× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Why put up the poster Haji Milan
hear-news
player
google_news print-icon

কেন এত পোস্টার লাগান হাজী মিলন

কেন-এত-পোস্টার-লাগান-হাজী-মিলন
‘পোস্টার বয়’ নামে পরিচিত হয়ে উঠেছেন হাজী সাইফুদ্দিন আহম্মেদ মিলন। ছবি: সংগৃহীত
‘রাস্তায় বের হলেই আমারে দেখা যায়, এই জন্য অন্যদের খারাপ লাগে। আমার ছবি কেন রাস্তায় দেখা যায়, তাদের ছবি কেন দেখা যায় না– এ জন্যে তাদের খারাপ লাগে।’

‘ঢাকা শহরের রাস্তায় বের হলেই আমাকে দেখা যায়, কারণ আমি উঁচুতে পোস্টার লাগাই। নিচে পোস্টার লাগালে তো অন্যরা আমার পোস্টারের উপর পোস্টার মাইরা দিব। তখন তো কেউ আমারে দেখতে পারবে না,’ বললেন হাজী সাইফুদ্দিন আহম্মেদ মিলন, যিনি ‘পোস্টার বয়’ নামে পরিচিত হয়ে উঠেছেন।

ঢাকা শহরের যেদিকে চোখ যায়, সেদিকেই দেখা যায় হাজী মিলনের পোস্টার। জাতীয় পার্টির রাজনৈতিক কর্মসূচি থেকে শুরু করে নানান উপলক্ষে ছাপানো পোস্টারে দেখা যায় তার হাস্যোজ্জ্বল মুখ। সম্প্রতি মেট্রোরেলের পিলারে পোস্টার লাগানো নিয়ে তিনি নতুন করে আলোচনায় এসেছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

কেন এত পোস্টার লাগান হাজী মিলন

হাজী সাইফুদ্দিন আহম্মেদ মিলন পুরান ঢাকার ব্যবসায়ী ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য। ঢাকা দক্ষিণের মেয়র প্রার্থী হয়ে হেরেছেন দুই বার।

নিউজবাংলার সঙ্গে সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘রাস্তায় বের হলেই আমারে দেখা যায়, এই জন্য অন্যদের খারাপ লাগে। আমার ছবি কেন রাস্তায় দেখা যায়, তাদের ছবি কেন দেখা যায় না– এ জন্যে তাদের খারাপ লাগে। ঢাকা শহরে দেড়-দুই কোটি মানুষ থাকে। এর মধ্যে দুই-তিন শ মানুষ সমালোচনা করে। কারণ তাদের খারাপ লাগে, আর বাকি মানুষ প্রশংসা করে। এই দুই-তিন শ লোকের ছবিসহ পোস্টার লাগায় দেন, দেখবেন তাদের কাছেও ভালো লাগবে।’

হাজী মিলন ঢাকা দক্ষিণে রাজনীতি করলেও উত্তর ঢাকাতেও তার পোস্টার ও প্রচারনা দেখা যায়। গত ২০ বছর ধরে তিনি নিজের পোস্টার লাগিয়ে আসছেন বলেন জানান হাজী সাইফুদ্দিন।

অতিরিক্ত পোস্টার লাগানোর কারণ জানতে চাইলে তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এগুলো আমি দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মারছি। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পার্টি আমাকে রিকোয়েস্ট করে, তাই আমি পোস্টার লাগাই। আমি পার্টিতে টাকা দেই, ওরা পোস্টার লাগায়।’

পার্টির পোস্টার ছাড়াও ঈদসহ বিভিন্ন উপলক্ষেও তার পোস্টার দেখা যাওয়ার বিষয়টি জানানো হলে তিনি বলেন, ‘ওই মাঝে মাঝে পোস্টার লাগাই আরকি।’

