× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The prime minister told the police that violence like 2013 should not happen again
hear-news
player
google_news print-icon

২০১৩-র মতো সহিংসতা যেন আর না ঘটে, পুলিশকে প্রধানমন্ত্রী

২০১৩-র-মতো-সহিংসতা-যেন-আর-না-ঘটে-পুলিশকে-প্রধানমন্ত্রী
রাজারবাগে পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি
উচ্চ আদালতের রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিলোপের প্রতিবাদে ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন করে আন্দোলনে যায় বিএনপি-জামায়াত জোট। ২০১৩ থেকে নির্বাচনের এক সপ্তাহ পর পর্যন্ত ব্যাপক সহিংসতা হয় দেশে। সেই নির্বাচনের এক বছর পূর্তির পর ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি থেকে ফের শুরু হয় সহিংসতা। বিএনপির আবার তত্ত্বাবধায়কের দাবিতে ফিরে যাওয়ায় সেই আশঙ্কার কথা বলাবলি হচ্ছে ফের।

২০১৩-১৪ সালের মতো রাজনৈতিক সহিংসতা যেন দেশে আর তৈরি না হয় সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে পুলিশ সদস্যদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে রাজনৈতিক বিরোধিতার মধ্যে দশম সংসদ নির্বাচনের আগের পরিস্থিতি ফেরার যে আশঙ্কার কথা বলাবলি হচ্ছে, সে সময় এমন বক্তব্য এলো সরকার প্রধানের তরফ থেকে।

মঙ্গলবার রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেয়া ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

যে কোনো পরিস্থিতিতে মানুষের জানমাল বাঁচাতে পুলিশের নিজের জীবনের ঝুঁকি নেয়ার প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটাই হচ্ছে পুলিশের সবচেয়ে বড় কাজ এবং এটা তারা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে করে যাচ্ছে। তাই পুলিশ বাহিনীকে আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই, অভিনন্দন জানাই।’

২০১৩-১৪ থেকে সালের শুরু পর্যন্ত এবং ২০১৫ সালে বিএনপি-জামায়াতের আন্দোলনের সময় সহিংসতার কথা স্মরণ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তাণ্ডব ও অগ্নি সন্ত্রাস এবং এর ফলে হাজার হাজার মানুষ, প্রায় সাড়ে ৩ হাজার মানুষ অগ্নিদগ্ধ হয়েছিল। প্রায় পাঁচ শর মতো মানুষ মৃত্যুবরণ করেন এই অগ্নিসন্ত্রাসের কারণে।

‘সেখানে পুলিশ বাহিনীও রেহাই পায়নি। তারাও মৃত্যুবরণ করে এবং আহত হয়। খুব নির্দয়ভাবে পুলিশকে এই জামায়াত-শিবির-বিএনপিরা যেভাবে হত্যা করেছে প্রকাশ্য দিবালোকে, এভাবে পুলিশে গায়ে কেউ হাত দেয়, এটা কিন্তু কখনও দেখা যায় না। কিন্তু এ ধরনের ঘটনাও বাংলাদেশে ঘটেছে।’

প্রধানমন্ত্রী জানান, সেই আন্দোলনের সময় সাড়ে ৩ হাজার বাস-ট্রাক, ১৯টি ট্রেন লঞ্চ নষ্ট করে। সরকারি অফিসে আগুন দেয়া হয়।

তিনি বলেন, ‘পুলিশের সদস্যরা জীবনের বাজি রেখে এ সব ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড রুখে দিয়ে জনগণের জানমাল নিরাপত্তা দিয়েছেন। দূর্ভাগ্য হলো, অগ্নিদগ্ধ হয়ে যারা বেঁচে আছেন, কারও চেহারা এত বিকৃত হয়ে গেছে.. এ ধরনের জঘন্য ঘটনা বাংলাদেশে যেন আর না ঘটে। আমি পুলিশ বাহিনী ও আইন শৃঙ্খলা সংস্থাকে ধন্যবাদ জানাই যে তারা এটা প্রতিহত করেছেন জনগণকে পাশে রেখে।’

২০১৩-র মতো সহিংসতা যেন আর না ঘটে, পুলিশকে প্রধানমন্ত্রী
পুলিশের এক সদস্যকে পদক পরিয়ে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি

শঙ্কা কী কারণে

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে একটি রিট আবেদনের শুনানি শেষে ২০১১ সালের প্রথম প্রান্তিকে উচ্চ আদালত তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে অসাংবিধানিক ঘোষণার পর ওই বছর নির্বাচিত সরকারের অধীনে ভোটের ব্যবস্থা ফেরায় আওয়ামী লীগ সরকার।

এর প্রতিবাদে ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন করে বিএনপি। সেই সঙ্গে সেই নির্বাচন বানচালে যায় আন্দোলনে। তবে বিরোধীদের বর্জনের মুখে একতরফা নির্বাচন করে ক্ষমতায় ফেরে আওয়ামী লীগ।

সেই নির্বাচনের আগে ২০১৩ সালের পুরোট এবং পরের বছর ভোট পরবর্তী এক সপ্তাহ ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত পরিস্থিতি ছিল সংঘাতময়। নির্বাচন ঠেকাতে বিএনপি-জামায়াত জোটের আন্দোলনে স্বাভাবিক জীবন ছিল বিঘ্নিত।

