× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Even after arriving at 51 the plane is digging
hear-news
player
google_news print-icon

একান্নতে এসেও খোঁড়াচ্ছে বিমান

একান্নতে-এসেও-খোঁড়াচ্ছে-বিমান
চালুর ৫১ বছরে এসেও দেশের আকাশপথের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেনি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
বিমানের বহরে রয়েছে ২১টি উড়োজাহাজ, যার মধ্যে ১৮টিই নিজস্ব। বলা হয়, বিমানের এই বহরটি দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে নবীন ও অত্যাধুনিক বহর। তারপরও দেশের বাজারের সামান্যই নিয়ন্ত্রণ রয়েছে বিমানের কাছে। দেশে বর্তমানে ৩০টিরও বেশি বিদেশি এয়ারলাইনস সক্রিয়, যারা দেশের এভিয়েশন বাজারের ৮০ ভাগ নিয়ন্ত্রণ করে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরপরই ১৯৭২ সালের ৪ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে প্রতিষ্ঠা হয় রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত এটিই ছিল দেশের একমাত্র আকাশ পরিবহন সংস্থা।

এমিরেটস, কাতার এয়ার, মালয়েশিয়ান এয়ারলাইনস ও সিঙ্গাপুর এয়ার- সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর এসব প্রতিষ্ঠানের যাত্রাও প্রায় একই সময়ে। গত ৫১ বছরে ওই প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের সক্ষমতা বাড়িয়েছে কয়েক গুণ, যার ধারেকাছেও নেই বিমান। আর এই সুদীর্ঘ সময়েও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানটি যেন খুঁড়িয়ে চলছে। নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেনি দেশের আকাশপথের।

বর্তমানে বিমানের বহরে রয়েছে ২১টি উড়োজাহাজ, যার মধ্যে ১৮টিই নিজস্ব। এই উড়োজাহাজগুলোর প্রতিটিই অত্যাধুনিক প্রযুক্তির। বহরে এগুলো যুক্ত হয়েছে গত ১৪ বছরে। বলা হয়, বিমানের এই বহরটি দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে নবীন ও অত্যাধুনিক বহর।

নবীন বহর থাকার পরও দেশি বাজারের সামান্যই নিয়ন্ত্রণ রয়েছে বিমানের কাছে। দেশে বর্তমানে ৩০টিরও বেশি বিদেশি এয়ারলাইনস সক্রিয়। দেশের এভিয়েশন বাজারের ৮০ ভাগই নিয়ন্ত্রণ করে এসব এয়ারলাইনস। এর মধ্যে রয়েছে এমিরেটস, কাতার এয়ার, সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনস, ওমান এয়ার, এয়ার এশিয়া, মালয়েশিয়ান এয়ার, টার্কিশ এয়ার ইত্যাদি।

অবশ্য এই নবীন বহরের ওপর ভর করেই ভবিষ্যতে এশিয়ার শীর্ষ তিন এয়ারলাইনসের একটি হতে চায় বিমান।

বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শফিউল আজিম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের ভিশন আছে এশিয়ার টপ টেন এয়ারলাইনসে যাওয়ার। পরবর্তী সময়ে আমরা টপ থ্রিতে যাব। সে লক্ষ্যে আমাদের যে কার্যক্রম শুরু করেছি। আমাদের বহর বাড়ছে। যেখানে দরকার সেখানে দক্ষ পাইলট নিয়োগ, কেবিন ক্রুদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য সব সিদ্ধান্ত আমরা নিয়ে নিচ্ছি।

‘গত কয়েক বছরে প্রধানমন্ত্রীর নিজের চিন্তার প্রতিফলন অনুবাদ করতে যাচ্ছি। এর জন্য দরকার বিমানের আধুনিকায়ন। একই সঙ্গে পরিচালনায় যারা আছে তাদের মধ্যে সুশাসন নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তাদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা, ভালো কাজের জন্য পুরস্কৃত করা। এর ব্যত্যয় হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া। জনগণের টাকায় কেনা…, এই বিপুল অর্থ যে আমরা বিনিয়োগ করছি সেটির প্রতি যত্নবান হওয়া দরকার। এটা প্রত্যেকের দায়িত্ব।’

বর্তমানে ৪০টির বেশি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের এয়ার সার্ভিস অ্যাগ্রিমেন্ট বা ফ্লাইট চলাচল চুক্তি রয়েছে। অর্থাৎ এ দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশ সরাসরি আকাশপথে যুক্ত হতে পারে। তবে সে সুযোগ এখনও কাজে লাগাতে পারেনি বিমান। বর্তমানে ২০টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে রয়েছে বিমানের ফ্লাইট।

