসহ বগুড়ার শাজাহানপুর ছাত্রলীগের নেতা গোলাম গাউছ লিমনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

শুক্রবার মামলা দায়েরের পর সন্ধ্যায় তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার বনানী এলাকায় মোটরসাইকেলসহ তাকে আটক করা হয়।

গোলাম গাউছ লিমন উপজেলার রহিমাবাদ (বি-ব্লক) এলাকার শাহ আলমের ছেলে এবং উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। পাশাপাশি তিনি শাজাহানপুরে বালু ও ইট সরবরাহের ব্যবসা করেন।

সন্ধ্যায় ডিবি পুলিশের এসআই আলী জাহান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার রাতে বনানী মোড়ে ডিবি পুলিশের টহল টিম তল্লাশি করছিল। এ সময় গোলাম গাউছ লিমনকে তল্লাশি করা হয়। কাগজপত্র যাচাই করতে গিয়ে দেখা যায় মোটরসাইকেলটি চোরাই। পরে তাকে আটক করে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়।

এসআই জাহান বলেন, ‘চোরাই মোটরসাইকেলটি হোন্ডা কোম্পানির ১৫০ সিসির কালো রঙের। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় লিমন মোটরসাইকেলটি হিলি সীমান্ত থেকে নিয়ে এসেছেন।’

গোলাম গাউছ লিমনের রাজনৈতিক পরিচয় নিশ্চিত করেন শাজাহানপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মিন্টু মিয়া। তিনি বলেন, ‘গোলাম গাউছ লিমন উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তার ঘটনাটি আমরা শুনেছি। এ বিষয়ে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

শাজাহানপুর থানার ওসি আব্দুল কাদের জিলানী বলেন, ‘ডিবির টিম চোরাই মোটরসাইকেল নিয়ে গোলাম গাউছ নামে এক ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে। শুক্রবার বিকেলে শাজাহানপুর থানায় মামলা হওয়ার পর আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠায় ডিবি পুলিশ। তার বিরুদ্ধে আগের তিনটি মামলা আছে। তার মধ্যে একটি মোটরসাইকেল চুরির।’

আরও পড়ুন:
মাস্টার চাবি বানিয়ে ৫০০ বাইক চুরি
চোরাই মোটরসাইকেলসহ গ্রেপ্তার ৭
দেশে মোটরসাইকেলের ব্যবহার এখনও অনেক কম

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Fugitive convicted of Hizbut arrested

হিযবুতের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

হিযবুতের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার তমিজ আহম্মেদ সবুজ। ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ পুলিশের এন্টি টেররিজম ইউনিটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আসলাম খান বলেন, “তমিজ আহম্মেদ সবুজ ‘ইসলামী খিলাফত’ প্রতিষ্ঠার জন্য ভীতি ও অস্থিরতা সৃষ্টির মাধ্যমে রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। ২০১৪ সালে হিযবুত তাহরিরের লিফলেট বিতরণের সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। জামিনে মুক্তি পেয়ে সে পালিয়ে যায়।”

নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরিরের সাজাপ্রাপ্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে এন্টি টেরোরিজম ইউনিট (এটিইউ)। তার নাম তমিজ আহম্মেদ সবুজ। বাড়ি বরগুনা জেলায়। তিনি প্রায় ৭ বছর ধরে আত্মগোপনে ছিলেন।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় ভাটারা নতুন বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বাংলাদেশ পুলিশের এন্টি টেররিজম ইউনিটের পুলিশ সুপার (মিডিয়া অ্যান্ড অ্যাওয়ারনেস উইং) মোহাম্মদ আসলাম খান এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, “গ্রেপ্তার আসামি তমিজ আহম্মেদ সবুজ ‘ইসলামী খিলাফত’ প্রতিষ্ঠার জন্য ভীতি ও অস্থিরতা সৃষ্টির মাধ্যমে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র এবং গণতন্ত্র ও প্রচলিত বিচার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রচারসহ সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। ২০১৪ সালে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরিরের লিফলেট বিতরণের সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। জামিনে মুক্তি পেয়ে সে পালিয়ে যায়।”

আরও পড়ুন:
জেলে থেকেও নাশকতার আসামি, ফের গ্রেপ্তার
১৬ বছর পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার  
মাদ্রাসার দারোয়ান থেকে জঙ্গি নেতা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Suspect of sabotage arrested again from jail