নির্বাচন হয়ে যাওয়ার এক সপ্তাহ পর বিরোধী জোট আন্দোলন প্রত্যাহার করলেও নির্বাচনের এক বছর পূর্তির দিন ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি থেকে আবার শুরু হয় হরতাল অবরোধ। ফেরে পেট্রল বোমা হামলাসহ নানা সহিংসতা। সেটি চলতে থাকে বছরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত। তবে এবার আর কর্মসূচি স্থগিত বা প্রত্যাহার হয়নি। তার আগেই ভেঙে পড়ে অবরোধ ও হরতাল।

একতরফা নির্বাচন করেছে জাতীয় পার্টি এবং বিএনপিও। তবে তাদের সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেনি। ১৯৮৮ সালে জাতীয় পার্টির সরকার দুই বছরের কিছু বেশি সময় এবং ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির ভোটের পর বিএনপি সরকার টিকে থাকে অল্প কদিন।

তবে আওয়ামী লীগ সরকার মেয়াদ পূর্তি করে ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে নির্বাচন দেয়। সেই নির্বাচনের আগে আবার আন্দোলনের ঘোষণা দিলেও তাতে অংশ নেয় বিএনপি। ২০-দলীয় জোটের পাশাপাশি গড়ে তোলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নামে আরও একটি জোট।

তবে সেই নির্বাচনে আগের রাতেই ভোট হয়ে যাওয়ার অভিযোগ এনে আবার তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে ফিরে গেছে। আর আওয়ামী লীগ সরকার বিরোধীদের এই দাবি নাকচ করে এমনকি আলোচনায় না বসার কথাও বলছে। তারা বলছে, উচ্চ আদালত এবং জাতীয় সংসদ- দুই জায়গাতেই তত্ত্বাবধায়কের বিষয়টির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। সেটি ফেরার আর ‍সুযোগ নেই।

২০১৪ এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে সরকারের তরফ থেকে বিএনপির প্রতি আলোচনার আহ্বান জানানো হলেও এবার আর সেটি হচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগেই জানিয়ে দিয়েছেন, কারও নির্বাচনে আসা বা না আসা তাদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ২০১৪ সালের মতোই বিএনপি জাতীয় নির্বাচন বর্জন করলে আবার একতরফা নির্বাচন আয়োজনের ইঙ্গিত দিয়েছেন। বলেছেন, কোনো দল নির্বাচনে না এলে সেটি তাদের দায়িত্ব না। সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে কেউ ভোটে বাধা দিলে আইন অনুসারে ব্যবস্থা নেয়া। সেটি তারা করবেন।

২০১৩-র মতো সহিংসতা যেন আর না ঘটে, পুলিশকে প্রধানমন্ত্রী
অনুষ্ঠানে প্যারেড পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি

পুলিশকে আস্থা ধরে রাখার তাগিদ

প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, পুলিশ তার কাজের মধ্য দিয়ে জনগণের আস্থা অর্জন করতে পেরেছে। সেটি ধরে রাখার তাগিদও দিয়েছেন তিনি।

সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের সাফল্যের জন্য তাদের প্রশংসা করেন শেখ হাসিনা বলেন, ‘জঙ্গিবাদ সন্ত্রাস একটি বিশ্বব্যাপি সমস্যা। হলি আটিজানের ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের পুলিশের অফিসাররা যে অবস্থায় ছিল, সেভাবে ছুটে গিয়েছিলেন এবং দুই জন জীবন দেন। আমরা এই জঙ্গির হাত থেকে রক্ষার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছি।

‘পুলিশ বাহিনীকে আমি ধন্যবাদ জানাই, জঙ্গি-সন্ত্রাসী-মাদক চোরাচালানী বা মানব পাচারের বিরুদ্ধে তারা যথাযথ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। এর পাশাপাশি, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে আমাদের পুলিশ অত্যন্ত বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। আর এরজন্য পুলিশ বাহিনী, বিশেষ করে মহিলা কন্টিনজেন্ট ভূয়সী প্রশংসা পাচ্ছে আন্তর্জাতিকভাবে। এতে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জল হচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের পুলিশ বাহিনী এখন জনগণের পুলিশ হিসেবে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। আগে পুলিশের নাম শুনে মানুষ ভয় পেত, এখন জানে পুলিশ সেবা দেয়, তাদের পাশে দাঁড়ায়। মানুষের আস্থা অর্জন করা, জনগনের আস্থা অর্জন করা যে কোনো বাহিনীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন।

‘এই মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকেই আপনারা মানুষের সেবা করে যাবেন। জনগনের মনে পুলিশের জন্য যে আস্থা তৈরি হয়েছে সেটা যেন অক্ষুণ্ন থাকে।’

কৃতিত্বপূর্ণ ভূমিকায় ১১৫ জনকে পদক

অনুষ্ঠানে ১১৫ পুলিশ কর্মকর্তাকে সদ্য বিদায়ী ২০২২ সালে পেশাগত কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) ও রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম) তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

এর মধ্যে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ ১৫ জন পুলিশ সদস্যকে বিপিএম ও ২৫ জনকে পিপিএম দেয়া হয়।

গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামূলক আচরণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য ২৫ জন পুলিশ সদস্যকে বিপিএম-সেবা এবং ৫০ জনকে পিপিএম-সেবা দেয়া হয়।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Winter may increase from Thursday

শীত বাড়তে পারে বৃহস্পতিবার থেকে

শীত বাড়তে পারে বৃহস্পতিবার থেকে কুয়াশাচ্ছন্ন সড়কে যান চলাচল। ফাইল ছবি
আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক নিউজবাংলাকে জানান, বৃহস্পতিবার থেকে তাপমাত্রা কমে একই রকম থাকতে পারে চার থেকে পাঁচ দিন।

সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা কমতে পারে জানিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে বৃহস্পতিবার থেকে।

রাষ্ট্রীয় সংস্থাটির আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক নিউজবাংলাকে জানান, বৃহস্পতিবার থেকে তাপমাত্রা কমে একই রকম থাকতে পারে চার থেকে পাঁচ দিন।

২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাস

আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে সিনপটিক অবস্থা নিয়ে বলা হয়, নিম্নচাপটি দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এটি পশ্চিম-দক্ষিণ পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। এর বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। এ ছাড়া উপমহাদেশীয় উচ্চতাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বিহার ও সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।

দিনভর আবহাওয়া কেমন থাকবে, তা নিয়ে পূর্বাভাসে জানানো হয়, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

কুয়াশা নিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, শেষ রাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

তাপমাত্রার বিষয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়, সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।

পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার অবস্থা নিয়ে বলা হয়, উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, মঙ্গলবার দেশের সর্বোচ্চ ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল কক্সবাজারে। বুধবার দেশের সর্বনিম্ন ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়।

আরও পড়ুন:
শীত বাড়তে পারে ফেব্রুয়ারির শুরুতে
শীত বাড়তে পারে রাতে
দিনে তাপমাত্রা কমতে পারে উত্তরে
শীত ওঠানামা করতে পারে দুই-তিন দিন
‘মাঘের শীতে বাঘ পালায়’ শুধু বইয়েই

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Voting begins in 6 seats left by BNP

বিএনপির ছেড়ে দেয়া ৬ আসনে ভোট শুরু

বিএনপির ছেড়ে দেয়া ৬ আসনে ভোট শুরু ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের একটি ভোটকেন্দ্র। ছবি: নিউজবাংলা
নিজেদের অধীন প্রথম সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে সিসিটিভি ক্যামেরা ব্যবহার করলেও এ ভোটে তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন কমিশন, তবে জাতীয় নির্বাচনে ক্যামেরা ব্যবহারে আগ্রহ রয়েছে তাদের।

বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের পদত্যাগের কারণে শূন্য হওয়া ছয়টি সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে বুধবার ভোট শুরু হয়েছে।

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে শুরু হওয়া ভোট চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।

উপনির্বাচনের ছয়টি আসন হলো ঠাকুরগাঁও-৩, বগুড়া-৪ বগুড়া-৬, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২।

ঢাকার গোলাপবাগে গত বছরের ১০ ডিসেম্বর বিভাগীয় সমাবেশে বিএনপির সংসদ সদস্যদের একযোগে পদত্যাগের ঘোষণা আসে। পরের দিন পদত্যাগপত্র জমা দিতে পাঁচজন এমপি সংসদ ভবনে যান।

ওই দিন অসুস্থ থাকায় পদত্যাগপত্র জমা দিতে আসতে পারেননি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের এমপি উকিল আবদুস সাত্তার ভূঁইয়া। অন্যদিকে বিদেশে থাকায় যেতে পারেননি চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের এমপি হারুনুর রশীদ। তাদের হয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন রুমিন ফারহানা।

নিজেদের অধীন প্রথম সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে সিসিটিভি ক্যামেরা ব্যবহার করলেও এ ভোটে তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন কমিশন, তবে জাতীয় নির্বাচনে ক্যামেরা ব্যবহারে আগ্রহ রয়েছে তাদের।

প্রচার-প্রচারণা চলাকালীন বড় ধরনের সহিংসতার খবর পাওয়া না গেলেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের এক প্রার্থী এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান মনে করছেন, নিখোঁজ স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু আসিফ আত্মগোপনে আছেন।

এ নিয়ে ইসি আনিছ সাংবাদিকদের বলেন, ‘সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এ ভোটে সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা নেই। ভোটকেন্দ্রে নিরবচ্ছিন্নভাবে সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলবে।’

নির্বাচনী এলাকায় ভোটের দিন ট্রাক, পিকআপ ও ইঞ্জিনচালিত নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে। মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ থাকবে বুধবার মধ্যরাত পর্যন্ত, তবে ইসির অনুমতি নিয়ে যেকোনো যান চলাচল করতে পারবে।

নির্বাচন কমিশনের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, এই ছয় আসনের ভোটে সাধারণ কেন্দ্রে ১৬ থেকে ১৭ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭ থেকে ১৮ জন করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে।

আরও পড়ুন:
চাঁপাইয়ে আওয়ামী লীগের ‘ঘরের শত্রু বিভীষণ’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে সাত্তার-চমকের কী প্রভাব
ছয় আসনে ৫৩ মনোনয়নপত্র
জামানত হারালেন বিকল্পধারার প্রার্থীসহ ৩ জন
ঠাকুরগাঁওয়ে ভোট বর্জনে গণসংযোগ করবে বিএনপি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
6 seats vacated by BNP will be voted late at night