সরকারের এভিয়েশনবান্ধব নীতি না থাকা এই ব্যর্থতার কারণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিমান পরিচালনা পর্ষদের সাবেক পরিচালক কাজী ওয়াহেদুল আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মার্কেট ডমিনেশনের মূল কাজটি করে থাকে ন্যাশনাল ক্যারিয়ার। আমাদের এখানে এক সময় ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ বাজার বিমান একা নিয়ন্ত্রণ করত। সেই বাজার কমতে কমতে বিশের নিচে নেমে এসেছে। এই সময়টাতে দেশি-বিদেশি এয়ারলাইনস বেড়েছে, তাদের ফ্লাইট সংখ্যাও বেড়েছে। বিদেশি এয়ারলাইনসগুলো যেভাবে এগিয়েছে বিমান সেভাবে পারেনি।’

তিনি বলেন, ‘দেশি এয়ারলাইনসকে এগিয়ে নিতে যে ধরনের নীতি-সহযোগিতা সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজন তা নেই। ফুয়েলের দাম, ট্যাক্স স্ট্রাকচার, সারচার্জ নেই। ফলে স্থানীয় এয়ারলাইনসগুলো সুবিধা করতে পারছে না। নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে তারা। এখানে এভিয়েশন ফ্রেন্ডলি পলিসি না হওয়াটা একটি বড় কারণ। এগুলো পেরিয়ে দেশি এয়ারলাইনসগুলোর এগিয়ে যাওয়া কঠিন। সরকার সহযোগিতা না করলে এরা বেশিদূর যেতে পারবে না।’

বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবশ্য আশাবাদী। শফিউল আজিম বলেন, ‘নারিতা, চেন্নাই ও মালেতে ফ্লাইট শুরুর বিষয়ে আমরা অনেকদূর এগিয়েছি। আশা করছি হজ অপারেশনের পরপরই আমরা নারিতায় ফ্লাইট শুরু করতে পারব। টরন্টোতে ভালো রেসপন্স পাচ্ছি। এখানে ফ্রিকোয়েন্সি বৃদ্ধির জন্য আমাদের কাছে ডিমান্ড আছে।

‘বিমানের লন্ডন ও ম্যানচেস্টার ফ্লাইট আমরা মধ্যপ্রাচ্যের যাত্রীদের ফিডব্যাক নিয়ে প্রয়োজনে রি-অ্যারেঞ্জ করব। যেখানে আমাদের ঘাটতি আছে সেখানে সক্ষমতা বৃদ্ধির কাজ করছি।

‘২০টি আন্তর্জাতিক রুটে আমরা যাচ্ছি। প্রবাসীদের টার্গেট করে আমরা আমাদের মার্কেট এক্সপানশনের চেষ্টা করছি। সামনের দিনগুলোতে নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করতে আমরা কাজ করছি। আমাদের পরিকল্পনা আছে।’

শফিউল আজিম দাবি করেন, লোকসানের চক্র থেকে বেরিয়ে আসছে বিমান। রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানটি এ বছর ৪৩৬ কোটি টাকা নিট মুনাফা করেছে। বিমান জাতীয় প্রতিষ্ঠান। রাষ্ট্রের প্রতি বিমানের দায়বদ্ধতা আছে। আমরা শুধু ব্যবসা পরিচালনা করি না। যাত্রীরা যাতে উন্নত সেবায় সর্বনিম্ন খরচে ভ্রমণ করতে পারে সে ব্যবস্থা আমরা করে থাকি।’

সরকারের রূপকল্পের সঙ্গে অ্যালাইন করে ২০৩০ সালের মধ্যে বিমানকে অন্য পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বিমানের এমডি। তিনি বলেন, ‘আমাদের নেটওয়ার্ক বিস্তৃত হবে। বহরে নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হবে। কার্গো সার্ভিস উন্নত হবে। গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা আধুনিক বিমানবন্দরের মতো নিতে কর্মপরিকল্পনা নেব।’

বহরে থাকা উড়োজাহাজগুলোর সক্ষমতা ব্যবহারও বেড়েছে বলে দাবি করেন তিনি। বলেন, ‘আমাদের উড়োজাহাজের ইউটিলাইজেশন হলো এখন ১৪ ঘণ্টা। স্ট্যান্ডার্ডের উপরে আছি। বড় উড়োজাহাজগুলোর অপটিমাম ইউটিলাইজেশন আমরা এখন করছি। পাইলট রিক্রুটমেন্টের কাজ শেষ করেছি। আন্ডার ইউটিলাইজ থাকার সুযোগ নেই। কোনো কারনে কোনো পাইলট কাজ করতে না পারেন এখন পর্যাপ্ত পাইলট আমাদের হাতে থাকবে।