মেট্রোরেলের পিলারে পোস্টার লাগানোর ব্যাপারে জানতে চাইলে হাজী সাইফুদ্দিন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মেট্রোরেলের পিলারের পোস্টার তো উঠায় ফালাইছি আমরা। ওই ছেলেদের বারণ করার পরও তারা পোস্টার লাগায় ফালাইছিল। একদিন লাগায় ফালাইছে, এরপর আমরা যখন দেখছি, তহন আমরা বারণ করছি। পিলারে তো আমরা পোস্টার লাগাতে ওদের বলিনি। অশিক্ষিত লোক তো, তাই ওরা লাগায় ফালাইছে। এরপর কিছু কিছু জায়গায় আমরা এই পোস্টার তুলছিও। আরো পোস্টার তুলব, কিন্তু পোস্টার তোলার লোক খুঁজে পাচ্ছি না। কেউ এগুলো তুলতে চায় না। আঙ্গুল-টাঙ্গুল ছুইল্লা যাই তো, তাই।’

কেন এত পোস্টার লাগান হাজী মিলন

আগামীতেও পোস্টার লাগানোর পরিকল্পনা আছে কিনা, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘না, না, ওই রকমভাবে পোস্টার মারার পরিকল্পনা আমার নাই।’

পোস্টারের পেছনে বছরে তার খরচ জানতে চাইলে হাজী মিলন বলেন, ‘এটা তো বলতে পারব না। যখন যা লাগে, তখন সেটা খরচ করি।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমার পোস্টার তো আমি লাগাই না, মানুষে লাগায়। আমার পোস্টার আমি রাস্তায় গিয়ে মারব, এটা হয় নাকি? আমি তো বছরে একবার পোস্টার লাগাই। আর অন্যরা তো সারা বছরই পোস্টার লাগায়।’

পোস্টার লাগানোর পেছনে কত জন কর্মী নিযুক্ত, জানতে চাইলে মিলন বলেন, ‘এগুলো বিভিন্ন মানুষ লাগায়, কত জন লাগায় এটা তো জানি না। এগুলো পার্টির মানুষ লাগায়।’

পোস্টার লাগানোর কারণে সিটি করপোরেশন তার বিরুদ্ধে একটি মামলাও করেছে বলে জানান তিনি। পোস্টারে ব্যবহৃত ছবি সাম্প্রতিক কালের তোলা কিনা জানতে চাইলে হাজী মিলন বলেন, ‘এগুলো এখনকার ছবি। আর আগের পোস্টারে আগের ছবি।’

দক্ষিণ সিটির নির্বাচন করলেও উত্তর সিটি এলাকায় পোস্টার লাগানোর যৌক্তিকতা জানতে চাইলে হাজী মিলন বলেন, ‘পোস্টার মারলে সবাই চিনে। আর ওই পোলাপাইনরা সব জায়গায় পোস্টার মাইরা দেয়। আমি তো ওদের বলি না উত্তরে পোস্টার মারতে।’

কেন এত পোস্টার লাগান হাজী মিলন

ঢাকা শহরে পোস্টার মারা নিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটির জনসংযোগ কর্মকর্তার মোহাম্মাদ আবু নাসের বলেন, ‘ঢাকা শহরে এই ব্যানার, ফেস্টুন, পোস্টার অপসারণে দক্ষিণ সিটি বছরে পাঁচ-ছয়বার অভিযান চালায়। এটা হয়তো পর্যপ্ত নয়, তারপরও আমরা এগুলো অপসারণ করি এবং যারা এই পোস্টার মারে তাদেরকেও নোটিশ করি।’

পোস্টার মারা থেকে বিরত করতে হাজি মিলনের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে কিনা জানতে চাইলে আবু নাসের বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা তাকে নোটিশ করেছি। শুধু হাজি মিলনই নয়, যারা যারা এই পোস্টার দিয়ে দূষণ করে, আমরা তাদের সবাইকেই নোটিশ করি। কোনো কোনো জায়গায় জরিমানা ও মামলাও করি।’

