× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Water in cargo ships loaded with fertilizers
hear-news
player
google_news print-icon

সারবোঝাই কার্গো জাহাজে পানি

সারবোঝাই-কার্গো-জাহাজে-পানি
পাটুরিয়া নৌপুলিশের ওসি মোহাম্মদ আসাদ জানান, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সাড়ে ৬০০ টন ইউরিয়া সারবোঝাই কার্গো জাহাজ এমভি এবাদত পাবনার বাঘাবাড়ি যাচ্ছিল। কিন্তু পদ্মা নদীতে নাব্যতা সংকটের কারণে বুধবার ভোররাতে শিবালয়ের অন্বয়পুর এলাকায় নোঙর করে।

মানিকগঞ্জের শিবালয়ে পদ্মা নদীর পাড়ে ইউরিয়া সারবোঝাই নোঙর করা একটি কার্গো জাহাজের ভেতরে পানি উঠে কাত হয়েছে।

পদ্মা নদীর শিবালয় উপজেলার শিবালয় ইউনিয়নের অন্বয়পুর এলাকায় বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

পাটুরিয়া নৌ পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আসাদ নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সাড়ে ৬০০ টন ইউরিয়া সারবোঝাই কার্গো জাহাজ এমভি এবাদত পাবনার বাঘাবাড়ি যাচ্ছিল। কিন্তু পদ্মা নদীতে নাব্যতা সংকটের কারণে বুধবার ভোররাতে শিবালয়ের অন্বয়পুর এলাকায় নোঙর করে।

এরপর বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে কার্গো জাহাজের লোকজন পানি ওঠার বিষয়টি দেখতে পায় এবং সবাই মিলে সেচের মাধ্যমে পানি বের করতে শুরু করে। সেই সঙ্গে সার আনলোডের শ্রমিকরা সার আনলোড করতে থাকে।

প্রাথমিক অবস্থায় জানা গেছে, কার্গো জাহাজের ইঞ্জিন রুমের ভেতর দিয়ে পানি উঠছে। তবে যেখানে সার আছে, সেখানে পানি ঢুকে নাই। সার ঠিক আছে। কার্গো জাহাজ ডুবে যাওয়া বা সারের ক্ষতি হওয়ার কোনো ঝুঁকি নেই। কার্গো জাহাজ থেকে ছোট ইঞ্জিনচালিত নৌকার মাধ্যমে আনলোড করে বাঘাবাড়ি নেয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
মোংলায় ৬০০ টন পাথর নিয়ে কার্গোডুবি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
I will go to court to change the result of the vote Hero Alam

ভোটের ফল পাল্টে দিয়েছে, আদালতে যাব: হিরো আলম

ভোটের ফল পাল্টে দিয়েছে, আদালতে যাব: হিরো আলম সংবাদ সম্মেলনে হিরো আলম। ছবি: নিউজবাংলা
‘কিছু কিছু শিক্ষিত লোক আমাকে মেনে নিতে চায় না। তারা ভাবে আমি পাশ করলে দেশের সম্মান যাবে, অনেকের সম্মান যাবে। অফিসারদের লজ্জা যে, হিরো আলমেক স্যার বলে সম্বোধন করতে হবে। আমাকে জিততে দেয়া হয়নি।’

ভোট গণনায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে বগুড়া-৪ এবং ৬ আসনের উপনির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। তার ভাষ্য, ভোটের পরিবেশ সুষ্ঠু দেখেছি। কিন্তু ফলাফলের জায়গায় গণ্ডগোল করেছে; ভোটের ফলাফল পাল্টে দিয়েছে।

বগুড়ার দুই আসনে নির্বাচনে পরাজয়ের পর বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সদরের এরুলিয়ায় তার নিজ বাসায় এক সংবাদ সম্মেলনে হিরো আলম এসব অভিযোগ করেন।

সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘সবাই বলেছেন আপনি পাশ করেছেন। ভোটাররাও ভোট দিয়েছেন। আমার এতো ভোট গেল কই? ফলাফল ঘোষণা হওয়ার আগেই আওয়ামী লীগের লোকজন বলছে, মশাল জিতে গেছে; এখন শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বাকি।... আওয়ামী লীগের লোকজনও আমাকে ভোট দিয়েছেন। দল নয়, আমাকে ভালোবেসে ভোট দিয়েছেন। ওই ভোটগুলো গেল কই? এই ফলাফল আমি মানি না।’

আলোচিত এই ইউটিউবার আরও বলেন, ‘এসব অনিয়মের বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ দিইনি। তবে ফলাফলের বিরুদ্ধে আদালতে যাব। ১০টি কেন্দ্রের ভোট গণনা বাদ দিয়েই ফলাফল দিয়েছে প্রশাসন। এই কেন্দ্রগুলো কতোগুলো ভোট পাইলাম তা জানানো হলো না আমাকে।’

হিরো আলম অভিযোগ করে বলেন, ‘ভোটের পরিবেশ সুষ্ঠু দেখেছি। কিন্তু ফলাফলে জায়গায়ে গণ্ডগোল করেছেন। ফলাফল পাল্টে দিয়েছে। সদরের ভোট নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। লাহেরি পাড়ায় আমার এজেন্ট ঢুকতে দেয়নি। তানসেনের কোনো নাম-গন্ধই ছিল না। তাকে পাশ করানো হয়েছে।

‘কিছু কিছু শিক্ষিত লোক আমাকে মেনে নিতে চায় না। তারা ভাবে আমি পাশ করলে দেশের সম্মান যাবে, অনেকের সম্মান যাবে। অফিসারদের লজ্জা যে, হিরো আলমেক স্যার বলে সম্বোধন করতে হবে। আমাকে জিততে দেয়া হয়নি।’

হিরো আলম বলেন, ‘মহাজোটের মশাল মার্কা কোনো কেন্দ্রে ৫০০ ভোট পেলে আমার ২৮ ভোট পাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। শহরের মধ্যে আমি একটু আশঙ্কায় ছিলাম। এই কারণে বাসায় সংবাদ সম্মেলন করছি।’

বগুড়া-৪ আসনে ফলাফলে হিরো আলম ৮৩৪ ভোটের ব্যবধানে মশাল প্রতীকের কাছে হেরেছেন। তবে বগুড়া-৬ আসনে তিনি ৫ হাজার ২৭৪ ভোট পেয়েছেন।

আরও পড়ুন:
জামানত হারালেন হিরো আলম
৮৩৪ ভোটের জন্য এমপি হতে পারলেন না হিরো আলম
নির্বাচনে হিরো আলম, ভোটারদের ভাবনা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sattar won 3 seats in Brahmanbaria

নৌকার জয় ৩ আসনে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেই সাত্তার

নৌকার জয় ৩ আসনে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেই সাত্তার বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচনে জয়ী আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী রাগেবুল আহসান রিপুকে বিজয়ের মালা পরিয়ে দিচ্ছেন সমর্থকরা। ছবি: নিউজবাংলা
ছয় আসনের ভোটে অনিয়ম বা কারচুপির উল্লেখযোগ্য কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল। তিনি বলেছেন, ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে হয়েছে।

বিএনপির সংসদ সদস্যদের পদত্যাগে শূন্য হওয়া ছয় আসনের উপনির্বাচনে তিনটিতেই নৌকা প্রতীকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থী জয় পেয়েছেন। এর বাইরে বিএনপির সাবেক এক আলোচিত সংসদ সদস্য, জাতীয় পার্টির হয়ে একজন এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদের হয়ে ভোটের লড়াইয়ে জিতেছেন একজন।

বুধবার ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে শুরু হওয়া ভোট চলে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। রাতে বিজয়ী প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা।

ছয় আসনের ভোটে অনিয়ম বা কারচুপির উল্লেখযোগ্য কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। কিছু কিছু জায়গায় ছোট ছোট সহিসংতার খবর পাওয়া গেলেও সিইসি বলেছেন, ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে হয়েছে।

