× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
A young man died after being hit by a truck in Gomstapur
hear-news
player
google_news print-icon

গোমস্তাপুরে ট্রাকের ধাক্কায় যুবক নিহত

গোমস্তাপুরে-ট্রাকের-ধাক্কায়-যুবক-নিহত
প্রতীকী ছবি
সকালে শাহিন বাড়ি থেকে বাইসাইকেলে উপজেলার রহনপুরে যাচ্ছিল। চিনিয়াতলায় পৌঁছালে একটি ট্রাক বাইসাইকেলটিকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই শাহিনের মৃত্যু হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে ট্রাকের ধাক্কায় শাহিন আলম নামের এক বাইসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন।

উপজেলার রহনপুর পৌরসভার চিনিয়াতলা এলাকায় বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত শাহিন নাচোল উপজেলার উচিরপুর চন্দনাযাদুপুর গ্রামের একরামুল হকের ছেলে।

গোমস্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান জানান, সকালে শাহিন বাড়ি থেকে বাইসাইকেলে উপজেলার রহনপুরে যাচ্ছিল। চিনিয়াতলায় পৌঁছালে একটি ট্রাক বাইসাইকেলটিকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই শাহিনের মৃত্যু হয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে।

আরও পড়ুন:
যাত্রাবাড়ীতে বাসের ধাক্কায় শিশু নিহত
গত বছর সড়কে ৯৯৫১ মৃত্যুর দাবি যাত্রী কল্যাণ সমিতির
ট্রাকের টায়ার বিস্ফোরণে প্রভাষক নিহত
স্কুটিতে ধাক্কা, তরুণীকে ১২ কিমি হিঁচড়ে নিল গাড়ি
নতুন বই নিয়ে বাড়ি ফেরা হলো না সানজিদার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Spend idle time waiting for voters in Bogra

বগুড়ায় ভোটারের অপেক্ষায় অলস সময় পার

বগুড়ায় ভোটারের অপেক্ষায় অলস সময় পার সকাল থেকে ভোটার উপস্থিতি কম বগুড়ার কেন্দ্রগুলোতে। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
সকাল সাড়ে নয়টার দিকে বগুড়া জিলা স্কুলে গিয়ে দেখা যায়, কেন্দ্রে হঠাৎ দুই-একজন ভোটার আসছেন। তাদের মধ্যে পুরুষ বেশি। এই কেন্দ্রে ভোটার ২ হাজার ৭২। সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত সেখানে ভোট দিয়েছেন ৩১ জন।

বিএনপির ছেড়ে দেয়া বগুড়া-৬ ও বগুড়া-৪ আসনের উপনির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি একেবারেই কম।

বুধবার সকাল থেকে কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারা অলস সময় পার করছেন।

এর মধ্যেই স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অনেকে অভিযোগ করেছেন, ভোটকেন্দ্র থেকে তাদের এজেন্টদের জোর করে তাড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। যদিও নৌকার প্রার্থী বলছেন, বগুড়া-৬ আসনে নির্বিঘ্নে ভোট হচ্ছে।

সকাল সাড়ে নয়টার দিকে বগুড়া জিলা স্কুলে গিয়ে দেখা যায়, কেন্দ্রে হঠাৎ দুই-একজন ভোটার আসছেন। তাদের মধ্যে পুরুষ বেশি। এই কেন্দ্রে ভোটার ২ হাজার ৭২। সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত সেখানে ভোট দিয়েছেন ৩১ জন।

কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার কার্তিক চন্দ্র দেবনাথ জানান, শীতের সকাল হওয়ার কারণে ভোটার উপস্থিতি কম। হয়তো দুপুরের দিকে ভোটার বাড়বে।

শহরের চকসুত্রাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটার ৩ হাজার ১০৭। এর মধ্যে সকাল সোয়া ১০টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৪৬টি।

সদরের সবগ্রাম কুদরতিয়া উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটার ৩ হাজার ৯৭২। এর মধ্যে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ভোট পড়ে ৩০০টি।

বগুড়া-৪ আসনের কহুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোটার ২ হাজার ৩৪৮। এর মধ্যে সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ভোট দিয়েছেন ৭০ জন। অর্থাৎ ভোট দিয়েছেন ২ দশমিক ৯৮ শতাংশ ভোটার।

বগুড়া সদরের জুবিলি ইনস্টিটিউশন পুরুষ কেন্দ্রে ভোটার ৩ হাজার ৪৮৬। এর মধ্যে আধা ঘণ্টায় ভোট দেন ৯৯ জন। নারী কেন্দ্রের ৩ হাজার ৬৫৪ ভোটারের মধ্যে সকাল ৯টা পর্যন্ত ভোট দেন ১২০ জন।

বগুড়ার জুবলি ইনস্টিটিউশনে নারী ভোটকেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার আবু হেনা মোস্তাফিজার রহমান বলেন, ‘সকাল থেকে কোনো প্রকার বাধা বিঘ্ন ছাড়াই এই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে। ভোটার উপস্থিতিও গড়ে ভালো রয়েছে। দিন শেষে ভালো ভোট উপহার দেওয়া যাবে।’

এ কেন্দ্রের ফটকের ভেতরে ও বাহিরে ১৫ থেকে ২০ জন নেতা-কর্মী নিয়ে ভোটারদের কাছে ভোট চাইছিলেন বগুড়ার যুবলীগের বহিষ্কৃত আলোচিত নেতা মতিন সরকার।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এই নেতা বলেন, ‘আমরা কারও কাছ থেকে ভোট চাচ্ছি না। আমাদের নেতা-কর্মীরা ভোটাদের বুথ চিনিয়ে দিচ্ছে।’