আরও পড়ুন:
শিক্ষকের ‘অকথ্য ভাষার’ প্রতিবাদে পোস্টারিং
হারানো বিড়াল খুঁজে দিলেই পুরস্কার
নির্বাচনি পোস্টার-ব্যানারে খাতা, স্কুলব্যাগ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The father of 102 children he does not know all their names

১০২ সন্তানের বাবা, জানেন না সবার নাম

১০২ সন্তানের বাবা, জানেন না সবার নাম সন্তান ও নাতি-নাতনিদের সঙ্গে মুসা হাসহ্যা কাসেরা। ছবি: এএফপি
৬৮ বছর বয়সী মুসা এএফপিকে বলেন, প্রথমে এটি মজার বিষয় ছিল। এখন এটি সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

১২ স্ত্রীর ঘরে ১০২ সন্তান আর নাতি-নাতনির সংখ্যা ৫৭৮ জন। এটি হচ্ছে উগান্ডার বুতালেজা জেলার বুগিসা গ্রামের বাসিন্দা মুসা হাসহ্যা কাসেরার সংসারে চিত্র।

৬৮ বছর বয়সী মুসা এএফপিকে বলেন, ‘প্রথমে এটি মজার বিষয় ছিল। এখন এটি সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এত বিশাল পরিবারের জন্য মাত্র দুই একর জমি রয়েছে। আমার দুই স্ত্রী চলে গেছেন কারণ আমি খাদ্য, শিক্ষা, পোশাকের মতো মৌলিক চাহিদা মেটাতে পারিনি। ’

এক সময়ের গরু ব্যবসায়ী মুসার এখন বেকার, তবে তাকে দেখতে অনেক পর্যটক তার বাড়িতে ভিড় জমান।

৬৮ বছর বয়সী এই বৃদ্ধ বলেন, ‘আমার স্ত্রীরা গর্ভনিরোধক ব্যবহার করছে, কিন্তু আমি নই। আমি আর সন্তানের আশা করি না কারণ আমি আমার দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ থেকে শিক্ষা নিয়েছি।’

মুসা প্রথম বিয়ে করেন ১৯৭২ সালে। ১৮ বছর বয়সে তিনি প্রথম সন্তানের বাবা হন।

মুসা জানান, পারিবারিক ঐতিহ্য ধরে রাখতেই আত্মীয় স্বজনদের পরামর্শ শুনে বেশি স্ত্রী ও সন্তান নিয়েছেন তিনি।

মুসার ১০২ সন্তানের বয়স ১০ থেকে ৫০-এর মধ্যে ও সবচেয়ে কম বয়সী স্ত্রীর বয়স ৩৫।

সন্তানদের নাম জিজ্ঞেস করা হলে মুসা বলেন, ‘আমি শুধু প্রথম ও শেষ জনের নাম মনে রাখতে পারি। বাকিদের নাম মনে নেই।

আরও পড়ুন:
বৃষ্টিবিঘ্নিত তৃতীয় দিন শেষে জয়ের কাছাকাছি অস্ট্রেলিয়া
গ্রিনের বোলিং তোপে বক্সিং ডে টেস্টের প্রথম দিন অস্ট্রেলিয়ার
সাউথ আফ্রিকায় ট্যাংকার বিস্ফোরণে নিহত ১০, আহত ৪০
পেইসারদের টেস্টে ৬ উইকেটে জয় অস্ট্রেলিয়ার
ডিআর কঙ্গোতে বন্যা, ভূমিধসে ১২০ মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Drinking smoke comes out

পান খেলে মাথা দিয়ে বের হয় ধোঁয়া!