জেলে থেকেও নাশকতার আসামি, ফের গ্রেপ্তার

জেলে থেকেও নাশকতার আসামি, ফের গ্রেপ্তার এইচ এম আসলাম হোসেন। ছবি: সংগৃহীত
খুলনা মহানগর বিএনপির ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এইচ এম আসলাম হোসেনকে নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠিয়েছে পুলিশ। অথচ যে সময়ের ঘটনার অভিযোগে ওই মামলা হয়েছে সে সময় তিনি কারাগারে বন্দি ছিলেন।

খুলনা মহানগর বিএনপির ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এইচ এম আসলাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। অথচ যেদিনের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে এই নাশকতার অভিযোগ, সেদিন তিনি ছিলেন পুলিশের হেফাজতে।

তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সেই দিন তিনি ঘটনাস্থলে তো ছিলেই না, ছিলেন অন্য একটি মামলায় গ্রেফতার হয়ে পুলিশের জিম্মায়। এই বিষয়ে পুলিশ আনুষ্ঠানিক ভাবে কোন বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

সূত্র জানায়, বুধবার দুপুরে খুলনা সদর থানা এলাকায় আহসান আহমেদ রোডে নিজের ছেলেকে কোচিং সেন্টারে দিতে এসে গ্রেপ্তার হন এইচ এম আসলাম হোসেন। পরদিন বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে পুলিশ বাদী একটি মামলার অজ্ঞাত আসামির তালিকায় ফেলে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর থানা সূত্র জানায়, এইচ এম আসলাম হোসেনকে ৪ ডিসেম্বর সদর থানায় পুলিশের করা এক মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মামলাটি দায়ের করেছিলেন সদর থানার এস আই মো. শাহিন কবির। তাতে ৮০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, যাদের মধ্যে ৩৮ জন এজাহারনামীয় ও বাকিরা অজ্ঞাত।

ওই মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ৩ ডিসেম্বর রাত ১০টার দিকে খুলনার লোয়ার যশোর রোডের বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেডের দক্ষিণ পাশের গেটের সামনে এই মামলার আসামিরা সারাদেশে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, কেপিআই ধ্বংস ও নাশকতার পরিকল্পনার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ধ্বংসাত্মক অস্ত্র ও ককটেল বোমা নিয়ে সমবেত হন। সেখান থেকে পুলিশ দু’জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি স্টিলের রামদা, একটি কাঠের বাতা ও তিনটি ককটেল উদ্ধার করা হয়। তাদের স্বীকারোক্তি মোতাবেক বাকিদেরকে মামলার আসইম করা হয়েছে।

আরও বলা হয়েছে, এসব আসামি বর্তমান সরকারকে উচ্ছেদ করার জন্য নাশকতার যড়যন্ত্র করছিল।

মামলাটি ১৯৭৪ সালের দ্য স্পেশাল পাওয়ার অ্যাক্টের ১৫(৩)/২৫-ডি ও ১৯০৮ সালের দ্য এক্সপ্লোসিভ সাবস্ট্যান্স অ্যাক্টের ৪ ধারায় রেকর্ড করেছিলেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান আল মামুন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ৩ ডিসেম্বর দুপুরে খুলনা সদর থানা এলাকা থেকে এইচ এম আসলাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সে সময়ে তাকে গত বছরের ২৬ মে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় আটক করে পরদিন সকালে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।

খুলনার জেল সুপার মোহাম্মদ রফিকুল কাদেরের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি নথিপত্র দেখে নিশ্চিত করেন যে ৪ ডিসেম্বর এইচ এম আসলাম অন্য এক মারামারির মামলায় জেলে ছিলেন। ১৫ ডিসেম্বর জামিনে মুক্তি পান তিনি।

এ ব্যাপারে খুলনা সদর থানা পুলিশের কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে বক্তব্য দিতে রাজি হননি। তবে ঘটনাটি জানতে পেরে কোর্ট পুলিশের কাছে থানা থেকে আসলামকে ফেরত চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাৎক্ষণিক আসলামকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়ে দিয়েছিল পুলিশ।

বিষয়টি নিয়ে ডেপুটি পুলিশ কমিশনার তাজুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমি কিছু জানি না। পরে জেনে জানানো হবে।’

