× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Bogra is on the poster but not in the field
google_news print-icon

বগুড়ায় পোস্টারে আছে, মাঠে নেই

বগুড়ায়-পোস্টারে-আছে-মাঠে-নেই
উপনির্বাচন উপলক্ষে বগুড়ার বিভিন্ন স্থানে সাঁটানো হয়েছে নানা ধরনের পোস্টার। ছবি: নিউজবাংলা
সদরের সাবগ্রাম এলাকার ব্যবসায়ী মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘ভোটের বিষয়টি এবার ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। কারণ, দুটি হতে পারে। হঠাৎ আসন শূন্য হওয়াটা অনেকে জানেন না। আবার বিএনপি না থাকায় নির্বাচনী আমেজ কম রয়েছে।’

বগুড়া সকাল থেকে ঘন কুয়াশায় ঢাকা। দুপুর ১২টা পেরোলেও সূর্যের দেখা মেলেনি। শহরের মফিজ পাগলার মোড়ের সামনে দিয়ে কাঁধে ভার নিয়ে যাচ্ছিলেন ভাঙারি ব্যবসায়ী আব্দুর রশিদ। সংসদীয় আসনের উপনির্বাচন নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে একটু অবাক হন।

বললেন, ‘এখন আবার কিসের ভোট?’

শহরের নামাজগড় নূরানি মোড় এলাকার বাসিন্দা ৮০ বছরের এই আব্দুর রশিদ।

হাসিমুখে বলেন, ‘নির্বাচনের কিছু তো শুনিনি বাবা। সকাল ৯টায় বের হই। সারা দিন ভাঙারির মাল নিয়ে মহাজনকে দিয়ে সন্ধ্যায় বাড়ি যাই। ভোটের কিছু জানি না।’

বিএনপির সাত এমপির পদত্যাগের কারণে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি বগুড়া ৪ ও ৬ আসনে উপনির্বাচনে ভোট হতে যাচ্ছে। এরই মধ্যে অনেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ শুরু করেছেন।

বিএনপির দুর্গখ্যাত আসন দুটির বিভিন্ন এলাকা ঘুরে নির্বাচনের কোনো আমেজ দেখা যায়নি। শুধু অল্প কিছু পোস্টার, ব্যানার সাঁটানো আছে। সেগুলোও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের। বরং আসন দুটির অনেক ভোটার নতুন করে উপনির্বাচনের বিষয়টি জানেনই না।

প্রার্থীরা বলছেন, তারা ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। প্রতীক পেয়েই পুরোদমে মাঠে নামবেন প্রার্থীরা। আইন অনুযায়ী প্রতীক বরাদ্দের আগে প্রচারে নামা সম্ভব নয়। তবে সামাজিক মাধ্যমের বিকাশের যুগে আনুষ্ঠানিকভাবে না নামলেও আলোচনা শুরু হয়ে যায় আগেই। কিন্তু বগুড়ায় নাই সেটিও।

বগুড়া-৬ আসনে মোট মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন ৯ জন। এদের মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হলেন রাগেবুল আহসান রিপু, জাতীয় পার্টির নুরুল ইসলাম ওমর, জাসদের (ইনু) ইমদাদুল হক ইমদাদ ও গণফ্রন্টের আফজাল হোসেন।

বাকি ৫ জন স্বতন্ত্র। তারা হলেন আব্দুল মান্নান, সৈয়দ কবির আহম্মেদ মিঠু, মাছুদার রহমান হেলাল, আশরাফুল হোসেন আলম ও রাকিব হোসেন।

বগুড়া-৬ আসনটি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়া পরিবারের ঘরের আসন। ১৯৭৯ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত যেসব নির্বাচনে অংশ নিয়েছে, তার প্রতিটিতেই জিতেছে বিএনপি। এর মধ্যে ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত চারবার সংসদ সদস্য হন বেগম খালেদা জিয়া।

যেহেতু নির্বাচনে বিএনপি থাকছে না, যে কেউ জিতে যেতে পারেন। তবে প্রচারের দিকে এখন পর্যন্ত এগিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মান্নান আকন্দ। তিনি সদরের বেশ কয়েকটি এলাকায় জনসংযোগ করেছেন। পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমেও সরব।

সদরের সাবগ্রাম এলাকার ব্যবসায়ী মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘ভোটের বিষয়টি এবার ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। কারণ দুটি হতে পারে। হঠাৎ আসন শূন্য হওয়াটা অনেকে জানেন না। আবার বিএনপি না থাকায় নির্বাচনী আমেজ কম রয়েছে।’

গোকুল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলী রেজা তোতুল বলেন, ‘সত্যি বলতে আমরা এখনও সাংগঠনিকভাবে প্রচার কাজ শুরু করিনি।’

স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ কবির আহম্মেদ মিঠু বগুড়া জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক। তিনি ২০১৯ সালের উপনির্বাচনেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন। ওই নির্বাচনে ভোট পেয়েছিলেন ৬৩০টি।