পান খেলে মাথা দিয়ে বের হয় ধোঁয়া! কাঁচা সুপারি দিয়ে পান খেলেই ধোঁয়া বের হয় গোলাম রাব্বানীর মাথা দিয়ে। ছবি: নিউজবাংলা
রাব্বানী জানান, প্রায় সাত থেকে আট বছর আগে থেকেই কাঁচা সুপারি দিয়ে পান খেলে তার মাথা দিয়ে ধোঁয়া বের হয়। এই ধোঁয়া দেখে অনেকেই আনন্দ পান। সবার আনন্দ দেখে তারও ভালো লাগে। বিভিন্ন এলাকায় গেলে রাব্বানীর কাছ থেকে অনেকে মাথা থেকে ধোঁয়া বের হওয়ার দৃশ্য দেখতে চান। আর এ জন্য প্রতিদিন প্রায় ৩০টি পান খাওয়া হয় তার।

নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার চকগাজীপুর গ্রামের বাসিন্দা গোলাম রাব্বানী কাঁচা সুপারি দিয়ে পান খেলেই তার মাথা থেকে ধোঁয়া বের হয়। এ ঘটনায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে ওই এলাকায়। স্থানীয়রা তার নাম দিয়েছেন ‘ধোঁয়া মানব’। এ ঘটনা দেখতে প্রতিনিয়ত লোকজন ভিড় করছেন রাব্বানীর বাড়িতে।

রাব্বানী জানান, প্রায় সাত থেকে আট বছর আগে থেকেই কাঁচা সুপারি দিয়ে পান খেলে তার মাথা দিয়ে ধোঁয়া বের হয়। এই ধোঁয়া দেখে অনেকেই আনন্দ পান। সবার আনন্দ দেখে তারও ভালো লাগে।

বিভিন্ন এলাকায় গেলে রাব্বানীর কাছ থেকে অনেকে মাথা থেকে ধোঁয়া বের হওয়ার দৃশ্য দেখতে চান। আর এ জন্য প্রতিদিন প্রায় ৩০টি পান খাওয়া হয় তার।

রাব্বানীর স্ত্রী তানিয়া খাতুন জানান, শারীরিক সমস্যা না হওয়ায় ধোঁয়া বের হওয়ার বিষয়টি নিয়ে কোনো চিকিৎসকের কাছে যাননি তারা। এখন অনেক লোকজন ধোঁয়া দেখার জন্য তাদের বাড়িতেও ভিড় করেন। অনেকেই এই ধোঁয়া দেখার জন্য তার স্বামীকে শখ করে পান খাওয়ান।

স্থানীয় বাসিন্দা মঞ্জুরুল আলম মাসুম বলেন, মাথা দিয়ে ধোঁয়া ওঠার ঘটনাটি বিরল ও বিস্ময়কর। রাব্বানীকে নিয়ে আড্ডা আর হাসি-আনন্দে সময় কাটায় এলাকার সব বয়সী মানুষ। তরুণরা তার সঙ্গে নিজেদের সেলফিবন্দিও করেন।

বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘কাঁচা সুপারিতে এমন উপাদান আছে যা শরীরে অতিরিক্ত উত্তাপ সৃষ্টি করে। সেই উত্তাপ বের করে দিতে জলীয় বাষ্পের সৃষ্টি হয়। সে কারণে অতিরিক্ত ঘাম হয়। রাব্বানীর মাথা দিয়ে ধোঁয়া ওঠার বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বলা যাবে।’

নাটোরের সিভিল সার্জন ড. রোজী আরা খাতুন বলেন, ‘কাঁচা সুপারি দিয়ে পান খেলে নানা শারীরিক উপসর্গ দেখা দেয়। মাথা দিয়ে ধোঁয়া বের হওয়ার কারণ জানতে মেডিকেল বোর্ড গঠন করে বুধবার রাব্বানীর শরীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে।’

আরও পড়ুন:
চিনিকল রক্ষায় সমাবেশের ঘোষণা
নাটোরের তিন পৌরসভাই নৌকার
নাটোরে চুরি হওয়া সেই শিশু উদ্ধার, আটক ১
৬৫ নারী পেল সেলাই মেশিন
একা ঘরে পুড়ে মৃত্যু প্রতিবন্ধী তরুণীর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Monster shaped feet cost 2 million