বিএনপির ছেড়ে দেয়া ৬ আসনে ভোট আজ

বিএনপির ছেড়ে দেয়া ৬ আসনে ভোট আজ গাইবান্ধা-৫ আসনে উপনির্বাচনের একটি কেন্দ্র। ফাইল ছবি
নিজেদের প্রথম সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে সিসি ক্যামেরা ব্যবহার করলেও এ ভোটে ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে কাজী হাবিবুল আউয়াল নেতৃত্বাধীন কমিশন। তবে জাতীয় নির্বাচনে ক্যামেরা ব্যবহারে আগ্রহ রয়েছে তাদের।

বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের পদত্যাগের কারণে শূন্য হওয়া ৬টি সংসদীয় আসনের উপনির্বাচন আজ বুধবার। সকাল সাড়ে ৮টা থেকে একটানা বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হবে।

উপনির্বাচনের ছয়টি আসন হলো- ঠাকুরগাঁও-৩, বগুড়া-৪ বগুড়া-৬, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২।

নিজেদের প্রথম সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে সিসিটিভি ক্যামেরা ব্যবহার করলেও এ ভোটে তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন কমিশন। তবে জাতীয় নির্বাচনে ক্যামেরা ব্যবহারে আগ্রহ রয়েছে তাদের।

প্রচার-প্রচারণা চলাকালীন বড় ধরনের সহিংসতার খবর পাওয়া না গেলেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের এক প্রার্থী এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান মনে করছেন, নিখোঁজ স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু আসিফ আত্মগোপনে আছেন।

এ নিয়ে ইসি আনিছ সাংবাদিকদের বলেন, 'সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এ ভোটে সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা নেই। ভোটকেন্দ্রে নিরবচ্ছিন্নভাবে সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে।'

ইতোমধ্যে এসব নির্বাচনী এলাকায় সব ধরনের প্রচারণা বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া ওইসব এলাকায় ভোটের দিন ট্রাক, পিকআপ ও ইঞ্জিনচালিত নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে। মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ থাকবে বুধবার মধ্যরাত পর্যন্ত। তবে ইসির অনুমতি নিয়ে যেকোনো যান চলাচল করতে পারবে।

নির্বাচন কমিশনের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, এই ছয় আসনের ভোটে সাধারণ কেন্দ্রে ১৬ থেকে ১৭ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭ থেকে ১৮ জন করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে।

আরও পড়ুন:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে সাত্তার-চমকের কী প্রভাব
ছয় আসনে ৫৩ মনোনয়নপত্র
জামানত হারালেন বিকল্পধারার প্রার্থীসহ ৩ জন
ঠাকুরগাঁওয়ে ভোট বর্জনে গণসংযোগ করবে বিএনপি
দ্বিতীয় ভোটে গাইবান্ধায় রিপনের জয়

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Jagadish wants to become the president but the obstacle is the EC

রাষ্ট্রপতি হতে চান জগদীশ, ইসির ‘‌বাধা’

রাষ্ট্রপতি হতে চান জগদীশ, ইসির ‘‌বাধা’ রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনে মনোনয়ন ফরম কিনতে ইসিতে ঘুরছেন জগদীশ বড়ুয়া পার্থ। ছবি: নিউজবাংলা
জগদীশ বড়ুয়া পার্থ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন আমার আবেদন নিচ্ছে না। মনোনয়ন ফরমও দিচ্ছে না। প্রয়োজনে এ নিয়ে আমি হাইকোর্টে যাব।’

রাষ্ট্রপতি হতে চান জগদীশ বড়ুয়া পার্থ। দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বারান্দায় ঘুরছেন কক্সবাজারের এই বাসিন্দা।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের পাশে মঙ্গলবার দেখা গেছে তাকে। কয়েকদিন ধরে ঘুরলেও মনোনয়নপত্র কিনতে পারেননি তিনি। জগদীশ জানিয়েছেন, মনোনয়নপত্র পেতে প্রয়োজনে আইনি লড়াইয়ে যাবেন তিনি।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল ২৫ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। তফসিল অনুযায়ী, এই নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে হবে ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে। যাচাই-বাছাই হবে ১৩ ফেব্রুয়ারি। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৪ ফেব্রুয়ারি। আর ভোটগ্রহণ হবে ১৯ ফেব্রুয়ারি।

জগদীশ বড়ুয়া পার্থ এই নির্বাচনে প্রার্থী হতে ২৫ জানুয়ারির পর থেকেই মনোনয়নপত্র কেনার জন্য ইসিতে ঘুরছেন। মঙ্গলবার পর্যন্ত তার আবেদনপত্র গৃহীত হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হতে হলে বয়স ৩৫ বছরের বেশি হতে হবে। তার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হবে। এছাড়া থাকতে হবে একজন করে প্রস্তাবক ও সমর্থক।

