× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Hate Money Laundering Why officials travel abroad so much who
google_news print-icon

অর্থ পাচার ঘৃণা করি, কর্মকর্তাদের এত বিদেশ সফর কেন: কাদের

অর্থ-পাচার-ঘৃণা-করি-কর্মকর্তাদের-এত-বিদেশ-সফর-কেন-কাদের
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সড়ক ও জনপথ প্রকৌশলী সমিতির ৩০তম সম্মলনে বক্তব্য দিচ্ছেন ওবায়দুল কাদর। ছবি: নিউজবাংলা
‘কিছু মানুষ টাকা ছাড়া কিছুই বোঝে না। তাদের আরও টাকা দরকার, আরও সম্পদ দরকার। কেউ কেউ কষ্টার্জিত টাকা বিদেশে পাচার করে, তাদের আমরা ঘৃণা করি। এই দেশ আরও উন্নত হবে যদি সর্বক্ষেত্রে দুর্নীতি, চুরি, পাচার বন্ধ করতে পারি।’

অর্থ পাচার ঠেকাতে পারলে বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যেত বলে মনে করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এ জন্য এই অপকর্মকে তিনি ঘৃণা করেন বলে জানিয়েছেন। সরকারি কর্মকর্তারা অকারণে বিদেশ সফর করেন বলেও মনে করেন তিনি। বলেছেন, এর কোনো মানেই হয় না।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সড়ক ও জনপথ প্রকৌশলী সমিতির ৩০তম সম্মলনে প্রধান অতিথির হয়ে যান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী। এ সময় এসব কথা বলেন।

২০০৯ সালের শুরুতে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ১৪ বছরে উন্নয়নে অর্জনে বাংলাদেশ বদলে গেছে বলেও দাবি করেন আওয়ামী লীগ নেতা। তিনি বলেন, ‘কেউ কেউ কষ্টার্জিত টাকা বিদেশে পাচার করে দেশের ক্ষতি করছে বলে মন্তব্য করছে। এদের আমরা ঘৃণা করি।’

কাদের বলেন, ‘কিছু মানুষ টাকা ছাড়া কিছুই বোঝে না। তাদের আরও টাকা দরকার, আরও সম্পদ দরকার। কেউ কেউ কষ্টার্জিত টাকা বিদেশে পাচার করে, তাদের আমরা ঘৃণা করি। ‘এই দেশ আরও উন্নত হবে যদি সর্বক্ষেত্রে দুর্নীতি, চুরি, পাচার বন্ধ করতে পারি।

‘প্রয়োজন ছাড়া সরকারি কর্মকর্তা বিদেশে ভ্রমণ করতে যায়, এটা আমাদের ভাবায়। সরকারি চাকরিজীবীদের কোনো একটা কারণ দেখিয়ে বিদেশে যেতেই হবে। এই বিদেশ ভ্রমণ কেন? অনেকে চিকিৎসার জন্য কথা বলে যায়, কেউ কেউ হয়তো আসলেই চিকিৎসা করতে যায়। সব বিষয়ে বাস্তবতা উপলব্ধি করতে হবে।’

প্রকৌশলীদের সৎ থাকার পরামর্শ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘দেশ সংকট থেকে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াবে। আমাদের রেমিট্যান্স বাড়তে শুরু করেছে।’


‘দেশ আজ উন্নত বিশ্বের সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছে’
এই দাবি করে সড়ক মন্ত্রী বলেন, ‘যেদিকেই তাকাবেন, দেখবেন বদলে যাওয়া বাংলাদেশ, বদলে গেছে মানুষের লাইফস্টাইল।

‘সড়কপথে যোগাযোগব্যবস্থা বৈপ্লবিক পরিবর্তন দৃশ্যমান। আমাদের এত অর্জন, পদ্মা সেতুর মতো প্রকল্প আমাদের সাহস ও স্বপ্নের প্রতীক, সক্ষমতার প্রতীক। এটা বিশ্বকে বিস্মিত করেছে। বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতু থেকে সরে গিয়েছিল, তারাই আজ তারাই নিজেদের ভুল স্বীকার করেছে। বিশ্বব্যাংক সাম্প্রতিক উক্তি করেছে যে, বাংলাদেশের আজকের উন্নয়ন ও অর্জন বিশ্ব জেনে গেছে।

