× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The authorities are forgetting about the incident of the death of the DU bus
google_news print-icon

ঢাবির বাসের ধাক্কায় নিহতের ঘটনা ‘ভুলে যাচ্ছে’ কর্তৃপক্ষ

ঢাবি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টঙ্গী-গাজীপুর রুটের বাস ‘ক্ষণিকা’। ফাইল ছবি
নিহত ব্যক্তির পরিবারের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে যোগাযোগ বা কোনো সহায়তা দেয়া হবে কি না, জানতে চাইলে উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান ‘ঠিক আছে, ভালো থেকো’ বলে ফোন রেখে দেন।

উল্টো পথে চলা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টঙ্গী-গাজীপুর রুটের ‘ক্ষণিকা’ বাসের ধাক্কায় রাজধানীতে এক বেসরকারি চাকরিজীবী নিহত হওয়ার ঘটনায় দায় নিচ্ছে না বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তারা বলছে, বাসটি বিআরটিসির হওয়ায় তেমন কিছু করণীয় নেই।

দুর্ঘটনার তিন দিন কেটে গেলেও নিহত ব্যক্তির পরিবারের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো যোগাযোগ করেনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস উল্টো পথে চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়নি স্বীকার করে কর্তৃপক্ষ বলছে, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা বন্ধে কঠোর নির্দেশনা দেয়া হবে।

এয়ারপোর্ট রোডে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে বৃহস্পতিবার বিকেলে ‘ক্ষণিকা’ বাসের ধাক্কায় গুরুতর আহত হন ২৪ বছর বয়সী আলামিন টুটুল।

বিআরটিসির দোতলা বাসটি ভাড়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বহন করছিল। পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ওই দিন বিকেল ৪টায় বাসটি কার্জন হল থেকে ছেড়ে আসে। দীর্ঘক্ষণ জ্যামে থাকায় ফার্মগেটের পরে ড্রাইভার উল্টো পথ দিয়ে যেতে শুরু করেন। এরপর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনের সড়কে সেটি আলামিন টুটুলকে ধাক্কা দেয়।

পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও টুটুলের সহকর্মীরা তাকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। ঢাকা মেডিক্যালে কিছু পরীক্ষার পর টুটুলকে আইসিইউতে ভর্তির পরামর্শ দেন চিকিৎসক। তবে সেখানে আইসিইউ খালি না থাকায় মালিবাগের সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজে নেয়া হয় টুটুলকে। সেখানে রাত পৌনে ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

টুটুলের বাড়ি ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায়। ঢাকার রাজাবাজারে ভাড়া বাসায় থাকতেন তিনি। বিজয় সরণির আওলাদ হোসেন মার্কেটের সিএসএল নামে একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চেইন ম্যানেজমেন্ট অফিসার হিসেবে কাজ করতেন তিনি। সিএসএল বিভিন্ন কোম্পানির ক্লিনিং বিভাগে পণ্য সরবরাহ করে।

মামলার বাদী ও টুটুলের বড় ভাই আরিফুল আলম রোববার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ঢাকা ইউনিভার্সিটির বাসের ঢাক্কায় আমায় ছোট ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। এরপর ঢাকা ইউনিভার্সিটির পক্ষ থেকে এখনও কেউ আমাদের পরিবারের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেনি। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’

এ বিষয়ে জানতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানীর ফোনে রোববার কয়েকবার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি।

অন্যদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন ম্যানেজার কামরুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সে সময় (বৃহস্পতিবার বিকেল) শিক্ষার্থীদের ক্লাস বা পরীক্ষার কোনো তাড়া ছিল না। তারপরও ড্রাইভার একক স্বেচ্ছাচারিতায় উল্টো পথে গাড়ি চালিয়েছেন।

‘শিক্ষার্থীরা এ ধরনের কোনো অনুরোধ করেননি। গাড়িগুলো যেহেতু আমাদের নয় তাই আমরা তাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারি না। বিষয়টি আমরা বিআরটিসিকে জানিয়েছি।’

নিহত টুটুলের পরিবারের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো যোগাযোগ করেনি স্বীকার করেন তিনি। তবে কামরুল ইসলাম বলেন, ‘যে ব্যক্তিটি মারা গেছেন তার পরিবারের কাছে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক সমবেদনা জানাব।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে কোনো সহায়তা দেয়া হবে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমাদের এখনও কোনো চিন্তা নেই। যেহেতু এটি বিআরটিসির, শুনেছি তারা এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিচ্ছে। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সহায়তা দেয়ার বিষয়টি নিয়ে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করব।’