এক মুরগির দাম ২ লাখ

এক মুরগির দাম ২ লাখ ডং তাও মুরগি যা বেশি পরিচিত ড্রাগন চিকেন নামে। ছবি: এএফপি
পুরো মুরগির ওজন ৫-৮ কেজি, কোনো কোনোটি ১০ কেজিও হয়। সবচেয়ে বড় আকারেরগুলো বাজারে ২০০০ হাজার ডলারেও বিক্রি হয়, যার মূল্য বাংলাদেশি টাকায় দুই লাখেরও বেশি। বড় পা যুক্ত, আকর্ষণীয় চেহারার ড্রাগন মুরগির চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে।

অদ্ভুত দেখতে এ মুরগির নাম ‘ডং তাও’। তবে বেশি পরিচিত ড্রাগন চিকেন নামে। মোটা পায়ের এ মুরগির বাণিজ্যিক চাষ হয় দক্ষিণ এশীয় দেশ ভিয়েতনামে। দেশটির উত্তরাঞ্চলের একটি গ্রামের নামকরণ করা হয়েছে মুরগিটির নামে। সেখানে সবচেয়ে বেশি ড্রাগন মুরগির ফার্ম রয়েছে।

ড্রাগন মুরগির সবচেয়ে আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হলো এর পা। পুরু লালচে আবরণে ঢাকা এই পা লম্বায় হতে পারে একটি ইটের সমান। এর থাবা মানুষের হাতের তালুর আকৃতির। মুরগিটির শুধু পায়ের ওজনই এক দেড় কেজি পর্যন্ত হয়, যা এর শরীরের মোট ওজনের এক-পঞ্চমাংশ।

পুরো মুরগির ওজন ৫-৮ কেজি, কোনো কোনোটি ১০ কেজিও হয়। সবচেয়ে বড় আকারেরগুলো বাজারে ২০০০ হাজার ডলারেও বিক্রি হয়, যার মূল্য বাংলাদেশি টাকায় দুই লাখেরও বেশি। বড় পা যুক্ত, আকর্ষণীয় চেহারার ড্রাগন মুরগির চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে।

১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে ড্রাগন মুরগি চাষ করছেন লে ভ্যান হিয়েন।

তিনি বলেন, ‘এই মুরগিকে দিনের বেশ কিছুটা সময় খোলা পরিবেশে ছেড়ে রাখা হয়। এরা যত বেশি হাঁটে, তত বেশি পায়ের পেশি শক্তিশালী ও বড় হয়। আর মুরগিকে খাবার হিসেবে দেয়া হয় ভুট্টা ও চালের গুড়ো, যা এর মাংশের স্বাদ বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।’

চন্দ্র নববর্ষে ভিয়েতনামের অন্যতম জনপ্রিয় খাবার ‘টেট’ বানানোর প্রধান উপকরণ ড্রাগন মুরগি। ঐতিহ্যগতভাবে দেশটির ধনী পরিবারে উৎসবের দিনে এই খাবার পরিবেশন করা হয়। ড্রাগন মুরগির মাংসের রঙ তুলনামূলক কালো, অনেকটা গরুর মাংসের মতো। মাংস ছাড়াও এর পা দিয়ে রান্না করা বিশেষ খাবারও বেশ জনপ্রিয়। যা সেদ্ধ, ভাজা কিংবা লেমনগ্রাস দিয়ে পরিবেশন করা হয়। মুরগির পা যত বড়, খেতে ততই সুস্বাদু।

বিজনেস ইনসাইডারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বের বিরলতম মুরগির জাতের মধ্যে একটি এই ড্রাগন মুরগি। এরা গড়ে ৬ থেকে ৭ বছর বাঁচে। প্রজনন হার খুবই কম। একটি মুরগি মাত্র ১০-১৫টি ডিম দেয়। ডিম ফুটে বাচ্চা প্রাপ্তবয়স্ক হতে সময় লাগে ৮ থেকে ১২ মাস, যেখানে সাধারণ মুরগি মাত্র ১৬ থেকে ২০ সপ্তাহ সময় নেয়। এসব কারণেই এ মুরগির বাজারমূল্য চড়া।