‘এমআরটি-৬ লাইনের প্রথম অংশের উদ্বোধন হয়েছে, এক্সপ্রেসওয়ে হয়েছে, সার্ভিস লেনসহ ৬ লেন হয়েছে শত সড়কের উদ্বোধন করা হয়েছে। ঢাকা-সিলেট চার লেন প্রকল্প, সিলেট-তামাবিল চার লেন প্রকল্প, জয়দেবপুর-এলেঙ্গা চার লেন, রংপুর থেকে বুড়িমারী, ওদিকে যাবে পঞ্চগড় পর্যন্ত।

‘ঢাকা থেকে সিলেট তামাবিল, চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার, যশোর থেকে খুলনা, ভাঙ্গা থেকে পায়রা, পদ্মা সেতুর সঙ্গে বেনাপোলের সংযোগ চার লেন করা হবে।’

পাহাড়েও আজ উন্নয়ন পৌঁছে গেছে মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, ‘দূর-দূরান্তে চলে গেছে সড়ক নেটওয়ার্ক। পাহাড়ের উৎপাদিত পণ্য আগে পচে যেত, সেই দুর্দিন আজ নেই।’

‘রংপুরে শোচনীয়ভাবে হারলেও গাইবান্ধায় তো জিতেছি’
রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বড় ব্যবধানে হারলেও গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয় পাওয়ার কথা তুলে ধরে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সরকার কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করবে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার একটি মৃত ইস্যু উল্লেখ করে তিনি বিরোধী দলের উদ্দেশে বলেছেন, সরকারের পরিবর্তন চাইলে নির্বাচনে আসতে হবে।

বিএনপি আন্দোলনের নামে সহিংসতা করলে জনগণের জানমাল রক্ষায় সমুচিত জবাব দেয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক।

গত ২৭ ডিসেম্বর উত্তরাঞ্চলের রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর জামানত হারানো ক্ষমতাসীন দলের জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করে। এই ঘটনায় বিরোধী জোটের পক্ষ থেকে বক্তব্য আসে, আওয়ামী লীগের জামানত হারানোর যুগ শুরু হয়েছে। অর্থাৎ ক্ষমতাসীনদের জনপ্রিয়তা তলানিতে।

তবে আট দিন পর উত্তরেরই আরেক জেলা গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচনের ভোটে বড় ব্যবধানে জয় পায় আওয়ামী লীগ। ক্ষমতাসীন দল মনে করে, তাদের ভোট ব্যাংক অক্ষুণ্ন আছে।

গত ১২ অক্টোবর এই আসনে উপনির্বাচনে ভোটে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা ভোটারদের জোট করে ভোট দিতে বাধ্য করার ঘটনাটি সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখে ভোট বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। প্রায় দুই মাস পরে নেয়া ভোটে কোনো অভিযোগই ওঠেনি।

কাদের বলেন, ‘গাইবান্ধা উপনির্বাচন হয়েছে। কেউ এ নিয়ে কোনো কথা বলতে পারছে না। রংপুরে আমরা শোচনীয়ভাবে হেরেছি। তার পরও নির্বাচনে জনগণের রায় মেনে নিয়েছি। এটাই গণতন্ত্র।

‘আগামী নির্বাচনও অবাধ ও সুষ্ঠু হবে। নির্বাচন কর্তৃত্বপূর্ণ হবে, স্বাধীন থাকবে, যাতে একটা সুষ্ঠু নির্বাচন করা যায়। সরকার কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করবে না। কাজেই সরকারের পরিবর্তন চাইলে নির্বাচনে আসুন।’

নির্বাচনই সরকার পরিবর্তন করতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘জনগণ চাইলে আমরা আছি, না চাইলে আমরা নেই। আমাদের নেত্রী যে কথা বলেছেন, আমি তারই প্রতিধ্বনি করছি।’