‘হজকে আমরা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকি। আসন্ন হজ মৌসুম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আমরা এখন থেকেই কাজ শুরু করেছি। নিজস্ব বহরের উড়োজাহাজ দিয়েই আমরা হজ অপারেশন করব। কোনো লিজে আমরা যাব না। সে অনুযায়ী আমরা আমাদের কর্মপরিকল্পনা সাজাচ্ছি।’

আরও পড়ুন:
বিমানে সৈয়দপুর থেকে সরাসরি কক্সবাজার
সৈয়দপুর-কক্সবাজার ফ্লাইট চালাবে বিমান
এবার চট্টগ্রাম–সিলেট রুটে বিমানের ফ্লাইট
মার্চে চালু বিমানের টরন্টো, টোকিও ও চেন্নাই ফ্লাইট
ইজিপ্ট এয়ারের উড়োজাহাজ ভাড়ায় অনিয়ম: সংসদীয় কমিটি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Eastern Housing Youth Welfare Associations Fun Trip

ইস্টার্ন হাউজিং যুব কল্যাণ সমিতির আনন্দ ভ্রমণ

ইস্টার্ন হাউজিং যুব কল্যাণ সমিতির আনন্দ ভ্রমণ গত ২৬ থেকে ২৯ জানুয়ারি কক্সবাজার ভ্রমণ করেন ইস্টার্ন হাউজিং যুব কল্যাণ সমিতির সদস্যরা। ছবি: নিউজবাংলা
আনন্দ ভ্রমণের আহ্বায়ক ছিলেন জহির স্টিল অ্যান্ড রি-রোলিং মিলস লিমিটেডের (জেডএসআরএম) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আলহাজ মো. হুমায়ুন কবির।

কক্সবাজারে আনন্দ ভ্রমণ করেছে ইস্টার্ন হাউজিং যুব কল্যাণ সমিতি।

ঢাকা থেকে কক্সবাজারে গিয়ে গত ২৬ থেকে ২৯ জানুয়ারি এ ভ্রমণ করেন সমিতির সদস্যরা।

আনন্দ ভ্রমণের আহ্বায়ক ছিলেন জহির স্টিল অ্যান্ড রি-রোলিং মিলস লিমিটেডের (জেডএসআরএম) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আলহাজ মো. হুমায়ুন কবির।

আনন্দ ভ্রমণের সদস্য সচিব ছিলেন ইস্টার্ন হাউজিং যুব কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদুল সরকার।

আরও পড়ুন:
ইস্টার্ন হাউজিংয়ের সব প্রকল্প বন্ধ চান মেয়র আতিক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Pie festival in Switzerland

সুইজারল্যান্ডে বাঙালির পিঠা উৎসব

সুইজারল্যান্ডে বাঙালির পিঠা উৎসব জেনেভায় অনুষ্ঠিত হলো বাঙালির ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসব। ছবি: নিউজবাংলা
জেনেভা বাংলা পাঠশালা ২০১৩ সাল থেকে প্রবাসী বাঙালি পরিবারের শিশুদের বাংলা ভাষার পাঠদানসহ নিয়মিত সাংস্কৃতিক শিক্ষা ও কার্যক্রমের আয়োজন করে আসছে। বাংলা পাঠশালার ১০ বছর পূর্তিতে মূল সংগঠন বাংলা সুইস কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ ও ভারতের বাংলাভাষীদের সমন্বয়ে নতুন রূপে পুনর্গঠিত হয়ে বছরব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে।

সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হলো বাঙালির ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসব।

জেনেভার বাংলা পাঠশালায় রোববার সেখানে বসবাসরত বাঙালি পরিবারগুলোর অংশগ্রহণে উৎসবমুখর এ আয়োজনে হরেকরকম পিঠার পাশাপাশি ছিল চমৎকার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

পুনর্গঠিত বাংলা সুইস কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন (বিএসসিএ)-এর আয়োজনে, সভাপতি রিয়াজুল হক ফরহাদের নেতৃত্বে, সাধারণ সম্পাদক এহতেশামুল হকের সঞ্চালনায় এবং আরিনুল হক ও ফারানা হকের সার্বিক সহায়তায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্য পরিবেশন করে বাংলা পাঠশালার শিক্ষার্থী মাদিহা, নিতু, আফসার, দিলারা, সুনিষ্কা, বিভোর, রোদেলা এবং অতিথি শিল্পীরা।

সুইজারল্যান্ডে বাঙালির পিঠা উৎসব

জেনেভা বাংলা পাঠশালা ২০১৩ সাল থেকে প্রবাসী বাঙালি পরিবারের শিশুদের বাংলা ভাষার পাঠদানসহ নিয়মিত সাংস্কৃতিক শিক্ষা ও কার্যক্রমের আয়োজন করে আসছে। বাংলা পাঠশালার ১০ বছর পূর্তিতে মূল সংগঠন বাংলা সুইস কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ ও ভারতের বাংলাভাষীদের সমন্বয়ে নতুন রূপে পুনর্গঠিত হয়ে বছরব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে।