কেন্দ্র দখলের বিষয়ে অভিযোগ করেন বগুড়া-৬ আসনের ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল মান্নান।

তিনি বলেন, শুধু জুবিলি ইনস্টিটিউশন নয়, বগুড়া সদর আসনের ৭৮টি কেন্দ্র যুবলীগ দখল করেছে।

আবদুল মান্নান আরও বলেন, ‘আমার প্রার্থীদের বলে দিছি সব ভোট বস্তায় করে নৌকার প্রার্থীকে দিয়ে দিতে।’

বগুড়া-৬ আসনে আপেল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা সচেতন নাগরিক কমিটির সভাপতি মাসুদার রহমানও অভিযোগ করেছেন ভোট কেন্দ্র থেকে এজেন্ট বের করে দেয়ার।

বগুড়া-৬ (সদর) আসনে সকাল সাড়ে ৮টায় শুরু হয়েছে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ। সকালে বগুড়া শহরের হাসনাজাহান উচ্চ বিদ্যালয়ে ভোট দিয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী রাগেবুল আহসান রিপু।

তিনি বলেন, ‘নির্বিঘ্নে ভোট হচ্ছে কোনো সমস্যা ছাড়াই। ভোটারদের মাঝে কোনো ভীতি নেই। সব দলের প্রার্থীর এজেন্ট এখানে রয়েছে।’

বগুড়া-৬ এবং ৪ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘জুবলি ভোট কেন্দ্রের বিষয়ে আমাদের কাছে অভিযোগ ছিল, কিন্তু ওখানে আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা গিয়ে কাউকে পায়নি, তবে বাহিরে কিছু লোকজনের জটলা ছিল। সেগুলোও আর নেই। আর দুই আসনের কোথাও এমন পরিস্থিতি হলে আমরা তৎপর আছি; ব্যবস্থা নেব।’

নির্বাচন উপলক্ষে দুই আসনে ৩ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ৩৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করছেন। পাশাপাশি ১৪ প্লাটুন বিজিবি ও র‍্যাবের ১৭ টহল দল মোতায়েন আছে। এ ছাড়াও ভোটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সাড়ে ৪ হাজার নিরাপত্তাকর্মী কাজ করছেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতি ভোটকেন্দ্রে গুরুত্ব বিবেচনায় নিরাপত্তার জন্য তিনজন পুলিশ সদস্য ছাড়াও এপিবিএন, আনসার ভিডিপিসহ ১৭ নিরাপত্তকর্মী দায়িত্বে আছেন। ভোটকেন্দ্রের বাইরে ও নির্বাচনী এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পুলিশের স্ট্রাইকিং ফোর্স, বিজিবি ও র‍্যাব সদস্যরা টহল দিচ্ছেন। নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।’

বগুড়া-৪ আসনের ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৯ জন। এ আসনে আওয়ামী লীগ ১৪ দলীয় জোট থেকে জাসদ প্রার্থীকে সমর্থন দিয়েছে। এর বাইরে পাঁচজন স্বতন্ত্র প্রার্থী আছেন। তাদের মধ্যে কুড়াল প্রতীকে নির্বাচন করছেন সাবেক বিএনপি নেতা কামরুল হাসান সিদ্দিকী জুয়েল। আর ট্রাক প্রতীকে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করছেন সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা মো. মোশফিকুর রহমান কাজল।

বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে ভোটার ৩ লাখ ২৮ হাজার ৪৬৯। ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১১২টি। আর ভোটকক্ষের সংখ্যা ৭৭৭টি। এর মধ্যে অস্থায়ী কক্ষ আছে ৪২টি।

বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী ১১ জন। পাঁচজন আছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী। এদের মধ্যে ট্রাক প্রতীকের আব্দুল মান্নান আকন্দ সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা। তিনি এই আসনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী হিসেবে পরিচিত।

উপনির্বাচনে বগুড়ার দুই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। ময়দানের পাশাপাশি ভার্চুয়াল জগতের প্রচার-প্রচারণায় ব্যাপক সাড়া দেখিয়েছেন এ প্রার্থী।

বগুড়া-৬ (সদর) আসনে ভোটার রয়েছে ৪ লাখ ১০ হাজার ৭৪৩। ভোটকেন্দ্র ১৪৩টি ও কক্ষ ১ হাজার ১৭টি।

গত বছরের ১০ ডিসেম্বর বিকেলে রাজধানীর গোলাপবাগে ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশ থেকে বিএনপির ছয় এমপির পদত্যাগের ঘোষণা আসে। তাদের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে খালি হওয়া আসনগুলোতে আজ উপনির্বাচন হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
সাত্তার চমকের শেষটা দেখার অপেক্ষা
ফোনালাপ ফাঁস: আসিফ স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে?
ডিসির নম্বর ক্লোন করে নির্বাচনী প্রার্থীর কাছে অর্থ দাবি
আওয়ামী লীগের ৩ সমর্থকের মনোনয়ন প্রত্যাহারে কপাল খুলছে সাত্তারের
চাঁপাইয়ে আওয়ামী লীগের ‘ঘরের শত্রু বিভীষণ’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The body of the freedom fighter on the bed was looted with gold ornaments and money