‘১০ আর ৩০ ডিসেম্বর ঘোড়ায় ডিম পারল’
বিএনপির দাবি করা তত্ত্বাবধায়ক সরকার মেনে না নেয়ার ইঙ্গিত দিয়ে কাদের বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার, দিস ইজ আ ডেড ইস্যু। উচ্চ আদালতের রায়ে এই ইস্যু আর জীবিত নেই। কাজেই ডেড ইস্যু নিয়ে আবার নতুন করে তোড়জোড় হাঁকডাক এটা অবশ্যই গণতন্ত্র এলাউ করে না। দেশের জনগণও করে না।’

বিএনপির আন্দোলনের হুমকি নিয়ে ক্ষমতাসীন দলের নেতা বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণ অবস্থানকে স্বাগত জানাই। কিন্তু এটা সহিংস রূপ ধারণ করলে আমরা জনগণের জানমাল রক্ষায় সমুচিত জবাব দিতে প্রস্তুত। এটা আমি আবারও জানিয়ে রাখলাম।

‘আমরা ১০ ডিসেম্বর দেখেছি। ১০ ডিসেম্বরের পর আমরা আরও একটা দিবস দেখেছি। ৩০ ডিসেম্বর আমরা দেখেছি। অনেক হাঁকডাক। শেষ পর্যন্ত কী হলো, ঘোড়ায় ডিম পারল। এসব হাঁকডাকে ঘোড়াও হাসে। চারদিকে শঙ্কা, এই হবে, সেই হবে, দেশ সংঘাতের দিকে যাচ্ছে, শেষ পর্যন্ত কিছুই হলো না।

‘কাজেই হাঁকডাক, হুমকি-ধমকি, সরকার পতন- এসবকে শেখ হাসিনা ভয় পান না। আল্লাহপাক ছাড়া আর কাউকে ভয় করেন না।’
আওয়ামী লীগ ঘরে গণতন্ত্র চর্চা করে এবং দেশে গণতন্ত্র বিকশিত করে দাবি করে কাদের বলেন, ‘গণতন্ত্র এই দেশে স্বৈরশাসকদের হাতে পিষ্ট হয়েছে। আজকে শেখ হাসিনা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন।’

বিরোধী দল শক্তিশালী হলে গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হবে মন্তব্য করে কাদের বলেন, ‘কিন্তু বিরোধিতার কারণে বিরোধিতা, জ্বালাও-পোড়াও, আগুন সন্ত্রাস, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে গণতন্ত্রের ভাষা স্তব্ধ হয়ে যায়।’

সড়ক ও জনপথ প্রকৌশলী সমিতির সভাপতি সৈয়দ মঈনুল হাসানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আবদুস সবুর, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ইসহাক ও সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী অমিত কুমার চক্রবর্তী।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Courtesy meeting of Chhatra Dal with two newly appointed vice chancellors of Chabir

চবির নবনিযুক্ত দুই উপউপাচার্যের সঙ্গে ছাত্রদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

চবির নবনিযুক্ত দুই উপউপাচার্যের সঙ্গে ছাত্রদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপউপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন ও উপউপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল ইসলামের সঙ্গে বুধবার (১৭ জুন) সাক্ষাৎ করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতারা।

উপউপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন ও উপউপাচার্য (প্রশাসন) ড. মো. সফিকুল ইসলাম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সকল নেতারা এবং কর্মীদের শুভেচ্ছা ও স্বাগত জানান। উপউপাচার্যরা বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল সাধারণ শিক্ষার্থীদের কণ্ঠস্বর হোক। শিক্ষার্থীবান্ধব সকল কাজে এবং ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ও শান্তি বজায় রাখার ক্ষেত্রে ছাত্রদলকে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।’ উপউপাচার্যরা আরও বলেন, ‘এ বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আমাদের অনেক স্বপ্ন রয়েছে, এসব স্বপ্ন বাস্তবায়নে ছাত্রদলের সহযোগিতা লাগবে।’ উপস্থিত সবাইকে মাননীয় উপউপাচার্যরা ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