বাংলা পাঠশালার পরবর্তী আয়োজন ফেব্রুয়ারিতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন।

আরও পড়ুন:
তালের রাজ্যে পিঠার উৎসব
সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা পেল পিঠার স্বাদ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Final notification banning saka fish

সাকার মাছ নিষিদ্ধ করে চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন

সাকার মাছ নিষিদ্ধ করে চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন সাকারমাউথ ক্যাটফিশ, যা বাংলাদেশে সাকার মাছ নামে পরিচিত। ছবি: সংগৃহীত
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এখন থেকে কেউ সাকার মাছ আমদানি, চাষ, পরিবহন, বিক্রি, সরবরাহ ও সংরক্ষণ করতে পারবে না।

সরকার চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে সাকারমাউথ ক্যাটফিশ নিষিদ্ধ করেছে। স্থানীয়ভাবে এই মাছ সাকার মাছ হিসেবে পরিচিত।

বুধবার এক তথ্য বিবরণীতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মৃণাল কান্তি দে ১১ জানুয়ারি এই মাছ নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপনটি জারি করেন।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এখন থেকে কেউ সাকার মাছ আমদানি, চাষ, পরিবহন, বিক্রি, সরবরাহ ও সংরক্ষণ করতে পারবে না।

গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর মন্ত্রণালয় সাকার মাছ নিষিদ্ধ করতে প্রটেকশন অ্যান্ড কনজারভেশন অফ ফিশ অ্যাক্ট, ১৯০৫ এর ১৮ নম্বর ধারা সংশোধন প্রস্তাব প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করে।

এ ব্যাপারে কারও কোনো আপত্তি বা পরামর্শ থাকলে দুই মাসের মধ্যে মন্ত্রণালয়ের কাছে তা পেশ করতে বলা হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
23 lakh fine for sale of adulterated baby food and cosmetics

ভেজাল শিশুখাদ্য ও প্রসাধনী বিক্রি, ২৩ লাখ টাকা জরিমানা

ভেজাল শিশুখাদ্য ও প্রসাধনী বিক্রি, ২৩ লাখ টাকা জরিমানা র‍্যাবের অভিযানে আটক কয়েকজন। ছবি: নিউজবাংলা
সাভার ও কেরানীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে শিশুখাদ্য, নকল প্রসাধনী এবং বৈদ্যুতিক তার উৎপাদন, মজুদ ও বিক্রির অভিযোগে ১২ প্রতিষ্ঠানকে ২৩ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

ভেজাল শিশুখাদ্য, নকল প্রসাধনী ও বৈদ্যুতিক তার উৎপাদন, মজুদ ও বিক্রির অভিযোগে ১২টি প্রতিষ্ঠানকে ২৩ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার ঢাকার সাভার ও কেরাণীগঞ্জ এলাকায় দিনভর অভিযান চালিয়ে এই জরিমানা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন র‌্যাব সদর দপ্তরে দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাজহারুল ইসলাম। আদালতকে সহায়তা করে র‌্যাব-১০ ও বিএসটিআই-এর প্রতিনিধিরা।

মঙ্গলবার বিকেলে র‌্যাব-১০ এর সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) এনায়েত কবীর সোয়েব গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

এনায়েত কবীর জানান, অভিযান পরিচালনার সময় ভেজাল শিশু খাদ্য, নকল প্রসাধনী ও বৈদ্যুতিক তার উৎপাদন, মজুদ ও বিক্রির প্রমাণ পায় আদালত। এসব অপরাধে ম্যাডাম কসমেটিক্স লিমিটেডকে ৫০ হাজার টাকা, মেসার্স এলিগেন্সি ক্যাবল ফ্যাক্টরিকে ৫ লাখ টাকা, এএমএস ফুড প্রোডক্টসকে ১ লাখ টাকা, এবিটিং ফ্লেভারড ড্রিকংস পাউডারকে ৫০ হাজার টাকা, রমজান ফুড প্রডাক্টাসকে ২০ হাজার টাকা, ইমন কসমেটিক্সকে ১ লাখ টাকা, লিপি ইঞ্জিনিয়ারিংকে ৫ লাখ টাকা, অলিভ বাংলাদেশ লিমিটেডকে ৫ লাখ টাকা, মোজাম্মেল দই ঘরকে ১ লাখ টাকা, আল আলাক লিভিরাইজকে ১ লাখ টাকা, আলমগীর কসমেটিক্সকে ১ লাখ টাকা এবং এনআরজি ক্যাবলসকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া বেশকিছু নকল বৈদ্যুতিক তার, ভেজাল শিশুখাদ্য ও প্রসাধনী ধ্বংস করা হয়।