কবির বলেন, ‘প্রার্থীদের এখনও প্রতীক দেয়া হয়নি। প্রতীক পাওয়ার পরই প্রচারণার মূল কার্যক্রম শুরু হবে। তবে আমার শ্রমিক সংগঠন ও শহরের মানুষদের সঙ্গে নিয়মিত কথা হচ্ছে।’

এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উঠে আসছে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মান্নান আকন্দের নাম। এর আগে বগুড়া জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং বগুড়া পৌরসভার মেয়র পদে নির্বাচনে অংশ নিয়ে পরাজিত হন তিনি। তবে ২০২১ সালের পৌরসভার নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোট পান ৫৬ হাজার ৯০টি।

আব্দুল মান্নান বলেন, ‘আমি কোনো দলের হয়ে নির্বাচন করতে চাই না। আমি এমপি হতে চাই জনগণের। দল থাকবে দলের জায়গায়। এই ধারণা নিয়েই আমি জনসংযোগ করছি।’

এ আসনের নৌকার প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু জানান, ‘প্রচারণা চলছে। মঙ্গলবার জেলায় আওয়ামী লীগের দলীয় সভা রয়েছে। এ জন্য ব্যস্ততা বেশি।’

কাহালু-নন্দীগ্রাম নিয়ে বগুড়ার ৪ আসন। ১৯৮৬ সালে সীমানা পরিবর্তন করে কাহালু ও নন্দীগ্রাম দুই উপজেলা নিয়ে আসনটি গঠন করা হয়। নন্দীগ্রাম উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা এবং কাহালু উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা রয়েছে।

বেশ কয়েকজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র তুললেও ভোটের মাঠ এখনও শীতল। নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তালিকায় অনেক নেতাদের নাম আলোচনায় এসেছিল। সে সময় বেশ কিছু ব্যানার বিভিন্ন স্থানে ঝোলানো হয়। এখনও সেগুলো ঝুলে আছে।

এখানে আসনে পাঁচজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন তুলেছেন। তারা হলেন গোলাম মোস্তফা, ইলিয়াস আলী, আশরাফুল হোসেন আলম, আব্দুস জব্বার প্রাং এবং কামরুল হাসান সিদ্দিকী জুয়েল।

জাসদ নেতা এ কে এম রেজাউল করিম তানসেন মহাজোটের প্রার্থী। জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন শাহীন মোস্তফা কামাল।

কাহালু পৌর এলাকার চা ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘চা খাওয়ার জন্য নানা ধরনের লোকজন আসে। দেশ-বিদেশ সব জায়গার গল্প হয়, শুনি। কিন্তু আমার বাড়ি সদর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে। সেখানে গেলে দেখবেন অনেকে জানেই না জাতীয় ভোট আবার হচ্ছে।’

কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ভোটের জমজমাট ভাব আর আগের মতো নেই। শুধু দলীয় লোকজনের মধ্যে আছে। আর এই ভোট তো হঠাৎ করে হচ্ছে।’

নন্দীগ্রামের একটি বেসরকারি স্কুলের শিক্ষক সাজ্জাদুল ইসলাম বলেন, ‘ভোটের মাঠে এখনও তেমন কিছু দেখছি না। এই ভোট একটু অন্য রকম। তবে আমরা সুন্দর পরিবেশে ভোট দিতে চাই। একজন দক্ষ ব্যক্তিকে প্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চাই।’

নন্দীগ্রামের সাবেক পৌর মেয়র কামরুল হাসান সিদ্দিকী জুয়েল স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন তুলেছেন। তিনি পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ছিলেন। কয়েক বছর দল থেকে বহিষ্কৃত হন। জানিয়েছেন, প্রতীক বরাদ্দের পর মাঠে নামবেন।

জাতীয় পার্টির শাহীন মোস্তফা কামাল বলেন, ‘বিগত সময় দেখেছি, মানুষ তো এলাকার এমপিদের কাছেই পায় না। ইনশা আল্লাহ, আমি ভোটে জয় পেলে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন বাস্তবায়ন করব।’

বগুড়ায় পোস্টারে আছে, মাঠে নেই
দুই আসনে মনোনয়নপত্র কিনে আলোচনায় আছেন হিরো আলম। ছবি: নিউজবাংলা

দুই আসনে মনোনয়ন তুলে ফের আলোচনা হিরো আলম

মো. আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম এবার দুটি আসন থেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন তুলেছেন।

হিরো আলম বলেন, বগুড়া-৬ আসনে তার বসবাস। এখানকার মানুষের ইচ্ছাকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন। আবার বিগত ২০১৮ সালের নির্বাচনে বগুড়া-৪ আসনে প্রার্থী হয়েছিলেন।

ভোটে বিএনপির তৃণমূলের ভূমিকা কী

উপনির্বাচন নিয়ে বিএনপি কী ভাবছে, সেটি এই প্রশ্নে কিছু বলছেন না নেতা-কর্মীরা। তবে তাদের নিরুত্তাপ ভাব বলছে নির্বাচন নিয়ে মাথাব্যথা কম।

