× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Electing Sheikh Hasina is part of patriotism
google_news print-icon

ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে বছরব্যাপী কর্মসূচি

ছাত্রলীগের-প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী-ঘিরে-বছরব্যাপী-কর্মসূচি
ঢাবির মধুর ক্যান্টিনে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বছরব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করছে ছাত্রলীগ। ছবি: নিউজবাংলা
বছরব্যাপী কর্মসূচি যথাযথভাবে পালনে প্রতিটি সাংগঠনিক ইউনিটকে নির্দেশনা এবং ছাত্রসমাজকে নিজেদের মেধার সর্বোচ্চটুকু দিয়ে কর্মসূচিগুলোয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন।

৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে বছরব্যাপী কর্মসূচী ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। দেশের ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত অনাবাদি জমিতে শাক-সবজি-ফল চাষ, মাছ ও গৃহপালিত পশুপালনের উদ্যোগ নিয়েছে সংগঠনটি। ছাত্রলীগ বলছে, প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশেই এসব উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে মঙ্গলবার দুপুরে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বছরব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করে ছাত্রলীগ।

ছাত্রলীগের এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য- ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ দৃশ্যমান, লক্ষ্য এবার স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ।’

১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলের অ্যাসেম্বলি হলে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে এর নাম ছিল পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন।

তিনি বলেন, ‘সময়ের প্রয়োজনে আজ থেকে ৭৫ বছর আগে বাঙালির স্বাধীনতা ও মুক্তির মহান নায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, বর্তমানেও সেই ছাত্রলীগ সময়ের প্রয়োজনে নিজের সর্বোচ্চটুকু বিলিয়ে দেয়ার ব্রতকে ধারণ করে পথ চলছে।

‘দেশের প্রতিটি প্রজন্মে, প্রতিটি তারুণ্যে, প্রত্যেক শিক্ষার্থীর অনুভূতিতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ শ্রেষ্ঠতম স্থানে অবস্থান করেছে, করছে এবং আগামীতেও অবধারিতভাবে করবে। তাই, ছাত্রসমাজ ও তরুণ প্রজন্মকে ঐক্যবদ্ধ করে দেশরত্ন শেখ হাসিনার পরিকল্পিত ‘স্মার্ট বাংলাদেশের’ নেতৃত্ব দিবে ছাত্রলীগ, ৭৫তম বর্ষপূর্তিতে এটিই আমাদের সংকল্প।’

কর্মসূচির বিষয়ে সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘৪ জানুয়ারি বুধবার সকাল ৬টায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল ৮টায় ধানমন্ডিস্থ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, সাড়ে ৮টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন এবং বিকেল ৩টায় শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হবে।’

অন্যান্য বছর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনই শোভাযাত্রা বের করে ছাত্রলীগ। তবে এবার ৬ জানুয়ারি শুক্রবার দুপুর আড়াইটায় হবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শোভাযাত্রা।

সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক পরিবেশ সমুন্নত রাখা, ঢাকা শহরের জ্যাম, শিক্ষার্থীদের ক্লাস পরীক্ষা এবং গণজীবনের স্বাভাবিক অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখতে আমরা আমাদের র‌্যালিটি শুক্রবার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

এ ছাড়া ৫-৮ জানুয়ারি রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, স্বেচ্ছায় রক্তদান ও সংগৃহীত রক্ত বিতরণ আর শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করার উদ্যোগও নেয়া হয়েছে।

বছরব্যাপী আরও যেসব কর্মসূচি

‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশে দেশের ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত অনাবাদি জমিতে শাক-সবজি-ফল চাষ, মাছ ও গৃহপালিত পশুপালন ইত্যাদি উদ্যোগ গ্রহণ, প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ঐক্যবদ্ধ ছাত্রসমাজ’ শীর্ষক মতবিনিময়, কনসার্ট ফর স্মার্ট বাংলাদেশ আয়োজন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পুনর্মিলনী, ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগ: গৌরব, ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যের ৭৫ বছর’ শীর্ষক স্মারকগ্রন্থ প্রকাশ, স্মার্ট বাংলাদেশ আইডিয়া কনটেস্ট, সকল সাংগঠনিক ইউনিটের দলীয় কার্যালয়ে লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা, উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে দেশব্যাপী ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে স্মার্ট বাংলাদেশের প্রাসঙ্গিকতা’ শীর্ষক প্রতিযোগিতা ও জাতীয়ভাবে স্মার্ট ইয়ুথ ক্যাম্প আয়োজন।’