আরও পড়ুন:
এয়ারগানে পাখি শিকারের দায়ে ৬ মাসের জেল
ফুটপাতের নির্মাণ সামগ্রী নিলামে বিক্রি
নিষেধাজ্ঞা না মেনে ইলিশ শিকার, বরিশালে ৭২৪ জেলের কারাদণ্ড
নগরে এডিস মশার লার্ভা, দেড় লাখ টাকা জরিমানা
ভ্রাম্যমাণ আদালতের ওপর হামলা, ৩ পুলিশ আহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sea Pearl of Coxs Bazar is the best in the world

কক্সবাজারের ‘সি পার্ল’ বিশ্বসেরা

কক্সবাজারের ‘সি পার্ল’ বিশ্বসেরা কক্সবাজারের ইনানী বিচে স্থাপিত পাঁচ তারকা হোটেল সি পার্ল। ছবি: সংগৃহীত
সেরা বিচ সাইড লাক্সারি হোটেল অ্যাওয়ার্ডের পাশাপাশি সেরা লাক্সারি স্পা অ্যাওয়ার্ডও জিতেছে সি পার্ল। এছাড়া সেরা জেনারেল ম্যানেজার অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা-এর গ্রুপ জিএম আজিম শাহ।

পৃথিবীর সেরা লাক্সারি হোটেলগুলোর মধ্য থেকে বাছাই করে সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা-কে পৃথিবীর সেরা বিচ সাইড লাক্সারি রিসোর্ট হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে গ্লোবাল অর্গানাইজেশন। সে সুবাদে দ্য ওয়ার্ল্ড লাক্সারি হোটেল অ্যাওয়ার্ডস জিতে নিয়েছে সি পার্ল।

সেরা বিচ সাইড লাক্সারি হোটেল অ্যাওয়ার্ডের পাশাপাশি সেরা লাক্সারি স্পা অ্যাওয়ার্ডও জিতেছে সি পার্ল। এছাড়া সেরা জেনারেল ম্যানেজার অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা-এর গ্রুপ জিএম আজিম শাহ।

বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। অনুষ্ঠানে কোম্পানির জিএম আজিম শাহ, সেক্রেটারি আজহার মামুনসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

কক্সবাজারের ‘সি পার্ল’ বিশ্বসেরা
হোটেল সি পার্ল-এর পক্ষ থেকে বুধবার রাজধানীতে সংবাদ সম্মেলন করে অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্তির কথা জানানো হয়। ছবি: নিউজবাংলা

পৃথিবীর বিভিন্ন ফাইভ স্টার হোটেল ও রিসোর্ট পরিচালনার অভিজ্ঞতা নিয়ে সি পার্লের দায়িত্ব নেয়া আজিম শাহ বলেন, ‘আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্য সি পার্ল পরিবার অত্যন্ত সম্মানিত এবং আনন্দিত। এই স্বীকৃতি শুধু সি পার্ল-এর নয়; পুরো বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের জন্য এটি একটি অনন্য স্বীকৃতি। এমন অর্জন লাক্সারি রিসোর্ট হিসেবে নয় আগত অতিথিদের সেবা প্রদান নিশ্চিতের দায়বদ্ধতা বাড়িয়ে তোলে।’

কক্সবাজারের ইনানী বিচে ২৫ একর জমির ওপর স্থাপিত পাঁচ তারকা হোটেল সি পার্ল। ২০১৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর চালু হওয়া এই হোটেলে ৪৯৩টি কক্ষ ও স্যুট রয়েছে। পাশাপাশি ৯টি রেস্টুরেন্ট, ৩টি বার, ৬টি মিটিং ও কনভেনশন ভেন্যু, ২টি সুইমিংপুল, টেনিস ও ব্যাডমিন্টন কোর্টসহ নানা সুবিধা সি পার্ল কক্সবাজারকে দেশের লাক্সারি রিসোর্টের কাতারে শীর্ষ স্থান এনে দিয়েছে।

আরও পড়ুন:
‘মাস্টারকার্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২২’ প্রদান
কেএসআরএম অ্যাওয়ার্ড পেলেন তিন তরুণ স্থপতি
নাশিদ-আরমীনের অ্যালবাম পেল গ্র্যামি মনোনয়ন
তরুণরাই দেশকে এগিয়ে নেবে: জয়
ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড: সেরা রণবীর-কৃতি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
How to go to Turkey and where to travel