ঠাকুরগাঁও-৩, বগুড়া-৪, বগুড়া-৬, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ উপনির্বাচনের ভোট নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘৬টি আসনে ৪০ জন প্রার্থী ছিল। ভোটকেন্দ্র ৮৬৭ ইভিএমের মাধ্যমে ভোট হয়েছে। সবকটি আসনে ভোটার সংখ্যা ছিল ২২ লাখ ৫৪ হাজার ২১৭ জন।’

এই উপনির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপির দলছুট নেতা আবদুস সাত্তার ভূঁইয়া জয় পেয়েছেন কলার ছড়া প্রতীকে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী জিয়াউর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুল ওদুদ ও বগুড়া-৬ আসনে আওয়ামী লীগের রাগেবুল আহসান রিপু জয়ী হয়েছেন।

বগুড়া-৪ (নন্দীগ্রাম-কাহালু) আসনে উপনির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থী জাসদ নেতা একেএম রেজাউল করিম তানসেন মশাল প্রতীকে আর ঠাকুরগাঁও-৩ সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে লাঙ্গল প্রতীকে জয় পেয়েছেন হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ।

আওয়ামী লীগের ৩

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জিয়াউর রহমান নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৯৪ হাজার ৯২৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আপেল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আলী সরকার পেয়েছেন ২৫ হাজার ৩৯৯ ভোট।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে নৌকা প্রতীকের আব্দুল ওদুদ পেয়েছেন ৫৯ হাজার ৬৩৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সামিউল হক লিটন আপেল প্রতীকে পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৯৮০ ভোট।

বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী রাগেবুল আহসান রিপু বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও সংগঠনটির জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৩৩৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ট্রাক মার্কা আবদুল মান্নান আকন্দ পেয়েছেন ২১ হাজার ৮৬৪ ভোট। মান্নান আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন।

নৌকার জয় ৩ আসনে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেই সাত্তার
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে চারবারের সংসদ সদস্য উকিল আবদুস সাত্তার ভূঁইয়া শহরে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। ফাইল ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপির দলছুট সাত্তার

জাতীয় সংসদ থেকে বিএনপির পদত্যাগের কারণে শূন্য হওয়া ছয়টি সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে ভোটের আমেজ সবচেয়ে বেশি ছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে। নানা কারণেই এ আসনে বিএনপির দলছুট নেতা আবদুস সাত্তার ভূঁইয়ার জয়ী হওয়ার আভাস পাওয়া যাচ্ছিল। অবশেষে জয় পেলেন তিনিই।

বুধবার সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে এ তথ্য জানিয়েছে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিস। কলার ছড়া প্রতীকে ৪৪ হাজার ৮১৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আবদুস সাত্তার। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির আব্দুল হামিদ পেয়েছেন ৯৫৮১ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক বিএনপি নেতা আবু আসিফ আহমেদ পেয়েছেন ৩২৫৮ ভোট।

বিএনপির সিদ্ধান্ত মেনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন থেকে পদত্যাগ করেও এই আসনে উপনির্বাচনে ভোটের মাঠ ছাড়েননি উকিল আবদুস সাত্তার ভূঁইয়া। বিএনপি থেকে পদত্যাগ করে তিনি লড়েন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে।

সাত্তার ভূঁইয়া বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে এই আসন থেকে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একবার স্বতন্ত্রসহ তিনি ওই আসনের পাঁচবারের সংসদ সদস্য। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করে তিনি পরাজিত হন।

ছয়বার নির্বাচন করে তিনি মাত্র একবার পরাজিত হন। তবে তার আবার নির্বচনে লড়ার সিদ্ধান্তে বিএনপির নেতা-কর্মীরাও বিস্মিত হন, ক্ষুব্ধ হন। তারা এই পদক্ষেপকে দেখছেন দলের সঙ্গে বিশ্বাসভঙ্গের প্রমাণ হিসেবে।