‘দেশরত্ন শেখ হাসিনার উন্নয়ন অগ্রযাত্রা নিয়ে ২ মিনিটের শর্ট ফিল্ম প্রতিযোগীতার আয়োজন, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ‘ডেভেলপমেন্ট কুইজ’ আয়োজন, নারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘নারীর ক্ষমতায়ন ও শেখ হাসিনা’ শীর্ষক বক্তব্য প্রতিযোগিতা, ‘সজীব ওয়াজেদ জয় প্রোগ্রামিং কন্টেস্ট’, স্মার্ট বাংলাদেশ ও স্মার্ট ক্যাম্পাসের উপর আন্তর্জাতিক একাডেমিক কনফারেন্স, স্মার্ট বাংলাদেশ অলিম্পিয়াড, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরষ্কারপ্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে চা-চক্র এবং

‘স্মার্ট বাংলাদেশ: আওয়ার কান্ট্রি, আওয়ার ড্রিম’ শীর্ষক পোস্টার প্রেজেন্টেশন কর্মসূচি।’

বছরব্যাপী এসব কর্মসূচি যথাযথভাবে পালনে প্রতিটি সাংগঠনিক ইউনিটকে নির্দেশনা এবং ছাত্রসমাজকে নিজেদের মেধার সর্বোচ্চটুকু দিয়ে এসব কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন ছাত্রলীগ সভাপতি।

শেখ হাসিনাকে নির্বাচিত করা দেশপ্রেমের অংশ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নির্বাচিত করা দেশপ্রেমের অংশ হয়ে পড়েছে বলে মনে করেন সাদ্দাম হোসেন। তিনি বলেন, ‘দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে পুনর্নির্বাচিত করাকে বাংলাদেশের ছাত্রসমাজ নিজেদের নৈতিক দায়িত্ব মনে করছে। দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে নির্বাচিত করা আমাদের দেশপ্রেমের অংশ হয়ে পড়েছে। এই দেশপ্রেমের অংশ হিসেবে আমরা দেশরত্নের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখতে চাই।’

সাদ্দাম বলেন, ‘প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মাধ্যমে আমরা একটা লড়াই করার শপথ গ্রহণ করতে চাই। আর এই লড়াইয়ের শেষ আমরা দেখতে চাই। যারা জাতির পিতার হত্যাকারী, বঙ্গবন্ধু তনয়াকে হত্যার চেষ্টা করেছে, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থেকে জঙ্গিবাদী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছে এবং যারা দুর্নীতিকে বাংলাদেশে রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবেশ করিয়েছে, সেই দুর্নীতিবাজদদের যারা পুনর্বাসন করেছে, গণতন্ত্রের লাইসেন্স নিয়ে যারা ইতোমধ্যে মানুষ হত্যা করেছে, সেই অপশক্তির বিনাশ বাংলার মাটি থেকে আমরা নিশ্চিত করেই ছাড়বো।

‘বিএনপি জামায়াতের পলিটিক্যাল ডেথ সার্টিফিকেট নিশ্চিত না করা পর্যন্ত আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিরাপদ নয়। লাখও শহীদের রক্তের উত্তারাধিকারের প্রতি আমাদের যে স্বপ্ন রয়েছে সেই স্বপ্ন নিরাপদ নয়। আজকে আমরা প্রত্যয় ব্যক্ত করছি, ২০২৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি জামায়াতের রাজনৈতিক মৃত্যুঘণ্টা আমরা নিশ্চিত করবোই।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
How to make Mothers Day memorable