খুলনা মহানগর বিএনপি আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা বলেন, ‘আমাদের খুলনা বিএনপির ২ শতাধিক নেতাকর্মী কারাগারে রয়েছেন। তাদের প্রত্যেককে সরকার বিরোধী নাশকতা মামলার আসামি করা হয়েছে। পুলিশ যে মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠাচ্ছে তার বড় প্রমাণ আসলামের এই ঘটনা। বাস্তবে আসলে সেদিন ওইরকম কোনো ঘটনাই ঘটেনি।’

আসলাম হোসেনকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা আদালত থেকে ওইদিনের ঘটনার সব নথি উদ্ধার করেছি। তাতে স্পষ্ট প্রমাণ হচ্ছে, ঘটনার সময়ে তিনি পুলিশের জিম্মায় ছিলেন। কারাগারে থেকে তিনি বাইরে নাশকতা কীভাবে করলেন?

‘মূল কথা হলো, শনিবার খুলনা বিভাগীয় বিএনপির সমাবেশকে সামনে রেখে পুলিশ আবার ধড়পাকড় শুরু করেছে। তবে এভাবে আমাদের আন্দোলন দমানো যাবে না।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Hamer Chyla wants justice for the murder of the accused

‘হ্যামার ছ্যালা দোষী লয়, মারার বিচার চায়’

‘হ্যামার ছ্যালা দোষী লয়, মারার বিচার চায়’ চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার চৈতন্যপুর গ্রামের বাড়িতে কাঁদছেন নিহত রাকিবের মা। ছবি: নিউজবাংলা
রাজশাহীতে পিটিয়ে হত্যার শিকারদের একজন রাকিবের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে। ছেলের মৃত্যুর খবরে মা বেদনা বেগমের কান্না আর থামছে না।

‘রাতে শুনতে প্যানু যে হাঁর ছ্যালাকে পিটিয়া ম্যারা ফ্যালাছে। হ্যামার ছ্যালা দোষী লয়, হামি হাঁর ছ্যালাকে মারার বিচার চায়।’

আহাজারি করে কথাগুলো বলছিলেন রাকিবুল ইসলামের (রাকিব) মা। রাজশাহীতে পিটিয়ে মেরে ফেলা দুই শ্রমিকের একজন এই রাকিব।

ছেলের মৃত্যুর খবরে মা বেদনা বেগমের কান্না আর থামছে না। বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজশাহী নগরীতে এই ঘটনা ঘটলেও চাঁপাইনবাবগঞ্জে মায়ের কাছে এই খবর পৌঁছে রাত ১২টায়।

রাজশাহীতে খাদ্যপণ্য প্রস্তুতকারী একটি প্রতিষ্ঠানের মালিকের বাসায় দুই নির্মাণ শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় কারখানা মালিকসহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। মহানগরীর বিসিক শিল্প এলাকায় বৃহস্পতিবার বিকালে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রাকিবের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার চৈতন্যপুর গ্রামে। শুক্রবার সেখানে গিয়ে দেখা যায়, গ্রামের মানুষ রাকিবের এমন করুণ মৃত্যুর খবরে হতবাক। তারা বলছেন, রাকিবকে তারা ভালো ছেলে হিসেবেই চেনেন, জানেন।

চৈতন্যপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে রাকিবুল ইসলাম ছিলেন সবার বড়। গত ৮ বছর ধরে তিনি রাজশাহীতে থেকে রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। স্ত্রী শ্যামলী খাতুন এবং দুই মেয়ে রাবিয়া বাসরী ও রাইসা খাতুনকে নিয়ে ভাড়া বাড়িতে থাকতেন।

স্বজনরা জানান, রাকিব নির্মাণ শ্রমিকদের সর্দার বা ঠিকাদার ছিলেন। বিভিন্ন নির্মাণ কাছে তিনি গ্রাম থেকে শ্রমিকদের নিয়ে যেতেন।

প্রতিবেশী শাহানারা বেগম বলেন, ‘বিনা অপরাধে একটা নির্দোষ ছেলেকে ওরা মিটিয়ে ম্যারা ফেলল; এটার সত্য বিচার চাই। দেশে আইন আদালত আছে, থানা-পুলিশ আছে। কোনো কিছু না কর‌্যার পরও কোনো মানুষ এভাবে মারা ফেল্যা দিতে পারে? এখন ওই যে দুটো ছোট ছোট মেয়ে আছে, স্ত্রীটা আছে, এদের কী হবে? এখন পরিবারটার কী হবে?’

আরও পড়ুন:
চুরির অভিযোগে খুঁটিতে বেঁধে দুই শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা 

মন্তব্য

p
উপরে