বৃহস্পতিবারের দুর্ঘটনার পর উল্টো পথে বাস চালানো বন্ধে নতুন করে কোনো নির্দেশনা দেয়া হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘অনেক আগে থেকেই শিক্ষার্থী এবং ড্রাইভারের সঙ্গে মিটিং করে গাড়ি যেন উল্টো পথে না চালায় সেই নির্দেশনা দেয়া আছে। নির্দেশনাটা অনেকাংশে প্রতিপালিত হচ্ছে। উল্টো পথে গাড়ি চালানোর প্রবণতা আগের চেয়ে অনেক কমে এসেছে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সামাদ রোববার বিকেলে নিউজবাংলার প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে জানান, তিনি ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে সংশ্লিষ্টদের রিপোর্ট দেয়ার নির্দেশ দিচ্ছেন।

অধ্যাপক সামাদ বলেন, ‘বিষয়টি আমি শুনেছি। এটা নিয়ে কিছু করার সময় পাইনি। এখনই আমি এ ঘটনায় বিস্তারিত রিপোর্ট দিতে বলে দিচ্ছি। রিপোর্ট পাওয়ার পর আমাদের করণীয় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেব।’

তিনি বলেন, ‘উল্টো পথে গাড়ি চালানো তো বেআইনি। অপরাধী যে-ই হোক আমরা কোনো ছাড় দেব না। বিশ্ববিদ্যালয় বলে কোনো সহানুভূতি পেতে হবে সেটাও আমরা হতে দেব না। আইন সবার জন্য সমান।’

আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলছেন, বিআরটিসির বাস হওয়ায় তাদের তেমন কিছু করণীয় নেই।

উপাচার্য বলেন, ‘এটি আমাদের গাড়ি নয়। এটি বিআরটিসির গাড়ি, আমরা শুধু ভাড়া নিয়ে চালাই। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব কোনো গাড়ি এ রকম উল্টো পথে চালানোর কথাই নয়। যদি কোনো ড্রাইভার এটি করত আমরা সরাসরি তাকে বাদ দিয়ে দিতাম।’

নিহত ব্যক্তির পরিবারের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে যোগাযোগ বা কোনো সহায়তা দেয়া হবে কি না, জানতে চাইলে তিনি ‘ঠিক আছে, ভালো থেকো’ বলে ফোন রেখে দেন।

তেজগাঁও থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাহ আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক বাসের চালক বজলুর রহমানকে তেজগাঁও থানা পুলিশ আটক করে। ঘটনার পরদিন সকালে ভুক্তভোগীর পরিবার ২০১৮ সালের সড়ক ও পরিবহন আইনে মামলা করেছে। পরে ওই মামলায় চালককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কোর্টে পাঠিয়েছি। তিনি এখন জেলহাজতে।

‘দুর্ঘটনা ঘটার পরপরই ট্রাফিক পুলিশ বাসটি আটক করে। পরে ছাত্ররা অন্য চালক এনে বাসটি নিয়ে যান।’

জিজ্ঞাসাবাদে চালকের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘চালক আমাদের বলেছেন যানজটের কারণে ছাত্রদের চাপে পড়ে তিনি রং রুটে গিয়েছিলেন। এ কারণেই দুর্ঘটনাটি ঘটে।’

আরও পড়ুন:
১০ ডিসেম্বরের সমাবেশ ৭১-এর নৃশংসতাকে মনে করায়: নীল দল
ঢাবিতে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার ম্যাচ দেখানো বন্ধ করলো ছাত্রলীগ
বড় পর্দায় খেলা দেখতে বহিরাগতদের ঢাবির ‘না’
ঢাবির ডাইনিং-ক্যান্টিন তদারকিতে আগ্রহী ভোক্তা অধিদপ্তর
নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবি পূরণে সময় নিলেন ঢাবি উপাচার্য

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Fire started from gas cylinder on ground floor RAB DG