আরও পড়ুন:
সোনালি মুরগির দামে সুখবর
ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ মুরগির মাংস-ডিমে ‘সাফল্য’
মুরগি-ডিমের দাম বৃদ্ধির যত কারণ
মরা মুরগির মাংস হোটেলে দিচ্ছিলেন তিনি
ডিম পাড়ছে না মুরগি, মেজাজ হারিয়ে পুলিশে অভিযোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The marriage broke up because of raw numbers

অঙ্কে কাঁচা হওয়ায় ভাঙল বিয়ে

অঙ্কে কাঁচা হওয়ায় ভাঙল বিয়ে প্রতীকী ছবি
বিয়ের অনুষ্ঠানে পুরোহিত বরের আচরণ সন্দেহজনক দেখে কনের পরিবারকে জানান। এরপরই বিয়ের মণ্ডপ থেকে উঠে যান কনে।

বর টাকা গুণতে না পারায় বিয়ের মাঝপথেই তা বন্ধ করে দিলেন এক কনে। এমনটি ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের ফারুখাবাদে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের অনুষ্ঠানে পুরোহিত বরের আচরণ সন্দেহজনক দেখে কনের পরিবারকে জানান। এরপরই বিয়ের মণ্ডপ থেকে উঠে যান কনে। এ নিয়ে তখন বর ও কনের পরিবারের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

কনের পরিবারের দাবি, বিয়ের আগ দিন পর্যন্ত তারা জানতেন না যে, বর মানসিকভাবে দুর্বল।

কনের ভাই বলেন, ‘বিয়ের ঘটক ছিলে আমার একজন নিকটাত্মীয়। তাই আমরা তাকে বিশ্বাস করেছিলাম। পুরোহিত বরের অদ্ভুত আচরণ সম্পর্কে জানালে আমরা একটি পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিই। আমরা ১০ রুপির ৩০টি নোট বরকে গুণতে দিয়েছিলাম, কিন্তু সে তা পারেনি। এমন পরিস্থিতিতে আমার বোন বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান।’

উত্তর প্রদেশের পুলিশ কর্মকর্তা অনিল কুমার চৌবে বলেন, ‘এ ঘটনায় কোনো মামলা করা হয়নি।’

আরও পড়ুন:
দলিত বোনদের ধর্ষণ ও হত্যায় ভেঙে পড়েছে পরিবারটি
বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ-হত্যা দলিত ২ বোনকে
গাছে ঝুলছিল দুই বোনের নিথর দেহ
মায়ের হত্যার বিচার চেয়ে রক্তে লেখা চিঠি
বিয়ের অনুষ্ঠানে কুয়ায় পড়ে ১৩ মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Human bones are fed from the womb

অন্তঃসত্ত্বা হতে খাওয়ানো হয় মানুষের হাড়

অন্তঃসত্ত্বা হতে খাওয়ানো হয় মানুষের হাড় মানুষের হাড়গোড়। ছবি: সংগৃহীত
পুলিশ জানায়, অমাবস্যা রাতে শ্মশানে নিয়ে জোর করে ওই নারীকে মানুষের হাড়ের গুড়ো খাওয়ানো হয়। এর সঙ্গে একজন ওঝাও জড়িতে রয়েছেন।

অন্তঃসত্ত্বা হতে শ্বশুর বাড়ি ও জামাইর কথায় বাধ্য হয়ে মানুষের হাড়গুড়ো খেতে হয়েছে এক স্ত্রীর। কালো জাদুর অংশ হিসেবেই এটি খাওয়ানো হয়েছে।