তফসিল ঘোষণার পর মনোনয়ন সংগ্রহ থেকে শুরু করে সোমবার দুপুর ১২টা প্রচারণার শেষ সময় পর্যন্ত সাত্তারের নির্বাচন করাকে কেন্দ্র করে নানা চমক দেখেছে সাধারণ ভোটাররা। বিএনপির সাবেক এই নেতার পক্ষে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতারা মরিয়া হয়ে মাঠে নেমে প্রকাশ্যে ভোট চাওয়ায় ভোটারদের মনে জেগে ওঠে নানা প্রশ্ন।

আওয়ামী লীগ আসনটিতে নৌকার প্রার্থী দেয়নি। তবে দলটি সমর্থিত তিন নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন। কিন্তু বিএনপির সাবেক এই নেতাকে জেতাতে সেই তিন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। আবার প্রত্যাহার না করেও সাবেক সাংসদ জিয়াউল হক মৃধা এক বিবৃতিতে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।

হেভিওয়েট প্রতিদ্বন্দ্বীরা সরে দাঁড়ানোয় উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঞার জয়ের বিষয়টি এক প্রকার নিশ্চিতই হয়ে যায়। তবে বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন লাঙ্গল প্রতীকের আব্দুল হামিদ ভাসানী, গোলাপফুল মার্কা পাওয়া জহিরুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা আবু আসিফ।

নির্বাচনী সমীকরণ মিলিয়ে যখন ভোটাররা সাত্তারের বিপক্ষে কোনো হেভিওয়েট প্রার্থী পাচ্ছিলেন না তখনই প্রচার ও প্রসারে আলোচনায় আসেন আবু আসিফ। সাত্তারের সঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতারা প্রচারণা চালালেও বিএনপির সাবেক নেতা আবু আসিফের প্রচারণায় দলের কোনো প্রভাবশালী নেতা ছিলেন না। অনুসারীদের নিয়ে প্রচারণা চালিয়ে সাত্তারের বিপক্ষে হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আসেন তিনি।

তবে সেখানে ছিল আরেক চমক। হঠাৎই নিখোঁজ হয়ে যান স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু আসিফ। নির্বাচনে দায়িত্বরত কর্তৃপক্ষসহ স্বজনরাও জানেন না তিনি কোথায় আছেন। প্রথমে কোনো অভিযোগ না দিলেও মঙ্গলবার জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর একটি অভিযোগ দেন আবু আসিফের স্ত্রী মেহেরুন্নিছা মেহরিন। এ ঘটনায় নতুন করে বিরূপ আলোচনার ক্ষেত্র তৈরি হয়।

আবু আসিফ নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টিকে ক্ষমতাসীন দলের ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছে বিএনপি। তারা বলছে, উকিল সাত্তারের জয় নিশ্চিতে আসিফের ওপর চাপ ছিলো। তাই আসিফকে সরিয়ে ফেলে সাত্তারের পথ পরিষ্কার করতে চেয়েছে আওয়ামী লীগ।

এদিকে আবু আসিফ স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে গেছেন-এমন প্রচারও আছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসিফের স্ত্রী ও বাসার দারোয়ানের একটি অডিও কথোপকথন ছড়িয়ে পড়ে, যা এমন প্রচারের পক্ষে হাওয়া দিচ্ছে। যদিও ওই অডিও টেপের বক্তাদের পরিচয় নিয়ে পুলিশও পুরোপুরি নিশ্চিত নয়।

একাধিক সূত্রে জানা যায়, দলছুট নেতা উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়াকে জেতাতে আওয়ামী লীগের এমন মরিয়া হওয়ার কারণ বিএনপি ও ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। বিএনপিকে জনগণের কাছে বিতর্কিত করতে আওয়ামী লীগের এমন প্রয়াস বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির একাধিক নেতাকর্মী। তাছাড়া ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রেখেই সাত্তারের পক্ষে মরিয়া হয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মাঠে নামেন।