ছাত্রদলের নেতারা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যা এবং নানা বিষয়ে উপউপাচার্যদের অবহিত করেন। বিশেষ করে আবাসন, নিরাপত্তাহীনতা এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধার অভাবসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন নেতারা।

শাখা ছাত্রদলের নেতারা নবনিযুক্ত উপউপাচার্যদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন ছাত্রদলের নেতারা।

এ সময় বক্তব্য রাখেন শাখা ছাত্রদলের সভাপতি আলাউদ্দীন মহসিন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইয়াসিন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় প্রমুখ। এ সময় শাখা ছাত্রদলের অন্যান্য নেতারা এবং কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chhatra Dal protested against the camp to protest the staged drama of disappearance and abduction

গুম-অপহরণের সাজানো নাটকের প্রতিবাদে শিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

গুম-অপহরণের সাজানো নাটকের প্রতিবাদে শিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল। ছবি: সংগৃহীত

ছাত্রশিবিরের গুম ও অপহরণের নাটক সাজানো এবং ধর্ষণসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সংঘটনের প্রতিবাদে রাজধানী শাহবাগে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে ছাত্রদল। শনিবার (১৩ জুন) রাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ মোড় পর্যন্ত এই বিক্ষোভ মিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়।

রাত ৯টায় শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন এবং মিছিলজুড়ে তারা ছাত্রশিবিরের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে নানা প্রতিবাদী স্লোগান দিতে থাকেন।

বিক্ষোভ মিছিল শেষে ছাত্রদলের শীর্ষস্থানীয় নেতাকর্মীরা গণমাধ্যমকে জানান, ছাত্রশিবির রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে গুম ও অপহরণের সাজানো নাটক তৈরি করছে, যা প্রকৃতপক্ষে গুমের শিকার হওয়া আসল ভুক্তভোগীদের চরম অবমাননার শামিল।

এছাড়া অনলাইনে সংঘবদ্ধ চক্র তৈরি করে তারা বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত মিথ্যা দোষারোপ ও অপপ্রচার চালাচ্ছে।

একই সাথে শিবিরের গুপ্ত নেতাকর্মীদের দ্বারা বিভিন্ন স্থানে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনসহ নানা ঘৃণ্য অপরাধ সংঘটনের যে প্রমাণ মিলছে, তারই তীব্র প্রতিবাদ ও ধিক্কার জানাতে ছাত্রদল রাজপথে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
If it comes to power Jamaat will be more fascist than Awami League Rashed Khan

ক্ষমতায় গেলে আওয়ামী লীগের চেয়েও ভয়াবহ ফ্যাসিস্ট হবে জামায়াত: রাশেদ খান

ক্ষমতায় গেলে আওয়ামী লীগের চেয়েও ভয়াবহ ফ্যাসিস্ট হবে জামায়াত: রাশেদ খান রাশেদ খান। ফাইল ছবি

জামায়াতে ইসলামী কখনো ক্ষমতায় গেলে তারা আওয়ামী লীগের চেয়েও ভয়াবহ ফ্যাসিস্ট হবে এবং তখন কারও রক্ষা হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা ও গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। শনিবার (১৩ জুন) রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই বিস্ফোরক মন্তব্য ও অভিযোগ করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অ্যাকাউন্টের ওপর ঘটে যাওয়া একটি সাইবার জটিলতার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে গিয়ে তিনি জামায়াত-শিবিরের কড়া সমালোচনা করেন।

ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান বলেন, তাঁর লেখালেখির কারণে জামায়াত-শিবিরের নাকি খুব ক্ষতি হচ্ছে, আর সে কারণেই বিশাল অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ করে তুরস্ক থেকে ১৬টিরও বেশি ভুয়া কপিরাইট ক্লেইম বা অভিযোগ করে তাঁর ফেসবুক আইডি আট দিনের জন্য সাসপেন্ড করে দেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘ আট দিন পর শনিবার তিনি পুনরায় তাঁর আইডিতে পোস্ট করার সুযোগ পেলেও কপিরাইট ক্লেইমগুলোর এখনো পুরোপুরি সমাধান হয়নি।