আগুনের সূত্রপাত নিচতলায় গ্যাস সিলিন্ডার থেকে: র‌্যাব ডিজি

আগুনের সূত্রপাত নিচতলায় গ্যাস সিলিন্ডার থেকে: র‌্যাব ডিজি শুক্রবার সকালে বার্ন ইনস্টিটিউটে অগ্নিদগ্ধদের দেখতে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এম খুরশীদ হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা
র‌্যাবের ডিজি এম খুরশীদ হোসেন বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি যে নিচতলার একটি দোকানের সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা সেখানে পৌঁছলেও অন্যান্য সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।’

রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ নামে বহুতল ভবনে আগুনের সূত্রপাত নিচতলায়। একটি দোকানের সিলিন্ডার থেকে আগুন লাগে এবং দ্রুত তা ছড়িয়ে পড়ে।

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক এম খুরশীদ হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।

শুক্রবার সকালে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে অগ্নিদগ্ধদের দেখতে এসে তিনি এসব কথা বলেন।

র‌্যাবের ডিজি বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি যে নিচতলার একটি দোকানের সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা সেখানে পৌঁছালেও অন্যান্য সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। মার্কেটে একটিমাত্র সিঁড়ি থাকায় অনেকে নামতে পারেননি। নিচে নামতে গিয়ে অনেকে পুড়ে গেছেন।’

খুরশীদ হোসেন বলেন, ‘আমরা এখনও তদন্ত শুরু করিনি। ইতোমধ্যে যেহেতু একটি কমিটি গঠন হয়েছে, নিশ্চয়ই তারা বলবে কী কারণে এমন ভয়াবহ অবস্থা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে দায়িত্ব না দেয়া পর্যন্ত আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু করতে পারি না। তবে আমাদের নিজস্ব একটা তদন্ত তো থাকবেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবহার ঝুঁকিপূর্ণ। বাসা-বাড়িতেও আমরা এমন ঘটনা দেখছি। কিন্তু সবাই সবার দায়িত্বটা ঠিকঠাক পালন করলে এসব ঘটনা এড়ানো সম্ভব।’

আরও পড়ুন:
মাকে ইফতার সামগ্রী কিনে দেয়া হলো না জিহাদের
আগুন কেড়ে নিল পাঁচ সদস্যের পরিবারকে
বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ড: পুলিশ সপ্তাহের অনুষ্ঠান বাতিল
বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডে আহতদের কেউই শঙ্কামুক্ত নন
বেইলি রোডের আগুন কেড়ে নিল দুই বুয়েট শিক্ষার্থীর প্রাণ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bailey Road fire Police Week event cancelled

বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ড: পুলিশ সপ্তাহের অনুষ্ঠান বাতিল

বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ড: পুলিশ সপ্তাহের অনুষ্ঠান বাতিল রাজধানীর বেইলি রোডে বৃহস্পতিবার রাতে বহুতল ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ছবি: নিউজবাংলা
মর্মান্তিক এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৪ এর শুক্রবারের আইন-শৃঙ্খলা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা বাতিল করা হয়। সাধারণত এই মতবিনিময় সভার পাশাপাশি পুলিশ কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের গেট টুগেদার হয়ে থাকে।

পুলিশ সপ্তাহ-২০২৪ এর চতুর্থ দিন শুক্রবারের সব ধরনের অনুষ্ঠান বাতিল করেছে পুলিশ সদর দপ্তর। পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন রাজধানীর বেইলি রোডে বৃহস্পতিবার রাতে বহুতল ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ও হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

আইজিপি আগুনের খবর পেয়ে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৪ এর চলমান অনুষ্ঠান সংক্ষিপ্ত করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং উদ্ধার কার্যক্রম তদারক করেন। পুলিশ প্রধান পরে হতাহতদের দেখতে গভীর রাতে বার্ন ইনস্টিটিউট, ঢাকা মেডিক‍্যাল কলেজ হাসপাতাল এবং কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে যান।

এই মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৪ এর শুক্রবারের আইন-শৃঙ্খলা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা বাতিল করা হয়। সাধারণত এই মতবিনিময় সভার পাশাপাশি পুলিশ কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের গেট টুগেদার হয়ে থাকে।

প্রসঙ্গত, বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশের একজন অতিরিক্ত ডিআইজির বুয়েটে পড়ুয়া মেয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা গেছেন।