যেভাবে মা দিবসকে করে রাখতে পারেন স্মরণীয়

যেভাবে মা দিবসকে করে রাখতে পারেন স্মরণীয় প্রতীকী ছবি
ব্যস্ততার কারণে আপনি হয়তো মায়ের কাছাকাছি থাকতে পারেন না, কিন্তু বিশেষ দিনে উপহার দিয়ে তাকে শুভেচ্ছা তো জানাতেই পারেন। নিজে উপস্থিত না থাকতে পারলেও উবারের ডেলিভারি সার্ভিস উবার কানেক্ট আপনার উপহার ঠিকই মায়ের কাছে পৌঁছে দেবে।    

মা আমাদের সবার কাছেই বিশেষ এক মানুষ। বিশেষ মানুষের জন্য বিশেষ দিন মা দিবসও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

মায়ের জন্য স্মরণীয় কিছু করে তাকে চমকে দিতে সবারই নানা পরিকল্পনা থাকে। সেই পরিকল্পনার একটি অংশ হতে পারে মাকে নিয়ে কোথাও ঘুরে আসা। আর এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আপনাকে সাহায্য করতে পারে উবারের মতো রাইড শেয়ারিং সার্ভিসগুলো।

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে রাইড বুক করা যায় বলে রাইড শেয়ারিং সার্ভিসগুলো সুবিধাজনক বিবেচিত হতে পারে। একই সঙ্গে এ সার্ভিস অপেক্ষাকৃত সাশ্রয়ীও।

মাকে নিয়ে শপিং, সিনেমা হল বা পছন্দের কোনো রেস্তোরাঁয় যাওয়ার জন্য বেছে নিতে পারেন এক্স বা প্রিমিয়ারের মতো সার্ভিস। আরেকটু কম খরচে ঘুরতে চাইলে আছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা সার্ভিস।

যদি আপনার একই দিনে একাধিক জায়গায় যাওয়ার পরিকল্পনা থাকে, তাহলে রেন্টালস সার্ভিস হবে আপনার জন্য যথার্থ। এ সার্ভিসের আওতায় ১০ ঘণ্টার জন্য রাইড শেয়ারিংয়ের গাড়িটি আপনার সঙ্গে রাখার সুযোগ পাবেন। আর শহরের বাইরে কোথাও ঘুরতে যাওয়ার জন্য ইন্টারসিটি সার্ভিস চমৎকার।

ব্যস্ততার কারণে আপনি হয়তো মায়ের কাছাকাছি থাকতে পারেন না, কিন্তু বিশেষ দিনে উপহার দিয়ে তাকে শুভেচ্ছা তো জানাতেই পারেন। নিজে উপস্থিত না থাকতে পারলেও উবারের ডেলিভারি সার্ভিস উবার কানেক্ট আপনার উপহার ঠিকই মায়ের কাছে পৌঁছে দেবে।

তা ছাড়া রাইড শেয়ারিং সার্ভিসগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থার কারণে নিজের ও মায়ের নিরাপত্তা নিয়েও আপনি থাকতে পারেন নিশ্চিন্ত।

ব্যস্ততা আমাদের অবসর দেয় না। তারপরও যতটা সম্ভব, বিশেষ দিনটি মায়ের সঙ্গে কাটাতে চান অনেকে। এমন দিনে নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিয়ে পাশে থাকবে রাইড শেয়ারিং সার্ভিসগুলো।

আরও পড়ুন:
উপজেলা নির্বাচন: গজারিয়ায় সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় আরেক মামলা
চকরিয়ায় সাংবাদিকের ওপর হামলায় ১৫ জনের নামে মামলা
প্রতারণার মামলায় প্রধান শিক্ষক কারাগারে
চট্টগ্রামে বিধ্বস্ত বিমানের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার
‘সোর্ড অফ অনার’সহ নানা প্রাপ্তি অসিম জাওয়াদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
How Donkey Day came