তিনি কিছু গণমাধ্যমের ফটোকার্ড শেয়ার করেছিলেন যার জন্য সংশ্লিষ্ট কোনো মিডিয়ার পক্ষ থেকে কোনো আপত্তি বা কপিরাইট ক্লেইম করা হয়নি, বরং তুরস্ক থেকে জামায়াত-শিবিরের নিয়োগকৃত লবিস্ট টিম এই কাজ পরিচালনা করেছে।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপি নেতা রাশেদ খান অভিযোগ করেন যে, জামায়াত-শিবির মূলত কোনো ধরনের ভিন্নমতে বিশ্বাস করে না। তাঁর আইডিতে চালানো সাম্প্রতিক সাইবার আক্রমণ এবং তাঁর মা-বাবাকে তুলে গালিগালাজ করাই দলটির এমন মানসিকতার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।

জামায়াত-শিবির তাঁকে রাজনৈতিকভাবে হত্যা করতে চায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওদের ভুয়া ও মিথ্যা ন্যারেটিভ সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরাই এখন তাঁর সবচেয়ে বড় অপরাধ হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

এই পরিস্থিতি বিবেচনা করে তিনি সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই ফ্যাসিস্ট রাজনৈতিক দল সম্পর্কে আমাদের এখন থেকেই সোচ্চার হতে হবে। অন্যথায় তারা যদি কখনো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ পায়, তবে ১৯৭১ সালে পরাজিত হওয়ার প্রতিশোধ তারা অত্যন্ত কঠিনভাবেই নেবে বলে তাঁর আশঙ্কা।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
During the time of Yunus a great trading center developed Ghulam Mawla Roni

ইউনূস কোম্পানি'র এক অংশ চেহারা পাল্টে ফেলেছে, বাকি অংশ পালিয়েছে: গোলাম মাওলা রনি

ইউনূস কোম্পানি'র এক অংশ চেহারা পাল্টে ফেলেছে, বাকি অংশ পালিয়েছে: গোলাম মাওলা রনি

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ১৮ মাসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তীব্র সমালোচনা করে সাবেক সংসদ সদস্য ও বিশিষ্ট কলামিস্ট গোলাম মাওলা রনি অভিযোগ করেছেন, ওই সময়ে ক্ষমতাকেন্দ্রিক একটি বিশাল ‘বাণিজ্যকেন্দ্র’ গড়ে উঠেছিল। ক্ষমতার কেন্দ্রে থেকে যারা অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছিলেন, তাদের তিনি ‘ড. মুহাম্মদ ইউনূস অ্যান্ড কোম্পানি’ বলে অভিহিত করেছেন। সম্প্রতি ফেসবুকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই গোষ্ঠীর বর্তমান পরিস্থিতি, তাদের কর্মকাণ্ড এবং বিপুল পরিমাণ অর্থ লোপাটের নানা খতিয়ান তুলে ধরেন।

গোলাম মাওলা রনি ব্যাখ্যা করেন, এই ‘কোম্পানি’র মূলত কয়েকটি প্রভাবশালী অংশ ছিল। প্রথম অংশটি হলো শীর্ষস্থানীয় কিছু ব্যবসায়ী গ্রুপ, যারা ওই সময়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বড় বড় সুবিধা লুটে নিয়েছে। দ্বিতীয় অংশটিতে ছিলেন আমলাতন্ত্র, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সামরিক বাহিনীর এমন কিছু সদস্য, যাদের বাড়ি চট্টগ্রামে কিংবা যারা ড. ইউনূসের গ্রামীণ ব্যাংক পরিবারের সাথে আত্মীয়তার বন্ধনে আবদ্ধ ছিলেন। এছাড়া এনজিও এবং ব্যাংকিং খাতের একটি বড় চক্র এই সময়ে জড়িত ছিল, যারা বিভিন্ন ছোটখাটো জরিপ বা রিপোর্টের নামে শত শত কোটি টাকার ফান্ড এনে নিজেদের মতো করে খরচ করেছে।