খাটের ওপর মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ, স্বর্ণালংকার ও টাকা লুট

খাটের ওপর মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ, স্বর্ণালংকার ও টাকা লুট নিহত মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হালিমের ঘরে দুর্বৃত্তরা স্বর্ণালংকার ও টাকা লুট করেছে। ছবি: নিউজবাংলা
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ রিজাউল হক জানান, খাটের ওপরে ওই মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ পাওয়া যায়। তাদের বাড়ি থেকে  টাকা ও স্বর্ণালংকার চুরি হয়েছে। নিহতের বাড়িতে চারটি সিসি টিভি ক্যামেরা আছে তবে দুর্বৃত্তরা হার্ড ডিক্স নিয়ে গেছে। পুলিশ ইতোমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। যারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে৷

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার এনায়েতনগর ইউনিয়নের ধর্মগঞ্জের মাওলা বাজার এলাকায় নিজ বাড়ির খাটের ওপর থেকে আব্দুল হালিম নামে এক মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মাওলা বাজারের ওই বাড়ি থেকে বুধবার সকালে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ধারণা, মঙ্গলবার মধ্যরাতে তিনি মারা গেছেন। তার ঘর থেকে স্বর্ণালংকার ও টাকা লুট করেছে দুর্বৃত্তরা।

নিহত ৭২ বছর বয়সী মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হালিম মাওলাবাজার এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।

ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রিজাউল হক নিউজবাংলাকে এসব তথ্য জানান।

নিহতের স্বজনরা জানান, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হালিমের এক ছেলে ও দুই মেয়ে। মেয়েরা স্বামীর বাড়ি থাকেন। ছেলের পরিবারের সঙ্গে থাকেন তিনি। ঘটনার সময় ছেলে মাসুদ ছাড়া তার বাড়িতে অন্য কেউ ছিলেন না। পরিবারের অন্য সদস্যরা মঙ্গলবার তাদের আত্মীয়দের বাড়িতে বেড়াতে যান। রাতে আলাদা কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন বাবা ও ছেলে।

নিহতের ছোট মেয়ে নুরুন নেছা বলেন, ‘রাত আড়াইটার দিকে বাড়ির ভাড়াটিয়া ফোন করে জানায় একদল দুর্বৃত্ত ঘরে ডাকাতি করেছে। ঘুমন্ত অবস্থায় ভাই মাসুদকে হাত পা ও চোঁখ বেধে মারধর করে টাকা ও স্বর্নালংকার নিয়ে গেছে। আরেক রুমে বাবা পড়ে আছেন, তিনি কোনো কথা বলছেন না। বাড়িতে গিয়ে দেখি বাবা মারা গেছেন। ঘরে থাকা জমি বিক্রির ২০ লাখেরও বেশি টাকা ও স্বর্ণালংকার নেই।’

ওসি রিজাউল জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে তার মৃত্যুর কারণ।

ওসি আরও জানান, খাটের ওপরে ওই মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ পাওয়া যায়। তাদের বাড়ি থেকে টাকা ও স্বর্ণালংকার চুরি হয়েছে। নিহতের বাড়িতে চারটি সিসি টিভি ক্যামেরা আছে তবে দুর্বৃত্তরা হার্ড ডিক্স নিয়ে গেছে। পুলিশ ইতোমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। যারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে৷

আরও পড়ুন:
স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ, স্বামী পলাতক
বৃদ্ধকে গলা কেটে হত্যা, ধারালো ছুরি উদ্ধার
সীমান্তে হত্যা চোরাচালান বন্ধে কাঁটাতার মিছিল
স্কুল কলেজ শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার বড় কারণ অভিমান: প্রতিবেদন
নায়িকা শিমু হত্যা মামলায় মেয়ের সাক্ষ্য

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A centenarian woman holding her daughter in laws hand at the polling station

পুত্রবধূর হাত ধরে ভোটকেন্দ্রে শতবর্ষী জহরা

পুত্রবধূর হাত ধরে ভোটকেন্দ্রে শতবর্ষী জহরা পুত্রবধূর হাত ধরে ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে এসেছেন শতবর্ষী মোছা. জহরা। ছবি: নিউজবাংলা
ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের রিটার্নিং অফিসার জি এম সাহাতাব উদ্দীন জানান, শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ চলছে। ভোটাররা নির্বিঘ্নে এসে তাদের ভোট দিচ্ছেন। যেকোনো প্রকার নাশকতা ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। 

ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের উপনির্বাচনে পুত্রবধূর হাত ধরে ভোটকেন্দ্রে এসে ভোট দিয়েছেন শতবর্ষী এক নারী।

পীরগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভোট দেন তিনি।

১০৫ বছর বয়সী মোছাম্মৎ জহরা রঘুনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা।

ভোট দেয়া নিয়ে জহরা বলেন, ‘ভোটের পরিবেশ ভালো লেগেছে। বাড়ি থেকে পুত্রবধূকে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিতে এসেছি।’

ওই সময় সব বয়সী ভোটারের উপস্থিতি দেখা যায় কেন্দ্রে, তবে নারী ভোটারের সংখ্যা ছিল তুলনামূলক বেশি।

পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার স্বাধীন চন্দ্র জানান, এই কেন্দ্রে ভোটার ৬ হাজার ৪৪২। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৩২০৭ ও নারী ভোটার ৩ হাজার ২৩৫।