যেভাবে এলো গাধা দিবস

যেভাবে এলো গাধা দিবস ফাইল ছবি
প্রাণী নিয়ে গবেষণা করা বিজ্ঞানী আর্ক রাজিক গাধা দিবসের প্রতিষ্ঠাতা। গাধা সমাজের মানুষের জন্য যে পরিশ্রম করছে বা অবদান রাখছে, তার কোনো স্বীকৃতি নেই- এই ভাবনা থেকে গাধা দিবস পালনের চিন্তা করেন তিনি। ফেসবুকে একটি গ্রুপ খুলে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনার পর গাধা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত হয়।

বহু বছর ধরে মানুষের জন্য সেবা দিয়ে আসা এক প্রাণী হলো গাধা। বিশেষ করে ভার বহনে গাধা হয়ে আছে আস্থার প্রতীক। বৈরি আবহাওয়া কিংবা কঠিন ভূখণ্ডেও গাধা টিকতে পারে সহজেই। প্রতি বছর ৮ মে পালন করা হয়ে থাকে বিশ্ব গাধা দিবস। ২০১৮ সাল থেকে চালু হয়েছে এই দিবস। এ হিসেবে বুধবার পালন করা হচ্ছে এই দিবস।

যেভাবে এলো গাধা দিবস

প্রাণী নিয়ে গবেষণা করা বিজ্ঞানী আর্ক রাজিক গাধা দিবসের প্রতিষ্ঠাতা। গাধা সমাজের মানুষের জন্য যে পরিশ্রম করছে বা অবদান রাখছে, তার কোনো স্বীকৃতি নেই- এই ভাবনা থেকে গাধা দিবস পালনের চিন্তা করেন তিনি। ফেসবুকে একটি গ্রুপ খুলে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনার পর গাধা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত হয়।

গাধার ব্যবহার

আধুনিক সময়ে এসে যে গাধাগুলো দেখা যায়, এগুলো এসেছে সোমালি বন্য গাধা এবং নুবিয়ান বন্য গাধা থেকে। উভয়ই আফ্রিকান বন্য গাধার উপ-প্রজাতি। কয়েক শ বছর ধরে মানুষকে সেবা দিয়ে আসছে এই প্রাণীটি।

গাধা বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন উদ্দেশে ব্যবহার করা হয়। বিদ্যুৎ বা বাষ্পশক্তি উদ্ভাবনের আগে সমাজের উন্নয়নে গাধা দ্বারা উৎপাদিত শক্তি ব্যবহার হতো নানা ক্ষেত্রে। বহু পথ অতিক্রম করতে পারে গাধা। ঘণ্টায় ৩১ মাইল যেতে পারে একটি গাধা। গাধা বাঁচে গড়ে ৫০ থেকে ৫৪ বছর।

গাধার বৈশিষ্ট্য

একবার কোনো পথ দিয়ে গেলে সেই পথের কথা মনে থাকে গাধার। পথ চিনতে পারে এই প্রাণীটি। গাধা সাধারণত সতর্ক থাকে এবং এমন পরিস্থিতিতে ভয় পায় যা তারা বিপদজনক বলে মনে করে।

পরিষ্কার থাকতে পছন্দ করে গাধা। নিজেরা দেখতে কেমন, সে ব্যাপারে গুরুত্ব দেয় এই প্রাণীটি। প্রাণীটি উষ্ণ ও শুষ্ক পরিবেশ যেমন মরুভূমির মতো জায়গা পছন্দ করে। যখন একটি গাধার সঙ্গীকে তার কাছ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়, তখন প্রাণীটি কষ্ট পায়।

বিশ্বে ১৮৬ বা এর চেয়ে বেশি ধরনের গাধা আছে। এ প্রাণীটির শ্রবণশক্তি এতই বেশি যে, অনেক দূর থেকে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে সহজেই।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Engineers committed to building Smart Bangladesh IEB President

স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রকৌশলীরা অঙ্গীকারবদ্ধ: আইইবি প্রেসিডেন্ট