এমন হতবাক করা ঘটনাই ঘটেছে ভারতের মহারাষ্ট্রের পুনেতে। এ ঘটনায় স্বামী ও শ্বশুড়বাড়ির লোকজনসহ সাতজনের বিরুদ্ধে বুধবার মামলা করেছেন ওই স্ত্রী।

বার্তা সংস্থা এএনআইর প্রতিবেদনে বলা হয়, শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে যৌতুক ও কালো জাদুতে বাধ্য করানোর মামলা করেছেন ওই স্ত্রী।

পুলিশ জানায়, অমাবস্যা রাতে শ্মশানে নিয়ে জোর করে ওই নারীকে মানুষের হাড়ের গুড়ো খাওয়ানো হয়। এর সঙ্গে একজন ওঝাও জড়িতে রয়েছেন।

পুনে শহরের পুলিশের ডেপুটি কমিশনার সুনিল শর্মা বলেন, ‘এ ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। আমরা ওই শ্মশানটি কোথায় তা জানার চেষ্টা করছি। শিগগিরই অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হবে। ’

আরও পড়ুন:
পদ ছাড়লেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে
মহারাষ্ট্রের হাসপাতালে আগুন, ৪ রোগীর মৃত্যু
বেড নেই, হুইলচেয়ারে অক্সিজেন নিচ্ছে করোনা রোগীরা
আবার লকডাউনের পথে মহারাষ্ট্র
সংক্রমণ বাড়ছে মহারাষ্ট্রে, ১ দিনে শনাক্ত ১৬৬২০

মন্তব্য

বাংলাদেশ
He never went to the hospital in 115 years

১১৫ বছরে কখনোই হাসপাতালে যাননি তিনি!

১১৫ বছরে কখনোই হাসপাতালে যাননি তিনি! স্পেনের ১১৫ বছরের বাসিন্দা মারিয়া ব্রানিয়াস মোরেরা। ছবি: এএফপি
বর্তমানে স্পেনে একটি বৃদ্ধাশ্রমে থাকছেন মারিয়া। ২০১৯ সালে ১১৩তম জন্মদিনের কয়েক সপ্তাহ পর করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েও হাসপাতালে যেতে হয়নি তাকে।

১১৫ বছর বয়সী মারিয়া ব্রানিয়াস মোরেরা। গত মঙ্গলবার ১১৮ বছর বয়সে ফরাসি লুসিল রাঁদোঁর মৃত্যুর পর তাকে বিশ্বের প্রবীণতম মানুষ হিসেবে ভাবছে গিনেক ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ। যদিও এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি সংস্থাটি।

আরও আশ্চর্যের বিষয় হলো, জীবদ্দশায় এক দিনের জন্যও হাসপাতালে যেতে হয়নি মারিয়াকে। ১১৫ বছরের জীবনে ১৯১৮ সালের স্প্যানিশ ফ্লু মহামারি, দুই বিশ্বযুদ্ধ এবং স্পেনের গৃহযুদ্ধ ও করোনাভাইরাসের মহামারির সাক্ষী হয়েছেন তিনি।

মারিয়ার পূর্বপুরুষরা স্পেনের বাসিন্দা হলেও তার জন্ম আমেরিকায়। ১৯০৭ সালের শুরুর দিকে তার বাবা-মা মেক্সিকো থেকে আমেরিকায় চলে আসেন। ওই বছরেই ৪ মার্চ সান ফ্রান্সিসকোতে জন্ম হয় মারিয়ার।

১৯১৫ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় মারিয়ার পরিবার স্পেনে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। জাহাজে আমেরিকা থেকে স্পেন যাওয়ার পথে মারিয়ার বাবা যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান। সমুদ্রে ফেলে দেয়া হয়েছিল তার মৃতদেহ।

১৯৩১ সালে মারিয়া একজন চিকিৎসকে বিয়ে করেন। চার দশকের বেশি একসঙ্গে থাকার পর তার স্বামী ৭২ বছর বয়সে মারা যান। মারিয়া তিন সন্তানের মা, যদিও একজন মারা গেছেন। এ ছাড়া ২২ জন নাতি-পুতি রয়েছে মারিয়ার।