এদিকে সকাল থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়া নির্বাচনী এলাকায় এখন পর্যন্ত কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের রিটার্নিং অফিসার জি এম সাহাতাব উদ্দীন জানান, শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ চলছে। ভোটাররা নির্বিঘ্নে এসে তাদের ভোট দিচ্ছেন। যেকোনো ধরনের নাশকতা ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।

আরও পড়ুন:
ফোনালাপ ফাঁস: আসিফ স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে?
ডিসির নম্বর ক্লোন করে নির্বাচনী প্রার্থীর কাছে অর্থ দাবি
আওয়ামী লীগের ৩ সমর্থকের মনোনয়ন প্রত্যাহারে কপাল খুলছে সাত্তারের
চাঁপাইয়ে আওয়ামী লীগের ‘ঘরের শত্রু বিভীষণ’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে সাত্তার-চমকের কী প্রভাব

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Kamrans alternative to Anwaruzzaman in Sylhet?

সিলেটে কামরানের বিকল্প কি আনোয়ারুজ্জামান

সিলেটে কামরানের বিকল্প কি আনোয়ারুজ্জামান বদরউদ্দিন আহমদ কামরান ও আনোয়ারুজ্জমান চৌধুরী। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
সিলেট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন বলেন, ‘আওয়ামী লীগ বড় দল। দলের অনেক নেতাই মনোনয়ন চাচ্ছেন। এ ব্যাপারে দলীয় প্রধান ও মনোনয়ন বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবেন। আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে কে প্রার্থী হবেন, এ ব্যাপারে কিছু বলা যাবে না।’

সিলেট সিটি করপোরেশনের এ পর্যন্ত সবগুলো নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন বদরউদ্দিন আহমদ কামরান। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ২০২০ সালের ১৫ জুন মৃত্যু হয় সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক এ সভাপতির। এমন বাস্তবতায় এবারের নির্বাচনে তার বিকল্প কে হচ্ছেন, তা নিয়ে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা দলটির ভেতরে।

চলতি বছরের মাঝমাঝিতে সিলেট সিটি নির্বাচন হওয়ার কথা। আওয়ামী লীগের অন্তত অর্ধডজন নেতা এ নির্বাচনের মেয়র পদে দলীয় মনোয়ন পেতে তৎপরতা চালাচ্ছিলেন, তবে হঠাৎ করেই আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছেন প্রবাসী এক নেতা।

যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগে যুক্ত সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীই সিলেটে কামরানের বিকল্প হচ্ছেন বলে গুঞ্জন চলছে। দলের হাইকমান্ড থেকে তাকে ‘সবুজ সংকেত’ দেয়া হয়েছে বলেও প্রচার চালাচ্ছেন আনোয়ারুজ্জামান অনুসারীরা। এমন ‘সংকেত’ পেয়ে সম্প্রতি দেশেও এসেছেন আনোয়ারুজ্জামান। যদিও এই প্রচারের সত্যতা নেই বলে দাবি করেছেন অন্য মনোয়নপ্রত্যাশীরা।

কে এই আনোয়ারুজ্জামান

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার বাসিন্দা আনোয়ারুজ্জমান চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাজ্যপ্রবাসী। দেশে থাকার সময় থেকেই তিনি আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। বর্তমানে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন। বঙ্গবন্ধু পরিবারের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে বলে জানা যায়। সেই ঘনিষ্টতার সূত্রে প্রবাসে অবস্থান করেও সিলেটের রাজনীতিতে প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন আনোয়ারুজ্জামান। সিলেটে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন কমিটি গঠন এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ে আড়ালে থেকেও অন্যতম কুশীলব হয়ে ওঠেন তিনি।

গত দুটি সংসদ নির্বাচনে সিলেট-২ আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন পেতে তৎপরতা শুরু করেন প্রবাসী এই নেতা। যদিও দল মনোনয়ন দেয়নি তাকে।

গুঞ্জন রয়েছে, তার আপত্তির কারণেই এই আসনে মনোনয়ন বঞ্চিত থাকতে হয় সাবেক সংসদ সদস্য ও সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরীকে। দলের দুই প্রভাবশালী নেতার বিভক্তির কারণে দুইবারই এ আসনটি জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দেয় আওয়ামী লীগ।

মেয়র পদে যেভাবে আলোচনায় আনোয়ারুজ্জামান

এতদিন সিলেট-২ আসনে মনোনয়ন পেতে তৎপরতা চালালেও চলতি মাসে হঠাৎ করেই সিলেট সিটি নির্বাচনের মেয়র পদে প্রার্থী হিসেবে উঠে আসে আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর নাম।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, সাবেক সংসদ সদস্য ও সিলেটের প্রবীণ নেত্রী সৈয়দা জেবুন্নেছা হককে সম্প্রতি আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য করা হয়। এরপর তিনি দলীয় প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করতে যান। ওই সাক্ষাতেই সিলেট সিটি নির্বাচন প্রসঙ্গ উঠে আসে। ওই সময় প্রধানমন্ত্রী সিলেট সিটি নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে আনোয়ারুজ্জামানের নাম বিবেচনার ইঙ্গিত দিয়েছেন বলে দলীয় নেতা-কর্মীদের কাছে জানান জেবুন্নেসা হক। এরপর থেকেই মেয়র পদে আলোচনায় ওঠে আসে আনোয়ারুজ্জামানের নাম। এখন নগর ছেঁয়ে গেছে তার ছবি সংবলিত পোস্টার-ফেস্টুনে।