জাসদের তানসেন জয়ী

বগুড়া-৪ (নন্দীগ্রাম-কাহালু) আসনে উপনির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থী জাসদ নেতা একেএম রেজাউল করিম তানসেন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ২০ হাজার ৪০৫ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম পেয়েছেন ১৯ হাজার ৫৭১ ভোট। ৮৩৪ ভোটে হেরে যান হিরো আলম।

ঠাকুরগাঁওয়ে জাপার হাফিজ উদ্দিন

ঠাকুরগাঁও-৩ সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন জাতীয় পার্টির মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ।

লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে ৮৪ হাজার ৪৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন হাফিজ উদ্দিন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী একতারা প্রতীকের গোপাল চন্দ্র রায় (স্বতন্ত্র) পেয়েছেন ৫০ হাজার ৩০৯ ভোট।

একটিতে দ্বিতীয়, আরেকটিতে জামানত হারালেন হিরো আলম

বগুড়া-৪ (নন্দীগ্রাম-কাহালু) আসনের উপনির্বাচনে অল্পের জন্য হেরে গেছেন আলোচিত হিরো আলম। এই আসনে মহাজোটের প্রার্থী একেএম রেজাউল করিম তানসেন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তানসেন ২০ হাজার ৪০৫ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম পেয়েছেন ১৯ হাজার ৫৭১ ভোট। মাত্র ৮৩৪ ভোটের জন্য এই আসনের এমপি হতে পারেননি তিনি।

বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিরো আলম জামানত হারিয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনের বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট বৈধ ভোটের (কাস্টিং ভোট) আট ভাগের এক ভাগ থেকে অন্তত একটি ভোট বেশি পেতে হবে। তবে এই আসনের উপনির্বাচনে হিরো আলম পেয়েছেন ৫ হাজার ২৭৪ ভোট। জামানত রক্ষার জন্য দরকার ছিল ১১ হাজার ৪৬৮ ভোট।

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার নির্বাচন কর্মকর্তা জাকির হোসেন (বগুড়ার উপনির্বাচনে দায়িত্বপালনকারী কর্মকর্তা) বলেন, কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে কাস্টিং ভোটের ৮ শতাংশ থেকে একটি ভোট বেশি পেতে হবে। এর কম ভোট পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।

বগুড়ার উপনির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলামের সই করা ভোটার তালিকা অনুযায়ী নৌকা প্রতীকের প্রার্থী রাগেবুল আহসান রিপু ৪৯ হাজার ৩৩৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল মান্নান ২১ হাজার ৮৬৪ ভোট পেয়েছেন।

প্রতিবেদন তৈরিতে সহায়তা করেছেন নিউজবাংলার ঠাকুরগাঁও, বগুড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি

আরও পড়ুন:
ভোটে না দাঁড়াইলে ভোটাররা ঘর থেকে বের হতো না: হিরো আলম
ভোট দিয়ে কী বললেন সাত্তার
বগুড়ায় ভোটারের অপেক্ষায় অলস সময় পার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Hero Alam lost his bail

জামানত হারালেন হিরো আলম

জামানত হারালেন হিরো আলম ভোটের মাঠে হিরো আলম। ছবি: নিউজবাংলা
এই উপনির্বাচনে হিরো আলম বগুড়া-৬ আসনে ৫ হাজার ২৭৪ ভোট পেয়েছেন। এই আসনে জামানত রক্ষার জন্য দরকার ছিল ১১ হাজার ৪৬৮ ভোট।

বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম জামানত হারিয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনের বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট বৈধ ভোটের (কাস্টিং ভোট) আট ভাগের এক ভাগ থেকে অন্তত একটি ভোট বেশি পেতে হবে।

এই উপনির্বাচনে হিরো আলম বগুড়া-৬ আসনে ৫ হাজার ২৭৪ ভোট পেয়েছেন। এই আসনে জামানত রক্ষার জন্য দরকার ছিল ১১ হাজার ৪৬৮ ভোট।