কাহালু থানা বিএনপির সভাপতি ফরিদুর রহমান ফরিদ বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে তো আমাদের কোনো ভাবনার কিছু নেই। কারণ, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা তো নির্বাচন বর্জন করেছি। আমরাও তৃণমূল পর্যায়ে বলে দিয়েছি ভোট দিতে না যাওয়ার জন্য।’

গত বছরের ১০ ডিসেম্বর বিকেলে রাজধানীর গোলাপবাগে ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশ থেকে বিএনপির দলীয় সাতজন এমপির পদত্যাগ ঘোষণা আসে। পরদিন ১১ বিএনপির ছয়জন সংসদ সদস্য স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। একজন দেশের বাইরে ছিলেন। তিনি পরে জমা দেন পদত্যাগপত্র।

এই সাত সংসদ সদস্যের মধ্যে রুমিন ফারহানা সংরক্ষিত নারী আসনের। বাকি ছয়টি আসনে হচ্ছে উপনির্বাচন।

আরও পড়ুন:
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ওদুদের ভয় ষড়যন্ত্র
সাড়ে ৫ ঘণ্টায় গাইবান্ধায় ২৫-৩০ শতাংশ ভোট
গাইবান্ধা উপনির্বাচন: ভোট নিয়ে সন্তুষ্ট নৌকা-লাঙলের প্রার্থী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Illegal hoarders of food are enemies of the country Food Minister

খাদ্যের অবৈধ মজুতকারীরা দেশের শত্রু: খাদ্যমন্ত্রী

খাদ্যের অবৈধ মজুতকারীরা দেশের শত্রু: খাদ্যমন্ত্রী শুক্রবার বিকেলে নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের রাধানগরে নির্বাচন-পরবর্তী সুধী সমাবেশে বক্তৃতা করেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। ছবি: নিউজবাংলা
অবৈধ মজুতকারীরা বিএনপির দোসর উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তারা শেখ হাসিনাকে উৎখাত করতে চায়, বেকায়দায় ফেলতে চায়। আমাদের দেশকে রক্ষা করতে হবে। আপনারা যে ভোট দিয়েছেন, তার মর্যাদা রক্ষা করতে হবে।’

খাদ্যের অবৈধ মজুত করে যারা সংকট তৈরি করে তাদের ‘দেশের শত্রু’ বলে আখ্যায়িত করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

শুক্রবার বিকেলে নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের রাধানগরে শিবনদীর উপরে ১৯২ মিটার দীর্ঘ নবনির্মিত সেতুর চলমান কার্যক্রম পরিদর্শন ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

অবৈধ মজুতকারীরা বিএনপির দোসর উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তারা শেখ হাসিনাকে উৎখাত করতে চায়, বেকায়দায় ফেলতে চায়। আমাদের দেশকে রক্ষা করতে হবে। আপনারা যে ভোট দিয়েছেন, তার মর্যাদা রক্ষা করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের দুই দিন আগে হঠাৎ করে অসৎ ব্যবসায়ীরা চালের দাম ৮/১০ টাকা বাড়িয়ে দেয়। তারা মনে করেছিল, অন্য কেউ খাদ্যমন্ত্রী হলে বুঝতে বুঝতে একমাস পার হয়ে যাবে। যখন তারা দেখেছে মন্ত্রী সাধন মজুমদার হয়েছে, তখন তারা বেকায়দায় পড়েছে; আমাদেরও বেকায়দায় ফেলেছে।

‘চালের বাজার ঠিক রাখতে জেলায় জেলায় বৈঠক করতে হয়েছে। মজুতবিরোধী অভিযানও চালাতে হয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাস করে। ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে জনগণ সে চেতনার পক্ষে রায় দিয়ে শেখ হাসিনাকে আবারও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘রাধানগর সেতু রাজশাহী ও নওগাঁ জেলার মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়াতে ভূমিকা রাখবে। সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হবে সড়ক যোগাযোগ ক্ষেত্রে। গ্রামের সঙ্গে শহুরের মানুষের যোগাযোগ সহজ ও দ্রুততর হওয়ার ফলে কৃষক সহজেই তার পণ্য বাজারজাত করতে পারবে।’

বাহাদুরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল খালেক, নিয়ামতপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক সম্পাদক আবেদ হোসেন মিলন, সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ, সহ-সভাপতি ঈশ্বর চন্দ্র বর্মন, সাধারণ সম্পাদক নারায়ন চন্দ্র প্রামাণিকসহ প্রমুখ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
When the time comes BNP will prosecute all murders and disappearances Minu