তুরস্কে কীভাবে যাবেন, কোথায় ঘুরবেন

তুরস্কে কীভাবে যাবেন, কোথায় ঘুরবেন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জন্য বিশ্বজোড়া খ্যাতি আছে তুরস্কের। ছবি: গোযায়ান
তুরস্ক যেতে প্রথমেই প্রয়োজন ভিসার। দেশটির জন্য এখন অনলাইনে আবেদন করে ই-ভিসা পাওয়া সম্ভব। ভিসা পেতে ন্যূনতম ৬ মাস মেয়াদি পাসপোর্ট, হোটেল বুকিং, ব্যাংক স্টেটমেন্টের মতো কাগজপত্রের দরকার পড়ে। ঘুরতে যাওয়ার অন্তত কয়েক মাস আগে থেকে ভিসার প্রস্তুতি নেয়া শুরু করা দরকার।

এশিয়া ও ইউরোপে বিস্তৃত তুরস্ককে বলা হয় পূর্বের সংস্কৃতি ও পশ্চিমের জীবনধারার মিলনস্থল। মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের তুলনায় কিছুটা ভিন্ন তুর্কি সংস্কৃতি। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ঐতিহাসিক নিদর্শনের দিক থেকেও দেশটির নেই জুড়ি। একদিকে ফিরোজা নীল পানির সৈকত, অন্যদিকে গ্রিক, পারসিয়ান, লিসিয়ান, উসমানীয় সম্রাজ্যের ঐতিহ্য। এসব কারণে ভ্রমণপিপাসুদের অন্যতম আকর্ষণ তুরস্ক।

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস মহামারি কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে এলে ২০২২ সালে পর্যটকের বেশ আনাগোনা দেখা যায় তুরস্কে। দেশটির সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের ডেটা অনুযায়ী, ২০২২ সালের প্রথম ছয় মাসে তুরস্ক ভ্রমণ করা বিদেশির সংখ্যা ছিল ১ কোটি ৬৪ লাখ। পর্যটকের সংখ্যা ২০২১ সালের একই সময়ের তুলনায় বাড়ে ১৮৫.৭ শতাংশ।

বাংলাদেশ থেকে তুরস্কগামী পর্যটকের সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে। তুরস্কে যাওয়ার খরচ একটু বেশি হলেও দেশটি একবার ঘুরলে সিদ্ধান্তটা হয়তো অযৌক্তিক মনে হবে না।

তুরস্কে কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন এবং কী কী করবেন, তার বিস্তারিত আজ জানাব আপনাদের।

কীভাবে যাবেন

তুরস্ক যেতে প্রথমেই প্রয়োজন ভিসার। দেশটির জন্য এখন অনলাইনে আবেদন করে ই-ভিসা পাওয়া সম্ভব। ভিসা পেতে ন্যূনতম ৬ মাস মেয়াদি পাসপোর্ট, হোটেল বুকিং, ব্যাংক স্টেটমেন্টের মতো কাগজপত্রের দরকার পড়ে। ঘুরতে যাওয়ার অন্তত কয়েক মাস আগে থেকে ভিসার প্রস্তুতি নেয়া শুরু করা দরকার।

ভিসা নিশ্চিত হওয়ার পরই ঠিক করতে হবে ফ্লাইট বুকিং। ফ্লাইটটি সাধারণত বেশ লম্বা হয়ে থাকে। তা ছাড়া সঙ্গে থাকতে পারে ভিন্ন কোন দেশে যাত্রাবিরতিও। সরাসরি ফ্লাইটের ক্ষেত্রে সফরটি প্রায় ৯ ঘণ্টার হয়ে থাকে। তাই তুরস্কে যেতে লম্বা বিমানপথে ভ্রমণের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে।

বিমানপথে তুরস্ক যাওয়া ব্যয়বহুল হলেও একটু সচেতনভাবে বুকিং করলে কিছু খরচ বাঁচানো সম্ভব। প্রথমতই কয়েক মাস আগে বুকিং করলে ফ্লাইটের দাম সাধারণের তুলনায় কম পাওয়া যায়। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের দামের মাঝে তারতম্য করে আপনার জন্য সেরা ফ্লাইট বেছে নিতে দেখে নিতে পারেন গোযায়ান

এ প্ল্যাটফর্মে মুহূর্তের মধ্যে দেখে নেয়া যায় ফ্লাইটের সময়, দাম, যাত্রাবিরতির সময়, ব্যাগেজ সীমার মতে বিষয়। তাদের ওয়েবসাইট বা অ্যাপ ব্যবহার করে দেশের যেকোনো জায়গা থেকে আপনি বুক করে ফেলতে পারবেন ফ্লাইট। তাই তুরস্কের ফ্লাইট বুক করাও হতে পারে একেবারেই ঝামেলামুক্ত।