এ বিষয়ে সৈয়দা জেবুন্নেছা হকের সঙ্গে সম্প্রতি মোবাইলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

জেবুন্নেছা হকের বরাত দিয়ে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম নাদেল বলেন, ‘সিটি নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে আনোরুজ্জামানের কথা বিবেচনা করার কথা প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এমনটি জেবুন্নেছা হক আমাকেও বলেছেন। আরও অনেককেই এ কথা বলেছেন তিনি।’

নাদেল আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ আরও কিছু শীর্ষ নেতার কাছ থেকেও এ ব্যাপারে আমি ইতিবাচক ইঙ্গিত পেয়েছি।’

এদিকে মেয়র পদে প্রার্থী হিসেবে আলোচনা শুরুর পর ২২ জানুয়ারি দেশে আসেন আনোয়ারুজ্জান চৌধুরী। তাকে সংবর্ধনা জানাতে ওই দিন বিমানবন্দরে দলীয় নেতা-কর্মীদের ঢল নামে। শোভাযাত্রার মাধ্যমে বিমানবন্দর থেকে তাকে নগরে নিয়ে আসেন নেতা-কর্মীরা।

এরপর ২৬ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন আনোয়ারুজ্জামান। সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী তাকে সবুজ সংকেত দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী।

মহানগর আওয়ামী লীগে ক্ষোভ

মেয়র পদে প্রার্থী হিসেবে আনোয়ারুজ্জামানকে ‘সবুজ সংকেত’ দেয়া হয়েছে, এমন খবর চাউর হওয়ার পর থেকেই ক্ষোভ বিরাজ করছে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাদের মধ্যে। বিশেষত মেয়র পদে মনোনয়নপ্রত্যাশী অন্য নেতারা এ নিয়ে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন। যদিও দলীয় প্রধানের বিরাগভাজন হওয়ার ভয়ে এ নিয়ে প্রকাশ্যে কেউ কোনো মন্তব্য করতে চাননি, তবে এই আলোচনা শুরুর পর থেকেই উল্লসিত আনোয়ারুজ্জামান অনুসারীরা।

সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা যায়, সিলেট সিটিতে আগামী নির্বাচনে মেয়র পদে মনোনয়ন পেতে অর্ধডজন নেতা তৎপরতা চালাচ্ছিলেন। এর মধ্যে রয়েছেন আওয়ামী লীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আসাদ উদ্দিন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এটিএম হাসান জেবুল, কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদ এবং বদরউদ্দিন আহমদ কামরানের ছেলে আরমান আহমদ শিপলু।

কামরানের মৃত্যুর পর থেকেই মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। শেষ সময় এসে প্রবাসী এক নেতার নাম আলোচনার শীর্ষে উঠে আসায় হতাশ তাদের সবাই।

মনোনয়নপ্রত্যাশীদের একজন নাম প্রকাশ না করার শর্ত বলেন, ‘যারা দেশে থেকে দীর্ঘদিন ধরে দলের রাজনীতি করছেন, বিপদে-আপদে মানুষের পাশে রয়েছেন, তাদের বাদ দিয়ে প্রবাসে বিলাসী জীবন কাটানো কাউকে মেয়র পদে মনোনয়ন দেয়াটা আওয়ামী লীগের জন্য আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হবে।’

ওই নেতা আরও বলেন, ‘সিলেট নগরবাসীর জন্য আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর কোনো অবদান নাই। গত ভয়াবহ বন্যায়ও তাকে পাশে পায়নি নগরবাসী। তিনি নগরের বাসিন্দাও নন।’

মেয়র পদে আনোয়ারুজ্জামানকে দলীয় প্রধানের বিবেচনায় রাখার প্রচার সত্য নাও হতে পারে উল্লেখ করে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর এক সদস্য বলেন, ‘আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়া এত সহজ না। এমন প্রচারণা মিথ্যে হওয়ারই সম্ভাবনা বেশি। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ডের সভার আগে এ ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যাবে না।’

এ প্রসঙ্গে আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘আমি তৃণমূল থেকে উঠে আসা রাজনৈতিক কর্মী। গত সংসদ ও সিটি নির্বাচন সিলেটে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে আমি নিরলসভাবে কাজ করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি এই শহরেই বড় হয়েছি, পড়ালেখা করেছি। তাই সিলেট নগরের মানুষ আমার আপনজন।’

প্রধানমন্ত্রী সবুজ সংকেত দিয়েছেন জানিয়ে আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘গত বহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হয়েছে। সিটি নির্বাচনের জন্য তিনি আমাকে কাজ করার দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।’

এ প্রসঙ্গে সিলেট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন বলেন, ‘আওয়ামী লীগ বড় দল। দলের অনেক নেতাই মনোনয়ন চাচ্ছেন। এ ব্যাপারে দলীয় প্রধান ও মনোনয়ন বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবেন। আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে কে প্রার্থী হবেন, এ ব্যাপারে কিছু বলা যাবে না।’

আরও পড়ুন:
রাষ্ট্রপতি হতে চান জগদীশ, ইসির ‘‌বাধা’
সাত্তার চমকের শেষটা দেখার অপেক্ষা
ফোনালাপ ফাঁস: আসিফ স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে?
ডিসির নম্বর ক্লোন করে নির্বাচনী প্রার্থীর কাছে অর্থ দাবি
ডিসিদের বলেছি দেশবাসী সুষ্ঠু নির্বাচন চাইছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Poison free cucumber village