অর্থনৈতিক লুটপাটের অভিযোগ তুলে এই কলামিস্ট বলেন, বিগত সরকারের আমলে যেখানে বৈদেশিক ঋণ ছিল ১০০ বিলিয়ন ডলার, ইউনূস সরকারের ১৮ মাসে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২০ বিলিয়ন ডলারে। এই অতিরিক্ত ২০ বিলিয়ন ডলার বা আড়াই লাখ কোটি টাকা কোথায় ব্যয় হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। একই সাথে বিভিন্ন বড় ব্যবসায়ীকে ঋণ মওকুফ ও রিশিডিউলের নামে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে টাকা ছাপিয়ে সুবিধা দেওয়ার মাধ্যমে রাষ্ট্রের লাখ লাখ কোটি টাকা শেষ করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। রনির মতে, এডিপি ও অন্যান্য প্রকল্প মিলিয়ে গত দুই বছরে প্রায় ১৫ থেকে ২০ লক্ষ কোটি টাকা ব্যয় হলেও বাস্তবে দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন বা পাবলিক ওয়ার্কস হয়নি।

ভিডিওর শেষ অংশে তিনি এই গোষ্ঠীর নৈতিক অবক্ষয়ের কথা উল্লেখ করে বলেন, ক্ষমতায় থাকাকালীন এই কোম্পানির শীর্ষ ব্যক্তিরা প্রতিপক্ষকে নাজেহাল ও অপমান করতে সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রদর্শন করেছিলেন, যার কারণে এখন তাদের কোনো ‘মোরাল কারেজ’ বা নৈতিক শক্তি অবশিষ্ট নেই। আর এই সার্বিক পরিস্থিতির কারণেই বর্তমানে ‘ইউনূস অ্যান্ড কোম্পানি’র একটি বড় অংশ তাদের রূপ বদলে বর্তমান তারেক রহমানের সরকারের সাথে সমঝোতা বা একীভূত হয়েছে, একাংশ নিজেদের চেহারা লুকিয়ে ফেলেছে এবং বাকি অংশটি বিচার এড়াতে ইতিমধ্যে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rashed Khans post advising Jamaat MPs to take political class to Home Minister

জামায়াত এমপিদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ‘রাজনৈতিক ক্লাস’ করার পরামর্শ দিয়ে রাশেদ খাঁনের পোস্ট

জামায়াত এমপিদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ‘রাজনৈতিক ক্লাস’ করার পরামর্শ দিয়ে রাশেদ খাঁনের পোস্ট

জাতীয় সংসদে নিজেদের পারফরম্যান্স বাড়াতে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের কাছ থেকে ‘রাজনৈতিক ক্লাস’ করার পরামর্শ দিয়েছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন। বুধবার (১০ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন।

রাশেদ খাঁন তার ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন, গত অধিবেশনে খারাপ পারফরম্যান্সের কারণে এবার জামায়াতের এমপিদের ইসলামী ব্যাংকের ওপর বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে সংসদে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন কোর্সের বা সিলেবাসের বাইরের বিষয় নিয়ে কথা বলা শুরু করেন, তখন জামায়াতের এমপিরা রীতিমতো ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যান। তাদের রাতদিনের প্রশিক্ষণ যেন মুহূর্তেই বৃথা হয়ে গেল। এই পরিস্থিতিতে সংসদে ভালো করতে হলে তাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছ থেকেই রাজনৈতিক প্রশিক্ষণ নেওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন। অন্যথায়, একজন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জামায়াতের ৬৮ জন এমপির এভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়াটা অত্যন্ত লজ্জাজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিএনপির এই নেতা তার পোস্টে আরও বলেন, আগে মানুষের ধারণা ছিল জামায়াতের লোকেরা বেশি শিক্ষিত এবং তাদের রাজনৈতিক প্রশিক্ষণও বেশ উন্নত। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, দলে মনোযোগী ছাত্র থাকলেও দক্ষ প্রশিক্ষকের বড়ই অভাব রয়েছে। তাই শেখার যেহেতু কোনো শেষ নেই এবং শিখতে কোনো লজ্জাও নেই, জামায়াতের এমপিরা নির্দ্বিধায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ক্লাস করতে পারেন।