আরও পড়ুন:
‘লাফ না দিলে আমিও হয়তো পুড়ে কয়লা হতাম’
‘আমার ছেলেটারে একবার দেখতে দাও, ওরে বাসায় নিয়ে যাব’
বেইলি রোডের আগুনে মৃত্যু বেড়ে ৪৬
সাংবাদিক অভিশ্রুতির প্রাণ গেল বেইলি রোডের আগুনে
বেইলি রোডে আগুন: রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Officers of Kachchi Bhai of Bailey Road and two owners of Chumuk were arrested

বেইলি রোডের কাচ্চি ভাইয়ের ম্যানেজার ও চুমুকের দুই মালিক আটক

বেইলি রোডের কাচ্চি ভাইয়ের ম্যানেজার ও চুমুকের দুই মালিক আটক আগুনে পুড়েছে কাচ্চি ভাই রেস্তোরাঁ, প্রাণ গেছে বহু মানুষের। ছবি: নিউজবাংলা
শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) খ মহিদ উদ্দিন এ তথ্য জানান।

রাজধানীর বেইলি রোডের বহুতল ভবন গ্রিন কোজি কটেজে আগুনে প্রাণহানির ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) খ মহিদ উদ্দিন এ তথ্য জানান।

আটক তিনজন হলেন ভবনটির নিচতলার চা-কফির দোকান ‘চুমুক’র দুই মালিক আনোয়ারুল হক ও শফিকুর রহমান রিমন এবং তৃতীয় তলার বিরিয়ানি রেস্তোরাঁ ‘কাচ্চি ভাই’র ম্যানেজার জয়নুদ্দিন জিসান।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগুনে প্রাণহানির ঘটনায় অবহেলাজনিত হত্যার অভিযোগে পুলিশ বাদী হয়ে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে বেইলি রোডের ওই ভবনটি আগুন লাগে, নিয়ন্ত্রণে আসে ১২টার কিছুক্ষণ আগে। এতে এ পর্যন্ত ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Allegation of throwing passenger from moving bus in Barisal

বরিশালে চলন্ত বাস থেকে যাত্রীকে ফেলে দেয়ার অভিযোগ

বরিশালে চলন্ত বাস থেকে যাত্রীকে ফেলে দেয়ার অভিযোগ আহত কালু সরদার। ছবি: নিউজবাংলা
ঘটনার সময় সঙ্গে থাকা শ্যালক মো. সাইদুল বলেন, তারা তিনজন বেপারী পরিবহনের বাসে গৌরনদীর উদ্দেশে রওনা দেন। ভাড়া নিয়ে বাসে তাদের সঙ্গে সুপারভাইজার, হেলপার ও চালকের তর্কাতর্কি ও হাতাহাতি হয়। বাসটি কটকস্থলে থাকার সময় ভগ্নিপতি কালু সরদারকে হেলপার ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন।

ভাড়া নিয়ে তর্কের জেরে বরিশালের গৌরনদীতে চলন্ত বাস থেকে এক যাত্রীকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে ওই যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানান তার স্ত্রী ও স্বজনরা।

বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের কটকস্থল এলাকায় বৃহস্পতিবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।

আহত সৌদি প্রবাসী ৪৬ বছর বয়সী কালু সরদার গৌরনদী উপজেলার পিপড়াকাঠি গ্রামের সেকেন্দার আলী সরদারের ছেলে।

গৌরনদী মহাসড়ক থানার এসআই মো. কামরুজ্জামান এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘বরিশাল নগরীর কেন্দ্রীয় নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে ঢাকাগামী একটি বাসে যাত্রীকে ফেলে দেয়ার খবর পেয়েছি। ঘটনাস্থলে গিয়ে কাউকে পাইনি। শুনেছি আহত যাত্রীকে ঢাকা নিয়ে গেছে।’

অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

কালু সরদারের স্ত্রী নাজনীন বেগম জানান, তার স্বামী পাঁচ থেকে ছয় মাস আগে সৌদি আরব থেকে দেশে এসেছেন। তিনিসহ সাইদুল ও কবির বরিশালের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল নথুল্লাবাদ থেকে গৌরনদীর উদ্দেশে বেপারী পরিবহনের একটি বাসে উঠেন। সেখানে তর্কের একপর্যায় বাস থেকে ধাক্কা দিয়ে কালুকে ফেলে দেয়া হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। প্রথমে তাকে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।