বিষমুক্ত শসার গ্রাম

বিষমুক্ত শসার গ্রাম কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার মুগুজি গ্রামে বিষমুক্ত শসা চাষ হচ্ছে। ছবি: কোলাজ নিউজবাংলা
মুগুজি ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘এই এলাকার ৩৫ হেক্টর জমিতে শসা উৎপাদন হবে। প্রতি হেক্টরে ৯০০ মণ শসা হবে ৷ অন্তত ৩১ হাজার ৫০০ মণ শসা উৎপাদন হবে। গড়ে প্রতি কেজি ৫০ টাকা বিক্রি হলে ৬ কোটি টাকার বেশি শসা বিক্রি হবে।’

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার মুগুজি গ্রামে ৬ কোটি টাকার বিষমুক্ত শসা বিক্রির আশা করছে কৃষি কর্মকর্তারা। গত বছর এই গ্রামে সাড়ে চার কোটি টাকার শসা বিক্রি হয়। এবার কীটনাশকমুক্ত পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে চাষ করায় বেড়েছে শসার চাহিদা। কৃষকদের আশা তারা বেশি দাম পাবেন। আগামী দিন পনেরর মধ্যে এই গ্রামের শসা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে মধ্য প্রাচ্যের দেশ দুবাইতে যাবে জানান কৃষি কর্মকর্তারা।

মুগুজি গ্রামের মাঠে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের দুই পাশের ৩৫ হেক্টর জমিতে শসার চাষ হয়েছে। যেদিকে চোখ যায় সেখানে সবুজ আর সবুজ। কোথাও শসার হলুদ ফুল মাথা উঁকি দিয়ে আগমনী বার্তা জানান দিচ্ছে। কোথাও বাতাসে দুলছে কচি শসা। পোকা দমনে ব্যবহার করা হয় পাতা-লতার রস।

মুগুজি গ্রামে বিষমুক্ত শসা ও সবজি চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে কৃষক সমাবেশ ও মাঠ পরিদর্শন করেন কৃষি কর্মকর্তারা।

স্থানীয় কৃষক আমীর হোসেন বলেন, শসা চাষে ১০ গন্ডায় (২০ শতাংশ) এক লাখ টাকা খরচ হয়েছে ৩ লাখ টাকা বিক্রি হবে। বিষমুক্ত উপায়ে চাষ করায় ক্রেতাদের চাহিদা বেড়ে গেছে।’

মনির হোসেন, সাহাব উদ্দিন ও সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘৬ গন্ডায় (১২ শতাংশ) খরচ হয়েছে ৭০ হাজার বিক্রি হবে দেড় লাখ টাকা। সরাসরি বিদেশে রপ্তানি করতে পারলে আমাদের আয়ও বাড়বে। বিষমুক্ত শসার উৎপাদনে কৃষি অফিস উদ্বুদ্ধ করেছে। আশা করছি ভালো ফলন হবে।’

মুগুজি ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘এই এলাকার ৩৫ হেক্টর জমিতে শসা উৎপাদন হবে। প্রতি হেক্টরে ৯০০ মণ শসা হবে ৷ অন্তত ৩১ হাজার ৫০০ মণ শসা উৎপাদন হবে। গড়ে প্রতি কেজি ৫০ টাকা বিক্রি হলে ৬ কোটি টাকার বেশি শসা বিক্রি হবে।’

কুমিল্লা জেলার উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমরা এইখানে নিরাপদ শসা উৎপাদনে উদ্যোগ নিয়েছি। এখানের শসা স্থানীয় চাহিদা মেটানোর সঙ্গে বিদেশে রপ্তানি করা যাবে।’

কুমিল্লা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক ড. মোহিত কুমার দে বলেন, ‘নিরাপদ সবজি চাষ বিষয়টি এখানে কৃষকরা প্রশংসনীয়ভাবে আত্মস্ত করেছেন। আমরা এই অগ্রগতি ধরে রাখবো। এটি আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করছি।’

পরিচালক (সরেজমিন উইং) মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘এ রকম দেশের ২০টি ইউনিয়নে এই বিষমুক্ত শসা চাষের প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। তার একটি বরুড়ার খোশবাস দক্ষিণ ইউনিয়ন। কৃষি পণ্য বিদেশে রপ্তানির জন্য তাদের কিছু শর্ত থাকে। আমরা তা পূরণের চেষ্টা করছি। ইতোমধ্যে রপ্তানিকারকরা আসা শুরু করেছেন।’

আরও পড়ুন:
দাম কমেছে তরমুজের, শঙ্কায় চাষিরা
ঝড়ের শঙ্কায় বাজার ভরেছে কাঁচা আমে
শসার কেজি শহরে ৪০ টাকা, গ্রামে ৪
দাকোপে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চাষির মৃত্যু
দাবদাহে ঝরছে আমের গুটি, শঙ্কায় চাষি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Evacuation operation of Rangamati district administration on order of High Court