আবেদনপত্র হাতে কাঁধে ব্যাগ নিয়ে জগদীশ বড়ুয়া বলেন, ‘আমাদের ২১তম রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। সে সুবাদে তফসিল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। কিন্তু দুর্ভাগ্য, এখানে ২৫ তারিখের পর বার বার আসছি। কিন্তু আমাকে মনোনয়ন ফরম দিচ্ছে না। তারা আমার আবেদন গ্রহণ করছে না। রাষ্ট্রপতি পদে আমি একজন প্রার্থী৷’

নিজেকে বাংলাদেশ মঙ্গল পার্টির চেয়ারম্যান পরিচয় দিয়ে জগদীশ দাবি করেন, তিনি এর আগে জেলা পরিষদ নির্বাচন করেছেন। ঢাকা-৮ আসনে সংসদ সদস্য পদেও নির্বাচন করেছেন।

নির্বাচন কমিশন থেকে অনলাইনে আবেদনের জন্য বলা হয়েছে উল্লেখ করে জগদীশ বলেন, ‘অনলাইনে গিয়ে দেখছি ভুয়া। তফসিলে যে টিঅ্যান্ডটি নম্বর দিয়েছে, সেই নম্বরে অনেক ফোন দিয়েছি। পাওয়া যায় না। আজকে আসছি আবেদন নিয়ে।’

এই মনোনয়নপ্রত্যাশী বলেন, ‘(নির্বাচন কমিশনের) জনসংযোগ শাখার (সহকারী পরিচালক) আশাদুল হককে কল দিলে তিনি বলেন বাইরে থাকেন। সবসময় মিটিংয়ে থাকেন। একবার বাইরের অভ্যর্থনা কক্ষে পাঠায়, একবার ভেতরের অভ্যর্থনা কক্ষে পাঠায়। এদিকে ফোনও রিসিভ করছে না তারা। রিসিভ করলে সমস্যা কোথায়? আমি কি নির্বাচিত হয়ে যাচ্ছি?’

প্রতিবেশী দেশ ভারতে দলিত সম্প্রদায় থেকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার প্রসঙ্গ টেনে জগদীশ বলেন, ‘আমি বড়ুয়া সম্প্রদায়ের। এই বাঙালি জাতিকে রক্ষা করার জন্য মঙ্গল ধর্মের প্রবর্তক হিসেবে আমার অধিকার আছে ভালো কথা বলার। আমি নিজের জমি বিক্রি করে রাজনীতি করি। কারও ধার ধারি না।’

কতিপয় এমপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘দেশ স্বাধীনের পর থেকে তারা আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে গেছেন। সে রকম ভোট একটাও লাগবে না। আমাকে যে ভোট দেবে এরকম ভোট আমি দেখছি না।

‘এরা যদি রিসিভ না করে, তাহলে আমি হাইকোর্টে যাব। আমার আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলেছি, আমি মামলার পর্যায়ে যাব। যেমন হিরো আলম একতারা প্রতীক নিয়ে (বগুড়া-২ আসন) উপনির্বাচনে গেছে। ঠিক তেমনিভাবে আমি যাব।’

নিজেকে নির্বাচনপ্রিয় মানুষ উল্লেখ করে জগদীশ বলেন, ‘আমি ২০১১ সাল থেকে নির্বাচন করি। আইনি জটিলতা যেটা আছে, এজন্য অবশ্যই আমি লড়াই করব।’

নির্বাচনে নিজের তৈরি করা ইশতেহার তুলে ধরে জগদীশ বলেন, ‘বাংলাদেশে ১০ কোটি টাকার ওপরে যারা মালিক আছেন, তাদের টাকা বাজেয়াপ্ত করার কথা থাকবে আমার ইশতেহারে। বাংলাদেশে যত খাস জমি আছে, সেগুলো মাথাপিছু ৫ শতাংশ করে দান করব।’

ইসির জনসংযোগ শাখার সহকারী পরিচালক আশাদুল হক এ বিষয়ে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘উনি আমার কাছে এলে তো হবে না। এ জন্য নির্বাচনী কর্মকর্তা সিইসির দপ্তরে যেতে হবে। আমার কাছে চাইলে তো হবে না। আমার সঙ্গে ওনার দেখা হয়নি। আমি নির্বাচনী শাখায় যোগাযোগ করতে বলেছি।’

নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ বলেন, ‘বিষয়টি আমার নলেজে নেই। কাল অফিসে গেলে খোঁজ নেব- কে বা কারা বাধার সৃষ্টি করেছে। তবে আইনগতভাবে কোনো বাধা নেই। আইন অনুযায়ী হলে যে কেউ মনোনয়ন ফরম কিনতে পারবেন।’

আরও পড়ুন:
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট ১৯ ফেব্রুয়ারি
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল বুধবার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Business mentality should be left over education President

শিক্ষা নিয়ে ব্যবসার মানসিকতা ছাড়তে হবে: রাষ্ট্রপতি

শিক্ষা নিয়ে ব্যবসার মানসিকতা ছাড়তে হবে: রাষ্ট্রপতি মঙ্গলবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সিইউবি'র সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা নোবেল জয়ী কৈলাশ সত্যার্থীর হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন প্রধান অতিথি রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত ও উপাচার্য ড. এইচ এম জহিরুল হকসহ অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। ছবি: নিউজবাংলা/পিয়াস বিশ্বাস
কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ-এর প্রথম সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, ‘প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দাতব্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত হোক সেটা চাই না। আবার এটাও চাই না যে শিক্ষাকে পণ্য বিবেচনা করে শিক্ষার নামে বিশ্ববিদ্যালয়কে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হোক।’