ঘটনার সময় সঙ্গে থাকা শ্যালক মো. সাইদুল বলেন, তারা তিনজন বেপারী পরিবহনের বাসে গৌরনদীর উদ্দেশে রওনা দেন। ভাড়া নিয়ে বাসে তাদের সঙ্গে সুপারভাইজার, হেলপার ও চালকের তর্কাতর্কি ও হাতাহাতি হয়। বাসটি কটকস্থলে থাকার সময় ভগ্নিপতি কালু সরদারকে হেলপার ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন।

এ বিষয়ে বরিশাল জেলা বাস মালিক গ্রুপের সভাপতি অসীম দেওয়ান বলেন, ‘বিষয়টি আমি জানি না। এ ধরনের ঘটনা যদি ঘটে, তবে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গোষ্ঠীগত সংঘর্ষে আহত শতাধিক, আটক ৩৩
কোনো তদবিরেই অবৈধ ক্লিনিক চালু রাখা যাবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
পার্লারে আইফোন খোয়ালেন প্রেমের টানে মাদারীপুরে আসা ইন্দোনেশীয় তরুণী
বাসে বসা নিয়ে ইবি শিক্ষার্থীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ
স্বাস্থ্যসেবা বিকেন্দ্রীকরণ নিয়ে কাজ শুরু করেছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Abducted girl escapes from OCC in Barisal

বরিশালে ওসিসি থেকে পালাল অপহৃত কিশোরী

বরিশালে ওসিসি থেকে পালাল অপহৃত কিশোরী বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান ষ্টপ ক্রাইসিস সেন্টার থেকে পালায় কিশোরী। ছবি: সংগৃহীত
গৌরনদী মডেল থানার ওসি আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমরা ভিকটিমকে উদ্ধার করে নিয়ম অনুযায়ী ওসিসিতে দিয়েছি।’

ফরেনসিক প্রতিবেদনের জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো কিশোরী পালিয়ে গেছে।

কোতোয়ালি মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল জলিল হাওলাদার জানান, বুধবার সকালে ওই কিশোরী ওসিসি থেকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

এ বিষয়ে গৌরনদী মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল জলিল হাওলাদার বলেন, ‘গৌরনদী মডেল থানার একটি অপহরণ মামলার অপহৃত কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়। তার ফরেনসিক প্রতিবেদনের জন্য ২৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গৌরনদী মডেল থানার পুলিশ তাকে ওসিসিতে দেয়।

‘পরে সকালে ফরেনসিক পরীক্ষায় নেয়ার জন্য অনেক খোঁজার পরও তাকে আর কোথাও পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানায় জিডি করা হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘কিশোরী প্রেম করে পালিয়ে বিয়ে করেছে। সে খুব চালাক। তাকে ওসিসিতে দেয়ার সময় তার সঙ্গে অভিভাবক দেয়া উচিত ছিল, কিন্তু তা না দিয়ে শুধু কিশোরীকে দিয়ে গেছে। ওই কিশোরী সুযোগ পেয়ে পালিয়েছে।’

কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আমানুল্লাহ আল বারী জানান, ওসিসি থেকে এক কিশোরী পালিয়েছে। এ ঘটনায় থানায় জিডি করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, যতটুকু তথ্য রয়েছে, কিশোরী তার প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে গেছে। তাকে উদ্ধার ও প্রেমিককে গ্রেপ্তার প্রক্রিয়াধীন।

গৌরনদী মডেল থানার ওসি আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমরা ভিকটিমকে উদ্ধার করে নিয়ম অনুযায়ী ওসিসিতে দিয়েছি। সেখান থেকে পালিয়ে গেলে দোষ তো আমাদের নয়।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two arrested with 18 stolen mobiles of thief and robbery gang in Mymensingh

ময়মনসিংহে ১৮টি মোবাইলসহ চুরি-ছিনতাই চক্রের দুজন গ্রেপ্তার

ময়মনসিংহে ১৮টি মোবাইলসহ চুরি-ছিনতাই চক্রের দুজন গ্রেপ্তার ময়মনসিংহে ডিবি কার্যালয়ে চোর চক্রের গ্রেপ্তার দুজন। ছবি: নিউজবাংলা
ময়মনসিংহ জেলা ডিবির ওসি ফারুক হোসেন জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে নগরের বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত মোবাইল চুরি ও ছিনতাই করে ডিভাইসগুলো কম দামে বিক্রি করতেন।