হাইকোর্টের নির্দেশে রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান

হাইকোর্টের নির্দেশে রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান ব্রাহ্মণটিলা এলাকায় কাপ্তাই হ্রদ দখল করে গড়ে উঠা দোকানপাট ও নির্মাণাধীন বিল্ডিংয়ের স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমান বলেন, ‘হাইকোর্ট থেকে ১৭ জানুয়ারিতে একটি নোটিশ পেয়েছি। সেই নোটিশে কাপ্তাই হ্রদ দখল করে গড়ে উঠা দোকানপাট,বসতবাড়ি ও স্থাপনার জবাব দেয়া এবং পদক্ষেপ নেয়ার বিষয়টি বলা হয়েছে। নোটিশের নির্দেশনা অনুযায়ী মঙ্গলবার সকালে রাঙামাটি শহরের আসামবস্তি এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। শুধু এ নোটিশে উচ্ছেদ অভিযান নয়, এর আগেও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পরিচালনা করা হতো। এ অভিযানটি  অব্যাহত থাকবে।’

হাইকোর্টের নির্দেশে রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদ দখল করে গড়ে উঠা অবৈধভাবে নির্মাণ করা পাঁচটি দোকানপাট ও পাঁচটি বসতবাড়ি উচ্ছেদ করে গুড়িয়ে দিয়েছে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন।

স্কেভেটর দিয়ে আসামবস্তি বাজার ও আসামবস্তির ব্রাহ্মণটিলা এলাকার দুইটি জায়গাতে মঙ্গলবার পৌনে ১টার দিকে এ উচ্ছেদের অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানটি পরিচালনা করেন রাঙামাটি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমা বিনতে আমিন।

তিনি বলেন, ‘আসামবস্তি বাজারে চারটি দোকান ও ব্রাহ্মণটিলা এলাকায় একটি দোকান এবং পাঁচটি বসতবাড়ি উচ্ছেদ করা হয়েছে। সেগুলোর মধ্যে ব্রাহ্মণটিলা এলাকায় নির্মাণাধীন বড় বিল্ডিংয়ের স্থাপনাও একটি রয়েছে।’

উচ্ছেদের বিষয়ে ক্ষোভ জানিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দা ও ক্ষতিগ্রস্ত দোকানিরা। ক্ষতিগ্রস্ত দোকানিদের অভিযোগ, উচ্ছেদের বিষয়টি আগে থেকে জানায়নি জেলা প্রশাসন। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঘুরে মৌখিকভাবে উচ্ছেদের বিষয়ে জানিয়ে দিয়ে পৌনে ১২টার দিকে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। আগে থেকে উচ্ছেদের নির্দেশনা পেলে এমনভাবে ক্ষতি হতো না।

অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের সময়ে অন্যান্যদের মধ্যে রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) মুহাম্মদ ইনামুল হাছান ও জেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট বিজয় কুমার জোয়ার্দার উপস্থিত ছিলেন ।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, রাঙামাটিতে অবৈধভাবে কাপ্তাই হ্রদ দখল ঠেকাতে রাঙামাটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে মোট ৪০টি নোটিশবোর্ড টাঙ্গিয়ে দেয়া হয়েছে। এসব নোটিশবোর্ড টাঙ্গানো হয়েছে মানুষ যাতে পরবর্তীতে কাপ্তাই হ্রদ দখল না করে।

এদিকে কাপ্তাই হ্রদ দখল করে গড়ে ওঠা দোকানপাট, বসতবাড়ি ও স্থাপনা নির্মাণ প্রসঙ্গে হাইকোর্ট থেকে জবাব চেয়ে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও রাঙামাটি পৌর মেয়রকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘১৭ জানুয়ারি হাইকোর্ট থেকে পাঠানো রিটের নোটিশের কপি রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, রাঙামাটি পৌর মেয়রসহ বিভিন্ন দপ্তরে দেয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী তারা তাদেরগুলো জবাব দিবে এবং কী করবে তা তাদের বিষয়।’

তবে হাইকোর্ট থেকে নোটিশের বিষয়ে জানতে চাইলে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অংসুই প্রু চৌধুরী ও রাঙামাটি পৌর মেয়র আকবর হোসেন চৌধুরীকে বারবার কল দিলে তা কেটে দেন।

জানা যায়, রাঙামাটির পৌর এলাকাতে সবচেয়ে বেশি জায়গা দখল করে নির্মাণ করা হয়েছে অবৈধ স্থাপনা ও দোকানপাট। রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ দেয়ার নির্মাণকাজ ১৯৫৬ সালে শুরু হয়ে শেষ হয় ১৯৬২ সালে। বাঁধের কারণে বর্তমান পানির তলদেশে ডুবে যায় ৫৪ হাজার একর কৃষিজমি, যা এ বাঁধের কারণে ভিটাহারা হয়েছেন হাজার হাজার পাহাড়ি আদিবাসী পরিবার।

নিজের জমি, ভিটা ছেড়ে ভারতে শরনার্থী হয়ে অবস্থান করছেন কয়েক হাজার পরিবার। বর্তমানে হ্রদের আয়তন ৬৮ হাজার ৮০০ হেক্টর। এ হ্রদের জায়গা কতটা দখল হয়েছে, কারা জড়িত, তার পূর্ণাঙ্গ তথ্য চেয়েছে হাইকোর্ট।

আসামবস্তি বাজারের পেট জুরোনী হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টের দোকানদার হালাবি চাকমা চাকমা বলেন, ‘আমরা মালিকের থেকে ভাড়া নিয়ে দোকান চালাচ্ছি। জেলা প্রশাসন থেকে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দোকানের মালামাল সরানোর জন্য বলা হয়। দুপুরে তারা উচ্ছেদের কার্যক্রম চালায়। দোকানের সমস্ত খাবার এখন কী করব বুঝতেছি না। এতে কমপক্ষে বিশ হাজার টাকার খাবার নষ্ট হয়ে যাবে। তারা উচ্ছেদ করবে করুক আমাদের কোনো আপত্তি নেই। অন্তত একদিন আগে ঘোষণা দিত, তাহলে আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিতাম।’