সুসময় এলে সব হত্যা-গুমের বিচার করবে বিএনপি: মিনু

সুসময় এলে সব হত্যা-গুমের বিচার করবে বিএনপি: মিনু শুক্রবার নওগাঁয় গুপ্ত হামলায় নিহত বিএনপির নেতা কামাল আহমেদের বাড়িতে গিয়ে স্বজনদের সান্ত্বনা দেন মিজানুর রহমান মিনুসহ বিএনপির অন্যান্য নেতা। ছবি: নিউজবাংলা
মিজানুর রহমান মিনু শুক্রবার নওগাঁয় গুপ্ত হামলায় নিহত বিএনপির নেতা কামাল আহমেদ ও কারাবন্দি বিএনপি নেতা মতিবুল ইসলামের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি স্বজনহারা পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও রাজশাহী সিটির সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, ‘বর্তমান ফ্যাসিস্ট সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিএনপির সহস্রাধিক নেতাকর্মীকে হত্যা করেছে। ছয় শতাধিক নেতাকর্মীকে গুম করে ফেলা হয়েছে। এসব ঘটনার বিচার হয়নি। সুসময় এলে সব হত্যা-গুমের বিচার করবে বিএনপি।’

শুক্রবার বিকেলে নওগাঁয় গুপ্ত হামলায় নিহত বিএনপির নেতা কামাল আহমেদ ও কারাবন্দি বিএনপি নেতা মতিবুল ইসলামের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন বিএনপির এই কেন্দ্রীয় নেতা।

নওগাঁ পৌরসভার রজাকপুর এলাকায় নিহত কামাল আহমেদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় কেন্দ্রীয় বিএনপির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এবং রাজশাহীর সাবেক মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য আনোয়ার হোসেন, নওগাঁ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু বক্কর সিদ্দিক, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, যুগ্ন আহবায়ক শহিদুল ইসলাম, মামুনুর রশিদ রিপন, শেখ রেজাউল ইসলাম, জেলা যুবদলের আহবায়ক মাসুদ হায়দার, সদস্য সচিব রুহুল আমিন মুক্তার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মিজানুর রহমান বলেন, ‘কামাল আহমেদকে হত্যার ঘটনার পর তিন মাস অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত পুলিশ এই ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এমনকি এই ঘটনার রহস্য পর্যন্ত উদঘাটন করতে পারেনি। অথচ নিহতের স্বজনেরা ও এলাকাবাসী সবাই জানে কামালকে নিহতের ঘটনায় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা জড়িত। ঘাতকদের সবাই চেনে। বিএনপির সুসময় এলে এই হত্যার বিচার করা হবে। সব অন্যায়ের প্রতিশোধ নেয়া হবে।’

এ সময় নিহত বিএনপি নেতা স্ত্রী ও সন্তানদের সান্ত্বনা দেন মিজানুর রহমান৷ দ্রুতই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে তাদেরকে আর্থিক অনুদানের আশ্বাস দেন তিনি।

গত বছরের ১৮ অক্টোবর রাত সোয়া ৯টার দিকে নওগাঁ-সান্তাহার সড়কের ইয়াদ আলীর মোড় এলাকায় কামাল আহমেদকে বহনকারী অটোরিকশার গতি রোধে হামলা করে হেলমেট ও মাস্ক পরা দুর্বৃত্তরা। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক কামাল আহমেদকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পরদিন নওগাঁ সদর থানায় নিহত কামাল আহমেদের ছেলে নবাব আলী অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

নিহত কামাল আহমেদ নওগাঁ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক সভাপতি। এছাড়া তিনি নওগাঁ জেলা ট্রাক বন্দোবস্তকারী কমিটির সাবেক সভাপতি।

এদিকে গত বছরের ২০ ডিসেম্বর বিএনপি নেতা মতিবুল ইসলাম নওগাঁ কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় অসুস্থ হয়ে মারা যান। মতিবুল নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

আরও পড়ুন:
সরকার পরিবর্তন অবশ্যই হবে: নজরুল
বিএনপি রোজা রমজান ঈদ কোনোটাই মানে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
জনগণের ওপর প্রতিশোধ নিতে বিদ্যুৎ জ্বালানির দাম বাড়াচ্ছে সরকার: রিজভী
একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে জনগণ অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চায়: বিএনপি
ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন চলবে: বিএনপি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
There are dozens of A League candidates in Chakaria in upazila elections

উপজেলা নির্বাচনে চকরিয়ায় আ.লীগের ডজনখানেক প্রার্থী

উপজেলা নির্বাচনে চকরিয়ায় আ.লীগের ডজনখানেক প্রার্থী উপজেলা চেয়ারম্যান হতে চকরিয়া স্থানীয় আওয়ামী লীগের যেসব নেতারা দৌঁড়ঝাপ শুরু করেছেন। কোলাজ: নিউজবাংলা
ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগের স্থানীয় অনেক নেতাই নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিয়েছেন। তবে বিএনপি ও জাতীয় পার্টিসহ অন্য দলগুলোর কোনো প্রার্থীর হাঁক-ডাক এখন পর্যন্ত দেখা যায়নি।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ঘনিয়ে এসেছে। এরইমধ্যে নির্বাচনে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় আওয়ামী লীগের ডজনখানেক প্রার্থীকে ভোটের মাঠ গরম করতে দেখা যাচ্ছে।

এসব নিয়ে দলটির স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মাঝে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। দলীয় প্রতীক বরাদ্দ দেয়া না হলেও নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উপজেলায় ব্যাপক কোন্দলের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১১ মে অনুষ্ঠিত হবে চকরিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগের অনেক নেতাই নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিয়েছেন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে অনেকেই আগাম শুভেচ্ছা জানাতে ব্যস্ত।