কোথায় ঘুরবেন

তুরস্কের মূল আকর্ষণ গোটা ইস্তাম্বুল শহর। আয়া সোফিয়া, টপকাপি প্যালেস, ব্লু মস্ক ঘুরলে দেখতে পারবেন অসাধারণ কিছু স্থাপত্যশৈলী। বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের শ্রেষ্ঠ স্থাপত্যকর্মগুলোর একটি আয়া সোফিয়া। অন্যদিকে টপকাপি প্যালেস ছিল উসমানীয় সম্রাজ্যের প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু। সূক্ষ্ম কাজ করা টাইলস দিয়ে তৈরি গোটা প্রাসাদ। এখান থেকে দিগন্ত বিস্তৃত ইস্তাম্বুলকে একনজরে দেখে নেয়া যায়। এর বাইরে ইস্তাম্বুলের গ্র্যান্ড বাজার, রুস্তম পাশা মসজিদ, বসফরাস প্রণালির মতো গন্তব্যগুলো পর্যটকদের কাছে অন্যতম আকর্ষণীয়।

ইস্তাম্বুলের পর তুরস্কের সবচেয়ে জনপ্রিয় শহর ক্যাপাডোসিয়া। শহরটির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ রং-বেরঙের হট এয়ার বেলুন। প্রতি বছর প্রায় ৫ লাখ মানুষ ক্যাপাডোসিয়া ঘুরতে যান শুধু হট এয়ার বেলুনে চড়তে। শহরটি ইট, পাথর, বালুর ভবনের পরিবর্তে গড়ে তোলা হয়েছে প্রাকৃতিক পাথর দিয়ে। খোদাই করা এসব পাহাড়ে ভবন আছে আট তলা পর্যন্ত।

বদরাম, আনাতোলিয়া, পামুক্কালে, ইজমিরের মতো শহরগুলো ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত। পামুক্কালে শব্দের অর্থ ‘তুলার প্রাসাদ’। এমন নামের পেছনে রয়েছে প্রাকৃতিক ঘটনা। পামুক্কালেতে প্রাকৃতিকভাবে গরম পানির জলাধার পাওয়া যায়। সাদা পাথরের মাঝে হালকা নীল পানি দেখতে তুলার মতো বলেই এমন নামকরণ করা হয়।

সব মিলিয়ে বলা যায়, তুরস্কের একটা শহর ঘোরার চেয়ে একেবারে বেশ কয়েকটি শহরের তালিকা নিয়ে ঘুরতে বের হলেই বেশি ভালো হয়। আর কোন কোন শহর ঘুরবেন, তা বাক্সবন্দি ট্যুরের মাঝে আটকানো যায় না। এ সমস্যার সমাধান করতেও দেখে নিতে পারেন গোযায়ান। প্রতিটি শহরে থাকার জায়গা ও অ্যাকটিভিটি পছন্দ করে নিতে পারবেন একেবারে নিজের মতো করে।

কী কী খাবেন

মধ্যপ্রাচ্যের কাবাবের খ্যাতি বিশ্বজোড়া। সেই কাবাবের স্বাদ নিতে তুরস্কের তুলনা হয় না। মানটি, কোফতা, শিশ কাবাব, ইস্কেন্দের কাবাব, পিডে ইত্যাদি তুরস্কের জনপ্রিয় খাবার। এগুলোর সবই গরু বা ভেড়ার মাংস দিয়ে তৈরি। খাবারগুলো তুরস্কের মোটামুটি সব জায়গাতেই পাওয়া যায়।

শুধু মাংস আর কাবাবেই আটকে নেই তুরস্কের খ্যাতি। দেশটিতে আছে বেশ কিছু জনপ্রিয় নিরামিষ খাবারও। লতা দিয়ে মোড়ানো চাল, পেঁয়াজ, পুদিনা দিয়ে তৈরি ঐতিহ্যবাহী একটি খাবারের নাম ইয়াপ্রাক সারমা। দোলমা নামের একটি খাবারও দেশটিতে জনপ্রিয়, যাতে বেগুনের বা ক্যাপসিক্যামের খোসার মাঝে চাল ও পেঁয়াজের একটা সংমিশ্রণ রান্না করা হয়। তা ছাড়া হামাস, মেজেও জনপ্রিয় খাবার।

পর্যটকদের কাছে তুরস্কের স্ট্রিট ফুডের কদর আছে। সড়কের পাশে বসানো দোকানগুলোর সবচেয়ে আলোচিত খাবারগুলোর মধ্যে রয়েছে দুরুম নামের রোল, সিমিত নামের বিশেষ রুটি এবং বোরেক।

মিষ্টির মধ্যে তুরস্কে জনপ্রিয় হলো টার্কিশ ডিলাইট, যাকে স্থানীয় ভাষায় বলা হয় লোকাম। পনির দিয়ে তৈরি কুনাফাও তুরস্কের অন্যতম জনপ্রিয় খাবার। আমাদের দেশের জনপ্রিয় হালুয়ার মতো তুরস্কেও এক ধরনের হালুয়া পাওয়া যায়। তবে দেশটিতে হালুয়া তাহিনি বা তিল দিয়ে তৈরি হয়।