তবে আরেক আসন বগুড়া-৪-এ হিরো আলম প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন। সেখানে তিনি ১৯ হাজার ৫৭১ ভোট পেয়েছেন।

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার নির্বাচন কর্মকর্তা জাকির হোসেন (বগুড়ার উপনির্বাচনে দায়িত্বপালনকারী কর্মকর্তা) বলেন, কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে কাস্টিং ভোটের ৮ শতাংশ থেকে একটি ভোট বেশি পেতে হবে। এর কম ভোট পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।

বগুড়ার উপনির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলামের সই করা ভোটার তালিকা অনুযায়ী নৌকা প্রতীকের প্রার্থী রাগেবুল আহসান রিপু ৪৯ হাজার ৩৩৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল মান্নান ২১ হাজার ৮৬৪ ভোট পেয়েছেন।

হিরো আলমের সঙ্গে আরও যারা জামানত হারিয়েছন তারা হলেন, লাঙ্গল প্রতীকের নুরুল ইসলাম ওমর। তিনি এই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। ওমর পেয়েছেন ৬ হাজার ৯৯৫ ভোট।

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের নজরুল ইসলাম বটগাছ প্রতীকে ৪৬৮ ভোট, জাকের পার্টির মো. ফয়সাল বিন শফিক গোলাপ ফুলে পেয়েছেন ৪১৭, জাসদের ইমদাদুল হক ইমদাদ পেয়েছেন ১ হাজার ৩৪০ ভোট, গণফ্রন্টের প্রার্থী আফজাল হোসেন মাছ প্রতীকে পেয়েছেন ১৭০ ভোট, স্বতন্ত্র প্রাথী মাসুদার রহমান হেলাল আপেল প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৬১৮ ভোট, রাবিক হাসান কুমির প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৪৪৯ ভোট, কুড়াল মার্কায় সরকার বাদল পেয়েছেন ২ হাজার ৮১১ ভোট।

আরও পড়ুন:
৮৩৪ ভোটের জন্য এমপি হতে পারলেন না হিরো আলম
নির্বাচনে হিরো আলম, ভোটারদের ভাবনা
একতারা নিয়ে এমপি পদে লড়বেন হিরো আলম

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Hero Alam IV is the winning boat in Bogra 6 seat

বগুড়া-৬ আসনে জয়ী নৌকা, হিরো আলম চতুর্থ

বগুড়া-৬ আসনে জয়ী নৌকা, হিরো আলম চতুর্থ রাগেবুল আহসান রিপু
একতারা প্রতীকের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচিত কন্টেন ক্রিয়েটর স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম পেয়েছেন ৫ হাজার ২৭৪ ভোট। তিনি রয়েছেন চতুর্থ অবস্থানে।

বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী রাগেবুল আহসান রিপু বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

বুধবার রাতে এই নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বগুড়ার জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ফলাফলে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও সংগঠনটির জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু ৪৯ হাজার ৩৩৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ট্রাক মার্কা আবদুল মান্নান আকন্দ পেয়েছেন ২১ হাজার ৮৬৪ ভোট। মান্নান আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন।

এই আসনে তৃতীয় অবস্থানে হয়েছেন লাঙ্গল প্রতীকের নুরুল ইসলাম ওমর। তিনি আসনটির সাবেক সংসদ সদস্য। ওমর পেয়েছেন ৬ হাজার ৯৯৫ ভোট।

এ ছাড়াও একতারা প্রতীকের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচিত কন্টেন ক্রিয়েটর স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম পেয়েছেন ৫ হাজার ২৭৪ ভোট। তিনি রয়েছেন চতুর্থ অবস্থানে।