তবে বিএনপি ও জাতীয় পার্টিসহ অন্য দলগুলোর কোনো প্রার্থীর হাঁক-ডাক এখন পর্যন্ত দেখা যায়নি।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আগেই জানানো হয়েছে, এবারের উপজেলা নির্বাচনে নিজেদের ‘নৌকা’ প্রতীক দেবে না দলটি। যার কারণে দলীয় প্রতীক পাওয়ার জন্য ঢাকায় তদবির চালিয়ে সময় নষ্ট না করে মাঠপর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধিতে মনোযোগী হয়েছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। তবে এর মধ্যেও দলীয় সমর্থন আদায় করতে মরিয়া হয়ে কাজ করছেন অনেকে। দলীয় সমর্থন পেলে ভোটে জয়ের পথ অনেকটা মসৃণ হয়ে যাবে বলে কারণ হিসেবে মনে করছেন তারা।

গণসংযোগসহ বিভিন্ন সামাজিক কাজকর্মে অংশ নিচ্ছেন উপজেলা চেয়ারম্যান পদের আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীরা। যোগাযোগ বৃদ্ধি করছেন তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে। মাঠের রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সরব তারা।

১৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত চকরিয়া উপজেলার সবশেষ ২০১৯ সালের নির্বাচনে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি আলহাজ্ব ফজলুল করিম সাঈদী। এবারও তিনি প্রার্থী হতে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি জনগণের ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। জনগণ আমাকে চায়। দলীয় প্রতীক যেহেতু এবার নেই, তাই কে প্রার্থী হবে- সেটা আমার দেখার বিষয় নয়। আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জনগণ আবারও প্রমাণ করবে, আমার বিগত দিনের সফলতা কী ছিল।’

চকরিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার ব্যাপারে যাদের নামে গুঞ্জন রয়েছে, তারা হলেন- বর্তমান চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, চকরিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রেজাউল করিম, জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য এটিএম জিয়া উদ্দিন চৌধুরী, পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাবেক আহ্বায়ক একেএম গিয়াস উদ্দিন, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সরওয়ার আলম, মাতামুহুরী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বাবলা, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন জয়নাল, সুরাজপুর-মানিকপুর ইউপি চেয়ারম্যান আজিমুল হক আজিম, মাতামুহুরী থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নুরে হাবিব তছলিম, চকরিয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শহীদুল ইসলাম শহীদ ও চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহেদুল ইসলাম লিটু।

উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে, তারা হলেন- বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান মকছুদুল হক ছুট্টো, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও পূজা কমিটির সভাপতি তপন কান্তি দাশ, সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি হায়দার আলী ও বেলাল উদ্দিন শান্ত।

এদিকে, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্বাচনে না যাওয়ার কারণে নির্বাচনি কার্যক্রমে এখন পর্যন্ত বিএনপির কোনো সম্ভাব্য প্রার্থী বা নেতা-কর্মীর তৎপরতা দেখা যায়নি। জাতীয় পার্টির প্রার্থীদেরও দেখা মিলছেনা আপাতত। তবে দলীয় সিদ্ধান্ত পেলে অনেকে প্রার্থী হতে পারেন বলে ধারণা স্থানীদের।

আরও পড়ুন:
উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থীদের জামানত বাড়ছে ১০ গুণ
সংসদ নির্বাচনের চেয়ে উপজেলা নির্বাচন ভালো হবে: ইসি আলমগীর
চার ধাপে উপজেলা নির্বাচন, প্রথম ধাপের ভোট ৪ মে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Government change must happen Nazrul

সরকার পরিবর্তন অবশ্যই হবে: নজরুল

সরকার পরিবর্তন অবশ্যই হবে: নজরুল বিএনপি নেতা ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুলের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাত করেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। ছবি: নিউজবাংলা
নজরুল ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছে যেন অত্যাচার-নিপীড়ন থেকে মুক্তি পায়। সরকার যেন সহায়তা করে, পুলিশ যেন জনগণের সেবা করে সে রকম একটা সমাজ আমরা প্রতিষ্ঠা করব।’

গণতন্ত্র ফেরানোর আন্দোলনে ‘সরকার পরিবর্তন অবশ্যই হবে’ বলে প্রত্যাশা করছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

রাজধানীর গোপীবাগে কারাবন্দি অবস্থায় মৃত্যু হওয়া ঢাকা মহানগর বিএনপি নেতা ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুলের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের পর শুক্রবার সকালে সাংবাদিকদের এ প্রত্যাশার কথা জানান তিনি।

নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা পরিবর্তন চাই এবং বিশ্বাস করি এ পরিবর্তন অবশ্যই হবে ইনশাআল্লাহ। আমরা অনেক আন্দোলনে বিজয়ী হয়েছি, স্বৈরাচারী এরশাদ পতনের আন্দোলনে আমরা বিজয়ী হয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য চেষ্টা করছি। এ বিএনপি বাকশালের (একদলীয় শাসন ব্যবস্থা) গোরস্তানের ওপর বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে, এ বিএনপি সামরিক স্বৈরশাসনের অবসানে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে। কাজেই এ বিএনপি ইনশাআল্লাহ আগামী দিনে আবারও বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করবে।’

সরকার পরিবর্তনের একদফার যুগপৎ আন্দোলন সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা যুগপৎ আন্দোলন করছি, সেই যুগপৎ আন্দোলন এখনও চলছে। তারা আমাদেরকে অভিযুক্ত করে যে, আমরা আন্দোলনে আর পারতেছি না… কয় বছর হয়েছে?