চেখে দেখতে পারেন তুরস্কের চা ও কফি। বিশেষ পদ্ধতিতে বানানো হয় চা ও কফি। গরম বালির ওপর বানানো এই পানীয়গুলোর স্বাদ একেবারেই অন্যরকম বলে দাবি করেন পর্যটকরা। তুরস্কের কফি বেশ ঘন ও তিক্ত স্বাদের হয়ে থাকে। অন্যদিকে তুরস্কের চা সুগন্ধি ও হালকা হয়।

ইতিহাস, ঐতিহ্য, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সুস্বাদু খাবার—সব দিক দিয়েই অনন্য তুরস্ক। তুরস্ক যাওয়ার সেরা সময় এপ্রিল থেকে অক্টোবর পর্যন্ত। তাই এখনই পরিকল্পনা করে ফেলুন ভ্রমণের বিষয়টি।

আরও পড়ুন:
ইস্তাম্বুলে বিস্ফোরণ: ‘বোমা রাখা ব্যক্তি’ গ্রেপ্তার
ইস্তাম্বুলে বিস্ফোরণ: নিরাপদে আছেন বাংলাদেশিরা  
কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
সফল হয়েও শেষ রক্ষা হলো না ইস্তাম্বুলের চোরদের
তুরস্কে কয়লাখনিতে বিস্ফোরণ, ২৫ মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
US brings two new Airbus to Bengal

ইউএস বাংলা আনছে নতুন দুটি এয়ারবাস

ইউএস বাংলা আনছে নতুন দুটি এয়ারবাস ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজ। ফাইল ছবি
ইউএস-বাংলা জানায়, নতুন যোগ হতে যাওয়া ৩৩০ এয়ারক্রাফট দিয়ে সৌদি আরবের জেদ্দা, রিয়াদ ও দাম্মাম রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। চলতি বছরের মে মাসে যোগ হতে যাওয়া নতুন এয়ারক্রাফটে মোট আসন সংখ্যা হবে ৪৩৬ টি।

বেসরকারি এয়ারলাইনস ইউএস-বাংলার বহরে যোগ হচ্ছে ৩৩০ মডেলের নতুন দুটি এয়ারবাস।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিষ্ঠানটি এ তথ্য জানায়।

এতে বলা হয়, চলতি বছরের মে মাসে দুটি ৩৩০ এয়ারবাস যোগ হচ্ছে। নতুন যোগ হতে যাওয়া এয়ারক্রাফটে মোট আসন সংখ্যা হবে ৪৩৬ টি।

ইউএস-বাংলা জানায়, নতুন যোগ হতে যাওয়া ৩৩০ এয়ারক্রাফট দিয়ে সৌদি আরবের জেদ্দা, রিয়াদ ও দাম্মাম রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।

যাত্রীরা থার্ড ক্যারিয়ারের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া ও ট্রানজিটের জন্য অতিরিক্ত সময় ব্যয় করে সৌদি আরবের বিভিন্ন গন্তব্যে ভ্রমণ করে থাকে। দেশীয় যাত্রীদের এই ভোগান্তি থেকে রক্ষা করতে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স আগামী জুন মাস থেকে জেদ্দা, রিয়াদ ও দাম্মামে ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা নিয়েছে।

বর্তমানে ইউএস-বাংলার বহরে মোট ১৭টি এয়ারক্রাফট আছে। যার মধ্যে ৭টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০, ৭টি এটিআর ৭২-৬০০ এবং ৩টি ড্যাশ ৮-কিউ৪০০ এয়ারক্রাফট। ইউএস-বাংলা বিমান বহরকে আরো শক্তিশালী করতে চলতি মাসে একটি এটিআর ৭২-৬০০ এবং একটি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এয়ারক্রাফট যোগ করতে যাচ্ছে।

বর্তমানে দেশের অভ্যন্তরে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, যশোর, সৈয়দপুর, রাজশাহী ও বরিশাল সহ আন্তর্জাতিক গন্তব্য কলকাতা, চেন্নাই, মালে, সিঙ্গাপুর, কুয়ালালামপুর, ব্যাংকক, গুয়াংজু, মাস্কাট, দোহা, শারজাহ ও দুবাই রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে ইউএস-বাংলা।

আরও পড়ুন:
৫০ তরুণ-তরুণীকে পাইলট বানাবে ইউএস-বাংলা
২৬ মার্চ থেকে কলকাতায় দৈনিক ফ্লাইট ইউএস-বাংলার
চেন্নাই ও মালেতে বাড়ছে ইউএস-বাংলার ফ্লাইট
কক্সবাজারে ইউএস-বাংলার দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত
মালদ্বীপে ডানা মেলল ইউএস-বাংলা

মন্তব্য

p
উপরে