শিক্ষা নিয়ে ব্যবসার মানসিকতা পরিহার করতে এই খাতের উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত না করে জ্ঞান বিতরণ ও একবিংশ শতাব্দীর উপযোগী গ্রাজুয়েট তৈরির প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ (সিইউবি)-এর প্রথম সমাবর্তনে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আচার্য আবদুল হামিদ বলেন, ‘শিক্ষাকে নিয়ে ব্যবসা করার মন-মানসিকতা পরিহার করা সবার জন্যই মঙ্গল।’

উদ্যোক্তাদের উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘আইন ও বিধি-বিধান মেনে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করবেন। নিজেদের ইচ্ছে আর সুবিধামতো বিশ্ববিদ্যালয় চালানো যাবে না।

‘প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দাতব্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত হোক সেটা চাই না। আবার এটাও চাই না যে শিক্ষাকে পণ্য বিবেচনা করে শিক্ষার নামে বিশ্ববিদ্যালয়কে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হোক।’

দেশে বর্তমানে দেড় শতাধিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে উল্লেখ করে আবদুল হামিদ বলেন, ‘পত্রপত্রিকা খুললেই দেখা যায় কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রির নামে সার্টিফিকেট বিতরণ করে চলেছে। অনেক বিশ্ববিদ্যালয় গ্রাজুয়েট তৈরির কারখানা খুলে বসেছে।

‘একবিংশ শতাব্দীতে বৈশ্বিক অগ্রযাত্রার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে, জাতির উন্নয়ন, উন্নত সমাজ গঠন এবং বিশ্বমানের গ্রাজুয়েট তৈরির লক্ষ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গুণগত মান, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

‘গুণগত মান ছাড়া উচ্চশিক্ষা মূল্যহীন। তাই, উচ্চ শিক্ষা যাতে কোনোভাবেই সার্টিফিকেট-সর্বস্ব না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে।’

গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘দেশে উচ্চ শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। শিক্ষার সঙ্গে কর্মের সংযোগ ঘটাতে না পারলে ভবিষ্যতে হয়তোবা শিক্ষার্থীর অভাবে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে দিতে হবে।

রাষ্ট্রপ্রধান বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিজস্ব ক্যাম্পাস ও অবকাঠামো নির্মাণে পদক্ষেপ নেয়ারও তাগিদ দেন।

স্নাতক ডিগ্রিধারীদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘ভবিষ্যতে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি নিশ্চিতকরণে তোমাদেরকেই নেতৃত্ব দিতে হবে। তোমাদের হাত ধরেই এগিয়ে যাবে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ।

‘প্রত্যাশা করি, দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যকে লালন করে জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চায় সমৃদ্ধ হয়ে তোমরা সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে।’

শিক্ষা নিয়ে ব্যবসার মানসিকতা ছাড়তে হবে: রাষ্ট্রপতি
সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের হাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে স্মারক তুলে দেন সিইউবির বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত। ছবি: নিউজবাংলা

বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য বলেন, ‘শিক্ষার্থীদেরকে শুধু পাঠ্যপুস্তক অধ্যয়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেই চলবে না, পাঠ্য বিষয়ের সঙ্গে সঙ্গে বহির্জগতের জ্ঞান ভাণ্ডার থেকে জ্ঞান আহরণ করতে হবে।

‘নিজেকে কর্মবীর ও জ্ঞানী করে তোলাই হবে শিক্ষার মূল লক্ষ্য। উচ্চ চিন্তা ও সহজ জীবনাচরণ তোমাদের প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবে। সদাচরণ আর সদালাপ হচ্ছে শিক্ষা জীবনের ভূষণ।’

শিক্ষকদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আপনারা উন্নত জাতি তৈরির মহান কারিগর। আপনাদের হতে হবে নৈতিকভাবে বলিষ্ঠ চরিত্রের অধিকারী, নিরপেক্ষ, অকুতোভয় এবং সত্যবাদী।’

দেশের তরুণ প্রজন্মকে যুগোপযোগী শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অনুরোধ জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে দেশ উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে আবদুল হামিদ বলেন, ‘স্বল্পোন্নত দেশ থেকে আমাদের গর্বের বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উন্নীত হয়েছে।

‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষা বিস্তারের কোনো বিকল্প নেই।’

চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ন্যানো টেকনোলজি, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স-এর মতো বিষয়গুলোকে মাথায় রেখে যুগোপযোগী শিক্ষাক্রম প্রণয়নেরও নির্দেশ দেন রাষ্ট্রপতি।

সমাবর্তনে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শান্তিতে নোবেল পুরস্কার জয়ী ও অধিকার কর্মী কৈলাস সত্যার্থী।

সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ-এর চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিস সরাফাত, সিইউবি উপাচার্য প্রফেসর ড. এইচএম জহিরুল হক, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র উপদেষ্টা প্রফেসর ড. শেখ মামুন খালেদ, উপদেষ্টা প্রফেসর ড. রিদওয়ানুল হক এবং মার্শাল (প্রফেসর সৈয়দ আখতার হোসেন) প্রমুখ বক্তব্য দেন।