‘বিএনপি ক্ষমতার বাইরে ১৭ বছর। যাদের ২১ বছর লাগে ক্ষমতায় আসতে তাদের এই অভিযোগ করার কোনো অধিকার নাই যে, বিএনপি পারে না।’

বিরোধী নেতা-কর্মীদের ওপর দমন-পীড়নের অভিযোগ তুলে কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আপনি যেকোনো সময়ে না জানিয়ে কাউকে উঠিয়ে নিয়ে যাবেন, যেখানে সেখানে ফেলে রাখবেন, চিকিৎসা দেবেন না, অসুস্থ মানুষ বিনা চিকিৎসায় মারা যাবে এটা কোনো রাষ্ট্রের নীতি হতে পারে না।’

নজরুল ইসলাম বলেন, ‘অত্যাচার-নিপীড়ন যদি এভাবে চলত, তাহলে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন হতো না। যদি অত্যাচারিরা চিরদিন অত্যাচার করতে পারত, তাহলে ফেরাউন-নসরুদের পতন হতো না, হিটলার-মুসলিনের পতন হতো না। আমরা তাদের রক্তের বিনিময়, তাদের প্রাণের বিনিময় এ দেশে গণতন্ত্র পুনরায় প্রতিষ্ঠা করব ইনশাআল্লাহ।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছে যেন অত্যাচার-নিপীড়ন থেকে মুক্তি পায়। সরকার যেন সহায়তা করে, পুলিশ যেন জনগণের সেবা করে সে রকম একটা সমাজ আমরা প্রতিষ্ঠা করব।’

নজরুল ইসলাম জানান, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে তারা বুলবুলের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছেন। বিএনপি তার পরিবারের পাশে থাকবে বলেও জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য।

গত ২১ ডিসেম্বর গ্রেপ্তার হওয়া বুলবুল কাশিমপুর ২৪ নভেম্বর কাশিমপুরে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হৃদরোগে আক্রান্ত হলে তাকে সোহরাওয়ার্দি হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে নেয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত বলে জানান।

আরও পড়ুন:
সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপি ছাড়লেন সাভারের এক নেতা
দখলদারত্বে নতুন নজির গড়েছে আ. লীগ সরকার: বিএনপি
ফখরুল-খসরু জামিনে মুক্তি পেতে পারেন বিকেলে
খালেদার ১১ মামলার শুনানি ২২ এপ্রিল
জামিন আবেদন নাকচ, চাঁদের ঠিকানা শেরপুর কারাগার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Road blockade in protest against Swachips attempt to form a pocket committee in Barisal

বরিশালে স্বাচিপের ‘পকেট কমিটি’ গঠন চেষ্টার প্রতিবাদে বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ

বরিশালে স্বাচিপের ‘পকেট কমিটি’ গঠন চেষ্টার প্রতিবাদে বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ


বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বৃহস্পতিবার রাতে বিক্ষোভ মিছিল করেন ইন্টার্ন চিকিৎসক ও মেডিক্যাল কলেজ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। ছবি: নিউজবাংলা
ডা. আরিফুজ্জামান বলেন, ‘২৬ বছর পর বরিশালে স্বাচিপের কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, তবে সেই ২৬ বছর আগে যারা কমিটিতে ছিল, তারাই জামায়াত-বিএনপির লোকজন নিয়ে ছাত্রলীগের সহযোদ্ধাদের বঞ্চিত করে কমিটি গঠনের পাঁয়তারা করছে। এই ধরনের ঘটনা ঘটলে আমরা কঠোরতর আন্দোলনে যাব।’

স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) বরিশাল বিভাগীয় সম্মেলন এবং ‘পকেট কমিটি’ বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করেছেন শের-ই-বাংলা মেডিক‌্যাল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা।

হাসপাতালের সামনে বৃহস্পতিবার রাতে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও মেডিক‌্যাল কলেজ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা এ মিছিল করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্বাচিপের ‘পকেট কমিটি’ মানি না স্লোগান দিয়ে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিক‌্যাল কলেজের ইন্টার্ন চিকিৎসক ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা ইন্টার্ন হল থেকে মিছিল শুরু করে। বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে আসে। পরে তারা হাসপাতালের সামনের সড়কে অবস্থান নিয়ে স্বাচিপের সম্মেলন ও কমিটি নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন। সড়কে ২০ মিনিট অবস্থান করে কলেজের জরুরি বিভাগের সামনে এসে বিক্ষোভ মিছিল শেষ করেন।