স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রকৌশলীরা অঙ্গীকারবদ্ধ: আইইবি প্রেসিডেন্ট রাজধানীর রমনায় আইইবির প্রধান কার্যালয়ে মঙ্গলবার দেশের সবচেয়ে প্রাচীন পেশাজীবী প্রতিষ্ঠানটির ৭৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত র‌্যালিতে উপস্থিত প্রকৌশলীরা। ছবি: নিউজবাংলা
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় আইইবি প্রেসিডেন্ট আবদুস সবুর বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণ, ‘ভিশন-২০৪১’ ও ‘ডেল্টা প্ল্যান- ২১০০’ বাস্তবায়নে প্রকৌশলীরা দৃঢ় অঙ্গীকারবদ্ধ৷ সরকারকে প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান বিষয়ে যেকোনো পরামর্শ দিতে আইইবি সক্ষম। আইইবির প্রকৌশলীর সদা প্রস্তুত রয়েছে।”

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে প্রকৌশলীরা অঙ্গীকারবদ্ধ বলে দাবি করেছেন ইনস্টিটিউশন অফ ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী আবদুস সবুর।

রাজধানীর রমনায় আইইবির প্রধান কার্যালয়ে মঙ্গলবার দেশের সবচেয়ে প্রাচীন পেশাজীবী প্রতিষ্ঠানটির ৭৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় দেয়া বক্তব্যে তিনি এ দাবি করেন।

‘উন্নত জগৎ গঠন করুন’ স্লোগানে ১৯৪৮ সালের ৭ মে আইইবি প্রতিষ্ঠা করা হয়, যে প্রতিষ্ঠানের বর্তমান সদস্য প্রায় ৭০ হাজার।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার প্রতিষ্ঠানটি নানা কর্মসূচি পালন করে।

আইইবি সদরদপ্তরে সকাল আটটায় জাতীয় পতাকা ও প্রতিষ্ঠানটির পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

সকাল সাড়ে আটটায় কেক কাটার পর আলোচনা সভা শুরু হয়।

আইইবির ১৮টি কেন্দ্র, ৩৪টি উপকেন্দ্র ও ১৪টি ওভারসিজ চ্যাপ্টারে একই সময়ে কর্মসূচি পালন করা হয়।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় আইইবি প্রেসিডেন্ট আবদুস সবুর বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণ, ‘ভিশন-২০৪১’ ও ‘ডেল্টা প্ল্যান- ২১০০’ বাস্তবায়নে প্রকৌশলীরা দৃঢ় অঙ্গীকারবদ্ধ৷ সরকারকে প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান বিষয়ে যেকোনো পরামর্শ দিতে আইইবি সক্ষম। আইইবির প্রকৌশলীর সদা প্রস্তুত রয়েছে।”

অনুষ্ঠানে দেশের প্রকৌশল পেশার মানোন্নয়নে আইইবির সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী এস এম মঞ্জুরুল হক মঞ্জু বলেন, ‘আমরা সুনির্দিষ্ট করে আইইবির পক্ষ থেকে দাবি জানাচ্ছি। সেই দাবিগুলো বাস্তবায়ন করতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করছি।’

প্রকৌশলীদের দাবি

১. প্রকৌশলীদের পদোন্নতি ও পদায়ন নিশ্চিত করা।

২. পলিটেকনিক শিক্ষকদের বর্তমান চাকরি কাঠামো পরিবর্তন।

৩. বিভিন্ন প্রকৌশল সংস্থাকে (এলজিইডি) বিসিএস ক্যাডারভুক্ত করা, বিসিএস পানিসম্পদ ক্যাডার, বিসিএস টেলিকম, বিসিএস টেক্সটাইল ক্যাডার চালু করা।

৪. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রকৌশল উইং সৃষ্টি

৫. বিভিন্ন প্রকল্পে কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তিদের প্রজেক্ট ডিরেক্টর (পিডি) নিয়োগ করা।

৬. বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রণাধীন সব প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিত করা

আরও পড়ুন:
‘ঘুষের’ টাকাসহ পাউবোর দুই প্রকৌশলী আটক
ভৈরব নদে চীনা প্রকৌশলীর মরদেহ
চসিক প্রকৌশলীর উপর হামলার বিচারের দাবি আইইবির
প্রকৌশলীকে চড়: ‘নেতার কাছে দুঃখ প্রকাশ’ বানি আমিনের
প্রকৌশলীকে মারধর, ৪ ঠিকাদার আটক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The Pulitzer Prize is being awarded today