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের নজরুল ইসলাম বটগাছ প্রতীকে ৪৬৮ ভোট, জাকের পার্টির মো. ফয়সাল বিন শফিক গোলাপ ফুলে পেয়েছেন ৪১৭, জাসদের ইমদাদুল হক ইমদাদ পেয়েছেন ১ হাজার ৩৪০ ভোট, গণফ্রন্টের প্রার্থী আফজাল হোসেন মাছ প্রতীকে পেয়েছেন ১৭০ ভোট, স্বতন্ত্র প্রাথী মাসুদার রহমান হেলাল আপেল প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৬১৮ ভোট, রাবিক হাসান কুমির প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৪৪৯ ভোট, কুড়াল মার্কায় সরকার বাদল পেয়েছেন ২ হাজার ৮১১ ভোট।

বগুড়া-৬ (সদর) আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ১০ হাজার ৭৪৩ জন। এখানে মোট ভোট দিয়েছেন হয়েছে ৯১ হাজার ৭৪২।

ভোট কেন্দ্র ছিল ১৪৩ টি ও কক্ষ ছিল ১ হাজার ১৭টি। এ আসনে ১৪৩ জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, ১ হাজার ১৭ সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও ২ হাজার ৩৪ জন পোলিং কর্মকর্তা নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করেছেন ।

যদিও বগুড়া সদর আসনে ভোট শুরুর পর থেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে এসেছেন। তাদের মধ্যে অনেকে এজেন্টে বের করে দেয়ার অভিযোগে সবর ছিলেন সারাদিন।

কিন্তু রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, দু-একটি কেন্দ্রের বিষয়ে বিষয়ে আমাদের কাছে এমন অভিযোগ থাকলেও ওখানে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা গিয়ে কাউকে পায়নি। দুই আসনের কোথাও এমন পরিস্থিতি হলে তারা ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন।

আরও পড়ুন:
বগুড়া-৪ আসনে জয়ী জাসদের তানসেন
বগুড়া-৬ আসনে এগিয়ে নৌকা
ডিসির নম্বর ক্লোন করে নির্বাচনী প্রার্থীর কাছে অর্থ দাবি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Jatiya Partys Hafiz Uddin ahead in Thakurgaon

ঠাকুরগাঁওয়ে জয়ী জাতীয় পার্টির হাফিজ উদ্দিন

ঠাকুরগাঁওয়ে জয়ী জাতীয় পার্টির হাফিজ উদ্দিন হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ
সবমিলিয়ে এখন পর্যন্ত ২৫ হাজার ৪৬৩ ভোট পেয়ে জয়ের পথে এগিয়ে আছেন হাফিজ উদ্দিন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হয়ে আছেন একতারা প্রতীকের গোপাল চন্দ্র রায় (স্বতন্ত্র)।

ঠাকুরগাঁও-৩ সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন জাতীয় পার্টির মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ।

বুধবার রাতে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মঞ্জুরুল হাসান ভোটের ফলাফল ঘোষণা করেন।

ঘোষিত ফলাফলে সবমিলিয়ে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে ৮৪ হাজার ৪৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন হাফিজ উদ্দিন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী একতারা প্রতীকের গোপাল চন্দ্র রায় (স্বতন্ত্র) পেয়েছেন ৫০ হাজার ৩০৯ ভোট।

এ ছাড়াও ওয়াকার্স পার্টির ইয়াসিন আলী (হাতুড়ি) পেয়েছেন ১১ হাজার ৩৫৬ ভোট, জাকের পার্টির ইমদাদুল হক (গোলাপফুল) ২২ হাজার ৫৭ ভোট, বাংলাদেশ ন্যাশনাল পিপলস পার্টির সাফি আল আসাদ (আম) ৯৫৩ভোট, বিএনএফের সিরাজুল ইসলাম (টেলিভিশন) পেয়েছেন ১৪১২ ভোট।

আরও পড়ুন:
ঠাকুরগাঁওয়ে ভোট বর্জনে গণসংযোগ করবে বিএনপি
রাতভর যুদ্ধ শেষে মুক্ত হয় ঠাকুরগাঁও
বাজারে যুবলীগ নেতার মারধর, ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Hero Alam narrowly lost Bogra 4 seat