মিছিলে ৫০ থেকে ৬০ জন ইন্টার্ন চিকিৎসক এবং মেডিক‌্যালের ছাত্রলীগের শতাধিক নেতা-কর্মী অংশ নেন।

বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিক‌্যাল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক ইমরান হোসাইন বলেন, ‘১৯৯৮ সালে স্বাচিপের বরিশালের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এরপর থেকে কোনো কমিটি হয়নি। কমিটি গঠনের লক্ষ্যে আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি সম্মেলন আহ্বান করা হয়েছে।

‘এ উদ্যোগের খবর জানতে পেরে আমরা উজ্জীবিত হয়েছি, কিন্তু শুনতে পাচ্ছি সম্মেলনের নামে পকেট কমিটি গঠন করা হবে। এতে বিএনপি-জামায়াতের লোকজনকেও রাখা হবে।’

ডা. ইমরান বলেন, ‘আমরা চাই ছাত্রলীগের সাবেক নেতা-কর্মীদের নিয়ে কমিটি গঠন করা হোক। যারা দুর্দিনে সংগঠনের হাল ধরেছিল।’

ডা. আরিফুজ্জামান বলেন, ‘২৬ বছর পর বরিশালে স্বাচিপের কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, তবে সেই ২৬ বছর আগে যারা কমিটিতে ছিল, তারাই জামায়াত-বিএনপির লোকজন নিয়ে ছাত্রলীগের সহযোদ্ধাদের বঞ্চিত করে কমিটি গঠনের পাঁয়তারা করছে। এই ধরনের ঘটনা ঘটলে আমরা কঠোরতর আন্দোলনে যাব।’

স্বাচিপের বরিশাল জেলা কমিটির সভাপতি ডা. কামরুল হাসান সেলিম সাংবাদিকদের জানান, বরিশাল ক্লাব মিলনায়তনে ২৫ ফেব্রুয়ারি স্বাচিপের বিভাগীয় সম্মেলন হবে। এতে স্বাচিপের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন।

তিনি জানান, সম্মেলনে বিভাগের ছয় জেলা ও বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিক‌্যাল কলেজ ইউনিট কমিটি গঠন নিয়ে আলোচনা হবে। কমিটি গঠন হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় নেতারা নেবেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Government will do everything to keep commodity prices bearable during Ramadan Who

রমজানে দ্রব্যমূল্য সহনীয় রাখতে সরকার সব করবে: কাদের

রমজানে দ্রব্যমূল্য সহনীয় রাখতে সরকার সব করবে: কাদের ফাইল ছবি
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ইতোমধ্যে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে টাস্কফোর্সের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং বিদেশ থেকে বিভিন্ন ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির সুযোগ সম্প্রসারিত করা হয়েছে। আমরা জনগণকে আশ্বস্ত করতে চাই, পবিত্র রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সরকার সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।’

পবিত্র রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সরকার সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে টাস্কফোর্সের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং বিদেশ থেকে বিভিন্ন ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির সুযোগ সম্প্রসারিত করা হয়েছে। আমরা জনগণকে আশ্বস্ত করতে চাই, পবিত্র রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সরকার সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।’

ওবায়দুল কাদের বৃহতিবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন। বিএনপি নেতাদের মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাতেই এই বিবৃতি। খবর বাসসের

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘দেশের মানুষের আয় বাড়েনি বলে বিএনপির এক নেতা নিলর্জ্জ মিথ্যাচার করছে। অথচ ২০০৬ সালে বিনএপি-জামাত শাসনামলে মাথাপিছু আয় ছিল ৫৪৩ ডলার, বর্তমানে মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৭৬৫ ডলার। এই সময়ের ব্যবধানে দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়েছে ৫ গুণের বেশি।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপির আমলে মঙ্গা-খরা ও দুর্যোগে না খেতে পেয়ে মানুষকে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে হতো, অর্ধাহারে-অনাহারে দিনাতিপাত করতে হতো। আর সেখানে বাংলাদেশ আজ সামগ্রিক খাদ্য উৎপাদন কয়েক গুণ বৃদ্ধি করতে এবং খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে কেউ না খেয়ে মারা যায় না; বরং গৃহহীন মানুষেরও গৃহ ও খাদ্যের সংস্থান করা হয়েছে। এসব তথ্য-উপাত্ত বিএনপি নেতৃবৃন্দ দেখতে পায় না। তারা তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে কথা বলে না; গায়ের জোরে মিথ্যাচার করে, অপপ্রচার চালিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। একইভাবে তারা দ্রব্যমূল্য নিয়েও মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। অথচ বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল বীরত্বপূর্ণ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতি ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করেছে। ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতির মানসপটে যে জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটেছিল, বিএনপি ধারাবাহিকভাবে সেই আদর্শ ও চেতনা বিরোধী রাজনীতি করে আসছে। যে কারণে তারা সর্বদাই মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শভিত্তিক গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার অপতৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, তারই ধারাবাহিকতায় বিএনপি নেতারা আজ সরকার বিরোধী সমালোচনার নামে মিথ্যা তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করে জাতিকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ ধরনের বাক্যালাপে জাতিকে বিভ্রান্ত করার অপপ্রয়াস নিঃসন্দেহে নিন্দনীয়।