পুলিৎজার পুরস্কার দেয়া হচ্ছে আজ

পুলিৎজার পুরস্কার দেয়া হচ্ছে আজ সাংবাদিকতা ছাড়াও সাহিত্য, সংগীত ও নাটকে বিশেষ অবদানের জন্য ১৯১৭ সাল থেকে এ পুরস্কার দেয়া হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত
গত ৭ অক্টোবর হামাসের অতর্কিত ইসরায়েলে হামলা ও তার পর থেকে গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসন এবারের পুলিৎজার প্রদানের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সাংবাদিকতার ‘নোবেল’ হিসেবে খ্যাত পুলিৎজার পুরস্কার দেয়া হচ্ছে আজ। যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির একটি বোর্ড প্রতি বছর এ পুরস্কার ঘোষণা করে।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সোমবার বিকেল তিনটা থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে বলে জানায় বার্তা সংস্থা ইউএনবি।

সাংবাদিকতার ১৫টি বিভাগে এ পুরস্কার দেয়া হয়। সাংবাদিকতা ছাড়াও সাহিত্য, সংগীত, নাটকে বিশেষ অবদানের জন্য ১৯১৭ সাল থেকে এ পুরস্কার দেয়া হচ্ছে।

২০২৩ সালে ঘটে যাওয়া ঘটনাবলির ওপর করা সংবাদের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন বিভাগে এ বছর পুরস্কার ঘোষণা করা হবে। বছরের সবচেয়ে বড় খবর কভার করা সাংবাদিকরাই সাধারণত এ সম্মাননা পান।

গত ৭ অক্টোবর হামাসের অতর্কিত ইসরায়েলে হামলা ও তার পর থেকে গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসন এবারের পুলিৎজার প্রদানের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইসরায়েলি আগ্রাসনের শুরু থেকে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে এ পর্যন্ত গাজায় অন্তত ৯৭ জন সংবাদকর্মী প্রাণ হারিয়েছেন। বিষয়টি পুরস্কার প্রদান কমিটি বিশেষভাবে বিবেচনায় রাখবে। এ ছাড়া ফিলিস্তিনের কোনো সাংবাদিকের কাজকে এবার স্বীকৃতি দেয়া হয় কি না, পর্যবেক্ষকরা সেটি দেখতেও মুখিয়ে আছেন।

ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধ নিয়ে খবর প্রকাশের জন্য গত বছর পুলিৎজার পুরস্কার পায় বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)। এ ছাড়া এ যুদ্ধ নিয়ে খবরাখবর তুলে ধরায় যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমসকেও পুরস্কৃত করা হয়।

আরও পড়ুন:
আইনজীবী ফাওজিয়ার হাতে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সাহসী নারী পুরস্কার
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার হস্তান্তর
ক্লাইমেট মোবিলিটি চ্যাম্পিয়ন লিডার অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
‘বুকার’ পুরস্কার জিতলেন আইরিশ লেখক পল লিঞ্চ
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিতরণ সন্ধ্যায়

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Shakib Tamim Jyoti Happy New Year to the countrymen

দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা সাকিব জ্যোতি তামিমদের

দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা সাকিব জ্যোতি তামিমদের সাকিব আল হাসান, নিগার সুলতানা জ্যোতি ও তামিম ইকবাল। কোলাজ: নিউজবাংলা
নতুন বছরের আগের দিন শনিবার রাতে ফেসবুকে ভেরিফায়েড পেজে এক পোস্টে সাকিব লিখেন, ‘শুভ নববর্ষ! আশা করি আমাদের সবার জীবনে এই নতুন বছর অঢেল সুখ, শান্তি এবং আনন্দ নিয়ে আসবে।’

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দেশের আলোচিত ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল ও নিগার সুলতানা জ্যোতি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তারা বাংলা নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানান।