আসামবস্তি বাজারের দুইটি দোকানের মালিক ভারত কুমার চাকমা বলেন, ‘দুইটি দোকানের জায়গা বন্দোবেস্তর জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন জমা দিয়েছি। সেখান থেকে একটি ডোকেট নম্বরও দিয়েছে। ডোকেট নম্বরে উল্লেখ আছে চার শতকের জায়গার বিষয়টি। এ সমস্ত কাগজপত্র ইউএনওকে দেখানোর পরেও কোনো কাজ হয়নি। তিনি খতিয়ানের কাগজপত্র চেয়েছিলেন। এখন জায়গা বন্দোবস্ত ছাড়া তো খতিয়ান দিবে না। দোকানগুলো ভেঙে দেয়া হয়েছে।’

আসামবস্তির ব্রাহ্মণটিলা এলাকার স্থানীয় মো. আরিফ বলেন, ‘খাস জায়গাগুলো যখন সরকার চায়, তখন সরকারকে দিতে বাধ্য। তবে উচ্ছেদের বিষয়টি আগেভাগে জানালে মালিকদের পক্ষে একটু ভালো হতো।’

উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার সময়ে দোকানপাট ও বসতবাড়ি উচ্ছেদ প্রসঙ্গে রাঙামাটি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমা বিনতে আমিন বলেন, ‘হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এ উচ্ছেদ অভিযান চলমান থাকবে।’

রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমান বলেন, ‘হাইকোর্ট থেকে ১৭ জানুয়ারিতে একটি নোটিশ পেয়েছি। সেই নোটিশে কাপ্তাই হ্রদ দখল করে গড়ে উঠা দোকানপাট,বসতবাড়ি ও স্থাপনার জবাব দেয়া এবং পদক্ষেপ নেয়ার বিষয়টি বলা হয়েছে। নোটিশের নির্দেশনা অনুযায়ী মঙ্গলবার সকালে রাঙামাটি শহরের আসামবস্তি এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। শুধু এ নোটিশে উচ্ছেদ অভিযান নয়, এর আগেও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পরিচালনা করা হতো। এ উচ্ছেদ অভিযান তো চলমান প্রক্রিয়া। এ অভিযানটি অব্যাহত থাকবে।’

আরও পড়ুন:
সওজের দেড় শ শতক জায়গার অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ
৬০ ফুট সড়ক থেকে উঠল ১৪ দোকান
গুলিস্তানে ডিএসসিসির উচ্ছেদ অভিযান, ৫ দোকানিকে জেল
নীলক্ষেত তুলা মার্কেটে ১৫০ অবৈধ দোকান উচ্ছেদ
কক্সবাজারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Naogaon District Lawyers Association President Pitu Secretary Razzak

নওগাঁ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি পিটু, সম্পাদক রাজ্জাক

নওগাঁ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি পিটু, সম্পাদক রাজ্জাক নওগাঁ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি পিটু, সম্পাদক রাজ্জাক। ছবি: কোলাজ নিউজবাংলা
নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট সুলতান মাহমুদ জানান, মোট ৪০৫ জন ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন ৩৯১ জন।

নওগাঁয় জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে অ্যাডভোকেট খোদাদাদ খান পিটু সভাপতি ও অ্যাডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

জেলা বার অ্যাসোসিয়েশন ভবনে মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট সুলতান মাহমুদ জানান, নির্বাচনে মোট ১৫টি পদের মধ্যে সভাপতিসহ বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্যানেল থেকে ১১ জন এবং সাধারণ সম্পাদকসহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল থেকে চারজন নির্বাচিত হয়েছেন।

তিনি আরও জানান, এ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী পরিষদ থেকে নির্বাচিতরা হলেন সহসভাপতি ময়েন উদ্দিন প্রামাণিক ও মোফাজ্জল হক, সহসাধারণ সম্পাদক (প্রশাসন) কাজী হাসানুজ্জামান হাসান, সহসাধারণ সম্পাদক (লাইব্রেরী) তানজিমুল হক লিঙ্কন, সহসাধারণ সম্পাদক (আপ্যায়ন, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি) আশরাফুদ্দৌলা নয়ন এবং সদস্য পদে রফিকুল ইসলাম মণ্ডল, এ. এস. এম আলতাফ হোসেন, আবু সাঈদ সুমন, শাকিল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন প্রামাণিক।

অপরদিকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদ থেকে নির্বাচিতরা হলেন সদস্য পদে মনোয়ার হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম-২ ও গোলাম আজম।

মঙ্গলবার রাত ১০টায় নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট সুলতান মাহমুদ ভোট গণনা শেষে এ ফলাফল ঘোষণা করেন। মোট ৪০৫ জন ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন ৩৯১ জন।

আরও পড়ুন:
দোকানে এসে শোনেন আজ ভোট
ইভিএমে ত্রুটি, দুইবারে ভোট
বিএনপির ছেড়ে দেয়া ৬ আসনে ভোট শুরু
বিএনপির ছেড়ে দেয়া ৬ আসনে ভোট আজ
রাষ্ট্রপতি হতে চান জগদীশ, ইসির ‘‌বাধা’

মন্তব্য

p
উপরে