আরও পড়ুন:
সিইউবির প্রথম সমাবর্তন আজ, থাকছেন রাষ্ট্রপতি
সিইউবির প্রথম সমাবর্তন ৩১ জানুয়ারি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Internal combustion of a class of intellectuals to stop illegal seizure of power Prime Minister

অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল বন্ধে এক শ্রেণির বুদ্ধিজীবীর অন্তর্জ্বালা: প্রধানমন্ত্রী

অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল বন্ধে এক শ্রেণির বুদ্ধিজীবীর অন্তর্জ্বালা: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঙ্গলবার তার কার্যালয়ে রংপুর সিটির নবনির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। ছবি: পিআইডি
শেখ হাসিনা বলেন, ‘সংবিধানে পঞ্চদশ সংশোধনী আনার ফলে এবং দীর্ঘদিন ধরে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখায় দেশে স্থিতিশীলতা বিরাজ করছে। তাই এখন কোনো অনির্বাচিত ব্যক্তি অবৈধভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করতে পারছে না।’

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অবৈধভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের পথ বন্ধ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, কারা ক্ষমতায় যাবে সে সিদ্ধান্ত নিতে এই সংশোধনী জনগণকে ক্ষমতা দিয়েছে। দেশে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করেছে। যদিও অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল বন্ধ হওয়াটা দেশের তথাকথিত এক শ্রেণীর বুদ্ধিজীবীর অর্ন্তজ্বালার কারণ।

বার্তা সংস্থা বাসস জানায়, প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার তার কার্যালয়ে রংপুর সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র ও ওয়ার্ড কাউন্সিলরসহ সংরক্ষিত নারী আসনের কাউন্সিলরদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, ‘সংবিধানে পঞ্চদশ সংশোধনী আনার ফলে এবং দীর্ঘদিন ধরে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখায় দেশে স্থিতিশীলতা বিরাজ করছে। তাই এখন কোনো অনির্বাচিত ব্যক্তি অবৈধভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করতে পারছে না।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘দেশের সংবিধান লঙ্ঘন করে মার্শাল ল জারি করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলকে সর্বোচ্চ আদালত অবৈধ ঘোষণা করেছে। ‌এর ফলে বাংলাদেশের মানুষের ভোটের অধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত হয়েছে।

‘আমরা এই ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের সংবিধানে পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে এসে গণতন্ত্রকে সুসংহত করেছি। এই গণতন্ত্র হচ্ছে জনগণের শক্তিকে আরও দৃঢ় করা এবং ক্ষমতায় কে যাবে না যাবে জনগণই যেন তা নির্ধারণ করতে পারে তা নিশ্চিত করা।’

সরকার প্রধান বলেন, পঞ্চদশ সংশোধনী আনয়নের ফলে দেশে একটা স্থিতিশীলতা এসেছে কারণ দীর্ঘদিন গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত আছে। এখন আর অনির্বাচিত কেউ অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করতে পারছে না। যদিও সেটা দেশের তথাকথিত এক শ্রেণীর বুদ্ধিজীবীর অন্তর্জ্বালার কারণ।

‘তারা কোনোদিন ভোটে জিততে পারবে না। রাজনীতি করতে পারবে না বা জনগণের মুখোমুখি দাঁড়ানোর মতো সাহস তাদের নেই। কোনোমতে ক্ষমতায় কীভাবে যাবে সেজন্য তারা সবসময় এই গণতান্ত্রিক ধারা ব্যর্থ করার চেষ্টা করে। তাদের এই প্রচেষ্টা আমরা যুগ যুগ ধরে দেখে আসছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৯৬ থেকে ২০০১ মেয়াদে একুশ বছর পর সরকারে এসে আওয়ামী লীগ ৫ বছর দেশ পরিচালনার পর শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছিল। তা ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরের একমাত্র ঘটনা। এছাড়া অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল, জরুরি অবস্থা জারি বা মার্শাল ল- নানা ধরনের ঘটনায় বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তনই হয়নি।

‘আওয়ামী লীগ সরকারের গত তিন মেয়াদের টানা শাসনের ফলে বাংলাদেশ বদলে গেছে। ২০০৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত এই সময়ে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের প্রস্তাবে নির্বাচন পদ্ধতিতে সংস্কার, ১ কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার বাদ দিয়ে ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন, স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স, স্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠনে নির্বাচন কমিশন আইন পাসসহ নির্বাচন কমিশনের ব্যয় নির্বাহের বিষয়টিও স্বাধীন করে দেয়া হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী রংপুর সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফাকে শপথবাক্য পাঠ করান। আর নবনির্বাচিত কাউন্সিলরদের শপথবাক্য পাঠ করান এলজিআরডি ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

এলজিআরডি ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব মুহাম্মদ ইব্রাহিম।

২৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জাতীয় পার্টি সমর্থিত প্রার্থী মোস্তফা টানা দ্বিতীয়বারের মতো মেয়র পদে জয়ী হন।

প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে নির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরদের অভিনন্দন জানিয়ে তাদের নিবেদিতপ্রাণ হয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