নতুন বছরের আগের দিন শনিবার রাতে ফেসবুকে ভেরিফায়েড পেজে এক পোস্টে সাকিব লিখেন, ‘শুভ নববর্ষ! আশা করি আমাদের সবার জীবনে এই নতুন বছর অঢেল সুখ, শান্তি এবং আনন্দ নিয়ে আসবে।’

নিজ ভেরিফায়েড পেজে ‘শুভ নববর্ষ ১৪৩১’ লেখা একটি পোস্টার শেয়ার করে ওপেনার তামিম ইকবাল এক বাক্যে লিখেন, ‘সবাইকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা।’

এ দুই তারকা ছাড়াও অনেকেই নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বলে বার্তা সংস্থা বাসসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

ডানহাতি পেসার তাসকিন আহমেদ নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে লিখেন, ‘নববর্ষে নবরূপ রাঙিয়ে দিক প্রতিটি মুহূর্ত। সুন্দর সমৃদ্ধ হোক আগামীর দিনগুলো। শুভ নববর্ষ সকলকে।’

নিজ ফেসবুক অ্যাকাউন্টে অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান মিরাজ লিখেন, ‘আনন্দ, উন্নতি ও শুভকামনার বার্তা নিয়ে নতুন বছরের সূচনায় ভরে উঠুক সকলের জীবন। সবাইকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা। শুভ নববর্ষ ১৪৩১।’

জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি লিখেন, ‘নববর্ষে নবরূপ রাঙিয়ে দিক প্রতিটি মুহূর্ত। সুন্দর সমৃদ্ধ হোক আগামীর দিনগুলো। শুভ নববর্ষ।’

আরও পড়ুন:
‘কী কথা, কাহার সনে’, লাইভে জানাবেন তামিম
বেটিং তদন্তে উঠে এল সাকিবের বোনের নাম
ওয়ানডে অলরাউন্ডার র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান হারালেন সাকিব
সব ফরম্যাটে অধিনায়ক শান্ত, বিসিবির একাধিক পদে পরিবর্তন
চোখের চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন সাকিব

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A two day Baisakhi fair in Kamalganj on the occasion of Bengali New Year

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে কমলগঞ্জে দুই দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে কমলগঞ্জে দুই দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী বৈশাখী মেলায় বাঙালির ঐতিহ্যবাহী সব পণ্যের পসরা সাজানো হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
পহেলা বৈশাখের দিন রোববার থেকে শুরু হওয়া এ মেলা চলবে সোমবার পর্যন্ত। মেলায় উঠেছে হরেক রকমের পণ্য।

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ বাংলা নববর্ষ-১৪৩১ উদযাপন উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী বৈশাখী মেলার আয়োজন করে হয়েছে।

উপজেলার পতনঊষার ইউনিয়নের শহীদনগর বাজারে রোববার নববর্ষ উদযাপন কমিটি ও শাপলা সবুজ সংঘের আয়োজনে দুই দিনব্যাপী ৩১তম বৈশাখী মেলা শুরু হয়।

বর্ষবরণ উপলক্ষে কমলগঞ্জে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রা শেষে মাইজগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের নিয়ে দিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে কমলগঞ্জে দুই দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা

বর্ষবরণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নববর্ষ উদযাপন কমিটির সভাপতি পতনঊষার ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান অলি আহমদ খান সভাপতিত্ব করেন। এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পতনঊষার ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার তওফিক আহমদ বাবু, বিশিষ্ট লেখক ও সাংবাদিক আবদুল হান্নান চিনু, আবুল ফজল চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিছবাউর রহমান চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম, পতনঊষার ইউপি সদস্য তোয়াবুর রহমান তবারক, শাপলা সবুজ সংঘের সভাপতি নারায়ণ মল্লিক সাগর, শহীদনগর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবুল বশর জিল্লুল, প্রবাসী ইমদাদুল হক ইমরান, নববর্ষ উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রাজ্জাকসহ অনেকে।

এদিকে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী বৈশাখী মেলায় বাঙালির ঐতিহ্যবাহী সব পণ্যের পসরা সাজানো হয়েছে।