৮৩৪ ভোটের জন্য এমপি হতে পারলেন না হিরো আলম

৮৩৪ ভোটের জন্য এমপি হতে পারলেন না হিরো আলম
এই আসনে মহাজোটের প্রার্থী একেএম রেজাউল করিম তানসেন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তানসেন ২০ হাজার ৪০৫ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম পেয়েছেন ১৯ হাজার ৫৭১ ভোট।

বগুড়া-৪ (নন্দীগ্রাম-কাহালু) আসনের উপনির্বাচনে অল্পের জন্য হেরে গেছেন আলোচিত হিরো আলম।

এই আসনে মহাজোটের প্রার্থী একেএম রেজাউল করিম তানসেন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তানসেন ২০ হাজার ৪০৫ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম পেয়েছেন ১৯ হাজার ৫৭১ ভোট। ৮৩৪ ভোটে হেরেছেন হিরো আলম।

বগুড়ার উপনির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বগুড়ার জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম বুধবার রাত সোয়া ৮টার দিকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্র জানা গেছে, বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ২৮ হাজার ৪৬৯। ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১১২টি। আর বগুড়া-৬ (সদর) আসনে মোট ভোটার রয়েছেন ৪ লাখ ১০ হাজার ৭৪৩ জন। ১১২টি কেন্দ্রে এই ভোট অনুষ্ঠিত হয়।

আইনি জটিলতায় পড়ে হিরো আলমের প্রার্থিতা প্রায় বাদই হয়ে যাচ্ছিল। তবে ১৭ জানুয়ারি হাইকোর্টে এসে আবার ভোটে লড়ার সুযোগ পান তিনি। ওইদিন হিরো আলমের মনোনয়নপত্র বাতিলে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে হাইকোর্ট।

তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও প্রতীক বরাদ্দ দিয়ে নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ দিতে নির্দেশ দেয়া হয়। এর ফলে প্রার্থিতা ফিরে পান হিরো আলম।

বগুড়া-৪ ও ৬ আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন হিরো আলম। কিন্তু ভোটার তালিকায় গরমিল থাকায় তার মনোনয়নপত্র প্রথমে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বাতিল করেন। পরে নির্বাচন কমিশনে আপিলের পর সেটি খারিজ করা হয়। এরপর তিনি হাইকোর্টে আসেন।

বিএনপির দলীয় সিদ্ধান্তে গত ১১ ডিসেম্বর বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম মো. সিরাজ ও বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেন স্পিকারের কাছে পদত্যাগ করেন। ফলে আসন দুটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। পরে ১ ফেব্রুয়ারি ইভিএমে ভোট গ্রহণের জন্যে এ দুই আসনের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

আরও পড়ুন:
নির্বাচনে হিরো আলম, ভোটারদের ভাবনা
একতারা নিয়ে এমপি পদে লড়বেন হিরো আলম
হাইকোর্টে এসে এমপি নির্বাচনের সুযোগ ফিরল হিরো আলমের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Tansen won the Bogra 4 seat by defeating Hero Alam

বগুড়া-৪ আসনে জয়ী জাসদের তানসেন

বগুড়া-৪ আসনে জয়ী জাসদের তানসেন
তানসেন এই আসনে ২০ হাজার ৪০৫ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম পেয়েছেন ১৯ হাজার ৫৭১ ভোট।

বগুড়া-৪ (নন্দীগ্রাম-কাহালু) আসনে উপনির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থী জাসদ নেতা একেএম রেজাউল করিম তানসেন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

তানসেন এই আসনে ২০ হাজার ৪০৫ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম পেয়েছেন ১৯ হাজার ৫৭১ ভোট।

বগুড়ার উপনির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বগুড়ার জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম বুধবার রাত সোয়া ৮টার দিকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন:
বগুড়া-৬ আসনে এগিয়ে নৌকা
ডিসির নম্বর ক্লোন করে নির্বাচনী প্রার্থীর কাছে অর্থ দাবি
পথে যাত্রী নামিয়ে দিয়ে রিকুইজিশন

মন্তব্য

p
উপরে