ময়মনসিংহে বিভিন্ন ব্যান্ডের ১৮টি চোরাই মোবাইলসহ চুরি ও ছিনতাই চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

জেলা ডিবির কার্যালয় থেকে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে বুধবার রাত ১০টার দিকে নগরের দিঘারকান্দা ঢাকা বাইপাস সংলগ্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন ময়মনসিংহ সদরের থানাঘাট এলাকার ২৭ বছর বয়সী মো. মাসুম ও জেলার গৌরীপুর থানাধীন ধেরুয়া কারেহা গ্রামের ২২ বছর বয়সী রেদুয়ান ইসলাম রিফাত।

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলা ডিবির ওসি ফারুক হোসেন জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে নগরের বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত মোবাইল চুরি ও ছিনতাই করে ডিভাইসগুলো কম দামে বিক্রি করতেন।

তিনি আরও জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের সম্পর্কে তথ্য পেয়ে অভিযান চালানো হয়। ওই সময় বিভিন্ন ব্যান্ডের ১৮টি চোরাই মোবাইলসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Job student Khadija was acquitted from two cases

জবি শিক্ষার্থী খাদিজাকে দুই মামলা থেকেই অব্যাহতি

জবি শিক্ষার্থী খাদিজাকে দুই মামলা থেকেই অব্যাহতি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী খাদিজাতুল কুবরা। ছবি: সংগৃহীত
২০২০ সালের অক্টোবরে খাদিজা ও মেজর (অব.) দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে কলাবাগান ও নিউমার্কেট থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দুটি মামলা করে পুলিশ। ২০২২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর খাদিজাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত বছরের ২০ নভেম্বর জামিন পেয়ে কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন খাদিজা।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী খাদিজাতুল কুবরাকে নিউমার্কেট থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের (ডিএসএ) আরেক মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছে আদালত। তবে মামলার অপর আসামি অবসরপ্রাপ্ত মেজর দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পুনঃতদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

অভিযোগ গঠনের মতো কোনো উপাদান না পাওয়ায় বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেয় ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ এম জুলফিকার হায়াতের আদালত।

এর আগে ২৮ জানুয়ারি রাজধানীর কলাবাগান থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলা থেকে খাদিজাতুল কুবরাকে অব্যাহতি দেয়া হয়। ১৪ মাস পর গত বছরের নভেম্বরে কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।

‘সরকারবিরোধী প্রচারণা ও বাংলাদেশের সুনাম ক্ষুণ্ন করার’ অভিযোগে ২০২০ সালের অক্টোবরে খাদিজা ও অবসরপ্রাপ্ত মেজর দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে কলাবাগান ও নিউমার্কেট থানায় দুটি মামলা করে পুলিশ। ২০২২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর খাদিজাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অবশেষে ২০২৩ সালের ২০ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিন পেয়ে কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন খাদিজা।

মামলার এজাহারে বলা হয়, খাদিজা ও দেলোয়ার দেশের বৈধ প্রশাসনকে উৎখাত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী, বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও ঊর্ধ্বতন রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের সম্পর্কে মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানিকর প্রচারণা চালানোর ষড়যন্ত্র করেছেন। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে শত্রুতা, বিদ্বেষ ও বিভেদ সৃষ্টি করে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে চান তারা।

২০২০ সালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাগুলো করার সময় খাদিজার বয়স ছিল ১৭ বছর। কিন্তু তাকে প্রাপ্তবয়স্ক দেখিয়ে মামলা করা হয় বলে তার আইনজীবী জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
জবি শিক্ষার্থী খাদিজাকে এক মামলায় অব্যাহতি
কারামুক্তির পর কেমন আছেন খাদিজা
কারামুক্ত হয়েই পরীক্ষার হলে জবি শিক্ষার্থী খাদিজা
বিনা দোষে প্রায় ১৫ মাস জেল খাটলাম: খাদিজা
জামিনে কারামুক্ত জবি শিক্ষার্থী খাদিজাতুল কুবরা

মন্তব্য

p
উপরে