তিনি বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যাপক অংশগ্রহণের মাধ্যমে জনগণ বিএনপিকে লাল কার্ড দেখিয়েছে। জনগণ দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পরও বিএনপি তাদের অপতৎপরতা ও ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকা- থেকে সরে আসেনি। সরকার নয়, বরং বিএনপিই একটি রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে গণতন্ত্র ও জনগণের ওপর জগদ্দল পাথরের ন্যায় চেপে বসেছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
One class wanted to erase Bangabandhus contribution to the language movement the Prime Minister

একটা শ্রেণি ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর অবদান মুছতে চেয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী

একটা শ্রেণি ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর অবদান মুছতে চেয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: ফোকাস বাংলা
বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, ইতিহাস বিকৃত করা ও বাংলাদেশের মানুষকে হেয় করা এক শ্রেণির মানুষের মজ্জাগত। তাদের কিছুই ভালো লাগে না, রোগ। এক সময় আমি বঙ্গবন্ধুর ভাষা আন্দোলন নিয়ে বক্তব্য দেয়ার ফলে একজন লিখলেন, আমি এগুলো মিথ্যা বলেছি। পরে এম আর আক্তার মুকুল সাহেবকে দিয়ে জবাবটা লেখালাম।

একটা শ্রেণি ভাষা আন্দোলনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানকে মুছে ফেলতে চেষ্টা করেছিল বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ইতিহাস বিকৃত করা ও বাংলাদেশের মানুষকে হেয় করা এই শ্রেণির মানুষের মজ্জাগত, তারা কিছুই ভালো লাগে না রোগে আক্রান্ত।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, ‘ইতিহাস বিকৃত করা ও বাংলাদেশের মানুষকে হেয় করা এক শ্রেণির মানুষের মজ্জাগত। তাদের কিছুই ভালো লাগে না, রোগ। এক সময় আমি বঙ্গবন্ধুর ভাষা আন্দোলন নিয়ে বক্তব্য দেয়ার ফলে একজন লিখলেন, আমি এগুলো মিথ্যা বলেছি। পরে এম আর আক্তার মুকুল সাহেবকে দিয়ে জবাবটা লেখালাম। সে সময়ে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গোয়েন্দা রিপোর্ট, বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী তখন তাকে দিলাম। বললাম, আপনিই লেখেন। আমরা তো চুনোপুঁটি। আমরা লিখলে হবে না। তো উনি লেখার পর সমালোচনাকারী, মিথ্যা দাবিকারীদের মুখ বন্ধ হয়ে গেল।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশের কিছু আঁতেল এক সময় বলেছে, শেখ মুজিব ভালো প্রশাসক ছিলেন না। অথচ, যে সেক্টরে হাত দিয়েছি, দেখেছি মূল কাজটা বঙ্গবন্ধু করে দিয়ে গেছেন। মাত্র সাড়ে তিন বছরে একটা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ে তোলার কাজ করেছেন। স্বল্পোন্নত দেশ করে দিয়ে গেছেন। তার দেখানো পথেই আমরা এগিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বঙ্গবন্ধু তার সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। ভাষা আন্দোলন থেকে যে চেতনা, তার থেকেই আমাদের স্বাধীকার ও স্বাধীনতা আসে। জাতির পিতা এটি তার আত্মজীবনীতেও লিখেছেন, ৫২ থেকে শুরু হওয়া আন্দোলন একাত্তরের স্বাধীনতার মধ্য দিয়ে শেষ হয়।’

শেখ হাসিনা উল্লেখ করেন, ‘আওয়ামী লীগ ১৯৪৯ সালে ও ছাত্রলীগ ১৯৪৮ সালে গঠিত। এই দেশের যতটুকু অর্জন, তা আওয়ামী লীগের হাত ধরেই হয়েছে। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে সব আন্দোলনে আওয়ামী লীগ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে।’

এ সময় বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘তাদের কাছ থেকে গণতন্ত্রের সবক শুনতে হয়। অথচ তারা নানান উপায়ে বঙ্গবন্ধুকে মানুষের মন থেকে মুছে ফেলতে চেয়েছে। বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর স্বাধীনতাবিরোধীদের হাতে চলে যায় আমাদের পতাকা। ইনডেমনিটি দিয়ে বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচারের পথ রুদ্ধ করেছে। খুনিদের পুনর্বাসন করে নানান জায়গায় পদায়ন করেছে। স্বাধীনতাবিরোধীদের হাতে তুলে দিয়েছে আমাদের দেশের পতাকা।’

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন- আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, ড. আব্দুর রাজ্জাক, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আতাউর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান প্রমুখ।

মন্তব্য

p
উপরে