মারিয়ার ছোট মেয়ে ৭৮ বছর বয়সী রোসা মোরেট বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, তার মা জীবনে কোনো দিন হাসপাতালে যাননি। একেবারে ঠিক আছেন। ‘জিনগত’ কারণেই মারিয়া দীর্ঘজীবী হয়েছেন বলে মনে করেন তিনি।

বর্তমানে স্পেনে একটি বৃদ্ধাশ্রমে থাকছেন মারিয়া। ২০১৯ সালে ১১৩তম জন্মদিনের কয়েক সপ্তাহ পর করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েও হাসপাতালে যেতে হয়নি তাকে।

২০১৯ সালে বার্সেলোনাভিত্তিক একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মারিয়া বলেছিলেন, ‘আমি আহামরি কিছু করিনি। শুধু প্রাণবন্ত থাকার চেষ্টা করেছি।’

আরও পড়ুন:
পেন্সিলের ভারসাম্য নিয়ে গিনেস বুকে মনিরুল  
রানির মৃত্যুর দায় কার
বিশ্ব রেকর্ডের জন্য রানির অপেক্ষা আরও দেড় মাস
দড়ি লাফে জোড়া বিশ্বরেকর্ড ঠাকুরগাঁওয়ের রাসেলের
২০ ইঞ্চির রানিকে পাচ্ছেন কে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bird set a record by flying continuously from Alaska to Australia

টানা সাড়ে ১৩ হাজার কিলোমিটার উড়ল পাখিটি

টানা সাড়ে ১৩ হাজার কিলোমিটার উড়ল পাখিটি বার টেইলড গডউইট পাখি। ছবি: গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস
যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা থেকে ১৩ হাজার ৫৬০ কিলোমিটার পরিভ্রমণ করে অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়া প্রদেশে আসে পাখিটি। এর মধ্য দিয়ে সে দীর্ঘতম পরিভ্রমণের বিশ্বরেকর্ড গড়ে।

যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা থেকে অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়া। দূরত্ব ১৩ হাজার কিলোমিটারের বেশি। কোনো বিরতি ছাড়া দীর্ঘ এ পথ পাড়ি দিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েছে একটি বার টেইলড গডউইট পাখি।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়, সমুদ্রের ওপর দিয়ে ১৩ হাজার ৫৬০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে বিশ্বের দীর্ঘতম পরিভ্রমণের রেকর্ড গড়েছে পাখিটি।

১১ দিনের এ পরিভ্রমণে খাবার খাওয়া কিংবা বিশ্রামের জন্য এক সেকেন্ডের জন্যও থামেনি গডউইট। পায়ে লাগানো স্যাটেলাইট ট্যাগের মাধ্যমে পাখিটির পরিভ্রমণ পর্যবেক্ষণ করেন গবেষকরা।

গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ২৩৪৬৮৪ ট্যাগ লাগানো গডউইট আগের রেকর্ড গড়া পাখির চেয়ে ২১৭ মাইল বেশি উড়েছে। ২০২০ সালে আগের রেকর্ডটি গড়ে একই প্রজাতির পাখি।

গত বছরের ১৩ অক্টোবর পরিভ্রমণ শুরু করে পাখিটি। একটানা ১১ দিন না খেয়ে, না থেমে উড়তে থাকে সে।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ জানায়, এ ভ্রমণে পাখিটির ওজন অর্ধেক কমে গেছে।

আরও পড়ুন:
বেলার লেখা বই
এবার তৃতীয় বিশ্বরেকর্ড অন্তুর
বরিশালের মেয়ের গিনেস রেকর্ড
জনের মাথায় আস্ত গাড়ি
কাটবিল চাচ্চুর চকলেট ব্যালেন্স রেকর্ড

মন্তব্য

p
উপরে