পহেলা বৈশাখের দিন রোববার থেকে শুরু হওয়া এ মেলা চলবে সোমবার পর্যন্ত। মেলায় উঠেছে হরেক রকমের পণ্য।

মেলা দেখতে ভিড় করেছে শিশু, কিশোরসহ বিভিন্ন বয়সীরা। দীর্ঘদিন পর মেলা হওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছে আগত দর্শনার্থীরা।

আরও পড়ুন:
লাউয়াছড়া উদ্যান সংলগ্ন টিলায় ফের আগুন
মৌলভীবাজারে আসামি ধরতে গিয়ে আহত ৪ পুলিশ
কমলগঞ্জে আগুনে পুড়ল বসতঘর গবাদি পশু
শ্রীমঙ্গলে জাল টাকা ও ভারতীয় রুপিসহ একজন গ্রেপ্তার
ডোবার পানিতে ভাসছিল দুই শিশুর মরদেহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bengali welcomes the New Year with a colorful Mars procession

বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রায় বাংলা নতুন বছরকে বরণ

বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রায় বাংলা নতুন বছরকে বরণ চারুকলা অনুষদ থেকে শুরু হয় বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস
উৎসাহী অংশগ্রহণকারীদের নেতৃত্বে মঙ্গল শোভাযাত্রা শাহবাগ, ঢাকা ক্লাব এবং শিশু পার্কের মতো ঐতিহাসিক স্থান হয়ে ঢাকার ব্যস্ত রাস্তা অতিক্রম করে। বর্ণিল পোশাকে সজ্জিত ও প্রতীকী নিদর্শন সম্বলিত শোভাযাত্রাটি বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিধ্বনি করে এবং আনন্দ-উল্লাসে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়

পহেলা বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চারুকলা অনুষদ থেকে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা হয়েছে।

ঐক্য, সাংস্কৃতিক গর্ব ও স্থিতিস্থাপকতার প্রতীক শোভাযাত্রাটি ঐতিহ্যবাহী শিল্পীসত্তা ও চেতনার মন্ত্রমুগ্ধকর প্রদর্শনীর মধ্যে দিয়ে রোববার সকাল ৯টা ১৮ মিনিটে আরম্ভ হয়। খবর ইউএনবির

উৎসাহী অংশগ্রহণকারীদের নেতৃত্বে মঙ্গল শোভাযাত্রা শাহবাগ, ঢাকা ক্লাব এবং শিশু পার্কের মতো ঐতিহাসিক স্থান হয়ে ঢাকার ব্যস্ত রাস্তা অতিক্রম করে। বর্ণিল পোশাকে সজ্জিত ও প্রতীকী নিদর্শন সম্বলিত শোভাযাত্রাটি বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিধ্বনি করে এবং আনন্দ-উল্লাসে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়

সৃজনশীলতা ও শৈল্পিক প্রকাশের লালনের জন্য পরিচিত চারুকলা অনুষদ সাংস্কৃতিক তাৎপর্যের সূচনা স্থান। অনুষদের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের আয়োজিত এই আয়োজনে বাংলাদেশের বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক সৌন্দর্যের প্রচার ও সংরক্ষণে প্রতিষ্ঠানটির অঙ্গীকারের দৃষ্টান্ত ফুটে ওঠে।

শোভাযাত্রাটি টিএসসিতে সমাপ্তির পথে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে সেখানকার বাতাস হর্ষধ্বনি, সংগীত এবং অংশগ্রহণকারী ও দর্শকদের সম্মিলিত উল্লাসে অনুরণিত হয়। মঙ্গল শোভাযাত্রা শুধু বাংলা নববর্ষের আগমনই উদযাপন করে না, প্রতিকূলতার মধ্যেও বাঙালি মানুষের সহনশীলতা ও চেতনার সাক্ষ্য বহন করে।

আধুনিক বিশ্বের চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে এই জাতীয় আয়োজন ঐক্য, স্থিতিস্থাপকতা ও একাত্মতার বোধকে লালন করার ক্ষেত্রে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের গুরুত্ব নিশ্চিত করে।

মন্তব্য

p
উপরে