তাঁর সরকারের ভুমিহীন-গৃহহীনকে ঘর করে দেয়ার কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ভূমিহীন-গৃহহীণ মানুষকে ঘর করে দেয়ার সময় কে কোন দলের তা দেখিনি। মানুষকে মানুষ হিসেবেই দেখেছি। মুজিবের এই বাংলায় একটি মানুষও গৃহহীণ-ভূমিহীন থাকবে না, তা তাঁর সরকার নিশ্চিত করবে।

জনগণ যাতে সরকারের সেবা পায় তা নিশ্চিত করার জন্যই তিনি রংপুর বিভাগ করে দিয়েছেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখানে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নীলফামারি, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা এবং রংপুর অঞ্চল সবসময়ই ছিল দুর্ভিক্ষ বা মঙ্গা পীড়িত। সে জন্যই আমি চেয়েছি যে এখানে যদি একটা বিভাগ হয় এবং সেবা যদি জনগণের দোরগোড়ায় আমরা পৌঁছে দিতে পারি তাহলে মানুষ ভাল থাকবে। এরপর রংপুর সিটি কর্পোরেশন করে দিয়ে তাঁর সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পেরও একটি খতিয়ান তিনি তুলে ধরেন।

রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ৮টি প্রকল্পে মোট ১১৭৩ দশমিক ৮৪ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে বলেও জানান শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘কে কোন দলের মেয়র সেটা কিন্তু দেখি নাই। আমরা কিন্তু মানুষের জন্যই কাজ করেছি। এটাই হলো বাস্তব কথা।’

তিনি এ সময় করোনা পরবর্তী রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে দেশের প্রতি ইঞ্চি অনাবাদি জমিকে চাষাবাদের আওতায় আনার জন্য দেশবাসীর প্রতি তাঁর আহবান পুনর্ব্যক্ত করেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Brahmanbaria candidate in disguise EC Anich

আত্মগোপনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রার্থী: ইসি আনিছ

আত্মগোপনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রার্থী: ইসি আনিছ আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে রোববার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ইসি আনিছুর রহমান। ফাইল ছবি
বিএনপির সংসদ সদস্যদের পদত্যাগে শূন্য হওয়া ৬ আসনে উপনির্বাচন আগামী বুধবার। ভোটের এক দিন আগেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল ও আশুগঞ্জ) আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী আবু আসিফ আহমেদকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল ও আশুগঞ্জ) আসনের উপনির্বাচনের প্রার্থী আবু আসিফ আহমেদ আত্মগোপনে আছেন বলে মনে করছেন নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে মঙ্গলবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এমনটি বলেন

বিএনপির সংসদ সদস্যদের পদত্যাগে শূন্য হওয়া ৬ আসনে উপনির্বাচন আগামী বুধবার। ভোটের এক দিন আগেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল ও আশুগঞ্জ) আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী আবু আসিফ আহমেদকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

পরিবারের সদস্যরা বলছেন, শুক্রবার রাত থেকে আসিফের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না তারা। বিএনপির দলছুট নেতা উকিল আবদুস সাত্তার ভূঁইয়ার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু আসিফ আহমেদ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া অডিও ক্লিপের প্রসঙ্গ টেনে এই কমিশনার বলেন, 'মনে হয়, এ রকম একটা পরিকল্পনা আগেই করা ছিল। অডিওতে তার স্ত্রীর কণ্ঠে একজন নির্দেশনা দিচ্ছিলেন কী নিয়ে যেতে হবে। ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা বন্ধ করে দিতে বলেছে। ১০ মিনিট পরে বের হয়ে গেলে চালু করতে তার মানে কী?'

নিখোঁজ প্রার্থীকে খুঁজে বের করার নির্দেশ ছিল জানিয়ে ইসি আনিছ বলেন, গণমাধ্যমের সামনে এসে সে বলবে কোথায় কীভাবে গিয়েছিল। আমাদের কাছে এটুকু তথ্য আছে যে, সরকারি কোনো বাহিনী এ কাজটি করেনি।

আনিছুর রহমান বলেন, একটা লোক যদি কেউ লুকিয়ে থাকে ইচ্ছা করে তাহলে তাকে খুঁজে বের করা একটু কঠিন।

প্রার্থী খুজে না পাওয়ায় ভোটের মাঠে প্রভাব পড়বে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন,' আমার মনে হয় না তেমন কিছু হবে। খুব বেশি যে প্রভাব পড়বে এরকম কিছু না। কারণ তার স্ত্রী তার পক্ষে সব কাজ করে যাচ্ছেন।'

ছয় আসনে উপনির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে ইসি আনিছ বলেন, ' যথারীতি সব প্রস্তুতি আছে। সিসি ক্যামেরা থাকছে না। বাকি সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ভোট কেন্দ্রে নিরবচ্ছিন্নভাবে সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোট চলবে। ইলেকট্রিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট নেয়ার জন্য প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।'

আরও পড়ুন:
ইভিএম নিয়ে ধোঁয়াশায় ইসি
ভোটের পরিবেশ অনুকূলে নয়: সিইসি
ইইউর ১১ প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠকে ইসি
এমপি গোলাপের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার এখতিয়ার ইসির নেই: কমিশনার আলমগীর
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটার বাড়ছে প্রায় ৫৮ লাখ

মন্তব্য

p
উপরে