পরিশেষে তিনি জানান, তারা জামায়াতে ইসলামীকে সংসদে একটি শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবে দেখতে চান। বিরোধী দল হিসেবে তারা দুর্বল হলে দেশের মানুষ সংসদে পুনরায় আওয়ামী লীগের শূন্যতা অনুভব করতে শুরু করবে, যা মোটেও কাম্য নয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Abu Said of Kulaura has been nominated as the vice president of the Central Youth Party

কুলাউড়ার আবু সাইদ কেন্দ্রীয় যুবদলের সহসভাপতি মনোনীত

কুলাউড়ার আবু সাইদ কেন্দ্রীয় যুবদলের সহসভাপতি মনোনীত আবু সাইদ আহমদ। ছবি: নিউজ বাংলা

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার সন্তান ও যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বিএনপির নেতা আবু সাইদ আহমদ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহসভাপতি মনোনীত হয়েছেন। সম্প্রতি ঘোষিত ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে তাকে সহসভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়। এর আগে তিনি যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

জানা যায়, আবু সাইদ আহমদ দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বিএনপি ও যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত। তিনি ২০০৬ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত টানা ১৭ বছর যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২০২৩ সালে গঠিত যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে যুগ্ম সম্পাদক পদমর্যাদায় আন্তর্জাতিক সম্পাদক মনোনীত হন।

ছাত্রজীবনে তিনি ঢাকা কলেজে ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে রাজনৈতিক অঙ্গনে সম্পৃক্ত হন। পরবর্তীতে নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী গণআন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। সে সময় তিনি ঢাকার তৎকালীন ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি এবং মতিঝিল থানা যুবদলের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে স্বপরিবারে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বসবাস করছেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Interim government failed to do justice to the nation Jamaat Ameer

অন্তর্বর্তী সরকার জাতির সঙ্গে ইনসাফ করতে পারেনি: জামায়াত আমির

অন্তর্বর্তী সরকার জাতির সঙ্গে ইনসাফ করতে পারেনি: জামায়াত আমির ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জাতির সঙ্গে ইনসাফ করতে পারেনি। তারা ইনসাফ করতে পারলে দেশের চিত্র ভিন্ন হতো। মঙ্গলবার (৯ জুন) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট সামনে রেখে ‘ছায়াবাজেট’ প্রস্তাবনা নিয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেছেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গত নির্বাচনে ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু হলেও ফলাফল সুষ্ঠু হয়নি। জনগণের প্রত্যাশার পূর্ণ প্রতিফলন নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যায়নি।

তিনি বলেন, আমরা যে বাজেট পেশ করছি, তা বাস্তবায়নের জন্য সততা ও জবাবদিহিতা অপরিহার্য। সততা ও জবাবদিহিতা না থাকলে সরকার যত বড় বাজেটই দিক না কেন, সেটি কার্যকর হবে না।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, দেশের বিদ্যমান কর ব্যবস্থা বা ট্যাক্সেশন প্রক্রিয়ায় নানা ত্রুটি রয়েছে। এসব দুর্বলতা দূর করে রাজস্ব ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করার প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি আরও জানান, অর্থবছরকে ক্যালেন্ডার বছরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার প্রস্তাব সংসদে উত্থাপন করবে বিরোধী দল।

বাজেট সম্পর্কে তিনি বলেন, আমরা যে বাজেট পেশ করতে যাচ্ছি, তার আসল বিচারক হবে জনগণ। বাজেটের প্রস্তাবনা যদি জনস্বার্থের বিপক্ষে যায়, তাহলে গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে আমাদের সহযোগিতা করবেন।

এ সময় তিনি জানান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকা। জনগণের কল্যাণ, সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

মন্তব্য

p
উপরে